কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে নাতনীকে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় নানা দিনমজুর আব্দুস সোবহানকে পিটিয়ে ও গলা টিপে হত্যা করেছে বখাটেরা। ঈদের দিন বুধবার উপজেলায় সদর ইউনিয়নের নলেয়া গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত দিনমজুর আব্দুস সোবহানের বাড়িতে এখন চলছে শোকের মাতম। ময়না তদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার রাতে তার লাশ স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে নিম্ন মাধ্যমিক কিশলয় বিদ্যা নিকেতনের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ মৌন মিছিল করে আসামিদের গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। প্রসঙ্গত ইভটিজিং-এর শিকার নাতনী এই বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী।
Click This Link
:সমাজ থেকে ইভটিজিং এর মত দুরারোগ্য ব্যাধি নির্মূলের জন্য করণীয় কি- তা নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে এবং হচ্ছে। আসলে আমরা যদি একে ব্যাধি বলে স্বীকার করি, তবে সেই ব্যাধির কারণ সবার আগে সনাক্ত করতে হবে। ডাক্তার যত ভালোই হোক তিনি যদি রোগ সনাক্ত না করে একের পর এক দামী ওষুধ ও ভিটামিন রোগিকে গিলিয়ে যান, কোন কাজ হবে না। আগে রোগ ধরতে হবে।
বর্তমান যুগটা মিডিয়ার যুগ। রেডিও, টেলিভিশন, পত্রপত্রিকা ও সিনেমার কোন একটা ছাড়া আমাদের এক মুহুর্ত চলে না। এসব মিডিয়া সারাক্ষণ আমাদের কী শিক্ষা দেয়? একটি সিঙ্গেল সিনেমা আমাকে দেখান যেখানে ইভটিজিং নেই, ধর্ষণ নেই, খলনায়ক কর্তৃক নানাভাবে নারী নির্যাতন নেই? চলচ্চিত্র পরিচালকরা এ ধরনের দৃশ্য তাদের সিনেমায় সংযোজন করেন কাটতি বাড়ানোর জন্য। তাদের পকেট ভর্তির ফল আজকের ইভটিজিং। তরুণ সমাজকে সিনেমা ও ব্যাঙের ছাতার মত গজিয়ে ওঠা টিভি চ্যানেলগুলোর নাটক ও টেলিফিল্ম যেভাবে বিপথগামী করছে, সবার আগে তা প্রতিহত করতে হবে। নারীর প্রতি আকর্ষণ বা যৌন প্রবৃত্তিকে উস্কে দিয়ে আপনি যত আইনই করুন বা পুলিশ পাহাড়া রাখুন, তাতে কাজ হবে না। আগে উস্কানি বন্ধ করুন, তরুণ সমাজকে বিপথগামী করার পরিবর্তে তাদেরকে সুপথে ফিরিয়ে আনার জন্য সিনেমা ও নাটক তৈরি করুন। ধর্মীয় মূল্যবোধে ফিরে আসার আহবান জানান, ধর্মবিরোধিতার (সেক্যুলারিজম) দিকে নয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


