দুদিন ধরে সামহো ব্লগে নাস্তিক ও নাস্তিকবাদী ব্লগারের জমজমাট পোষ্ট ধারাবাহিক ভাবে দেখতে পাচ্ছি। বিজ্ঞ নাস্তিক ব্লগারদের পাশাপাশি নব্য নাস্তিক ব্লগাররাও স্বভাব সুলভ ধর্মবিদ্বেষী লেখা সমান্তরাল ভাবে পোষ্ট করেছেন । আবার একে অপরকে উৎসাহ দেবার জন্য মন্তব্য বিনিময় করতে দেখা গিয়েছে। যাহোক সুন্দর সমঝোতার মধ্যদিয়ে নাস্তিক ও নাস্তিকবাদীরা তাদের রজত জয়ন্তী সপ্তাহটি প্রাণবন্ত করেছেন।
কিছুদিন পূর্বেও একই ভাবে মৌলবাদী ব্লগাদের ফোতোয়া মার্কা পোষ্ট ব্লগে দেখা যেত কিনতু এখন অজ্ঞাত কারণে সেগুলো আজকাল দেখা যায় না।
বিজ্ঞ নাস্তিক ব্লগার গণ কেন নাস্তিক হইলেন পোষ্টে সেটি নিপুনভাবে ব্যাখ্যা দিয়ে ধর্মের স্পর্শকাতর স্হান এবং ধর্মজাজক বা ধর্মগুরুর অজ্ঞতা ও অদূরদর্শী কর্মকাণ্ডকে কটাক্ষ করে ধর্মকে অকেজো ও ভিত্তহীন বস্তুতে পরিনত করতে যথাযত চেষ্টা চালিয়েছেন। আবার কেউ কেউ ধর্ম পালনে তাদের ব্যক্তিগত বিড়ম্বনার অভিজ্ঞতাটিকে সামগ্রিক আকারে প্রকার করতে চেয়েছেন।
এখন কথা হচ্ছে, নাস্তিক ও নাস্তিকবাদীর সাথে আমার চিন্তা ও আর্দশ কিংবা অন্যকোনো মতবিরোধ থাকতে পারে কিনতু তাদেরকে আমি প্রতিপক্ষ মনে করি না। আমি বিশ্বাস করি নাস্তিক বাদীর সংখ্যা পৃথীবীতে আস্তিকদের তুলনায় নিতান্তই নগন্য এবং এই গোষ্টির অস্তিত্ত্ব রক্ষার জন্য সংখ্যাবৃদ্ধি প্রয়োজন। আর এর জন্য প্রয়োজন , ধর্মের বিপক্ষে লেখালেখি, বাস্তবভিত্তিক কুৎসা রটানো, প্রচার ও প্ররোচনা। আর এই প্রক্রিয়াটি ততক্ষন চলতে দেয়া যেতে পারে যতক্ষন না পর্যন্ত, এটি মৌলবাদী, কট্টরপন্থীর পর্যায় পৌঁছে।
আমার এ লেখার পেছনে যে উদ্দেশ্য বা বাসনা রয়েছে সেটি এখনও অবধি লেখা হয় নাই । যে কথাটি নাস্তিকদের লেখা পড়েও আজও জানা সম্ভব হয় নাই। নাস্তিকদের মৃত্যুর পর সৎকারটি কি ভাবে হবে, তাদের মৃতদেহটিকে পোড়ানো হবে নাকি সমাধীস্হ করা হবে? এখনও সমাজে নাস্তিকের সংখ্যা কম ।সৎকার অনুষ্ঠানে কারা অংশ নিবে ? এসকল প্রশ্ন বাস্তব সম্মত এবং গুরুত্বপূর্ণ যা অবহেলা করার অবকাশ নাই। অবস্যই এসকল প্রশ্নের উত্তর আমি নাস্তিক সম্প্রদায় পক্ষ থেকে আশা করি ।তাদের মনে রাখতে হবে কেবল ধর্মকে বিকলাংগ দেখালেই দায়মুক্ত হওয়া যাবে না।
সামহো ব্লগে আমার বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সকল শ্রদ্বেয় ব্লগার এরং কর্তৃপক্ষকে আমার অভিনন্দন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



