কোন খবর নাই। হাতে হ্যারিকেন নিয়ে খূজেও পাওয়া যাচ্ছে না কাউকে। অথচ গত কয়েক সপ্তাহ কি যন্ত্রনাই না পেতে হয়েছে। সময় নাই অসময় নাই। বিশেষ করে ব্রাজিল যেদিন হল্যান্ডের কাছে হেরে গেল পরবর্তী প্রায় ২৪ ঘন্টা তো এদের আচরণ বুকে শেলের মতো বিধেছে। দূঃখু দূঃখু মূখ করে সামনে আসে যেন আমার শোকে কত নাই না কাতর, তারপর দেয় মোক্ষম একটা মুচকি হাসি। যেন একেবারে মিছরির ছুড়ি। চোখ কটমট করলে আরেক বিপদ। হাসি আকর্ণ বিস্তৃত হয়ে ৩২ পাটি দাঁত বের হয়ে পড়তো। কি আর বলবো !!!
এখনও বুঝতে পারেন নাই ? ব্রাজিল, ব্রা ছাড়া জিল, ব্রা জিল কত রকম ভাবে ত্যক্ত করেছে এ কয়টা দিন। কিছুই বলি নাই। সব মূখ বুজে সহ্য করেছি। অথচ ওদের কান্ড টা দেখেন। ভিকারুন্নেসার ছেমড়িদের ব্যবহার করা স্কুল ড্রেস, মানে সালোয়ার-কামিজ দিয়ে ফ্ল্যাগ বানিয়ে ছাদে উড়াচ্ছে কিংবা জার্সি বানিয়ে দিব্বি ঘূরে বেড়াচ্ছে। শরমও করলো না একটুও। কাপড়-চোপর গুলো ধূয়ে-টুয়ে নিয়েছিলো কিনা তাই বা কে জানে। আর একেক জনের সে কি বাগাড়ম্বর। ক্লাব টূর্নামেন্টে ৪৭ গোল দেয়া প্লেয়ার আছে, ঈশ্বর এর হাতওয়ালা কোচ আছে। আরও কত কি।
আর এখন - কোন টুঃ শব্দও নাই। ৪৭ গোল দেয়া মেসি কি অবলীলায় মুছে গেল, একটাও গোল দিতে পারে নাই। ঈশ্বরের হাতওয়ালা কোচ ম্যারাডোনা খালি চেয়ে চেয়ে দেখলো জার্মানরা কি সুন্দর করে পা দিয়ে চার চারটা গোল আর্জেন্টিনার জালে জড়িয়ে দিল। খেলার পর থেকে অকাল কুষ্মান্ড এই সাপোর্টরদের টিকির দেখাও পাচ্ছিনা।
দেখেছেন নাকি কেউ ?
পেলে কি করবো ? তেমন কিছু না। আগে ঘাড়ে একটা দিতাম তারপর বলতাম আস একসাথে বসে বাকি তিনটা খেলা দেখি আর গোল হলেই শাকিরার সাথে নাচি ...
ওয়াকা ! ওয়াকা !!
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১০:৫৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




