এরপর ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগ ওই কথিত নির্যাতনের জন্য চারদলীয় জোটের নেতাদের বিচার করার উদ্যোগ নিয়েছে। অর্থাৎ, দেখা যাচ্ছে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকুক বা ক্ষমতার বাইরে থাকুক, বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটকে ঘায়েল করার কাজে যে কোন ইস্যূকে ব্যবহার করতে দলটি সিদ্ধহস্ত।
কিন্তু কথিত সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগে মায়াকান্না করা হচ্ছে যাদের জন্য,তারাই কিন্তু ওই নির্যাতনের কথাটি বিশ্বাস করেন না। সংখ্যালঘুরা অবাক হয় ওই অভিযোগ শুনে।বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের অন্যতম নেতা হিসেবে পরিচিত সম্পাদক শ্যামল দত্ত বলেছেন :
আমি এটাকে সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরুর বিষয় বলে মনে করি না। এর ফলে একটি বিদ্বেষ তৈরী হতে পারে। আসলে সে সময় একটি রাজনৈতিক পক্ষ অন্য একটি রাজনৈতিক পক্ষের সংগে হানাহানিতে লিপ্ত হয়েছিল। বিষয়টি ছিল রাজনৈতিক। প্রকৃতপক্ষে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হয়েছিল বলে আমি মনে করি না।
অডিওসহ তার সাক্ষাতকারটি বিস্তারিত দেখুন
এদিকে বাংলাদেশের বিশিষ্ট সাংবাদিক শফিক রেহমান ২০০১ সালের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে বলেছেন :
এটি আসলে অপপ্রচার, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত । যথার্থই বাংলাদেশের ইতিহাসে এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি । .... তারা এখন অনেকগুলো মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ করছে এবং তাদের এখন ক্ষমতায় টিকে থাকার প্রশ্ন সামনে এসেছে । সেজন্যে তারা এ ধরনের বিষয় সামনে এনে অপপ্রাচার চালাচ্ছে।
শফিক রেহমানের পূর্ণাঙ্গ সাক্ষাতকার
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


