মুসলমানরা দাবী করে ইসলাম পরিপূর্ন জীবন বিধান। কিন্তু বাস্তবে কি তাই? বাস্তবে দেখছি, মুসলমানদের দৈনিক ব্যাবহার্য্যের প্রায় শত ভাগ কাফেরদের সেবা, শিক্ষা, জ্ঞান, শ্রম ও মেধার উপর নির্ভরশীল। যেমন মুসলমানদের নিত্য ব্যাবহার্য্য প্রযুক্তি, গাড়ি, বিমান, পেট্রল উৎপাদন, স্বাস্থ্য সেবার জন্য ব্যাবহৃত যন্ত্রপাতি, পরিশুদ্ধ পানিয় জল, খাদ্য উৎপাদনে প্রযুক্তি, জীবন রক্ষার সব ঔষধপত্র, রাসায়নিক তন্তু, টেলিভিশন, রেডিও, ইন্টারনেট, কম্পিউটার কোন কিছুই ইসলামি শিক্ষা দ্বারা অর্জন করা সম্ভব হয় নাই।
এসবই ইউরোপ, আমেরিকা, ভারত, চীনা কাফেরদের তৈরী। এজন্য নিশ্চই ঐ সব কাফেররা বেহেস্ত দাবী করতে পারেন। ঠিক কিনা?
এমনকি আইন কানুন ও রাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে জার্মান, সুইজারল্যন্ড, নরওয়ে, চীন, জাপান, তাইওয়ানের অনুসরনকৃত নীতি ও আদর্শ, জনপ্রশাসন, আইনশৃংখলা, সামাজিক ও মানবাধিকার রক্ষায় সৌদি, আফগানিস্তান, ইরান, পাকিস্তানের ইসলামি নীতি আদর্শের থেকে খারাপ বলা যাবে না।
পশ্চিমা, চীনা, জাপানি ও ভারতীয়দের শিক্ষা ও জ্ঞানের সফলতার কারনে গোটা আরব ও মুসলমানরা আজ তাঁদের চাকরে পরিনত হয়েছে।
তা হলে কিভাবে বুঝব ইসলাম পরিপূর্ন জীবন বিধান যা মানুষকে এহ কাল ও পরকালে মুক্তি এনে দেবে?
গত ১৪০০ বছরে যা মানুষের জন্য কোন মুক্তি এনে দিতে পারে নাই তা আগামি ৩০০০ বছরে মানুষকে এনে দিতে পারবে - এমন ভাবা গাজাখোরি কল্পনা!
সোনার পাথর বাটি হয়?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


