এদেরকে ৫টা টাকা দিলে সারাদিন বঙ্গবন্ধু বঙ্গবন্ধু বইলা মুখে ফেনা তুলতে পারে।
আবার এক বেলা খাবার দিলে শহীদ জিয়া শহীদ জিয়া বলে পায়ের কাছে গড়াগড়িও দিতে পারে।
এদের অতীত বর্তমান ভবিষ্যৎ বলে কিছু নাই।
এদের একটাই পরিচয় এরা চামচা।
চামচামি ছাড়া এদের জীবনে আর কোন কর্মই নাই।
চামচা হয়েই এদের জন্ম, চামচামি করেই এদের মৃত্যু।
তাইতো কবি বলেছেন এদেশে শস্যের চেয়ে চামচা বেশি।
যেই মানুষগুলিরে নিয়া এরা ধ্যানে জ্ঞানে দিবানিশি চামচামি করে তারাও আইজ কবরে বইয়া কয়, মাপ কর বাপ, তরা এইবার থাম।
কিন্তু এরা তবু এরা থামে না। এদের রক্তে হাড্ডিতে মাংশে ঢুকে গেছে চামচামি।
এদের প্রতিযোগিতা কে কত বড় চামচা ?
নামাজ পড়ে যেমন কপালে দাগ পরে যায় এদের মুখমন্ডলে তেমনি চামচার ছাপ পরে গেছে।
এদের জহ্বায় কড় পড়ে গেছে পা চাটতে চাটতে।
এদের এই কড় পড়া জিহ্বা সব সময় কুকুরের জিহ্বার মত মুখের বাহিরে ঝুলে থাকে।
এদের বয়স যত বেশি এই কড় পড়া জিহ্বা তত লম্বা।
এরা চামচার জাতি ইহা ধ্রুব সত্য, দুনিয়াতে এইটাই এদের আসল পরিচয়।
এরা পথে একে অন্যকে শ্রদ্ধাভরে সম্বোধন করে, সালামালিকুম চামচা বলে।
তয় এদেশে চামচামি জন্মদাতা কিন্তু বঙ্গবন্ধু। তিনি সবচেয়ে বেশি পছন্দ করতেন যে জিনিষটা সেটা হলো তেল। তার চামচামি করেই এ জাতির চামচামির হাতে খড়ি। সত্যিই তিনি পিতা।
তবু আমি চামচাই রব এটাই আমার এমবিশনঃ জাতীয় সঙ্গীত
কিরে চামচা, কি খবর, সব খারিয়াত ?
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই আগস্ট, ২০১০ দুপুর ২:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


