somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা

০৮ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এভারেস্টের চুঁড়ায় বাংলাদেশের পতাকা কে প্রথম নিয়ে গেছেন সেই প্রশ্ন যদি কাউকে করা হয় তাহলে নির্দিধায় উত্তর দিবেন মুসা ইব্রাহিম।

উত্তর ভুল।



পাগল নাকি মাথা খারাপ ? আমরাতো জানি মুসা ইব্রাহিম।

মুসা ইব্রাহিমের আগে আরও দুইজন এভারেস্টের চুঁড়ায় বাংলাদেশের লাল সবুজ পতাকা নিয়ে গিয়েছিলেন। তাদের একজনও বাংলাদেশী বা বাঙালী নন।

এভারেস্টের চুড়ায় বাংলাদেশের পতাকা প্রথম নিয়ে যান DAWA SHERPA ২২শে মে ২০০৬ সালে তার ৮ম বার এভারেস্ট জয়ের সময় সার্কভুক্ত সাতটি দেশের পতাকা নিয়ে যান তার সাথে একটি ব্যানারে। সেই ব্যানারে লিখা ছিল Best Co-ordination of SAARC। তাঁর এই অভিযানের নাম ছিল WORLD PEACE EVEREST EXPEDITION ।

সেই অভিযানে DAWA SHERPA একটি বিশ্ব রেকর্ড করেন , সেটি ছিল সবছেয়ে কম সময়ে (২০ঘন্টা ১৫ মিনিট) তিব্বতের এভারেস্ট বেসক্যাম্প থেকে রওয়ানা দিয়ে এভারেস্ট জয় করে নেপালের নেপালের বেসক্যাম্পে ফেরত আসা।

২০০৬ সালের ২১শে মে রাত ৯টায় তি্ব্বত বেসক্যাম্প থেকে রওয়ানা দিয়ে খারখা এডভান্স বেসক্যাম্প হয়ে ২২ মে সকাল ৮:৪০ মিনিটে এভারেস্ট শিখরে পৌছান। সেখানে তিনি সার্কভুক্ত ৭ টি দেশের পতাকা স্থাপন করেন। এরপর তিনি নেপালের দিকে যাত্রা শুরু করে বিকাল ৫:১০ মিনিটে নেপালের এভারেস্ট বেসক্যাম্পে নেমে আসেন।


দ্বিতীয়বার এভারেস্ট শিখরে বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে যান PEMBA DORJEE SHERPA , তিনি ২০০৭ সালের ৮ই মে সকাল ১০:৩৫ মিনিটে এভারেস্ট এর চুঁড়া বাংলাদেশের লাল সবুজ পতাকা স্থাপন করেন। তৎকালীন কাঠমন্ডুস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনার জনাব ইমতিয়াজ আহমেদের অনুরোধে তিনি এভারেস্টের চুঁড়ায় বাংলাদেশের পতাকা বহন করেন। সেই ছবি ২৬শে মার্চ ২০০৮ বাংলাদেশ হাইকমিশন কাঠমন্ডু কর্তৃক মুদ্রিত BANGLADESH IN COLOURS এর ১০১ পৃস্ঠায় আছে।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জুন, ২০১০ দুপুর ১:২০
১৯টি মন্তব্য ১৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এমন কেন?

লিখেছেন তাই-ফি, ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৪৪

একটা গল্প দিয়ে শুরু করা যাক।

শেষ বিচারের পর নরকে শাস্তি ভোগ করছে পাপীরা। বিশাল বিশাল তেলের ড্রামে তাদের একবার ডুবিয়ে আবার ভাসিয়ে তোলা হচ্ছে। প্রতিটি ড্রামের সামনে একজন করে পাহারাদার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×