নিউটন যতোটা না বিজ্ঞানী ছিলেন তার চেয়ে বেশী ছিলেন একজন ধর্মগবেষক এবং অন্ধকার আলকেমির একনিষ্ঠ চর্চাকারী। সম্প্রতি তার লেখা নানা ডকুমেন্টস থেকে এসব জানা গেছে। ধর্ম বিশ্বাসে তিনি ছিলেন একেশ্বরবাদী যা তখন প্রকাশ করেননি। বাইবেলের একাধিক ভার্সন তিনি পড়েছেন বিজ্ঞানের জন্য সর্বমোট যে সময় ব্যয় করেছেন তার চেয়ে আরো বেশী সময় ব্যয় করে। এমনকি ২০৬০ সালকে আর্মাগেডান হিসেবেও স্থির করে গেছেন। আর আলকেমির গবেষণা তিনি কেন করেছিলেন তা এখনো উদ্ধার করা যায়নি। কারণ, ওই গবেষণা তিনি করেছিলেন গোপনে আর চরম ব্যর্থ সে গবেষণার কোন পেপার তিনি কখনোই প্রকাশ করেননি।
Click This Link
এসব কিছুর বাইরে তার বিজ্ঞান গবেষণা সম্বন্ধে চিন্তা করলে অবাক হতে হয়। গণিত নিয়ে তিনি যে অসাধারণ ছেলেখেলা করেছেন, সেটা একটা বিপুল বিস্ময়ের বিষয়। আর অবাক করা বিষয় হচ্ছে তার ডিভোশান। ফিলোসোফিয়া ম্যাথমেটিকা লেখার জন্য তিনি আঠারো মাস পৃথিবীর বাইরে ছিলেন। আক্ষরিক অর্থেই। এর মধ্যে তিনি কারো সাথে কথা বলেননি। ঘর থেকেও বের হননি। নারী বিবর্জিত জীবনে তিনি নির্ভর করেছেন ধ্যানের ওপরে। যাতে চিন্তায় একাগ্র থাকতে পারেন সবসময়। একই সাথে অদ্ভূত এবং বিস্ময় লাগে তার জীবন।
নিউটন অবশ্যই জিনিয়াস ছিলেন। কিন্তু আজ এখন থেকে যদি আমরা কেউ তার মতো ডিভোশান নিয়ে বিজ্ঞান নিয়ে ভাবি-বোধ করি তার মতোই মহা আবিষ্কারের সূত্র পেয়ে যাবো হয়তো। আমার কাছে বড় কিছু করার জন্য এই একাগ্রতাকেই সবচেয়ে বড় প্রয়োজন মনে হয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

