somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নিমচন্দ্রের কেলেঙ্কারি: এই নিমচন্দ্রকে নিয়োগ দেয়ার জন্য কেন এই সরকারকে ইমপিচ করা হবে না?

২৯ শে অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৫:৫৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

নেপালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নিমচন্দ্র ভৌমিকের জন্ম দেওয়া বিভিন্ন কেলেঙ্কারির তদন্তে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত দলকে দায়িত্ব দিয়েছে সরকার।
কে এই নিমচন্দ্র?

নিমচন্দ্রদের দেহ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশে। আত্মা ভারতে। তাই তিনি নেপালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসাবে নিয়োগ পেলেও গাড়িতে ওড়াতেন ভারতীয় পতাকা। নারীলিপ্সু নিমচন্দ্র মনীষা কৈরালাকে একান্তে পাওয়ার জন্য তার বাড়ির গেটে একাধিকবার ধর্ণা দিয়েছেন। উত্তেজনার চোটে তার বাড়ির গেট ধরে ধাক্কাধাক্কি করেছেন। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ দিতে ঘুষ নিয়েছেন।

Click This Link

এত সব জঘন্য অপরাধের পরও নিমচন্দ্রকে প্রত্যাহার করা হয়নি। এমনকি নেপালের পররাষ্ট্র দপ্তর অনানুষ্ঠানিকভাবে নিমচন্দ্রকে সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানানোর পাঁচ মাস পরেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি আওয়ামী লীগ সরকার।তার বিরুদ্ধে আনীত এসব অপরাধ 'যথাযথ' কিনা- তা তদন্ত করতে সরকার তদন্তকারী দল পাঠিয়েছে কাঠমান্ডুতে।

অনেকে মনে করেন, এই নিমচন্দ্ররা কীভাবে প্রশাসনের এত উচ্চ পদে কীভাবে নিয়োগ পেল, তার তদন্ত হবে ঢাকায় সরকার পরিবর্তিত হওয়ার পর। এই সরকারের আমলে এর সঠিক তদন্ত হবে না। বিএনপি সরকার এসেই এর তদন্ত করতে পারবে। তারা এর কারণ হিসেবে আক্ষেপ করে বলেন, নিমচন্দ্র তো তার গাড়িতে একটি ভারতীয় পতাকা উড়িয়েছেন। কিন্তু এই সরকারের যে তদন্ত দল গেছে, দেখা যাবে, তারা অসংখ্য ভারতীয় পতাকা নিয়ে গেছেন।

নিমচন্দ্ররা ভারতের পতাকা উড়াবেই। এটা বাংলাদেশের ১৫ কোটি মানুষ জানে। নিমচন্দ্ররা চায় বাংলাদেশ আর বাংলাদেশ না থাকুক। পূর্ববঙ্গ নামক একটি রাজ্য হয়ে যাক। এবং তারা হয়তো মনেপ্রাণে ভাবে যে, এটি আর বাংলাদেশ নেই, পূর্ববঙ্গ হয়ে গেছে। তা না হলে এতবড় ধৃষ্ঠতা তারা কীভাবে দেখায়?

আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও এটি বাংলাদেশ। ভারত এখনো হয়নি।

তবে মূল অপরাধ করেছে, বর্তমান সরকার নিমচন্দ্রদের প্রশাসনের উচ্চ পদে বসিয়ে। এক নিমচন্দ্রের অপরাধ ধামাচাপা দেয়ার মতো ছিল না বলে চাপা থাকেনি। এই নিমচন্দ্ররা বাংলাদেশের আর কী কী ক্ষতি করেছে বা করছে- তা জাতি জানতে চায়। এবং তাদের সে জিজ্ঞাসার উত্তর পাওয়া যাবে ভারতবান্ধব সরকার ক্ষমতাচ্যূত হওয়ার পর।

সেদিনের অপেক্ষায় রইলাম।


৩টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ক্লাস ফাকি দিয়ে তারা আড্ডা মারছে। এই দিকে পিতা মাতা হয়তো মনে করবে যে আমার মেয়ে ক্লাস করতে গিয়েছে।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:২৫



ক্লাস ফাকি দিয়ে তারা আড্ডা মারছে। এই দিকে পিতা মাতা হয়তো মনে করবে যে আমার মেয়ে ক্লাস করতে গিয়েছে। এই স্থানটি খুবই নিরিবিলি। দেশের আইন-শৃঙ্খলার অবস্থা খুবই খারাপ। এমন ফাকা... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলা সাহিত্যে জায়গা পাচ্ছেন ওসমান হাদী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:১৭


সংবাদপত্র যা বলছে
জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ জুন ২০২৬ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই পরিমার্জন-সংক্রান্ত কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

×