পোস্ট আর্কাইভ
- মার্চ,২০১০(১)
- আগস্ট,২০০৯(৩)
- জুলাই,২০০৯(৩)
- মার্চ,২০০৯(২)
- ফেব্রুয়ারী,২০০৯(১)
- জানুয়ারী,২০০৯(২)
- ডিসেম্বর,২০০৮(৩)
- জুন,২০০৮(১)
আমার লিঙ্কস
আমার বিভাগ
কোন বিভাগ নেই
আমার প্রিয় পোস্ট
-
নতুন GREর আদ্যোপান্ত
- আসিফ মুভি পাগলা
- বিদেশ থেইক্যা আইস্যা ওরা করতে পারে আমরা পারি না ক্যান??জাতির বিবেকের কাছে একটি ক্ষুদ্র প্রশ্ন?? - মুরাদ-ইচছামানুষ
- মাকসুদের গানে স্বাধীনতা বিরোধীদের স্বরূপ উদঘাটন করুন - সাদাচোখ
- বাংলার বীরশ্রেষ্ঠঃ হামিদুর রহমানের ৩৯তম শাহাদাত বার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি... - ভাস্কর চৌধুরী
- ভ্রমন বিলাসঃ ৪ (যশোর ভ্রমন - এক্সক্লুসিভ মধু কবি'র বাড়ির ছবি) - নিশম
- বি কে দাস রোড, ফরাশগঞ্জ- অবহেলিত ঐতিহ্য - আহাদিল
- খালেদা জিয়া'র জন্মদিনের ডকুমেন্টস - সেলটিক সাগর
- রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহকে লেখা তসলিমা নাসরিনের চিঠি - আপেল মাহমুদ তপু
- বাংলাদেশের প্রায় সকল পর্যটন স্হানের ছবি ব্লগের সংকলন (শত তম পোষ্ট ) - শ।মসীর
- ঢাকায় থাকি (ছবি ব্লগ) - মুহম্মদ জায়েদুল আলম
- ছবি ব্লগ : বঙ্গবন্ধু সমাধিসৌধ (টুঙ্গীপাড়া) - অন্যআলো
- HELLO WORLD! আমি বাবা হলাম। কী যে অসম্ভব সুখের অনুভূতি! (-মারুফ হায়দার নিপু) - মারুফ হায়দার নিপু
- জাফর ইকবাল স্যারের যত বই, প্রায় ৬৪টি বই ডাউনলোড করুন এদম ফ্রী - বখতিয়ার হোসেন
- ই-বুক কালেকশন মাসুদ রানা সিরিজ - নাজির
- হ্যাক হওয়া শিক্ষাবোর্ডের বইগুলো যদি পেতে চান - ফরিদ
- ব্লগে এক যুদ্ধাপরাধী-কন্যার বিষাক্ত বিচরণ : পিতার কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হোন - ফিউশন ফাইভ
- আলোচনা পোস্টঃ ছাগু বিরোধি ফাইটারদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি - শয়তান
- মুজাহিদ বচন : যেদলের নেতা চরম মিথ্যাবাদী, সেই দলের সদস্যরা কিভাবে সত্য বলবে? - টেকনলজী
- এক নিরীহ গৃহবধু থেকে বীরাঙ্গনা নারীর কাহিনী - রাজসোহান
- ২৫মার্চ কালো রাতঃ জগন্নাথ হলের গণহত্যা থেকে অলৌকিকভাবে রক্ষা পাওয়া প্রতক্ষ্যদর্শী বিবরণ - রাহা
খালেদা জিয়া'র জন্মদিনের ডকুমেন্টস
০৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:২০ |
■ নিচের ছবিসূত্র: UK Foreign and Commonwealth Office: খালেদা জিয়া ও ব্রিটিশ মন্ত্রী হেনরী বেলিংহাম (১৮/০৫/১১), গ্রেট ব্রিটেন

এখন আমাদের প্রায় সবারই জানা যে খালেদা জিয়া'র কয়েকটি জন্মদিন রয়েছে - বিভিন্ন সময়ের বিভিন্ন ডকিউমেন্টস অনুসারে.... আসুন সেই ডকিউমেন্ট গুলো একটু দেখি.....।
■ ১৯৯১ সালের ২০শে মার্চ তারিখে দৈনিক বাংলা পত্রিকায় সরকারী সংবাদ সংস্থা বাসস থেকে পাঠানো তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জীবনী ছাপা হয়। এতে উল্লেখ করা হয় যে ওনার জন্মদিন ১৯৪৫ সালের ১৯শে আগষ্ট।
![]()
![]()
■ ম্যাট্রিক পরীক্ষার মার্কশীট অনুসারে খালেদা জিয়ার জন্মদিন ১৯৪৬ সালের ৫ই সেপ্টেম্বর
■ বিয়ের কাবিননামা অনুসারে ওনার জন্মদিন ১৯৪৪ সালের ৯ই আগষ্ট।
■ ২০০০ সালের ভোটারের তথ্য বিবরনী ফরমে খালেদা জিয়া উল্লেখ করেন যে তার জন্মদিন ১৯৪৬ সালের ১৫ই আগষ্ট! এছাড়া তিনি নিজেকে এইচএসসি পাস দাবি করেন যদিও শিক্ষাবোর্ডের ডকিউমেন্ট (মার্কশীট) অনুসারে তিনি ম্যাট্রিকে ফেল করেছিলেন।
■ ১৫ই আগষ্ট, ২০১০ তারিখের দৈনিক যুগান্তরের রিপোর্ট: সাবেক হুইপ জামালের পরামর্শে শুরু ১৫ আগষ্ট জন্মদিন পালন: বিস্তারিত: এই পোষ্টের - কমেন্ট নং ৩২৫
■ ১৯৯৭ সালের ২২শে আগষ্টে দৈনিক ইত্তেফাকে ও ১৯৯৭ সালের ১৯শে আগষ্টে দৈনিক সংবাদে খালেদা জিয়ার একাধিক জন্মদিন নিয়ে প্রতিবেদন প্রচারিত হয়।
![]()
![]()
(এই পোস্টের উৎস জনাব ইফ্তেখার মোহাম্মদের "আমার ব্লগে" দেয়া একটি পোস্ট)
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): জন্মদিন, খালেদা জিয়া, বিএনপি, ১৯৭৫, ১৫ই আগষ্ট, মিথ্যা, জিয়া, জিয়াউর রহমান, কোকো, আরাফাত রহমান, তারেক জিয়া, তারেক রহমান, ভন্ডামী, প্রতারনা, অসত্য, মিথ্যুক ;
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ১০:০৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
robi82 বলেছেন:
নাইনে রেজিস্ট্রেশনের সময় আমার অনুপস্থিতিতে কেরানিবাবু নিজেই ফর্ম পূরণ করে দেন। জন্মতারিখের ঘরে লিখলেন ৩০/০২/১৯৮৫, কথায় লিখলেন- ত্রিশে ফেব্রুয়ারি(!) উনিশশো পচাশি, বোঝেন অবস্থা। পরে ফর্মফিলাপের সময় তারিখ ঠিক করি। পোস্টটি পড়ে মজা পেলাম এবং লেখককে ধন্যবাদ। আর আপোষহীন নেত্রীকে বলব: এত বড় চেয়ারের মানুষের কমনসেন্সের এমন ঘাটতি কোনোভাবেই মানতে পারিনা।
সেলটিক সাগর বলেছেন:
দেখা যাচ্ছে সারা দেশের মানুষের ব্যাপক সমালোচনার সম্মুখীন হলেও বিএনপি এই তামাশার জন্মদিন পালন করবেই!খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে জিসাসের উন্মুক্ত রচনা প্রতিযোগিতা
জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন জিসাসের উদ্যোগে ১৫ আগস্ট দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে উন্মুক্ত রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। রচনা প্রতিযোগিতার বিষয় ‘গণতন্ত্র উত্তরণে আপসহীন দেশনেত্রীর ভূমিকা’ ‘নারী সমাজের উন্নয়নে দেশনেত্রীর ভূমিকা’, ‘সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের অনুপ্রেরণায় খালেদা জিয়ার ভূমিকা’।
একজন প্রতিযোগী একটি বিষয়ের ওপর ১০০০ শব্দের রচনা লিখে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। ক বিভাগ : ৫ম থেকে ১০ শ্রেণী, খ বিভাগ : কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়, গ বিভাগ : সর্বস্তরের প্রতিযোগী। বিজয়ীদের জিসাস সাংস্কৃতিক পদক দেয়া হবে। আগ্রহীদের ঠিকানাসহ রচনা ১০ আগস্ট তারিখের মধ্যে চিত্রনায়ক জাভেদ, চেয়ারম্যান, জিসাস সঙ্গীত একাডেমী, ১০৬ কাকরাইল (২য় তলা), ঢাকা-১০০০, মোবাইল : ০১৭১১-৫৩৬৮০৮ এ ঠিকানায় প্রেরণের অনুরোধ করা যাচ্ছে। বিজ্ঞপ্তি
রফিক মাহমুদ বলেছেন:
আমার বাবা যখন আমাকে প্রথমে স্কুলে ভর্তি করতে নিয়ে যান, তখন তিনিও আমার জন্মদিন ভুলে গিয়ে ভুল তারিখ দিয়ে আসেন, যা আমার সনদে এখনো দেখি। আমার পরিচিতা এক মহিলার বাবার ধারণা ছিল মেয়েরা ১৫ বছর বয়সের আগে এস, এস, সি দিতে পারে না, তাই ১৪ বছরের মেয়ের বয়স বাড়াতে গিয়ে এমন জন্ম তারিখ চিরদিনের জন্য নথিভুক্ত করলেন যা বাবা-মার বিয়ের তিন মাস পরে। আমার জানামতে পরিচিত সবার স্কুলের জন্ম তারিখই মিথ্যা, শুধু দুজন কিশোরীকে চিনি যারা একেবারে হাসপাতালের জন্মসনদের সাথে মিলিয়ে এস,এস,সির জন্মতারিখ দিয়েছিল।
আপনার ব্যাপার আর খালেদা জিয়া'র ব্যাপার টা ভিন্ন ভাই। মূল পোষ্টে দেয়া ডকুমেন্টেই দেখতে পাবেন যে ওনার স্কুলের জন্মদিন, বিয়ের সার্টিফিকেট, প্রথমবার (১৯৯১) প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরের প্রেস বিজ্ঞপ্তী - কোনটারই জন্মদিন ১৫ ই আগষ্ট নয়। এই ১৫ই আগষ্ট জন্মদিন পালন শুরু করেছেন খুব সম্ভবত ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর প্রতিহিংসাপরায়ান হয়ে যেটা দলমত নির্বিশেষে সব মানসিকভাবে সুস্থ্য মানুষের নিন্দা কুড়িয়েছে।
নির্বাচন কমিশনে প্রদত্ত নোটিশ থেকে দেখা যায়-
(১) ১৯৬১ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষার নথিপত্র অনুযায়ী তার জন্ম তারিখ ১৯৪৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর।
(২) বিয়ের কাবিননামায় (সেটি নিশ্চয়ই প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবিত থাকা অবস্খায়) জন্ম তারিখ দেখানো হয়েছে ১৯৪৭ সালের ৯ আগস্ট।
(৩) ১৯৭৮ সালের ১ এপ্রিল পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে গিয়ে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী ১৯৪৬ সালের সেপ্টেম্বর মাস উল্লেখ করেছেন তবে কোন তারিখ দেন নি।
(৪) গত ২৯ নভেম্বর ভোটার তথ্য ফরমে জন্ম তারিখ উল্লেখ করেছেন ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট।
রিফাত হোসেন বলেছেন:
লেখক, প্রথাগত শিক্ষার সাথে দেশ পরিচালনার কোন পার্থক্য করা উচিত না । দেখা উচিত উনি কিভাবে দেশ পরিচালনা করেছেন ।
সেই হিসেবে তিনি দেশ পরিচালনাকারী হিসেবে অকৃতকার্য ।
আর হাসিনা এত ডিগ্রী নিয়ে কোন ালটা ফালাইছে ?
জানতে মন চায় ।
খালেদা যা হাসিনাও তা ।
.......
যাই হোক পোষ্টি মাইনাস ।
আর 'ধান ভানতে শিব গীত' গাওয়া খুবই বিরক্তিকর। এই পোষ্ট খালেদা জিয়ার শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়া না - এইটুকু বুঝার বুদ্ধি না থাকলে আর কি করা। কমন সেন্স ইজ সো আনকমন দিজ ডেইজ

রিফাত হোসেন বলেছেন:
খালেদা যা হাসিনাও তা ।
এইটা একদম ঠিক বলেছেন। কারন খালেদা জিয়া'র নিচের বৈশিষ্ট্য গুলো হাসিনার আছে বৈকি। কয়েকটা উদাহরন:
১. নিজের জন্মদিন নিজেই বদলে এমনভাবে পালন করা যেটা আবার প্রতিপক্ষের পিতা-মাতা সহ অন্যান্য স্বজনদের মৃত্যুদিবস। অথচ একসময় জাতির জনকের ধানমন্ডির ৩২ নং এর বাসায় ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থেকে তার সাহায্যে নিজের সংসার ভাঙনকে ঠেকানো। কারন স্বামী কয়েকবার লোক পাঠালেও ক্যন্টনমেন্ট ছেড়ে স্বামীর কাছে যাওয়ার প্রয়োজন মনে করেন নাই।
২. নেত্রী তিনি জনগনের অথচ জনগনের মাঝে না থেকে তিনি থাকতে ভালোবাসেন ক্যন্টনমেন্টের ১৬৮ কাঠার রাজপ্রাসাদে - থাকেন রাজরানীর মত। যে প্রাসাদে থাকে ৬৭ জন স্টাফ, ৪৫টি কামরা, ১২টি বাথরুম, ৪টি রান্নাঘর, ১৮টি এসি, ৪৮টি সোফা, ৫টি ফ্রিজ, ৬টি টিভি ছিল। জানেন নাকি যে ব্রিটিশ রানী এলিজাবেথেরও কি ৬৭ জন ব্যক্তিগত কর্মচারী আছে?
৩. খালেদা জিয়া বিপুল পরিমাণ কালো টাকা সাদা করেছেন ।
Khaleda and Saifur Rahman’s whitening of black money
৪. খালেদা জিয়ার বড় ছেলে, মাননীয় বড় রাজপুত্র তারেক জিয়ার বিদেশী ব্যাংকে দুই হাজার কোটিরও বেশি টাকার খোজ পাওয়া গেছে।
৫. ছোট রাজপুত্র কোকো তো এখন এফবিআই এর লিষ্টে নাম উঠে যাওয়া ক্রিমিনাল । তার অমর কীর্তি (সিমেন্সের ঘুষ কেলেংকারী) এখন বাংলাদেশ পার হয়ে সিংগাপুর আর আমেরিকার লোকজন পর্যন্ত জানে।
শেখ হাসিনাও নিশ্চয়ই এগুলো সব করেছেন অতএব আপনার কথাই ঠিক - খালেদা যা হাসিনাও তা ।
রিফাত হোসেন বলেছেন:
হুঁ ... অন্ধ আওয়ামী পন্থী হলে তো কিছু করার নাই ।
হাসিনাবু তো ধোয়া তুলসি পাতা ।
েহেহেহেহহে
মিগ কেলেংকারী সহ আর বাকি কথা নাই বা বল্লাম ।
কপাল খারাপ হাসিনাবুর কুকর্ম লাইম লাইটে আসতে পারে নাই ।
হেহহেহেহে
দুইটার মৃত্যু হওয়া উচিত ।
যান তালগাছ আপনার। আপনি জিতছেন।
আমি তো গত কমেন্টেই মেনে নিলাম আপনার কথা যে খালেদা জিয়া যা হাসিনাও তা। আপনার কথার সাপোর্টে এফবিআই এর লিংক পর্যন্ত নিয়ে এসেছি। কয়জনের সৌভাগ্য হয় এফবিআই এর লিষ্টে নাম তোলার যেটা খালেদা নন্দন আমাদের ছোট রাজপুত্র কোকো সাহেব করতে পেরেছেন? এছাড়া সারা পৃথিবীতে প্রচারিত বিশ্ব ব্যাংকের দুর্নীতি বিরোধী হ্যান্ডবুকে পর্যন্ত কোকো স্যারের কীর্তি স্থান পেয়েছে।
গর্বে বুকটা একেবারে ভরে উঠে না?
সুতরাং প্রমানিত হইল - রিফাত সাহেবের অমর বানী - খালেদা যা হাসিনাও তা ।
শশী হিমু বলেছেন:
থায় আছেনা? অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করী.।.।.।। দেশের ভয়ংকর অবস্থা কেনু বুঝতে পেরেছেন??
ভাই, হাসিনার টাও জানতে মুঞ্চায়!
চারু_চারবাক বলেছেন:
১৯৯১ সনে খালেদা জিয়া প্রথমবারের মত প্রধানমন্ত্রি হওয়ার পর সরকারি ভাবে পত্রিকায় তার জীবনী ছাপা হয়। দৈনিক বাংলা তখন ছিল সরকারী পত্রিকা। ২০ শে মার্চ ১৯৯১ তার জীবনী ছাপা হয় এইভাবে.......খালেদা জিয়ার সংক্ষিপ্ত জীবনী
বেগম খাকেদা জিয়া ১৯৪৫ সনের ১৯শে অগাস্ট দিনাজপুর জেলায় জন্মগ্রহন করেন। তার পিতা ফেনীর ফুলগাজীর ইস্কান্দার মজুমদার একজন ব্যবসায়ী হিসেবে এখানে স্হায়ীভাবে বসবাস করতেন।বেগন জিয়া ইস্কান্দার মজুমদার ও তৈয়বা মজুমদারের পাঁচ সন্তানের মধ্যে তৃতিয়। খবর বাসস'র।
বেগম জিয়া ১৯৬০ সালে দিনাজপুর সরকারী স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন ও সুরেন্দ্রনাথ কলেজে ভর্তি হন। কলেজে পড়ার সময় ততকালীন পাকিস্হান সেনাবাহিনীর ক্যপ্টেন জিয়াউর রহমানের সংগে তার বিয়ে হয়। জিয়াউর রহমান পরে বাংলাদেশের রাস্ট্রপতি হন।
বিয়ের পর বেগম জিয়া সুরেন্দ্রনাথ কলেজে পড়াশুনা করেন এবং ১৯৬৫ সালে পশ্চিম পাকিস্হানে তার স্বামীর কাছে চলে যান।
.....................................................
কতবড় মিথ্যাবাদি! ম্যাট্রিক পরীক্ষায় পাশ করেনি আবার কলেজে পড়াশুনা করেছেন। তাও ১৯৬৫ সন পর্যন্ত !! এই চার বছরে কি পাশ দিছেন??? অন্য কোন দেশ হলে এই রকম মিথ্যাবাদি রাজনীতিকদের ৪২০ ধারায় অভিযুক্ত করে রাজনীতি থেকে বিতাড়িত করা হত।
নাবালক বলেছেন:
এই বেডিরে জুতা পিটা করতে হবে... এটা জাতীর কলংক...
সেলটিক সাগর বলেছেন:
শুনলেন না খালেদা জিয়া! ফজলুল বারী, কন্ট্রিবিউটিং এডিটর
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক হতে সিটিজেন টেস্ট দিতে হয়। এ টেস্টে পাস করতে রপ্ত করতে হয় এদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য, শাসনতান্ত্রিক নীতমালা-পদ্ধতি, কাস্টমসসহ লম্বা একটি ফর্দের উত্তরসমগ্র। অস্ট্রেলিয়ান লেবার-লিবারেল-গ্রিনস-ন্যাশনালিস্ট-সোশালিস্ট অথবা ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টি সবার জন্য এটি সমান।
মুসলিমসহ সব ধর্মের, দুনিয়ার ১৯৬ টি দেশ থেকে আসা লোকজন এদেশে বসবাস করেন। এদের অমুক অমুক দল বা ধর্মে বিশ্বাস করেন বা ধর্মে বিশ্বাস করেন না বলে আলাদা আলাদা প্রশ্নমালা বলে কিছু নেই। সব দেশেরই বুঝি সবার জন্য প্রযোজ্য স্বতঃসিদ্ধ মৌলিক কিছু বিষয় থাকে। এমনকি ভারত-পাকিস্তানেরও আছে। তাদেরও জাতির একজন শ্রেষ্ঠ শীর্ষ নেতা অথবা জাতির পিতা বলে একজন আছেন। শুধু ব্যতিক্রম বাংলাদেশ!
এখানে একদল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মানেন না। অথচ এদের তাত্ত্বিক-পন্ডিতন্মন্যরা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহকে গদগদ জাতির পিতা মানতেন! এখনও কায়দে আযম’ ছাড়া উচ্চারণ করেন না জিন্নাহ’র নাম! কায়দে আযম’ অর্থ জাতির পিতা। জিন্নাহকে একদিন পাকিস্তানি হিসাবে জাতির পিতা মানতে পারলে বঙ্গবন্ধুকে বাঙ্গালি জাতির পিতা বলতে মানতে অসুবিধা কোথায়? প্রশ্নের উত্তরে তর্ক-বিতর্কে পারবেন না বুঝলে বলবেন, ‘জাতির পিতা একজন থাকতে হবে নাকি’! অথবা ‘অনেক দেশ-জাতিরইতো জাতির পিতা বলে কিছু নেই’। অথচ জাতীয়তা, জাতির পিতা’ বিষয় দুটি ঐক্যের প্রতীক ভারত-পাকিস্তানেও। সব দল-মতের লোকেরা তা মানে বা সাংবিধানিক আইনত তা মানতে বাধ্য।
বাংলাদেশে এ ইস্যুতে একদল প্রগতিশীল বামপন্থী আর প্রতিক্রিয়াশীল মোল্লার অবস্থান সমান। অথবা সুবিধামতো পেলে মোল্লা লোকটি একটি ফতোয়া দিয়ে বলবে জাতির পিতার প্রচলিত কনসেপ্টটি একটি হারাম, কুফরি মতবাদ। এদের কাছে অবশ্য পাকিস্তানেরটা হালাল ছিল!
এই গ্রুপটিই হঠাৎ গত কয়েক বছর ধরে একটি বীভৎস-বর্বর উল্লাস-উদযাপন শুরু করেছে। ১৫ আগস্ট জাতির পিতা মুজিবের ট্র্যাজিক হত্যাকাণ্ডের দিনে খালেদা জিয়ার জন্মদিন উদযাপন! ১৪ আগস্ট দিবাগত যে রাতে খুন হয়েছিলেন জাতির পিতা মুজিব, সে রাত শুরুর লগ্নে তারা খুশিতে একটা কেক কাটে। হৈ হল্লা ফূর্তি করে। এবার নানাভাবে এই নোংরা উল্লাস বাদ দিতে খালেদা জিয়াকে অনুরোধ করা হয়েছিল। তিনি শোনেননি!
অতএব এবার ১৫ আগস্টের প্রথম প্রহরে কাটা হয়েছে ৬৭ পাউন্ড ওজনের ঢাউস একটি কেক! কারন ৬৬ পেরিয়ে ৬৭ তে পড়েছেন খালেদা জিয়া। আর দেশের মূলধারার সব মিডিয়া প্রচার করেছে বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতির পিতাকে স্মরনের কথা। খালেদা জিয়া কি এই মূলধারার বাইরের? এদেশটার তিনি কি প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না? এখনও কি বিরোধীদলের নেত্রী না? এই দেশটা কোথা থেকে কি করে পয়দা হয়েছে, তা না জানার ভান করা আর কত?
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় গেলে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোকদিবস পালনের ঘোষণা দেবার পর দিনটিকে জন্মদিন উদযাপন শুরু করে বিএনপি! শোককে ব্যঙ্গ করা তখন থেকে চলছেই! এখনও চলছে সেই ব্যঙ্গ! জাতির পিতার বিষয়টি এবার অঙ্গীভূত করা হয়েছে সংবিধানে। খালেদা জিয়া আগামীতে আবার ক্ষমতায় গেলেও সাংবিধানিক জাতির পিতার হত্যাকাণ্ডের জাতীয় শোকের দিনে কি এভাবে চালিয়ে যাবেন জন্মদিনের উৎসব? এরজন্যেই কি আবার ক্ষমতায় গেলে সংবিধান ছুঁড়ে ফেলে দেবার ঘোষণা তিনি দিয়ে রেখেছেন? এসব কি এতই সহজ?
যে কোন মানুষের কাছে আনন্দের একটি দিন জন্মদিন। এ ব্যাপারে বিএনপির চলতি দাবিদারদেরও বক্তব্য হচ্ছে ১৫ আগস্ট যত মানুষের জন্ম হয়েছে, মুজিব সেদিন মরেছেন বলে কি সেদিন তারা জন্মদিন উদযাপন করবে না? সবাই তা উদযাপন করলে খালেদা জিয়ার বেলায় দোষ কিসের! দোষটা বুঝি বোধের! বিশ্বাস আর সন্দেহের! খালেদা জিয়াতো হঠাৎ এদেশের নেত্রী না! ১৯৮৩-৮৪ থেকে নেত্রী। এরও বহু আগে থেকে বিএনপি তা এই নেতাকর্মীরা কি এতটা অকৃজ্ঞ-তস্কর শ্রেণীর যে তখনো খালেদা জিয়া প্রভাবশালী-প্রধানমন্ত্রী বা বিরোধীদলের নেত্রী হতে পারেননি বলে তারা তার জন্মদিন উদযাপন করতেন না! আসলে বিষয়টি নিয়ে তাদের দোষ দেবারও নেই। কারণ তখনও ১৫ আগস্ট খালেদার জন্মদিন হয়নি। জন্মদিন হয় তার প্রধানমন্ত্রী হবার পর।
১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী হবার সরকারি জীবন বৃত্তান্তে উল্লেখ করা হয় ১৯৪৫ সালের ১৯ আগস্ট খালেদা জিয়ার জন্ম। এর কিছুদিন পর আবার আরেক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বলা হয় তার জন্ম ১৫ আগস্ট। কিন্তু তখনো বিষয়টি অনেকে হয় খেয়াল করেননি বা তখনও ১৫ আগস্ট তার জন্মদিন হিসাবে উদযাপন না করাতে এ নিয়ে কেউ ঘাঁটাঘাটিতেও যাননি। বা প্রথম দফা প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ক্ষমতার মেয়াদে কখনো ১৫ আগস্ট জন্মদিন উদযাপন করেননি খালেদা জিয়া। পালন শুরু করেন ১৯৯৬ সালে দিনটাকে জাতীয় শোক দিবস হিসাবে ঘোষণার পর।
এরপর খোঁজাখুঁজি বেরোয় আরও অনেক তথ্য। খালেদা জিয়ার পিতা ইসকান্দার মিয়া লিখেছেন তার মেয়ের জন্ম ১৯৪৫ সালের ৫ সেপ্টেম্বর। সেদিন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়াতে মেয়ের নাম শান্তি বেগম রাখার পরামর্শ দিয়েছিলেন ডাক্তার। ১৯৫৪ সালে দিনাজপুর সরকারি স্কুলের ক্লাস ফোরে ভর্তির সময় খালেদার বয়স এক বছর কমিয়ে লেখা হয় ১৯৪৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর (অনেক অভিভাবক এমন করেন)। খালেদা জিয়ার কাবিননামায় জন্ম তারিখ কি লিখা হয়েছে জানা যায়নি। কিন্তু ১৯৭৮ সালের পহেলা এপ্রিল পাসপোর্টের আবেদনে ১৯৪৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বরই লেখা হয় জন্ম তারিখ। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হবার পর জন্ম মাস’টি সেপ্টেম্বর থেকে স্থানান্তরিত হয় আগস্টে। প্রথমে ১৯ ও পরে ১৫ আগস্ট। নেত্রীর এতগুলো জন্মদিন নিয়ে কিন্তু আজও বিএনপির কোন অফিসিয়াল ব্যাখ্যা নেই।
যতদূর জানা যায় একাধিক সাংবদিকের উদ্যোগ-পরামর্শে খালেদা জিয়ার জন্ম তারিখটি এভাবে পরিবর্তিত হয়। এদের একজন খালেদা জিয়াকে নিয়ে একটি বই লিখেন। আরেকজন দাবি করেন তিনি খালেদা জিয়ার সব ভাষণ লিখেন। আমাকে একবার তিনি বলেছিলেন, ‘কেউ কেউ শেখ হাসিনার ভাষণ লিখে, আমি খালেদা জিয়ারটা লিখি, আমারটা বেশি মানুষ খায়!’
খালেদা জিয়াকে আধুনিক মনস্ক বোঝাতে বলেন, বিচারপতি মোস্তফা কামালের দাঁড়ি থাকাতে তাকে দূর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান করতে রাজি হননি। এখন এই জন্মদিন উদযাপন নিয়ে বিতর্ক মারমুখো মূর্তি ধারণ করাতে পথেঘাটে হেনস্তা হবার ভয়ে এর উদ্যোক্তারা আর এ উদযাপনের আশেপাশে আসেন না। একাধিক সূত্রমতে এখন ১৫ আগস্ট জন্মদিন পালন হয় খালেদা জিয়ার আগ্রহে। ম্যাডামের আগ্রহ দেখে এ ব্যাপারে ভিন্নমত থাকলেও অনেকে তা আর প্রকাশ করেন না। বরঞ্চ এ উপলক্ষে ম্যাডামের সঙ্গে ছবি তোলার বা নজরে পড়ার প্রতিযোগিতা করেন। বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত এক সাবেক এমপি মেজর (অবঃ) ১৫ আগস্ট জাতীয় শোকের দিনে আর সাজানো জন্মদিনটি উদযাপন না করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। সূত্রগুলোর মতে ওই অনুরোধ শুনে ম্যাডাম এত ক্ষেপেছেন যে, তার আর কোনওদিন বিএনপিতে ফেরার সম্ভাবনা নেই।
এমনিতে অনেকে খালেদা জিয়াকে তুলনামূলক একোমডেটিভ মনে করতেন। গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে হত্যা চেষ্টার পর তাকে দেখতে যেতে চেয়েছিলেন খালেদা জিয়া। শেখ হাসিনার স্বামী ড. ওয়াজেদ মিয়া মারা যাবার পর তাকে সান্ত্বনা দিতেও সুধা সদন গিয়েছিলেন। সেই খালেদা জিয়া জাতির পিতা না মানেন, শেখ হাসিনার পিতার মৃত্যবার্ষিকী দেখে জন্মদিনের নামে আনন্দ স্ফূর্তি করেন কিভাবে? এই মুজিবের নামে না যুদ্ধে গিয়েছিলেন তার প্রয়াত স্বামী জিয়াউর রহমান! স্বাধীনতার পর স্বামীর সঙ্গে সমস্যা-মনোমালিন্য হলে গার্জেনের মতো তিনি কি ছুটে যাননি সেই জাতির পিতারই কাছে? তখন কি তার তাকে মনে হতো না জাতির পিতা মুজিব?
মুক্তিযুদ্ধের সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুরের পিছনে ছিল গোটা বাংলাদেশ। শুধু গুটিকয় মানুষ মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছে। ওই গুটিকয় লোক আর তাদের অনুসারীরাই শুধু যুদ্ধে হেরেছে। জাতির পিতা মুজিব খুন হওয়াতে খুশি হয়েছে শুধু ওই কিছু লোক। তাদের মূল সংগঠনটি জামায়াতে ইসলামী। জিয়া প্রতিষ্ঠিত সংগঠনটির নামতো বিএনপি। দল গড়তে স্বাধীনতা বিরোধীদের সমর্থন জিয়া, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিদেশে প্রাইজ পোস্টিংসহ নানা কিছু করেছেন। কিন্তু জামায়াতে ইসলামীকেতো কখনো আপারহ্যান্ড দেননি। এখনকার খালেদা জিয়ার সবকিছু কার জন্য? আবার ম্যাডাম ক্ষমতায় যেতে চান, কিন্তু নিজেকে এবং দেশকে একটু শান্তিতে পথ চলতে দিলেতো অনেককিছু হয়। তাই নয় কি? এরজন্য মিনিমাম ঐক্যের জায়গাটিতো হতে পারেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
এই মহান নেতার শোকাবহ মৃত্যুর দিনকে জন্মদিনের নামে এভাবে উপহাস বন্ধ করলে চলে না? সবাই যেখানে অনুরোধ করলেন, একটু শুনলে ভালো হতো না? আগুনতো জ্বালানো সহজ। কিন্তু পথের কোথায় থামবেন অথবা থামবেন না, তা দু’বারের প্রধানমন্ত্রীর চেয়ে বেশি জানে কোনজন?
ফজলুল বারীঃ সিডনিপ্রবাসী সাংবাদিক।
বাংলাদেশ সময় ১২৫৭ ঘণ্টা, আগস্ট ১৬, ২০১১
কামরুজ্জামান (নয়ন) বলেছেন:
ভারতে যাইয়া ফালাফালি করিছ ভাদা কোনহানকার।
লেজকাটা বান্দর বলেছেন:
আহা, অন্যের জন্মতারিখ নিয়ে মানুষের আগ্রহের শেষ নাই। শুনেন, অন্যের গোপন কথা নিয়া বেশি চিল্লাপাল্লা করলে একসময় আপনার গোপন কথা নিয়েই মানুষ ফালাফালি করবে। খালেদা জিয়ার জন্মতারিখ ঠিক হইলেই কি আর ভুল হইলেই কি?
সাইফুল আলম শাহিন বলেছেন:
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
সেলটিক সাগর বলেছেন:
দৈনিক যুগান্তর: (১৫ই আগষ্ট, ২০১০)
সাবেক হুইপ জামালের পরামর্শ শুরু ১৫ আগষ্ট জন্মদিন পালন
বরিশাল-২ আসনের সাবেক এমপি চারদলীয় জোট শাসনামলের হুইপ শহিদুল হক জামালের পরামর্শে ১৯৯১ সাল থেকে ১৫ আগষ্ট জাতীয় শোক দিবসে জন্মদিন পালন শুরু করেছেন বিএনপি
চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এর আগে কখনোই তার জন্মদিন কিংবা তা পালন নিয়ে কোনরকম উৎসব আয়োজন হয়নি। চাঞ্চল্যকর এ তথ্য জানিয়েছেন বিএনপিরই সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব
'১৯৯১ সালের ১৪ই আগষ্ট রাতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ক্যান্টনমেন্ট বাসভবনে ঘটে ঐ ঘটনা। সে সময় প্রায় প্রতি রাতেই দলের সিনিয়র নেতারা যেতেন তার বাসায়। দল এবং রাষ্ট্রের বিষয় নিয়ে আলোচনা হত সেখানে। এরই এক পর্যায় উঠে ১৫ আগষ্ট প্রসঙ্গ। এরই মধ্যে দিনটিকে শোক দিবস হিসাবে পালনের ঘোষনা দিয়েছে আওয়ামী লীগ। দেশব্যাপী নানা কর্মসূচীও ঘোষনা করেছে তারা। পাল্টা হিসাবে কি করা যায় তাই নিয়ে কথা বলছিলেন নেতারা। নানা দিক থেকে আসছিল বিভিন্ন রকম প্রস্তাব। হঠাৎ করেই ১৫ আগষ্ট খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালনের প্রস্তাব দেন সাবেক ওই এমপি। কয়েকজন মৃদু প্রতিবাদ করলেও ধোপে টেকেনি তা। হয়ে যায় দিনটিকে জন্মদিন পালনের সিদ্ধান্ত'।
রাতের ওই আলোচনায় উপস্থিত থাকা অপর এক বিএনপি নেতা যুগান্তরকে বলেন, 'প্রস্তাব দিয়েই ক্ষ্যান্ত হননি শহিদুল হক জামাল। জন্মদিন পালনের অংশ হিসাবে সোনারগাঁও হোটেল থেকে নিয়ে আসেন ঢাউস আকারের কেক। হৈ-হুল্লোড় করে তা কাটা হয় ক্যন্টনমেন্টের বাসায়। আর সেই থেকেই শুর হয় জন্মদিন পালনের ধারা।'
সপরিবারে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাতের দিনে এভাবে জন্মদিন পালনকে দু:খজনক উল্লেখ করে মেজর (অব
আখতারুজ্জামানের এই অভিযোগ সম্পর্কে জানতে যোগাযোগ করা হলে প্রশ্ন শোনার পর শারীরিক অসুস্থতার কথা বলে মোবাইল ফোনের লাইন কেটে দেন শহিদুল হক জামাল। পরে বহুবার চেষ্টা করলেও তিনি আর ফোন ধরেননি। প্রসঙ্গত বর্তমানে বিএনপি থেকে বহিস্কৃত অবস্থায় থাকল
েও একসময় খালেদা জিয়ার অত্যন্ত ঘনিষ্ট ছিলেন শহিদুল হক জামাল। তার সম্পর্কে রয়েছে দলের তারেক রহমানকে ব্যবসা-বানিজ্য শেখানোর আলোচনা। তিনিই নাকি অবিশ্বাস্য স্বল্পমূল্যের নিলামে হরদেও গাস কোম্পানি কেনার পথা দেখান তারেককে। ওয়ান-ইলেভেনের পর সংস্কারে গিয়ে তারেক রহমান, হাওয়া ভবন তথা জিয়া পরিবার সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করে কক্ষ্যচূত হন জামাল। যে কারনে ২৯শে ডিসেম্বরের নির্বাচনে তাকে মনোনয়ন দেয়নি বিএনপি। পরে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে ৩ হাজারের কিছু বেশি ভোট পেয়ে জামানত হারান এ নেতা। দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে প্রার্থী হওয়ায় তাকে বহিস্কার করে বিএনপি। সেই থেকে ব্যবসা-বানিজ্য নিয়েই আছেন তিনি। বিশেষ একটি মহলের সহায়তায় দলে ফেরার চেষ্টার চললেও খুব একটা সফল হতে পারছেন না।
বিবেকহীন বলেছেন:
হাস্যকর আওয়ামী পোস্ট! ১৫ই অগাস্ট শেখ মুজিবের মৃত্যু দিবসের জন্য আরেক জনের জন্ম তারিখ নিয়া টানা হেঁচড়া! সরাসরি বললেই হয়, মৃত্যু পথযাত্রীরা এই দিন নাকে-মুখ টেপ মেরে রাখবে যাতে প্রাণ বায়ু বের না হতে পারে, আর গর্ভধারিনীরা তল পেটে গিট্টু মারবে যাতে সন্তান প্রসব না হয়। এরপরও কিছু ঘটে গেলে জন্ম-মৃত্যুর রেজিস্ট্রীর তারিখ হবে ১৬ই অগাস্ট।
সেলটিক সাগর বলেছেন:
২০১২: খালেদার ‘জন্মদিনে’ কেক কাটলেন নেতারা Wed, Aug 15th, 2012 1:13 am BdST
ঢাকা, অগাস্ট ১৫ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- খালেদা জিয়া সৌদি আরব থাকলেও তার বিতর্কিত জন্মদিন কেক কাটার মাধ্যমে উদযাপন করেছেন বিএনপির নেতা ও কর্মীরা।
১৫ আগস্ট প্রথম প্রহরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ৬৮ পাউন্ডের একটি কেক কাটা হয়। এতে তার দীর্ঘায়ু কামনা করে মোনাজাতও হয়।
রাত ১২টায় কেক কাটার সময় ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, রফিকুল ইসলাম মিয়া, নজরুল ইসলাম খান, সহসভাপতি সাদেক হোসেন খোকা।
দলের সহসভাপতি আবদুল্লাহ আল নোমান, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সেলিমা রহমান. যুগ্ম মহাসচিব মাহবুবউদ্দিন খোকন, রুহুল কবির রিজভী, সংসদ সদস্য শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, নাজিম উদ্দিন আলম, যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিরোধীদলীয় নেতার প্রেসসচিব মারুফ কামাল খানসহ শতাধিক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন সেখানে।
বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা বর্তমানে ওমরাহ পালন করতে সৌদি আরব রয়েছেন।
বিএনপির বক্তব্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ৬৮ বছরে পা দিয়েছেন খালেদা জিয়া। তবে তার এ জন্মদিন নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। কারণ তার আরো জন্ম তারিখের হদিসও পাওয়া যায়।
১৯৯৪ সাল থেকে খালেদা জিয়া ১৫ অগাস্ট তার জন্মদিন পালন করে আসছেন। আওয়ামী লীগ মনে করে, ‘বিতর্কিত’ এই জন্মদিন পালনের মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়া দৃশ্যত ১৫ অগাস্ট হত্যাকাণ্ড ‘উদযাপন’ করে থাকেন।
১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট সপরিবারে হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকরা বিশ্বাস করেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের পেছনে খালেদার স্বামী জিয়াউর রহমানের ইন্ধন ছিল।
এদিকে বৃহস্পতিবার বিকালে নয়া পল্টনে ঢাকা মহানগর বিএনপি কার্যালয়ে খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে মিলাদ মাহফিল ও ইফতার পার্টির আয়োজন করা হয়েছে।
খালেদার জন্ম ১৯৪৫ সালে। তার বাবার নাম এস্কান্দর মজুমদার। মা বেগম তৈয়বা মজুমদার। পৈত্রিক নিবাস ফেনীর ফুলগাজী গ্রামে হলেও খালেদার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে দিনাজপুরে।
১৯৬০ সালের অগাস্ট মাসে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিয়ে হয় খালেদার। জিয়া পরে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসীন হন। তারেক রহমান পিনো ও আরাফাত রহমান কোকো তাদের দুই সন্তান।
১৯৮১ সালে ৩০ মে জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর রাজনীতির অঙ্গনে পা রাখেন খালেদা। প্রথমে দলের ভাইস চেয়ারম্যান এবং ’৮৪ সালে দলের চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন তিনি।
স্বৈরশাসক এরশাদবিরোধী আন্দোলনে শেখ হাসিনার পাশাপাশি খালেদা জিয়ার বলিষ্ঠ ভূমিকা ছিল। বিশ্লেষকরা বলেন, ক্যান্টনমেন্ট থেকে জন্ম নেওয়া বিএনপির জনভিত্তি তৈরি করে দেন খালেদাই।
১৯৯১ সালে সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে খালেদা দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্তও প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এসএম/এমআই/০১০৯ ঘ.
বড় ঠাকুড় বলেছেন:
-
কান্দো আব্বায় মরছে কান্দো..........
হাসিনা পদ্মা সেতু থেকে ৩৫ মিলিয়ন চুরি করছে, বিশ্ব ব্যংক তাকে বিশ্ব চোরা উপাধি দিছে!!
কানাডিয়ান সোশাল খেয়ে বড় বড় কথা বলা, ব্লগে সাম্প্রদায়িক আচরনের জন্য কুখ্যাত মোসাজস ওরফে বিদ্রোহী রনক্লান্ত ওরফে বড় ঠাকুড়কে প্রথম ও শেষবারের মত বলা হচ্ছে এই পোষ্টের রিলেটেড মন্তব্য করার জন্য। নাইলে এখানে কানাডিয়ান ভিক্ষুকদের আসাটা একেবারেই অপ্রয়োজনীয়। খোদা হাফেজ।
বড় ঠাকুড় বলেছেন:
যুগান্তরের মত হাসিনার দালাল পত্রিকা কি বাল লিখছে আর তোমার মত হাম্বা কি কইতাছো কার বালে পাত্তা দেয়??
হাম্বা তোর বাবা-মা-চাচা-জেডা তাদের গিটা জিগা আজ থেকে ৭০ বছর আগে জন্ম সাল নিয়া মানুস কোন মাথা ঘমায় নাই|
তোর মা-বাবা-চাচা-জেঠারাও ১৩ রকমের জন্ম তারিখ আছে|
আর শোন, রাস্তায় রাস্তায় চান্দা তোলা আর কাচ্চি বিড়িয়ানী খাওয়া, হিন্দি গান বাজাইয়া মৌজ মাস্তি করা বন্ধ কর!!
দৈনিক সংবাদ (১৬ আগস্ট ২০০৯)
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্ম ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট নয়। তার জন্ম ১৯৪৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর। ১৯৬০ সালে তিনি দিনাজপুর গার্লস স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করার কথা বলা হলেও আসলে তিনি ১৯৬১ সালে ওই স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অকৃতকার্য হন। দিনাজপুর সরকারি উচ্চবালিকা বিদ্যালয়ের রেকর্ডপত্র ঘেঁটে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
দিনাজপুর সরকারি উচ্চবালিকা বিদ্যালয়ের রেকর্ডপত্র ঘেঁটে দেখা যায় : খালেদা খানম, পিতা মোহাম্মদ এস্কেন্দার, সাকিন মুদিপাড়া, থানা কোতোয়ালি, জেলা দিনাজপুর। ১৯৬১ সালে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় দিনাজপুর কেন্দ্রের দিনাজপুর সদর গার্লস হাইস্কুল থেকে অংশ নেন এবং পরীক্ষায় অকৃতকার্য হন। তার পরীক্ষার রোল নম্বর ছিল দিন-এফ-৭৯২। পরীক্ষার নম্বরপত্র থেকে দেখা যায়, তিনি ওই পরীক্ষায় ইংরেজি প্রথমপত্রে ২৬, দ্বিতীয়পত্রে ১৫, বাংলা প্রথমপত্রে ৩৮, দ্বিতীয়পত্রে ৩২, গণিতে ৫০, ইতিহাসে ১০, ভূগোলে ২০, ধর্মে ৪২ এবং ঐচ্ছিক বিষয়ে ১৩ নম্বর পান। নম্বরপত্রের ফলাফলের ঘরে 'অকৃতকার্য' উল্লেখ করা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সেই সময়কার এক প্রবীণ শিক্ষিক বলেছেন, খালেদা ১৫ বছর বয়সে ম্যাট্রিক পরীক্ষা দিয়েছেন। তার পিতা মোহাম্মদ এস্কেন্দার নিজে এসে তার ম্যাট্রিক পরীক্ষার ফরম পূরণ করে দিয়েছিলেন। জন্ম-তারিখ ৫/০৯/১৯৪৬ইং তার পিতাই ফরম পূরণ করেছিলেন।
সেলটিক সাগর বলেছেন:
খালেদার ৬৮তম জন্মদিন উদযাপন স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ছবি: শোয়েব মিথুন
ঢাকা: কেক কাটার মধ্য দিয়ে বুধবার বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ৬৮তম জন্মদিন উদযাপন করেছে দলটি। এদিন রাত ১২টা ১ মিনিটে খালেদা জিয়ার গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে জন্মদিন উপলক্ষে ৪টি কেক কাটা হয়।
বিএনপিসহ যুবদল, ছাত্রদল ও মহিলা দলের পক্ষ থেকে পৃথক ভাবে এসব কেক কাটা হয়।
এসময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, নজরুল ইসলাম খান, আবদুল্লাহ আল নোমান, এয়ারভাইস মার্শাল(অব.) আলতাফ হোসেন, সেলিমা রহমান, মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, শিরিন সুলতানাসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনসমুহের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, খালেদা জিয়া ১৯৪৫ সালে দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৯০ সাল থেকে ১৫ আগস্ট জন্মদিন পালন শুরু করেন তিনি। জাতীয় শোক দিবসকে কটাক্ষ করতেই খালেদা জিয়ার এ উদ্যোগ বলে অভিযোগ আছে আওয়ামী লীগের।
জানা গেছে, নির্বাচনের হলনামায় ১৯৪৬ সালের ১৫ আগস্ট তার জন্ম তারিখ হিসেবে উল্লেখ থাকলেও স্বশিক্ষিত শিক্ষাবোর্ডের ফাইলে ৫ সেপ্টেম্বর তার জন্ম বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ০০২০ ঘণ্টা, আগস্ট ১৫, ২০১২
এমএম/ এমএআর/সম্পাদনা: নূরনবী সিদ্দিক সুইন, অ্যাসিসট্যান্ট আউটপুট এডিটর
বড় ঠাকুড় বলেছেন:
খালেদার জন্ম দিনে তোর সমস্যা কই??
রাস্তায় রাস্তায় চান্দা তোলা আর কাচ্চি বিড়িয়ানী খাওয়া, হিন্দি গান বাজাইয়া মৌজ মাস্তি করা বন্ধ কর!!
যাই হোক, ম্যাডামের ছবিগুলো সুন্দর এসেছে, তাই না?

নিরবখান বলেছেন:
ওই খাঙ্কির পোলা বড় ঠাকুর। তোর মা খালেদার কয়টা জন্মদিন আর কয়টা স্বামী?
জেনারেশন সুপারস্টার বলেছেন:
প্রিয়তে।ভাই,৩৩২ নম্বর কমেন্টের উত্তরে বাংলাভাই,শায়খ রহমানের মাথার উপর খালেদাজিয়ার ছবিটা দেইখা পুরাই শকড
সূত্র: ডেইলী ষ্টার- Thu. May 13, 2004
Bangla Bhai active for 6 yrs
পুদিনা পাত০০৭ বলেছেন:
পোস্ট+++++ প্রিয়তে নিলাম।
রাহি বলেছেন:
ওহে ভাদার বাচ্চা মালাউন! একজন মানুষ কি তিনবার জন্ম নিতে পারেনা? ঈশ্বরের আলৌকিকতার এই পৃথিবীতে তিনবার ধরণীতে আসা কোনো ব্যাপারই না। গিনেস্ বুক চেক করো বাছা মোদের নেত্রীর নাম বিয়ে বাড়ীর লাইটিং এর মত জ্বলজ্বল করছে! দেশনেত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালাম। যদিও দেরী হয়ে গেল
বনফুল ব্লেেন্ডজ বলেছেন:
আপনার পোস্টটি পড়ে অনেক তথ্য জানতে পারলাম। ধন্যবাদ এমন পোস্ট দেয়ার জন্য।
রাইসুল সাগর বলেছেন:
বাফরে বাফ, এতো এতো জন্মদিন হেরলাইগ্গাইতো কই, হেরা দেশের কাম করনের টাইম পায় না কেন, জন্মদিন পালন করবো না কাম করবো। আর একজনতো দিবস নিয়া ব্যাস্ত।আমরা জনগন আগেও ছিলাম আজো বলির পাঁঠা।
হুকনা বেত দিয়া মারা যাইতো। আর কিছু চাগু দেহি প্রটেষ্ট মারতাছে, হেগোরে আইল্লা ছিবা দিয়া জায়গা মত দেওয়ন দরকার। যেখানে সবাই মাইন্নাই নিছে দুইজনেই এক, সেহানে আইয়া ছাগলামির মানে কি।
আসেন এদের সবাই মিল্লা কইঃ তুই রাজাকার।
''' darun post.....''' LIKEEEEEEEE
নাজিম উদ্দিন রনি বলেছেন:
লজ্জা না থাকলে যা হয় আর কি
অপরিচিত অতিথি বলেছেন:
তথ্যবহুল পোষ্ট।
দি অপু বলেছেন:
এতোবার জন্ম দিতে তার মায়ের নিস্চয় অনেক কস্ট হৈসে..উনার দূ:খে আমি দূখিত।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















.jpg)




আপনার মন্তব্য লিখতে লগইন করুন ।