আমার প্রিয় পোস্ট
- এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি< ১ >আল্লারাখা তোমায় ভুলিনি বন্ধু!! - মনজুরুল হক
- বাংলাদেশের সমুদ্রসীমাঃ "দিন বদল" না হলেও দিন কিন্তু বয়ে যায় ...... - দিনমজুর
- ক্যামেরা কিনবেন কে কে ? - নক্ষত্রের কান্না
- ডাইরেক্ট ফায়ার - কৌশিক
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- ছায়া ছায়া মায়া আপা - হাসান মাহবুব
- কোন শোক সভা নয় - প্রণব আচার্য্য
- আমার প্রিয় লেখাগুলি নিয়ে ই-বুক - নাজিল আযামী
- শ্রেণী বৈষম্য > শ্রেণী সংগ্রাম > শ্রেণী সংঘাত > কিছু দেখি কিছু দেখতে পাইনা..... - মনজুরুল হক
- ফটোগ্রাফির চমচম থুক্কু পঞ্চম পাঠ - ফয়সাল আকরাম
- নতুন ঈশ্বর আবশ্যক - দীক্ষক দ্রাবিড়
- হাতুড়ে গদ্য (অসংলগ্ন) - বৃত্তবন্দী
- স্বপ্নে মরে যাবার জন্যই বাস্তবে বেঁচে ছিলাম........ - কঁাকন
- মন্দায় ধান্দা: বাংলাদেশের শিল্পপতিদের আবদার নামা - দিনমজুর
- তিনটি ভিন্ন ঘটনা > তিনটি পরম্পরা > অতঃপর দে গরুর গা ধুইয়ে - মনজুরুল হক
- লাল গাড়ি ও আমাদের লাল বালিকারা - অনুপম সৈকত শান্ত
- প্রমিত বাংলা বানান রীতিঃ সচরাচর সমস্যা করে এমন শব্দের একটি সম্ভার! - ম্যাভেরিক
- মুক্ত/ নাস্তিক/ সংশয়ী/ ধর্মদ্রোহী'দের যুদ্ধটা ... আসলে কাদের বিরুদ্ধে, কিসের বিরুদ্ধে ? - মনির হাসান
- নবীনদের জন্য - নাদান
- আজো স্বপ্ন দেখি ! - উত্তরাধিকার
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- বৃত্ত অতিক্রমণের চেষ্টা ?- (P.O.S কাউন্টারে) - বৃত্তবন্দী
- তৈরী করুন অনলাইন টিভি চ্যানেল - jewelosman
- দুশ্ঠ মডারেঠরের অথ্যাছারে কাগুর যেসপ লিকা তার নিজের পুশ্ঠ আর্কাইবেই জমা পরে নাই - আলিফ দেওয়ান
- কেন লেখেন? - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- বাংলা স্পেলচেকিং - কিছু ওপেন সোর্স প্রজেক্ট - আছহাবুল ইয়ামিন
- সেই কালোরাতে ইথারে খুনীরা যা বলেছিলো...২ - অমি রহমান পিয়াল
- ছবি চাই, ছবি। দিন না একটি ছবি (রিপোস্ট) - রাগিব
- বাংলা বানান পরীক্ষক ১.৩.২ - jewelosman
আমি কইলাম মরিনাই; বুকের আগুনও নেভে নাই, কসম ক্ষুধিরামের। খালি কয়দিন ধইরা কর্পোরেট ভন্ডামিতে ডুইবা আছি আপাদমস্তক! কমরেড, মিছিল আইলে একটা টোকা দিয়া যাইয়েন।

প্রিয় নাজমুল এবং সাঁঝবাতির রুপকথা, কিছু অনুচ্চারিত প্রশ্নের উত্তর!
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০৭
শুভেচ্ছাতে কোচিং করতাম তখন। মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির ব্যাপারে শুভেচ্ছার নাম ডাক ছিল ঈর্ষনিয়। থাকি নাখালপাড়ায়, ফার্মগেট থেকে ক্লাস শেষ করে একটু শাহবাগের আজিজ মার্কেট ঢু মেরে সোজা বাসায়। আমার গণ্ডি তখন খুবই সীমিত।
কদিন ধরে বাবার অফিসে ঝামেলা চলছে। প্রায় মাস পাঁচেকের বেতন বকেয়া। ৬ জনের গাদাগাদি সংসার টানতে গিয়ে মা'র মুখ ক্রমশ ম্লান হচ্ছে। বাবার গায়ে জ্বর লেগেই থাকে। চোখ মুখ গর্তে ঢুকে যাবার অবস্থা, ঠিক চেনাই যায়না। যে মানুষটা দাঁড়ালে আকাশ ঢেকে যেত তার অস্তিত্বের পরতে পরতে তখন হেরে যাওয়ার গ্লানি।
কদিন ধরেই ডাক্তারের কাছে যাওয়ার অনুরোধ নিয়ে মা'র কাতর আকুতি। বাবা'র কোন গ্রাহ্যই নেই। খাওয়া দাওয়া প্রায় বন্ধ হবার জোগাড়, সারা রাত কাটে নির্ঘুম। হঠাৎ একদিন মা খেয়াল করল বাবার গলার কাছে কেমন যেন ফুলে আছে। আর কোন অনুনয় নয়, সোজা জোর করে নিয়ে যাওয়া হলো ডাক্তারের কাছে। ডাক্তার আমাদের পরিচিত, উনি কিছু ভিটামিন প্রেসকাইব করে তিনটে টেস্ট করতে দিলেন। যথা সময়ে টেস্টের রেজাল্ট আসলো, ডাক্তার কাকা খানিকক্ষণ চুপ করে বসে থেকে বললেন "আমার খানিকটা ভুল হচ্ছে, আমি একটা নাম দিয়ে দিচ্ছি, আপনারা বরং সময় নষ্ট না করে ওনার সাথে খুব দ্রুত যোগাযোগ করুন"।
কাকার দেয়া সেই ঠিকানায় পৌঁছে গেলাম পরের সকালেই। খুব নামি প্রফেসর, কথা বলার আগেই কয়েকটি টেস্ট করতে দিলেন। দু-দিন পর আসবে রেজাল্ট।
২৯ জানুয়ারির সেই সকালটা হয়তো খানিক অন্যরকম ছিল। খুব ভোরেই চলে গেলাম ল্যাবরেটরিতে। উদ্ভট সব লেখা, কিছুই বুঝিনা। ওখানকার এক এ্যাটেনডেন্টকে মা খুব রিকোয়েস্ট করায় দয়াপরবশ হয়ে উনি বললেন, রিপোর্ট খুব খারাপ, ক্যান্সার হয়েছে।
মাথার ওপর আকাশ ভেঙ্গে পরার কথা বইতে অনেক পরেছি। সত্যি সত্যি আকাশ ভেঙ্গে পরার সেই মুহুর্তটা আজো ভুলতে পারিনা। চোখের সামনে সব কিছু কেমন যেন অবাস্তব লাগতে শুরু করল। সেই ছোট বেলায় যার কাঁধে চরে ঘুরে বেরানোর সময় ভাবতাম আমার বাবা কখনই বুড়ো হবেনা, সেই মানুষটিই কিনা আর থাকছেন না? আসলে সেই মুহুর্তটা কখনই ভুলতে পারবোনা জীবনে।
বাবাদের ৫ ভাই এর মধ্যে আমার সেঝ কাকার ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করার ক্ষমতা বেশি থাকায় মা সাথে সাথে তাকে ফোন করল। কিছুক্ষনের ভেতরেই উনি চলে এলেন বাসায়। একে একে সবাই আসতে শুরু করল। আমি বা মা কেউই বাবার সামনে যাচ্ছিনা। বাবাও কিছু জিজ্ঞেস করছেন না।
চিকিৎসা শুরু করতে হবে। ধানমন্ডিতে তখন খুব নামি একটা নার্সিংহোম ছিল ক্যান্সারের জন্য। ডাক্তারের কথা মত ওখানেই নেয়া হলো বাবাকে। দুপুরের ভেতরেই আরো বেশ কিছু টেস্ট এবং রাতে রেজাল্ট নিয়ে আমি আর আমার সেই সেঝ কাকা গেলাম কথা বলতে। প্রফেসর সাহেব কেন যেন কাকা কে একটু বাইরে যেতে বললেন। একটু হেসে আমার দিকে তাকিয়ে তার প্রশ্ন, "সহ্য ক্ষমতা কেমন?" উত্তরে ঠোটে হাসি ফুটানোর আপ্রাণ চেষ্টা। সোজাসুজি বলে বসলেন, ফুসফুসের পুরোটাই শেষ। বড়জোর ৬ মাস চেষ্টা করা যেতে পারে, তবে এধরনের কেসে ৩ মাস বেঁচে থাকাটাই অনেক বেশি।
বজ্রাহত। কাকা শুনে বললেন আর কাউকে না জানাতে। প্রাণান্ত চেস্টায় একটা হাসি মুখ করে সবাইকে জানালাম এখনো চেষ্টা করা যায়। সময় শেষ হয়ে যায়নি। তারপর এক ছুটে বাইরে এসেই কাপাকাপা হাতে সিগারেট ধরালাম।
আমি তখন সবার নজর বন্দী। সারাখন হাসি হাসি মুখে সবাইকে শোনাচ্ছি আশার কথা। কেউ মুহুর্তের জন্যেও আমাকে ছেড়ে থাকতে চাচ্ছেনা, যেন বা সমস্ত ব্যাপারটাকেই নিছক দুঃস্বপ্ন বলে উড়িয়ে দেয়ার ক্ষমতা আমার হাতে। অভিনয় করাটা যে মাঝে মাঝে কি ভয়ংকর হয়ে ওঠে সেটা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি সে সময়গুলোতে।
জানুয়ারির ৩১ আমার জন্মদিন। পোলাউ রান্না হলো। ডাক্তার হাসি মুখে অনুমতি দেয়ায় বাবাও মজা করেই খেলো, জানিনা হয়তোবা উনিও অভিনয় করছিলেন তখন। কিমো থেরাপী শুরু হয় সন্ধ্যা বেলা। রাত ১০টার দিকে টলতে টলতে বাসায় ফিরি।
পরদিন দুপুরে গেলাম হাসপাতালে। দেখি উনি দেয়ালে হেলান দিয়ে বসে আছেন। আমি পাশে বসতেই মুঠো করে আমার হাত ধরলেন, তারপর হাসতে হাসতেই বললনে, "আই টু ডাই, ইউটু লীভ, হোয়াট ইজ বেটার অনলি গড নোজ (মনে নেই পুরো লাইন গুলো)"। আমার জিজ্ঞাসু চোখের দিকে একবার তাকিয়ে শুয়ে পরলেন।
২ ফেব্রুয়ারি দুপুরের দিকে বাবাকে আপাতত রিলিজ করা হলো। সেঝ কাকা গাড়ি নিয়ে আসায় বাসায় ফিরতে সমস্যা হয়নি। টানা তিন দিন নির্ঘুম থাকার পর মা ঘুমাতে গেলেন। সন্ধায় সবাই মিলে আগের মতোই আড্ডা দিতে বসলাম। কিছু পরে মা আলাদা করে আমাকে ডেকে নিয়ে বললেন, হাতে তো আর টাকা নেই, রাতে খাওয়াবো কি? পকেটে কিছু খুচরো টাকা ছিল, তা দিয়েই চাল আর আলু কিনে আনলাম। বাসার সবচে ছোট সদস্য আমি কথাটা সবাই কেমন যেন বেমালুম ভুলে গিয়েছিল। তখনো কেউ জানেনা সবই নিষ্ফল চেষ্টা। সপ্তা তিনেক পরে কিমো থেরাপীর টাকা কোথা থেকে জোগাড় হবে সে চিন্তাও যেন শুধুই আমার!
৩ ফেব্রুয়ারি সকালে ঘুম থেকে উঠেই বাইরে গেলাম সিগারেট খেতে। একটু বেশি সময়ই বাইরে ছিলাম। ঘরে ঢুকেই দেখি বাবার চোখ লাল, নিশ্বাস নিতে পারছেন না। ডাক্টারকে ফোন এবং টার কথা মত খুব কড়া ডোজের ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো হলো। দুপুরের দিকে আবার ছটফট করতে শুরু করলেন, আমি এদিক ওদিক ছুটলাম কোথায় অক্সিজেন সিলিন্ডার পাওয়া যায় খুঁজতে। শেষে আর কোনো উপায় না পেয়ে কাকা কে ফোন করায় উনি আবার গাড়ি নিয়ে চলে এলেন। সামনে সিটে কাকা আর ড্রাইভার, পেছনের সিটে মা আর আমি। আমার কোলের ওপর মাথা রেখে বাবাকে শোয়ানো হলো। সে এক অদ্ভুত অনুভূতি, নিশ্চল হয়ে শুয়ে শুয়ে নিশ্বাস নেয়ার প্রাণান্ত চেষ্টায় উনি প্রায় হার মেনে চলছেন, আমি অন্য দিকে তাকিয়ে। খালি একটু পর পর কান পেতে শোনার চেষ্টা করছি নিশ্বাসের শব্দ শোনা যাচ্ছে কিনা। এক পর্যায়ে মনে হলো সব শান্ত, কোলের ওপর শুয়ে থাকা মানুষটি হার মেনে নিয়েছেন।
নার্সিংহোমে পৌঁছতেই দুজন ইন্টার্ন ছুটে এলেন। বাবার চোখে আলো ফেলে আর গলা হাতরে পাল্স খোঁজার চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় তাকে মৃত ঘোষণা করে চলে গেলেন। মা বাইরে, কাকা রা এদিক ওদিক পায়চারি করছেন, আর আমার কোলের ওপর পৃথিবীর সবচেয়ে প্রিয় মানুষটির মৃতদেহ। এক পর্যায়ে আর না পেরে একটু গলা উচিয়েই কাকাকে ডেকে বললাম, আর পারছিনা, আমাকে একটু বের হতে দিন।
পরের চারটে ঘণ্টা কোথা থেকে উড়ে গেল মনে নেই আর আজ। অনেক রাতে বাসায় গেলাম। ততক্ষণে বাবাকে কবরস্থানে রেখে সবাই বাসায় ফিরেছে। সবাইকে সান্ত্বনা দেয়ার দায়িত্বও যেন শুধুই আমার! ডাক্তার কাকা আমার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে ব্যাগ থেকে কি একটা ইন্জেকশন বের করে পুশ করলেন। কিছু পর ঘুমিয়ে পরলাম।
সকালে ঘুম ভাঙলো "মনে কি দ্বিধা নিয়ে গেলে চলে" শুনতে শুনতে। আমার বড় আপু বাজাচ্ছিলো। নাস্তা করে পেপার নিয়ে বসতেই নাঈম ভাই এলেন। তার সাথে মিরপুরে তার এক বন্ধুর বাসায় যাওয়া হলো। জীবনের প্রথম হিন্দী সিনেমা দেখলাম, হুতুতু! রাতে ফেরা এবং আবার ইন্জেকশন নিয়ে ঘুমোতে যাওয়া।
৭ দিন পর প্রথমবারের মত ফোন করলাম ওকে। হাসতে হাসতেই বললাম আমার বাপ মৈরা গেছে। কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে স্যরি বলে ফোন কেটে দিল। দুপুরের দিকে আবার ফোন করলাম, কেমন যেন ফ্যাসফ্যাসে গলায় বললো, দেখ, বাসার অমতে আমি কিছুই করতে পারবোনা। আমাকে মাফ করে দিও।
আসলে প্রেম ভালবাসা নিয়ে ভাবার মত মনের অবস্থা তখন আমার ছিল না। ১০ দিন পর কোথা থেকে বাসা ভাড়া জোগাড় করবো এই চিন্তাতেই মাথা আউলা, আমি শুধু খানিকটা মনের আশ্রয় পাবার লোভে যোগাযোগ করেছিলাম।
জানিনা কেন, সেই থেকে আজ অবধি জানুয়ারির মাঝ থেকে ফেব্রুয়ারির প্রথম কদিন খুব এলোমেলো হয়ে থাকি। অনেক চড়াইউৎরাই পেরিয়ে বলতে গেলে আজ আমি প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু ১০ বছর আগে যেই একাকিত্ব আমাকে ঘিরে ধরেছিল আজো সেটা থেকে মুক্তি পাইনি।
প্রিয় নাজমুল এবং অমিত, যদি এতখানি পরার ধৈর্য দেখিয়ে থাক তবে হয়তো বুঝতে পেরেছো আমি খুব একটা স্বাভাবিক নেই কদিন ধরে.....
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
বিডি আইডল বলেছেন:
মনটা ছুয়ে গেল ক-খ-গ ভাই...কি হয়েছে জানি না তাদের সাথে...কিন্তু আপনার পোষ্ট পড়ে দেশের বৃদ্ধ বাবার স্মরণে চোখে পানি আসলো...ভালো থাকবেন
লেখক বলেছেন: আপনার বাবার জন্য অনেক শুভ কামনা রইলো।
লেখক বলেছেন: ভাল থাকুন। অনেক শুভেচ্ছা।
এস্কিমো বলেছেন:
হুমম...
লেখক বলেছেন: ![]()
আকাশচুরি বলেছেন:
"এই সব মৃত্যু কোন শেষ নয়, সব নয়, এই সব মৃত্যু থেকে শুরু হয় আমাদের সূর্য্যময় পথ। "কিছু তো বলতে পারিনা, তাই আপনার প্রোফাইলের লেখা আপনাকেই বলি....
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ!
লেখক বলেছেন: চিয়ার আপ ম্যান ![]()
আরিফ থেকে আনা বলেছেন:
খুবই ভাল লাগল। চাচার আত্নার মাগফেরাত কামনা করি
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, ভাল থাকুন ![]()
অকাটমুর্খ বলেছেন:
কি আর বলব?অত:পর.....হৃদয়-ছোয়া লেখা
লেখক বলেছেন: ভাল থাকুন। অনেক অনেক ভাল।
লেখক বলেছেন: জানি কিছু বলার নেই, তবু বলতে চাইবার ইচ্চের জন্য অনেক ধন্যবাদ। ![]()
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন:
আপনার লেখাটা এমন এক দিন পড়লাম যেদিন আমার প্রিয় আব্বুর (যিনি আগুনে ঝাপ দিলে আমিও আগুনে ঝাপ দিবো এই কথা সেই ক্লাস ১ - ২ থেকেই বলতাম) স্পাইনাল কর্ডের সমস্যা ধরা পড়েছে ... আপনি তো তবুও তাকে সামনে দেখতে পেয়েছিলেন ... কিন্তু আমি তো আজ হাজার মাইল দুরে ... কতটা দুর্ভাগা আমি আপনার আব্বুর জন্য অনেক দোয়া রইলো ।
লেখক বলেছেন: আপনার আব্বুর জন্য অনেক শুভ কামনা রইলো। উনি ভাল হয়ে উঠবেন এই প্রত্যাশায়.......
ফালু বলেছেন:
খুব কষ্ট পেলাম। সান্তনা দেয়ার ভাষা অথবা যোগ্যতা কোনটাই আমার নাই। ভাল থাকুন। আর প্রেমিকারা এমন নির্দয় হৃদয়হীনা হয়ই।
লেখক বলেছেন: এটাই জীবন। তবে দু একজনকে দিয়ে সবাইকে আমি বিচার করতে চাইনা।
লেখক বলেছেন: এটাই জীবন, এটাই..........
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
লেখাটা অসাধারণ বলতে ইচ্ছা হচ্ছে। কিন্তু এটাও বুঝি এই লেখার ক্ষেত্রে এভাবে বলা যায় না। কি বলবো বুঝছি না। আমার বাবার কথা খুব মনে পড়ছে।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। শুভকামনা রইলো।
...অসমাপ্ত বলেছেন:
....বাকীটা জীবণ অনেক ...অনেক ভাল থাকুন।খুব কষ্টের একটা সময়ের কথা শোনালেন। ... অনেকখানিই ঝাপসা চোখে পড়লাম।
লেখক বলেছেন: আমি কিন্তু সিগারেট টানতে টানতে আয়েস করে লিখেছি, ঝাপসা চোখে নয়। তবে আপনার কমেন্ট পড়ার পর কেমন যেন লাগছে ![]()
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। আপনিও অনেক অনেক ভাল থাকুন।
মনির হাসান বলেছেন:
আশ্চর্য এই জানুয়ারী ফেব্রুয়ারীতেই আপনার সাথে পরিচয় .. ধরতে পারিনি ..
ভালো থাকুন ..
লেখক বলেছেন: মুখোশ রে ভাই, মুখোশ পরিয়া ঘুরিয়া বেড়াই.........
খুশবু বলেছেন:
february আমার জন্য খারাপ একটা মাস , বাবা আর চাচা এই মাসে মারা গেলেন ।তারপরও এই সময়টা খুব সুখি থাকার ভান করতে হয় ।
লেখক বলেছেন: ভান বা অভিনয় করা যে কতখানি কষ্টের সেটা সবাই বুঝতে পারেনা ![]()
েপচাইললা বলেছেন:
নাজমুল, অমিতদের মন্তব্য চাই। কি হয়েছে তাও জানতে চাই।
লেখক বলেছেন: না রে ভাই, ওরা কিছু বলেনি। আমি আজকাল একটু দূরে দূরে থাকিতো, তাই হয়তো ভুল বুঝছে।
রোবোকপ বলেছেন:
ভাই রে, পুরান কষ্টকে পানি দিয়ে সার দিয়ে বড় করিয়েন না। তার সাথে আর কিছু হয় নাই, ভালো হইছে। হইলেও দেখতেন আপনার বিপদে কোন সহানুভূতি পাইতেন না। ভালো থাকেন, মন ভালো করেন, চাঙা হন।
লেখক বলেছেন: আমিতো মনে করতে চাইনা, কিন্তু মন থেকেও যে যায়না? ![]()
অনেক ধন্যবাদ।
সহেলী বলেছেন:
কি বলবো বুঝতে পারছিনা । স্বাভাবিক হয়ে ওঠার কথা বলতে হয় , তাই বলছি । ভাল থেকো ক-খ-গ । তুমি আমার একটা লক্ষ্মী ভাই হয়ে থেকো সবদিন ।লেখক বলেছেন: যতবার স্বাভাবিক হয়ে ওঠার চেষ্টা করেছি, কোন না কোন ভাবে পিছু হঠতে হয়েছে।
অনেক শুভেচ্ছা রইলো।
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন:
ভালো থাকুন।সব সময়।সব সময়।সব সময়।
লেখক বলেছেন: আপনিও অনেক ভাল থাকুন, দুঃসময়কে আড়ি দিয়ে ![]()
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
লেখার মাঝখানের একটা অংশ পড়তে পারিনি, অন্তত আমার পক্ষে পড়া সম্ভব নয়...আপনার বাবার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি আন্তরিকভাবে।
লেখক বলেছেন:
কিন্তু দেখুন আমি লিখেছি, লিখতে পেরেছি, তাইনা? ![]()
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
পড়ে এমনি চোখ ভিজে গেলো!
লেখক বলেছেন: আমি যে কাঁদতে পারিনা!! সেই ক্লাস ৭ এ শেষ বার কেঁদেছি.......
ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: আমার কষ্টের একটা হলো আমি কাঁদতে পারিনা। ![]()
ধন্যবাদ!
লেখক বলেছেন: আমিও পাচ্ছিনা।
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
জীবন রে ....
লেখক বলেছেন: মাঝে মাঝে জীবনরে গ্রীল কৈরা খাইয়া ফেলতে ইচ্ছে করে.......
লেখক বলেছেন: কখনো কখনো মনে হয় জীবনটাকে স্যাটায়ার বানায় ফেলছি, আবার কখনো কখনো মনে হয় জীবন এখনো জীবনই আছে........
নাঈম বলেছেন:
আমি সাধারণত বড় লেখা এড়িয়ে চলি, পড়িনা। কিন্তু আপনার এই লেখাটি পড়লাম, খুবই কষ্ট হচ্ছে লেখাটি পড়ে, আর কিছুই বলার নেই....শুধু এই দোয়া করতে পারি যে, আল্লাহ্ আপনার বাবার আত্মাকে শান্তি দান করুন।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ নাঈম, ভাল থাকুন।
সহেলী বলেছেন:
আমার লেখাটা পড়ে জানাও ,আমি মুছে দেব --এসব মন খারাপ করা কথা আমি রাখবো না ।
লেখক বলেছেন: পড়েছি এবং এতক্ষনে আপনি ওটা ড্রাফ্টও করে ফেলেছেন। ![]()
লেখক বলেছেন: বুঝলাম না।
মন খারাপ করা লেখা তবে খুব ভালো সুন্দর করে লেখছেন।
লেখক বলেছেন: মাঝে মাঝে খুব ইচ্ছে করে আপনার প্রফাইলের ছবিটার মত মন খারাপ করে বসে থাকতে।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
অক্ষর বলেছেন:
কিন্তু ভাই পোস্টের শিরোনামে আমার নাম লেখার মানে কি?১৭ নাম্বার মন্তব্যটা খেয়াল করেন একটু
লেখক বলেছেন: লেখাটা যদি আদ্যপান্ত পড়ে থাক তবে হয়তো মানে বুঝতে পারবে।
১৭ নম্বরের উত্তরাটাও খেয়াল করো, সাথে অন্যদের মন্তব্য গুলোও।
ম্যাসেন্জার কেন বন্ধ থাকে, মেইলের রিপ্লাই কেন কাউকেই দেয়া হয়না, ফোন কেন শুধু একা একাই গান শোনায়..... সেসবের উত্তর দিতেই আজ সন্ধ্যায় বসে বসে এটা লিখে ফেললাম। আসলে জীবনে কখনো কাউকে কৈফিয়ত দেইনি, আজকাল মনে হচ্ছে মাঝে মাঝে শূন্যস্থান গুলো পূরণ করে নেয়া খুবই দরকার।
ভাল থেকো।
তুষার আহাসান বলেছেন:
মন দি য়ে পড়লাম, আপনার হৃদয়-ছোঁয়া লে খা।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, ভাল থাকুন। ![]()
বল সাবান চাকা বলেছেন:
কিছু লেখাপড়ে বলার মত কিছু খুজে পাওয়া যায় না এটা সেরকম একটা লেখা।
লেখক বলেছেন: ভাল থাকুন ![]()
তবে আজ যে অবস্থানে আসতে পেরেছেন, সেটা নিশ্চয় আপনার বাবাকে ঐ দুরেও খুশি করবে।
ভাল থাকবেন, এ মাসের সময়গুলোয় আরো হাসি খুশি , বন্ধুদের সাথে বেশি সময় কাটাবেন।
শুভকামনা
লেখক বলেছেন: আজকালতো সারা বেলা আপনাদের সাথেই কাটাই ![]()
অনেক ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: তবু কিছু বলতে হয় বলেই বলে যাই আমরা ![]()
এন এইচ আর বলেছেন:
নিজের বাবার জন্য কোন দিন কাদিনি কাদবও না। তবে আপনার এবং আপনার বাবার কষ্ট গুলো আমার পাথরের মত হূদয় টাকে ছুয়ে গেল। লেখা শেষ করে অনেক ক্ষণ বসে ছিলাম কি বলল আপনাকে । না বলার মত কিছু পেলাম না। শুভ কামনা থাকল সব সময়ের জন্য।
লেখক বলেছেন:
শহীদ কাদরীর একটা কবিতা শোনাই.........
"পাথর তোমার ভেতরেও উদ্বৃত্ত
রয়েছে আরেক নৃত্য"
হৃদয় পাথরের মত?? পাথরেরও হৃদয় থাকে। আমি যতদুর বুঝতে পারি ওপরের খোলসটা সরিয়ে একটু উঁকি দিলেই ভেতরের উদ্বৃত্ত নৃত্য টুকু প্রকাশিত হয়ে পরবে।
শভেচ্ছা নিন।
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন:
আপনার অন্য একটা পোষ্টে এ সময় টা আপনি কেন এলোমেলো থাকেন এটা জেনেছিলাম, তাই যখন আপনার জন্মদিনে আপনাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না বুঝতে পারছিলাম কারনটা।প্রিয়জন হারানোর কষ্ট আমার জানা নেই, তাই আপনার কষ্ট হয়তো বুঝতেও পারবো না। তবে বাবাকে নিয়ে অনেকবার এমন ঝুঁকি নিয়ে হাসপাতালে যেতে হয়েছে, প্রতিবার মনে হোত এটাই হয়তো শেষ যাওয়া, তবে তিনি এখনো ভালো আছেন।
এ সময়টুকু ছাড়া বাকী সময়টুকু ভালো থাকবেন, আপনার বাবা বেহেশতবাসী হোন এই দোয়া করি।
লেখক বলেছেন: মাথা আউলা হৈছে, আর মাথা আউলা হৈলেই সমুদ্রে যাইতে হয় আমার। সমুদ্র আমারে ডাকতাছে......... হি হি হি ![]()
অনেক অনেক শুভকামনা রইলো। ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: মন খারাপ করাইয়া দেয়ার জন্য ক্ষমা চাই। ![]()
ভাল থাকুন, সবাই!
অ্যামাটার বলেছেন:
টাচি...ভাল থাকুন...
লেখক বলেছেন: আপনার আর আমার নীতিগত দূরত্ব আকাশ আর পাতাল, তবু ভাল থাকতে বললেন........চিন্তা করে বলছেনতো?
প্রলয় হাসান বলেছেন:
এই পোস্টা খুলে রেখেছি তিন ঘন্টা ধরে। পুরোটা পড়ার সময় পাচ্ছিলাম না। একটু আগে সময় করে পড়লাম। আগে বুঝিনি যে সদা হাস্যময় অতি পরিচিত এই ব্লগারের জীবনে ১০ বছর আগে কি একটা ঝড় বয়ে গেছে এইসময়ে। নিজে প্রতিষ্টিত হয়ে পরিবারকে আগলে রেখেছেন সেজন্য আপনাকে সাধুবাদ। আর চাচার রুহের মাগফিরাত কামনা করি। আপনাদের তারপর কি হলো? মাফ চাইবার পর তো আর কিছুই লিখেলেন না....জানতে ইচ্ছে করছে....
লেখক বলেছেন: প্রথমেই এতবড় পোস্ট পরার জন্য ধন্যবাদ জানাই ![]()
তারপর অনেক ঘটনা। চড়াইউৎরাই অনেক......অনেক পথ। এর পরেও ওর সাথে "ফ্রেন্ডলি রিলেশন" ছিলো বেশ কিছু দিন। তারপর হঠাৎ একদিন উধাও হয়ে গেল, আর খোঁজ পাইনি পরে।
পরে একদিন লিখবো হয়তো, আপনাকে জানিয়ে আসবো তখন। ভাল থাকুন। ![]()
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন:
আর এত সিগারেট খান কেন? এ যুগের ছেলেরা কেন সিগারেট খাবে, এইটা আমার মাথায় আসে না। এটা অবশ্য আমি সবাইকে ই বলি, শুধু আপনাকে বলছি না।আর সব ছেলেদের একটা বাতিক আছে তারা কাঁদতে পারে না। ছেলেদের শেখানোই হয়, তুমি শক্ত তুমি কাঁদবা না। কান্না হল মেয়েদের জন্য। আসলে কষ্টগুলোকে সরানোর জন্য কান্নার কোন বিকল্প নাই। কান্নার চেষ্টা করেন, সবসময় অভিনয় করা ভাল না।
লেখক বলেছেন: আমিতো সিগারেট খাইনা, সিগারেট আমাকে খায়। ![]()
কাঁদতে না পারাটা আমার বাতিক নয়, সম্ভবত "টিয়ার্স গ্ল্যান্ডের" কিছু একটা হয়েছে..... ![]()
![]()
দিগন্ত রেখা বলেছেন:
আব্বুর সাথে কথা বলিনি গত আটমাস। এর মাঝে দেখা হয়েছে হাতে গোনা দু'তিন বার। গত এক সপ্তাহে হয়নি, শেষ কবে হয়েছিলো মনে করতে না পেরে দৌড়ে গিয়ে দেখে আসলাম। বেঘোরে ঘুমাচ্ছেন।ঘরে ঢুকে নিজেই অবাক হলাম।
মনে মনে তুলনা করি, কে বেশি লাকি??
আপনি, যে আঠারো বছরের জন্য বাবাকে পেয়েছেন এবং এরপর হারিয়ে এখন একা, নাকি আমি যে গত চব্বিশ বছর ধরে জন্মসূত্রে প্রাপ্ত একজনকে বাবা ডাকছি, শুধু ডাকতে শিখেছি বলে?
মনে হয় আমিই, যা নেই, পাইনি, তা হারানোর কষ্টও নাই।
তারপরও আপনার লেখা পড়ে ঈর্ষা হলো কেন বুঝলাম না।
অবাক লাগলো, খুব।
লেখক বলেছেন: এতক্ষন সবাইকে বিপদে ফেলছিলাম, অনেকই বলার মত কিছু খুঁজে পাচ্ছিলোনা। ঠিক সেই কাজটিই আপনি করলেন আমার ক্ষেত্রে।
শুভকামনা থাকলো, দূরত্বের খোলস ভাঙ্গার পর একদিন হঠাৎ দুজনেই আবিষ্কার করবেন কতটা কাছাকাছি ছিলেন এতদিন ধরে। শুধু প্রকাশিত হয়নি।
ভাল থাকুন।
নিশাচর পাখি বলেছেন:
আমার ভান্ডারে অনুভুতি প্রকাশের শব্দ নাই।
লেখক বলেছেন: অব্যক্ত শব্দ গুলো পড়ে নিলাম।
পারভেজ বলেছেন:
কিছু কষ্টের সময় লুকিয়ে লুকিয়ে থাকে, মাঝে মাঝে হঠাৎ বের হয়ে আসে সামনে। বলার মতো কিছু পাচ্ছিনা।উনি ভাল আছেন নিশ্চই।
লেখক বলেছেন:
আসলে বলার কিছুই নেই.........
অনেক ধন্যবাদ, ভাল থাকুন পারভেজ
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ তাহসিন। ভাল থাকুন।
রাজর্ষী বলেছেন:
আপানার জমাট বাধা কষ্টগুলো মনে হয়ে এই লেখাতে গলে গলে পড়লো। ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: কষ্ট গলে পরেনা। কষ্ট কষ্টই থেকে যায়।
আপনিও অনেক অনেক ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: খারাপই আছি।
পুরানপাগল বলেছেন:
তুমি যাকে মৃত্যু বল, তুমি যাকে বলো শেষ, সমূল পতন; আমি তার গভীরে বিশ্বাসী; বারুদের চোখ দেখে বলি, "এই সব মৃত্যু কোন শেষ নয়, সব নয়, এই সব মৃত্যু থেকে শুরু হয় আমাদের সূর্য্যময় পথ।===========================================
কিছুই বলার নাই ভাই আপনাকে। স্বান্তনা ও দিতে যাব না। ভালো থাকুন সবসময়।
আল্লাহ আপনার বাবাকে বেহেস্তবাসী করুক এই দোয়া করি।
লেখক বলেছেন: আসলে স্বান্তনা দেয়ার কিছু নেই, তাইনা? আমার বয়স এখন অনেক বেশি, স্বান্তনা শুনে মন ভাল করার সমু পেড়িয়ে এসেছি।
আপনি অনেক ভাল থাকুন। নিরন্তর শুভেচ্ছা।
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন:
কিছু কিছু লেখা পাঠককে তার নিজের জীবনের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়! নিজের দিকে একবার খুব ভালোভাবে ফিরে তাকাবার সুযোগ করে দেয়। এটি সেই ধরনের লেখা। এই যে এই লেখার পাঠ-প্রতিক্রিয়া পাঠকরা যা যা বললেন সেগুলোও ওই কারণেই। এমনকি, আমিও ফিরে তাকিয়েছি নিজের দিকে। ফেলে আসা দুঃসময়গুলোর কথা মনে পড়ে গেছে একসঙ্গে। এই ধরনের লেখা লিখতে গেলে আবেগ এসে পড়াটাই স্বাভাবিক ও সঙ্গত। কিন্তু আপনি খুব কৌশলে, লেখকসুলভ নির্মোহতা নিয়ে আবেগের রাশ টেনে ধরেছেন (লেখায় এবং মন্তব্যের প্রতিউত্তরে)। মনে হচ্ছে, সচেতনভাবেই নিজেকে খানিকটা নিস্পৃহ-কঠোর মনের মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছেন। সবসময় পারেননি অবশ্য। ১৫ নম্বর মন্তব্যের উত্তর দেখেই সেটা বোঝা গেছে। এই নির্মোহতা লেখকদের জন্য খুবই উৎকৃষ্ট বস্তু বটে, তবে অনস্বীকার্য নয়। না থাকলেও চলে। ঠিকঠাক চলে।
যেমন জীবন চলে যে কোনোভাবেই, যে কোনো পরিস্থিতিতেই। বহমানতাই জীবনের ধর্ম। প্রিয় কারো চলে যাওয়ায়ও জীবন থামে না, তবে এমন এক ক্ষত তৈরি হয় বুকের খুব গভীর-গোপনে যে কোনোদিনই তা মুছে যায় না। প্রিয় মানুষের প্রস্থান মানে এমন এক শূন্যস্থানের জন্ম যা কোনোদিন কোনোকিছু দিয়ে ভরাট হয় না!
এই ধরনের লেখা পড়ে কোনোকিছু বলার জন্য পাষাণ হৃদয়ের অধিকারী হতে হয়! আমার তা নেই। পড়তে পড়তে চোখ ভিজে উঠেছে। নিজের হারিয়ে ফেলা
মানুষগুলোর কথা তীব্রভাবে মনে পড়ছে; আর সেগুলো ভুলে যাবার জন্য এইসব হাবিজাবি লিখছি। 'জ্ঞানগর্ভ' আলোচনা করে অনুভূতির তীব্রতাকে ঢেকে ফেলার চেষ্টা করছি।
কোনো সহানুভূতি নয়, শুধু জেনে রাখুন- আমি আপনারই মতো একজন। সেই অর্থে হয়তো সহযাত্রী!
লেখক বলেছেন: রাতে আপনার কমেন্টটি পড়ার পর আমি নিজে আরেকবার লেখাটা পড়লাম। সম্পূর্ন পাঠকের দৃষ্টি ভঙ্গি নিয়ে।
আসলে সত্যি বলতে কি, আমি পুতু পুতু আবেগি কিছু লিখতে চাইনি। শুধু ফোটাতে চেয়েছি সেই সময়ের ঐ বয়সী একটা ছেলের কথা যে সারাখন অভিনয় করে গিয়েছে। বুকের ভেতর উথালপাথাল ঢেউ নিয়েও যে কিনা চেষ্টা করেছে সবাইকে সামনের বদ্বীপটির প্রতি আকৃষ্ট করতে। আসলে সেই সময়টাতে শুধু আমার ফ্যামেলি নয়, বলতে গেলে পুরো বংশটাই এমন ভাবে আমার ওপর ডিপেন্ড করতে শুরু করে যে এক সময় সেটা বোঝার মত হয়ে ওঠে।
মন্তব্যের শেষ লাইনটা পড়লাম কয়েকবার। আসলে হয়তো মানুষ বলেই এত সহজেই খুব অপরিচিত কারো সহযাত্রী হয়ে উঠতে পারি। ![]()
চাঙ্কু বলেছেন:
জেডা @ ভাবছিলাম কম্পু অফ করে অফিসে যামু । কিন্তু তোমার লেখাটা পড়ে লগইন না করে পারলাম না ।কি কমু বুঝতেছিনা । এই ধরনের লেখা পড়লে এম্নিতেই আমি কিছুক্ষন অটো নির্বাক হইয়া যায় ।
এই ধরনের অনুভূতির মধ্য দিয়া যেন কেউ না যায়, এই আশা করি। আর কঠিন করে অনুভূতিটা লেখার মাঝে ফুটিয়ে তোলার জন্য খালি শুকনা অথবা ভিজা 'ঠাঙ্কু' কইয়া এই লেখাটাকে হাল্কা করতে চাই না । কি কইতে চাই বুইঝা লও ।
ভাল থেকো ।
লেখক বলেছেন: জেডা@ তোমারে দেইখা যে কি ভাল লাগলো সেইটা বলতে পারবোনা। কতবার তোমার ব্লগে গেছি।
জেডা তুমি কি বলতে চাইছো সেইটা আমি বুঝছি। এক্সপ্লেইন করতে হবেনা।
তুমি অনেক ভাল থাইকো জেডা, মাঝে মাঝে ব্লগে লগইন কৈরো। তোমার পোস্ট / লেখা পড়লে মনটা ফুরফুরা হয়ে ওঠে।
ভাল থাকো জেডা @ টেক কেয়ার।
বিষাক্ত আলো বলেছেন:
ভেবেছিলাম, নতুন কোনো পোস্ট না দিলে আর মন্তব্য করবনা, আপনার জন্মদিনে উইশ ও করিনাই,...কিন্তু এখন আর কি বলি...
লেখক বলেছেন: কি আর বলবেন?
কঁাকন বলেছেন:
ভালো থাকুনআর কি বলবো ভুলে থাকতে বোবোনা তবে এর থেকে বেরিয়ে আসবেন সেটাই চাই
ভালো থাকুন
জীবন এরকমই
লেখক বলেছেন: বাস্তবে বেরিয়ে এসেছিতো, কিন্তু মনস্তাত্বিক কিছু জটিলতা যা আমাদের প্রতিনিয়ত গ্রাস করে....তার থেকে মুক্তি পাইনি। চেষ্টা চলবে........
চলছে লড়াই চলবে........
তনুজা বলেছেন:
আপনার লেখাটা পড়ার পর শুধু একটা কথাই ধার করা যায়..."নীরবতা স্বর্ণময়"।অনুভূতির গভীরতম প্রদোষে আমরা সবাই কেমন একই রকম। আমি, আপনি, যে ছেলেটা এখন অপারেশনের টেবিলে মাকে রেখে দিন গুণছে ..
লেখক বলেছেন: "অনুভূতির গভীরতম প্রদোষে আমরা সবাই কেমন একই রকম" কারণ আমরা মানুষ।
সবাই ভাল থাকুক। আপনি আমি আর ঐ ছেলেটা.........
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
আমার চোখে জল এল। আপনার বাবার মৃত্যু নয়, আপনার অনুভূতিটুকু ছুঁয়ে। প্রিয় পোস্ট। ভেঙে-না-পড়া মানুষরা আমার চিরকালীন বন্ধু।
লেখক বলেছেন: ভেঙে পরার জন্য যে পরিমান আর্থিক এবং মনস্তাত্বিক প্রাচুর্য্য থাকতে হয় তার অভাবেই হয়তো আজো সেভাবে ভেঙে যাইনি।
আপনার কমেন্টটি পড়ে খুব ভাল লাগলো।
মুকুট বলেছেন:
কি বলব, চোখে পানি এসে গেল.........আপনার বাবার বিদেহী আত্নার শান্তি কামনা করছি......শুভকামনা আপনার পুরা পরিবারের জন্য!
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। আপনার জন্যেও অনেক অনেক শুভকামনা।
অক্ষর বলেছেন:
এই পোস্ট দেয়ার আগেও আমি তোমারে অনেকবার কল কর্ছিলাম, দুইটা সেলফোনেই কিন্তু তুমি ধরো নাই। নাম্বার নিশ্চয় উঠে, তাইলে দেখার পরেও কেন ধরো নাই। ধৈরা এই কথা গুলা কৈলেই তো ল্যাঠা চুইকা যাইতো।১৭ নাম্বারের উত্তরে কৈছো আমি নাকি ভুল বুঝছি। এই কথা তোমারে কে কৈলো। আমি তোমারে ভুল বুঝছি মানে। আমি কি কোনো কথা দিয়া সেইটা তোমারে কৈছি। তোমার সাথে তো কোন কথাই হয় নাই।
১ নাম্বার কমেন্টেও বিডি আইডল সন্দহ কর্ছে আমি কিছু কৈছি তোমারে!!!
লেখক বলেছেন: আসলে নাজমুল কে কি বলল তা নিয়ে আমার মাথাব্যথা নেই। আমি শুধু চেয়েছি গত কয়েকদিনের উদ্ভট আচরণ গুলোর একটা যুক্তি সঙ্গত ব্যাখ্যা দার করাতে।
অক্ষর বলেছেন:
এইমাত্রও কয়বার ফোন দিলাম তোমারে, কিন্তু ধর্লা না!!!
লেখক বলেছেন: ফোনের কাছে ছিলাম না ![]()
লেখক বলেছেন: চিয়ার আপ ম্যান, ইটস নাথিং ![]()
রোবোট বলেছেন:
মন খারাপ হয়ে গেলো। পারলে পরে কমেন্ট করবো।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, ভাল থাকুন।
মিলটন বলেছেন:
কাল যখন এই লেখাটি পোষ্ট করেছিলেন তখন মনে হয় আমিই প্রথম পাঠক ছিলাম অফলাইনে। অনেকবার চেষ্টা করেও কিছু লিখতে পারিনি। তাই লগঅন করা হয়নি। অনেকবার চেষ্টা করেছি কিছু একটা বলতে, কিন্তু পারিনি।আজ সকালেও কিছুই খুজে পেলাম না। এত টাচী লেখা গুলো পড়তে খুব কষ্ট হয়। কষ্টে মনটা বিষিয়ে আছে। কোন রেটিং করার সাহস পাচ্ছি না।
লেখক বলেছেন: অনেক ভাল লাগলো। আসলে বলার কিছু নেই বা বলবার মত কিছু থাকেও না। তবু নিছক স্বান্তনার কথা শুনিয়ে দেই আমরা।
আপনাদের ছুঁতে পেরেছি জেনে ভাল লাগলো।
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
লেখক বলেছেন: কি বললা কিছু বুঝলাম না।
লেখক বলেছেন:
আপনিও অনেক ভাল থাকুন। অনেক।
কৌশিক বলেছেন:
প্রিয়তে
লেখক বলেছেন: ভাল লাগলো শুনে। অনেক ধন্যবাদ।
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
এমন দুঃখবোধের সামনে আমি নিজে খুব বিপন্নবোধ করি। আর কী বলবো বুঝে পাচ্ছি না।
লেখক বলেছেন: আর একটা সময় এই বিপন্নতার অনুভূতি গুলোকে মোকাবেলা করতে হয়েছে একা একা। ![]()
ভাল থাকুন, শুভেচ্ছা নিন।
বিধান রিবেরু* বলেছেন:
কিছু কিছু আবেগ বা বোধ থাকে যা সর্বজনীন। এই লেখায় তেমনই এক আবেগের স্পর্শ রয়েছে।ধন্যবাদ ক-খ-গ, আসল নাম আর বললাম না। আপনি মাঝে যে নাইম ভাইয়ের নাম বললেন, উনি কি আমাদের চিকন-চাকন, চোখে চশমা পড়া নাইম ভাই???
লেখক বলেছেন: হু বিধান, উনি সেই নাঈম ভাই। নিচে না.ধ তার ছবি দিয়েছে ![]()
মুহিব বলেছেন:
সবার সাথে আমিও একটু পড়ে নিলাম লেখাটা।কে যেন কবে বলেছিল না জেনে কাওকে আঘাত করতে নেই। আমরা জানি না কার মনে কখন কি চলছে। অভিনেতা দিলদার যখন বাবার মৃত্যু খবর পেয়ে বাড়ী যাচ্ছিল তখনও রাস্তার লোকজন তার সাথে মজা করছিল।
বাবুয়া ভাইকে কখনও কখনও হার্ট হতে দেখার পর জানলাম তিনি কেমন অসুস্থ।
লেখক বলেছেন: কেউ আসলে আমাকে আঘাত করেনি। আমি কিছুদিন ধরে উল্টো পাল্টা আচরণ করছি সবার সাথে। তাই ভ্রুকুটি ওঠার আগেই শূন্যস্থান পূরণ করে নেয়ার চেষ্টা।
ভূল বুঝবেন না প্লিজ।
ইউনুস খান বলেছেন:
কল্লোল ভাই একটা সময় ছিলো যখন ব্লগে খুব নিয়মিত ছিলাম আপনার কমেন্টগুলো আমি খুঁজে খুঁজে পড়তাম। কারন আপনার মন্তব্যে আমি খুবই মজা পেতাম। কোন একটা কারনে আমি পারতপক্ষে অনলাইন থেকে আপনার ব্লগে আসিনা। কিন্তু প্রতিনিয়তই অফলাইন থেকে পড়া হয়। আজও তার ব্যাতিক্রম ছিলোনা।লিখাটা হৃদয় ছুঁয়ে গেলো। চোখের পানি আটকাতে পারলামনা। বাবা বেহেস্তে যাক সেই কামনা করি। স্যালুট আপনাকে ভেঙ্গে না পড়ে জীবনকে ধাবমান সিড়ি দিয়ে উপরে টেনে নেওয়ার জন্য।
ভালো থাকুন সবসময়। আপনাদেরকে অনেক অনেক মিস করি। নাজমুল, সাজু, কাউয়া সবাই কে। সবাই কে।
লেখক বলেছেন: সত্যি খুব ভাল লাগলো আপনার কমেন্ট পড়ে। ![]()
অনেক ভাল থাকুন ইউনুস। নিরন্তর শুভেচ্ছা থাকলো আপনার জন্য।
অক্ষর বলেছেন:
তুমি ফোন ধরো না ক্যা? না ধর্লে কৈয়া দেও যে ধর্বা না, আমি আর করুম না
লেখক বলেছেন: আমি ফোনের কাছে নাই। ৩ টা ফোনই বাসায় ফেইলা আসছি ভুলে। মা অফিসে ফোন কৈরা তুমি সহ আরো বেশ কয়েকজনের ফোনের কথা জানাইলো। স্যরি ![]()
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
আমি কিছুই মনে করিনি, ৩১ জানুয়ারী খুব অবাক হয়েছিলাম, তার পর জানতে পারলাম আপনার বাবার মৃত্যবার্ষিকি ...তার পরে আর অবাক হইনি ...আমি আসলে আপনার কোন পোষ্ট এ আপনার থেকে কোন কমেন্ট আশাও করিনি ...আমি শুধু আপনার পোষ্ট এ নিয়মিত যেতাম এটা বোঝাতে যে, আমি আপনার সাথে আছি ...
আমি আসলে বলতে চাই নি, আমার বাবার মৃত্যবার্ষিকী আগামী ১৬ মার্চ। এটাই বাবাকে ছেড়ে আমার প্রথম বছর...
ভালো থাকার চেষ্টা করাটাই জরুরী, কতটুকু ভালো থাকতে পারলাম সেটা জরুরী না ...
লেখক বলেছেন: "ভালো থাকার চেষ্টা করাটাই জরুরী, কতটুকু ভালো থাকতে পারলাম সেটা জরুরী না ..."
সারাটা জীবন সবাইরে এই কথাটা বৈলা আসছি আর আজকে তুমি বাচ্চা পোলা আমার কথা আমাকে ফিরায় দিলা....... ![]()
আসলে চেষ্টাটাই সবচে জরুরী।
(আর কি বলবো?? কিছুনা)
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
বিধান রিবেরু* বলেছেন: ধন্যবাদ ক-খ-গ, আসল নাম আর বললাম না। আপনি মাঝে যে নাইম ভাইয়ের নাম বললেন, উনি কি আমাদের চিকন-চাকন, চোখে চশমা পড়া নাইম ভাই???
আপনারা কি এনার কথা বলছেন:......
লেখক বলেছেন: হ রে ভাই। এর কথাই কৈতেছি। আপনে হের ছবি পাইলেন কৈ আর আপনি হেরে চেনেন ক্যামনে??
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে ![]()
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
ফেসবুকে.....
Click This Link
Click This Link
আপনি চেনেন ক্যামনে?
আপনে কি বাসদ করেন নাকি?
লেখক বলেছেন:
ছাত্রফ্রন্ট করতাম, পরে কিছুদিন বাসদও করেছি। ![]()
নাঈম ভাইকে চিনি একই এলাকার বাস করার সুবাদে। এখন অবশ্য পার্টি হাউজ আর ঢাকার বাইরেই বেশি থাকেন।
কেমন করে সবাই ভুলে থাকে অন্তরের বেদনা!
অনেক ধন্যবাদ। শেয়ার করবার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ ![]()
সহেলী বলেছেন:
আমি ড্রাফট করিনি , মুছে দিয়েছি । আমি এমন একজন যে সব দু:খ কষ্ট জয় করতে জানে ,ভুলে থাকতে জানে । ওসব আমি মনে রাখতে চাইনা ।
লেখক বলেছেন: সবকিছুই যদি মুছে দেয়া যেত...........
ভাল থাকুন।
কাল কিছু লিখতে পারিনি, আজও না............
আমাদের এসব নিয়েই বেঁচে থাকতে হয়, মানুষ হবার বিড়ম্বনা।
তাঁর আত্মা যেন শান্তিতে থাকেন, এই কামনা।
লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। আজকাল ছবি তুলছেন না??
রোবোট বলেছেন:
বেশ কয়েকজন কাছের মানুষের মৃত্যু দেখেছি, তবু মন খারাপ হলো। স্বান্তনা দেবো না। (আমার বাবাও ক্যানসারে মারা গেছেন) কাছের মানুষের মৃত্যু মানুষকে বদলে দেয়, এটা অনেকেই বোঝে না। বছরের এসময় আপনার (নাকি তুমি বলা উচিত, আমার বয়স তিরিশের শেষ দিকে) অন্যরকম আচরণ নিয়ে আশে পাশের কে কি বললো সেটা নিয়ে মাথা ঘামিও না। "Those who matter do not care; those who care do not matter."
লেখক বলেছেন:
আপনি নির্দ্বিধায় আমাকে তুমি বলতে পারেন। আমি মোটেও ফর্মাল নই......
আসলে কেউ আমাকে কিছু বলেনি। এমনিতেই ভাবলাম কিছু প্রশ্ন যদি আদৌ জন্মে থাকে তবে আগে আগে উত্তর দিয়ে দেয়াই ভাল। ![]()
অনেক অনেক ভাল থাকুন।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
"আমিও তোমার মত বুড়ো হব-বুড়ি চাঁদটারে আমিকরে দিব কালিদহে বনজলে পার;
আমরা দু'জন মিলে শূণ্য করে চলে যাব জীবনের প্রচুর ভাড়ার।"
আবেগটা ঘনীভূত হয়ে এলে ক্ষণিকের জন্য চোখ ঝাপসা, কন্ঠ রুদ্ধ হয়ে আসে। মনের অস্থিরতা ভাষার আকার পাবার জন্য ছটফট করতে থাকে। লিখে আমরা শান্তি পাই।
লেখক বলেছেন:
তবুওতো পেচা জাগে,
গলিত স্থবির ব্যাং আরো দুই মুহূর্তের ভিক্ষা মাগে
আরেকটি প্রভাতের ইশারায় অনুমেয় উষ্ন অনুরাগে......
অনেক ভাল লাগলো।
স্বজন বলেছেন:
জীবনটাই এমন। আমিতো বাবা-মা দুজনকেই হারিয়েছি। তারপর ও ভাল থাকার চেষ্টা করি। হয়তো সেটা অভিনয়, কিন্তু এভাবেই চলতে হয়। কারন এটাই জীবন। ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন:
আসলেই স্বজন, জীবনটাই এমন। থেমে থাকেনা.......
অনেক অনেক ভাল থাকুন। শুভকামনা রইলো।
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
ও ভাইজান ...
লেখক বলেছেন:
কি রে সাঁঝু ...
জেরী বলেছেন:
জীবন তো থেমে থাকে না........চলছে.......ভবিষ্যতে ও চলবে(গুছিয়ে কিছু বলতে চেয়েছিলাম কিন্তু পারছিনা..........অনেক টাচি লেখাটা(অফটপিক: আপনারা কি এখনো নাখালপাড়ার বাসিন্দা!!!!!)
লেখক বলেছেন:
চলছে লড়াই চলবে, ক-খ-গ লড়বে......... ![]()
অফটপিক : সেই ১৯৮৩ সাল থেকে আজ অবধি নাখালপাড়ায় থাকি........ ![]()
অক্ষর বলেছেন:
ভালো আছেন দাদা?
লেখক বলেছেন:
হ দাদা, ভাল আছি। আপনি কেমন আছেন ?
অক্ষর বলেছেন:
দাদাকে কিছু জিজ্ঞেস করেছিলাম
লেখক বলেছেন:
উত্তর পাইছেন দাদা?? ![]()
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
প্রিয় কল্লোল.....................।
লেখক বলেছেন:
বুঝে নিয়েছি.......................।
ইরতেজা বলেছেন:
দুর, আজ এমনিতেই মন খারাপ, লেখাটা পড়ে খুব কষ্ট লাগছে। প্রিয় পোষ্ট
লেখক বলেছেন:
মন খারাপ নিয়ে এই লেখাটি পড়া মোটেই উচিৎ হয়নি আপনার। ![]()
অনেক অনেক ধন্যবাদ। নিরন্তর শুভেচ্ছা........
লেখক বলেছেন: সেইটাতো অনেক আগেই আপ্নার এক পোস্টে বলছিলাম। আমার কমেন্ট কেউ-ই মন দিয়ে পড়েনা ![]()
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
Mail e ja bolechilam, eta ta noy , annyo katha, buje nite hobe. hoyto buje niyecho. ( the br is'nt supporting Bangla type-set)
লেখক বলেছেন:
বুঝে নিয়েছি............. অনুচ্চারিত কথাগুলো বুঝেনিতে পারি..........
পজিটিভ২৯ বলেছেন:
......... ......... ......... .................. ......... ......... .........
প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ ![]()
আলিফ দেওয়ান বলেছেন:
আহারে বাথিজা। তুই দুক্ক করিশ না রে। দুক্ক কশ্ঠ সব আলমাড়িতে তুলি রাকি দে নেপথলিম মারি। খালি আনন্দ করিভি আর আনন্দে তাকিভি।
লেখক বলেছেন:
কাগু তুমার কমেন্ঠ পড়ি মন্টা ভাল হয়ি গেলু........
লেখক বলেছেন:
হ জেডা আছি, তুমি ভালা নি?? ![]()
মনির হাসান বলেছেন:
আমার আইডিতে একটা ব্ল্যাঙ্ক মেইল ছারেন .. আপনার জীমেইল আছে তো ..hasan.monir@gmail ...
লেখক বলেছেন:
আছে, ছারতাছি........
লেখক বলেছেন:
নো কমেন্টস্ ![]()
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
অক্ষররে ধইরা মাইর দেয়া লাগিবে ...বেশী পাকনা হয়া গেসে ...
আপনের নতুন সিরিজের কতদুর লিখলেন ...পড়ার জন্যে বসে আছি...
লেখক বলেছেন:
লিখতে সময় লাগবেনা বেশি। তবে সময় লাগবে কি ধরনের লিখবো সেটা ঠিক করতে।
ভাল থেকো।
(তোমার সাথে কিছু কথা আছে, পরে বলবো।)
লেখক বলেছেন:
Your joy is your sorrow unmasked.
And the selfsame well from which your laughter rises was oftentimes filled with your tears.
And how else can it be?
The deeper that sorrow carves into your being, the more joy you can contain.
Is not the cup that holds your wine the very cup that was burned in the potter's oven?
And is not the lute that soothes your spirit, the very wood that was hollowed with knives?
When you are joyous, look deep into your heart and you shall find it is only that which has given you sorrow that is giving you joy.
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
মনির হাসান বলেছেন: আশ্চর্য এই জানুয়ারী ফেব্রুয়ারীতেই আপনার সাথে পরিচয় .. ধরতে পারিনি ..
ভালো থাকুন ..
লেখক বলেছেন:
আপনিও অনেক ভাল থাকুন প্রণব! ![]()
সুদীপ্ত বলেছেন:
নিজেকে নিরাবেগ ভাবতে আমার ভালো লাগে। প্রিয় ব্লগারদের কষ্টের পোস্টগুলো আমি এড়িয়ে যাই, অনেকটা আত্মপ্রবঞ্চনা বলতে পারেন।ভেবেছিলাম এই পোস্টে কমেন্ট করবো না। বলব না যে এই প্রথম কোন পোস্ট পড়ে আমার চোখ অশ্রুসজল হয়ে উঠেছে।
কিন্তু সাথে এও মনে হল, আমার প্রিয় ব্লগারের সেরা পোস্টে যদি আমার কোন কমেন্ট না থাকে সেটাই বা কেমন দেখায়!
ব্লগে আপনার অপ্রতিরোধ্য দৃঢ়তার উৎস এতদিন বুঝি নি। আজ বুঝলাম।
পোস্ট প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন:
পৃথিবীর কেউই নিরেট নিরাবেগ নয়। সবার ভেতরেই কিছু না কিছু আবেগ আছে। আপনি রাজাকার বা জামাতি কাউকে দেখে খেপে ওঠেন সেটা আপনার ভেতরকার আবেগেরি বহিপ্রকাশ। তাই আবেগ আপনার ভেতর যথেষ্ট পরিমানেই বর্তমান। ![]()
বাকি কথা গুলোর জন্যে শুকনো ধন্যবাদ দেয়া ছাড়া আর কিছুই বলার নেই। আপনাদের জন্যেই এই ব্লগে এতটা সময় কাটাই।
শুভেচ্ছা নিন।
লেখক বলেছেন:
মেইল পাইছি এবং এতক্ষনে তুমি এনসারো পাইয়া গেছো ![]()
লেখক বলেছেন:
চিয়ার আপ ![]()
লেখক বলেছেন:
কমেন্টটি পুরোপুরি বুঝলাম না
ভাল থাকুন।
পলাশমিঞা বলেছেন:
লেখা পড়ে বেহায়ার মত লগিন করলাম মন্তব্য করার জন্য। আমার অন্তরাত্মা চাপাকান্না করছে। ভাই শুধু এই টুকু বলব, কিছু বলার নেই তবে তার কাছে সবাইকে একদিন যতেই হবে
ভালো থেক সদা সুখে থেক। মেসেঞ্জারে আসলে হয়ত কথ হত।
সবার জন্য দোয়া রইল।
লেখক বলেছেন:
অনেকদিন পর দেখলাম আপনাকে পলাশ ভাই। ভাল লাগলো.......।
কেমন আছেন??
অনেক ধন্যবাদ নিরবতা ভেঙ্গে আমার পোস্টে কমেন্ট করার জন্য। ভাল থাকুন।
চাঙ্কু বলেছেন:
নক !!!! নক !!!
লেখক বলেছেন: জেডা আমি ঠিংকিং করতেছি ![]()
লেখক বলেছেন:
![]()
আপনিও অনেক ভাল থাকুন। শুভেচ্ছা নিন।
ঘাস ফুল বলেছেন:
......রূপকথার ফিনিক্স পাখিটা আর কেউ না......সেটা তুমি......সবুজ ব্যাঙ এর সাথে সমুদ্রে যাব.........
লেখক বলেছেন: সমুদ্রেই যাবো রে......ওই আমাকে পুরোপুরি বুঝতে পারে........
কেমন আছিস রে?
লেখক বলেছেন:
কাইন্দোনা কাইন্দোনাগো সাঁঝু মেয়া, তোমার লাইগা ছেরেল্যাক ![]()
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
ছেরেল্যাক দেওনের ও কেউ নাই, সবাই সমুদ্রে যায় ...আমি সমুদ্রের হানি খামু ...
লেখক বলেছেন: আজকে কও হানি খামু, কাইল্কা কৈবা হানিমুনে যামু....... তোমার মতিগতিতো ভালো ঠেকতেছে না.........
আবু নাঈম বলেছেন:
ক-খ-গ"হাসানের সঙ্গে যখন পরিচয়, কামাল বিন মাহতাবের ছোটগল্প অফিসে_সেই কামাল সম্বন্ধে খানিকটা বলা দরকার। এই ভদ্রলোক সাহিত্য করতে গিয়ে, সাহিত্যপত্রিকার জন্য নিজেকে সর্বস্বান্ত করেছে। ওই সময়ে তাঁর 'ছোটগল্প' পত্রিকা খুবই প্রশংসিত ছিল। অনেকেই নিয়মিত লিখেছেন_আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, আবদুল মান্নান সৈয়দ, হায়াৎ মামুদ, জ্যোতি প্রকাশ দত্ত_অনেকেই। আমি নিজেও নিয়মিত লিখেছি।" _ আহমদ ছফা (হাসান তারা হয়ে গেছে, ছফা রচনাবলি, চতুর্থ খণ্ড, পৃ: ১৮২-৩)
এখনো যে আমার কথা তোমার মনে আছে, ভাল লাগল। আর তুমিও নিশ্চয়ই বুঝতে পারছ, আমি মনে রেখেছি কিনা।
ধন্যবাদ ক-খ-গ।
বাস্তবে দেখা সাক্ষাৎ না হোক, ব্লগে দেখা হবে। ....
আবু নাঈম
লেখক বলেছেন: নাঈম ভাই আপনিও ব্লগে এলেন? খুব ভাল লাগছে......
নিকো কে দেখলাম, সাথে বিধান.......
দেখা হবে, অনেক কথা আছে!
আবু নাঈম বলেছেন:
হাসান, অর্থাৎ আবুল হাসান। বুঝেছ?
লেখক বলেছেন: বুঝেছি, এই আবুল হাসানের কবিতার সাথে আপনিই আমাকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন।
লেখক বলেছেন: অনেকদিন আগুন জ্বালাইনা নাঈম ভাই, অনেক দিন!
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
ভাই, আমি মুগ্ধ হয়ে গেলাম। আমি আসলেই মুগ্ধ হলাম। এটা কত সালের ঘটনা একটু বলবেন ? শুভেচ্ছা তে কি আর গিয়েছিলেন ? আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।
আবারো ধন্যবাদ।
[ এখন যদি জিজ্ঞাসা করেন যে, প্লাস দিসি না মাইনাস, তাইলে কইলাম মাইর।]
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। রেটিং নিয়ে আমি মাথা ঘামাইনা ![]()
ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: কি ভাই ![]()
![]()
![]()
![]()
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
আজকে আমার মন এম্নিতেই একটু খারাপ ছিল। আপনার এই লেখার লিঙ্কটা কোথা থেকে যেন পেলাম। এত সাবলীল বর্ণনা, আমার মনে হচ্ছিল আমি সব দেখতে পাচ্ছিলাম। সব অনুভুতি আমাকে ছুয়ে যাচ্ছিল। কোন ফাকে যে টপটপ করে জল গড়িয়ে পড়ল চোখ দিয়ে টেরও পাইনি। অসাধারন লেখা। এই অনুভূতি বোধকরি অনেক অনেক দূর নিয়ে যাবে আপনাকে। সব সময় ভাল থাকবেন, এই প্রত্যাশায়।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। আপনার সুবাদের বেশ কিছুদিন পর এই লেখাটা আবার পড়া হলো। ![]()
চাঙ্কু বলেছেন:
এইলেখাটা যতবার পড়ি ততবার মন কি রকম হয়ে যায় !!! আবারও ধন্যবাদ জেডা । তুমারে অনেক মিস করি ।
লেখক বলেছেন: জেডা তুমি ভালু থাকো। তুমারেও অনেক মিস করি। তয় নিজেরে পাল্টায় ফেলতেছি আস্তে আস্তে। আবার নিয়মিত হমু।
চাঙ্কু বলেছেন:
এইলেখাটা যতবার পড়ি ততবার মন কি রকম হয়ে যায় !!! আবারও ধন্যবাদ জেডা । তুমারে অনেক মিস করি ।
লেখক বলেছেন: ![]()
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
আজ সকালেই এক প্রিয় মানুষের মৃত্যু সংবাদ পেলাম। জানিনা, মৃত্যু কী জিনিষ। শুন্যতাবোধ ছাড়া অন্য কোন অনুভূতি নেই! তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
আজ সকালেই এক প্রিয় মানুষের মৃত্যু সংবাদ পেলাম। জানিনা, মৃত্যু কী জিনিষ। শুন্যতাবোধ ছাড়া অন্য কোন অনুভূতি নেই! তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।
রাগ ইমন বলেছেন:
কিছুই মেলে না ।না দাহ, না ঘৃণা , না প্রেম ।
খালি অবাক করা কষ্টের রঙ গুলোই মিলে গেলো
আমি ও আমার অবন্ধু একই অক্ষাংশে !
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















.jpg)




