যুদ্ধাপরাধ গবেষক শাহরিয়ার কবির ও ডা: হাসান সহ যারাই আছেন, তারা সবাই বলেছেন, নিজামী পুরো ৭১ পাবনার সাথিয়ায় অবস্থান করে পাকিস্থান বাহিনীকে সহযোগিতা করেছেন। তাদের গবেষনায় আরো প্রকাশ পায়, কামারুজজামান শেরপুরে ঘাটি গেড়ে পাকিস্থানী সেনাদের সহযোগিতা করেছেন। মুজাহিদ, ফকিরাপুলে ঘাটি গেড়েছিলেন। এব্যাপারে মুক্তিযুদ্ধের গবেষকদে বই পত্র ঘাটলেই পাওয়া যাবে।
এখন দেখা যাক, কোন মামলায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ২ বছর আগে মইন-ফখরু নিজেদের অবৈধ সরকারকে জায়েজ করার জন্য যুদ্ধাপরাধ ইস্যু তুলে এনে জনগনের চোখকে অন্য দিকে সরিয়ে নিতে চায়। সেজন্য তারা কয়েকজন ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা নামধারী ব্যক্তিকে দিয়ে মীরপুর, কেরানীগন্জ ও মুন্সীগন্জে তিনটি কেইস দায়ের করায়। এই কেইস গুলি এতই ভুয়া যে, পুলিশ দুই বছর ধরে আতিপাতি করে খুজে আসামীদের সংশ্লীস্টতা খুজে না পাওয়ায়, কেইস গুলি স্থবির হয়ে যায়।
কিন্তু এখন তথাকথিত ট্রাইবুনালে নাকি এই কেইস গুলির বিচার করা হবে। সেখান আজ আবার গ্রেপ্তারী পরোয়ানা ও জারী করা হয়েছে। অথচ এই ট্রাইবুনালের একটি তদন্ত দল রয়েছে, তারা গত কয়েক মাস তদন্ত করে নিজামীদের বিরুদ্ধে কোথাও কোন যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ পায়নি।
তাহলে বুঝা যাচ্ছে , ট্রাইবুনালের পুরো ব্যাপারটি জামাতকে দমন করার জন্য আওয়ামীলীগের একটি সাজানো উদ্যোগ। কিন্তু এভাবে আগুন নিয়ে খেলার পরিনতি কি শুভ হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

