এর আগে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম যেখানে বিয়ে নিয়ে আমার কিছু চিন্তা ভাবনা প্রকাশ পেয়েছিলো । আরো কিছুদিন চিন্তা করার পরে যা কিছু পেলাম তা এবার উল্লেখ করছি ।
১। মেয়ে দেখা : ছেলেরা ঘটা করে মেয়ে দেখতে যায় কিন্তু মেয়ে পক্ষ ঘটা করে ছেলে দেখতে আসে না । যদিও ইদানিং অনেক পরিবার ঘটা করে মেয়ে দেখালেও মেয়ের চূড়ান্ত সম্মতি ছাড়া বিয়ের আলোচনায় আগায় না যেটা একটা ভাল লক্ষণ ।
২। মেয়ে দেখতে যেয়ে পুরুষ এবং তার আত্মীয় রা মেয়ের শরীরের কিছু বিশেষ অংশের দিকে দৃষ্টিপাত করে । স্বয়ং পুরুষ তো করেই করে তার সাথে মেয়ে দেখতে যাওয়া নারী সদস্যরাও এই কাজে বিশেষ ভুমিকা রাখে । কিন্তু বিয়ে ফেস করতে যাওয়া মেয়েদের এই সুযোগ নেই ।
৩। অল্প বেতনের পুরুষ বিয়ে করার তাড়না লাভ করলে বিয়ে করার সময় কর্মজীবী মেয়ে খোঁজে যদিও এমনিতে তাদের অনেকেই মেয়েদের বাইরে কাজ করতে দেওয়ার ব্যপারে যথেষ্ট রক্ষণশীল থাকে জীবনের পুর্ব মুহূর্তে কিন্তু বিয়ের সময় তারা প্রয়োজনের তাগিদে ছাড় দেয় । তাহলে বিষয়টা কি দাঁড়াচ্ছে? বিয়ে টা আর্থিক, সামাজিক বিষয় নয় । বরং আর্থিক বিষয় ।
৪। স্ত্রী যদি তার আয় থেকে তার বাবার বাড়িতে কন্ট্রিবিউট করতে চায় তাহলে স্বামীগণ বা শ্বশুর বাড়ির লোকজন তাতে তীব্র আপত্তি জানায় । কিন্তু পুরুষ তার আয় থেকে ভাই বোন চৌদ্দ গুষ্টি মানুষ করলে তাতে কিছু আসে যায় না আর তা করতে যদি স্ত্রীর আয়ের টাকায় হাত দিতে হয় তাও জায়েজ । কেনো?
৫। অধিকাংশ দুর্নীতিবাজ পুরুষের দুর্নীতির মূল উৎসাহ দাতা তার স্ত্রী ।
৬। আমাদের সমাজের মধ্যবিত্ত অভিভাবক রা তাদের ছেলেদের বিয়ে দেওয়ার সময় পর্দানশীল মেয়ে খুঁজে । কিন্তু নিজেদের মেয়ে বিয়ে দেওয়ার সময় হুজুর পাত্র এভয়েড করে তবে ছেলে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজি হতে হবে এই থাকে মূল শর্ত ।
৭। বিয়ের পরে অধিকাংশ নারী হয় তার স্বামীর প্রভাবে বা স্বামীর কাছে বেশি ক্লীন থাকার জন্য নিজে থেকেই পর্দা করা শুরু করে ।
৮। স্বামী স্ত্রীর সংসারে যদি তৃতীয় পক্ষ এসে হাজির হয় যেমন ননদ,দেবর, শালা, শালী তাহলে স্বামী স্ত্রীর দুই পরিবারেই হায় হায় রব ওঠে ।
আপাতত এই টুকুই । আরো কিছু মাথায় আসলে জানাবো । ভালো থাকবেন সবাই ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

