বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্টানের মধ্যে নিয়ম শৃঙ্খলাই সবার সেরা মেডিক্যাল কলেজগুলো। মেডিকেল কলেজের প্রফেশনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য কমপক্ষে ৭৫% ক্লাস উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।আইটেম পরীক্ষায় নিয়মিত অংশ নিতে হয় এবং তাতে ক্লিয়ার থাকতে হয়। অন্যথায় প্রফ এ অংশ নিতে দেওয়া হয় না।সত্যি কথা বলতে কি মেডিকেল এর ক্লাস নিয়মিত না করলে ছাত্ররা অনেক কিছুই জানতে পারবে না। তাদের সিলেবাস ও অন্যদের চেয়ে জটিল।
রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের চাপাতিলীগের ৬ নেতা সারা বছর ক্লাস না করে আইটেম না দিয়ে চুড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নিতে চেয়েছিল। কিন্তু ৫ বিভাগীয় প্রধান এতে করে অধক্ষ্যর নিকট তাদের পরীক্ষায় অংশগ্রহনে সুযোগ না দেওয়ার জন্য চিটি ইস্যু করেন। কিন্তু আম্বা অধক্ষ্য ডা: এবিএম হান্নান মাত্র ৫দিনেই তাদের সারা বছরের ক্লাস অ্যাটেন্ড দেখিয়ে দেন। এবং আইটেম ক্লিয়ারেন্স দিয়ে দেন।কৃতজ্ঞতা বলে কথা!
পর বোর্ড মিটিং এ সবার আপত্তির কথা অধক্ষ্যকে জানানো হলেও তিনি তাতে কর্ণপাত না করে তাদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি বহাল রাখেন।
আমাদের দেশের ডাক্তারদের প্রতি আমার ভক্তিটা চিরকালই কম।এখন এই হাম্বা চাপাতিলীগেরে সদস্যরা ডাক্তার হলে রোগী বাচানো তো দুরের কথা মারা ছাড়া আর কিছু করতে পারবে বলে আমার মনে হয় না।
তাই সারা দেশের সকল মেডিকেল কলেজের চাপাতিলীগের সদস্যদের নাম জনস্বার্থে প্রকাশ করা হোক যাতে করে রোগীরা নিজদায়িত্বে মৃত্যুর টিকেট আনার জন্য তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারে।
তথ্যসূত্র- দৈনিক সমকাল

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




