রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের বাসায় গতরাতে খুন হয়েছেন সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও তাঁর স্ত্রী মেহেরুন রুনি।অথচ এখনও পুলিশের কোন কুলকিনারই নাকি নাই!
বাংলাদেশের ফুলিশদের দক্ষতা ও যোগ্যতা দেখে আমরা খুবই দূঃখিত।একটা অভার ক্রাউডেড রাজধানীতে, অভিজাত মধ্যবিত্ত এলাকায়, নিজেস্ব নিরাপত্তা সম্বলিত হাউজিং ফ্লাটে, পাঁচ তলায় উঠে দুইজন মানুষকে ধীরে ধীরে হত্যা করে হত্যাকারী চলে গেল অথচ ৪০ ঘন্টার বেশি পেরিয়ে গেলেও এখনও হত্যাকারী ধরা দূরে থাক, কোন কুল কিনারা করতে পারলো না -ফুলিশ।
অথচ পুলিশ কমিশন, আইজিপির মর্যাদা সিনিয়র সচিব করা নিয়ে এরা ব্যাস্ত।নামে ডাকে আকাশ ফাঁটে, ব্যাটা ঢেঁকিশালে কুড়া চাটে।আরে ব্যাটা চোর ডাকাত ছিন্তাইকারীর মর্যাদা বৃদ্ধি করে কি ঈমাম বানানো যাবে ? চন্দ্রধন নাম রাখলেও চোরের পুলারে সবাই চোরের পুলাই ডকবে।বিশ্বাস না হলে নিজেদের ছেলে মেয়েকে জিজ্ঞেস করে দেখার পরামর্শ থাকলো, বন্ধুরা কি নামে ডাকে।আজকাল একটা বিষয় লক্ষ্যনীয়, ছোট্টো শিশুরা যখন এটা কি, ওটা কি বলতে শেখে তখন পিতা মাতারা তাদের দুইটা জিনিষ একই প্রকার গুরুত্ব নিয়ে শেখায়, এক কুত্তা, দুই পুলিশ।
দেশটা আসলে পুরাই চাননি রাইত, এদেশের পুলিশ শ্যাষ, দেশের যেকোন নাগরীককে যেকোন স্থানে যেকোন সময় হত্যা করা যাবে, তুলে নেয়া যাবে আর ফুলিশ নাগরীকের নিরাপত্তা দেবে দূরে থাক কোন কুলকিনারাই বের করতে পারবে না।বাংলাদেশ ফুলিশের আইজিপি থেকে শুরু করে কনস্টবল পর্যন্ত প্রতিটি সদস্যের বছরে তিনমাস যথাক্রমে আর্মি অফিসার ও সৈনিকের ব্যাটম্যানের দায়ীত্ব পালনে ডেপুটেশন পাঠানোর আইন করা উচিত।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


