আমার প্রিয় পোস্ট

১৯৭১ এ মেজর জিয়াউর রহমান

৩০ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:১৮

শেয়ারঃ
0 5 0

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাত্রে হানাদার পাকিস্থানীরা নিরস্ত্র বাঙ্গালিদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে তাদের সমস্ত আক্রোশ নিয়ে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাদের হাতে গ্রেফতার হওয়ার আগমূহর্তে এক গোপন বেতার বার্তায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। মেজর জিয়াউর রহমান ২৭শে মার্চ ১৯৭১ সালে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর পক্ষ থেকে স্বাধীনতা ঘোষনা করেন। তার আগে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের ৮ জন একই ভাবে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে। জিয়ার ঘোষনাটি বিশেষ তাৎপর্যবহ ছিল এই কারণে যে তিনি ছিলেন একজন প্রশিক্ষিত বাঙ্গালী সেনা অফিসার। জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকীতে আজ তাকে স্মরণ করি। চলুন শোনা যাক তার সেই ঘোষনাটি



অনেকেই বলে থাকেন যে জিয়া এই ঘোষনাটি করেছিলেন ২৬শে মার্চ। সেটা আসলে ভুল তথ্য। জিয়া নিজেই বলে গেছেন তিনি কবে কখন এই ঘোষনাটি করেছিলেন। মুনুন তারই কন্ঠে ...

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): জিয়াবঙ্গবন্ধুস্বাধীনতা১৯৭১ ;
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩০ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:২১
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: এই জিনিস নিয়া সারাদিন আছিলেন কই ? সকালেই দেওয়া দরকার ছিল।
জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক নন
৩০ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৩১

লেখক বলেছেন: সারাদিন তো বাইরে ছিলাম, ঘন্টাখানেক আগে আসলাম। লিংকটার জন্য ধন্যবাদ।

২. ৩০ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৩১
রশিক রশীদ বলেছেন: জিয়ার আত্নার মাগিফরাত কামনা করি। জিয়া স্বাধীনতার ঘোষক নন তবে তিনি অন্যতম একজন সেক্টর কমান্ডার। তাই তাকে সম্মান করি।
৩০ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৩২

লেখক বলেছেন: সহমত

৩. ৩০ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৩২
বিপুল গমেজ বলেছেন: জিয়াউর রহমানকে নিয়ে কিছু বলার আগে আমি মনে করি আপনার ৭১ এর গবেষণা গ্রন্থ গুলো পড়া উচিত। যদি ভুল বলে থাকি তাহলে ক্ষমা করবেন।
৩০ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৫

লেখক বলেছেন: ভিডিও গুলা আগে দেখেন তারপর বলেন। সাথে বই এর লিষ্টগুলা দিলে খূশী হবো।

৪. ৩০ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৯
কাজল রশীদ বলেছেন:
তিনি একজন পাঠক মাত্র। অন্য জনের পক্ষ থেকে তিনি ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন। তার আগেই আরেক জন এই ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন। স্বাধীনতার মূল ঘোষণাকারী শেখ মুজিবুর রহমান।
ঘোষক আর পাঠকের মধ্যে অনেক পার্থক ।
৩০ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৬

লেখক বলেছেন: আমার কাছে জিয়ার ঘোষনার তাৎপর্য অন্য খানে। আচমকা আক্রমনে বাঙ্গালী তখন বিপর্যস্ত, বঙ্গবন্ধু আটক পাকিস্থানীদের হাতে। সেই সময় প্রশিক্ষিত একজন সেনা অফিসার যখন বলে স্বাধীনতার যুদ্ধে তারাও সামিল, সেটা অন্য রকম ব্যঞ্জনা দেয়।

৫. ৩০ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৫০
ইউনুস খান বলেছেন: ইউটিউবের লিংকের জন্য প্লাস এবং ধন্যবাদ।
৩০ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও, পড়ার জন্য।

৬. ৩০ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৮
স্বাধিকার বলেছেন: 2nd link e voice ta kar? eta to zia na. r ta chara vdo ta to pura khap chara. ki ki shob dekhai, zia je ghoshona dise ta to dekhai na. ziar interview tao to dekhai pura ek tana. dal me kuch kala hai
৩০ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২২

লেখক বলেছেন: জিয়া যে ঘোষনা দিয়েছে তার কোন ভিডিও ফুটেজ নাই। কারণ ঘোষনাটা ছিল রেডিওতে। বিএনপি তাদের প্রচারনায় যেটি ব্যবহার করে সেটি শুনে মিলিয়ে দেখতে পারেন। সেখানে অবশ্য পূরোটা পাবেন না। এই ভিডিওতে পূরোটা আছে। ২য় ভিডিওটা ইউটিউবে বেশ কয়েকজনই দিয়েছে। দেখতে পারেন।

৭. ৩০ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১১
লুথা বলেছেন: সব করছে মুজিব, বাকি সবাই আঙ্গুল চুষছে... জিয়া কে মুজিববাদীরা কোন দিন মানতে পারবে না... কারন তাদের মতে মুজিব মানুষ না, খোদা...
৩০ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৩

লেখক বলেছেন: এখানে কিন্তু কাউকে খোদা বানোর চেষ্টা করা হয় নাই। ইতিহাসে যা আছে সেটাই তুলে ধরা হয়েছে।

৮. ৩০ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৭
শয়তান বলেছেন: কি লাভ ? আগামি বছরগুলোতেও তো একই প্যানপ্যানানী আবার শুনতে হৈবো । কেননা আপনের আমার মাইকটা সাইজে ছোট কিন্তু মিথ্যুকদের মাইক বিশাল বড় রাখে বরাবরই ।
৩০ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪০

লেখক বলেছেন: লাভ হয়তো নাই। আবার আছেও মনে হয়। কথা তো বললাম প্রমাণ সহ। যদিও কেউ কেউ সন্দেহ প্রকাশ করে ফেলছে এজ ইউজুয়াল।

৯. ৩০ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০২
এম এস জুলহাস বলেছেন: এইটা আবার পোস্টারিংয়ের দরকার আছে ? আমি যে এক নাদান, তাওতো এই সত্যটা জানি।
৩০ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৯

লেখক বলেছেন: অনেকে তো সত্য জেনেও না জানার ভান করে।

১০. ৩০ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫১
নকীবুল বারী বলেছেন: তিনি ট্যালেন্ট লোক আছিলেন এবং মুক্তিযোদ্ধা
৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:০১

লেখক বলেছেন: তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা, দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন।

১১. ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:১৭
মাসুদ রানা* বলেছেন: আমি খুবই কস্ট পেয়েছি যখন দেখছি সামুতে জিয়াউর রহমানকে নিয়ে লেখাগুলি স্টিকি করা হয় নাই তার মৃত্যুবার্ষিকীতেও।

একজন মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক প্রেসিডেন্টের মৃত্যুবার্ষিকীতে তাকে নিয়ে লেখা পোস্টের একটা স্টিকি করা হলে সামু নিরপেক্ষ ব্লগ বলেই পরিচিত হতো।
৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:৫৩

লেখক বলেছেন: আপনার এই আবেগের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করতে পারলাম না। খূবই দূঃখিত।

১২. ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:০৬
প্রবাসী মন বলেছেন: বলেছেন "কথা তো বললাম প্রমাণ সহ। " - কিন্ত সেখ মুজিব যে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন, সেটার প্রমাণ কোথায়?? বলবেন ৭ই মার্চ? তা হলে স্বাধীনতা দিবস তো ৭ই মার্চই হবার কথা। শেখ মুজিব নিজেও তো কখনো বলেননি, যে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন বা ৭ই মার্চের ভাষণই তাই। তিনি তা বলেননি, কারণ উনি ভালো করেই জানতেন, ৭ই মার্চ থেকে ২৫শে মার্চ গ্রেপ্তার হবার আগ পর্যন্ত উনি ইয়াহিয়ার সংগে পাকিস্তানের প্রধান মন্ত্রী হবার দেন দরবার করছিলেন। হয়তো পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পাবার আগ পর্যন্ত সেই স্বপ্নই তিনি দেখেছিলেন.... কারণ উনি জানতেন না দেশে তখন মুক্তি যুদ্ধ চলছে।
৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:৫২

লেখক বলেছেন: "বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাদের হাতে গ্রেফতার হওয়ার আগমূহর্তে এক গোপন বেতার বার্তায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। " - আমি এটা বলেছি, কোথাও বলি নাই ৭ই মার্চের ভাষণ ছিল স্বাধীনতার ঘোষনা। তবে ভাষনটিতে আমার মতে স্বাধীনতা অর্জনের সমস্ত কর্মপদ্ধতি বলা ছিল। যাই হোক। নিচে সেলটিক সাগর তার মন্তব্যে একটা লিংক দিয়েছেন। সেটা দেখলে আরো অনেক তথ্য পাবেন আশা করি।

শেষ একটা কথা বলি। জিয়াউর রহমান ঘোষনাটি দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুর পক্ষ থেকে। এখন আপনিই বলুন - যার পক্ষ থেকে স্বাধীনতার ঘোষনাটি এল তিনি স্বাধীনতার ঘোষক নাকি যিনি কারও পক্ষ তেকে সেটি পাঠ করলেন তিনি স্বাধীনতার ঘোষক ?

১৩. ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:১১
সেলটিক সাগর বলেছেন:
তথ্যবহুল পোস্ট।

জেনারেল জিয়ার আমলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস রচনা করার কাজ শুরু হয়েছিল। অনেক গবেষনার পর ১৯৮২ সালে প্রকাশিত সরকারী দলিলে ২৬শে মার্চের বঙ্গবন্ধুর পক্ষ থেকে দেয়া ভাষনের
কথা আছে। সূত্র: স্বাধীনতার যুদ্ধের দলিলপত্র- তৃতীয় খন্ড(১৯৮২ সংস্করন)।

এছাড়া আরও অনেক প্রমান রয়েছে ২৫ শে মার্চের দিবাগত রাতে বঙ্গবন্ধুর পাঠানো সেই ঐতিহাসিক দলিলের যা জনাব এম এ হান্নান পাঠ করেছিলেন। এই নিয়ে একটি পোস্ট:

বিষয়: বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনার ইতিহাস

বেচে থাকলে জেনারেল জিয়াও এখন লজ্জা পেতেন তাদের নিয়ে যারা তার ঘোষনার তারিখ ২৭ থেকে ২৬শে নিয়ে আসতে চাচ্ছে।
৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার "বিষয়: বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনার ইতিহাস" এই লেখাটার শেষে প্রথম আলোর যে লিংকটা দেয়া আছে সেটা এই মূহুর্তে ফাকা। লেখাটা অন্য কোথাও থাকলে লিংক দেন, প্লিজ।

১৪. ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:১৯
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:


লেখক বলেছেন:

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাদের হাতে গ্রেফতার হওয়ার আগমূহর্তে এক গোপন বেতার বার্তায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।


======

এটা দিয়ে আপনি কি বুজাতে ছেয়েছেন, ক্লিয়ার করুন|

তিনি কি খুব বড় ওয়ারল্যাস স্যাট নিয়ে ঘুরতেন গোপন বেতার বার্তা পাঠানোর জন্য....??

সারে সাত কোটি মানুষের কত জণ সেই বার্তাটা শুনেছেন..???

আর স্বাধীনতার ঘোষনা গোপনে দিবেন কেন..?? সেটাতো সবার জানা দরকার, সারে সাত কোটি মানুষ ও সারা বিশ্বকে জানান দিয়েই স্বাধীনতা ঘোষনা করা দরকার ছিল, তাই নয় কী..??

আর স্বাধীনতার ঘোষনা দেয়ার জন্য তিনি একেবারে গ্রেফতারেরে আগ মুহুর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করছিলেন...???


৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:০৪

লেখক বলেছেন: তার বার্তাটা তৎকালীন ইপিআর এর ওয়্যারলেসের মাধ্যমে পাঠান হয়েছিল। সেটাই চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা হান্নান সহ আরো অনেকেই কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে ঘোষনা করেন। জিয়াউর রহমান ২৭শে মার্চ সেখান থেকে এবং বঙ্গবন্ধুর পক্ষে সেটা প্রচার করেন।

উপরে সেলটিক সাগরের কমেন্টে একটা লিংক আছে সেটাতে আরো তথ্য আছে।

১৫. ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:২৮
সেলটিক সাগর বলেছেন:

নিচের লেখাটা কপি পেইস্ট করা হল সদালাপ থেকে
-------------------------------------------------------

২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষনার বিষয়ে ১৯৭১ সালের অনেক আন্তর্জাতিক নিউজ-মিডিয়া, আমেরিকান বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের নানা রিপোর্ট রয়েছে। যা রিপোর্ট করা হয়েছিল সেটা অবিকৃতভাবে দেয়া হলো
এখানে

লিস্টের কয়েকটি নাম উল্লেখ করা হল রিপোর্টিং ডেইটসহ:

১. আমেরিকান ডিফেন্স ইনটেলিজেন্স এজেন্সী (২৬শে মার্চ, ১৯৭১)

২. আমেরিকান ডিপার্টমেন্ট অব স্টেইট টেলিগ্রাম (৩১শে মার্চ, ১৯৭১)

৩. আমেরিকান সিনেট রিপোর্ট (জুলাই ২৭, ১৯৭১)

৪. নিউ ইয়র্ক টাইমস (২৭শে মার্চ, ১৯৭১)

৫. ওয়াল স্ট্রীট জার্নাল (২৯শে মার্চ, ১৯৭১)

৬. টাইম, নিউজউইক (৫ই এপ্রিল, ১৯৭১)

৭. বাল্টিমোর সান (৪ই এপ্রিল, ১৯৭১)

৮. আমেরিকান ডিপার্টমেন্ট অব স্টেইট- রিসার্চ স্টাডি (ফেব্রুয়ারী ২,১৯৭২)
৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:০৬

লেখক বলেছেন: আবারো ধন্যবাদ।

১৬. ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:৩৪
সেলটিক সাগর বলেছেন: কথা হল এত ঐতিহাসিক তথ্য আর নির্ভরযোগ্য প্রমান থাকার পরও এই বিষয়ে বিতর্ক তৈরী করা হয় কেন? প্রখ্যাত জার্মান বেতার সংস্থা ডয়েশ-ভেলের মতে ''... রাজনৈতিক প্রাধান্য বিস্তারের জন্য ইতিহাস বিকৃতি। মসনদ দখলের জন্য এই বিতর্ক জিইয়ে রাখা হয়েছে। বিতর্কে জয়ী হবার জন্য দলিলপত্র পরিবর্তন করা হয়েছে.. ''

এই বিষয়ে তাদের প্রতিবেদন শোনা যাবে
এখান থেকে

উপরে দেয়া সব লিন্ক, ডকুমেন্ট পড়ার পরও যদি কেউ যদি বিভিন্ন আঙ্গিকে বিতর্ক তৈরী করতে চান তাহলে তার উদ্দেশ্য কি তা বুঝার জন্য ডয়েশ-ভেলের মন্তব্যই যথেস্ট। যারা ইচ্ছাকৃত ভাবে অবুঝ থাকতে চান তারা তা থাকুন, তবে মুক্তিযুদ্ধোত্তর নতুন প্রজন্ম যাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় জন্ম হয়নি তারা সঠিক ইতিহাস জানার চেস্টা করলে সত্যটা জানবেই।
৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:১২

লেখক বলেছেন: উপরে একজনের কমেন্টের উত্তরে বলেছিলাম "আমার কাছে জিয়ার ঘোষনার তাৎপর্য অন্য খানে। আচমকা আক্রমনে বাঙ্গালী তখন বিপর্যস্ত, বঙ্গবন্ধু আটক পাকিস্থানীদের হাতে। সেই সময় প্রশিক্ষিত একজন সেনা অফিসার যখন বলে স্বাধীনতার যুদ্ধে তারাও সামিল, সেটা অন্য রকম ব্যঞ্জনা দেয়।" বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষনা পাঠ করায় মুক্তিযোদ্ধা জিয়ার ভাবমূর্তি এতটুকু ম্লান হয় না। বরং উল্টাটা করতে চাইলেই বরং তাকে খাট করা হয়।

১৭. ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:৫৯
রুবেল শাহ বলেছেন: জিয়া কেডা ?

আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে ঐ ব্যটা কুন পাকিস্তিনি গোরে মারছে কিনা..................
৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:১৫

লেখক বলেছেন: এটা আবার একটু বেশী বলা হলো। জিয়া তার পাকিস্তানী কমান্ডিং অফিসারকে হত্যা করেই অন্যান্য বাঙ্গালী অফিসার আর সৈনিকদের নিয়ে বেরিয়ে আসেন এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে যোগ দেন।

১৮. ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:১১
নাজিরুল হক বলেছেন: তত্ব বহুল পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ।
৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:১৬

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ।

১৯. ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:১৩
সেলটিক সাগর বলেছেন:
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার "বিষয়: বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনার ইতিহাস" এই লেখাটার শেষে প্রথম আলোর যে লিংকটা দেয়া আছে সেটা এই মূহুর্তে ফাকা। লেখাটা অন্য কোথাও থাকলে লিংক দেন, প্লিজ।
=======================================


ধন্যবাদ। নিচে সেই খবরটা কপি-পেইস্ট করে দেয়া হল।



মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন- বঙ্গবন্ধু ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দেন

এপ্রিল ১, ২০০৯

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা বিভাগের গোপন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। গোয়েন্দা প্রতিবেদনটি সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মহাফেজখানা থেকে প্রকাশিত হয়। ফলে দেশের বাইরেও ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার দালিলিক প্রমাণ পাওয়া গেল।

গোয়েন্দা প্রতিবেদনে তারিখ ও সময় লেখা আছে, ২৬ মার্চ ১৯৭১, সময় ১৪টা ৩০। বিষয়: পাকিস্তানে গৃহযুদ্ধ। এতে বলা হয়েছে, ‘এই দিনে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানকে একটি সার্বভৌম ও স্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ হিসেবে ঘোষণা দিলে পাকিস্তান প্রবলভাবেই গৃহযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।’

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ‘ঢাকা ও পূর্বাঞ্চলের অন্যান্য শহরে ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়। বেসামরিক নাগরিক ও পুলিশসহ পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসের ১০ হাজার সদস্য পশ্চিম পাকিস্তানের নিয়মিত প্রায় ২৩ হাজার সদস্যের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পশ্চিম পাকিস্তান থেকে নৌ ও বিমানে করে নিয়মিত সেনা এনে শক্তি বাড়ানো হয়। কঠোর সামরিক শাসন জারি করে ইসলামাবাদ যেকোনো উপায়ে দেশরক্ষার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে। অনেক লোকের প্রাণহানির আগ পর্যন্ত সম্ভবত এ পদক্ষেপ যৌক্তিক কারণে ব্যর্থ হবে।’

প্রতিবেদনটিতে প্রকাশক হিসেবে জন পাভেলস ও প্রস্তুতকারক হিসেবে জন বি হান্টের নাম লেখা আছে। আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক নূহ উল আলম লেনিন প্রতিবেদনটি এই প্রতিবেদকের কাছে দেন।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ঢাকা ত্যাগের আগে বাংলার মাটি রক্তে রাঙিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে যান। বঙ্গবন্ধু ইয়াহিয়ার ঢাকা ত্যাগের খবর পান উইং কমান্ডার এ কে খন্দকার ও লে. কর্নেল এ আর চৌধুরীর মাধ্যমে। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে বঙ্গবন্ধু ইপিআরের ওয়্যারলেসের মাধ্যমে স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাঠিয়ে দেন। পরদিন ২৬ মার্চ এই ঘোষণা সব থানা ও ইপিআর ক্যাম্পগুলোতে পৌঁছে যায়। শাহজাদপুর থানার তৎকালীন ওসি আবদুল হামিদ ওই বার্তাটি পান।

এ ছাড়া স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র যা ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গৃহীত হয়, তাতে বলা আছে, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার অর্জনের আইনানুগ অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ ঢাকায় যথাযথভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন, বাংলাদেশের অখণ্ডতা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আহ্বান জানান, এবং .........’

ঘোষণাপত্রে বলা আছে, ‘এতদ্বারা আমরা আরও সিদ্ধান্ত ঘোষণা করিতেছি যে, শাসনতন্ত্র প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপ্রধান এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম উপরাষ্ট্রপ্রধান পদে অধিষ্ঠিত থাকিবেন, এবং ...’
৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:১৯

লেখক বলেছেন: আশা করি বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত আপনি আপনার প্রশ্নের জবাব পেয়েছেন। সেলটিক সাগর আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

২০. ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:২৩
অচেনা সৈকত বলেছেন: উপরে কয়েকজনের মন্তব্য পড়ে বর্তমান প্রজন্মের মুক্তিযুদ্ধ জ্ঞান নিয়ে শঙ্কিত হলাম। ইতিহাস বিকৃতির প্রভাব কতখানি সুদূরপ্রসারী মন্তব্যগুলো তার প্রমাণ।
৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: প্রথমত সহমত। দ্বিতীয়ত একটু দ্বিমত আছে আমার। যে ঘুমায় তাকে জাগানো যায়, কিন্তু যে জেগে ঘুমায় তাকে জাগাবেন কিভাবে ?

২১. ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৩৪
লুকার বলেছেন:

জিয়াউর রহমান কোন পক্ষে যাবেন, সে সিদ্ধান্ত নিতে শেষ মূহুর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করেছেন। প্রথম বেতার ঘোষনায় তিনি নিজেকে প্রেসিডেন্ট বলেও ঘোষণা দিয়েছিলেন। প্রতিবাদের মুখে পরবর্তী ঘোষণায় তিনি বঙ্গবন্ধুর পক্ষে ঘোষণা দেন।
৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৫১

লেখক বলেছেন: "জিয়াউর রহমান কোন পক্ষে যাবেন, সে সিদ্ধান্ত নিতে শেষ মূহুর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করেছেন।" - সেসব বললে তো জিয়াউর রহমানের আর কিছু থাকেনা। মীর শওকত তো একবার বলেই ফেলেছিলেন তিনি (জিয়াউর রহমার) ড্রামের উপর দাড়িয়ে স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়েছিলেন।

৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৫৯

লেখক বলেছেন: জিয়াউর রহমান সে সময় চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তানী জাহাজ থেকে অস্ত্র খালাস করছিলেন। যে অস্ত্র পরবর্তীতে বাঙ্গালী নিধনে ব্যবহার করা হয়। ২৫শে মার্চে ঢাকায় গণহত্যার খবর চট্টগ্রামে পৌছালে বাঙ্গালী অফিসার আর সৈনিকদের মধ্যে অসন্তোষ দানা বাধতে থাকে। জিয়ার সিও বাঙ্গালী সৈনিকদের নিরস্ত্র করার আদেশ দিলে, জিয়া বিপদ অনুধাবন করেন। এরপর তিনি তাকে হত্যা করে সবাইকে নিয়ে বেরিয়ে আসেন।

২৩. ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৪৬
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: এটা আরেকটা প্রমাণ (কৃতজ্ঞতা অমি রহমান পিয়াল)। পিয়ালের লেখাটা এখানে

২৪. ৩০ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:৫১
আবুল'স বাহার বলেছেন: স্বাধীনতার ঘোষণা আমার বাপে দিছিল, কোন াদারী এই কথার বিরোধিতা করবি আয়

২৬. ৩১ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:১৮
নির্বাক হাসান বলেছেন: আবুল'স বাহার বলেছেন: স্বাধীনতার ঘোষণা আমার বাপে দিছিল, কোন াদারী এই কথার বিরোধিতা করবি আয়

how many sons b.bondu had?
০২ রা জুন, ২০০৯ রাত ১২:২৪

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকেও।

২৮. ২১ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:৫৩
মেঘ বলেছেন: জিয়া - হাহ্ হাহ্....ও একটা জিনিস তারে নিয়ে আবার আলাপ........বেঈমান নাফরমান সব বিশেষণ যার প্রাপ‌্য.......তাকে নিয়ে আলোচনা করার ই কিছু নাই.......একজন জিয়া না থাকলে দেশ স্বাধীন হতো, একজন মুজিব না থাকলে আজকে আমি থাকতাম না। একজন জিয়া না থাকলে দেশে রাজাকাররা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হতো না, দেশ দেখতো না ৭৭ এর হত্যা - সামরিক বাহিনীতে.....একজন জিয়া না থাকলে অনেক নেতিবাচক জিনিসই দেশে হতো না।
সম্মান পাওয়া মুখের কথা নয়.......রি-পেট্রিয়েটরে কিসের সম্মান??
২২ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৮

লেখক বলেছেন: জবাব নাই :)

২৯. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩২
লিবিব বলেছেন: জিয়া - হাহ্ হাহ্....ও একটা জিনিস তারে নিয়ে আবার আলাপ........বেঈমান নাফরমান সব বিশেষণ যার প্রাপ‌্য.......তাকে নিয়ে আলোচনা করার ই কিছু নাই.......একজন জিয়া না থাকলে দেশ স্বাধীন হতো, একজন মুজিব না থাকলে আজকে আমি থাকতাম না। একজন জিয়া না থাকলে দেশে রাজাকাররা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হতো না, দেশ দেখতো না ৭৭ এর হত্যা - সামরিক বাহিনীতে.....একজন জিয়া না থাকলে অনেক নেতিবাচক জিনিসই দেশে হতো না।
সম্মান পাওয়া মুখের কথা নয়.......রি-পেট্রিয়েটরে কিসের সম্মান?? ................Shohomot
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২৬

লেখক বলেছেন: জিয়া কিন্তু এখন ইতিহাসের অংশ। আপনার মন্তব্যের প্রতি সম্মান রেখেই বলছি, সঠিক ইতিহাস জানাটা খূবই জরুরী। আপনি এর থেকে মূখ ফিরিয়ে নিলে আরেকজন এটাকে বিকৃত করার সূযোগ পেয়ে যাবে।

৩০. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫১
আজনবী বলেছেন: আপনার পোষ্টটি প্রিয়তে রাখলাম, নিজের প্রোয়জনে।

জিয়া স্বাধিনতার ঘোষক নয়।

মুক্তিযুদ্ধে তার ভুমিকা ছিল অন্যান্য সামরিক কর্মকর্তার মত, সেটা স্বীকার করি। কিন্তু ১৯৭১ এর আগে কে চিনত তাকে? বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ক্ষমতা দখলের পূর্বে কি তার কোন বিশেষ গুরুত্ব ছিল? তার ভুমিকা কি খন্দকার মোসতাকের মত নয়?

ইতিহাস বিকৃত করে তাকে যারা স্বাধিনতার ঘোষক বানাতে চায়, তারা প্রকৃত অর্থে জিয়া ভুমিকাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে।

আমার প্রশ্ন হল জিয়া যদি এদেশে জন্মানোর সৌভাগ্য না পেত, সে যদি মুক্তিযুদ্ধে অংশ না নিতে পারত তবে এ দেশ কি স্বাধিন হত না?

একজন অখ্যাত মেজরের হঠাৎ আহবানে সাড়া দিয়ে বাঙালি স্বাধিনতা অর্জন করেনি।

স্বাধিনতা একটি বহু বছরের দীর্ঘ প্রকৃয়ার ফসল, আর এই দীর্ঘ প্রকৃয়ার নেতৃত্বের দায়িত্বভার বহন করেছেন বাঙ্গালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান, যিনি এ দেশে জন্ম না হলে বঙ্গালি জাতির ভাগ্যে আল্লাহ কি লিখত তা ভাবার সাধ্য আমাদের নেই।
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ...

৩১. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৪৮
াহো বলেছেন: Prime Minister Tajuddin Ahmad

First address of Prime Minister Tajuddin Ahmad, broadcast by Swadhin Bangla Betar Kendra(April 1971)

Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman declares independence on 26 March 1971
Click This Link
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য ...

৩২. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫০
াহো বলেছেন: জিয়াউর রহমানের নিবন্ধ Birth of a Nation (March 1974) PDF Print E-mail
Written by Administrator
Sunday, 03 January 2010 01:09


জিয়াউর রহমানের নিবন্ধ Birth of a Nation (March 1974)

http://bangladesh-71.info/file/ziaBichitra.pdf

According to Zia,
Non Coperation movemant started at March under the leadership of 'father of the nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman'.


--------------------------------------------------------------------------------------------------------

Prime Minister Tajuddin Ahmad

First address of Prime Minister Tajuddin Ahmad, broadcast by Swadhin Bangla Betar Kendra(April 1971)

Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman declares independence on 26 March 1971
Click This Link
-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ ঢাকায় যথাযথভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন,

যেহেতু উল্লিখিত বিশ্বাসঘাতকতামূলক কাজের জন্য উদ্ভূত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমান জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার অর্জনের আইনানুগ অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ ঢাকায় যথাযথভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন, এবং বাংলাদেশের অখণ্ডতা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য বাংলাদেশের জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান; এবং

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
মুজিবনগর, বাংলাদেশ
তারিখ: ১০ এপ্রিল ১৯৭১
Click This Link


http://bangladesh-71.info/portal/
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩৯

লেখক বলেছেন: আবারও ধন্যবাদ ...

৩৩. ১২ ই জুন, ২০১০ রাত ৮:২৮
মুক্ত মণ বলেছেন: Mr Mujib did not care about our freedom. He was not a freedom fighter. All he cared about is the position of prime minister of pakistan. We did the war without him. He was coward. He came back in 1972 and became the president. উড়ে এসে জুড়ে বসা আর কি।
১৪ ই জুন, ২০১০ রাত ১১:১৫

লেখক বলেছেন: জ্বি, যথার্থই বলেছেন। মুজিব নিজে যুদ্ধ করে নাই, পাকিস্তানের কারাগারে বসে বসে মজা দেখছিল। যেই বাংলাদেশ স্বাধীন হলো অমনি উড়ে এসে জুড়ে বসলো।

গালি দিলে আমার মূখটাই ব্যথা করবে ...

৩৪. ২৮ শে মার্চ, ২০১১ রাত ১:৫৭
মাহমুদ ইমতিআজ বলেছেন: দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭১ সালে ২৬শে মার্চ কালুরঘাট থেকে প্রচারিত স্বাধীনতার ঘোষণা সর্ম্পকে সরকার ও আওয়ামী লীগের তরফ থেকে পর্যায়ক্রমে কয়েকটি কাহিনী প্রচার করা হয়।
প্রথম গল্পটি ছিল: ২৫শে মার্চ দিবাগত রাতে গ্রেফতারের পূর্বক্ষণে চট্টগ্রামের জহুর আহ্‌মদ চৌধুরীকে টেলিফোনে শেখ মুজিব স্বাধীনতার ঘোষণা বাণীটি পাঠিয়ে ছিলেন। কিন্তু সামরিক অভিযানের প্রাক্কালে সকল প্রকার টেলিফোন যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। অতএব ঐ গল্প ধোপে টিকেনি।
দ্বিতীয় গল্পে বলা হয়: ওয়্যারলেসের মাধ্যমে (?) চট্টগ্রাম বন্দরে অবস্থানরত একটি অষ্ট্রেলিয় জাহাজের ক্যাপ্টেনকে স্বাধীনতার ঘোষণা জানানো হয়। ঐ ক্যাপ্টেন নাকি জনাব জহুর আহ্‌মদকে শেখ মুজিবের সেই ঘোষণা বাণী পৌঁছে দিয়েছিলেন! চট্টগ্রামের কোন লঙ্গর করা জাহাজের সাথে ঢাকায় বসে ওয়্যারলেস সংযোগ প্রতিষ্ঠা করা কোনভাবেই তখন সম্ভব ছিল না। কারণ ঐ সময় চট্টগ্রাম বন্দরে ইপিআর ও বেঙ্গল রেজিমেন্টের বাঙ্গালী সৈনিকদের সাথে পাক বাহিনীর লড়াই চলছিল। তাছাড়া ঢাকার ওয়্যারলেস সেন্টারসহ সবগুলো যোগাযোগ কেন্দ্র তখন পুরো মাত্রায় খানসেনাদের অধিনে। সুতরাং এ গল্পও সারহীন প্রমানিত হয়।
শেষ গল্পে বলা হয়: চট্টগ্রাম ইপিআর-কে জানানো হয়েছিল সারা দেশে স্বাধীনতার ঘোষণা বা বাণী প্রচারের জন্য। ‘স্বাধীনতার যুদ্ধের ইতিহাস’ নামক প্রকাশনায় এই কাহিনীটিই নথিবদ্ধ করা হয়েছে।
কিন্তু একটুখানি যুক্তি দিয়ে বিশ্লেষন করলেই বুঝা যায় এ কাহিনীটিও আষাঢ়ে গল্প মাত্র।
প্রথমত: ঢাকার সাথে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগ মাধ্যমগুলো যথা:- টেলিফোন, টেলিগ্রাফ, ঢাকা বেতার, ওয়্যারলেস সমস্তই তখন সম্পূর্ণরূপে পাক বাহিনীর নিয়ন্ত্রনে। এবার দেখা যাক ঢাকা ইপিআর এর মাধ্যমে চট্টগ্রাম ইপিআর-কে নির্দেশ পাঠানোর প্রশ্নটি। ঢাকা ইপিআর যদি শেখ মুজিবের নির্দেশে স্বাধীনতার ঘোষণা চট্টগ্রাম পৌঁছাতে পারে তাহলে ঢাকা ইপিআর-কেইতো ঢাকা থেকেই সারা বাংলাদেশে ঐ ঘোষণা প্রচার করার জন্য বলা যেত! তাছাড়া সবারই জানা ছিল ঢাকা ইপিআর-এর হেডকোয়ার্টার এবং পিলখানা সিগন্যাল সেন্টার ২৩শে মার্চেই আর্মি দখল করে নিয়েছিল। তারপরও কথা থাকে। চট্টগ্রামের ইপিআর-এর দায়িত্বে ছিলেন তখন বাঙ্গালী তরুণ অফিসার ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম। যে সমস্ত বাঙ্গালী অফিসারদের সাথে একত্র হয়ে মেজর জিয়াউর রহমান ২৬শে মার্চ রাতে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন তাদের মধ্যে ক্যাপ্টেন রফিক ছিলেন অন্যতম। পরবর্তী পর্যায়ে ১নং সেক্টরে তিনি যুদ্ধ করেন। স্বাধীনতার পর তাকে হঠাৎ করে সেনা বাহিনী থেকে অবসর দেয়া হয়। মুক্তিযুদ্ধের উপর ক্যাপ্টেন রফিক একাধিক গ্রন্থ লিখেছেন। কিন্তু কোথাও তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা বাণী ঢাকা থেকে পাবার ব্যাপারে কিছু লেখেননি। কেন? সর্বোপরি স্বাধীনতার ঘোষণা সত্যি সত্যি ঢাকা থেকে পাঠানো হয়ে থাকতো সেই ক্ষেত্রে মেজর জিয়া তার প্রথম ভাষণে নিজেকে অস্থায়ী সরকার প্রধান হিসাবে ঘোষণা দিয়েছিলেন কোন যুক্তিতে? তারপরও প্রশ্ন থাকে। চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের তৎকালীন আরেক নেতা আবদুল হান্নান যিনি ৩০ মার্চ চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে একাধিকবার বক্তব্য প্রচার করেছেন, তিনিই বা কেন তার প্রচারণায় একবারও উল্লেখ করলেন না স্বাধীনতার ঘোষণা বাণী ঢাকা থেকে পাবার কথা? অতএব, ২৬শে মার্চ মেজর জিয়াই যে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে সর্বপ্রথম স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন এই ধ্রুব সত্যকে শত চেষ্টা করেও কোন যুক্তি দিয়েই খন্ডানো সম্ভব নয়।
৩৫. ৩০ শে জুন, ২০১১ রাত ৯:৪৯
আবুশিথি বলেছেন: জিয়াই স্বাধীনতার ঘোষক। সংক্রিনোরা না মানলে আমাদের কিছু ছিরেনা।
৩৬. ০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ৮:১৪
নভোচারী বলেছেন: ভিডিওটা আগেই দেখেছি। জিয়া নিজের মুখে যেখানে তারিখ বলে গেছেন সেখানে অন্যরা এ নিয়ে বিতর্ক করা অনর্থক।
৩৭. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:৪৭
জীবনকেসি বলেছেন: ইতিহাস ধুইয়া খাইলে পেট ভরবে না। কাজই প্রমান । শেখ মুজিব, জিয়া দুজনেই আলোচনা সমালোচনার অনেক উপরে। আমরা ভাদা বাংগালীর মুখে ওদের নাম উঠার আগে গোসল দরকার। ওরা জীবন দিয়েছে দেশের জন্য। আজ আমরা তাদের মাথা বিক্রি কইরা খাচ্ছি। নিজেরা একটু দেশপ্রেম দেখাতে পারেন না?
ঘুষ খাওয়া বন্ধ করুন। নিজের দায়িত্ব পালন করুন। বিদেশী পন্য বর্জন করুন। সত্য কথা বলুন। যারা মিথ্যা বলে তাদের ধিক্কার দিন। নিজ নিজ অবস্থানে দেশের কথা ভাবুন।
জিয়া-মুজিব নিয়ে টানাটানি করবেন না। ওদের একগাছি বাল এর সমান যোগ্যতাও আমাদের নেই। তারাতো টেন্ডারবাজি, চাদাবাজি,মাগিবাজি,খুনখারাবি করে নাই।
লেখককে ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৬৪২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ছবিওয়ালা
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ