সব সামরিক শাসন অবৈধ্য হলো কিন্তু মইনুদ্দিনের জরুরী অবস্থার কি হবে ?
ভবিষ্যতে এটাও অবৈধ্য ঘোষনা হবে।
তবে লক্ষ্যনীয় যে এটাও এদেশের বিচারপতিরাই করবে যেমন ঐ জরুরী অবস্থাকে বিচারপতিরাই বৈধ্যতা দিয়েছিল ২০০৮ সালে।
একই ভাবে জিয়া ও এরশাদের সামরিক শাসনকেও তৎকালীন বিচারপতিরা বৈধতা দিয়েছিল। আজ তারাই অবৈধ্য ঘোষনা করছে।
আবার আজ যে সামরিক শাসনগুলো বিচারপতিরা অবৈধ্য ঘোষনা করলো পট পরিবর্তন হলে এই বিচারপতিরাই আবার এগুলোর বৈধ্যতা দিবে।
প্রকৃতপক্ষে এদেশে বিচারপতিরাই প্রতিটি অসাংবিধানিক কু'কে বৈধ্যতা দিয়েছিল আজ তারাই অবৈধ্য ঘোষনা দিচ্ছে।
কয়েক দিন আগে মানবাধিকার কমিশন এদের সম্পর্কে যথার্থই বলেছিলেনঃ এদেশে আইনের শাসন কখনও ছিলনা আজও নেই। এখানে রায় বিক্রি হয়। এবং বিচার বিভাগের রন্ধ্রে রন্ধ্রে বাস করে দুর্নিতী।বর্তমান বিচার ব্যবস্থায় উকিল, মুক্তার, পেশকার, আইও, জেলার ও বিচারক এই চক্রকে স্বাধীন ভাবে লোক চক্ষুর আড়ালে এদেশের কোটি কোটি সাধারন মানুষের রক্তো চোষার পাকা ফুলপ্রুফ আয়োজন করে নিয়েছে আইন করে। আজ প্রতিটি জামীন এবং রায় স্বাধীন ও গোপনে নীলামে উঠছে ও বিক্রি হচ্ছে। একথা বলার পর, যদিও পরদিন থেকেই তার চাকরী নাই।
তো আদালত নিয়ে আলোচনা করতে চান ? সেক্ষেত্রে শুরুটা যথার্থ হতে হবে অবশ্যই। শোনেন, আদালত সম্পর্কে আমাদের গ্রামে গঞ্জে, হাটে বাজারে এবং কাচারি পাড়ায় অসংখ্য স্বতসিদ্ধ প্রবাদের মধ্যে একটা বহুল প্রচলিত প্রবাদ বাক্য হলো "৩৬০ টা শয়তান মরলে হয় একটা উকিল", কোথাও বলে "যখন একটা উকিলের জন্ম হলো, তখন শয়তান খুশী হয়ে গেলো, বললো, আহ আমিতো সন্তানের পিতা হয়ে গেছি ! " আবার এই ৩৬০ টা শয়তান মরে হয় যে উকিল/ব্যারিস্টার হয় সেই রকম একটা লোক ২০ বছর উকালতি/ব্যারিস্টারী/শয়তানী করার পর বিচারপতি পদে আবেদন করার যোগ্যতা অর্জন করে। তারপর হয় উচ্চ আদালতের বিচারপতি, সব বাল ফালানোর পর।
বিচারপতিরা আসলেই বেশ্যা, যখন যার সাথে শুয় তাকেই ভালোবাসে/আদর করে।
কোইনসিডেন্টাললী আমাদের আদালত পাড়াগুলো সবখানেই ব্যাশ্যাদের চারন ভূমি। স্ব-জাতীর প্রতি আস্থা ও ভালোবাসার নিদর্নশন।
সংযোজনঃ ড্রাফটঃ জেলা জজের অবস্থান সচিব ও তিন বাহিনীর প্রধানের ওপরে। ঠিক আছে হবে। যদিও এতে বিচারপতিদের অবস্থান গিয়ে দাড়াবে রাষ্ট্রপতির সাথে আর প্রধান বিচারপতির অবস্থান হবে রাষ্ট্রপতির উপরে। নো প্রবলেম, যেহেতু রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়ে প্রধান বিচারপতিকে শপথ করায় সুতরাং দেয়া যায়। ঠিক আছে সব হবে, তবে তার আগে স্বাধীন বিচার ব্যাবস্থা করতে হবে। এবং তারও আগে ঠিক করতে হবে স্বাধীন বিচার ব্যবস্থায় কার স্বাধীনতা সুরক্ষিত হবে ?
আজ দেশের প্রতিটি জেলার আদালত গুলোতে স্বাধীন ও গোপনে প্রতিটি রায় নীলামে উঠছে ও বিক্রি হচ্ছে। দ্যাশের মানুষগুলোর গরু বেচা, ক্ষেত বেচা টাকা খাওয়ার এ এক মহা স্বাধীন ও গোপন আয়োজন প্রতিটি জেলায় অর্থাৎ নিম্ন আদালে চলছে। আর উচ্চ আদালতে সেই বেচা কেনা অনেক উচ্চ দরের। যেমন গত বছর নাকি ১৫ হাজার রীটই মামলাই হয়েছে হাইকোর্টে। গড়ে একলাখ গুন পনের হাজার সমান স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা।
অতএব আমরা চাই, আদালতে উৎসুক পাবলিক, বাদী, বিবাদী, উকিল, পেশকার, আইও, এবং বিচারক ছাড়াও রিপোর্টার সাংবাদিকরা তাদের ক্যামেরা নিয়ে প্রবেশ করতে পারবে ছবি তুলতে, ভিডিও করতে পারবে প্রয়োজনে লাইভ দেখাতে পারবে রাষ্ট্রের মালিক জনগনকে তবে বিচারককে কোন প্রশ্ন করতে পারবে না। তাতে দেশের মানুষগুলি লোকাল পত্রিকায় জাতীয় ও পত্রিকায় আদালতের খবরগুলো জানতে পারবে। এটার নামই আসল স্বাধীনতা। বর্তমানে যা আছে তা হলো স্বাধীনভাবে লোকচক্ষুর আড়ালে রক্ত চোষার স্বাধীনতা।
উল্লেখ্যঃ আদালত অবমাননা আইনটি করা হয়েছিল বৃটিশ এবং পাকিস্তানের বিচারকদের যেন এদেশে অবিচার করতে কোন প্রশ্নের সন্মুখীন না হতে হতো তার জন্য। আমরা মনে করি স্বাধীন বাংলাদেশের বিচারকেরা পাকিস্তান বা হিজ লর্ডের নিযুক্ত ব্যক্তি নয় যে তাদের কু-কর্মের ইনডেমনিটি লাগবে। সো ফরগেট কনটেম্পট অব শয়তানের কোর্ট এন্ড টক লাউড
দ্রঃব্যঃ এদেশে প্রতিটি অসাংবিধানিক কু-কর্ম এরাই বৈধ করছে আবার এরাই অবৈধও রায় দিয়েছে।
তাই আদালতকে দেশের জনগনের চোখের সামনে আনতে হবে। যে কোন বিচার প্রক্রিয়া জনগনকে সরাসরি লাইভকাষ্ট দেখার অধিকার দিতে হবে। প্রেস মিডিয়া আর পিপলস আইস লেট দেম সি হাও ইউ ট্রাই এ কেইস ?
আদালত যতই প্রকাশ্য হবে ইহা ততই স্বাধীন হবে ন্যায় বিচার ততই নিশ্চিত হবে। সরল সত্য। এনি কনফিউশন ?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

