somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অন্তহীন এক অপেক্ষার গল্প

১৯ শে এপ্রিল, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

দোস্ত, বাইরে চল। সিগারেট খেতে হবে। তাড়াতাড়ি শেষ কর। কফির ওয়ান-টাইম ইউজবেল কাপটা বিন এ ফেলে উঠে দাড়ায় অভীক। গতকাল সকালে খুলনা থেকে ঢাকা এল সে এক স্কুলের বন্ধুর সাথে দেখা করতে। বন্ধু পড়ে নর্থ-সাউথে। তাকে সাথে নিয়েই এই ফাস্ট ফুডের দোকানে এসেছে সে কফি খেতে। বন্ধুর কফি শেষ। ততক্ষনে বিল দিয়ে বাইরে এসে একটা সিগারেট ধরায় অভীক। গেটে দাড়িয়ে অপেক্ষা করতে থাকে বন্ধুর জন্য। এরই মধ্যে হঠাr একটি মেয়ের দিকে চোখ পড়ল তার। আর্ট পেপারের একটা বান্ডিল দিয়ে এক ছেলেকে মারতে মারতে এদিকে আসছে সে। পেছনে আরো বন্ধু-বান্ধব নিয়ে মেয়েটা ঢুকে পড়ল ফাস্টফুড শপে।
মাথায় যেন ঝড় বয়ে গেল অভীকের। মেয়েটাকে অসম্ভব ভালো লেগে গেল তার। কখনোই তো এমন হয়নি। আজ কেন এই অচেনা মেয়েকে এত ভালো লাগলো তার? সিম্পল ড্রেস-আপ আর সাধাসিধে চেহারার এই মেয়ের জন্য বুকটা কেমন মোচড় দিয়ে উঠল। খুব যে গ্ল্যামারাস তা নয়। কিন্তু মেয়েটার পার্সোনালিটি অভীককে মোহিত করে দেয়। নিজেকে মনে হতে লাগল হিন্দি ফিল্মের নায়ক। এই মাত্র নায়িকার প্রেমে পড়ল। মনে মনে নিজেকে বকতে শুরু করল সে। এসব চলবে না। বি এ ম্যান। বন্ধুকে বলল, “দোস্ত, সিএনজি দেখ”। বন্ধু সিএনজি ঠিক করতে চলে গেল। অভীক সিগারেটে একের পর এক টান দিতে লাগল। অপেক্ষা করতে লাগল মেয়েটা কখন বের হবে। কথা বলা কি ঠিক হবে? এমনিতেই তার প্রচন্ড নারীভীতি। কথা বলার মত সাহস ঠিক খুজে পেলনা সে। এরই মধ্যে বন্ধু চলে এল সিএনজি নিয়ে। কিন্তু কি যে হল অভীকের? “থাক, একটু দাড়াই। সি.এন.জি. টা ছেড়ে দে। আরেকটা সিগারেট খাই।” বন্ধু চরম বিরক্ত হল। অভীক ফুটপাথের পাশে বসে সিগারেট খেতে খেতে অপেক্ষা করতে থাকল মেয়েটা কখন বেরোয়। বেশ কিছুক্ষণ পর সবাই বের হল কফিশপ থেকে। মেয়েটার বন্ধুদের দেখে খুব হিংসা হল তার। এই চমৎকার মেয়েটির সাহচর্য পাচ্ছে তারা।
বন্ধুকে জিজ্ঞেস করল, “দোস্ত, মেয়েটাকে চিনিস”?
- “নাহ, চিনি না। কেন? ভাল লাগসে নাকি”?
– “হুমম, ভাল লাগেনাই শুধু। অনেক বেশী ভালো লাগসে। প্লিজ দোস্ত, একটা সিস্টেম করে দে”।
- “কি রে ভাই, তোর কি হইল হঠাৎ? আগে তো প্রেমের নাম শুনলেই ১০০ হাত দুরে থাকতি। এই অবস্থা কেমনে হইল”?
- “জানি না দোস্ত। এইটুক জানি যে, একে দেখার পর থেকেই কেমন জানি লাগতেসে। একে ছাড়া আমার চলবে না।“
- “আমার বাপ এসবের সময় নাই। কষ্ট কইরা লাইন লাগাইয়া দিমু আর দুইদিন পর তোর কোন ইন্টারেষ্ট থাকবো না। তোরে তো আমি চিনি। শালা নাবিক(নারী বিদ্বেষী কমিটি) কোনখানের। আমারে এসব বিষয়ে কিছু বলিস না। মাফ ও চাই, দোয়া ও চাই। আমি পারমু না”।
অভীক চরম হতাশ। সি.এন.জি. ঠিক করে উঠে পরে তাতে। মনে মনে সিদ্ধান্ত নেয়, যে ভাবেই হোক মেয়েটার ইনফরমেশন জোগাড় করতে হবে। কিন্তু কিভাবে? ঢাকা ছাড়বে সে আজ রাতেই। যাই হোক, প্রজেক্ট ইজ প্রজেক্ট। কিন্তু মেয়েটা কি সিংগেল? সিনিয়র না জুনিয়র না একই ব্যাচ? তবে ২য় প্রশ্ন টা বাদ দিয়ে দেয়। কারণ, শচীন টেন্ডুলকারের বউ শচীনের চেয়ে ৫ বছরের বড়। বন্ধুকে বলে মেয়েটা সিংগেল কিনা এই ইনফরমেশনটা জোগাড় করে দিতে। বন্ধুর জবাব, “মাফ চাই, ভাংতি নাই”। কষে দুইটা গালি দেয় অভীক।
খুলনা ফিরে রাতের ঘুম হারাম করে দেয় অভীক। ফেসবুকে নর্থ-সাউথ নেটওয়ার্কে খোজাখুজি শুরু করে দেয়। ফলাফল শুন্য্। হাল ছাড়েনা সে। ১২ দিন পরে সে প্রোফাইল খুজে পায় মেয়েটার। নাম নীলা। রিলেশনশীপ স্ট্যাটাস : সিংগেল। একই ব্যাচ। অভীককে আর পায় কে? পাঠিয়ে দেয় ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট। সারাদিন ফেসবুক খুলে অপেক্ষা করে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট এক্সেপ্ট হয় কিনা দেখার জন্য। সিগারেটের পর সিগারেট পুড়তে থাকে। অভীক ফেসবুকে অনলাইন থাকে আর বসে বসে প্রোগ্রামিং করতে থাকে।(বি.দ্র. অভীক কুয়েটের কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্র)। বসে বসে আকাশ-পাতাল চিন্তা করতে থাকে। নিজেকে নীলার যোগ্য করতে হলে কি করতে হবে? বেশীরভাগ মেয়েই সিগারেট খাওয়া পছন্দ করে না। অতপর অনেক কষ্টে স্কুল থেকে ধরা সিগারেট খাওয়ার অভ্যাস ছেড়ে দেয় অভীক। একস্ট্রা কারিকুলার সব কাজ-কর্ম থেকে অবসর নেয় সে। পড়াশোনায় মন দেয়। যদিও, জব নিয়ে তার কোন টেনশান নেই। কারন, সে একজন ভালো প্রোগ্রামার। জব মার্কেটে তার মত প্রোগ্রামারের অনেক চাহিদা। সে চেষ্টা করতে থাকে সুবোধ বালক হয়ে যাবার। তার প্ল্যান হল, ‘একদিন সে নীলার সামনে গিয়ে দাড়াবে, এবং সেদিন সে থাকবে একজন পারফেক্ট মানুষ হিসেবে। কোন খুত থাকবে না তার। নীলা তাকে কোন ভাবেই ফেরাতে পারবে না’। যাই হোক, ২ দিন পর দেখে রিকোয়েস্ট রিজেক্টেড। কিছুক্ষন বেকুবের মত বসে থাকে সে। আবার মনে মনে খুশী হয়। ‘অপরিচিত কাউকে এক্সেপ্ট করে না। পুরাই আমার মত ’। আবার রিকোয়েস্ট পাঠায় সে। সাথে একটা মেসেজ। “All strangers are not bad.” ফলাফল আগের মতই। এইবার অভীক চরম হতাশ হয়। আবার রিকোয়েস্ট পাঠায়। এবার মেয়েটি ঝুলিয়ে রাখে রিকোয়েস্ট টা। অভীক সন্দিহান। সে কি তাহলে ফেসবুকে আসছে না? শুরু হল প্রোফাইল পেজ ওপেন করে দেখা। কখন স্ট্যাটাস দেয়? কখন কমেন্ট করে? যখন সে বোঝে যে নীলা অনলাইনে আছে, মেসেজ পাঠাতে থাকে সে। ৪-৫ মাসে ১০০-১৫০ মেসেজ পাঠিয়ে দেয় সে। নো অ্যানসার। এবার সত্যিই ভেঙে পড়ে অভীক। কারণ এতদিনে অভীকের সব কিছুর প্রেরণা হয়ে গেছে নীলা। নীলার কথা ভেবেই তার সারা দিন-রাত কাটে। কোন কাজ করর আগে চিন্তা করে, এটা কি নীলা পছন্দ করবে? অভীক খুজতে থাকে অন্য উপায়। বাধ্য হয়ে প্রতারণার আশ্রয় নেয় সে। নীলার ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে এক মেয়ের ছবি আর নাম নিয়ে ফেক প্রোফাইল খুলে সে। পাঠায় ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট। এবার এক্সেপ্টেড। হাতে চাঁদ পায় অভীক। দ্রুত হাতে ফেক প্রোফাইলের নাম, প্রোফাইল পিকচার চেঞ্জ করে নীলাকে নক করে চ্যাট এ।
- “হাই”।
- “তুমি কে”?
- “আমাকে তুমি চিনবে না। আমি তোমার বন্ধু হতে চাই”।
- “এভাবে কেউ কারো বন্ধু হতে পারে না। আমার অনেক বন্ধু আছে। আর দরকার নেই”।
এভাবে অনেকক্ষন বাক্য বিনিময় চলতে থাকে। নীলা অভীককে একের পর এক আক্রমন করে আর অভীক ইতালীর ডিফেন্স অনুসরণের চেষ্টা করে ও ব্যর্থ হয়। নীলার কাছে তার পরিচয় হয় এক বাজে ছেলে হিসাবে। অতপর অফলাইন। ভয় পেয়ে যায় অভীক। যদি ডিলিট করে দেয়, তাহলে তো শেষ। কিন্তু নীলা তাকে ডিলিট করে না। অভীক আত্মবিশ্বাস ফিরে পায়। যদি আর একবার চান্স পায় তাহলে সব বুঝিয়ে বলবে সে।
সারারাত না ঘুমিয়ে একটা প্লাগ-ইন বানায় ব্রাউজারের জন্য। যাতে নীলা অনলাইনে এলেই পিসিতে এলার্ট দেয়। ৫-৬ দিন পর তার পিসিতে এলার্ট বাজে প্রথমবারের মত। নক করে অভীক। চেষ্টা করে মনের কথা বলার। কিন্তু ভয়ে পারে না। কারণ এতদিনে নীলার স্ট্যাটাস আর কমেন্ট গুলো দেখে সে নীলাকে অনেক খানি চিনে ফেলেছে। খুব প্রাণবন্ত আর চটপটে একটা মেয়ে। কিন্তু নীলা তাকে চেনে একটা বাজে ছেলে হিসেবেই। অভীক চ্যাট এ চেষ্টা করে নীলার এ ধারণা ভেঙে দেবার। কিন্তু ব্যর্থ হয় সে। এভাবে আরো ৪-৫ মাস চেষ্টার পর তার নিজেকে খানিকটা সফল মনে হয়। কারণ, নীলা তার আসল ফেসবুক অ্যাকাউন্টের রিকোয়েস্ট এক্সেপ্ট করে। উত্তেজনায় ঘুমাতে পারে না সে। ফেক অ্যাকাউন্টটা ডিঅ্যাক্টিভ্যাট করে ফেলে। সিগারেট ছাড়াটা সফল মনে হয়।
চলে যায় আরো ৪-৫ মাস। অভীকের হতাশা বেড়েই চলে। কারণ নীলাকে অনলাইনে পেলেই সে নক করে। প্রানান্ত চেষ্টা করে কথা বলার। কিন্তু তার ৫-৬ টা প্রশ্নের জবাবে নীলা লেখে ১-২ শব্দের একটি বাক্য। তবু ও সে হাল ছাড়ে না। প্রশ্ন করেই যায়। নীলা বিরক্ত হয়ে লেখে, “এতো প্রশ্ন করো কেন? তোমার কি কোন কাজ নাই? সারাদিন ফেসবুকে কি করো”? অভীক ভাবে, “আগের দিনে রাজকুমাররা ভালোবাসার জন্য সাত সাগর তেরো নদী পারি দিত। আমি তো আর সেটা পারবো না, তাই ফেসবুকেই বসে থাকি। ডিজিটাল যুগের অ্যানালগ ভালবাসা। আমি এমন দিন চাই, যেদিন তোমার প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতে আমি ক্লান্ত হয়ে বলবো – এতো প্রশ্ন করো কেন? অবুঝ মেয়ে, তোমাকে যে কতটা ভালবাসি তা কিভাবে বোঝাই?”
একদিন নীলার অ্যাকাউন্টে অভীক তার এক মিউচুয়াল ফ্রেন্ড দেখতে পায়। তার সাথে টুকটাক কথা বলে জানতে পারে যে নীলা তার স্কুলের বান্ধবী ছিল। অভীক ভাবে, একজন কে পেলাম যে মনে হয় সাহায্য করবে। দেখতে দেখতে ফেব্রুয়ারী মান এসে পড়ে। একদিন অনলাইনে অভীক নীলাকে জিজ্ঞেস করে যে ভ্যালেন্টান ডে তে নীলার প্ল্যান কি? সে কি করবে? নীলার জবাব – “আমার স্পেশাল ওয়ানের সাথে কাটাবো”। অভীক ধরে নেয় যে নীলা হয়তোবা দুস্টামী করে বলেছে। কিন্তু সন্দেহ জাগে তার মনে। সে মিউচুয়াল ফ্রেন্ডটির কাছে সাহায্য চায়। সে জানায় যে, “নীলা সিংগেল ই আছে। ফোন নাম্বার নিয়ে প্রপোজ করে ফেলতে। লাগলে ফোন নাম্বার জোগাড় করে দেবে সে।”? হাফ ছেড়ে বাচে অভীক। জানিয়ে দেয় যে, নাম্বার সে নিজেই জোগাড় করবে। কারণ, সে নীলার সাথে আর কোন প্রতারণা করতে চায় না। আর এত তাড়াতাড়ি সে তার ভালোবাসার কথা জানাবে না। কারণ, এখনো নীলা তাকে ভালোমত চেনে না। আগে বন্ধুত্ব হোক, তারপর।
২-৩ দিন পর সে নীলাকে অনলাইনে পেয়ে নক করে। বেশ কিছুক্ষন পর সে নীলাকে জিজ্ঞেস করে যে, নীলা কি তাকে এখনো বাজে ছেলে হিসেবেই দেখে কিনা? নীলা বলে, “হ্যাঁ, এবং এ ধারণা কখনোই চেঞ্জ হবে না”। হতাশ অভীক বাধ্য হয়ে মিউচুয়াল ফ্রেন্ড কে বলে নীলাকে একটু তার ব্যাপারে বাজিয়ে দেখতে। সে জানায় যে, নীলা সরাসরি তাকে না করে দিয়েছে। এবং মনে হয় নীলা অন্য কাউকে পছন্দ করে। অভীকের পায়ের নীচ থেকে মাটি সরে যায়। কারণ, প্রায় দেড় বছর ধরে শুধুমাত্র নীলার জন্যই সে নিজেকে পরিবর্তন করেছে। তার অনেক খারাপ অভ্যাস সে ত্যাগ করেছে নীলার কথা ভেবে। তার সমস্ত অস্তিত্ব জুড়েই শুধু নীলা। নীলা তার প্রেরণা। নীলাই তার সব। নীলার কথা মনে হলেই সে অনেক উদ্যম নিয়ে পড়াশোনা, প্রোগ্রামিং করতে পারে। তার ভবিষ্যr পরিকল্পনা ও নীলাকে ঘিরেই। এক মুহুর্তেই তার মন শুন্য হয়ে যায়। সে মিউচুয়াল ফ্রেন্ডটিকে ধন্যবাদ জানায় তার সাহায্যের জন্য এবং তাকে বলে যে, নীলাকে যেন সে বলে যে অভীক নীলাকে তার জীবন পরিবর্তন করে দেবার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছে। তখন বাজে রাত এগারোটা। অভীক দ্রুতপায়ে দোকানে যায়। তার মাথা অসম্ভব ব্যাথা করছে। দোকানদারকে বলে – “মামা, এক প্যাকেট বেনসন দেন, আর একটা ম্যাচ”। দোকানদার বলে, “মামা না সিগারেট ছেড়ে দিসেন”? অভীক জবাব দেয়, “আবার ধরতে হল”।
ছাদে বসে প্রায় দেড় বছর পর সিগারেট ধরায় অভীক। ফেসবুকের রিলেশনশীপ স্ট্যাটাস নামক জিনিসটার প্রতি চরম ঘৃণা হয় তার। ঘৃণা জন্মায় নিজের প্রতিও। “ভালোই তো ছিলাম আমি। কেন নীলাকে এতো ভালো লাগল? আর কেনই বা আমি এমন একজনকে এতটা ভালবাসলাম যে আমাকে এতদিনে ও বুঝতে পারলো না? কখনো পারবে ও না। এখন আমি দিন কাটাবো কিভাবে? নীলাকে তো পেলামই না বরং আমার নিজস্বতাটাও বিসর্জন দিয়ে দিলাম নীলার কাছে।”
পরদিন রাতে ফেসবুকে ঢোকে সে নীলাকে ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে রিমুভ করার জন্য। কিন্তু হোম পেজের শুরুতেই চোখে পড়ে নীলার স্ট্যাটাস। কেন জানি সাথে সাথে মন ভালো হয়ে যায় তার। সিদ্ধান্তহীনতায় পড়ে যায় সে। একটা সিগারেট ধরিয়ে ছাদে চলে যায় সে। ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করতে বসে। - “আমি নীলাকে ভালবাসি। আমি হয়তোবা তার কাছে কিছুই না। কিন্তু আমার জীবনে সেই তো সব। এটাই মনে হয় ভালো যে আমি অপেক্ষা করতে থাকি। একদিন নিশ্চয়ই সে আমাকে বুঝতে পারবে। হোক সেটা দশ বছর। I still love her and always will. নীলাকে ভোলা আমার পক্ষে সম্ভব না”।
সিগারেটটা ছুড়ে ফেলে দেয় অভীক। তাকিয়ে থাকে অনন্ত আকাশের দিকে। এগিয়ে যায় এক অনিশ্চয়তার পথে। যে পথে আছে একতরফা ভালবাসার জোয়ার আর সীমাহীন অপেক্ষার প্রহর। তবু ও অপেক্ষা করে থাকে অভীক।
নীলা কি কোনদিন বুঝতে পারবে অভীকের ভালবাসা? কখনো কি শেষ হবে অভীকের এই অপেক্ষার পালা?
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৩৬
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×