আমার প্রিয় পোস্ট
- নতুন GREর আদ্যোপান্ত - আসিফ মুভি পাগলা
- আস্তিক নাস্তিক ইস্যুতে হঠাৎ সামু অস্থিতিশীল, মাঝখান দিয়ে লাভবান কারা? - বৃত্তবন্দী
- বিদেশ থেইক্যা আইস্যা ওরা করতে পারে আমরা পারি না ক্যান??জাতির বিবেকের কাছে একটি ক্ষুদ্র প্রশ্ন?? - মুরাদ-ইচছামানুষ
- মাকসুদের গানে স্বাধীনতা বিরোধীদের স্বরূপ উদঘাটন করুন - সাদাচোখ
- বাংলার বীরশ্রেষ্ঠঃ হামিদুর রহমানের ৩৯তম শাহাদাত বার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি... - ভাস্কর চৌধুরী
- ভ্রমন বিলাসঃ ৪ (যশোর ভ্রমন - এক্সক্লুসিভ মধু কবি'র বাড়ির ছবি) - নিশম
- বি কে দাস রোড, ফরাশগঞ্জ- অবহেলিত ঐতিহ্য - আহাদিল
- খালেদা জিয়া'র জন্মদিনের ডকুমেন্টস - সেলটিক সাগর
- রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহকে লেখা তসলিমা নাসরিনের চিঠি - আপেল মাহমুদ তপু
- বাংলাদেশের প্রায় সকল পর্যটন স্হানের ছবি ব্লগের সংকলন (শত তম পোষ্ট ) - শ।মসীর
- ঢাকায় থাকি (ছবি ব্লগ) - মুহম্মদ জায়েদুল আলম
- ছবি ব্লগ : বঙ্গবন্ধু সমাধিসৌধ (টুঙ্গীপাড়া) - অন্যআলো
- HELLO WORLD! আমি বাবা হলাম। কী যে অসম্ভব সুখের অনুভূতি! (-মারুফ হায়দার নিপু) - মারুফ হায়দার নিপু
- জাফর ইকবাল স্যারের যত বই, প্রায় ৬৪টি বই ডাউনলোড করুন এদম ফ্রী - বখতিয়ার হোসেন
- ই-বুক কালেকশন মাসুদ রানা সিরিজ - নাজির
- হ্যাক হওয়া শিক্ষাবোর্ডের বইগুলো যদি পেতে চান - ফরিদ
- ব্লগে এক যুদ্ধাপরাধী-কন্যার বিষাক্ত বিচরণ : পিতার কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হোন - ফিউশন ফাইভ
- আলোচনা পোস্টঃ ছাগু বিরোধি ফাইটারদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি - শয়তান
- মুজাহিদ বচন : যেদলের নেতা চরম মিথ্যাবাদী, সেই দলের সদস্যরা কিভাবে সত্য বলবে? - টেকনলজী
- এক নিরীহ গৃহবধু থেকে বীরাঙ্গনা নারীর কাহিনী - রাজসোহান
- ২৫মার্চ কালো রাতঃ জগন্নাথ হলের গণহত্যা থেকে অলৌকিকভাবে রক্ষা পাওয়া প্রতক্ষ্যদর্শী বিবরণ - রাহা
- বাংলা ব্লগে জামাতের ভাড়াটে ব্লগারদের প্রচারনা - বিপরীত স্রোত
- মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমার ১০টি প্রধান বদভ্যাস জনিত কারণ

- কঠিন চিজ
- ইলেক্ট্রনিক্স কত সোজা
- ধূসর গাংচিল
- [Khona] খনা, জনভাষ্যে মিশে থাকা আমাদের লোকভাষ্যকার…।১ম পর্ব |-(রিপোস্ট সংরক্ষণ) - রণদীপম বসু
- ছবি ব্লগ : সংসদে মারামারি ! - আশাবাদী মানুষ
- আমার স্মৃতিতে হুমায়ুন আজাদ: যেভাবে তাকে হাসপাতলে নিয়েছিলাম এবং পরবর্তী ঘটনাগুলো... - হাসান শরিফ
- কুয়াকাটা নিয়ে একটি ছবি ব্লগ... - আকাশদেখি
- কয়েকটি মজার ছবি ও একটি কৌতুক (১৮+) - কুঙ্গ থাঙ
- আসুন শিখে নেই হরেক রকম জুতার ফিতার বাধন - কুঁড়ের বাদশা
- দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট ও লন্ড-ভন্ড শহীদ মিনার - টিংকু ট্রাভেলার
- ৩০ মিনিটের ভাষা আন্দোলন এবং গ্রামীণ ফোনের ”কাছে থাকা”! - দিনমজুর
- পাহাড়ের কান্না যে আগুন জ্বালিয়েছিলেন শেখ মুজিব, তাতে ঘি ঢেলেছেন জিয়া, ফু দিচ্ছেন খালেদা, ষড়যন্ত্রে পাকা খেলোয়ার আছে একটি বাহিনী, আছে বাঙালি নামে একদল পরগাছা সেটেলার শিখন্ডি। শেখ হাসিনা কি তা নিভাতে পারবেন? আমার দুটো প্রস্তাব - মধুখোর
- এডিসন বনাম ওয়েস্টিংহাউস : এসি ডিসির যুদ্ধ - উম্মু আবদুল্লাহ
- ম্যানহোলে লাশ, হায়েনার হাসি - প্রতিবিপ্লবী
- ঐতিহাসিক কিছু ঘটনার পত্রিকা শিরোনাম - চাররঙা রঙিন-কষ্ট
- একটি মৃত্যু আর আমার যত আক্ষেপ - ডাক্তার আইজউদ্দিন
- ঊনসত্তুর থেকে পচাঁত্তুর-'৭১এ যাদের বয়স তিনের কম ছিল তাদের থেকে সামুর কনিষ্ঠতম ব্লগারটিকে উৎসর্গীকৃত-পর্ব ৩ - ত্রিশোনকু
- আসুন মাথাঢা ঠান্ডা কইরা বুর্জ খলীফার কিছু ছবি দেখি - টেকি মামুন
- অপরবাস্তব- ৪ এর প্রকাশনার সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করুন, ২০০৯ এ লেখা আপনার সেরা পোস্টটির মনোনয়ন দিন - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- বুয়েটের পোলারা দেশের বাইরে কেনো যায়? আর যায়ও যদি, পোলাগুলা ফিরা আসে না কেনো? - হাল্ক
- একজন সফল মানুষের নয়টি গুন ! ! ! - পাপী
- সাম্প্রতিক মন্তব্য করেছি লিস্টের এক্সটেন্ডেড ভার্সন - বস্তাপচা
- প্রকাশিত হল ই-সংকলন 'ব্লগারদের প্রিয় কবিতা' - ব্রিগেড সিক্সটিন
- ব্লগারবৃন্দ , সময় থাকতেই সতর্ক হউন ( সচিত্র ) - আনিক
- ফ্যান্টাসী – আশি দিনে বিশ্বভ্রমন -> কোথায় কোথায় ঘুরবেন? - আকাশনীল
- কিছু অমোঘ বাণী যা আপনার জীবনের চিন্তাভাবনাকে বদলে দিতে পারে - ১ - পাপী
- বয়স্কদের সরিয়ে দিয়ে যুবতী এবং সুন্দরীদের সবার সামনে ধর্ষন করে । আমার আপন চাচীকেও ওরা ধর্ষন করে ............ - ব্লগেস্ট তৌহিদ
- ইশ্বরবিশ্বাস ও ধর্মবিশ্বাসের রকমফের আছে; প্রচলিত কোন ধর্মবিশ্বাসের প্রতি আনুগত্য না থাকলেই কেউ ধর্মবোধহীন হয়ে যান না। - দস্যু বনহুর
- মুনাফিক মওদুদী - তুষারপাত
- ছাগুরামের ইসলামোফোবিয়া (ইসলামের তলে আসল চেহারা) - আঠারো বছর বয়স
- বাকশাল, বঙ্গবন্ধু ও আমার ব্যক্তিগত বিশ্লেষণ - বিবর্তনবাদী
- জরুরি রক্তের সন্ধান - মহসিন০৮
- ১৮+ কৌতুক প্লিজ ব্যান করবেন না, অথবা করার ইচ্ছা থাকলে ,একটা কারণ দর্শাও নোটিশ পাঠাবেন।এক্সট্রিমলি ম্যাচিউরডদের জন্য। - বিলাল
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- প্যারিস ভ্রমনকারী'দের জন্য একটি গাইড পোস্ট - শাওন
- মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরঃ ইতিহাসের আলোয় সত্যের সন্ধান। - জুল ভার্ন
- পাকিস্তানের জন্য গোলাম আযমের আক্ষেপ ফুরাবে না! - শওকত হোসেন মাসুম
- ত্রিভুজের কিছু প্রশ্নের উত্তর আমি যেমন জানি - জমির মাতব্বর
- একটি মর্মস্পর্শি পত্র!(সাবধানতা-খুবই সিরিয়াস পোস্ট,চোখের পানি ফেলা আবশ্যক) - হাসান মাহবুব
- অভিমান: আমার লেখা ব্ল্যাক-এর সেই অভিমানী গান ... - ইমন জুবায়ের
- বলধা গার্ডেন এর কিছু ছবি - শ।মসীর
- সে দিন অপরাজেয় বাংলার দিকেও তাক করে রাখা ছিল একটা ট্যাংন্ক... - লাল দরজা
- ১৫ অগাস্ট EXCLUSIVE:হাতে লেখা লাশের অফিসিয়াল লিস্ট ও গেজট - এ. এস. এম. রাহাত খান
- এই দাসপ্রথা কি বন্ধ হবে না? - রাহা
- বঙ্গবন্ধু : তার নামে গর্জেছিলো বন্দুক, এখন গর্জায় তার কাঁধে - অমি রহমান পিয়াল
- আমার স্মৃতিতে হুমায়ুন আজাদ: যেভাবে তাকে হাসপাতলে নিয়েছিলাম এবং পরবর্তী ঘটনাগুলো... - হাসান শরিফ
- আমার স্মৃতিতে হুমায়ুন আজাদ: যেভাবে তাকে নিয়েছিলাম হাসপাতালে এবং পরবর্তী ঘটনাগুলো... - হাসান শরিফ
- প্রবাসের পথে... (৩) জাপানীজ কিমোনো... - নতুন রাজা
- দালাল বুদ্ধিজীবি বিষয়ক একটি উদ্দেশ্যমূলক পোস্টের জবাবে - অমি রহমান পিয়াল
- সিংগাপুর টুর আর অদীতি - আরিয়ানা
- উইন্ডোজ একটিভ করতে পারেন কোন সফটওয়ার বা ক্র্যাক ছারা ই - নাজিরুল হক
- ছবি ব্লগ নারিন্দা গ্রেভ ইয়ার্ড - সৌম্য
- বিবাহিত জীবনের তৃতীয় বছরে নতুন মুখের স্বপ্নে আমরা চিন্তিত। - আল্লাহ রাখা
- কলো টাকা সাদা করার ইতিহাস (বাংলাদেশ চ্যাপ্টার) - চয়ন
- নিজের পায়ে নিজে কুড়ুল মারবেন না - লেখাজোকা শামীম
- জেনারেল অরোরার কাছে পাকিদের আত্মসমর্পণ এবং সে অনুষ্ঠানে ওসমানীর অনুপস্থিতি প্রসঙ্গ - নুরুজ্জামান মানিক
- বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাফল্যের জন্য সামু ব্লগারদের জন্য সামান্য আয়োজন (ভোরের দিকে নেট লাইন না থাকায় দেরি হলো..দুঃখিত) - জেনন
- মেমোরি প্রশিক্ষন - কিভাবে সব কিছু মনে রাখবেন - শ্রাবনের ফুল
- ক ব র - জসীমউদ্দীন - ইউটার্ন
- স্মৃতির পাতা জুড়ে প্রিয় চৌধুরী জাফরুল্লাহ শরাফত - সীমান্ত আহমেদ
- বিভিন্ন দেশে সূর্য্ গ্রহনের চিত্র দেখুন। - সিটিজি৪বিডি
- আমার শিবির অভিজ্ঞতা - ব্লুজ
- আবারও ইতালী - এবারের শহর ফ্লোরেন্স এবং পিসা। কিছু ছবি ১৮+ - সীমন্ত ইসলাম
- আমার পড়া একুশটি ভালো বাঙলা-উপন্যাসের তালিকা-২ - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- আইপি এড্রেসিং - অনলাইন বিডিও টিউটোরিয়াল - ছুক্কুরালী
- M.Z.I. বাঙ্গালী জাতিকে কি দেন নাই !! কারও কংকালে শেওলা গজানোর লিগা না, নিতান্তই ফান পুষ্ট
- রোহান
- প্রসঙ্গঃ আরব-অনারব,শিয়া-সুন্নি এবং সেমেটিক-এন্টিসেমেটিক। - চিলে কোঠার সেপাই
- আমার দেখা সেরা গ্যাংস্টার মুভিগুলো - অপরিচিত_আবির
- ঐতিহাসিক শহর রোম - অল্প কয়েকটা দিনে যেমনটা দেখেছি। সাথে কিছু ছবি থাকছে বোনাস হিসাবে। - সীমন্ত ইসলাম
- ভারত ভ্রমন- কলকাতা টু গোয়া - কলকাতা পর্ব ( ভিক্টোরিয়া থেকে রবীন্দ্রনাথ ,পলাশী থেকে মহীশূর) - শ।মসীর
- “ভালোবাসার কাজটি খুঁজে নিতে হবে” – স্টিভ জবস এর বিখ্যাত সমাবর্তন বক্তৃতা - বিলাশ বিডি
- জীবনকে কি করে সুন্দর করবেন,করবেন আরো সাচ্ছ্যন্দময় ,দেখুন চিত্রে চিত্রে......(১) - ওপেল
- লিওনার্দো দা ভিঞ্চির উপর প্রামাণ্য চিত্র এবং অনলাইনে তার সমগ্র চিত্রকর্মের লিংক - তর্পন
- একটি জিনিস বানাতে দীর্ঘ সময় নিলেন ঈশ্বর। কি সেই জিনিস!!....? - মাহবুবুল ইসলাম (সুমন)
- ১৯৭১ এ মেজর জিয়াউর রহমান - ক্যামেরাম্যান
- পাসপোর্ট তৈরি করবেন কিভাবে? - একলা একজন
- একাত্তরের চিঠি বইটির pdf কপি পাওয়া যাচ্ছে (১৩ থেকে ৫০ পৃষ্ঠা পর্যন্ত) - পাতলা খান
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আমাদের জাতীয় সঙ্গীত ও ত্রিভুজ গোত্রীয়দের বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেস্টা - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ২০০৮ : আপনার চোখে ব্লগের বর্ষসেরা লেখা কোনটি? (আপডেট-১২ : একটি বিশেষ ঘোষণা) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- বাংলাদেশে একাত্তরের যুদ্ধপরাধীদের বিচার না হওয়ার অন্যতম কারণ: ওয়াহাবী কানেকশন। - ইমন জুবায়ের
- মে দিবস পালনের দরকার আছে কি? - জ্বিনের বাদশা
- ড. আতিউর রহমান : এক অসহায় রাখাল থেকে বরেণ্য অর্থনীতিবিদ কাম গভর্ণর - একান্ত কথা
- একজন গভর্নর আতিউর রহমান, খেটে খাওয়া মানুষের শক্তি ... - সাঁঝবাতি'র রুপকথা
- মানসিকভাবে সুস্থ লোককে কিভাবে চেনা যায় - জোবাইর
- মঙ্গল শোভাযাত্রা : নববর্ষ উৎসবের অংশ হয়ে উঠার ইতিহাস - একরামুল হক শামীম
- বাংলা নববর্ষ এবং আমাদের অজ্ঞতা - নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী
- সেইসব বীরঙ্গণা এবং যুদ্ধশিশুর কথা - রেজওয়ান
- টেলিফোন নম্বর গুলো কি একটু মুখস্ত করবেন? - মিলটন
- জগৎজ্যোতি! যিনি ছিলেন বাংলার প্রথম বীরশ্রেষ্ঠ/............ভাস্কর চৌধুরী - ভাস্কর চৌধুরী
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার রোধে আন্তর্জাতিক চাপ - রেজওয়ান
- ‘অপারেশন বিগ বার্ড’- যেভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিলো বঙ্গবন্ধুকে - অমি রহমান পিয়াল
- ১৯৭১ সালে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধসহ অন্যান্য অপরাধের দায়ী ব্যক্তিদের বিচার করতেই হবে - একরামুল হক শামীম
- মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-মুহম্মদ জাফর ইকবাল - ফেরদৌস আহমেদ তানিন
- প্রধানমন্ত্রী যেসব কথার জবাব দিতে পারেন নি..... - নাস্তিকের ধর্মকথা
- সামহোয়্যারনামা ৪ - সুমন রহমান
- একাত্তরের গণহত্যার ভিডিও - রেজওয়ান
- এই অর্থনৈতিক মন্দার সময়ে আপনাদের সবার জন্য ওয়ারেন বাফেটের কিছু উপদেশ - গাজী সালাহউদ্দিন
- শহীদ জননী জাহানারা ইমামের শেষ চিঠি - একরামুল হক শামীম
- ইসলামী ছাত্র শিবিরের দখলদারীর রাজনীতি আর একটা স্মৃতিচারণমূলক পোস্ট... - জামাল ভাস্কর
- [ভাইরাসের কারনে] আপনার পিসি ফরম্যাটের আগে একবার এটা পরখ করে দেখে নিতে পারেন - নামহীনা
- পিলখানা গণহত্যা: গুজবের ময়না তদন্ত - ঘনাদা
- চাণক্য শ্লোক-৫ - মো. আবুল হোসেন, শিবচর, মাদারিপুর
- জিমেইলের সেরা কিছু ফিচার যার জন্য জি-মেইল ব্যবহার করবেন (আর.এস.এস পড়ুন মেইল বক্স থেকে) - ১ - পাপী
- ছাত্রশিবির নেতা সালেহী ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবীণ অধ্যাপক তাহের হত্যাকান্ড - জাহাঙ্গীর আলম আকাশ
- রেডিমেড এনিমেটেড ইমো - ভেংচুক
- সেরা রোমান্টিক মুভি - শওকত হোসেন মাসুম
- ডেথ অব আ জিনিয়াস : জহির রায়হান - অমি রহমান পিয়াল
- ব্লগারের রক্তের গ্রুপভুক্ত তথ্য (আপডেট পোস্ট) - এস রহমান
- জামায়াতে ইসলামী এর ইতিহাস ফিরে দেখি - ইরতেজা
- *** ফটো রসিকতা ***



- শূন্য আরণ্যক
- বাংলা, একুশ শুধুই তোমার - নির্বিকার
- আপনার শোনা বাংলা বেস্ট রোমান্টিক গান কোনটা ?(রিপোষ্ট) - নিঃসঙ্গ
- তিলোত্তমা নয়, দূর্গার তরে আকাঙ্খা হোক - অচেনা সৈকত
- রাজাকার বাহিনীর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মাওলানা ইউসুফ - হত্যা নির্যাতনের অসংখ্য অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে - ইমির
- আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে অনুপস্থিতি নিয়ে জেনারেল এমএজি ওসমানীর বক্তব্য - অমি রহমান পিয়াল
- আজাইরা প্রশ্ন: ভোটে কারচুপি হয় কিভাবে? - জ্বিনের বাদশা
- গণিতের সাধারন জ্ঞান ও নুহের প্লাবন - দস্যু বনহুর
- টিউটোরিয়াল - কেমনে হইবেন পেশাদার ব্লগীয় ছাগু
- নাফিস ইফতেখার
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আইনগত বিষয়ের কিছু ব্যাখ্যা : ব্লগারের মন্তব্যের জবাবে - একরামুল হক শামীম
- একটি নির্বাচনী বিশ্লেষণ: জনতার চেতনার জয় - জামাল ভাস্কর
- কেন কেন কেন?: একটি সাম্প্রদায়িক ফাজলামি ও জামাতে ইসলামির সঙ্গীতপ্রীতি - অচেনা সৈকত
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিদেশে প্রকাশিত প্রথম রিপোর্ট: সাইমন ড্রিং-এর প্রতিবেদন - আ-আল মামুন
- ১৯৭১ : বীরাঙ্গনা অধ্যায় - আইরিন সুলতানা
- (ধারাবাহিক) এই যুদ্ধাপরাধীকে 'না' বলুন : ফরিদউদ্দিন (সিলেট-৫) - অমি রহমান পিয়াল
- বিজয় দিবস , ব্লগ দিবস এবং কোলা ব্যাং এর গল্প - রাগ ইমন
- আজ ইতিহাসের সেই কলঙ্কিত দিন! আজ জাতির সূর্যসন্তানদের শহীদ হওয়ার দিন! আজ জাতির কুলাঙ্গারদেরকে ঘৃণা প্রকাশের দিন ! আমাদের শপথ নেওয়ার দিন !! - মনজুরুল হক
- স্মরন করি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের আর বিচারের দাবী করছি ঘাতক আলবদর গোষ্ঠীর। - এস্কিমো
- আজ ১৪ ডিসেম্বর,২০০৮। দেখুন আলবদর প্রধানের হম্বিতম্বি। লজ্জিত বাংলাদেশ। - জহির আহমেদ
- প্রিমিয়ার শোঃ একাত্তুরের শব্দ সেনা - সৌম্য
- পাকিস্তান সম্পর্কে কিছু শোনা কথা - মরুবিজয়
- আঙ্গো মনি সাবের বাংলার তাজমহল @ গ্রাম: পেরাবো, থানা: সোনারগাঁও, জেলা: নারায়ণগঞ্জ


- বিবর্তনবাদী
- মুক্তিযুদ্ধে ঠাকুরগাঁও, পর্ব ২ (একটি কথ্য ইতিহাস) - মাহবুব সুমন
- বঙ্গবন্ধু কি সত্যিই দালালদের ক্ষমা করেছিলেন? আসুন নতুন করে ট্রুথ কমিশন গঠনের দাবি জানাই - শওকত হোসেন মাসুম
- All Programs কে সাজিয়ে নিন ... (ছোট্ট একটি কম্পু Tips) - মৃত হাসানের প্রেতাত্মা
- অনুভূতির ব্লা ব্লা ব্লা... - লাল দরজা
খালেদা জিয়া'র জন্মদিনের ডকুমেন্টস
০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:২০
এখন আমাদের প্রায় সবারই জানা যে খালেদা জিয়া'র কয়েকটি জন্মদিন রয়েছে - বিভিন্ন সময়ের বিভিন্ন ডকিউমেন্টস অনুসারে.... আসুন সেই ডকিউমেন্ট গুলো একটু দেখি.....।
এই পোস্টের উৎস জনাব ইফ্তেখার মোহাম্মদের "আমার ব্লগে" দেয়া একটি পোস্ট
![]()
![]()
২০০০ সালের ভোটারের তথ্য ফরম:
বোর্ড থেকে তার শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র:
বিয়ের কাবিন নামা:
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:৪১ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
রাহা বলেছেন:
হায় ! হায়!!
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন:
স্কুলের রেকর্ডে খালেদার জন্ম ৫ সেপ্টেম্বর
দৈনিক সংবাদ (১৬ আগস্ট ২০০৯)
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্ম ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট নয়। তার জন্ম ১৯৪৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর। ১৯৬০ সালে তিনি দিনাজপুর গার্লস স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করার কথা বলা হলেও আসলে তিনি ১৯৬১ সালে ওই স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অকৃতকার্য হন। দিনাজপুর সরকারি উচ্চবালিকা বিদ্যালয়ের রেকর্ডপত্র ঘেঁটে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
দিনাজপুর সরকারি উচ্চবালিকা বিদ্যালয়ের রেকর্ডপত্র ঘেঁটে দেখা যায় : খালেদা খানম, পিতা মোহাম্মদ এস্কেন্দার, সাকিন মুদিপাড়া, থানা কোতোয়ালি, জেলা দিনাজপুর। ১৯৬১ সালে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় দিনাজপুর কেন্দ্রের দিনাজপুর সদর গার্লস হাইস্কুল থেকে অংশ নেন এবং পরীক্ষায় অকৃতকার্য হন। তার পরীক্ষার রোল নম্বর ছিল দিন-এফ-৭৯২। পরীক্ষার নম্বরপত্র থেকে দেখা যায়, তিনি ওই পরীক্ষায় ইংরেজি প্রথমপত্রে ২৬, দ্বিতীয়পত্রে ১৫, বাংলা প্রথমপত্রে ৩৮, দ্বিতীয়পত্রে ৩২, গণিতে ৫০, ইতিহাসে ১০, ভূগোলে ২০, ধর্মে ৪২ এবং ঐচ্ছিক বিষয়ে ১৩ নম্বর পান। নম্বরপত্রের ফলাফলের ঘরে 'অকৃতকার্য' উল্লেখ করা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সেই সময়কার এক প্রবীণ শিক্ষিক বলেছেন, খালেদা ১৫ বছর বয়সে ম্যাট্রিক পরীক্ষা দিয়েছেন। তার পিতা মোহাম্মদ এস্কেন্দার নিজে এসে তার ম্যাট্রিক পরীক্ষার ফরম পূরণ করে দিয়েছিলেন। জন্ম-তারিখ ৫/০৯/১৯৪৬ইং তার পিতাই ফরম পূরণ করেছিলেন।
ম্যাকলাভিং বলেছেন:
হি হি উর্দুতে বাংলার চেয়ে বেশী নাম্বার পাইসে
লেখক বলেছেন:
অনেক পুরোনো ভালবাসা...
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
ইন্নালিল্লাহ !! এই মহিলারে কিন্তু অনেক উচ্চ শিক্ষিত লুকজন আম্মা ডাকে .. সাবধান
লেখক বলেছেন:
হে হে.
.. অলরেডী নিচের দুইজনের মধ্যে যে কোন একজনের গায়ে লেগেছে
# সানশাইনশুভ
# আমার বলা
স্টিংরে বলেছেন:
এর পর কি আর বলার আছে?
লেখক বলেছেন: এরপরও প্রতিবছরই খালেদা জিয়া নির্লজ্জভাবে এই দিনটা পালন করে যাবেন। ![]()
হাশেম বলেছেন:
জোস কালেকশন ভাই। দেশের মানুষের এইগুলো জানার অধিকার আছে। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্যে....
লেখক বলেছেন:
আপনাকেও ধন্যবাদ।
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন:
ভাল কালেকশন ......
লেখক বলেছেন: হূমম..
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
লুকার বলেছেন:
সব্বোনাশ!
রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্য পাইলেন কই?
মেট্রিকে ডাহা ফেল কইরা যদি প্রধানমন্ত্রী হওয়া যায়, তাইলে আর আমরা খাল-বিল পাশ করার চেষ্টা করি ক্যান?
লেখক বলেছেন:
রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্য পাইলেন কই?
========================
আপনি কি গোয়েন্দা নাকি? ওরে গেছিরে...
আমি কিছু জানি না..। জনাব ইফ্তেখার মোহাম্মদের দোষ, তিনি কেন এগুলো বের করবেন..?
মুশফিকুর রহমান নিয়ন বলেছেন:
ভালো জিনিস... সংগ্রহে রাখবার মতন...
লেখক বলেছেন:
![]()
তানভীর মোর্শেদ বলেছেন:
হুম.. কঠ্ঠিন!
লেখক বলেছেন:
আবার জিগায়!
কঁাকন বলেছেন:
valo
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
নো্য়াখাইল্লা ভ্যাম্পায়ার বলেছেন:
জুষ হইষে ওস্তাদ জুষ
লেখক বলেছেন: ![]()
শ্রাবণ সমুদ্র বলেছেন:
এসএসসি পাস প্রধানমন্ত্রীর শাসন আমলে আপনারা কি লজ্জায় দেশ ছাইড়া ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন?
লেখক বলেছেন:
@শ্রাবণ সমুদ্র ,
মনে হচ্ছে আপনার অবস্থা হল -- সারা রাত রামায়ান পড়ে কয় সীতা কার বাপ।
এই পোস্টের বক্তব্য হচ্ছে দেশের একজন নেত্রীর জন্মদিন নিয়ে ভন্ডামীর পরিচয় দেয়া।
তিনি তৎকালীন মেট্রিক (এখন এস.এস. সি) পাস করতে পারেন নাই- সেটা এই পোস্টের মূল বিষয়বস্তু নয়। বোঝা গেছে?
নোমান মীর বলেছেন:
কোনডা সত্য কোনডা মিথ্যা বুঝা যাই নাই।
লেখক বলেছেন: কি করবেন কন শিমু নুমান ভাই, উপর ওয়ালা তো আর সবাইরে সমান বুদ্ধি দিয়া পাঠান না দুনিয়া তে...
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন:
তেনারাই আইন বানাবেন...।দেশ চালাইবেন...।
লেখক বলেছেন:
আমরা সুযোগ দেই কেন?
লেখক বলেছেন: ![]()
হুমায়ুন কবির হাকিম বলেছেন:
হে: হে: হে:.........এঁরা হলেন আমাদের রাজনীতিবিদ............মিথ্যাবাদীর দল.......
লেখক বলেছেন: হূমমমম....
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: তা আর বলতে!
লেখক বলেছেন:
হ্যা, মূল লেখক কে জাঝা!!
এই পোস্টের জন্য সমস্ত ধন্যবাদ আমার ব্লগের জনাব ইফ্তেখার মোহাম্মদের প্রাপ্য।
আমি কপি পেইস্ট করেছি মাত্র।
লেখক বলেছেন:
ভাল অবজার্বেশন।
অমাবশ্যার চামচিকা বলেছেন:
হুম্ম! এইসব ঘটনা সবাইকে জানানো দরকার!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন:
হূমমম
রেজওয়ান শুভ বলেছেন:
অামাদের সাবেক প্রধান মন্ত্রীর তাহলে জন্মের ঠিক নাই , এই পোস্ট যাদের ভালো লাগে নাই তাদের টা ঠিক অাছে তো ??সেলটিক ভাই , ++++++++++++++++++++++
অার কিছু বলা লাগবে ??
লেখক বলেছেন: পোস্টের সব ক্রেডিট আমার ব্লগের ইফতেখার এর। আমি কপি পেইস্ট করেছি মাত্র।
এখন পর্যন্ত মাত্র ৫টি নিকের ভালো লাগে নাই। ছাগুরাম তার নিক ফ্যক্টরীরে কাজে নামালে এই সংখ্যা হাজার পার হতে বেশী সময় লাগার কথা না। ![]()
সত্যেন্দ্র ছাতু বলেছেন:
উর্দুতে ভালো
লেখক বলেছেন: ![]()
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
প্লাস দিবার জন্য লগ ইন করলাম। এই বস্তু আমাদের দেশের প্রধান শাসক ছিল ৮ বছর, ভাবতেই কেমন লাগে!! নিতান্তই হতভাগা বঙ্গ সন্তান আমরা।
লেখক বলেছেন:
আমরা ভোট দেই বলেই তো আসতে পারেন!
লেখক বলেছেন: ভাই, দুই নম্বরীটা খালেদা জিয়া করছেন... তার মা-বাবা না টেনে আনি আমরা, কি বলেন?
লেখক বলেছেন:
ক্যয়া শের হায়! তোফা তোফা ![]()
লেখক বলেছেন:
ধইন্যাপাতা
লংকার রাজা বলেছেন:
একটা খারাপ কথা কই, জন্মের ঠিক নাই।
লেখক বলেছেন:
উনি যাদের বুদ্ধিতে এই কাজটি করেন তাদের মানসিক দৈন্যতায় পীড়িত হতে হয় বইকি।
লেখক বলেছেন:
হূমমমম
শিমুল সালাহ্উদ্দিন বলেছেন:
আমরা যারা আপোষহীন নেত্রীকে এই সুযোগ দিয়াছি তাহাদের লজ্জায় নাক কান কাটিয়া বনে গিয়া বাস শুরু করা সমিচিন বোধ করি। শাব্বাস ভাই শাব্বাস। ইফতেখার ভাইরে স্যালুট। আপনেরে ধন্যবাদ অনেক।
আর
জন্মতারিখই যাদের ঠিক নাই তাহাদের ভক্তদের এইটা নিয়া জিজ্ঞেস কইরা কি কাম আরো লজ্জা দিবার।?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সুবিদ্ বলেছেন:
নো কমেন্টস.....
লেখক বলেছেন:
হূমমমম
নাজমুল হাসান বাবু বলেছেন:
জটিল জিনিস
লেখক বলেছেন: ![]()
দূর্ভাষী বলেছেন:
প্রিয়তে রাখলাম, ভবিষ্যত রেফারেন্স হিসাবে কাজে লাগবে।আপোষহীন নেত্রীর জন্ম বারবার হয় এদেশে কাজেই ৪/৫ টা জন্মদিন কোন ব্যাপার না!!!!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সাদাকালোরঙিন বলেছেন:
প্রামান্য পোষ্ট । আফুসহীন না কইয়া হ্যারে লজ্জাহীনা কওন উচিত। আম্মিজান আবার উর্দুতে ওস্তাদ মনে লয় । মাতৃভাষা নাকি আবার ঔডা ?
লেখক বলেছেন: উনি যাদের বুদ্ধিতে এই কাজটি করেন তাদের মানসিক দৈন্যতায় পীড়িত হতে হয় বইকি।
নেহাল হাসনাইন সার্জা বলেছেন:
জটিল পোস্ট!!!! +++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: ![]()
আমি সাইরাজ বলেছেন:
সবাই তো জটিল কইবার লাগচে। হাচা মিচা কে কইবার পারে।
হিমেল নাগ রানা বলেছেন:
হাহাহাহাহহাহাহাহহহাকঠিন জিনিস
এতদিন তো খালি শুনছি
এখন ছবি ও দেখলাম......
শোকেসে রাইখা দিলাম
কেউ বাটপারি করলে দেখায়া দিমু
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ..
ফেরারি বলেছেন:
আমি নিশ্চিত বিএনপির অনেক বড় নেতা এই রেজাল্ট দেখলে লজ্জা পাবে।অনেক অজানা ডকুমেন্টের মধ্যে একটি অন্তত নিজ চোখে দেখার সৌভাগ্য হল।
লেখককে ধন্যবাদ এই রকম গুরুত্বপূর্ন একটি পোষ্ট দেবার জন্য।
লেখক বলেছেন:
এই পোস্টের জন্য সমস্ত ধন্যবাদ আমার ব্লগের জনাব ইফ্তেখার মোহাম্মদের প্রাপ্য। আমি কপি পেইস্ট করেছি মাত্র।
রাফা বলেছেন:
সবচেয়ে দুঃখ জনক উনি ১৫ই আগস্টের শোক দিবসকে উপহাস করে জন্মদিন পালন করেন।তথ্যগুলো অনেকদিন পূর্বে আমি একটি পোষ্ট প্রকাশ করেছিলাম।আবার মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: লিংক?
তুইরাজাকার বলেছেন:
৫১
লেখক বলেছেন: হূমমম
রুবেল শাহ বলেছেন:
ওমা ......... ম্যডাম দখে উর্দুতে বাংলার চেয়ে বেশী নাম্বার পাইসে ...................হক মাওলা
লেখক বলেছেন: সবই মাওলা সাহেবের ইচ্ছা..
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
সংগ্রহে রাখলাম। কখন কি কাজে লাগে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ![]()
ইসানুর বলেছেন:
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: সংগ্রহে রাখলাম। কখন কি কাজে লাগে।
লেখক বলেছেন: ![]()
রোহান বলেছেন:
কালেকশনে রাইখা দিলাম। জটিল হইসে। ইরাম তথ্য ঝাতি আরো বেশি বেশি ঝানতে চায়।
লেখক বলেছেন: ![]()
বাঙ্গাল বলেছেন:
ডাইরেক্ট প্রিয়তে
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
দেশী পোলা বলেছেন:
হায় হায়
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
তর্পন বলেছেন:
হায়াত মৌত আল্লাহর হাতে । জন্মদিবসও উপরওয়ালার ইচ্ছায় বদলাইতে পারে ।
লেখক বলেছেন: ![]()
মুগ্ধ বলেছেন:
তর্পন বলেছেন: হায়াত মৌত আল্লাহর হাতে । জন্মদিবসও উপরওয়ালার ইচ্ছায় বদলাইতে পারে । :-) :-)
লেখক বলেছেন: ![]()
কেএসরথি বলেছেন:
আহা প্রিয় প্রিয়।
লেখক বলেছেন: ![]()
রিফাত হোসেন বলেছেন:
বিশ্বাসযোগ্য না । আর একটি পত্রিকা ভুয়া খবর ছাপতেই পারে ।
উর্দুতেই বেশী নম্বর পেল বাকি গুলোর অবস্থা খুবই খারাপ !
হেহহেহেহহেহ মানুষকে বিভ্রান্ত করার জায়গা পান না , নাকি?
আমি দলাদলিতে নাই কিন্তু ভুয়া ব্যাপারে বিশ্বাস করি না ।
সরাসরি মাইনাস । ব্লগে কি অবস্থা ৬৮ প্লাস দেয় কিভাবে?
লেখক আপনার পরিচয় দেন, স্বাক্ষর এর নমুনা দেন ১ সপ্তাহ এর মধ্যেই সেইম নাম পরিচয় বসিয়ে দিব খালেদার জায়গায় ।
হেহেহেহে

লেখক বলেছেন: রিফাত হোসেন: আমি দলাদলিতে নাই....আর একটি পত্রিকা ভুয়া খবর ছাপতেই পারে
-----------------------------------
>>> আমার ধারনা ছিল আপনি আরো ভালো জোকস করতে পারেন। যাই হোক, নয়াদিগন্ত, সংগ্রাম,দিনকাল ছাড়া সবাই ভুয়া খবরই ছাপে- এটা ব্লগের ছাগুরা আমাদের অনেকদিন আগেই জানিয়েছে...
রিফাত হোসেন: ব্লগে কি অবস্থা ৬৮ প্লাস দেয় কিভাবে?
---------------------------------------------
>>>>কি করবেন কন...সবাই তো আর আপনার মত অনুভব করতে পারেনা খালেদা জিয়ার বিদগ্ধতা....
কিংবা এভাবেই ভেবে শান্তি পেতে পারেন যে ওগুলো আমারই নিক...
আর তিনকোনা আর তার ড়াজাকার বন্ধুরা তাদের হাজার নিক নিয়ে আসলে হাজার মাইনাস পরতে কতক্ষন?
তাই এইসব নিয়া টেনশন না করাই ভালো... ![]()
দেবার্নব রায় বলেছেন:
পিলাছ.......।
লেখক বলেছেন: ![]()
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
@রিফাত হোসেন ঠিক বলছেন, এইসবগুলা জাল, বানোয়াট ...... আসলে খা.জিয়া মেট্রিকে ঢাকা বোর্ড থেকে ১ম, ইন্টারমিডিয়েটে বগুরা বোর্ড থেকে ১ম হয়ে ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে গ্রেজুয়েশন করে , অক্সফোর্ড থেকে পি.এইচ.ডি করেছেন .......
লেখক বলেছেন: খালেদা জিয়া সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মাননি....এসেছিলেন একদম সাধারন একটা পরিবার থেকে। কিন্তু ক্রমান্বয়ে তিনি জনমানুষের ২ মূল নেত্রীর একজন হয়ে উঠেছিলেন এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময়.... কিন্তু যে জাতির জনকের ঔদার্যে একদিন তার সংসার রক্ষা পেয়েছিল আরও অনেক পরিবারের মত, তাঁরই শাহাদাত দিবসে নিজের জন্মদিনকে নিয়ে এসে পালন করা - কতটা নীচ মানসিকতা ধারন করলে একজন মানুষ এই কাজটা করতে পারেন তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আর এখন তিনি জনমতকে কতটা তুচ্ছ করেন তা বুঝা যায়, এত লেখালেখি এত প্রমানের পরও এই পরিবর্তিত জন্মদিন পালনে তার আনন্দিত মুখ দেখে।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
আর বইলেন না সাগর ভাই, ..... একটা এইট পাস বেটির লাইগা কিছু ছাগলের লাফালাফি দেখলে মেজাজটাই খারাপ হয়ে যায় ......আরে আমারতো ইচ্ছা করতেছে এই ডকুমেন্টগুলো বৃষ্টির পানির মত দেশে ছড়াইয়া দিতে
এইব্লগে যে অনেকে গালি দেয়, কেন দেয় এইবার হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি .......... ছাগু, ছাগল, বোদাই ..... এই সব গুটি কতক গালি ছাড়া আমি গালি দিতে পারি না ..... তবে যারা গালি দেয় তাদের হাজার সালাম .... তাদের গালি দেওয়ার ক্ষমতাকে রীতিমত ঈর্ষা হয় .....
লেখক বলেছেন:
সেই নেত্রীকেই তো অনেকে পছন্দ করেন, তাই না? একসময় তার বিশাল ক্যরিশমা ছিল মানুষের মধ্যে....... কিন্তু সমস্যা হচ্ছে সেই আপোসহীন নেত্রী আজ সম্পূর্ন অন্য একটা ভাবমূর্তি তৈরী করে ফেলেছেন জন্মদিন সহ নানা কেলেংকারীর জন্ম দিয়ে....
সামদ বলেছেন:
১৫ আগস্টকে দখল করতে আর কী কী ইতরামি করা যেতে পারে?-আরিফ জেবতিক
পারিবারিকভাবে আমাদের মাঝে বিএনপির সাপোর্টার কম ছিল না । যে মহল্লায় বেড়ে উঠেছি সেখানেও বিএনপির সমর্থকরাই সংখ্যায় অনেক বেশি ছিলেন । সুতরাং জীবনের শুরু থেকেই বিএনপি পরিমন্ডলের সাথে আমার যোগাযোগ ছিল । ছাত্র জীবনে নিজেও ছাত্রদল করেছি , মফস্বল শহরে যতোটুকু করা যায় তারা পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলে রিজভী ভাই -ইলিয়াস ভাইয়ের কাউন্সিলের আগেও অনেক খাটাখাটনি করেছি । এই দীর্ঘ সময়ে কখনোই খালেদা জিয়ার জন্মদিন যে ১৫ আগস্ট সেটা কোথাও বলা হয়েছে বলে স্মরণ করতে পারি না ।
কিন্তু পরবর্তীতে কিভাবে যেন ধীরে ধীরে খালেদা জিয়ার জন্মদিন হিসেবে ১৫ আগস্টটা মিডিয়ায় আসতে থাকল । গত কয়েক বছর তো দেখতাম ঢাকা শহরের সব বড়ো বড়ো কেকের দোকানগুলো ১৫ আগস্ট এলেই ব্যস্ত হয়ে পড়ত এমপি মন্ত্রীদের কেকের অর্ডার নিতে । মির্জা আব্বাস সাহেব নাকি একমন ওজনের বেশি কেক কেটেছিলেন একবার , সেটাও আবছা ভাবে মনে পড়ছে ।
এই হচ্ছে আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি ।
আমি বলছি না যে ১৫ আগস্ট কেউ জন্মাতে পারবেন না । খালেদা জিয়ার জন্মদিনও ১৫ আগস্ট হতেই পারে ,যদিও ব্যাপারটা উনি নিজেই বোধহয় জানতেন না , অন্তত প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সময়ও উনি জানতেন না যে উনার জন্মদিন ১৫ আগস্ট , উনি সেটাকে ১৯ আগস্ট হিসেবেই লিখেছিলেন ।
কিন্তু বয়েস বাড়ার সাথে সাথে উনার মনে পড়েছে যে উনার জন্মদিন আসলে ১৫ আগস্ট । হতেই পারে এটা , আমি খারাপ হিসেবে দেখি না । কিন্তু্ এটাও মনে রাখতে হবে যে ১৫ আগস্ট আমাদের জাতির জীবনে একটি বেদনাবিধূর দিন , একটি কলংকিত অধ্যায় ।
শেখ মুজিব এবং তার পরিবারের করুণ মৃত্যুতে আমি শোকগ্রস্ত না হতে পারি , কিন্তু এটা যে কলংকিত একটি পর্ব সেটাকে অস্বীকার করার কোন জো নেই ।
এরকম একটা জাতীয় দিবসে হইচই করে নিজের জন্মদিন পালনে খালেদা জিয়া এবং উনার চামচাদের উৎসাহ মনের মাঝে বমি উগলানো ঘৃণার জন্ম দেয় আমার ।
মজার ব্যাপার হচ্ছে জামাতিরা দেখছি এখন একই ভাবে ১৫ আগস্টকে তাদের দখলে নেয়ার জন্য জোটবদ্ধ চেষ্টার বাইরে আরেকটা চেষ্টা শুরু করেছে । সেটা হচ্ছে শহীদ আব্দুল মালেক দিবস!
এই বস্তুটির কথা আগে জানা ছিল না , এটা এবছরই জানতে পারলাম । ৬৯ সালে উনি মারা গিয়েছিলেন , মারা যাওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলতে চাই না , শিবির অধ্যূষিত ক্যাম্পাসগুলোতে বা শিবিরের সংস্পর্ষে যাদের অভিজ্ঞতা আছে ,তারা বিষয়টি আন্দাজ করতে পারেন । ডাকসু আয়োজিত অনুষ্ঠানে গুন্ডামি করতে গিয়ে উনার মৃত্যু হয়েছে বলে তখনকার এক ছাত্রনেতা আমাকে জানালেন আজকে । সেটা রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপার হতে পারে , কিন্তু শিবিরের আরো অনেক লোকের মৃত্যুর মাঝে আব্দুল মালেক হঠাৎ করে আজকে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলেন তার একটা সৌভাগ্যের জন্য । উনি ১৫ আগস্ট মারা গিয়েছিলেন ।
সুতরাং শিবিরের কাছে আজ হচ্ছে '' ইসলামী শিক্ষা দিবস ।" সুবহানাল্লাহ , এই দেশে ইসলামী শিক্ষা কায়েক হোক , আমার বলার কিছু নেই ।
প্রশ্ন হচ্ছে এই যে ইতরামির রাজনৈতিক সংস্কৃতি আমাদের মাঝে জন্ম নিয়েছে গত কয়বছর ধরে , এর শেষ কোথায় ?
এখন আওয়ামীলীগের একটা ১৫ আগস্ট আছে , বিএনপি'রও একটা আছে , জামাতিদেরও দেখা যাচ্ছে একটা আছে । তাহলে বাকী দলগুলো কী করবে ?
জাতীয় পার্টির জন্য একটা ১৫ আগস্ট , কমিউনিস্ট পার্টিদের জন্য একটা ১৫ আগস্ট , এলডিপি মার্কা দলগুলোর একটা ১৫ আগস্ট , ইসলামী ঐক্যজোট আর ইসলামী শাসনতন্ত্র-খেলাফত মজলিশ-চরমোনাই অলাদের ১৫ আগস্ট , নবগঠিত পিডিপি-কল্যানপার্টি-১/১১ বাস্তবায়ন পরিষদ অলাদের ১৫ আগস্ট ...এভাবে অনেকগুলো ১৫ আগস্টের প্রয়োজন পড়বে নিকট ভবিষ্যতে ।
একজন দর্শক হিসেবে আমি ভেবে পাচ্ছি না , আর কোন কোন ইতরামির মাধ্যমে সেই দিবসগুলোকে খুঁজে পাওয়া যেতে পারে ।
দেখা যাক । ভবিষ্যতই শুধু এর জবাব দিতে পারবে ।
ব্লগেশ্বর বলেছেন:
গুড পোস্ট। ৭২ তম প্লাস।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সামদ বলেছেন:
খালেদা জিয়ার জন্মদিন ও বিবর্তনবাদ
সগীর আলী খাঁন
বিজ্ঞানীরা চার্লস ডারউইনের বিবর্তনবাদকে গত মিলেনিয়ামের সর্বশ্রেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক থিওরী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। এমনকি আইনষ্টাইনের সুবিখ্যাত রিলেটিভিটির সুত্রও হেরে গেছে বিবর্তনবাদের কাছে। বিখ্যাত এই থিওরীর মুল প্রতিপাদ্য হচ্ছে - ‘গ্রহ-নক্ষত্র-তারকাপুঞ্জ-জড়-জীব-ধর্ম-সমাজ এক কথায় এই বিশ্বব্রম্মান্ডের সবকিছু প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। সৃষ্টির আদ্যিকাল থেকে এই বিবর্তন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং একটি অব্যাহত প্রক্রিয়া হিসেবে এখনও তা চলছে, ভবিষ্যতেও চলবে। প্রকৃতির এই অমোঘ নিয়মের সাথে যে যতো বেশী খাপ খাইয়ে চলতে পারবে, সে টিকে থাকবে, যে পারবে না সে বিলুপ্ত হবে। মনুষ্য সমাজও এই বিবর্তনের ধারা থেকে মুক্ত নয়। রাজনীতি যেহেতু মানব সমাজেরই একটি সক্রিয় আচরণ, সুতরাং রাজনীতিতেও অবধারিতভাবে এই প্রাকৃতিক নিয়মের প্রভাব পড়বে - এটিই স্বাভাবিক। তবে দুঃখের বিষয়, ডারউইনের এই চমৎকার থিওরীটি বাংলাদেশের পলিমাটির রস খেয়ে কেমন যেন পাল্টে গেছে। পাঠক, লক্ষ্য করুন- পঞ্চাশ ষাট দশকের রাজনীতির সাথে বর্তমান কালের রাজনীতির কতোই না প্রভেদ। সেকালের রাজনীতিবিদরা সারাজীবন রাজনীতি করে নিঃস্ব হতেন, বর্তমানকালের রাজনীতিবিদরা রাজনীতি করে নিঃস্ব অবস্থা হতে রাতারাতি কোটিপতি বনে যান। এর নাম নাকি আর্থ-রাজনৈতিক বিবর্তন। এদেশে বিবর্তন প্রসেসের সাথে সবচেয়ে বেশী অভিযোজন করতে পেরেছে বিএনপি নামক দলটি। বিএনপি’র প্রধান প্রতিদ্বন্ধী আওয়ামী লীগ এক্ষেত্রে হাজার যোজন পেছনে। কীভাবে?
নীচের পয়েন্টগুলি বিবেচনা করে দেখুনঃ
১- বিবর্তনবাদের বাংলাদেশ-মডেলে সবচেয়ে বেশী ফায়দা নিয়েছে বিএনপি’র চেয়ার-পার্সন আপোষহীন দেশনেত্রী ম্যাডাম খালেদা জিয়ার জন্ম তারিখটি। তার জন্মতারিখ আসলে কোনটি? তার জন্মদাতা জনাব ইসকান্দার মিয়ার ভাষ্যমতে তার কনিষ্ঠা কন্যা বেগম খালেদা খানম ওরফে পুতুলের জন্ম হয়েছিল ১৯৪৫ সালের ৫ই সেপ্টেম্বার, যেদিন ২য় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়েছিল ঠিক সেদিন (পাঠক মনে রাখবেন, মহামানব বা মহামানবীদের জন্ম সাধারনত বিশেষ দিনে হয়। চেরাগ আলী ছগিরালিদের মতো সবদিনে হয় না। বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়ে ধরাধামে শান্তি আসল যেদিন, সেদিনটি নিঃসন্দেহে ম্যাডাম জিয়া নামক মহামানবীর জন্মগ্রহনের সবচেয়ে উপযুক্ত দিন)। কে কবে জন্ম নিয়েছে, তার সবচেয়ে বিশ্বস্ত স্বাক্ষী হচ্ছে বাপ-মা। সুতরাং ম্যাডামের প্রথম জন্মতারিখ যে সেপ্টেম্বার মাসে তাতে কেউ সন্দেহ পোষণ করবেন না আশা করি, যদিও রাজনৈতিক বিবর্তনের ফলে এই তারিখটি যে কোন সময় পরিবর্তনের হক্ রাখে।
২- এর পরের দৃশ্যটি ১৯৫৪ সালের, যেদিন তার পিতৃদেব তাকে দিনাজপুর সরকারী বিদ্যালয়ে ৪র্থ শ্রেনীতে ভর্তি করান। ম্যাডামের বয়েস তখন মাত্র নয় বছর, নাক দিয়ে সিনকি ঝরা বয়স। সেখানেও সিকান্দার মিয়া মেয়ের জন্ম তারিখ লিপিবদ্ধ করান ৫ই সেপ্টেম্বার, তবে জন্মসালটা এক বছর কমিয়ে ১৯৪৬ সালে নিয়ে আসেন। আমাদের সমাজে এ এক প্রচলিত প্র্যাক্টিস, আমরা সবাই স্কুলের কাগজপত্রে বয়েস দু’এক বছর কমিয়ে দেই। লক্ষ্য করুন, এই পর্বে বিবর্তনের হার খুব বেশী নয়, নয় বছরে মাত্র এক বছর। তবে জন্মের মাসটিতে বিবর্তনের কোন ছোয়া লাগেনি, সেপ্টেম্বারের ৫ তারিখেই স্থির আছে সেটি।
৩- পরবর্তী পর্ব ১৯৭৮ সালের ১লা এপ্রিল, ম্যাডামের বয়েস তখন তিরিশের উপরে। জিয়াউর রহমানের সহধর্মিনী বেগম খালেদা খানম ঐদিন নিজের স্বাক্ষরে পাশপোর্টের আবেদন করেন। উক্ত আবেদনপত্রেও তিনি তার জন্ম তারিখ উল্লেখ করেন সেপ্টেম্বার, ১৯৪৬। লক্ষনীয়, এখন পর্য্যন্ত তার জন্মতারিখটি খুব বেশী বিবর্তনের শিকার হয়নি। কারণ সে সময় তিনি ছিলেন নিতান্তই একজন গৃহবধূ, রাজনৈতিক বিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা ছিল না বললেই চলে।
৪- ১৯৯০ সালে এরশাদকে হটিয়ে আপোষহীন খেতাব অর্জন করেন ম্যাডাম এবং সেই খেতাবের লেজ ধরে একানব্বুইতে বাংলাদেশের সিংহাসনে আরোহন করেন। আর তখন থেকেই শুরু হয় বিবর্তনের নবতর পর্য্যায়, বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় যাকে বলা যায় বিবর্তনের উল্লম্ফন পর্ব (ইনফ্লেমেটরি ষ্টেজ)। সরকারী প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তার জন্মমাস এক মাস পিছিয়ে আনা হয়, সেপ্টেম্বার থেকে আগষ্টে। এই পর্য্যায়ে তার জন্মতারিখ নির্ধারণ করা হয় ১৯শে আগষ্ট, ১৯৪৫। এর কিছুদিন পর আরেকটি ঘোষণার মাধ্যমে তার জন্মতারিখ আরও ৪দিন পিছিয়ে এনে ১৫ই আগষ্ট ধার্য্য করা হয়। তবে ৯৬ সাল পর্য্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে এই বার্থডে’ পালনের কালচার শুরু করা হয়নি। ছিয়ানব্বুইতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যেয়ে পনেরই আগষ্টকে রাষ্ট্রীয় শোকদিবস ঘোষণা করার পর থেকে নেত্রীর ‘জনমদিন’ পালনের কালচার শুরু করে বিএনপি। সেই থেকে আজ পর্য্যন্ত তাঁর জন্মদিন আর বিবর্তিত হয়নি, বাকশালীরা কাঙালি ভোজন আর দোয়া-দরুদ পরে শোক পালন করে, জাতীয়তাবাদীরা হাসিমুখে কেক কেটে উল্লাস প্রকাশ করে।
ট্র্যাজেডি হলো- যে শোকাবহ ঘটনাকে ব্যঙ্গ করতে জন্মতারিখের এই বিবর্তন, পরিমাপের দিক থেকে তা কারবালার ঘটনাকেও হার মানায়। কারবালাতে আর যাই হোক ছয় বছরের নিস্পাপ শিশু কিংবা নয় মাসের গর্ভবতী নারীকে বেয়োনেট চার্জ করে হত্যা করা হয়নি। একাত্তরে ম্যাডাম পাকিস্তানি মেজর জামশেদের বাসায় গৃহবন্দী ছিলেন, জিয়ার ভাষায় “আন্ডার ইউর কাষ্টডি”। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর জিয়া তাকে গ্রহণ করতে চাননি। শেখ মুজিবের উদার হস্তক্ষেপের ফলেই ম্যাডামের সংসার টিকে যায় তখন। তর্কের খাতিরে যদি ধরেও নেই যে ১৫ই আগষ্ট সত্যিই ম্যাডামের জন্মদিন, তবুও পিতৃতুল্য একজন লোকের পরিবারের এমন শোকাবহ ঘটনাটিকে সম্মান জানিয়ে তিনি কি নিজের জন্মদিন পালন থেকে বিরত থাকতে পারতেন না? অবশ্যই পারতেন এবং রাজনৈতিকভাবে সেটাই হতো শোভনীয় কাজ। কিন্তু বিএনপি নামক দলটির নেতাকর্মীরা রাজনৈতিক শোভনতার দৃষ্টান্ত রাখবে তা বোধহয় একেবারেই অসম্ভব একটি আশা; বরং উল্টো কাজটি করবে ধরেই নেয়া যায়। নইলে দেখুন না, যে মেজর জামশেদ নয় মাস তাকে বাসায় আটকে রাখলো- চুরানব্বুই সালে তিনি মারা গেলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ম্যাডাম খালেদা জিয়া রাষ্ট্রীয় প্রটোকল ভেঙে শোকবানী পাঠালেন! আর যে লোকটির হস্তক্ষেপে তার সংসার টিকে গেলো- তার মৃত্যুদিনে তিনি হাসিমুখে কেক কেটে জন্মদিন পালন করেন!
মাস কয়েক আগে বিএনপির সেকেন্ড-ইন-কমান্ড খঃ দেলোয়ার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন আওয়ামী লীগকে। স্বভাবতই তার ডাকে সাড়া দেয়নি আওয়ামী লীগ। যে দলের নেতানেত্রীরা বঙ্গবন্ধু-হত্যার ঘটনাকে ব্যাঙ্গ করে আনুষ্ঠানিকভাবে উল্লাস প্রকাশ করে, আহসানউল্লাহ মাষ্টার কিবরিয়া হত্যাকে দলীয় কোন্দলের জের হিসেবে প্রচার করে তদন্ত ধামাচাপা দেয়, এমনকি একুশে আগষ্টের মতো বড়ো মাপের একটি সন্ত্রাসী ঘটনাকে আড়াল করতে জজমিয়া নাটক সাজায়- সেই দলের সাথে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে যাওয়ার আহ্বানে সাড়া দেয়া কীভাবে সম্ভব? নব্বুইতে এরশাদবিরোধী আন্দোলনে আওয়ামী লীগের পক্ষে বিএনপি’র সাথে হাত মেলানো সম্ভব হয়েছিল, কারণ ম্যাডাম জিয়ার বিএনপি তখন পর্য্যন্ত নিজামি সাহেবের পক্ষপুটে আশ্রয় নিয়ে আওয়ামী নিধনের সর্বাত্মক মিশনে আত্মনিয়োগ করেনি। কিন্তু ২০০১-২০০৬ সালের বিএনপি’র চেহারা স¤পূর্ণ ভিন্ন। সে এখন আর আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বলে মনে করে না, রাজনৈতিক শত্র“ বলে মনে করে। উপরের উদাহরণগুলো তার সুস্পষ্ট প্রমান। শত্র“র সাথে সহযোগীতা করা আর যাই হোক আওয়ামী লীগের মতো পোড় খাওয়া একটি দল সমর্থন করতে পারে না। এ প্রসঙ্গে আরেকটি বিষয়ের প্রতি পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আওয়ামী লীগকে সমূলে বিনাশ করতে বিএনপি অসংখ্য প্রচেষ্টা চালিয়েছে, কিন্তু বিএনপি’র নেতানেত্রীদেরকে ধ্বংস করতে আওয়ামী শিবির কোন ষড়যন্ত্র করেছে এমন একটিমাত্র উদাহরণও খুজে পাওয়া যাবে না।
দেশ আজ সুস্পষ্ট দু’ভাগে বিভক্ত, এক পক্ষ আরেক পক্ষের মুখ দেখতে চায় না। যে পর্য্যন্ত দেশের প্রধানতম দুই দলের মধ্যে মিনিমাম সৌজন্যবোধ ন্যুনতম সহযোগীতার পরিবেশ সৃষ্টি না হবে সে পর্য্যন্ত দেশ এগুতে পারে না; একানব্বুই থেকে দু’হাজার এক সালের পনের বছরে সে প্রমান দেশবাসী পেয়েছে। প্রশ্ন হলো- এই সংঘাতময় অসহনীয় পরিবেশ সৃষ্টির দায়ভাগ কার? বিএনপি যদি এই নোংড়া রাজনৈতিক কালচার থেকে বেরিয়ে আসতে পারে, তবেই কেবল দু’দলের মধ্যে সহযোগীতার আবহ সৃষ্টি হওয়া সম্ভব- বর্তমান প্রেক্ষাপটে যা একেবারেই আকাশকুসুম স্বপ্ন বলে মনে হয়। আর তাই যদি হয়, আগামি বছরের প্রথমার্ধে বর্তমান সরকারের বিদায়ের পর ভবিষ্যতে কোন্ ভরসা অপেক্ষা করে আছে আমাদের জন্যে।
খুব সম্ভবত আল্লাহ ভরসা।
৩রা আগষ্ট/ ২০০৮ সাল।
সরপ বলেছেন:
যারা খালেদা জিয়ার জন্মদিন নিয়ে উপহাস করেছে তাদের সবাই ছার্টিফিকেটে বয়স চুরি করেছে। মেট্টিকের ছার্টিফিকেটে সবাই ভুল জন্মতারিখ দেয়। তাই সঠিক জন্মতারিখ ১৫ই আগষ্ট। বিয়ের সময় খালেদা অপ্রাপ্তবয়স্কা ছিলেন। তবে তিনি রূপেগুনে অনন্য ও শারীরিকভাবে বাড়ন্ত হওয়ার বিয়ের উপযুক্ত হয়েছিলেন। তাই বিয়ের ছার্টিফিকেটের তারিখও বয়স বাড়িয়ে দিতে হয়েছিল। তার সঠিক জন্মতারিখ ১৫ই আগষ্ট। এদিন শেখ মুজিবুর নিহত হলে কি খালেদা জিয়ার দষ?সবাই উর্দুর মার্ক দেখেছে তিনি অংকে ৫০ পেয়েছেন। তার অংকের মেধা অনেক ভাল। সববিষয়ে পাশ করতে পারলে তিনি ইন্জিনিয়ারও হতে পারতেন। উর্দুর চেয়ে বাংলায় কম মার্ক পাওয়ায় দেশের লাভ হয়েছে। ১০টি পিএচডি পাওয়া বাচাল বাকশালী নেত্রীর ন্যায় তিনি বেশী কথা বলে ঝামেলা সৃষ্টি করেন না।
লেখক বলেছেন: আপনারে আর কি বলার আছে.....
সামদ বলেছেন:
১৯৯৭ সালের ২০শে আগস্টের পত্রিকা রিপোর্ট
Much ado over Khaleda's birth date
DHAKA, Aug 19: The birth date of Opposition leader Khaleda Zia has become a major controversy in Bangladesh, with the education board on Tuesday saying she was born on September 5 and not August 15 as she has claimed.
Bangladesh since 1996 has been marking August 15 as the national mourning day to commemorate the 1975 assassination of the country's founder Sheikh Mujibur Rahman, the father of current Prime Minister Sheikh Hasina Wajed. Zia has drawn criticism for celebrating her birthday on the day of mourning.
Sheikh Mujibur was killed along with most of his family in a coup on August 15, 1975 which also toppled his Awami League government. After the killing, Zia's husband Ziaur Rahman, the then Army Chief, emerged as the strongman of Bangladesh and eventually became the country's President. He was killed in another coup in 1981. The Independent newspaper on Tuesday quoted an education board letter to the Information Ministry which said, ``According to our records, the Bangladesh Nationalist Party chief was born on September 5, 1946, and she appeared in the school final examination in 1961.''
A third possible date of birth, August 19, was cited by the official BSS news agency in 1991 and the official biography released after she became the Prime Minister.
খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন:
তবে তিনি রূপেগুনে অনন্য ও শারীরিকভাবে বাড়ন্ত হওয়ার বিয়ের উপযুক্ত হয়েছিলেন।
ঠিক ঠিক ঠিল
লেখক বলেছেন: ![]()
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
ব্লগার সরপ যেভাবে জোড় দিয়া বলতেছে ১৫ আগষ্টই খা.জিয়ার প্রকৃত জন্মদিন ..... আমার সন্দেহ হচ্ছে খা.জিয়ার সাথে সরপের সম্পর্ক কি ? ..... ব্লগার সরপই কি স্বয়ং ফালু ?
লেখক বলেছেন: ![]()
শওকত আহমেদ বলেছেন:
ব্লগার সরপ ঠিক কথা বলেছেন । মেট্রিক এ ভুল জন্মতারিখ দিতেই পারে। কিন্তু সাধারনত মানুষ ভুল জন্মতারিখ লিখলে শুধু সাল পরিবর্তন করে অথবা যে কোন সহজে মনে রাখার মত তারিখ দেয় এ রকম ভাবে এমন কোন জন্মতারিখ দেয় না যা মনে রাখা সমস্যা।
আর বিয়ের সময় বয়স কম থাকলে বয়স যত বছর দরকার বাড়িয়ে নেয় তারিখ পরিবর্তন করে না।
আর আপনার কথা অনুযায়ী জিয়াউর রহমান বাল্যবিবাহ করেছিলেন।
তাছাড়া খালেদা জিয়ার নিজের জন্মতারিখ ঠিক করা নিয়ে যদি এতই চিন্তা থাকত তাহলে তিনি জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় থাকতেই তা করতে পারতেন । পরে এসে এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনার জন্ম দিতেন না।
যদি তার জন্মদিন ১৫ আগস্ট হয়েই থাকে তবে তো তিনি তা নিজে ক্ষমতায় থাকাকালীনও পালন করতে পারতেন। কিন্তু কেন তিনি ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করার পরই নিজের জন্মদিন ১৫ আগস্ট বলে দাবী করলেন?
ব্লগার সরপ উত্তর আছে কি আপনার কাছে?আপনার ভাষ্যমতে আপনার ইচরেপাকা নেত্রীর ব্যপারে?
লেখক বলেছেন: ![]()
সপ্ন পুরন বলেছেন:
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: কারন আমরাই ভোট দেই।
পাভেল০৮১ বলেছেন:
এই মহিলার অঙ্ক প্রতিভা তো আসাধারণ!!!
লেখক বলেছেন:
আপনি অঙ্ক ভালোবাসেন বুঝি?
টোকাই খান বলেছেন:
এগুলান সবই ইন্ডিয়ান দালালদের অপপ্রচার।
লেখক বলেছেন: সম্পূর্ন একমত। দেশের সব গুলো শিক্ষাবোর্ড, নির্বাচন কমিশন, বিবাহের কাবিন নামার অফিস- সব জায়গাতেই ইন্ডিয়ান দালাল গিজগিজ করছে।
অফটপিক, এত বুদ্ধি নিয়া ঘুমান কেমনে? ![]()
শামস্ বিশ্বাস বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো!!! আপনাকে আনেক ধন্যবাদ...
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। ইফ্তেখার মোহাম্মদ এই পোস্টের উৎস।
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
৮৮
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
যীশূ বলেছেন:
সংগ্রহে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: ![]()
শওকত বলেছেন:
আমার বলার কিছু নাই.... জোশ কালেকশন
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ.... আপনার কারুকার্যগুলা কিন্তু জোস!
শিপু৩৩৩ বলেছেন:
সংগ্রহে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ![]()
রুদ্র'৭১ বলেছেন:
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর জিয়া যখন খালেদাকে গ্রহণ করতে চাইছিলেন না তখন শেখ মুজিবর রহমান এর মধ্যস্ততায় জিয়া খালেদাকে গ্রহণ করেন। যারই ফলশ্রুতিতে খালেদা জিয়া দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। অথচ অকৃতজ্ঞ খালেদা জিয়া শেখ মুজিবর রহমানের মৃত্যুদিবস নিয়ে কী নির্মম পরিহাস করলেন!হায় খালেদা! এটা কী অশিক্ষা না কালচারাল সংকট?
অবশ্য খালেদা মধ্যবিত্তের সন্তান,তার পরিবারকে যতটুকু জানি কালচারাল সমস্যা থাকার কথা নয়। এটা শিক্ষারই সংকট।
আর একটা ইনফরমেশন খালেদার জন্মস্থান পশ্চিম বাংলার জলপাইগুড়ির চা বাগানে। দুর্ভাগ্যবশত একই স্থানে আমারও জন্ম!
লেখক বলেছেন: শিক্ষারই সংকট কিনা কে জানে- আমি নিশ্চিত নই। উনিই বলতে পারেন কিসের জন্য এই নোংরামী করতে ওনার বাধে না....
আর জলপাইগুড়ির চা বাগানে জন্ম হলে দুর্ভাগ্যের কি আছে তা ঠিক বুঝলাম না..।
রুদ্র'৭১ বলেছেন:
দূর্ভাগ্য ভাবছি এ কারণে যে খালেদা জিয়ার মত একজন অকৃতজ্ঞ মানুষ যেখানে জন্ম নিয়েছেন সেখানে আমিও। উনার জন্মদিন ১৫ আগষ্ট না এটা সবাই জানি, যদি সত্যিই ১৫ আগস্ট জন্মদিন হতো তাহলেওতো জন্মদিনটা আড়ম্বরভাবে পালন করা শোভন হতো না। বিএনপির নেতা কর্মীরা ইচ্ছে করেই অতিরিক্ত উল্লাস প্রকাশ করে এ দিনে। এ থেকে পুরো দলটির কালচার নিয়ে প্রশ্ন তোলা স্বাভাবিক।
লেখক বলেছেন: নারে ভাই, দূর্ভাগ্য ভাবার ব্যপারে আপনার যুক্তির সাথে একমত না।
খালেদা জিয়া যে নোংরামীর পরিচয় দেন- সারা পৃথিবীতে এমন নজির আর একটিও খুজে পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ। কিন্তু তাই বলে উনি যেখানে জন্মেছেন বা উনি যেখানে থাকেন সেসব জায়গা কেন দোষী হতে যাবে?
লেখক বলেছেন: ![]()
নির্ভয় নির্ঝর বলেছেন:
খাইছেরে.......... +++++++++++++
লেখক বলেছেন: ![]()
স্পর্শহীন কিছুদিন বলেছেন:
কালেশন টা দরকার ছিল।
লেখক বলেছেন: ![]()
আরিফ নাওগাঁ বলেছেন:
রেখে দিলাম........ধন্যবাদ...।++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ![]()
এহসান জুয়েল বলেছেন:
নাইস কালেকশন
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: থেংকু ![]()
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
খালেদা জিয়ার এই ফাইজলামীর শেষ কোনদিন হবে জানিনা।বঙ্গবন্ধুর মুত্যুদিবসকে জাতীয় শোক দিবস ঘোষনার পর কাউন্টার হিসেবে এই হাস্যকর জন্মদিন উৎসব পালন...ছি বলা ছাড়া আর কিছুই নাই। খালেদা জিয়া এই নোংরা ব্যাপারটাকে এখনও লালন কেন করে যাচ্ছেন বুঝিনা।
যদি সত্যি সত্যি তার জন্মদিন ১৫ আগষ্ট হত, তবুও উচিত ছিল সেটা পালন না করা। বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সেটার প্রতি শ্রদ্ধা দেখানো।
কিন্তু তার জন্মদিন ১৫ না হয়েও সেইদিন নোংরা উদ্দেশ্যে এটা পালন করে লোকজনের খালেদার প্রতি বিতৃষ্ণাই বাড়ছে।
প্রতি বছর রোজা এগিয়ে আসছে, এইবার মনে হয় রোজা ঈদ সেপ্টেম্বরের ২০ এ হয়ে যাবে। কবছর পড়ে এই এগিয়ে যাবার চক্রে যদি একবার ৩০ মে ঈদ হয়, তখন খালেদার কেমন লাগবে সেটা দেখার ইচ্ছে আছে।
লেখক বলেছেন: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: ...কিন্তু তার জন্মদিন ১৫ না হয়েও সেইদিন নোংরা উদ্দেশ্যে এটা পালন করে লোকজনের খালেদার প্রতি বিতৃষ্ণাই বাড়ছে।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আপনার সাথে সহমত। দু:খ লাগে যখন দেখি একজন জনপ্রিয় মানুষ কিভাবে ভ্রান্তিতে জড়িয়ে পড়ছেন বছরের পর বছর ধরে। নিচের খবরটা আশা করি পড়েছেন -
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
৬৫ পাউন্ডের কেক কেটে খালেদাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা
ঢাকা, আগস্ট ১৪ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- বিএনপি চেয়ারপার্সন ও বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়ার ৬৫ তম জন্মদিনের প্রাক্কালে শুক্রবার বিকেলে নয়া পল্টনে ৬৫ পাউন্ডের কেক কেটেছে বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী যুব দল।
সংগঠনটি তাদের নেত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে দুই দিনের কর্মসূচিও ঘোষণা করেছে।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, শুক্রবার জন্মদিনের কেক কাটা ও শনিবার দোয়া মাহফিল। বিকাল ৪টায় নয়া পল্টনের কার্যালয়ে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।
১৫ আগস্ট শনিবার খালেদা জিয়ার ৬৫তম জন্মদিন। তবে দিনটি পালনে দলীয় কোনো কর্মসূচি নেই। শনিবার সন্ধ্যায় গুলশানে দলের চেয়ারপার্সনে কার্যালয়ে দলীয় নেতা-কর্মীরা খালেদা জিয়াকে শুভেচ্ছা জানাতে যাবেন।
বিএনপি চেয়ারপার্সনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান শুক্রবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ''জন্মদিনের আনুষ্ঠানিক কোনো কর্মসূচি নেই। ম্যাডাম শনিবার সন্ধ্যায় গুলশানের কার্যালয়ে অফিস করবেন। সে সময় তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে দলীয় নেতা-কর্মী-সমর্থকদের প্রস্তুতি রয়েছে।''
১৯৪৫ সালে খালেদা জিয়া দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন।
শুক্রবার বিকেলে নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ৬৫ পাউন্ডের কেক কেটে খালেদা জিয়ার দীর্ঘ জীবন কামনা করেন যুব দলের নেতা-কর্মীরা। কেক কাটার সময় তারা 'শুভ জন্মদিন, খালেদা জিয়ার জন্মদিন' শ্লোগান দেয়।
এসময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মির্জা আব্বাস, যুব দলের সভাপতি সাংসদ বরকত উল্লাহ বুলু, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
পরে খালেদা জিয়া এবং তার দুই ছেলে তারেক রহমান ও আরাফাত রহমানের দীর্ঘ জীবন ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
২০০৭ সালে কারাগারে যাওয়ার পর মুক্ত অবস্থায় এই প্রথম খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালিত হচ্ছে। ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ তাকে গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়।
লেখক বলেছেন: এবারের জন্মদিনের ছবি -

লেখক বলেছেন: 
নির্ভয় নির্ঝর বলেছেন:
পিলাচ না দিয়ে যাওয়ার রাস্তা খুঁজে পাচ্ছি না!!! তাই, দিলাম একখান ইয়া বিশাল এলাচ(পিলাচ কিংবা প্লাস)!!!
লেখক বলেছেন: ধইন্যা ![]()
আল্লাহ রাখা বলেছেন:
খাইছে ম্যাডামরে........http://www.somewhereinblog.net/blog/Allahrakha/28993896
লেখক বলেছেন: পড়লাম।
লেখক বলেছেন: ![]()
রুদ্র নীল বলেছেন:
অামাদের সাবেক প্রধান মন্ত্রীর তাহলে জন্মের ঠিক নাই , এই পোস্ট যাদের ভালো লাগে নাই তাদের টা ঠিক অাছে তো ??সেলটিক ভাই , ++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: প্লাসের জন্য ধন্যবাদ।
দাদাভাই এর ব্লগ বলেছেন:
জটিল.......................
লেখক বলেছেন: ![]()
ওনার এইটা মেনে নেওয়া কোনভাবেই উচিত হয় নাই।
যে বা যারা এই বিষয়ে প্ররোচিত করেছে তারা নোংরা। তাদেরকে জুতাপেটা করা উচিত। রাজনীতিতো খেলার বিষয় না। মনে চাইলো আর ফাইজলামী করলাম।
এটা বন্ধ করা উচিত।
লেখক বলেছেন: যে বা যারা এই বিষয়ে প্ররোচিত করেছে তারা নোংরা। তাদেরকে জুতাপেটা করা উচিত।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
নিচের খবরটা পড়তে পারেন, তামাশা চলছেই ....
উকিল নোটিস পাঠানো ষড়যন্ত্রমূলক: জয়নুল
ঢাকা, আগস্ট ১৫ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- ১৫ আগস্ট জন্মদিন পালন করায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উকিল নোটিস পাঠানোকে ষড়যন্ত্রমূলক বলে অভিহিত করেছেন সংসদে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক।
১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবাওে হত্যা করা হয়।
একই দিন জন্মদিন পালন করছেন খালেদা জিয়া, যা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।
জয়নুল আবদিন শনিবার এক অনুষ্ঠানে বলেন, "১৫ আগস্ট খালেদা জিয়ার জন্মদিন। যারা মনে করেন ওই দিনটি কেবল একজনের, তারা ক্ষমতা ও সংসদের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে উকিল নোটিস পাঠিয়েছেন। আমরা ওই নোটিস প্রত্যাখ্যান করছি।"
খালেদা জিয়ার ৬৫তম জন্মদিন উপলক্ষে কাকরাইলে জিসাস সঙ্গীত একাডেমিতে সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) একটি কেক কাটেন। এতে বক্তব্য রাখেন জয়নুল।
১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট খালেদা জিয়া দিনাজপুরে জন্ম গ্রহণ করেন বলে দাবি করা হয়।
'বিভ্রান্তিকর জন্মদিন পালন করা হচ্ছে' উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি শাহজাদা মহিউদ্দিনের পক্ষে শুক্রবার অ্যাডভোকেট কে এম এ নজিবউল্লাহ খালেদাকে একটি উকিল নোটিস পাঠান।
নোটিসে ১৫ আগস্ট জন্মদিন পালন থেকে খালেদাকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়।
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, "আওয়ামী লীগ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে যা ইচ্ছা তাই করছে। নিরাপত্তার জন্য নিজেরাই আজীবনের নিরাপত্তা আইন করছেন। তারা মনে করে, ১৫ আগস্ট কেউ জন্ম নিতে পারবে না, কেউ জন্ম গ্রহণও করেনি।"
বিএনপি নেতা জয়নুল দলীয় প্রধান খালেদা জিয়াকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে তার দীর্ঘজীবন কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে সাংসদ শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ও নীলুফার চৌধুরী মনি বক্তব্য রাখেন।
এদিকে খালেদা জিয়াকে শুভেচ্ছা জানাতে বিএনপি এবং এর সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতা-কর্মীরা শনিবার বিকালে দলের গুলশানের কার্যালয়ে যাবেন বলে দলের সহ প্রচার সম্পাদক মহিউদ্দিন খান মোহন জানিয়েছেন।
শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতীয়তাবাদী যুব দল খালেদার জন্মদিন উপলক্ষে কেক কেটে দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করে। শনিবার দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচিতে রয়েছে বিকালে নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল।
লেখক বলেছেন: আপনার কোলাজের আইডিয়া টা খারাপ লাগে নাই। কিন্তু
ভাই কিছু মনে কইরেন না, এই ছবিটা আমার পছন্দ হয় নাই।
উনার দুই ছেলে (তারেক ও কোকো ) বিরাট চোর এই বিষয়ে কোন সন্দেহ নাই। কোকো তো তার কুকর্মের (সিমেন্সের ঘুষ খাওয়া) জন্য আমেরিকার জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের কাছেও ধরা খাইছে।
কিন্তু এই ছবিটার পেছনের কাহিনী তো আমরা জানি। পাবলিকের কাছে তারা চোর, কিন্তু ছেলেদের জন্য মায়ের ভালোবাসা তো খাটি, তাই না?
অন্য কোন ছবি ব্যবহার করলে আপনেরে ১০০তে ১০০ দিব। ![]()
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
ভালো ডকুমেন্ট, এ ব্যাপারে খালেদা জিয়ার সরাসরি মুখ খোলা উচিৎ। না হলে পাবলিক.....................
লেখক বলেছেন: তারা পাবলিককে বলছেন যে এই ফাইজলামি তারা করবেনই করবেন। পারলে কেউ ঠেকাক ....
কেক কেটে জন্মদিন পালন করলেন খালেদা জিয়া
ঢাকা, আগস্ট ১৫ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- দলীয় নেতা-কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে শনিবার কেক কেটে জন্মদিন পালন করলেন বিএনপির চেয়ারপার্সন ও বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়া।
শনিবার বিকালে গুলশানের কার্যালয়ে চেয়ারপার্সনের ৬৫তম জন্মদিন উদযাপনে বিএনপির উদ্যোগে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
খালেদা জিয়াকে শুভেচ্ছা জানাতে গুলশানের কার্যালয়ে কয়েক হাজার দলীয় নেতা-কর্মী-সমর্থক উপস্থিত হন।
১৯৪৫ সালে দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।
বিকাল ৬টায় খালেদা গুলশানের কার্যালয়ে এসে পৌঁছলে কয়েক হাজার নেতা-কর্মী তাকে তুমুল করতালি দিয়ে স্বাগত জানায়। তিনি হাত নেড়ে অভিনন্দনের জবাব দেন। এ সময় কর্মীরা ' শুভ শুভ জন্মদিন, খালেদা জিয়া শুভেচ্ছা নিন' এ শ্লোগান দেয়।
খালেদা জিয়া বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে ৬৫ পাউন্ডের তিনটি বড় কেক কাটেন।
কেক কাটার আগে তার দীর্ঘায়ু কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
এর পর দলের মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন নেত্রীকে ফুল দিয়ে জন্মদিনের অভিনন্দন জানান।
বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা সার বেঁধে চেয়ারপার্সনকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। দলের নেতা-কর্মীরা ছাড়াও শিশু-কিশোররাও রজনীগন্ধা দিয়ে শুভেচ্ছা জানায় তাকে।
নেত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে ঢাকা মহানগর বিএনপির পক্ষে ঢাকার মেয়র সাদেক হোসেন খোকা ৬৫ পাউন্ডের তিনটি কেক দেন। এছাড়া বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের পক্ষ থেকে আরও ছোট-বড় ১০টি কেক ও শতাধিক কেজি মিষ্টি আনা হয় গুলশানের কার্যালয়ে। পরে এসব কেক ও মিষ্টি নেতা-কর্মীদের মধ্যে পরিবেশন করা হয়।
এ অনুষ্ঠানে ঢাকার মেয়র সাদেক হোসেন খোকা, এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি আবদুল আউয়াল মিন্টু, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ইনাম আহমেদ চৌধুরী, সহ সভাপতি শাহজাহান ওমর, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, এম কে আনোয়ার, সারোয়ারি রহমান, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, জয়নুল আবদিন ফারুক, বরকত উল্লাহ বুলু, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আবদুস সালাম, নাজিম উদ্দিন আলম, ফজলুল হক মিলন, সোহরাব উদ্দিন, খায়রুল কবির খোকন,শিরিন সুলতানা, হেলেন জেরিন খান, মোস্তাফিজুর রহমান, হাবিবউন নবী খান সোহেল, রিজভী আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বিকালে যুব দলের উদ্যোগে নয়া পল্টনের বিএনপি কার্যালয়ে খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে দলের মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন ও যুব দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
১৫ আগস্ট খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালন নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। কাগজপত্রে তার ভিন্ন দুটি জন্ম তারিখের উল্লেখ থাকায় এবং কেবলমাত্র সা¤প্রতিককালেই ১৫ আগস্ট জন্মদিন হিসেবে ঘটা করে পালন করার জন্য আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, ১৫ আগস্টের ঘটনাকে কটাক্ষ করতেই তা করে বিএনপি।
'বিভ্রান্তিকর জন্মদিন পালন করা হচ্ছে' উল্লেখ করে ছাত্রলীগের এক সাবেক নেতা শুক্রবার খালেদাকে একটি উকিল নোটিস পাঠিয়ে তাকে এদিন জন্মদিন পালন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
শনিবার বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক মন্তব্য করেন
খালেদা জিয়াকে এ উকিল নোটিস পাঠানো 'ষড়যন্ত্রমূলক'।
ইরফান রিজভী বলেছেন:
শো কেসে রাখলাম।
কাদা মাটি জল বলেছেন:
+++++ জানিনা কত নাম্বার। ভাল হইসে ভাই। এইরকম কিছহু লেখা পরলে আমরা কিছু নিওরাজাকার চিনতে পারি। এদের আঁতে ঘা লাগে যে।সেই খালেদা, এই খালেদা এক না রে ভাই...
লেখক বলেছেন: হ্যা এই ডকুমেন্টগুলোর সাথে ব্লগ জগতের মানুষদের পরিচয় করিয়ে দেবার জন্য ইফতেখার মোহাম্মদ ধন্যবাদ পেতেই পারে। ![]()
ব্রহ্মদৈত্য বলেছেন:
খালি খালি উনাকে জন্মদিন বিষয়ে পেইন দিচ্ছেন ক্যান!!! মার্কশিটে তো দেখাই যাচ্ছে উনি ইতিহাসে কাচা ছিলেন।
নির্বাসন বলেছেন:
একজন কম বুদ্ধির মহিলার আশে পাশে যদি দেলোয়ার, সাকা ধরনের লোক থাকে তবে তার কাছ থেকে এর চেয়ে ভালো কিছু আশা করাটাই বোকামি...আমাদের চরম দুর্ভাগ্য যে এত কিছুর পরেও আওয়ামি লীগ যদি খারাপ কিছু করে তবে এদের কাছেই আমাদের ধন্যা দিতে হবে...এই দুষ্ট চক্রের বুঝি শেষ নেই।
টংকেশ্বরী বলেছেন:
ম্যাকলাভিং বলেছেন: হি হি উর্দুতে বাংলার চেয়ে বেশী নাম্বার পাইসে................।
সেলটিক সাগর বলেছেন:
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
শুভ ৪ জন্মদিন আপোষহীন নেত্রী ম্যাডাম খালেদা জিয়া : আগাম অভিনন্দন
সমরেশ বৈদ্য
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
বিভিন্ন কারণে অকারণে আমরা মানব প্রজাতির সদস্যরা গোচরে-অগোচরে অনেক সময়েই অসত্য কথা বলে থাকি বা একান্ত বাধ্য হয়েই বলি। পরে আবার তা আমরা অনেকেই শুধরে নেই। ছোটখাটো অসত্য কথা বা তথ্য (সরাসরি মিথ্যা উল্লেখ করছি না এজন্য যে তাতে কেমন জানি একটু ‘উলঙ্গ’ শোনায়) সাধারণত: ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখেন সবাই মহানুভবতার কারণে। বিশেষ করে ঘোরতর বিপদের সময় কেউ যদি অসত্য বলে প্রাণে রক্ষা পান সেক্ষেত্রেও নিশ্চয় সামান্য অসত্যের কারণে যে অন্যায়টি হবে তা প্রাণের মূল্যের চেয়ে নিশ্চয় বড় অপরাধ নয় আমাদের সমাজের কাছে।
কিন্তু কেউ যদি ‘হলফনামা’ দিয়ে অসত্য বা মিথ্যা তথ্যকে প্রতিষ্ঠিত করেন বা জোড় গলায় তা প্রতিষ্ঠিত করতে চান নির্লজ্জ বেহায়ার মত তখন তাকে কোন্ মানদণ্ডে ফেলবো আমরা সাধারণ নাগরিকরা ? আর তা যদি হয় আমাদের তথাকথিত আপোষহীন নেত্রী বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার ব্যাপারে। তাহলে আমরা লজ্জায় মুখ দেখাই কী করে? তাকে বলা হয় গণতন্ত্রের আপোষহীন নেত্রী, ২ বার নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি। ছিলেন সরকার প্রধান। আগামী ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবারও তিনি সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী একাধিক আসনে। প্রচুর জনপ্রিয়তা তাঁর - এ কথাটি তো অস্বীকার করার উপায় নেই কারো। কথিত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য তাঁর সংগ্রাম ত্যাগ তো অনেক। সমস্যা তার আন্দোলন সংগ্রাম ত্যাগ তিতিক্ষা নিয়ে নয়। গত ৩০ নভেম্বর বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের একজন আইনজীবী ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পীর পক্ষে অপর আইনজীবী মো: মোতাহের হোসেন সুজা নির্বাচন কমিশনের কাছে একটি নোটিশ পাঠিয়ে দেন। নোটিশে তিনি অভিযোগ করে দাবি তুলেছেন যে, জন্ম তারিখ ও শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দেয়া হয়েছে -তাই ভোটার তালিকা থেকে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নাম বাদ দিতে হবে।
বার্তা সংস্খা বিডিনিউজ টুয়েটিফোর ডটকমকে এডভোকেট সুজা বলেছেন, খালেদা জিয়া ভোটার তথ্য ফরমে বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন। তাই তার নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনকে উকিল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। ২৪ ঘন্টার মধ্যে তালিকা থেকে তার নাম বাদ দেওয়ার দাবি জানিয়েছি আমরা। অন্যথায় খালেদা জিয়ার নাম বাদ দেয়ার জন্য আদালতের নির্দেশনা পেতে যথাযথ আইনী ব্যবস্খা নেওয়া হবে।
বিডিনিউজ সহ বিভিন্ন মিডিয়াতে প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায় যে, নোটিশ প্রদানকারী অভিযোগ পর্যালোচনা করলে দেখা যায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বিভিন্ন সময়ে অন্তত ৪ বার বিভিন্ন তারিখে তার জন্ম তারিখটিকে ভিন্ন ভিন্ন তারিখের উল্লেখ করেছেন। আর এ নিয়েই যত বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। নানা বিতর্কের অবতারণাও হয়েছে। নানা সমালোচনার ঝড়ও বইছে এখন রাজনীতির অঙ্গনে। সাধারণত: বাংলাদেশে মেট্রিকুলেশন বা এসএসসি সার্টিফিকেট বয়সের যে তারিখটি থাকে তাকেই গ্রহণযোগ্য জন্মতারিখ হিসেবে ধরা হয়। সরকারিভাবে সেটিই স্বীকৃত। আমার ক্ষুদ্র বুদ্ধিতে যতটুকু জানি সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে এ সার্টিফিকেটে যে জন্ম তারিখ লিপিবদ্ধ থাকে তাকে পরবর্তীতে কেউ যদি হলফনামা বা ‘এফিডেভিট’ দিয়ে বদলাতেও চান তা আর গ্রহণযোগ্য হয় না। তবে হ্যাঁ কোন কোন সময়ে কারো সঠিক জন্ম তারিখ অর্থাৎ তিনি যেদিন পৃথিবীতে ভূমিষ্ট হয়েছিলেন সেই দিনটির পরিবর্তে যদি অন্য কোন তারিখকে স্কুল সার্টিফিকেটে নিবন্ধন করানো হয় সেই নিবন্ধিত জন্ম তারিখটিই অফিসিয়াল জন্ম তারিখ হিসেবে গণ্য হয়ে থাকে- এটিই নিয়ম।
কিন্তু দু:খের বিষয় যে, বাংলাদেশে শুধুমাত্র একজন মাত্র ব্যক্তির জন্ম তারিখ নিয়েই সবচেয়ে বেশি সমস্যা দেখা দিয়েছে। কারণ তিনি কথিত আপোষহীন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। নির্বাচন কমিশনের কাছে সংশ্লিষ্ট আইনজীবী সুজা যে নোটিশ পাঠিয়েছেন তাতে আমরা আমাদের এই সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৪ বার জন্ম হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। (পাঠক আমায় ক্ষমা করবেন, আমি শুধু তথ্যের ভিত্তিতেই এ কথার অবতারণা করছি)।
তাহলে একটু দেখি এই অসামান্য নেত্রী যে ৪ বার জন্ম গ্রহণ করেছেন তার সন তারিখ।
নির্বাচন কমিশনে প্রদত্ত নোটিশ থেকে দেখা যায়-
(১) ১৯৬১ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষার নথিপত্র অনুযায়ী তার জন্ম তারিখ ১৯৪৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর। (২) বিয়ের কাবিননামায় (সেটি নিশ্চয়ই প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবিত থাকা অবস্খায়) জন্ম তারিখ দেখানো হয়েছে ১৯৪৭ সালের ৯ আগস্ট। (৩) ১৯৭৮ সালের ১ এপ্রিল পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে গিয়ে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী ১৯৪৬ সালের সেপ্টেম্বর মাস উল্লেখ করেছেন তবে কোন তারিখ দেন নি। (৪) গত ২৯ নভেম্বর ভোটার তথ্য ফরমে জন্ম তারিখ উল্লেখ করেছেন ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট।
আমার মত ক্ষুদ্র বুদ্ধিসম্পন্ন নাগরিকের মাথায় কোনভাবেই ঢুকছে না যে একজন ব্যক্তি কিভাবে এই পৃথিবীতে ৪ বার জন্মগ্রহণ করতে পারেন। সনাতন বা প্রচলিত হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসীরা জন্মান্তরবাদে বিশ্বাস করেন। অর্থাৎ তাদের মধ্যে এক ধরনের বিশ্বাস রয়েছে যে মনুষ্য জন্মের পরও আবার তাদের জন্ম হতে পারে। কিন্তু ইসলাম ধর্মে যতটুকু জানি জন্মান্তরবাদ নেই। আর আমাদের বিএনপি চেয়ারপার্সন যেহেতু ইসলাম ধর্মাবলম্বী, তাই তাঁরতো সেই সুযোগও নেই। কিন্তু তিনি বিভিন্ন সময়ে তাঁর যে জন্ম তারিখ উল্লেখ করেছেন তাতেতো মনে হয় তিনি ৪ বার জন্মগ্রহণ করেছেন। কিন্তু সঙ্গত কারণেই তা ঘটেনি। তাহলে কি হয়েছে ? এর উত্তরে আমরা যেটি দেখতে পাচ্ছি তা হলো তিনি তাঁর জন্ম তারিখ একেকবার একেক সন ও তারিখ উল্লেখ করেছেন। অর্থাৎ তিনি অসত্যের আশ্রয় নিয়েছেন জেনেশুনে। তাতে তিনি তো শুধু নিজের সাথে নয় নিজের দুই স্বনামধন্য পুত্র, আত্মীয় স্বজন, তার দলের নেতাকর্মী সর্বোপরি এদেশবাসীর সাথে চরম প্রতারণা করেছেন। এটিকে প্রতারনা না বলে কোন্ অভিধায় অভিহিত করা যায়- আমার অন্তত জানা নেই। সর্বশেষ ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে যে তথ্য দিয়ে ফরম পুরণ করেছেন তাতে তার জন্ম তারিখ উল্লেখ করেছেন- ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট। আর নির্বাচনী ফরমের সাথে একটি ‘হলফনামা’ বা ‘এফিডেভিট’ ও নিশ্চয় জমা দিতে হয়েছে। তাতে বলা হয় যে, তিনি যে সব তথ্য প্রদান করেছেন তার সবই সত্য। যদি প্রমাণ হয় যে কোন তথ্য সঠিক দেন নি তাহলে সেজন্য মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার বিধান রয়েছে। তবে গত ৩ নভেম্বর দৈনিক সমকাল পত্রিকায় রিপোর্ট অনুযায়ী এডভোকেট মো: মোতাহের হোসেন সুজার পাঠানো নোটিশটি নির্বাচন কমিশন ‘আমলে’ নেয় নি। আমরা আশা করি নির্বাচন কমিশনের বড় কর্তাব্যক্তিরা এই জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবেন। কারণ এই মিথ্যা ও প্রতারণার বিষয়টি কোন সাধারণ অবুঝ নাগরিক করেন নি। (যদি অভিযোগকারি আইনজীবীর অভিযোগ সত্য হয়ে থাকে বেগম খালেদা জিয়ার জন্মতারিখ বিভ্রান্তি নিয়ে।)
আমরা যদি ম্যাট্রিকুলেশন বা এসএসসি সার্টিফিকেটের জন্ম তারিখটি সঠিক হিসেবে ধরি তাহলে অন্য ৩টি জন্ম তারিখ ভুয়া, অর্থাৎ আমাদের এই কথিত আপোষহীন নেত্রীর যে কোন একটি জন্ম তারিখ সঠিক হিসেবে মেনে নিলে অন্য ৩টি ভুয়া হিসেবেই প্রতীয়মান হবে। কিন্তু আমরা গণতন্ত্রের জন্য আপোষহীন এই নেত্রীর জন্মদিন নিয়ে দুর্জনদের নানা সমালোচনা শুনতে রাজী নই। আশা করি তিনি নিজেই এ ব্যাপারটি খোলাসা করবেন দেশবাসীর কাছে। তিনি নিশ্চয়ই দেশবাসীর কাছে স্পষ্ট করে বলবেন কবে তিনি তার রত্নগর্ভা মায়ের গর্ভ থেকে ভূমিষ্ঠ হয়ে এই বাংলাদেশকে আলোকিত করেছিলেন। সত্যিকার জন্মদিনটি জানতে পারলে পুরো জাতি আমরা সবাই মিলে গণতন্ত্রের জন্য আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিনটি সাড়ম্বরে পালন করতে পারতাম। প্লিজ ম্যাডাম আমাদের মত নাখান্দা নাগরিকদের বঞ্চিত করবেন না ,আশাকরি আপনার শুভ জন্মদিনটি পালন করার জন্য। বিষয়টি আপাতত: নির্বাচন কমিশনের কাছে বিবেচনাধীন। কিন্তু বর্তমান নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন (আমরা বিশ্বাস করি তারা নিরপেক্ষ) সঠিকভাবে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন। আর তা যদি না হয় তাহলে বিষয়টি নিশ্চয়ই আদালত পর্যন্ত গড়াবে। জানি না সেখানে মহামান্য বিচারকদের বিচারে কী হবে। তবে আমাদের মহামান্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সঠিক জন্মতারিখ নির্ধারনের জন্য আদালত পর্যন্ত যেতে হবে তা আশা করি না। কারণ তাতে আশংকা অনেক দুর্গন্ধই বের হবে। বিএনপি’র নেতাকর্মীদের কাছে এই দেশনেত্রী’র জন্ম দিন নিয়ে উটকো বিতর্ক-সমালোচনা নিশ্চয়ই সুখকর হবে না।
সর্বশেষ
সম্প্রতি পত্রিকাতে দেখলাম- নির্বাচনী ফরম পুরণ করতে গিয়ে শিক্ষাগত যোগ্যতার জায়গায় বিএনপি চেয়ারপার্সন ম্যাডাম খালেদা জিয়া নাকি লিখেছেন “স্বশিক্ষিতা” সত্যিই খুব গর্ববোধ হলো বিষয়টি জানতে পেরে। পৃথিবীর কয়টি দেশের নেতানেত্রী আছেন যারা ম্যাডাম খালেদা’র মত ‘স্বশিক্ষিত’ ? আমাদের বাংলাদেশের নাগরিকদের চরম-পরম সৌভাগ্য যে আমরা স্বশিক্ষায় শিক্ষিত একজন আপোষহীন নেত্রী পেয়েছি। আশা করি তিনি এভাবে দেশে আরো অনেক ‘স্বশিক্ষিত’ লোক সৃষ্টির প্রকল্প নেবেন যাতে করে প্রতি বছর জাতীয় বাজেটে শিক্ষাখাতের জন্য টাকা ব্যয় অনেক কম হবে। তবে এক দুর্মুখের মন্তব্য এ ধরনের কথিত স্বশিক্ষিতরাই নাকি কোন কিছুকে পাত্তা না দিয়ে নিজের জন্মতারিখ বার বার বদলাতে পারেন। তবে ম্যাডাম আপনি ওসবে কান না দিয়ে নিজের তীক্ষî বুদ্ধিমত্তা দিয়ে নিশ্চয়ই দেশবাসীকে আশ্বস্ত করবেন যে আপনার জন্মদিন ৪টি নয় সত্যিকার ১টি এবং তা ‘........’ অমুক দিন। আমরা সবাই সেদিন জন্মদিন পালনের অপেক্ষায় রইলাম।
সাংবাদিক /কলামিষ্ট - চট্টগ্রাম থেকে|
কাঙাল মামা বলেছেন:
হাহাহাহা!!! সোজা প্রিয়তে গেলো!
রকস বলেছেন:
যার এতো জন্মদিন, তার কি জন্মের ঠিক আছে?
লেখক বলেছেন: পড়েছি ও মন্তব্য করেছি আপনার পোস্টে ![]()
লেখক বলেছেন: 
![]()
লেখক বলেছেন: zeenews
Notice to ex-Bangladeshi PM for celebrating b'dday on August 15
A legal notice has been served to Bangladesh's former prime minister Khaleda Zia, demanding a clarification on her party celebrating her birthday that coincides with the National Mourning Day.
Two lawyers, KM Nazibullah and Balaram Poddar served a notice to BNP chief Zia asking her to explain why her party was celebrating her birthday on August 15, the day when the country's founder Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman was assassinated in a military putsch 34 years ago.
Though Zia is not celebrating the birthday at family level, her party and front organisation leaders were involved in celebrations on her "65th birthday" cutting a huge 65 kilogram cake at the BNP's central office last evening.
She was set to join the main celebration later today at her office at posh Gulshan area, a party spokesman said.
But the notice said it was evident from available documents that Zia had taken the matriculation examinations in 1961, registering the date of her birth as September 5, 1947.
Earlier media reports claimed her previous passport and examination documents of her early school days contained another two dates and the four different dates of birth led to a controversy. The BNP started celebrating her birthday on August 15 while it was in power from 1991 to 1996.
"You are celebrating the birthday on August 15 only to undermine the significance of the day, which is observed as National Mourning Day," the notice said.
The notice said action would be taken against her for creating "confusion regarding the matter" if she failed to give a clarification on her actual birthday in next seven days.
A case filed in 1997 regarding her controversial birthday is still pending with the High Court.
On November 30, 2008, a Supreme Court lawyer issued another legal notice to the Election Commission demanding her name be dropped from the electoral roll on charges of furnishing "false and misleading information on the date of her birth and educational qualifications".
The commission at that time apparently preferred to ignore the notice considering the sensitivity of the matter particularly ahead of the crucial December 29 general elections to end the two years of state of emergency under an interim government.
লেখক বলেছেন:
রাজাকার আলবদরদের সাথে আপোষ করতে করতে ম্যাডামের সেই ইমেজ অনেক আগেই গেছে বোধহয়।
কৃষ্ণ তরুণ বলেছেন:
সত্যিই আপোষহীন!
লেখক বলেছেন: রাজাকার আলবদরদের সাথে আপোষ করতে করতে ম্যাডামের সেই ইমেজ অনেক আগেই গেছে বোধহয়।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ![]()
লেখক বলেছেন: সেটাই। ধন্যবাদ।
আব্দুল্লাহ আল মামুন রাসেল বলেছেন:
ভাই পুরোটাই পরলাম। আমাদের অনেকেই পচাঁ দুর্গন্ধ ছোড়াছুড়ি করলেন তাও দেখলাম। আশার কথা এই যে আমাদের অনেকেই ভালো মন্তব্য করেছেন। আর যারা বাজে কথা লিখে নিজেদের মানসিকতার পরিচয় দিয়েচেন তাদের বলছি আপনাদের মুখে এমন সমালোচনা মানায় না কারন আপনাদের মন্তব্য গুলো ছিলো তাদের মানসিকতার চেয়ে ও জঘন্য।
লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ রাসেল ভাই।
নষ্ট কবি বলেছেন:
হাাহাহাহাহাাহহাহা
লেখক বলেছেন: ![]()
মোরশেদুল আজাদ পলাশ বলেছেন:
onek poreychee..ekn gum pacheyy...K.Zia ei rokom pichkari markaa kam ta ken korlen tha Falu & Mjr Jomsed key gigasa kortey hobey...
লেখক বলেছেন: ফালু ও মেজর জামশেদ কে জিজ্ঞাসা করার কথা আসছে কেন?
সাপিয়েন্স বলেছেন:
খালেদা খানমের নাম সইটা আমার খুব পছন্দ হলো, কারণ আমার হাতের লেখা সাঙ্ঘাতিক খারাপ, যদিও এস, এস,সি, তে আমাদের ফলাফল সম্পূর্ণ বিপরীত।আমারও একাধিক জন্মতারিখ। আসলটা আমার কোষ্ঠীতে লেখা আছে, অন্যটা আমার সংসার-উদাসী দার্শনিক বাবা স্কুলে ভর্ত হওয়ার সময় আন্দাজী দিয়েছিলেন।
এটা কোন বড় ইস্যু নয়। তবে ১৫ই আগস্টের ঘটনার পরে সেটা সত্যিকার জন্মদিন হলেও ঘটা না করাই ভালো হতো, বিশেষত যখন শেখ সাহেবই জিয়ার সাথে তাঁর প্রায় ভেঙ্গে যাওয়া বিয়ে জোড় দিতে জিয়াকে বাধ্য করেছিলেন।
সুপ্রকাশ বলেছেন:
হি হি হি ....... ব্যাপক মজা পেলাম ........ অনেক ধন্যবাদ .......প্রিয়তে রাখলাম এবং অবশ্যই প্লাস দিলাম ......... হো হো হো ......
াহো বলেছেন:
ধন্যবাদ .
সেই সাম্য বলেছেন:
+++++++
ইমতিয়াজ ১৩ বলেছেন:
জানলাম
আসিফুল ইসলাম বলেছেন:
তোমারে ধইন্যাপাতা।
শেখ মিনহাজ হোসেন বলেছেন:
++
অন্ধকার গলিতে হারিয়ে যাওয়া
কোন দেহ পশারিনীর ঘরে
চরম ব্যঙ্গ বিদ্রুপে যে বড় হয়,
কোন ব্যাভিচারীর আকণ্ঠ পাপে
যে বেড়ে ওঠে কোন ধর্ষিতার জঠরে
ভূমিষ্ট হয় গ্লানি আর ধিক্কারে,
প্রতারিত ভালোবাসার মিথ্যা শপথে
কুমারী মাতার কোলে
গোপন আধাঁরে যে আসে পৃথিবীর বুকে
এমন কি-
পাকবাহিনীর শিকারি যে বীরঙ্গণা
ন’মাস তীব্র দহনে যে সন্তান প্রসব করেছে
তাকেও কখনও
বেজন্মা, অজন্মা বা জারজ বলি না
তাকেই বলি-
যে নিজেকে জাতি-জন্মপরিচয়হীন দাবী করে
যে জাতিরপিতা-কে অস্বীকারের ঔর্ধ্যত্য করে
অজন্মা, বেজন্মা ও জারজ যাবতীয় শব্দাবলী
কেবল তাদের-ই জন্য।।
বাফ্রু মারমা বলেছেন:
আপ্নের কপালে খারাপী আছে। তাড়াতাড়ি তার সুইস একাউন্টে কিছু দিয়া আসেন।
তার পিছনে আনেক ডিগ্রীধারী কর্তাব্যক্তিরা চাটুকারী করছে।
ছি ছি ছি
লেখক বলেছেন: তেল না মারলে চলবে কেমনে?
ভ্রমণ বাংলাদেশ বলেছেন:
হা হা হা......... হো হো হো......... হি হি হি হি.......... ভাইসব উনারা ৪-৫ টা জন্মদিন করলে আমরা একটু ভাল-মন্দ খাইতাম ফারি । সো আমাদের পকেট কেটে আরো আমাদেরকে খাওয়াক । আর আমরা ছাগলের ৩ নাম্বার বাচ্চার মত লাফাই । ধন্যবাদ সবাইকে .................
আশাহত বলেছেন:
হাহাহাহা! পুরাই ফেলটু দেখা যায়! লজ্জাশরম কিছু নাই তারপরেও!
লাবিব ইত্তিহাদুল বলেছেন:
আমার শরম লাগতাছে। অই কে আছিস, আমারে বুরকা দে। আমি বুরকা পইরা ঘুমামু।
সেলটিক সাগর বলেছেন:
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~১৫ই আগষ্ট জন্মদিন পালন না করতে খালেদাকে বিএনপি নেতা আখতারের আহ্বান
বিডি নিউজ , আগষ্ট ১৩, ২০১০
ঢাকা, অগাস্ট ১৩ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- ১৫ অগাস্ট জাতীয় শোক দিবসে জন্মদিন পালন না করতে বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তার দলের সাবেক সাংসদ অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামান।
তিনি ১৫ অগাস্ট জন্মদিন পালনকে অশালীন, অসৌজন্যমূলক বলে অভিহিত করেন।
শুক্রবার এক বিবৃতিতে তিনি খালেদার প্রতি এই আহ্বান জানান।
আখতারুজ্জামান বলেন, ''দল ও দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এখন থেকে ১৫ অগাস্ট তথাকথিত জন্মদিন পালন থেকে বিরত থাকার জন্য বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি আকুল আবেদন জানাচ্ছি। এই জন্মদিন পালন নিয়ে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে এর দায়ভার জন্মদিন পালনকারীকেই বহন করতে হবে।''
১৯৯১ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে খালেদা জিয়া ১৫ অগাস্ট জন্মদিন পালন করে আসছেন।
বিএনপি থেকে একাধিকবার বহিস্কৃত আখতারুজ্জামান ১/১১ এর পর কারাবন্দি খালেদা জিয়ার পক্ষে দলের মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে কাজ করেন। ওই সময় আখতার 'খালেদা জিয়া মুক্তি পরিষদ' গঠন করেন।
আখতার দাবি করেন, ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর বৃহত্তর বরিশালের তৎকালীন এক সাংসদের 'কুবুদ্ধিতে' ১৫ অগাস্ট খালেদা জিয়ার 'তথাকথিত' জন্মদিন পালন শুরু হয়।
তিনি বলেন, এখন এই দিনটিতে দেশের মাটিতে ঘটা করে জন্মদিন পালন করা জনগণের বিশ্বাসের প্রতি অবমাননারই বহিঃপ্রকাশ। এমন একটি শোকের দিনে বিরোধী দলীয় নেত্রীর জন্মদিন পালন করা লাখ লাখ বিএনপি নেতা-কর্মীর কাছেও কাম্য নয়। জনগণও তা ভালো চোখে দেখে না।
সাবেক এই সাংসদ বলেন, "বঙ্গবন্ধু হত্যার সুবিধাবাদী দল বিএনপি নয়। এ হত্যার দায় বিএনপির ওপর বর্তায় না। কিন্তু দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার ভুল ও বিভ্রান্তিকর রাজনীতির কারণে আজ দলের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ওপর কলঙ্ক লেপনের অপচেষ্টার সুযোগ সৃষ্টি করে দিচ্ছে।"
আখতার আরো বলেন, তিনি (খালেদা) যে চাটুকার শ্রেণীর দ্বারা বিএনপির রাজনীতিকে বঙ্গবন্ধু বিরোধী তথা স্বাধীনতা বিরোধী ও পাকিস্তানপন্থী করার চেষ্টা করে আসছেন, তা দলের ও তার নিজের জন্য কী সর্বনাশ ডেকে এনেছে তা তিনি যদি অনুধাবন করতে না পারেন তবে তা হবে সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এসএম/ডিডি/এইচএ/১৮২৯ ঘ.
রুবেল শাহ বলেছেন:
ধন্যবাদ সাগর ভাই ...........
লেখক বলেছেন: ভালো আছেন আশা করি।
সেলটিক সাগর বলেছেন:
~শুক্রবার (১৩ই আগষ্ট, ২০১০) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বেগম খালেদা জিয়াকে ১৫ আগস্ট নকল জম্মদিন পালন না করার আহবান জানিয়ে নারী সংসদ সদস্যরা মানব বন্ধন করেন -
সেলটিক সাগর বলেছেন:
~খালেদা জিয়াকে ১৫ আগস্ট জন্মদিন পালনে বিরত থাকার আহবান মেজর আখতারের
বাংলা-নিউজ টোয়েন্টি-ফোর .কম.বিডি
ঢাকা: জাতীয় শোক দিবসে জন্মদিন পালন না করতে বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়াকে আহবান জানিয়েছেন বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান ।
শুক্রবার এক বিবৃতিতে দলের এই বহিস্কৃত নেতা পনের আগস্ট জন্মদিন পালনকে অসৌজন্যমুলক আখ্যায়িত করেন।
তিনি বলেন, দেশ ও দলের স্বার্থে এখন থেকে ১৫ আগস্টের তথাকথিত জন্মদিন পালন না করাই উচিত।
তিনি বলেন, জন্মদিন পালন করাকে কেন্দ্র করে কোনো অপ্রতিকর ঘটনা ঘটলে তার জন্য খালেদা জিয়াকেই দায়িত্ব বহন করতে হবে।
১৯৯১ সাল থেকে খালেদা জিয়া ১৫ আগস্ট তার জন্মদিন পালন করে আসছেন।
বাংলাদেশ সময় ২০০৯ ঘণ্টা, ১৩ আগস্ট, ২০১০
লড়াকু বলেছেন:
সবার পড়া উচিত
পোকা বলেছেন:
ঠেলা
সৈয়দ কেফায়াতুল্লাহ হোসইন বলেছেন:
বলার কিছু নাই
আ শী ষ বলেছেন:
এই পোস্ট টিকে থাকবে যতদিন বিএনপি থাকবে...।
লেখক বলেছেন: ![]()
সেলটিক সাগর বলেছেন:
এবার (১৫ই আগস্ট, ২০১০) জন্মদিন নিয়ে বেগম খালেদা জিয়ার নির্লজ্জতার বিকৃত প্রদর্শনীর কিছু নমুনা
প্রথম আলো:
বিডিনিউজ

নয়া দিগন্ত
১৫ আগস্ট প্রথম প্রহরে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে তথাকথিত জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান ৭০ দশকের ৭ খুনের মামলার প্রধান আসামী ও বর্তমানের জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান
দাউদ রনি বলেছেন:
বিলবোর্ড আকারে এ সব তথ্য রাস্তায় রাস্তায় টানানো উচিত।
লেখক বলেছেন:
ঠিক, পয়সাটা তারেক জিয়ার কাছ থেকে পাওয়া যেতে পারে কি? ওনার তো মাত্র দুই হাজার কোটি টাকার হিসাব পাওয়া গেছে।
ফায়জুল বলেছেন:
যারা খালেদা জিয়ার জন্মদিন নিয়ে উপহাস করেছে তাদের সবাই ছার্টিফিকেটে বয়স চুরি করেছে। মেট্টিকের ছার্টিফিকেটে সবাই ভুল জন্মতারিখ দেয়। তাই সঠিক জন্মতারিখ ১৫ই আগষ্ট। বিয়ের সময় খালেদা অপ্রাপ্তবয়স্কা ছিলেন। তবে তিনি রূপেগুনে অনন্য ও শারীরিকভাবে বাড়ন্ত হওয়ার বিয়ের উপযুক্ত হয়েছিলেন। তাই বিয়ের ছার্টিফিকেটের তারিখও বয়স বাড়িয়ে দিতে হয়েছিল। তার সঠিক জন্মতারিখ ১৫ই আগষ্ট। এদিন শেখ মুজিবুর নিহত হলে কি খালেদা জিয়ার দষ?সবাই উর্দুর মার্ক দেখেছে তিনি অংকে ৫০ পেয়েছেন। তার অংকের মেধা অনেক ভাল। সববিষয়ে পাশ করতে পারলে তিনি ইন্জিনিয়ারও হতে পারতেন। উর্দুর চেয়ে বাংলায় কম মার্ক পাওয়ায় দেশের লাভ হয়েছে। ১০টি পিএচডি পাওয়া বাচাল বাকশালী নেত্রীর ন্যায় তিনি বেশী কথা বলে ঝামেলা সৃষ্টি করেন না।
লেখক বলেছেন:
![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সাইফুর রহমান (রনী) বলেছেন:
পনের আগস্ট জন্মদিন পালন অসৌজন্যমুলক। খালেদা জিয়ার জন্মদিন নিয়ে উপহাস না করাই উচিত।
লেখক বলেছেন: সমর্থন জানাই।
লেখক বলেছেন: সব বুয়া। ![]()
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।
শিহাদ বলেছেন:
ভাবছি এবার না ভোটটাই দেব......!!!!
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
পি পি বলেছেন:
এইডা আপনে কি করলেন ভাই। আমার তো চউক্ষে পানি আয়া পরল।
লেখক বলেছেন:
ভালু ভালু ![]()
নেটওয়ার্ক-এর বাইরে থেকে বলেছেন:
ফায়জুল বলেছেন: যারা খালেদা জিয়ার জন্মদিন নিয়ে উপহাস করেছে তাদের সবাই ছার্টিফিকেটে বয়স চুরি করেছে। মেট্টিকের ছার্টিফিকেটে সবাই ভুল জন্মতারিখ দেয়। তাই সঠিক জন্মতারিখ ১৫ই আগষ্ট। বিয়ের সময় খালেদা অপ্রাপ্তবয়স্কা ছিলেন। তবে তিনি রূপেগুনে অনন্য ও শারীরিকভাবে বাড়ন্ত সবাই উর্দুর মার্ক দেখেছে তিনি অংকে ৫০ পেয়েছেন। তার অংকের মেধা অনেক ভাল। সববিষয়ে পাশ করতে পারলে তিনি ইন্জিনিয়ারও হতে পারতেন। উর্দুর চেয়ে বাংলায় কম মার্ক পাওয়ায় দেশের লাভ হয়েছে। ১০টি পিএচডি পাওয়া
লেখক বলেছেন: কি আর বলব ![]()
নেটওয়ার্ক-এর বাইরে থেকে বলেছেন:
ওঃ হো....'+'
লেখক বলেছেন: ![]()
দু-পেয়ে গাধ বলেছেন:
ঠেলা।
লেখক বলেছেন: ![]()
মামুন মাহফুজ বলেছেন:
আমার জন্মদিন সার্টিফিকেটে ১৫ ফেব্রুয়ারি।আমার মায়ের মতে বছরের ২/৩ দিন বাকী থাকতে। বোনের দেয়া তথ্যানুযায়ী ২৭ ডিসেম্বর। বাবা বলছেন ২৮ ডিসেম্বর।
একদিন আমিও বিখ্যাত হবো, আল্লাহই জানে সেদিন কী অবস্থা হবে আমার।
আমার বোনেরও তিনটি জন্মদিন।
পরীক্ষায় একটি বিয়েতে একটি
আর অরিজিনাল একটি।
এটি প্রচলিত গাফলতি। কিছু করার নেই। টিচাররা নিজেদের মতো হিসেবে করে বয়স বসিয়ে দেয়। বিয়েতে কাজীরা নিজে বাঁচার জন্য নিরাপদজনক বয়স বসায়।
আমার স্ত্রীর সার্টিফিকেট এইজ একবছর বেশি...এটি নিয়ে অনেক হৈ চৈ হলেও কোনও লাভ হয়নি।
আমার বড় ভাইর বয়স আমার চেয়ে ১৫দিন কম।
আর বাবা মার বয়সতো জানিই না।
বাবা সরকারি চাকুরে ছিলেন সে হিসেবে একটি বয়স হিসেব করে পাওয়া যায়, যা অরিজিনাল নয়।
আসলে বয়স নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় তখন ছিল না।
এখনই বা কতো জন ঘামায়?
এসব নিয়ে সময় নষ্ট না করে দিননা যে যেভাবে জন্মদিন পালন করতে চায়!
বঙ্গবন্ধু কেন তার চেয়ে কতো বড় বড় মহা মনীষীদের মৃত্যুদিনে কি কারও জন্মদিন নেই?
লেখক বলেছেন: এইটারে কয় ত্যানা প্যাচানো। নোংরামিকে সাপোর্ট করাও বড় ধরনের নোংরামি।
টিয়া ময়না বলেছেন:
হায়ে হায়ে
লেখক বলেছেন:
![]()
এ হেলাল খান বলেছেন:
তথ্যবহুল পোষ্ট। লেখককে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
robi82 বলেছেন:
নাইনে রেজিস্ট্রেশনের সময় আমার অনুপস্থিতিতে কেরানিবাবু নিজেই ফর্ম পূরণ করে দেন। জন্মতারিখের ঘরে লিখলেন ৩০/০২/১৯৮৫, কথায় লিখলেন- ত্রিশে ফেব্রুয়ারি(!) উনিশশো পচাশি, বোঝেন অবস্থা। পরে ফর্মফিলাপের সময় তারিখ ঠিক করি। পোস্টটি পড়ে মজা পেলাম এবং লেখককে ধন্যবাদ। আর আপোষহীন নেত্রীকে বলব: এত বড় চেয়ারের মানুষের কমনসেন্সের এমন ঘাটতি কোনোভাবেই মানতে পারিনা।
লেখক বলেছেন: সেটাই...
লেখক বলেছেন: হুমম....
লেখক বলেছেন: হুমম....
লেখক বলেছেন: সাধারন মানুষ লজ্জা পায় কিন্তু যাদের লজ্জা পাওয়ার কথা সেই খালেদা জিয়ারা তা পায় না। ![]()
লেখক বলেছেন:
![]()
কলিকাল ঘোর কলিকাল।
সেলটিক সাগর বলেছেন:
দেখা যাচ্ছে সারা দেশের মানুষের ব্যাপক সমালোচনার সম্মুখীন হলেও বিএনপি এই তামাশার জন্মদিন পালন করবেই!খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে জিসাসের উন্মুক্ত রচনা প্রতিযোগিতা
জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন জিসাসের উদ্যোগে ১৫ আগস্ট দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে উন্মুক্ত রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। রচনা প্রতিযোগিতার বিষয় ‘গণতন্ত্র উত্তরণে আপসহীন দেশনেত্রীর ভূমিকা’ ‘নারী সমাজের উন্নয়নে দেশনেত্রীর ভূমিকা’, ‘সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের অনুপ্রেরণায় খালেদা জিয়ার ভূমিকা’।
একজন প্রতিযোগী একটি বিষয়ের ওপর ১০০০ শব্দের রচনা লিখে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। ক বিভাগ : ৫ম থেকে ১০ শ্রেণী, খ বিভাগ : কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়, গ বিভাগ : সর্বস্তরের প্রতিযোগী। বিজয়ীদের জিসাস সাংস্কৃতিক পদক দেয়া হবে। আগ্রহীদের ঠিকানাসহ রচনা ১০ আগস্ট তারিখের মধ্যে চিত্রনায়ক জাভেদ, চেয়ারম্যান, জিসাস সঙ্গীত একাডেমী, ১০৬ কাকরাইল (২য় তলা), ঢাকা-১০০০, মোবাইল : ০১৭১১-৫৩৬৮০৮ এ ঠিকানায় প্রেরণের অনুরোধ করা যাচ্ছে। বিজ্ঞপ্তি
রফিক মাহমুদ বলেছেন:
আমার বাবা যখন আমাকে প্রথমে স্কুলে ভর্তি করতে নিয়ে যান, তখন তিনিও আমার জন্মদিন ভুলে গিয়ে ভুল তারিখ দিয়ে আসেন, যা আমার সনদে এখনো দেখি। আমার পরিচিতা এক মহিলার বাবার ধারণা ছিল মেয়েরা ১৫ বছর বয়সের আগে এস, এস, সি দিতে পারে না, তাই ১৪ বছরের মেয়ের বয়স বাড়াতে গিয়ে এমন জন্ম তারিখ চিরদিনের জন্য নথিভুক্ত করলেন যা বাবা-মার বিয়ের তিন মাস পরে। আমার জানামতে পরিচিত সবার স্কুলের জন্ম তারিখই মিথ্যা, শুধু দুজন কিশোরীকে চিনি যারা একেবারে হাসপাতালের জন্মসনদের সাথে মিলিয়ে এস,এস,সির জন্মতারিখ দিয়েছিল।
লেখক বলেছেন:
আপনার ব্যাপার আর খালেদা জিয়া'র ব্যাপার টা ভিন্ন ভাই। মূল পোষ্টে দেয়া ডকুমেন্টেই দেখতে পাবেন যে ওনার স্কুলের জন্মদিন, বিয়ের সার্টিফিকেট, প্রথমবার (১৯৯১) প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরের প্রেস বিজ্ঞপ্তী - কোনটারই জন্মদিন ১৫ ই আগষ্ট নয়। এই ১৫ই আগষ্ট জন্মদিন পালন শুরু করেছেন খুব সম্ভবত ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর প্রতিহিংসাপরায়ান হয়ে যেটা দলমত নির্বিশেষে সব মানসিকভাবে সুস্থ্য মানুষের নিন্দা কুড়িয়েছে।
নির্বাচন কমিশনে প্রদত্ত নোটিশ থেকে দেখা যায়-
(১) ১৯৬১ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষার নথিপত্র অনুযায়ী তার জন্ম তারিখ ১৯৪৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর।
(২) বিয়ের কাবিননামায় (সেটি নিশ্চয়ই প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবিত থাকা অবস্খায়) জন্ম তারিখ দেখানো হয়েছে ১৯৪৭ সালের ৯ আগস্ট।
(৩) ১৯৭৮ সালের ১ এপ্রিল পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে গিয়ে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী ১৯৪৬ সালের সেপ্টেম্বর মাস উল্লেখ করেছেন তবে কোন তারিখ দেন নি।
(৪) গত ২৯ নভেম্বর ভোটার তথ্য ফরমে জন্ম তারিখ উল্লেখ করেছেন ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট।
রিফাত হোসেন বলেছেন:
লেখক, প্রথাগত শিক্ষার সাথে দেশ পরিচালনার কোন পার্থক্য করা উচিত না । দেখা উচিত উনি কিভাবে দেশ পরিচালনা করেছেন ।
সেই হিসেবে তিনি দেশ পরিচালনাকারী হিসেবে অকৃতকার্য ।
আর হাসিনা এত ডিগ্রী নিয়ে কোন ালটা ফালাইছে ?
জানতে মন চায় ।
খালেদা যা হাসিনাও তা ।
.......
যাই হোক পোষ্টি মাইনাস ।
লেখক বলেছেন: আপনার মাইনাস সাদরে গৃহীত হল। ![]()
আর 'ধান ভানতে শিব গীত' গাওয়া খুবই বিরক্তিকর। এই পোষ্ট খালেদা জিয়ার শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়া না - এইটুকু বুঝার বুদ্ধি না থাকলে আর কি করা। কমন সেন্স ইজ সো আনকমন দিজ ডেইজ
লেখক বলেছেন:

রিফাত হোসেন বলেছেন:
খালেদা যা হাসিনাও তা ।
এইটা একদম ঠিক বলেছেন। কারন খালেদা জিয়া'র নিচের বৈশিষ্ট্য গুলো হাসিনার আছে বৈকি। কয়েকটা উদাহরন:
১. নিজের জন্মদিন নিজেই বদলে এমনভাবে পালন করা যেটা আবার প্রতিপক্ষের পিতা-মাতা সহ অন্যান্য স্বজনদের মৃত্যুদিবস। অথচ একসময় জাতির জনকের ধানমন্ডির ৩২ নং এর বাসায় ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থেকে তার সাহায্যে নিজের সংসার ভাঙনকে ঠেকানো। কারন স্বামী কয়েকবার লোক পাঠালেও ক্যন্টনমেন্ট ছেড়ে স্বামীর কাছে যাওয়ার প্রয়োজন মনে করেন নাই।
২. নেত্রী তিনি জনগনের অথচ জনগনের মাঝে না থেকে তিনি থাকতে ভালোবাসেন ক্যন্টনমেন্টের ১৬৮ কাঠার রাজপ্রাসাদে - থাকেন রাজরানীর মত। যে প্রাসাদে থাকে ৬৭ জন স্টাফ, ৪৫টি কামরা, ১২টি বাথরুম, ৪টি রান্নাঘর, ১৮টি এসি, ৪৮টি সোফা, ৫টি ফ্রিজ, ৬টি টিভি ছিল। জানেন নাকি যে ব্রিটিশ রানী এলিজাবেথেরও কি ৬৭ জন ব্যক্তিগত কর্মচারী আছে?
৩. খালেদা জিয়া বিপুল পরিমাণ কালো টাকা সাদা করেছেন ।
Khaleda and Saifur Rahman’s whitening of black money
৪. খালেদা জিয়ার বড় ছেলে, মাননীয় বড় রাজপুত্র তারেক জিয়ার বিদেশী ব্যাংকে দুই হাজার কোটিরও বেশি টাকার খোজ পাওয়া গেছে।
৫. ছোট রাজপুত্র কোকো তো এখন এফবিআই এর লিষ্টে নাম উঠে যাওয়া ক্রিমিনাল । তার অমর কীর্তি (সিমেন্সের ঘুষ কেলেংকারী) এখন বাংলাদেশ পার হয়ে সিংগাপুর আর আমেরিকার লোকজন পর্যন্ত জানে।
শেখ হাসিনাও নিশ্চয়ই এগুলো সব করেছেন অতএব আপনার কথাই ঠিক - খালেদা যা হাসিনাও তা ।
![]()
রিফাত হোসেন বলেছেন:
হুঁ ... অন্ধ আওয়ামী পন্থী হলে তো কিছু করার নাই ।
হাসিনাবু তো ধোয়া তুলসি পাতা ।
েহেহেহেহহে
মিগ কেলেংকারী সহ আর বাকি কথা নাই বা বল্লাম ।
কপাল খারাপ হাসিনাবুর কুকর্ম লাইম লাইটে আসতে পারে নাই ।
হেহহেহেহে
দুইটার মৃত্যু হওয়া উচিত ।
লেখক বলেছেন:
যান তালগাছ আপনার। আপনি জিতছেন।
আমি তো গত কমেন্টেই মেনে নিলাম আপনার কথা যে খালেদা জিয়া যা হাসিনাও তা। আপনার কথার সাপোর্টে এফবিআই এর লিংক পর্যন্ত নিয়ে এসেছি। কয়জনের সৌভাগ্য হয় এফবিআই এর লিষ্টে নাম তোলার যেটা খালেদা নন্দন আমাদের ছোট রাজপুত্র কোকো সাহেব করতে পেরেছেন? এছাড়া সারা পৃথিবীতে প্রচারিত বিশ্ব ব্যাংকের দুর্নীতি বিরোধী হ্যান্ডবুকে পর্যন্ত কোকো স্যারের কীর্তি স্থান পেয়েছে।
গর্বে বুকটা একেবারে ভরে উঠে না?
সুতরাং প্রমানিত হইল - রিফাত সাহেবের অমর বানী - খালেদা যা হাসিনাও তা ।
শশী হিমু বলেছেন:
থায় আছেনা? অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করী.।.।.।। দেশের ভয়ংকর অবস্থা কেনু বুঝতে পেরেছেন??
ভাই, হাসিনার টাও জানতে মুঞ্চায়!
লেখক বলেছেন:
হাসিনা'র জন্মদিন কি খালেদা'র মত ৪/৫ টা নাকি? ![]()
চারু_চারবাক বলেছেন:
১৯৯১ সনে খালেদা জিয়া প্রথমবারের মত প্রধানমন্ত্রি হওয়ার পর সরকারি ভাবে পত্রিকায় তার জীবনী ছাপা হয়। দৈনিক বাংলা তখন ছিল সরকারী পত্রিকা। ২০ শে মার্চ ১৯৯১ তার জীবনী ছাপা হয় এইভাবে.......খালেদা জিয়ার সংক্ষিপ্ত জীবনী
বেগম খাকেদা জিয়া ১৯৪৫ সনের ১৯শে অগাস্ট দিনাজপুর জেলায় জন্মগ্রহন করেন। তার পিতা ফেনীর ফুলগাজীর ইস্কান্দার মজুমদার একজন ব্যবসায়ী হিসেবে এখানে স্হায়ীভাবে বসবাস করতেন।বেগন জিয়া ইস্কান্দার মজুমদার ও তৈয়বা মজুমদারের পাঁচ সন্তানের মধ্যে তৃতিয়। খবর বাসস'র।
বেগম জিয়া ১৯৬০ সালে দিনাজপুর সরকারী স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন ও সুরেন্দ্রনাথ কলেজে ভর্তি হন। কলেজে পড়ার সময় ততকালীন পাকিস্হান সেনাবাহিনীর ক্যপ্টেন জিয়াউর রহমানের সংগে তার বিয়ে হয়। জিয়াউর রহমান পরে বাংলাদেশের রাস্ট্রপতি হন।
বিয়ের পর বেগম জিয়া সুরেন্দ্রনাথ কলেজে পড়াশুনা করেন এবং ১৯৬৫ সালে পশ্চিম পাকিস্হানে তার স্বামীর কাছে চলে যান।
.....................................................
কতবড় মিথ্যাবাদি! ম্যাট্রিক পরীক্ষায় পাশ করেনি আবার কলেজে পড়াশুনা করেছেন। তাও ১৯৬৫ সন পর্যন্ত !! এই চার বছরে কি পাশ দিছেন??? অন্য কোন দেশ হলে এই রকম মিথ্যাবাদি রাজনীতিকদের ৪২০ ধারায় অভিযুক্ত করে রাজনীতি থেকে বিতাড়িত করা হত।
লেখক বলেছেন: হে হে। পত্রিকাটির স্ক্যান করা কপি আছে আপনার কাছে?
নাবালক বলেছেন:
এই বেডিরে জুতা পিটা করতে হবে... এটা জাতীর কলংক...
সেলটিক সাগর বলেছেন:
শুনলেন না খালেদা জিয়া! ফজলুল বারী, কন্ট্রিবিউটিং এডিটর বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক হতে সিটিজেন টেস্ট দিতে হয়। এ টেস্টে পাস করতে রপ্ত করতে হয় এদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য, শাসনতান্ত্রিক নীতমালা-পদ্ধতি, কাস্টমসসহ লম্বা একটি ফর্দের উত্তরসমগ্র। অস্ট্রেলিয়ান লেবার-লিবারেল-গ্রিনস-ন্যাশনালিস্ট-সোশালিস্ট অথবা ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টি সবার জন্য এটি সমান।
মুসলিমসহ সব ধর্মের, দুনিয়ার ১৯৬ টি দেশ থেকে আসা লোকজন এদেশে বসবাস করেন। এদের অমুক অমুক দল বা ধর্মে বিশ্বাস করেন বা ধর্মে বিশ্বাস করেন না বলে আলাদা আলাদা প্রশ্নমালা বলে কিছু নেই। সব দেশেরই বুঝি সবার জন্য প্রযোজ্য স্বতঃসিদ্ধ মৌলিক কিছু বিষয় থাকে। এমনকি ভারত-পাকিস্তানেরও আছে। তাদেরও জাতির একজন শ্রেষ্ঠ শীর্ষ নেতা অথবা জাতির পিতা বলে একজন আছেন। শুধু ব্যতিক্রম বাংলাদেশ!
এখানে একদল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মানেন না। অথচ এদের তাত্ত্বিক-পন্ডিতন্মন্যরা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহকে গদগদ জাতির পিতা মানতেন! এখনও কায়দে আযম’ ছাড়া উচ্চারণ করেন না জিন্নাহ’র নাম! কায়দে আযম’ অর্থ জাতির পিতা। জিন্নাহকে একদিন পাকিস্তানি হিসাবে জাতির পিতা মানতে পারলে বঙ্গবন্ধুকে বাঙ্গালি জাতির পিতা বলতে মানতে অসুবিধা কোথায়? প্রশ্নের উত্তরে তর্ক-বিতর্কে পারবেন না বুঝলে বলবেন, ‘জাতির পিতা একজন থাকতে হবে নাকি’! অথবা ‘অনেক দেশ-জাতিরইতো জাতির পিতা বলে কিছু নেই’। অথচ জাতীয়তা, জাতির পিতা’ বিষয় দুটি ঐক্যের প্রতীক ভারত-পাকিস্তানেও। সব দল-মতের লোকেরা তা মানে বা সাংবিধানিক আইনত তা মানতে বাধ্য।
বাংলাদেশে এ ইস্যুতে একদল প্রগতিশীল বামপন্থী আর প্রতিক্রিয়াশীল মোল্লার অবস্থান সমান। অথবা সুবিধামতো পেলে মোল্লা লোকটি একটি ফতোয়া দিয়ে বলবে জাতির পিতার প্রচলিত কনসেপ্টটি একটি হারাম, কুফরি মতবাদ। এদের কাছে অবশ্য পাকিস্তানেরটা হালাল ছিল!
এই গ্রুপটিই হঠাৎ গত কয়েক বছর ধরে একটি বীভৎস-বর্বর উল্লাস-উদযাপন শুরু করেছে। ১৫ আগস্ট জাতির পিতা মুজিবের ট্র্যাজিক হত্যাকাণ্ডের দিনে খালেদা জিয়ার জন্মদিন উদযাপন! ১৪ আগস্ট দিবাগত যে রাতে খুন হয়েছিলেন জাতির পিতা মুজিব, সে রাত শুরুর লগ্নে তারা খুশিতে একটা কেক কাটে। হৈ হল্লা ফূর্তি করে। এবার নানাভাবে এই নোংরা উল্লাস বাদ দিতে খালেদা জিয়াকে অনুরোধ করা হয়েছিল। তিনি শোনেননি!
অতএব এবার ১৫ আগস্টের প্রথম প্রহরে কাটা হয়েছে ৬৭ পাউন্ড ওজনের ঢাউস একটি কেক! কারন ৬৬ পেরিয়ে ৬৭ তে পড়েছেন খালেদা জিয়া। আর দেশের মূলধারার সব মিডিয়া প্রচার করেছে বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতির পিতাকে স্মরনের কথা। খালেদা জিয়া কি এই মূলধারার বাইরের? এদেশটার তিনি কি প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না? এখনও কি বিরোধীদলের নেত্রী না? এই দেশটা কোথা থেকে কি করে পয়দা হয়েছে, তা না জানার ভান করা আর কত?
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় গেলে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোকদিবস পালনের ঘোষণা দেবার পর দিনটিকে জন্মদিন উদযাপন শুরু করে বিএনপি! শোককে ব্যঙ্গ করা তখন থেকে চলছেই! এখনও চলছে সেই ব্যঙ্গ! জাতির পিতার বিষয়টি এবার অঙ্গীভূত করা হয়েছে সংবিধানে। খালেদা জিয়া আগামীতে আবার ক্ষমতায় গেলেও সাংবিধানিক জাতির পিতার হত্যাকাণ্ডের জাতীয় শোকের দিনে কি এভাবে চালিয়ে যাবেন জন্মদিনের উৎসব? এরজন্যেই কি আবার ক্ষমতায় গেলে সংবিধান ছুঁড়ে ফেলে দেবার ঘোষণা তিনি দিয়ে রেখেছেন? এসব কি এতই সহজ?
যে কোন মানুষের কাছে আনন্দের একটি দিন জন্মদিন। এ ব্যাপারে বিএনপির চলতি দাবিদারদেরও বক্তব্য হচ্ছে ১৫ আগস্ট যত মানুষের জন্ম হয়েছে, মুজিব সেদিন মরেছেন বলে কি সেদিন তারা জন্মদিন উদযাপন করবে না? সবাই তা উদযাপন করলে খালেদা জিয়ার বেলায় দোষ কিসের! দোষটা বুঝি বোধের! বিশ্বাস আর সন্দেহের! খালেদা জিয়াতো হঠাৎ এদেশের নেত্রী না! ১৯৮৩-৮৪ থেকে নেত্রী। এরও বহু আগে থেকে বিএনপি তা এই নেতাকর্মীরা কি এতটা অকৃজ্ঞ-তস্কর শ্রেণীর যে তখনো খালেদা জিয়া প্রভাবশালী-প্রধানমন্ত্রী বা বিরোধীদলের নেত্রী হতে পারেননি বলে তারা তার জন্মদিন উদযাপন করতেন না! আসলে বিষয়টি নিয়ে তাদের দোষ দেবারও নেই। কারণ তখনও ১৫ আগস্ট খালেদার জন্মদিন হয়নি। জন্মদিন হয় তার প্রধানমন্ত্রী হবার পর।
১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী হবার সরকারি জীবন বৃত্তান্তে উল্লেখ করা হয় ১৯৪৫ সালের ১৯ আগস্ট খালেদা জিয়ার জন্ম। এর কিছুদিন পর আবার আরেক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বলা হয় তার জন্ম ১৫ আগস্ট। কিন্তু তখনো বিষয়টি অনেকে হয় খেয়াল করেননি বা তখনও ১৫ আগস্ট তার জন্মদিন হিসাবে উদযাপন না করাতে এ নিয়ে কেউ ঘাঁটাঘাটিতেও যাননি। বা প্রথম দফা প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ক্ষমতার মেয়াদে কখনো ১৫ আগস্ট জন্মদিন উদযাপন করেননি খালেদা জিয়া। পালন শুরু করেন ১৯৯৬ সালে দিনটাকে জাতীয় শোক দিবস হিসাবে ঘোষণার পর।
এরপর খোঁজাখুঁজি বেরোয় আরও অনেক তথ্য। খালেদা জিয়ার পিতা ইসকান্দার মিয়া লিখেছেন তার মেয়ের জন্ম ১৯৪৫ সালের ৫ সেপ্টেম্বর। সেদিন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়াতে মেয়ের নাম শান্তি বেগম রাখার পরামর্শ দিয়েছিলেন ডাক্তার। ১৯৫৪ সালে দিনাজপুর সরকারি স্কুলের ক্লাস ফোরে ভর্তির সময় খালেদার বয়স এক বছর কমিয়ে লেখা হয় ১৯৪৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর (অনেক অভিভাবক এমন করেন)। খালেদা জিয়ার কাবিননামায় জন্ম তারিখ কি লিখা হয়েছে জানা যায়নি। কিন্তু ১৯৭৮ সালের পহেলা এপ্রিল পাসপোর্টের আবেদনে ১৯৪৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বরই লেখা হয় জন্ম তারিখ। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হবার পর জন্ম মাস’টি সেপ্টেম্বর থেকে স্থানান্তরিত হয় আগস্টে। প্রথমে ১৯ ও পরে ১৫ আগস্ট। নেত্রীর এতগুলো জন্মদিন নিয়ে কিন্তু আজও বিএনপির কোন অফিসিয়াল ব্যাখ্যা নেই।
যতদূর জানা যায় একাধিক সাংবদিকের উদ্যোগ-পরামর্শে খালেদা জিয়ার জন্ম তারিখটি এভাবে পরিবর্তিত হয়। এদের একজন খালেদা জিয়াকে নিয়ে একটি বই লিখেন। আরেকজন দাবি করেন তিনি খালেদা জিয়ার সব ভাষণ লিখেন। আমাকে একবার তিনি বলেছিলেন, ‘কেউ কেউ শেখ হাসিনার ভাষণ লিখে, আমি খালেদা জিয়ারটা লিখি, আমারটা বেশি মানুষ খায়!’
খালেদা জিয়াকে আধুনিক মনস্ক বোঝাতে বলেন, বিচারপতি মোস্তফা কামালের দাঁড়ি থাকাতে তাকে দূর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান করতে রাজি হননি। এখন এই জন্মদিন উদযাপন নিয়ে বিতর্ক মারমুখো মূর্তি ধারণ করাতে পথেঘাটে হেনস্তা হবার ভয়ে এর উদ্যোক্তারা আর এ উদযাপনের আশেপাশে আসেন না। একাধিক সূত্রমতে এখন ১৫ আগস্ট জন্মদিন পালন হয় খালেদা জিয়ার আগ্রহে। ম্যাডামের আগ্রহ দেখে এ ব্যাপারে ভিন্নমত থাকলেও অনেকে তা আর প্রকাশ করেন না। বরঞ্চ এ উপলক্ষে ম্যাডামের সঙ্গে ছবি তোলার বা নজরে পড়ার প্রতিযোগিতা করেন। বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত এক সাবেক এমপি মেজর (অবঃ) ১৫ আগস্ট জাতীয় শোকের দিনে আর সাজানো জন্মদিনটি উদযাপন না করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। সূত্রগুলোর মতে ওই অনুরোধ শুনে ম্যাডাম এত ক্ষেপেছেন যে, তার আর কোনওদিন বিএনপিতে ফেরার সম্ভাবনা নেই।
এমনিতে অনেকে খালেদা জিয়াকে তুলনামূলক একোমডেটিভ মনে করতেন। গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে হত্যা চেষ্টার পর তাকে দেখতে যেতে চেয়েছিলেন খালেদা জিয়া। শেখ হাসিনার স্বামী ড. ওয়াজেদ মিয়া মারা যাবার পর তাকে সান্ত্বনা দিতেও সুধা সদন গিয়েছিলেন। সেই খালেদা জিয়া জাতির পিতা না মানেন, শেখ হাসিনার পিতার মৃত্যবার্ষিকী দেখে জন্মদিনের নামে আনন্দ স্ফূর্তি করেন কিভাবে? এই মুজিবের নামে না যুদ্ধে গিয়েছিলেন তার প্রয়াত স্বামী জিয়াউর রহমান! স্বাধীনতার পর স্বামীর সঙ্গে সমস্যা-মনোমালিন্য হলে গার্জেনের মতো তিনি কি ছুটে যাননি সেই জাতির পিতারই কাছে? তখন কি তার তাকে মনে হতো না জাতির পিতা মুজিব?
মুক্তিযুদ্ধের সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুরের পিছনে ছিল গোটা বাংলাদেশ। শুধু গুটিকয় মানুষ মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছে। ওই গুটিকয় লোক আর তাদের অনুসারীরাই শুধু যুদ্ধে হেরেছে। জাতির পিতা মুজিব খুন হওয়াতে খুশি হয়েছে শুধু ওই কিছু লোক। তাদের মূল সংগঠনটি জামায়াতে ইসলামী। জিয়া প্রতিষ্ঠিত সংগঠনটির নামতো বিএনপি। দল গড়তে স্বাধীনতা বিরোধীদের সমর্থন জিয়া, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিদেশে প্রাইজ পোস্টিংসহ নানা কিছু করেছেন। কিন্তু জামায়াতে ইসলামীকেতো কখনো আপারহ্যান্ড দেননি। এখনকার খালেদা জিয়ার সবকিছু কার জন্য? আবার ম্যাডাম ক্ষমতায় যেতে চান, কিন্তু নিজেকে এবং দেশকে একটু শান্তিতে পথ চলতে দিলেতো অনেককিছু হয়। তাই নয় কি? এরজন্য মিনিমাম ঐক্যের জায়গাটিতো হতে পারেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
এই মহান নেতার শোকাবহ মৃত্যুর দিনকে জন্মদিনের নামে এভাবে উপহাস বন্ধ করলে চলে না? সবাই যেখানে অনুরোধ করলেন, একটু শুনলে ভালো হতো না? আগুনতো জ্বালানো সহজ। কিন্তু পথের কোথায় থামবেন অথবা থামবেন না, তা দু’বারের প্রধানমন্ত্রীর চেয়ে বেশি জানে কোনজন?
ফজলুল বারীঃ সিডনিপ্রবাসী সাংবাদিক।
বাংলাদেশ সময় ১২৫৭ ঘণ্টা, আগস্ট ১৬, ২০১১
কামরুজ্জামান (নয়ন) বলেছেন:
ভারতে যাইয়া ফালাফালি করিছ ভাদা কোনহানকার।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














































.jpg)
