যে প্রক্রিয়ায় এ্যানিমেশন তৈরি হয়:
টাইম লাইনে স্থাপিত ফ্রেমগুলো স্টেজে বিদ্যমান অবজেক্টের অবস্থা ও অবস্থান সম্পর্কিত তথ্য ধারণ করে। কোন অবজেক্ট এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সরে যাওয়া, আকারে ছোট-বড় হওয়া, অবজেক্টের রং পরিবর্তন হওয়া ইত্যাদি কাজগুলো পর্যায়ক্রমিকভাবে সংঘটিত হলে স্থির একটি অবজেক্টকে সচল দেখা যায়। এটিই এ্যানিমেশন। কাজগুলো বিভিন্নভাবে বিভক্ত করে সম্পন্ন করা হয়। প্রতিটি ভাগ দুটি কী-ফ্রেম দ্বারা নির্ধারিত থাকে। শুরুর কী-ফ্রেম ও শেষের কী-ফ্রেম। শুরু এবং শেষের কী-ফ্রেমের মধ্যবর্তী ফ্রেমে অবজেক্টের পরিবর্তন হয়। যেমন: ছোট থেকে বড় হওয়া, রং পরিবর্তন হওয়া ইত্যাদি।
ফ্রেমের ধরণ চেনার উপায়:
টাইমলাইনের ভরাট বৃত্তগুলো হচ্ছে কী-ফ্রেম। যা এফ৬ দিয়ে আনতে হয়।
দু’টি কী-ফ্রেমের মাঝখানের ফ্রেমগুলোকে সাধারণ ফ্রেম বলে। এফ৫
টাইমলাইনের যে ফ্রেম ভরাট নয় সেটি খালি ফ্রেম। এফ৭
টাইমলাইনে ফ্রেম যোগ করতে হলে এফ৫, এফ৬, এফ৭ চাপতে হবে। আর ফ্রেম কমাতে হলে সিফট এফ৫ চাপতে হবে।
ফ্রেমে ফ্রেমে এ্যানিমশেন : পাশাপাশি কী-ফ্রেমে অবজেক্ট স্থাপন এবং প্রতিটি কী-ফ্রেমে অবজেক্টর আকার-আকৃতি ও অবস্থান পরিবর্তন করে গতিশীলতা সৃষ্টি করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেমে ফ্রেমে এ্যানিমশেন বলা হয়। এ ধরনের এ্যানিমেশন করতে হলে-
প্রথমে একটি বৃত্ত তৈরি করতে হবে।
এরপরের ফ্রেম সিলেক্ট করে এফ৬ চাপ দেয়ে ফ্রেম যোগ করতে হবে। দ্বিতীয় কী-ফ্রেমটি প্রথম কী-ফ্রেমের অবজেক্টকে ধারণ করবে। এ্যানিমেশন এর জন্য দ্বিতীয় কী-ফ্রেমের আকার-আকৃতি বা রং পরিবর্তন করব। একই প্রক্রিয়ায় পরবর্তী কী-ফ্রেম যোগ করতে হবে এবং প্রতিটি কী-ফ্রেমের অবজেক্ট পরিবর্তন করতে হবে।
এ্যানিমেশনটি দেখার জন্য প্রথম কী-ফ্রেম সিলেক্ট করে কন্ট্রোল ও এন্টার চাপ দিতে হবে।
বিস্তারিতঃ ০১৭১১-৪২৪৪৯০ (সকাল ৯টা - বিকাল৬টা)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


