somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অসচেতনতায় পর্নোগ্রাফীর শিকার নারী

৩০ শে নভেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:৩৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
যুব সমাজের চরিত্র ধ্বংসের অন্যতম হাতিয়ার হচ্ছে মোবাইল পর্নোগ্রাফি। এর মাধ্যমে ধীরে ধীরে যুব সমাজের নৈতিক চরিত্র ধ্বংস বা মেধাশূন্য হয়ে পড়েছে।

বিজ্ঞানের কল্যাণে মোবাইল পর্নোগ্রাফিতে ছেয়ে গেছে গোটা বিশ্ব। বর্তমানে বাংলাদেশের যুবসমাজ তথা স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর বখে যাওয়া অন্যতম কারণ হচ্ছে মোবাইল পর্নোগ্রাফিধর্মীয় অনুশাসন না থাকলে সমাজের অবক্ষয় রোধ করা সম্ভব নয়।

সমাজ ও পরিবারে ধর্মীয় অনুশাসন থাকলে ছেলেমেয়েরা মোবাইল ব্যবহারে সংযত থাকবে। এ ক্ষেত্রে অভিভাবকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। সন্তানদের সৎ-চরিত্রবান করে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে পিতামাতার অবদান অনস্বীকার্য।

বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের যাত্রা শুরু হয় ১৯৯৩ সালে। বর্তমানে ৬টি টেলিকম কোম্পানীর গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৭ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। এত অল্প সময়ে মোবাইল বিস্ময়করভাবে ছড়িয়ে পড়ার অন্যতম কারণ হলো এর সহজলভ্যতা।

মোবাইল ফোন এখন আর বিলাসদ্রব্য নয়, অতি প্রয়োজনীয় বস্তুও বটে। শুরুতে মোবাইল ফোনে শুধু কথা আদানপ্রদান হতো। কিন্তু এখন বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো আমাদের দেশের মাধ্যমে এসএমএস, এমএমএস, ব্লু-টুথ আদানপ্রদান করছে। সর্বশেষ, মোবাইলে যে নতুন মাত্রাটি যোগ হয়েছে তা হলো ইন্টারনেট সেবা। এর মাধ্যমে বিশ্ব চলে এসেছে হাতের মুঠোয়।

ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি, খেলাধুলা, বিনোদনসহ সর্বক্ষেত্রের খবর পাওয়া যাচ্ছে বিশ্বের যে কোন প্রান্ত থেকে। মোবাইল ফোন যেন ছুঁয়ে গেছে জীবনের প্রতিটি শাখা। আর হালের ফ্যাশনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ফ্যাশনসচেতন তরুণ-তরুণীরা প্রতিনিয়তই আধুনিক প্রযুক্তি মোবাইল ফোনের দিকে ঝুকছে।

মোবাইল ফোন যেমন অতি প্রয়োজনীয় তেমনি এর রয়েছে ভয়ংকর অপকারী দিক।
মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মানুষকে বিরক্ত করা থেকে শুরু করে বড় বড় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডও ঘটানো হচ্ছে।
রাস্তায় গাড়ি চালানোর সময় চালকরা ফোনে কথা বলার ফলে অহরহ ঘটছে দুর্ঘটনা।
এছাড়া উঠতি বয়সের তরুণ-তরুণীরা মোবাইল ফোনে আসক্ত হচ্ছে।

পড়াশোনা করার চেয়ে তারা রাত জেগে ফোনালাপ করতে বেশি আগ্রহী, যা রীতিমতো ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে।

ডিজিটালের নামে মেয়েদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলে ক্যামেরায় গোপনে অশ্লীল দৃশ্য ধারণ করার বিষয়টি বর্তমানে ব্যাপকতা পেয়েছে। অনেক স্কুল-পড়ুয়া ছেলেমেয়েও শখের বসে নিজেদের নগ্ন দৃশ্য নিজেরা ধারণ করছে। বন্ধুদের হাত ধরে ঘুরে তা সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে।

তিন থেকে চার হাজার টাকা দামের মোবাইল দিয়ে এখন ভিডিও করা যাচ্ছে। কম্পিউটার, ল্যাপটপের পর এখন পর্নো ছবি ছড়িয়ে পড়ছে মোবাইল ফোনে।

কিশোর-কিশোরীরাই প্রধানত এই পর্নো ছবির প্রধান ক্রেতা। এই পর্নো ছবির পেছনে রয়েছে একটি সিন্ডিকেট, যারা তরুণীদের নায়িকা বানানোর প্রলোভন দেখিয়ে নিজেদের কজ্বায় নিয়ে আসছে।

তরুণীরা নিজেদের অজান্তেই হয়ে যাচ্ছে পর্নো ছবির নায়িকা। অনেকের ভাগ্যেই জুটছে পতিতার জীবন। দেশ ও দেশের বাইরে বসে বসে এই সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা।



রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সব জেলা শহরের স্কুল-কলেজের এমন কোন শিক্ষার্থী নেই, যার কাছে মোবাইল ফোন নেই। তবে সেই মোবাইল কতটুকু প্রয়োজনীয়; সেটা প্রশ্ন সাপে। কারণ প্রয়োজনীয় কাজের চেয়ে তিকর দিকটিই বেছে নিচ্ছে শিক্ষার্থীরা।

পিতামাতা তাদের সন্তানদের প্রতি বিশেষ লক্ষ্য না রাখায় তারা কার সঙ্গে কথা বলছে, কি বলছে, ফোনের ভেতরেই বা কি আছে, কিছুই জানেন না অভিভাবকেরা। শিক্ষার্থীরা পকেটে পর্নো ছবি নিয়ে ঘুরার ফলে একদিকে পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছে অপর দিকে তাদের নৈতিকতা দিন দিন অধঃপতনে যাচ্ছে। এর ফলে সমাজে অপকর্ম বেড়েই চলেছে।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠান মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের তথ্য মতে, ঢাকা শহরের পর্নো ছবির দর্শকের মধ্যে শতকরা ৭৭ জন্যই শিশু! স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা মোবাইল ফোনে, সাইবার সেন্টারে এবং কম্পিউটারে পর্নো ছবি দেখে থাকে। খোদ রাজধানী ঢাকায় ১০০০-এর বেশি দোকানে প্রতি মাসে এক কোটি টাকার পর্নো ছবি মোবাইলে ডাউনলোড করা হয়। সারা দেশে এর পরিমাণ ২০ কোটি টাকার ওপর।

ধর্মীয় অনুশাসন ছাড়া তরুণ-তরুণী, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়াদের নৈতিক অবয় রোধ করা সম্ভব নয়। এ ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধি যদি অচিরেই দূর করা না যায় তবে আমরা নৈতিকতা বিবর্জিত জাতিতে তথা সর্বনাশা ধ্বংসাবর্তে নিপতিত হব।বর্তমানে ভিডিও এবং বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে পর্নোগ্রাফি প্রসার ব্যাপকভাবে বাড়ায় সমাজে অশ্লীলতা-পৈশাচিকতা-অস্থিরতা ও নৃশংসতা ছড়িয়ে পড়ছে। ফলে যুব সমাজের বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পাশাপাশি সমাজের আবহমান সাংস্কৃতিক প্রবাহে ক্ষত সৃষ্টি হয়ে যুবসমাজ ক্রমাগত ধ্বংসের দিকে ধাবিত হচ্ছে এতে সমাজের সামগ্রিক ভারসাম্যও আজ হুমকির মুখে।

আমরা প্রযুক্তির দিক দিয়ে যত উন্নতি লাভ করছি আমাদের সভ্যতাও তত উন্নত হচ্ছে। আসলেই কি আমাদের সভ্যতা দিন দিন উন্নত হচ্ছে সভ্যতা মানে যদি হয় রুচিসম্পন্ন, সংস্কৃতিসম্পন্ন তাহলে প্রযুক্তি আমাদের সভ্যতাকে অগ্রসর করছে, তা বলা যাবে না। বরং আমরা এতটুকু বলতে পারি, প্রযুক্তি আমাদের জীবনযাত্রাকে সহজ ও গতিময় করেছে কিন্তু আমাদের সভ্য করেনি। প্রযুক্তি যদি আমাদের সভ্য করত তাহলে সারা পৃথিবীতে ধর্ষণ বাড়ত না, মানুষ মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করত না।

মোট কথা প্রযুক্তি আমাদের সভ্য করতে পারে নি, বরং প্রযুক্তি যত উন্নতি লাভ করেছে আমাদের স্বার্থ তত প্রকট হয়ে উঠছে। ইন্টারনেট প্রযুক্তি সমগ্র পৃথিবীকে আমাদের হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে ঘরে বসেই আমরা সারা পৃথিবীকে অবলোকন করি। ইন্টারনেটের অনেক ভাল দিক রয়েছে যা ব্যবহারে আমাদের জানার পরিধিকে বাড়িয়ে দেয়, কিন্তু এর খারাপ দিকগুলো মোটেই উপো করার মতো নয়। পর্নোগ্রাফি তেমনই একটি খারাপ দিক, যা যুবক-যুবতীদের ঠেলে দিচ্ছে ভয়াবহ বিকৃত যৌনাচারের দিকে। এসব ভিডিও দেখার ফলে একজন তরুণ হয়ে উঠছে সেক্স অপরাধী।

বর্তমানে বাংলাদেশের যুবসমাজ তথা স্কুল-কলেজগামী তরুণ-তরুণীদের বখে যাওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে মোবাইল এবং ইন্টারনেট। এ ব্যাপারে সরকারকে কঠোর পদপে নিতে হবে। যাতে প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যতীত মোবাইল বা ইন্টারনেট কেউ ব্যবহার করতে না পারে। দেশের পর্নোগ্রাফি সাইটগুলো বন্ধ করতে হবে। সর্বোপরি সন্তানদের মোবাইল ব্যবহারে অভিভাবকদের সচেতন থাকতে হবে।

সুত্রঃ
ইউছুফ আরমান
দৈনিক পূর্বকোণ---৩০.০১১.২০১১
==============================
আমার পোষ্টটি পড়ুনঃ

লুকানো ক্যামেরা থেকে সাবধান

নতুন নতুন প্রযুক্তির কারনে পৃথিবী এখন হাতের মুঠোয়। চারিদিকে মোবাইল,ক্যামেরার ছড়াছড়ি। প্রতিমুহুত্বে প্রিয় দৃশ্যগুলো ক্লিক করে তুলে রাখছে। কেউ বা সখের বশে। কেউবা বিকৃত মনমানসিকতা নিয়ে... কেউ বা অপরজনকে হেয় করতে...কেউবা ফায়দা লুটতে.....তাই আসুন নিন্মের কতগুলো বিষয় মনে রাখার চেষ্টা করুন।

১. আপনার সামনে কেউ মোবাইল নিয়ে খেলছে কিনা ভাল করে দেখুন, নইলে কখন যে আপনার ছবি/ভিডিও তুলবে আপনি টেরও পাবেন না।

২. বউ/পরিবার-পরিজন নিয়ে কোন আবাসিক হোটেলে থাকতে চাইলে রুমের কোথাও ক্যামেরা আছে কিনা ভাল করে চেক করে করুন বিশেষ করে টয়লেটে।

৩. আপনজন ছাড়া কাউকে নিজের ভিডিও চিত্র/ছবি তুলতে দিবেন না। কারন খুব সহজেই আপনার ছবি বা ভিডিও ট্রান্সফার হয়ে যাবার সম্ভাবনা বেশী।

৪. নেটে চ্যাট করলে নিজের আবেগকে কন্ট্রোল রাখবেন। বিশেষ যখন ওয়েব ক্যাম ওপেন রাখবেন।

৫. অন লাইন প্রেম থেকে সাবধান থাকবেন, বিশেষ করে মেয়েরা। কারন ফেইসবুকের কারনে অনেক তরুণী আজকাল ঘর থেকে পালাচ্ছে।

৬. পার্কে বসে আড্ডা দেবার সময় খেয়াল রাখবেন কেউ মোবাইল বা ক্যামেররা থেকে ছবি/ভিডিও করছে কি না, করলেও আপনি দেখতে পাবেন না কারন জুম ক্যামেরা দিয়ে অনেক দুর থেকে ভিডিও ধারন করা যায়। তাই সাবধান থাকুন।

৭. বিয়ের অনুষ্টানে যে কেউ আপনার ছবি বা ভিডিও তুলতে পারে। পরবর্তীতে ফেইসবুকে আসতে পারে তাই আনন্দের মধ্যে ও সাবধানতা অবলম্বন করুন।

৮. বিভিন্ন শপিং মলে বিশেষ করে লেডিস শপের ট্রায়াল রুমে হিডেন ক্যামেরা থাকতে পারে..তাই হে রমণীরা সাবধান থাকুন।

৯. সাবধানতা অবলম্বন না করলে আপনরা ছবি/বা ভিডিও অনলাইনে চলে আসতে পারে কারন অনেক দুষ্টচক্র প্রিয়জনকে হেয় করার জন্য কাজটি করে আসছে।

মনে রাখবেন, জীবন জীবনের জন্য, আমরাই একে সহজ করি, আবার আমরাই জটিল করি।

আমাদের প্রত্যেকের জীবন সুন্দর হোক এই কামনা করি।

Click This Link

Click This Link

সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে নভেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:৫০
৬টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×