এমন কি স্বাধীনতার পরবর্তী কালে দালাল আইনে যে ৩৩ হাজার কেইস হয় , তখন ও সাকা চৌধুরীর বিরুদ্ধে কেউ কোন অভিযোগ দেয় নি। বরং বংগবন্ধুর পরিবারের অপত্য স্নেহ পেয়েছিলেন তিনি। তার যাতায়ত ছিল ৩২ নম্বরের সরাসরি রান্না ঘরে। তিনি ছিলেন শেখ পরিবারের একজন সদস্যের মত।
কিন্তু কোন কথাবার্তা ছাড়াই সাম্প্রতিক কালে তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ তোলা হচ্ছে। উদ্দেশ্য তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ধংস করা। বিশেষ করে ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে তার যে অবস্থান তা ভন্ডুল করার জন্য ই র এর এদেশীয় এজেন্টরা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।
এর জবাব দেবার জন্যই সাকা চৌধুরী সাম্প্রতিক কালে মুখ খুলেছেন। তিনি বলেন, তিনি যুদ্ধাপরাধী কিনা তার বিচার চট্টগ্রাম বাসীই করেছে। প্রত্যেকটি নির্বাচনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হওয়াই প্রমান করে তিনি নিরপরাধ।
শুধু তাই নয়, তিনি প্রধান মন্ত্রী হাসিনা কে চট্টগ্রামের যেকোন একটি আসনে নির্বাচনে তার সাথে কন্টেস্ট করার জন্য চ্যালেন্জ ছুড়ে দেন।
কিন্তু হাসিনা নিরব ? তিনি কি সাকা চৌধুরীর জনপ্রিয়তাকে ভয় পেয়ে গেলেন ?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

