somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাংলাদেশের এতবড়বড় সব নেতা, এমপি মন্ত্র -আসলে সব সাংবিধানিক পা-চাটা কুত্তা ।

১৪ ই মে, ২০১১ রাত ১০:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কি পা-চাটা কুত্তা বলায় মাইড করলেন ? তাহলে দেখেন এর চেয়ে বেশি আর কি বলা যায় এদের !

মন্ত্রী বলেন আর এমপি বলেন, মওদুদ আহাম্মেদ বলেন সুরঞ্জিত সেন বলেন, জয়নাল আবেদিন বলেন আর সাহারা খাতুন বলেন অথবা কোন ওয়ার্ড আওয়ামী বা বিএনপি সভাপতি বলেন অথবা ছাত্রলীগ বা ছাত্রদল সভাপতি বলেন এরা সবাই মুজিব ও জিয়া এই দুই পরিবারের গৃহপালিত পা-চাটা কুত্তা। তাদের এই পদবীটা আমরা দিচ্ছি না, এটা তাদের সংবিধানিক পদ, এরা সবাই সাংবিধান ভাবেই এক একটা পা-চাটা কুত্তা- তা কেউ পছন্দ করুক আর না করুক। সংবিধানকে কেউ অবশ্যই অস্বীকার করতে পারে না, এবং করেনা। বরং এদের স্বপ্নই "আমি আরও বড় পা-চাটা কুত্তা হবো, পা-চাটতে চাটতে আমার হাত মাটি পর্যন্ত ঝুলে যাবে", এই নিয়েই যত প্রতিযোগীতা"। কখনও পা-চাটায় সামান্য হেরফের হলে বাকি কুকুরের দল থেকে পিছিয়ে পরবে এমনকি লাথি দিয়ে বের করে দেবে প্রাসাদ থেকে যার উদাহরন অনেক আছে, ড. কামাল, বি চৌধূরী, কাদের সিদ্দিকী প্রমূখ। পর
সংবিধান কি ভাবে এদের কুত্তা বানালো ? এবার শুনুন সেই ইতিহাস ! বাংলার আপাময় জনগণ ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে বুকের রক্ত দিয়ে ৩০ লক্ষ শহীদ ও ২ লক্ষ মাবোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত যে স্বাধীনতা তার সাথে বেইমানী করে দেশের তৎকালীন ৭ কোটি মানুষের সাথে প্রতারনা করে ১৯৭২ সালে যে সংবিধান রচনা করা হয়েছিল তা একটি পরাধীনতার সংবিধান। শহীদের রক্তের সাথে বেঈমানী করে সেদিন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের যে সংবিধান রচনা করা হয় তা এক কথায় ছিল হোসনি মুবারক, গাদ্দাফির মিশর লিবিয়ার আদলে পরিবারপ্রজাতান্ত্রীক বাংলাদেশের সংবিধানের মাধ্যমে।

এই সংবিধানে একই ব্যক্তি আমৃত্যু প্রধানমন্ত্রী বা সরকার প্রধান থাকতে পারবে এমন সুযোগ রাখা হয় এবং অনুচ্ছেদ ৭০ মোতাবেক কোন নির্বাচিত সংসদ সদস্য যদি দলের "অর্থাৎ সেই সরকার প্রধানের" বিপক্ষে ভোট দেয়/কথা বলে তাহলে তার সংসদ সদস্য পদই বাতিল হয়ে যাবে। স্বাধীন দেশকে কোন ব্যক্তির কুক্ষিগত করার মনোবাসনা থেকে করা এই সংবিধান নিৎকৃষ্টতম, রাজতন্ত্রের চেয়েও খারাপ শাসনব্যবস্থা শাসনতন্ত্র। জনগণকে রাজনৈতীক দলের দাসে পরিনত করতে, তোষাম্মদ ও চাটুকারীর/ব্রিফকেস-পার্টির রাজনৈতিক আদর্শে অনুপ্রণীত করা এই সংবিধানের মাসুল দেশর জনগণ গত ৪০ বছর যাবৎ দিচ্ছে। এর পর সংবিধানের অনেক পরিবর্তন হলেও কুকুরের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হয়নি।


কি এবার প্রমান হলো এরা সবাই সাংবিধানিক পা-চাটা কুত্তা ?

কারা এই সংবিধানের প্রস্তুত কারক ? ১৯৭০-এর পাকিস্তান রাষ্ট্রের নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্য যারা কোরআনের শপথ নিয়ে পাকিস্তান রক্ষার অংঙ্গীকার করে নির্বাচন করেছিল। যাদের লক্ষ্য ছিল নির্বাচিত হয়ে পাকিস্তানের সংবিধান রচনা করবেন। তারাই করেছিলেন ১৯৭২ এর সংবিধান, যাদের বাংলাদেশের সংবিধান তৈরির কোন নৈতিক অধিকার ছিল না। এই সংবিধান আসলে একটি অবৈধ্য জারজ সংবিধান। এই সংবিধান রচনার সাথে জনগণের, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কোন সম্পর্ক ছিল না। এই সংবিধানের স্বপ্ন বুকে নিয়ে কেউ সেদিন বুকের রক্ত দেয়নি।

এরকম পরিস্থিতিতে বিশ্বের সর্বত্র গণপরিষদ গঠন করে সংবিধান রচনা করা হয়। যুদ্ধের পর সকল দল, ধর্ম, মতের মানুষ নিয়ে গণপরিষদ কোথায় ? গায়ের জোরে বললেই হলো নাকি যে আমি একা করবো ? পরে প্রশ্ন উঠবেই, আজ না হউক আরও পরে এই ভাবনা কি তখন তাদের মাথায় আসেনি, বিশ্বাস করতে হবে ? এই ভুলটা তখন কিভাবে করলো ? এতেই প্রমানীত হয় সংবিধানটা ম্যালইনটেনশন থেকে তৈরী - স্বেচ্ছাচারীতা থেকে তৈরী। যেমন আজ যদি একটা গণভোট নেয়া হয় এমনঃ একই ব্যক্তি দুই বারের বেশি প্রধানমন্ত্রী বা সরকার প্রধান থাকতে পারবে না।

বলেন আজও এই সমস্ত পা চাটা কুত্তাদের কি আর ভোট দেয়া উচিত ? পা চাটা কুত্তারা দেশ ও জনগণের কি উপকার করবে ? এরা কোন দিন এই সংবিধান পরিবর্তন করতে পারবে ?

এবার কিছু আসল বড় বড় কুত্তার ছবি।

পাঠক আরও কিছু মানুষকুত্তার ছবি যোগ করে পোষ্টটি সমৃদ্ধ করুন।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মে, ২০১১ বিকাল ৪:২৩
১৫টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

লিখেছেন নতুন নকিব, ১১ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০৩

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

লিখেছেন আঘাত প্রাপ্ত একজন, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

[সম্ভাবনার ক্রমানুসারে নয়ঃ]

আর্জেন্টিনা: আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ তার ডিফেন্স আর ইনজুরি । ৩৮ বছরের তরুণ(!) সেন্টারব্যাক ওতামেন্দি আর কমপক্ষে এক হালি হাফ-ফিট ফুটবলার নিয়ে ১৯ জুলাই পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ শরৎ বন্দনা

লিখেছেন ইসিয়াক, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৯


শরৎ এলেই আকাশ জুড়ে সাদা মেঘের ভেলা
দিনমণি আর মেঘমালার লুকোচুরি খেলা।

রুম ঝুমঝুম নূপুর পায়ে ছুটছে নদীর ঢেউ
ভাটিয়ালি গাইছে গান অচিন সুরে কেউ।

বিলে ঝিলে শাপলা পদ্ম... ...বাকিটুকু পড়ুন

×