somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক রাষ্ট্রপতির স্ত্রীর বাড়িতে এতটুকু আসবাব কি অস্বাভাবিক?

১৫ ই নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়াকে তার ৪০ বছরের স্মৃতি বিজড়িত বাড়ি থেকে উচ্ছেদের পর রোববার সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সে বাড়ি দেখাতে। যদিও উচ্ছেদের সময় তিনি যখন 'পুলিশ ও র্যা বের সহযোগিতায়' বাড়ি ত্যাগ করছিলেন, তখন সাংবাদিকদের ক্যান্টনমেন্টে প্রবেশাধিকার দেয়া হয়নি। সাংবাদিকরা খালেদা জিয়ার বাড়ি দেখে আসার পর এক এক টিভি চ্যানেল এক এক রকম এবং ভিন্ন ভিন্ন সংবাদপত্র ভিন্ন ভিন্নভাবে বাড়িটির আসবাবপত্রসহ অন্যান্য জিনিসের বিশদ বিবরণ দিয়েছে। ঢাকার একটি পত্রিকার বর্ণনা এখানে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরছি।
Click This Link
এখন আমার প্রশ্ন হলো খালেদা জিয়ার বাড়ির আসবাবপত্রের বর্ণনা যেভাবে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেয়া হয়েছে, তাতে মনে হবে তিনি প্রাসাদোপম বাড়িতে রানীর হালে থাকতেন। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া তো একজন সাধারণ মানুষ ছিলেন না। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দলীয় নেত্রী। তিনি তিনবার দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তিনি একজন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধানের স্ত্রী। বেগম জিয়া ছিলেন একজন মেজর জেনারেলের স্ত্রী। আমি সাংবাদিক ভাইদের কাছে প্রশ্ন করতে চাই, আপনারা আইএসপিআর এর পরিচালক শাহিনুল ইসলাম এবং অপর খুদে কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) ওয়ালিউল্লাহ'র কথা উল্লেখ করেছেন। একবার সাহস করে এই দুই কর্মকর্তাসহ সোনাবাহিনীর পদস্থ কর্মকর্তাদের বলুন না, তাদের বাড়িগুলো আপনাদের দেখাতে। তাহলেই আপনাদের সামনে পরিস্কার হবে খালেদা জিয়া কত সাধারণ জীবনযাপন করতেন। খালেদা জিয়ার বাসভবনে তো সুইমিং পুল পাওয়া যায়নি। সেনা কর্মকর্তাদের বাড়িতে গিয়ে দেখুন তারা এক একজন হীরক রাজা সেজে বসে আছেন।
তবে আমার কাছে সবচেয়ে অবাক লেগেছে, বিএনপি নেতা ও সাবেক সেনাপ্রধান মাহবুবুর রহমানের বক্তব্য শুনে। তিনি 'সব আবসাবপত্র খালেদা জিয়া'র নয় বলে বেগম জিয়ার বাড়ির আসবাবপত্রের ব্যাখ্যা দেয়ার চেষ্টা করেছেন।
Click This Link
আমার মতে এই ব্যাখ্যার কোন প্রয়োজন ছিল না। দেশের জনগণ ভালোভাবেই জানে ক্ষমতা যার হাতে থাকে সে কী কী করতে পারে। সেনাবাহিনীর পক্ষে সরকারের নির্দেশ পালন না করে যে উপায় নেই তা জনগণকে নতুন করে বুঝিয়ে বলতে হবে না।
৩৮টি মন্তব্য ১৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×