এ মতবাদ কে কিভাবে গ্রহন করবেন- জানিনা কারন বিষয়টা একটু ব্যতিক্রম বোধকরি, সুদীঘ কালের প্রচলিত ধ্যান-ধারনার খোলস থেকে বেরিয়ে আসা সহজ নয় বৈ কি!
বিষয়টা হচ্ছে “নাম” বা বিশেষণ‘ যাই বলা হোক না কেন, কারো এ মুহুর্তে হয়তো ঐ গানের পংক্তি মনে আসতে পারে
“নামের বড়াই করো না কেউ নাম দিয়ে কি হয়- নামের মাঝে পাবেনা কো সবার পরিচয়”……………..!
যদি তাই সত্য হয় তবে কেন আমরা নিজের নামের বিকৃতি পছন্দ করিনা?
সুতারাং অবশ্যই নামের একটা বিশেষত্ব-গুঢ় অর্থ-গুরুত্ব সর্বপরি মনস্তাত্ত্বিক ব্যাপার বিদ্যমান আর যদি এর মাধ্যমে কোন বিশেষ, বিশেষণ প্রকাশ পায় তবে এর গুরুত্ত্ব বলাই বাহুল্য।!
যেমন “সৎ মা” সবাই কিন্তু খারাপ নয় আর যদি তাকে “ অসৎ মা ‘ বলা হতো-তবে সে কখনো চাইলে ও ভালো হতে পারতো কিনা সন্দেহ আছে।!
কোন ব্যক্তিকে যদি নেতিবাচক নামে ডাকা হয় তবে সে ভালো হলে ও ওটা তার স্বভাবে বিরুপ প্রভাব ফেলবে বিপরীতে
মন্দকে ও হয়তো ভালো , অন্তত মানুষিক ভাবে প্রভাবিত করা সম্ভব।!
বাস্তবিক অর্থে একজন “শুভাকাংখঙী‘ তার বন্ধুর বা সহকর্মীর ভালো কাজের সহযোগীতা ও মন্দকাজে নিরুৎসাহিত করবে-প্রয়জনে বাধা দেবে, এটাই কাম্য।
যেহেতু দেশের স্বার্থে রাজনীতি , যে দল’ই সরকার গঠন করুক অপরাপর দলগুলো সরকারের ভালো কাজের মূল্যায়ন সর্বপরি সহযোগীতা ও ভুল সিদ্ধান্তে -মন্দকাজে নিরুৎসাহিত, প্রয়জনে বিরোধীতা- ফলে দেশের স্বার্থ সংরক্ষিত হয়।
তাই আমার বক্তব্য হলো ঃ- তবে কেন সরকারী দল ছাড়া অপরাপর দলগুলোকে “বিরোধী দল ‘ নামে আখ্যায়িত বা ডাকা হয়???!!!
বিরোধী’র স্বাভাবিক অর্থ’ই তো বিরোধীতা’! নামেই যদি বিরোধীতা প্রকাশ পায় তবে এর থেকে ব্যতিক্রম আশা করাটা অমূলক নয় কি?
প্রশ্ন উঠতে পারে বিশ্বের সকল দেশেই যেখানে “ বিরোধী দল” প্রচলিত সেখানে আমরা আবার কে হে!!!!!!!!
(৩+২)=৫, যদি ১০০ জনে বলে (৪) তা ভুল’ই , কেউ পারেনি বলে যে আমরা পারবোনা এটা যুক্তি হতে পারেনা, তাছাড়া এটা কোন “ পারমানবিক” বিষয় নয় যে আমরা শুরু করতে পারবোনা বরং এর যথেষ্ট পজেটিভ দিক রয়েছে এবং এটা আমাদের দেশের জন্য বেশী জরুরী।
তাই আমরা কি শুরু করতে পারিনা, সরকারের বাইরের দল গুলোকে বিরোধী দল না বলে দেশের সহযোগী বা দেশের হিতাকাঙক্ষী-শুভাকাঙক্ষী দল বা এরুপ ভালো ইতিবাচক নামে ডাকতে???
বিজ্ঞজন’রা ভেবে দেখবেন কি………………………………………….???

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



