somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

খবরের হেডিংটা হয়তো অনেক ছোট কিন্তু বিশ্বজুড়ে চলমান আর্থ সামাজিক অবস্থার এক ভয়াবহ পরিনামকে ইঙ্গিত করছে :(

০৭ ই জানুয়ারি, ২০১১ সকাল ১১:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ছুটিরদিনের সকাল । আলস্যে ভরপুর শরীর ।এমনিতেই কদিনের শীতের তীব্রতায় নগর জীবন ভীষন এলোমেলো । নাস্তা খেতে ডাকলো মা ।নাস্তা খেয়ে এসে স্বভাবসুলভ ইন্টারনেটের নিউজ পোর্টালগুলোতে ইতিউতি নজর বুলাচ্ছি । বিবিসি বাংলার একটা খবরের শিরোনামে হঠাৎ চোখ পরল । আহামরি চটকদার তেমন কোন খবরের শিরোনাম নয় ।

"মা-বাবার দেখাশুনা বাধ্যতামূলক হচ্ছে "

মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুলের রচনা প্যারাগ্রাফ গোছের অনেকটা । তারপরও কি যেন এক আগ্রহে ভেতরের খবরটুকুতে ঢুকলাম ।
---------
বয়স্ক মা-বাবার দেখাশোনা করার বিষয়টি সন্তানদের জন্য বাধ্যতামূলক করার লক্ষ্যে চীন একটি নতুন আইন করতে যাচ্ছে।

বিশালত্বের কারণে চীনের সামাজিকক্ষেত্রে যেকোন আচরণকে বেশ বড় করে দেখানো হয়।

দেশটিতে ষাটোর্ধ লোকের সংখ্যা সতোরো কোটিরও বেশী৻ সুতরাং, প্রবীণদের দেখাশোনা করার বিষয়টিকে চীনের নেতাদের পক্ষে আর উপেক্ষা করা সম্ভব না৻

চীনের সংবাদমাধ্যমকে একজন সরকারী কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে এজন্যে নতুন একটি আইনের খসড়া তৈরী করা হয়েছে৻

প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী প্রবীণ বা বয়স্কজনেরা তাঁদের শারীরিক এবং মানসিক পরিচর্যার অধিকার আদায়ের জন্য আদালতের দ্বারস্থ হতে পারবেন৻

বাবা - মাদের দেখাশোনা করা চীনের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ৻ কিন্তু, সম্প্রতি কাজের প্রয়োজনে অভিবাসন বেড়েছে এবং তার ফল হিসাবে এই পারিবারিক বন্ধন অনেকটাই আলগা হয়ে গেছে।

-----

বল্লাম না আপনার চোখকে আকৃষ্ট করতে পারবে তেমন কোন খবরই নয় এটা । কিন্তু না । আরেকটু গভীরে ভাবুন তো । হ্যা !!! এক ধরনের অশনী সংকেতকে বহন করে দিয়েছে খবটি ।

বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান যান্ত্রিকতাময় জীবনযাত্রার তোড়ে আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে বিরাজমান ট্র্যাডিশনাল পরিবারপ্রথা আস্তে আস্তে ভেঙ্গে পরছে । এসব দেখেও আমাদের সমাজও তেমন কিছু বলছে না । তাই সবার শেষ অভিবাবক হিসাবে রাস্ট্র নিজেই এগিয়ে আসছে পরিবার প্রথার ঐতিহাসিক এই বন্ধনকে আইনগত বাধ্যবাধকতার খোলশে আবৃত করে দিতে ।



কিন্তু প্রশ্ন হল এরকম কোরামিন দিয়ে আর কতদিন পারবে সময়ের এই যান্ত্রিকতকাময় জীবনযাত্রার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে ?

আপনি কি ভাবছেন ??
২৬টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

লিখেছেন নতুন নকিব, ১১ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০৩

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

লিখেছেন আঘাত প্রাপ্ত একজন, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:২৬

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

[সম্ভাবনার ক্রমানুসারে নয়ঃ]

আর্জেন্টিনা: আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ তার ডিফেন্স আর ইনজুরি । ৩৮ বছরের তরুণ(!) সেন্টারব্যাক ওতামেন্দি আর কমপক্ষে এক হালি হাফ-ফিট ফুটবলার নিয়ে ১৯ জুলাই পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×