আমার প্রিয় পোস্ট

''সংবাদপত্র যা ছাপে তার একটা বড় অংশই হলো 'লর্ড জোনস মারা গেছেন' ধরণের তথ্য। অথচ সেটি যাদের জানানো হয় সেই জনগণ খবরই রাখে না যে লর্ড জোনস বেঁচে ছিলেন''

দৈনিক আমাদের সময়ে নাইমুল ইসলাম খানের মন্তব্য কলাম পড়ে বুক ফাটা কান্না দমাতে পারছি না! :(( :(( :((

০৭ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:৪৫

শেয়ারঃ
0 7 0

সম্পাদকীয় সৃজনশীলতার অনন্য সাধারণ প্রতিভা, বংলাদেশের সংবাদপত্র জগতের কিংবদন্তী নায়ক, বিশিষ্ট মধ্যরাত্রিক নির্ঘুম রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং তিন সন্তানের গর্বিত জনক দৈনিক আমাদের সময়ের সম্পাদক নাইমুল ইসলাম খানের আজকের মন্তব্য কলামটি পড়ে বুক ফাটা কান্না দমাতে পারছি না!

প্রথম পাতার এমন গুরুত্বপূর্ণ সংবাদটির প্রতিটি অক্ষরে অক্ষরে লুকিয়ে আছে এই সময়ের বাংলাদেশের সবচেয়ে জটিল পরিস্থির ভয়াবহ বর্ণনা। পরামর্শ দেয়া হয়েছে এ থেকে উত্তরণের। সাধারণ আম জনতার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এমন সংবাদটি নি:সন্দেহে প্রশংসার খোরাক।


সংবাদের শুরুটা এভাবেই- ‘নিজের চোখে না দেখে, নিজে গিয়ে না থাকলে পত্রিকায় পড়ে কিংবা কারো মুখে শুনে বিশ্বাস করা কঠিন। চট্টগ্রাম শহরের কোলাহলের ভেতরেই ফয়’স লেকের এক প্রান্ত থেকে আপনি যখন বোটে চড়ে রিজর্টের দিকে রওনা হবেন, ১০ মিনিটের সেই নৌভ্রমণের এক মিনিটও না যেতেই বিস্ময় আর আনন্দের শিহরণ শুরু হবে।‘

তিনি দু:খ করে বলছেন, ‘কনকর্ড গ্রুপকে অনেক অনেক অভিনন্দন স্মরণীয় ছুটি কাটানোর ব্যবস্থা তৈরি করার জন্য। আমার ছোট ছোট তিন মেয়ে লাবিবা, যূলিকা, আডিভা অপরিসীম ও নির্মল আনন্দ উপভোগ করেছে যেমন সত্য, আমার স্ত্রী মন্টি ও আমিও কম আনন্দ পাইনি সেটাও সমান সত্য। মন্টি আর আমি এক বছরের আডিভাকে নিয়ে ওয়াটার ওয়ার্ল্ড-এর পুলে গোসলও করেছি। সেখানে স্পষ্ট বুঝলাম এতটুকুন আডিভাও বেজায় খুশি।‘ আহা বুক ফেটে কান্না আসছে। ব্যাথায় মনটি ভারাক্রান্ত হয়ে উঠছে। এমন সম্পাদকের পাছায় তেল দিয়েছেন যে যে কর্মচারীরা তাদের গুণগান শুনতে শুনতে।

‘আর একটি কথা উল্লেখ না করলে অন্যায় হবে যে রিজর্টের কর্মীরা খুবই অতিথিপরায়ণ ও বিশেষ করে শিশুবান্ধব। আমার মেয়েদের থাকাটা আনন্দময় করার জন্য ওয়াটার পার্কটুকুই যথেষ্ট হলেও (ওয়াটার পার্কে মজার কত কিছু আছে লিখলে, দৈনিক আমাদের সময়ের সীমিত পরিসরে স্থান সংকুলান হবে না) রিজর্ট কর্মীরা ওদের দেখভাল করেছে, আদর করে এগিয়ে দিয়েছে বাইসাইকেল। লাবিবা, যূলিকা সেই সাইকেলও চালিয়েছে মহা-আনন্দে।'


প্রিয় ব্লগার, আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। এমন অনাবশ্যক ফালতু বিষয় নিয়ে সামু ব্লগের জায়গা নষ্ট করার কৃত অপরাধের জন্য।

খেয়াল করে দেখুন, একটা সময় ছিল যখন বইয়ের ফ্ল্যাপে লেখকের দেশ ভ্রমণের একটি বিস্তারিত বর্ণনা মিলত। সেটি অবশ্যই উড়োজাহাজ নয়, জলজাহাজ যুগের ঘটনা যখন বৈদেশ-ভ্রমণ ছিল একটি উল্লেখযোগ্য বিষয়। কিন্তু দৈনিক আমাদের সময়-এর পাঠকের জন্য সম্পাদকের বৈদেশ-ভ্রমণবিষয়ক গল্প অবশ্যপাঠ্য একটি বিষয়; যা পয়সা দিয়ে কিনে পড়তে হয়। কারণ তিনি ব্যক্তিগত প্রয়োজনে দেশের বাইরে যাওয়া মানে আমাদের সময়-এর অন্তত এক কলাম সংবাদের জন্ম দেওয়া। যদিও ‘সংবাদমূল্য’ হিসেবে এটি একটি মূল্যহীন সংবাদ কিন্তু পত্রিকার সম্পাদক বলে কথা!

শুধু তা-ই নয়, আমাদের সময় পত্রিকার বিজ্ঞাপন ভাটা যাচ্ছে, সরকারি বিজ্ঞাপনের জন্য মাননীয় তথ্যমন্ত্রী/প্রধানমন্ত্রী বরাবর আকুল আবেদনসম্পর্কিত ৩-৪ কলামের সংবাদ, কর্মরত সাংবাদিকদের দু-মাস বেতন দিতে পারছে না কর্তৃপক্ষ দুঃখ প্রকাশসূচক ৩-৪ কলামের একটি সংবাদ ইত্যাদি, ‘রক্ত ক্ষরণ থেকে রক্তপাত’ তো হরহামেশাই দেখা যায়।
পাঠক হিসেবে আমাদের জিজ্ঞাসা, যখন পত্রিকাটির রুজি-রোজগার ভালো থাকে তখন কি সেটি সংবাদ হিসেবে ঠাঁই পেতে পারে না? আর যদি পেয়েও যায় তবে পাঠকের কী-ই বা যায়-আসে তাতে?

পত্রিকাটি আসলে এক ধরনের প্রচারপত্র। ‘প্রচারেই প্রসার’ এ আপ্তবাক্য বহন করে পত্রিকাটি প্রতিনিয়ত যে সাংবাদিকতার চর্চা করে, তা হলো ‘প্রভোকেটিভ জার্নালিজম’ অথবা ‘রিউমার জার্নালিজম’। যদিও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত ১৪ মার্চ ২০১০ পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী প্রচারসংখ্যার দিক থেকে পত্রিকাটির অবস্থান তিন নম্বরে। মোট প্রচারসংখ্যা ১,৬৫,২০০ কপি।

মাঝে মাঝেই মনে হয়, পত্রিকার অবস্থান ‘যেদিকে বৃষ্টি সেদিকে ছাতা’ ধরার মতো। ২০০৭-এ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় পত্রিকাটি ছিল সেনাবাহিনীর এক রকম মুখপত্র, আবার কিছুদিন যেতে না-যেতেই হয়ে গেল প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপির মুখপত্র। পরবর্তীকালে আবার সুর পাল্টে হয়ে গেল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের। কখনো আবার এ রকমও হয়, শুধু কোনো একজনের। বিতর্ক উঠতে পারে, পত্রিকাটি বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখার জন্য কোনো সম্পাদকীয় মতামতে বিশ্বাসী নয়। হতেই পারে। তাতে কোনো আপত্তি নেই, আপত্তি হলো বস্তুনিষ্ঠতার নামে চরিত্রহীনতা বা নীতিহীনতার যে মচ্ছব চোখে পড়ে সেটি নিয়ে।

সমাজে চলমান সহস্র বিষয় নিয়ে পত্রিকাটির আর আনুষ্ঠানিক মতামত প্রকাশের দায়দায়িত্ব রইল না। দিকনির্দেশনা প্রদানের এই দায়দায়িত্বহীন অবস্থান পত্রিকাটিকে পিছু টান মুক্ত করলেও তার বাউণ্ডুলে চরিত্রকেও আড়াল করতে পারেনি। ফলে জাতির সংকটকালে দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকাটির সুর ও স্বর বোঝা রীতিমতো অসম্ভব হয়ে পড়ে। পত্রিকাটিও সে সুযোগের ষোলোআনা ব্যবহার করে ‘ঝোপ বুঝে কোপ মারা’র কাজে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়ে। পত্রিকার এই সুযোগসন্ধানী সাংবাদিকতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে।

প্রতিদিনই প্রবাসী কিছু (অ)সাংবাদিকতা বিষয়ক ম্যাটার নিয়ে ঢাউস কিছু গল্প ফাঁদেন। এগুলো পড়লে মনে হয় প্রত্যেক লেখকই সম্পাদকের বন্ধুস্থানীয় অথবা তাদের অন্য কোথাও লেখার জায়গা এখনো তৈরি হয়নি। আমাদের সময়ে লিখে আপাতত লেখার হাত তৈরি করে নিচ্ছে।

প্রায়ই দেখা যায় ভুল সংবাদ ছাপে আবার পরদিন ভুলের জন্য ক্ষমা চায়। শুধু ক্ষমা চাইলেই যে ভুলের প্রায়শ্চিত্ত হয় না, বিষয়টি কর্তৃপক্ষের বুঝে নেওয়া প্রয়োজন। কারণ বুলেট থেকে গুলি বের হয়ে গেলে তা কোথাও না কোথাও লাগবে। সুতরাং গুলি কোথায় গিয়ে পড়ল, তা খুঁজতে যাওয়ার মানেটা কী? এইভাবে একটি সংবাদপত্রকে আশ্রয় করে এই পাগলামি বন্ধ হবে কবে??

 

সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৪৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:৫২
হা...হা...হা... বলেছেন: সে যে একটি আবাল গোত্রের লোক তা আগে থেকেই জানি।
০৭ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:১১

লেখক বলেছেন: তারপরও দু:খ লাগে ভাই। হঠাৎ করে মনটা বিষিয়ে উঠে। বিষন্নতায় আছন্ন হয়ে পড়ি। এমন মন্তব্য কলাম আসলেই বিরল প্রতিভার বাইপ্রোডাক্ট!

২. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:৫৬
বলাক০৪ বলেছেন: পাঠকই এর জবাব দেবে নিশ্চয়, তাঁদের নিজের ভাষায়।
০৭ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:১৭

লেখক বলেছেন: পাঠকের উপর্যুপুার বলাঁ@কার সহ্য করতে না পেরে সে পথ গত দুই দিন আগে থেকে বন্ধ করা হয়েছে। এই লিঙ্কে দেখুন
Click This Link

৩. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:৫৬
দুরন্ত ইসলাম বলেছেন: টয়লেট পেপার পত্রিকা।
০৭ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:১৮

লেখক বলেছেন: তাও ভালো লাগতো যদি পেপারের খসখসানির কারণে চুলকানির আশঙ্খা না থাকতো।

৪. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:৫৬
ইচ্ছেফড়িং বলেছেন: ত ফিউশন ফাইভ আপনে আছেন কেমন?
০৭ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:২০

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। তবে অহেতুক বিভ্রান্তি কিংবা মিথ্যা তথ্য দিয়ে ব্লগ কর্তৃপক্ষের দেয়া এই মাগনা জায়গাটা নষ্ট না করার সনির্বন্ধ অনুরোধ রইল।

৫. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:২০
স্পাইডারওয়েব বলেছেন: কি আর কমু, দেখলুম আপনার লিংক ধরে এগিয়ে গিয়ে।

এবার পড়ুনঃ Click This Link
০৭ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:২৪

লেখক বলেছেন: একবুক সমবেদনা আর সহানুভুতি রইল। শীঘ্রই আপনি স্বরূপে ফেরত আসুন এই কামনান্তে..

৬. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:৩৫
রাজীব_নন্দী বলেছেন: আপনি কে? আপনি কি ফিউশন? আপনারা কী আদৌ একজন না ৫ জন? এসব প্রশ্ন লোকাল টকরে নিয়া মাথায় ঘুরছিল বেশ কদিন। সে দেখি এখন ফিউশন ফাইভ নামে ব্লগাচ্ছে না। আপনি আবার নতুন জুটলেন কোথা থেকে?

আপনার কয়েকটি পোস্ট পড়ে বুঝলাম আপনি হয়তো সাংবাদিক নয়তো বিভিন্ন হাউসে আপনার ভালো বন্ধু আছে। বিশেষ করে ফি ফা র মতো লেখার ক্ষমতা, বিষয় নির্বাচন, তির্যক মন্তব্য আর সর্বোপরি একটিভ ব্লগারিষ্টতার কারণেই আমার মনেও সন্দেহ দানা বাধছে... আপনি আবার নতুন বোতলে পুরানো মাল নাতে???
০৭ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:০৫

লেখক বলেছেন: ব্লগেই হয়তো জেনে থাকবেন, ফিউশন ফাইভটা নিকটা মূলত দেশী-বিদেশী পাঁচ ব্লগারের একটি সম্মিলিত প্রয়াস। বর্তমানে এক্টিভ আছে কিনা জানি না। অবশ্য টেকনিক্যাল কারণে উনারা অফিসিয়ালি স্বীকার করতেন না।

ফিউশন ফাইভ প্রায় দুই বছর আগে ব্লগে মৌলবাদীদের অপতৎপরতা প্রতিহত করা, ক্যারিকেচার বিনোদন, বাংলা ব্লগিং সংস্কৃতির প্রসার ইত্যাদি উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছিল।

আমি কোনভাবেই ওই গোত্রভুক্ত নই। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
আপনি তো পেশায় সাংবাদিক। আপনিই বলুন না, এমন নিকৃষ্ট একজন মানুষ কীভাবে সম্পাদকের চেয়ারে ঠেসে থাকে?

০৭ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:০৭

লেখক বলেছেন: হে হে হে। ঘুরে ফিরে আপনিতো দেখি বেশ আমার পেছনে লেগেছেন ভাই! ভালোই উপভোগ করছি..

৮. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:৪২
নিঃশব্দ শিশির! বলেছেন: ঐ লোকতো মহা ধান্দাবাজ!!
টাকা নিয়া নিউজ ছাপায়!!
টাকা ছাড়া আর কিছু বোঝেনা!!
ও সরি আরেকটা বিষয়ও ভালো বোঝে!
তা হলো নারী!!!
সংবাদপত্রের কলংক সে!! আমি আনন্ত তাই মনে করি।
০৭ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:০৮

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন। আপনার মত দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

৯. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:৪৭
জ্বীন বলেছেন: @ নিঃশব্দ শিশির! ব লেছেন, ঐ লোকতো মহা ধান্দাবাজ!!


ঐ লোক আসলেই মহাধান্দাবাজ ।
০৭ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:০৮

লেখক বলেছেন: ধান্দাবাজির সংজ্ঞাটা উনি আরো সমৃদ্ধ করেছেন! হে হে হে

১০. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:৫৩
সালাহ উদ্দিন০০৭ বলেছেন: পোস্টের ছবিটা নাইমুরের চরিত্রের সাথে একদম মিলে গেছে.........আপনার লেখা খুব ভাল লেগেছে.....।...।। চালিয়ে যান............
০৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: সত্যি বলতে দ্বিধা নাই, ছবিটা এক সুহৃদ বন্ধু ব্লগারের ক্যারিশমা। লেখা নিয়ে মন্তব্য করায় আপনাকে ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।

১১. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১২
তৌহিদ আল-বিরুনী বলেছেন:
আসলে পত্রিকাটা মূলত ডিজিএফাই চালায় এ কারণে সরকারে যে থাকে তারই গুনগান করে।
০৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন, তবে এই ব্যাটারে লাইভ টকশোর মতো ভরা মজেলিশে ধরাই দিতে হবে। নাইলে লজ্জা হবে না। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

০৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: তবে বিষয়টা এমন নোংরা যে দু:খ প্রকাশ করার মতো যোগ্যতাও আমার নাই।

১৩. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৫
ইচ্ছেফড়িং বলেছেন: ৪নং এর পরে, তুমি ধরা খাইছো। তুমি আবার ব্লগ কর্তৃপক্ষের জায়গা তদারকির খাস দারোয়ান কিনা, তাই জায়গার ব্যবহার নিয়া তোমার অনেক দুশ্চিন্তা। ত তুমি এমন কি মহান বাণীসমূহ এই ব্লগে রখিয়া গেলে? পরনিন্দা আর কুৎসা এই তো তোমার পোস্টের মূল কথা। নাইমুলের মত সূযোগ পাইলে তুমিও অর লাহানই আরেকডা জোকার হইতে।
০৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

১৪. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৭
নিঃশব্দ শিশির! বলেছেন: আমি আপনার লেখা পড়ে ভেবেছিলাম কোন সাধান ব্লগারের লেখা!!
তাই মন্তব্য করতে একটু ভাবিনি!!
কিন্তু আপনার অন্য লেখা পড়ে মনে হলো আপনি সাধারন নয়!
আপনিও ধান্দাবাজ!!
এবার বলি, জানুন আর না জানুন!
অনেক সত্য মিথ্যা আপনি ব্লগে লিখে যাচ্ছেন!! এতে কোন সন্দেহ নেই!!
আর নাঈম সাহেব কি আপনার বাকি টাকা এখনও দেয় নাই!!!
না চাকরীর জন্য ঘুরে ব্যার্থ হয়েছেন!!!
আপনি মিডিয়ার কর্মী এতে কোন সন্দেহ নাই!!
তবে যারা সাহসী তারা নিজের পরিচয়েই সাহসী হয়!!
সাহসী হলে নিজের পরিচয়ে, ছবি দিয়ে, মেইল ঠিকানা দিয়ে লিখুন!!!
;,
;,
আর হে,,
আপনি অনেক তথ্য বলেছেন, আপনার বিভিন্ন লেখায়. জানা যায়, না বলে সুত্র উল্লেখ করুন। তা না হলে সত্যি তা জানাযায় চলে যায়। মানে গ্রহণ যোগ্যতা থাকে না!!!

আপনাকে শেষে ধন্যবাদ!!!
ভালো থাকবেন!!!
সুখে থাকবেন!!
০৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: আমি দু:খিত বিলম্বে হাজিরা দেয়ায়। বিকেল সন্ধ্যায় আপিসের তাড়া ছিল। তাই লগ ইন করা না থাকায় মন্তব্য করা যায় নি। পরামর্শের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। না আমি বা আমার পরিবার গোত্রের কেহই এই নাই মামার সাথে টাকা লেনদেনে জড়িত নয়। আর আমি কুব ভিতু, তাই স্বনামে লেখার সাহস এবং ইচ্ছা জন্ম থেকেই ছিল না। তবে লেখক নয়, লেখাই মুখ্য।

'বেতার সংবাদে সংবাদ পাঠককে দেখার আশা করা মানে আবালের স্বর্গে বসবাস করা'। কথাটি আমার নয়। তবুও প্রয়োগ করা গেল বলে শান্তি পেলাম। আপনিও সুখে থাকুন, যদি সম্ভব হয়!!

১৫. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩১
সার্থক বলেছেন: উনার পরিবারে উনি একাই দেখি বাঙ্গালি :|
০৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: টিক কয়েছেন দাদা!

১৬. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:০০
বিপ্লব রহমান বলেছেন: নাইমের নষ্টামীর ফোকাস ভালু হৈছে। ...হা হা প গে কে ধ... =p~
০৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: আরেররর এই অধমের সে কী সৌভাগ্য! এ যে দেখি আমুর বিপ্লব ভাই। ভাই কতদিন আপনার জোকস পড়ি না। নতুন কিছু ছাড়েন দেহি।
যাই হোক, আপনার লগে আপনাগো নিউজ মেনেজমেন্ট সেকশনের সম্পর্ক নাকি ভালো যাচ্ছে না ইদানিং., হুন্ডা পাইছেন নি? ভালা থাইকেন।

১৭. ০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:২৩
খালেদ মো: সাইফুল ইসলাম বলেছেন: প্রথম দিকে আমাদের সময়ের যে জনপ্রিয়তা ছিলো তা আর নাই ।alexa.net এ আমাদের সময়ের পজিশন এখন ৯৮ তে । যতোদূর মনে পড়ে এর পজিশন আগে অনেক উপরে পড়ে । ইন্টারনেটে পজিশন ডাউন মানে অরিজিনাল পেপারেও পজিশন ডাউন...
০৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১:০৩

লেখক বলেছেন: আপনার কথাটা অর্ধসত্য। বিজ্ঞাপনী বাজারে সবচেয়ে লাভজনক মাল এখন এই পত্রিকা। যদিও ক্রেডিবল ইনফরমেশন দেয়ার মুরোদ এই পত্রিকার কোন দিনই ছিল না।

শুরুতে শ্রদ্ধেয় আবু হাসান শাহরিয়ার ভাই আর খন্দকার আলী আর রাজী'র ''সম্পাদকের দপ্তর থেকে'' নিয়মিত পড়তাম। এখন পুরো পত্রিকরা অবস্থাই বেশ খারাপ।



০৮ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সাদা ছায়া।

১৯. ০৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৩১
বিডি আইডল বলেছেন: নম্বর ছাড়া নিকে ফিরে আসলেন?

:)



০৮ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:৩৪

লেখক বলেছেন: না, নম্বর আছে। আছেন কেমন আপনে?

২০. ০৮ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:৪২
দুখী মানব বলেছেন: দুরন্ত ইসলাম বলেছেন: টয়লেট পেপার পত্রিকা =p~ =p~ =p~
০৮ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:১২

লেখক বলেছেন: খিকজজজজ =p~ =p~ =p~

২১. ০৮ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:২১
মৃদুভাষী বলেছেন: হুমম, আপনে লেখেন তো অসাধারন। কিন্তু পুরান এত জনপ্রিয় নিকটা ছাইড়া হঠাৎ কইরা এই নিকে লেখার শানেনুজুল টা কি ভাইজান ?
০৮ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:৪১

লেখক বলেছেন: এইভাবে আজাইরা খুচাইলে আর আমু না ভাবছি।

২২. ১৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:১৩
রংধনুর সাত রঙ বলেছেন: কি বেহায়া মানুষ বাবা। পুরা ফ্যামিলি নিয়ে ব্যাবসায় নামছে।
১৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:২০

লেখক বলেছেন: উদাম গায়ে পানি নিয়ে ধপাস ধপাস করে নাচতে দেখছেন কোন সম্পাদককে? আবার হেই ফডুও ছাপাইচে নিজের পত্রিকায়..হায় হায় লজ্জা শরম যেন রোদের গরমে আমসত্বের মতোর হুকাইয়া যাইতেছে..

২৩. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:০২
ঘুমন্ত আমি বলেছেন: এর পরেই তো দেখি ফিফার আমাদের সময় আর নঈমুলরে নিয়ে বিশাল পোষ্ট দিয়েছিলেন ।কে যানে কে বা কে !

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৫৬৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
সাগরটা কই, নামতাম..
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ