কাজেই দেখা যাচ্ছে, অধিনায়ক হিসেবে দলের জয় এনে দেয়াই সবচেয়ে বড় কাজ। এটিই অধিনায়কের সাফল্য বা ব্যর্থতার মাপকাঠি। আপনি যদি ডাবল সেঞ্চুরিও হাকান এবং ৫টি উইকেটও দখল করেন, কিন্তু সেই ম্যাচে যদি দল হেরে যায়, তবে ক্যাপ্টেন হিসেবে আপনি ব্যর্থ।
ভারতের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে আপনি সেই ব্যর্থতারই পরিচয় দিয়েছেন। দেশের ১৫ কোটি দর্শক যখন প্রবলভাবে চাইছিল আপনি টসে জিতবেন, তখন আপনি টসে জিতলেনও। কিন্তু ভাগ্যবিধাতার সেই দান আপনি পায়ে ঠেলে বিশ্বের সেরা ব্যাটিং লাইনআপকে ব্যাট করতে পাঠালেন...। তারপর যা হবার তাই হলো।
এখনো সাবধান হোন। আয়ারল্যান্ডের কাছে বাংলাদেশ ২০০৭ এর বিশ্বকাপে হেরেছিল। এই দলের কয়েকজন খেলোয়াড় কাউন্টিতে খেলেন। সেখানে আপনি ছাড়া বাংলাদেশের আর কোন খেলোয়াড়ের খেলার যোগ্যতা হয়নি। অন্যদিকে স্বল্প পরিচিত নেদারল্যান্ডকে হারাতে ইংল্যান্ডকে যেভাবে ঘাম ঝরাতে হয়েছে, তাতে ওই দলটির বিরুদ্ধে জয়লাভও সহজ হবে না। অথচ ভারতের কাছে হারের পর এখন আপনার দলকে আয়ারল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডের পাশাপাশি আরে একটি দলকে ( অন্তত ওয়েস্ট ইন্ডিজকে) হারাতে হবে কোয়ার্টার ফাইনালে যেতে হলে। আপনার কাছে দেশের প্রত্যাশা এখন ৫ উইকেট কিংবা সেঞ্চুরি বা হাফ সেঞ্চুরি নয়, সার্বিক কৌশল অবলম্বন করে দলকে জেতানো।
তাতে আমরা আপনার সাফল্য কামনা করছি। কৌশল নির্ধারণে আর কোন ভুল আমরা শাকিবের কাছে দেখতে চাই না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


