আমার প্রিয় পোস্ট
- ইসরাইলের গর্বিত এক বাংলাদেশী বন্ধুকে দেখুন,চিনুন,জানুন। - চিলে কোঠার সেপাই
- টেকনিক্যাল কেতা পোস্ট- মোবাইলে বাংলা ফন্ট (নোকিয়া-সিম্বিয়ান)
- চোরকাঁটা
- ব্লগানাস্তিক ও ব্লগাসেক্যুলারদের চিনে নিন - আওরঙ্গজেব
- চট্টগ্রামের ব্লগার লিস্ট - আপনি বাদ পড়েছেন নাকি ? - চন্দন
- কয়েক মিনিটে উইন্ডোজ ইনষ্টল করুন - এস. এম. মেহেদী আকরাম
- আওয়ামী লীগ নেতাদের মতে খালেদা জিয়ার সাথে শেখ হাসিনার তুলনা হয় না কারণ - - জানপরী
- অর্ন্তজালের বাংলা ওয়েব সাইটগুলোর একটা তালিকা তৈরী করলাম। - একজন ব্লগার
- চ্যাট করুন ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই - তারকে
- ব্লগে সরাসরি এনিমেটেড জিআইএফ টেক্সট ব্যবহার (টাইনিলোডার থেকে) - ব্রাইট
- প্রয়োজনীয় ১০০+ Run Command - লুলুপাগলা
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ের অসাধারন কিছু ছবি - সু-শান্ত
- আওয়ামী লীগ, তাদের আদর্শ ও অন্যান্য - বিবিধ
- ছবিতে কম্পোজিশনের গুরুত্ব : একটি উদাহরণ ও কয়েকটি টিপস - হাসান বিপুল
- ফ্রি এবং খুবি সহজ পদ্ধতি তে সাইট তৈরি করুন....... - গিফার
- উপমহাদেশে ইংরেজ-রাজের নির্বিঘ্নে রাজত্ব চালাতে একজন গোলাম কাদীয়ানির প্রয়োজন ছিলো ... - বিবেক সত্যি
- অন্তর্জালে আমি কাদের কাদের পুন মার্তে চাই? - পাগলা গারদের ওয়ার্ডেন
- ব্যবহার করুন এনিমেটেড স্মাইলি (COOL) - ব্রাইট
- শিকারী.... (ছোটদের পড়া মানা) - চন্দন
- সহজ নেটওয়ার্কিং ও ইন্টারনেট শেয়ারিং - ত্রিভুজ
- ২৫ জুন দেশের প্রথম ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গ্যাটওয়ে চালু হচ্ছে - চন্দন
- এই হল আওয়ামী ছাত্রলীগের চরিত্র!!! - আওরঙ্গজেব
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- সুশীল সমাজের সাজানো বাগানের ভেতর দিয়ে চলা লাইনচ্যুত ট্রেন - মাহবুব মোর্শেদ
- মুজিবের শাসনামলে দুর্নীতি, অ্যান্থনী মাসকারেনহাসের বর্ণনায় - সুধী
- দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া -- ব্লগে বসে বিশ্বভ্রমণ - রাগিব
- জামাতী পেইড ব্লগার চেনার উপায় কি? - সু-শান্ত
- ইয়াহু লগ ইন (মাল্টি ইউসার) - ইয়।সিন কবির
- গ্রানাডা ট্র্যাজেডি নিয়ে একটি অসাধারণ লেখা - আর খান
- বায়তুল মোকাররমের বিক্ষোভ নিয়ে ফরহাদ মজহারের কলাম - আহসান মোহাম্মদ ক
- বেড়ালটাকে আপনারা অযথাই থলেতে পুরে রেখেছেন। থলের ভেতরটা নিশ্চয় খুব বোরিং... - ত্রিভুজ
- ওয়েব রিভিউ: সহজে ইউটিউব ভিডিও খুঁজে বের করা ও ডাউনলোড করার জন্য..... - ত্রিভুজ
- যে কারনে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ব্যর্থ হলাম (মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও নির্যাতিত সকল সূর্য-সন্তানদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা সহ) - মিরাজ
- পবিত্র আশুরা পালিত হলো (লেখাটা দয়া করে পরুন) - রাজপথ_থেকে_বলছি
- নবীজি সা: এর বহুবিবাহের কারন - মাহিরাহি
- ফাঁসি দেয়ার সঠিক পদ্ধতি
- ইকরাম
- বড়লোকদের সহজে বিশ্বাস করবেন না, যতই তাদের ব্যবহার ভালো হোক না কেন। (জোক) - চন্দন
- হান্নান শাহসহ খালেদা পন্থী অনেকে গ্রেফতার, অনেকে গ্রেফতার আতংকে আছেন। কিন্তু সরকারের লাভ কি? - মিসকল
- ছবিটার মানুষটারে চেনা চেনা লাগে - বহুরুপি
- চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র, নিখোজ, গুম, হত্যা আর পরিবারকে নি:শেষ করে দেয়ার হুমকীর উপর চলছে বাংলাদেশ!!! এটাই কি ছিল তথাকথিত ১/১১ এর তথাকথিত জাতীয় সত লোকের শাসন কায়েমের তথাকথিত প্রত্যাশা!! - এহহামিদা
- মুসলমানরা সাবধান !! জামাতের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবী যেন ইসলামী রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবীতে পরিনত না হয় - বিবেক সত্যি
নষ্ট দর্শন (৪খন্ড একত্রে)
০৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ১০:০৩
হিন্দুশাস্ত্রে নারীর অবস্থান।
![]()
হিন্দু শাস্ত্রমতে স্ত্রীলোক অত্যান্ত ঘৃন্য জীব। মনু সংহিতার ৯ম অধ্যায় ১৪নং শ্লোকে বলা হয়েছে "স্ত্রীরা পুরুষের সৌন্দর্য বিচার করে না, যুবা কি বৃদ্ধ তাও দেখে না । সুরুপ হোক বা কুরুপ হোক পুরুষ পেলই তার সাখে সম্ভোগের জন্য লালায়িত হয়।"
আবার স্কন্ধ পুরানের নাগর খন্ডে ৬০ নং শ্লোকে বলা হয়েছে " নারী জাতির অধরে পিযুষ এবং হৃদয়ে হলাহল পুর্ণ। সুতরাং তাদের অধর আস্বাদন করা এবং হৃদয় পীড়ন করা কর্তব্য।"
উক্ত ধর্মীয় কিধানের কারনেই কুমারী হিন্দু মেয়েদের মন্দিরে সেবাদাসী বা দেবদাসী হিসাবে নিযুক্ত করা হয়ে থাকে এবং তারা শেষ পযর্ন্ত সেবায়েত, মোহন্ত , পুরোহিতদের লালসার বস্তুতে পরিনত হয়। সতীদাহ প্রথা অনুযায়ী বিধবা স্ত্রীকে স্বামীর চিতায় তোলা হয়, তখন তার মর্মন্তুদ আর্তচিৎকার যাতে বাইরে শোনা না যায়, তজ্জন্য জোরে জোরে বাদ্য বাজানো হতো। ঠিক তেমনি মন্দিরে কুমারী সেবাদাসীদের উপর সেবায়েৎরা বলৎকার করার সময় মেয়েটির আর্তনাদ বাইরে শোনা না যায় তার জন্য মন্দিরে জোরে জোরে কাসর ঘন্টা বাজানো হতো। এখনও ভারতের কোন কোন অঞ্চলে এ সেবাদাসী বা দেবদাসী প্রথা প্রচলিত আছে এবং মন্দিরে কাসর ঘন্টা বাজানো পুজার অপরিহায্য অঙ্গ।
বৈদিক সংস্কৃতিতে ঐ ধরনের যৌন নিষ্টুরতার এবং অশ্লীলতার বহু ইতিহাস রয়েছে। পাঠক চাইলে সবগুলো পোস্ট করা হবে
শিবপুজা
![]()
শিব পুরাণ, মার্কন্ডেয় পুরাণ ইত্যাদি ধর্মগ্রন্থে বর্ণিত আছে যে, একদা দূর্গার সাথে সঙ্গমকালে শিব এত বেশী উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলেন যে, তাতে দুর্গার প্রাননাশের উপক্রম হয়। দুর্গা মনে মনে শ্রীকৃষ্ণকে স্বরন করতে থাকেন, এমন সময় শ্রীকৃষ্ণ আর্ভিভূত হয়ে নিজ হস্তস্থিত সুদর্শন চক্রধারা আঘাত করল উভয়ের সংযুক্ত যৌনাংঙ্গ কেটে আসে। ঐ সংযুক্ত যৌনাঙ্গের মিলিত সংস্করনের নাম বানলিঙ্গ বা শিবলিঙ্গ যা হিন্দু সমাজের একটি প্রধান পূজ্য বস্তু এবং ঐ শিবলিঙ্গের পুজার জন্য বহু বড় বড় শিব মন্দির গড়ে উঠেছে।
মঙ্গল প্রদীপ জ্বালিয়ে কাসর ঘন্টা বাজিয়ে হিন্দু সমাজ মহাসমারোহে ঐ শিবলিঙ্গ পুজা করে থাকে।
পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণশ্বরে শিবের সঙ্গমের অবস্থান প্রদর্শনের জন্য পর পর বারটি মন্দির রয়েছে। ঐ মন্দিরগুলিতে সঙ্গমকালীন সময়ের বাররকমের প্রমত্তাবস্থা প্রদর্শন করা হয়েছে। এতে প্রতিদিন হাজার হাজার মহিলা দর্শনার্থীর সমাগম হয়। সেখানে পুরুষ খুবই কম যেতে দেখেছি।
বালখিল্য মুনি
![]()
প্রজাপতি দক্ষের একশত পাঁচটি কন্যার মধ্যে সর্বজ্যেষ্ঠা সতীর বিয়ে হয়েছিল মহাদেবের সাথে। ব্রক্ষ্মা-বিষ্ণু সহ সকল দেবতাই এই বিয়েতে উপস্থিত ছিলে। দক্ষের অনুরোধে ব্রক্ষ্মাকে এই বিয়েতে পৌরহিত্যের ভার নিতে হয়।
বিবাহ অনুষ্ঠানকালে বেদীতে উপবিষ্টা ঘোমটায় ঢাকা সতীর প্রতি দৃষ্টি পড়তেই চতুরানন অর্থাৎ, চার মুখবিশিষ্ট ব্রক্ষ্মা উপস্থিত সকলের অজান্তে সতীর সর্বশরীর দর্শন করে কামতাড়িত হয়ে পড়েন। কিন্তু ঘোমটার কারনে সতীর মুখ দেখা যাচ্ছিল না । কৌশলে সতীর মুখ দেখার জন্য ব্রক্ষ্মা তখন যজ্ঞকুন্ডে কাঁচা কাঠ নিক্ষেপ করেন। ফলে প্রচন্ড ধোঁয়া চারিদিকে ছেয়ে যায় এবং বেদীতে উপবিষ্ট সকলের চোখ বন্ধ হয়ে যায়। এই সুযোগে ব্রক্ষ্মা ঘোমটা সরিয়ে সতীর মুখ দর্শন করেন।
এমনিতেই সতীর সর্বাঙ্গ দর্শন করে ব্রক্ষ্মা কামাতুর হয়ে পড়েছিলেন এখন মুখ দর্শন করে আর নিজেকে সামলাতে পারলেন না, ঐ বেদীর উপরই ব্রক্ষ্মার বীর্য স্খলিত হয়ে পড়ে। কেউ দেখে ফেলবে ভয়ে ব্রক্ষ্মা সেই বীর্যকে বালি চাপা দিয়ে ফেলেন। পরে ঐ বীর্য হতে ৮৮ হাজার মুনির জন্ম হয়, যাদের বলা হয় বালখিল্য মুন।
সুত্র : স্কন্ধ পুরানর, নাগর খন্ড, ৭৭ অধ্যায়
রাধা কৃষ্ণ, দোল পুজা এবং হোলি খেলা।
![]()
রাধা কৃষ্ণ লীলা সম্পর্কে ব্রক্ষ্ম বৈবর্ত পুরানে বর্নিত আছে ব্রক্ষ্মা বলছেন " হে বৎস! আমার আজ্ঞানুসারে আমার নিয়োজিত কার্য করিতে উদযুক্ত হও।" জগদ্বিধাতা ঈশ্বরের বাক্য শ্রবন করিয়া রাধা কৃষ্ণকে প্রণাম করত: নিজ মন্দিরে গমন করিলেন। ব্রক্ষ্মা প্রস্থান করিলে দেবী রাধিকা সহাস্যবদনে সকটাক্ষ নেত্রে কৃষ্ণের রদনমন্ডল বারংবার দর্শন করত: লজ্জায় মুখ আচ্ছাদন করিলেন। অত্যান্ত কামবানে পীড়িত হওয়াতে রাধিকার সর্বাঙ্গ পুলকিত হইল। তখন তিনি ভক্তিপূর্বক কৃষ্ণকে প্রণাম করত: তাহার শয়নাগারে গমন করিয়া কস্তুরী কুম্কুম মিশ্রিত চন্দন ও অগুরুর পন্ক কৃষ্ণের বক্ষে বিলেপন করিলেন এবং স্বয়ং কপালে তিলক ধারন করিলেন।
তৎপর কৃষ্ণ রাধিকার কর ধারন করিয়া স্বীয় বক্ষে স্থাপন করত: চতুর্বিধ চুম্বনপূর্বক তাহার বস্ত্র শিথিল করিলেন। হে সুমে । রতি যুদ্ধে ক্ষুদ্র ঘন্টিকা সমস্ত বিচ্ছিন্ন হইল, চুম্বনে ওষ্ঠরাগ, আলিঙ্গনে চিত্রিত পত্রাবলী, শৃঙ্গারে করবী ও সিন্দুর তিলক এবং বিপরীত বিহারে অলন্কাঙ্গুর প্রভৃতি দূরীভুত হইল। রাধিকার সরসঙ্গম বশে পুলকিত হইল। তিনি মুর্ছিতা প্রায় হইলেন। তার দিবা-রাত্রি জ্ঞান থাকিল না। কামশাস্ত্র পারদর্শী কৃষ্ণ অঙ্গ-প্রতঙ্গ দ্বারা রাধিকার অঙ্গ-প্রতঙ্গ আলিঙ্গন করত: অষ্টবিধ শৃঙ্গার করিলেন, পুর্নবার সেই বক্রলোচনা রাধিকাকে করিয়া হস্ত ও নখ দ্বারা সর্বাঙ্গ ক্ষত-বিক্ষত করিলেন।
শ্রীকৃষ্ণ কর্তৃক নিষ্টুরভাবে শরীর ক্ষত-বিক্ষত হওয়ায় এবং সারা রাতভর যৌন নিপীড়নের কারণে প্রভাতকালে দেখা গেল রাধিকার পরিহিত বস্ত্র এত বেশী রক্ত রঞ্জিত হয়ে পড়েছে যে, লোক লজ্জায় রাধিকা ঘরের বাইরে আসতে পারছেন না। তখন শ্রীকৃষ্ণ দোল পুজার ঘোষনা দিয়ে হোলি খেলার আদেশ দেন। সবাই সবাইকে রঙ দ্বারা রঞ্জিত করতে শুরু করে। তাতে রাধিকার বস্ত্রে রক্তের দাগ রঙের আড়ালে ঢাকা পড়ে যায়। সেই থেকে হোলি খেলার প্রচলন শুরু হয়।
প্রকাশ করা হয়েছে: সামাজিক বিভাগে ।
মুহিব বলেছেন:
অখন্ড প্রকাশিত হল।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ..
নতুন বলেছেন:
তথ্যপুর্ন লেখা .কিন্তু কোন ধম`কে খাটো করে দেখানোর প্রবনতা ভালো নয়.... সেটা আপনার লেখায় আছে...
লেখক বলেছেন: কোথায় খাটো করা হল একটু বলবেন কি ?
আওরঙ্গজেব বলেছেন:
(আগের কমেন্টের অভিযোগ) ভাই খাটো করার চেষ্টা হয়ে থাকলে তা না করে প্রকৃত সত্য তুলে ধরুন। এতে আমরা অনেক কিছু জানতে পারব। ধন্যবাদ।লেখক বলেছেন: আমি আমার লেখায় তথ্য সুত্র উল্লেখ করেছি..
এটা আমার মস্তিস্ক প্রসুত লেখা নয়।
অন্তীম বলেছেন:
এই লেখার কারনে চন্দন ব্যান হইছেন এই মাত্র.. কি আজব কর্তৃপক্ষ...
চন্দনকে কেন ব্যান করা হল ?
আওরঙ্গজেব বলেছেন:
এক দিক থেকে ইহুদীদের এখনকার ধর্মগ্রন্হের সাথে হিন্দুদের ধর্মগ্রন্হের মিল আছে (দেখুন, ওল্ড টেস্টামেন্ট)। তা হচ্ছে, অরিজিনালি এসব ধর্ম (মূলত: একটি এবং তা 'ইসলাম') এক আল্লাহর নবী/রাসুলদের মাধ্যমে প্রচারিত হয়। পরে অনুসারীদের মাঝে ক্রমে একটা শ্রেণী তৈরী হয় যারা ধর্মের নামে সবকিছুর হর্তাকর্তা বনে যান। কিন্তু তারা অরিজিনাল ধর্মকে ফলো না করে, নানা রকম খারাপ কাজে লিপ্ত হয় - যেমন, অবৈধ যৌনকর্ম। সাধারণ জনগনকে প্রতারিত করার জন্য এসব অপরাধীরা কৌশলে নিজেদের ধর্মগ্রন্হ পরিবর্তন করে। ধর্মীয় বিধিনিষেধ তুলে দিয়ে (যেগুলোতে অপকর্মের শাস্তি বর্ণিত হয়েছে) তাদের পূর্বের ধর্মীয় মহৎ ব্যক্তিদের সাথে একইরকম অপকর্ম জড়িয়ে দেয়। এর ফলে মানুষ যাতে বুঝতে পারেযে, যেখানে অমুক বুজুর্গ এমন কাজ করেছেন, সেখানে এখনকার এই ধর্মীয় নেতা তো কিছুইনা। ফলস্বরুপ, এই দর্শন শুধু ধর্মীয় গুরুদের মাঝে নয়, বরং পুরো সমাজে ছড়িয়ে পরে।
আওরঙ্গজেব বলেছেন:
কি বলছেন, লেখক ব্যান?
আওরঙ্গজেব বলেছেন:
মনে হয় লেখাটি প্রথম পাতায় ব্যানড।
সৈয়দ আমিরুজ্জামান বলেছেন:
স্পর্শকাতর বিষয়। সাবধানে মন্তব্য করুন, বিশেষ করে নিজের মত প্রকাশের বেলায়।
অন্তীম বলেছেন:
এমকি আছে এই লেখাতে যে কর্তৃপক্ষ প্রথম পাতা ব্যান করলো.. নাকি কর্তৃপক্ষ ওপারের দাদাদের খুশি করতে চন্দন এর মত ভাদা বিরোধী ব্লগারকে ব্যান করলো ?

















.jpg)
