এতে আদালত অবমাননার কি হলো ? ডবল সাজা আইনেও নিষিদ্ধ।
আদালত অবমাননার মামলায় মাহমুদুরের ৬ মাস কারাদণ্ড
দৈনিক আমার দেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে করা আদালত অবমাননার মামলায় আদেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
আজ বৃহস্পতিবার দেওয়া আদেশে মাহমুদুর রহমানকে ছয় মাস কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা, পত্রিকাটির বিশেষ প্রতিবেদক অলিউল্লাহ নোমানকে এক মাস কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা, প্রকাশক হাশমত আলীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে সাত দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে পত্রিকাটির বার্তা সম্পাদক মুজতাহিদ ফারুকী ও উপসম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
প্রধান বিচারপতি মোহাম্মদ ফজলুল করিমের নেতৃত্বে ছয়জন বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ উভয়পক্ষের শুনানি গ্রহণ শেষে এ আদেশ দেন।
আজ সকাল নয়টা ১৫ মিনিটে শুনানি শুরু হয়। এ সময় অভিযুক্ত পাঁচজনই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
শুনানিতে অংশ নিয়ে মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে আমি কোনো আদালত অবমাননা করিনি। বরং মিথ্যা তথ্য দিয়ে জালিয়াতি করায় অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা হওয়া উচিত।’
অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও আইনজীবী রফিক-উল হক শুনানিতে অংশ নেন।
অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এম কে রহমান ‘চেম্বার মানেই সরকার পক্ষে স্টে’ শিরোনামে প্রতিবেদনটি আদালত অবমাননাকর উল্লেখ করে এর পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন।
জানা যায়, গত ২১ এপ্রিল দৈনিক আমার দেশে ‘চেম্বার মানেই সরকার পক্ষে স্টে’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এটি আদালত অবমাননার শামিল দাবি করে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. রিয়াজউদ্দিন খান ও কাজী মাইনুল হাসান মে মাসের প্রথম সপ্তাহে মাহমুদুর রহমানসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে ২ জুন আপিল বিভাগ তাঁদের আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেন। পাশাপাশি রুলও জারি করেন। তবে ওই দিন ভোররাতে মাহমুদুর রহমান গ্রেপ্তার হন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




