কথাটা বলেছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
২০০১ সালে জিমি কার্টার বাংলাদেশে এসে ভারতকে গ্যাস দেবার
অনুরোধ করেন। শেখ হাসিনা তা দিতে অস্বীকার করেন।
রাজী হয়ে যান খালেদা জিয়া।
এর পরই খালেদা-নিজামী নির্বাচনে জিতেন।
শেখ হাসিনা তার ভাষনে বলেছেন কথাগুলো ।
রিপোর্ট - ভোরের কাগজ ২৫ জুন ২০০৯
শেখ হাসিনা তার বক্তৃতায় বলেন, ষড়যন্ত্র অতীতেও হয়েছে এখনো চলছে। বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা ঘটিয়ে সরকারকে হঠানোর চেষ্টা হয়েছিল। সেটা ব্যর্থ হওয়ার পর বিরোধী দল খালেদা জিয়ার বাড়ির বাতিল ইস্যু নিয়ে আন্দোলনে নামে। সেটার অবসান হতে না হতে সংসদে আসন বণ্টনকে ইস্যু বানিয়ে সংসদে আসছে না। আর এখন টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে গরম গরম কথা বলছে। তারা সমস্যার সমাধান করে না বরং সমস্যা জিইয়ে রেখে খেলতে চায়। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপি অধিকাংশ সময় ক্ষমতায় থাকার পরও গঙ্গা চুক্তি অনুযায়ী পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় করতে পারেনি। ক্ষমতায় থাকতে টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে কোনো কথা বলেনি বা উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। আর এখন টিপাইমুখ ইস্যুতে গরম গরম কথা বলছে। আওয়ামী লীগই গঙ্গার পানি সমস্যার সমাধান করেছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, টিপাইমুখ সমস্যার সমাধানও তার দলই করবে। কারণ, আওয়ামী লীগ দেশের স্বার্থ নিয়েই এবং দেশের স্বার্থ রক্ষা করেই কাজ করে। অপরদিকে যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে না, স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না, যাদের হাতে হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধা, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী, সেনা কর্মকর্তা মারা গেছে, যারা লুটপাট করে টাকা-পয়সা-সম্পদ কুক্ষিগত করে বিদেশে পাচার করেছে তারা জনগণের সমস্যার সমাধান করবে কী? তাদের দ্বারা জনগণের কোনো কল্যাণ হবে না। ২০০১ সালের নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার এদেশে এসে দুদলের সঙ্গে বৈঠকে গ্যাসের প্রসঙ্গ তুলেছিলেন উল্লেখ করে বঙ্গবন্ধু কন্যা জানান, তিনি সে সময় স্পষ্ট বলেছিলেন যে, গ্যাস জনগণের সম্পদ, তা বিক্রি করতে পারবেন না। তবে যদি জনগণের চাহিদা মিটিয়ে অতিরিক্ত থাকে তাহলে ইতিবাচক চিন্তা করবেন। অপরদিকে খালেদা জিয়া বলেছিলেন, গ্যাস মাটির নিচে রেখে লাভ কী, বেঁচে দিলে অনেক টাকা পাওয়া যাবে। ভারতকে গ্যাস দেয়ার শপথ করেই সেবার বিএনপি ক্ষমতায় আসে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এই হলো খালেদা র ভারত প্রেমের নমুনা । তার মুখে কি ভারত বিরোধী
বড় বড় বুলি সাজে ??

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

