কোন কালে একা জয়ী হয়নি ক, জয়ী পুরুষের তরবারী
প্রেরণা দিয়াছে, শক্তি দিয়াছে বিজয়া লক্ষী নারী
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত ‘নারী’ কবিতায় নারীকে যেভাবে মূল্যায়ন এবং রোমান্টিকতার আদলে গড়া হয়েছে তা হয়ত অন্য কোন কবিতায় এমনটি হয়েছে কিনা আমার জানা নাই।
অতীতে নারীরা ছিল লোকচুর অন্তরালে। যেখানে তাদের নিজের ছায়া ছাড়া অন্য কেউ দেখতে পেত না। একেবারে যাদেরকে জাদুঘরে পাঠিয়ে দিয়েছিল তৎকালীন পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা। কিন্তু বেগম রোকেয়া, ফয়জুন্নেসা, সুফিয়া কামালের মত মহীয়সী নারীদের অকান্ত পরিশ্রমের কারণেই নারীরা আজ প্রায় সকল ক্ষেত্রেই জায়গা করে নিয়েছে। অবস্থান করতে সক্ষম হয়েছেন অসম্ভবপর সকল জায়গায়।
আমরা অনেকেই নারীদের পিছিয়ে থাকার পেছেনে পুরুষতান্ত্রিক মনোভাবের কথা বলে থাকি। আমি এটাকে ৯৯% সঠিক বলে মনে করে থাকি।
প্রচলিত ধ্যাণ ধারণা ও পুরুষতান্ত্রিক চিন্তা চেতনার কারণেই আজকাল যেকোন শ্রেণীর বাংলা ২য় পত্রের বই খুললেই নারী’র সমার্থক শব্দ হিসেবে পাওয়া যায় ‘অবলা’ ওয়ার্ডটি। কিন্তু আমার প্রশ্ন - নারীকে অবলা বলে কি তাকে হেয়/ছোট করে রাখা হচ্ছে না। এর জন্য দায়ী কে? নারীরা আজ কোনদিক দিয়ে পিছিয়ে?......................?
আমি জানতে চাই ওইসব বই লেখকদের কাছে।
পাশাপাশি আমি এও আশা করব আগামী ইডিশনে যেন সকল শ্রেণীর বাংলা ২য় পত্রের বইয়ে নারী শব্দটির সমার্থক শব্দ হিসেবে ‘অবলা’ ওয়ার্ডটি মুছে ফেলে দেয়া হয়।
বি.দ্র. : আমি কোন নারীবাদী নই। ভূলটা ধরিয়ে দিলাম মাত্র।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


