আমার প্রিয় পোস্ট
- আমার আঁকা ছবি .............৩২ , চাচামিঞা কে দিলাম । - নিহন
- অনলাইনে বিজ্ঞাপন (এডসেন্স) থেকে আয় - খোকন জিও
- ঘাসফুলের জন্য - বৃত্তবন্দী
- রোজার উপহার - আপনার নিজস্ব ঝকমকে এনিমেটেড টেক্সট! - ব্রাইট
- ওয়ারফেজ রিইউনিয়ন কনসার্ট - নামহীনা
- চাচামিঞা মানুষ ভালা না।
ফান পোষ্ট - রাজামশাই

রাজামশাইয়ের জন্মদিন!!
শুরু হল জলসা!! 
- বিবর্তনবাদী
- মোহাম্মদের কি মৃগীরোগ ছিল? - ঘনাদা
- ১০ বিষয়ে সেরা ১০ ছবির তালিকা: মুভি প্রেমিকদের জন্য অবশ্য পাঠ্য - শওকত হোসেন মাসুম
- জ্যোতিষী নিউটনের ভবিষ্যদ্বাণী, পৃথিবীর আয়ূ আর বেশী নেই! - জ্বিনের বাদশা
- ব্লগের একটি হিডেন ফিচার - লাভলুদা
- মানুষ খুঁজে পাওয়া গেল ব্রাজিলের জংগলে : শাহীন সিদ্দিকী - যুকরুফা ০৭
- ছবিতে কম্পোজিশনের গুরুত্ব : একটি উদাহরণ ও কয়েকটি টিপস - হাসান বিপুল
- ........... - ভবঘুরে
- জরুরী জনগুরুত্ব সম্পন্ন জানা অজানা... - বৃত্তবন্দী
- ইতিহাস-৪ - টনি
- আমার প্রিয় পোস্টগুলো - বিবর্তনবাদী
- ভ্রমণ বিষয়ক পোষ্টঃ ঘুরে এলাম "খাগড়াছড়ি" - লুলুপাগলা
- গল্প : অপেক্ষা - একরামুল হক শামীম
- রবীন্দ্রসংগীত - রিমিক্স - রাজামশাই
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -১(GMAT)। - কুম্ভকর্ণ
- ইমাম মাহ্দী (আঃ)-এর আগমন - রাব্বি
- রবীন্দ্রনাথ ও তিশমা
- রাজামশাই
- কে তিনি? - ইউনুস খান
- দ্য টেম্পল টাইগার ... বাঘা মন্দিরা গল্প - হিমু
- লন্ডন শহরে কিছুদিন.... - প্রীটি সোনিয়া
- অনলাইন ফ্রিল্যান্সি আউটসোর্সিং -ঘরে বসে বিপুল আয়ের উপায় - রাজ্
- জিয়ার অপরাধের আংশিক চিত্র (হিটলার জিয়া -২) - রাফা
- আমার কোরিয়া সফর ।। পর্ব ৩: সিউলের রাস্তায় একটি ক্ষুধার্ত দিন - আবু তাশফীন
- সেই কালোরাতে ইথারে খুনীরা যা বলেছিলো.... - অমি রহমান পিয়াল
- Google AdSense ... ওয়েব থেকে আয়-উপার্জন (২) - ত্রিভুজ
- আমার চোখে আমেরিকা - San Diego - পার্থসারথী ব্যানাজী
- Google AdSense ... ওয়েব থেকে আয়-উপার্জন (১) - ত্রিভুজ
- পি.এইচ.পি বেস্ড ওয়েবসাইট: কেও যদি ডেভলাপমেন্ট পার্টনার হতে চান- আওয়াজ দিন - চাচামিঞা
বোন! (সত্য কাহিনী অবলম্বনে)
৩০ শে জুন, ২০০৮ সকাল ১১:০৬
সময়টা ডিসেম্বরের মাঝামাঝি, অনেকের মতই রেহানেরও পরীক্ষা শেষ। অবশ্য সে মাত্র নার্সারিতে পরে। পরীক্ষার গুরুত্ব বোঝার মত বয়স তার হয় নাই। কিন্তু তবুও সে বেশ খুশি। কারন তার বাবা-মা তাকে কথা দিয়েছে, পরীক্ষা শেষ হলে তাকে একটা বোন এনে দেওয়া হবে। আজ তার বাবা মাকে নিয়ে হাসপাতাল যাচ্ছে বোন আনার জন্য। রেহানের খুশি ধরে না। আগেই ঠিক করে রেখেছে বোনার নাম হবে "মিস্টি"।
রেহান বারান্দার দারিয়ে অপেক্ষা করছে, কখন তারা আসবে। সময় যেন কারে না। বন্ধুরা মাঠে খেলা করছে। সেদিকে তার মনা নেই। হটাৎ একটা আসংকা তার মনে আসে, এবারও বুঝি বাবা-মা কথা রাখলো না। তার মনে পরে গত মাসে তার বাবা কথা দিয়েছিলো ঢাকা থেকে রেসিং কারসেট এনে দেবেন, ঠিক জুয়েলের এমন একটা রেসিং কার আছে। জুয়েল সেটা তাকে ধরতে দেয় না। সে বাবা ঢাকা থেকে ফিরে আসার জন্য অধির আগ্রহে অপেক্ষা করেছে। তাদের বাসা থেকে ট্রেনলাইন দেখা যায়। সে দাড়িয়ে দাড়িয়ে ট্রেনের আসা যাওয়া দেখেছে, এই বুঝি বাবা এলো.........ইয়া হু..........বাবা এসেছে.......দৌড়ে গিয়ে বাবাকে জরিয়ে ধরে। কিন্তু সেইবার বাবা রেসিং কার আনে নাই......সে অনেক লম্বা কাহিনি। সেবার তার মনটা খুব খারাপ হয়েছিলো। ভাবতে ভাবতে তার চোখ ঝাপসা হয়ে আসে। সে মনে মনে ভাবে তার কোন রেসিং কার দরকার নাই, বোন এলেই হলো। সে ঠিক করে রেখেছে, তার সব খেলনা সে তার বোনকে দিয়ে দেবে।
পিপ..পিপ...... গাড়ীর হর্ন, রেহান তাকিয়ে দেখ গাড়ী থেকে তার বাবা নেমেছে, মাও নামছে.....কোলে গোলাপি রংয়ের টাওল পেচানো তার বোন...........তার যেন তর সইছে না মনে হ্চ্ছে দুই তালা থেকে লাফিয়ে নেমে পরে।
বাসার সবাই খুব খুসি। ফ্ল্যাটে ফ্ল্যাটে মিস্টি বিতরণ চলছে। সবাই আসছে তার বোনকে দেখতে.......কি সুন্দর বাবু...........কুটু কুটু .....পুটু পুটু.....। রেহানের মেজাজটা খারাপ হচ্ছে, কারন একেতো তাকে বাবু কোলে দেওয়া হচ্ছেই না, অন্য দিয়ে সে যে বাবুর সাথে একটু একলা খেলা করবে, তাও সম্ভব হচ্ছে না।
দেখতে দেখতে সাত দিন কেটে গেলো..........আজকে তার বোনের মাথা কামানো হবে.........তার মামা সৌদিয়ারব থেকে আসবে বাবু দেখার জন্য....বাসা লোকে লোকারন্য যেন বিয়ে বাড়ির আমেজ। ঠিক দুপুরে মামা এলেন। সবাই মিলে মামাকে দেখতে গেলো। ড্রইংরুমে মামা বসে আছেন, আর সবাই তাকে ঘিরে আছে। মামা বাবুটার জন্য অনেক কিছু এনেছে..........সুটকেজ খুলে একটার পর একটা জিনিস বের করছে....রেহানের খুব রাগ হচ্ছে, বাবুটা ঐ রুমে একলা ঘুমিয়ে আছে, আর সবাই ড্রইং রুমে হাহা..হিহি.....অসহ্য......সে তার বোনের রুমে চলে আসে। শীতের মধ্যে বাবুটা কি সুন্দর লেপ মুরি দিয়ে ঘুমাচ্ছে.......না! বাবুটা যে একদমই নরছে না........কি হলো? শ্বাসওতো নিচ্ছে না......সে মাকে চিৎকার করে ডাকে..........ততক্ষনে বাবুটা নেই। লেপ নাকের ওপর চাপা পরে শ্বাস বন্ধ হয়ে বাবুটা মারা গেছে...........সেদি তার মায়ে কান্নায় আশুগন্গের বাতাস যেন ভারি হয়ে গিয়েছিলো।
মিস্টি নামটা আর রাখা হলো না। তার আগেই বাবুটাকে কবর দিতে হলো। পরের দিন রেহানকে আর পাওয়া যাচ্ছিলো না। কোথাও না। তার মা বাবার অবস্হা তখন বলে বোঝানর মতো না। অবশেষে মাইকিং করতে হলো, সারা শহরের মানুষ জানলো, রেহান নামের ৫ বছরের একটি বালক কে খুযে পাওয়া যাচ্ছেনা।
সন্ধা ৬টার দিকে (যেহেতু শীতকাল, তাই ৬টা মানে অনেক সন্ধা) রেহানকে পাওয়া গেলো কবরস্হানে, তার বোনের কবরের পাসে। বোনটা একা একা ভয় পাবে, তাই সে বসে আছে............।
লেখক বলেছেন: কস্ট দেবার জন্য সরি বলাছারা আর কি করতে পারি!
অক্ষর বলেছেন:
মন্তব্যহীন
লেখক বলেছেন: গল্পটা আমি আমার মার কাছ থেকে শুনি। আমিও নির্বাকর হয়ে ছিলাম।
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন:
চোখে পানি এসে যাচ্ছে।
লেখক বলেছেন: সত্যি বলছি, লিখতে গিয়ে আমারও মনটা ভারি হয়ে উঠছিলো।
লেখক বলেছেন: আমারও কিছু বলার নাই। হয়তে কোন ভালো রাইটারের হাত দিয়ে লেখটা বের হলে ঘটনাটা আরও জিবন্ত হতো।
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
সত্যি ভাই, এত খারাপ লাগছে ... খুব কস্ট হচ্ছে ...
লেখক বলেছেন: মনে হচ্ছে আমার অনুভুতিটা আপনাদের বুঝাতে পেরেছি।
লিপিকার বলেছেন:
মনটা খারাপ হয়ে গেল........
লেখক বলেছেন: আমারও!
আসিফ আহমেদ বলেছেন:
....................
লেখক বলেছেন: ..........................
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
শুরুটা ভাল লাগছিল , শেষটাও ভাল, তবে এরকমটা কাম্য নয় । মন খারাপ করা লেখা
লেখক বলেছেন: সত্যি তাই।
মীতু বলেছেন:
সত্যি খুব টাচি । খুব কষ্ট পেলাম ।
লেখক বলেছেন: কস্ট দেবার জন্য সরি বলাছারা আর কি করতে পারি!
আবদাল্লাহ বিন মাহবুব বলেছেন:
যদি ঘটনাটা সত্যি হয় তবে বলবো আসলেই চোখে পানি আসার মত ..ভাই এর যে বোনের প্রতি ভালোবাসা সেটা দেখা গেল ... সত্যি ছেলেটার কপাল খারাপ কত কষ্ট করে বোন পেল তা ও আবার চলে গেল ..বোন ভয় পাবে তাই সে কবরের কাছি গিয়ে বসে আছে ....কি যে মন্তব্য করবো বুঝতেছি না ..... মন্তব্য করলেই বলে শেষ হবে না .........
তবে সেই বাচ্চটার প্রতি আমার সমবেদনা থাকল ..ইনশাল্লাহ ও আবার একটা ফুটফটে বোন পাবে আমার এটাই আশা ..'
ধন্যবাদ আপনাকে এমন পোষ্ট দেয়ার জন্য .............
লেখক বলেছেন: ভাই আবদাল্লাহ বিন মাহবুব , ঘটনাটা সত্য, অবশ্য ১৫ বছর আগের ঘটনা।
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন:
ভাই লেখা জিবন্ত হওয়ার কিছু নাই.. একজন সাধারন মানুষ যেভাবে ঘটনা ঘটে সেভাবেই তুলে দেয়... আর একজন লেখক অনেক রং দেয়... আপনার এই সাধারন বর্ণনাই অসাধারণ হয়েছে... সেটাই বলেছিলাম... মনে হলো আপনি ভুল বুজেছেন... সরি
লেখক বলেছেন: না না, আমি মোটেও ভুল বুঝি নাই। আসলে নিজে যখন লিখি, মনে হয়, হায় আল্লা , কি লিখলাম, বন্ধুরা পরে বুঝবেতো। আর আমার বাংলা টাইপিং খারাপ হওয়ায় বানান খুব ভুলহয়, যা বিরক্ত্য কর।
স্বপ্নিক বলেছেন:
আজব............
লেখক বলেছেন: সত্যি তাই।
টাকাআনাপাই বলেছেন:
বেদনাক্রান্ত লেখা, তবুও ভাল লাগলো। লিখুন, লিখলে মনের কষ্টগুলো দুর হয়।
লেখক বলেছেন: হম......সাথে ছবিটা মানাইসে না?
কোপা সামছু বলেছেন:
চোখে পানি এসে পড়ল।
লেখক বলেছেন: আরে কোপা সামছু ভাই, কই ছিলেন এতক্ষণ, আপনারে মনে মনে খুজতাসিলাম। ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য। চোখের পানি মুইছা ফালান। এমন কিছুদেন যাতে সবার মন ভালো হইয়া যায়।
লেখক বলেছেন: আল্লা আপনার দোয়া কবুল করুন।
অনেক্ষণ স্তব্ধ হয়ে বসেছিলাম আপনার লেখাটা পড়ে। সেই নাম না রাখা বাবুটার জন্য বুকের মধ্যে মনে হয় একটু কষ্ট মোচড় দিয়ে উঠলো।
আরিজ কেমন আছে ? ওর জন্য অনেক আদর। ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। আল হাম্দুলিল্লা। আরিজ ভালো আছে। আপনিও ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: হেলো ঘাসফুল , অনেক দিন পর দেখা হলো। ভালো আছেন নিশ্চই। আমি ঠিক জানিনা, আসলে রেহানদের সাথে এখন আর জোগাজোগ নাই। তবে আল্লাহ নিশ্চই তাদের আশা পুরন করেষেন।
অন্তিম বলেছেন:
ভাললেগেছে লেখাটি পড়ে।প্রখর অনুভূতি নাড়া দিয়ে গেল। দোয়া করি যেন রেহান সত্য সত্যই এক মিষ্টিকে খুজে পাক। +
বুমবুম বলেছেন:
মন খারাপ হইয়া গেল।
লেখক বলেছেন: মন খারাপ করানোর জন্য সরি বলছি।
দ্রগবা বলেছেন:
কামনা করি এই রকম ঘটনা যেন কারো জীবনে না ঘটে।
রাশেদ বলেছেন:
মন খারাপ করা লেখা।
লেখক বলেছেন: আপনি এতোদিন কোথায় ছিলেন? হুম....আসলেই মন খারাপ হয়ে যাবার মত ঘটনা।
লেখক বলেছেন: তোমার পাড়ার ঠিকানাডা দিও, একদিন যাইতে হইবো।
নিহন বলেছেন:
ভালো কষ্ট দিলেন
লেখক বলেছেন: sorry!
লেখক বলেছেন: আরেভাই, আপনে এতোদিন পরে এই লেখা কোই পাইলেন?
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
আমার পর পরই দু বছর যে বোনটা জন্মায় (আয়েশা),ও মারা যায় ছয়মাস বয়সে, ১৯৮৪ এর দিকের ঘটনা| ওকে কবর দেওয়া হয় গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে|
গ্রামে গেলে প্রতি রাতে আব্বুর হাত ধরে ওর কবরের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতাম| বড় হয়ে বুঝেছি আব্বু কেন রাতে নিয়ে যেতেন আমাকে|
বোনের তৃঞ্চা আর মেটেনি আমাদের, আমরা তিন ভাই, আর কোনো বোন জন্মায়নি আমাদের|
কিছু মনে করবেন না চাচ্চু, লেখাটা পড়ার পর
এই বুড়ো বয়সে শব্দ করে কেঁদেছি|
ব্যাক্তিগত দুঃখপ্রকাশ খুব একটা শোভন নয়, কিন্তু মন খুব ভার হয়ে আছে|
কিচ্ছু ভালো লাগছে না আর এই লেখাটা পড়ার পর|
লেখক বলেছেন: আপনার কমেন্টা পরে আমার মনটা ভিষন রকম খারাপ হয়ে গেলো। আল্লাহ আমাদের সবাইকে মাফ করুন।
রাতমজুর বলেছেন:
২০/২২ বছর আগের কথা, জেলা সদরের গোরস্থানগুলো সন্ধের পরে এড়িয়ে চলতো মানুষ, কুসংস্কার হয়তো।
হঠাৎ করেই বেশ লম্বা, ফরসা গায়ের রং, একটা মানুষকে আধো-অন্ধকারে দেখা যেতে লাগলো গোরস্থানে। গুজব রটলো - জ্বীন।
মাস খানেক পরে জানা গেল আসল কাহিনী।
একটা লোক, খুব চাইতো, যেন মেয়ে হয় বৌয়ের। মেয়ে হয়েছিল, মৃত। মেয়েটাকে কবর দেওয়ার পরে, রোজ রাতে গিয়ে বসে থাকতো কবরের কাছে, মেয়েটা খুব ছোটতো, যদি রাতে একা একা ভয় পায়!
পরের বছরে ঠিক হয়ে গিয়েছিল, আরেকটা মেয়ে হলে।
লেখক বলেছেন: দিলানতো রাতে ভয় পাইয়ে, এমনিতে আজকে বাসায় একা আছি।
অরণ্যচারী বলেছেন:
মনটা খারাপ হয়ে গেল।
বোকামাষ্টার বলেছেন:
রেহানের জন্য আর সেই না-ফোটা-কলি মিষ্টির জন্য অনেক অনেক ভালোবাসা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।



















মাইনাস