আমার প্রিয় পোস্ট

কাঁদো, যখনি কাঁদতে ইচ্ছে করবে। কান্না শুদ্ধতম আবেগ প্রকাশের একমাত্র উতকৃষ্ট মাধ্যম। অতি সুখের সংবাদ এ মানুষ শুদ্ধতা খুজে পায়, অতি দু:খের সংবাদ এ মানুষ শুদ্ধতা খুজে পায়। কাজেই কাঁদো, কেঁদেই তোমার জীবনকে তুমি শুদ্ধতা দান করো। - তুর্কী মরমী কবি দাদায়েম ঈমাস

কেন লিখিনা

১১ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:৫৯

শেয়ারঃ
0 15 0

সকলেই কবি নয়, কেউ কেউ কবি। জীবন বাবুর সেই বিখ্যাত উক্তি। “কবিতার কথা” প্রবন্ধের প্রথম বাক্যেই তিনি কবি এবং সাধারণ মানুষের মাঝে পার্থক্যের সীমারেখা টেনে রেখে গিয়েছেন। আমাকে ভাসিয়ে দিয়েছেন নিপাট হতাশায়, বেদনার স্বর্গরাজ্যে। তিনি কবি বলতে চেয়েছেন তাদেরই, যাদের অন্তর কল্পনা ও অভিজ্ঞতার অদ্ভুত মিশেলে রক্ত-মাংসের প্রতিবেশ পৃথিবীকে সৃষ্টিশীলতার বেদনায় কাঁপাতে পারে। যাদের রয়েছে একটি জীবনদর্শী মন এবং সেই মননকে ভাষায় প্রকাশ করার মতো আশ্চর্য লেখনীশক্তি। একজন কবি তার অভিজ্ঞতাকেই শব্দের মাধ্যমে প্রকাশ করেন। শব্দ নিয়ে খেলা করতে করতেই কবি তার জীবনাভিজ্ঞতাকে ছন্দ-রূপক-উপমা-চিত্রকল্পে রূপ দিয়ে যান। রবিঠাকুর বলেছেন আবার প্রেরনার কথা। আরেক প্রতিথযশা সুধীন দত্ত আবার প্রেরনাকে আমূল অস্বীকার করেছেন। জীবন বাবু তার প্রবন্ধের প্রথমেই আমাকে নিদারূন কঠোরভাবে শূল বিদ্ধ করে ট্রামের নীচে চাপা পড়ে তার কবিতার যুবকের মতোই লাশকাটা ঘরে শুয়ে ক্লান্তির ঘুম দিয়েছেন। একটি অসাধারণ কবিতার সাথে আমাকে উপহার দিয়েছেন একরাশ হতাশা। অন্যসকলেই আমাকে এমন হতাশায় হাবুডুবু খাওয়াতে থাকলেন।

আমাদের দেশের আরেক বিখ্যাতজন বলেছেন যে, সমাজের যে কোন উথ্থান-পতন সর্বপ্রথম কবি/সাহিত্যিকের দৃষ্টিগোচর হয়। তারাই একমাত্র হৃদয় দিয়ে, প্রজ্ঞা দিয়ে, নিজেদের স্পর্শকাতর অনুভূতি দিয়ে সমাজের যে কোন পতন কিংবা উথ্থানকে সর্বপ্রথম অনুধাবন করতে পারেন। যে কোন অবক্ষয়, যে কোন ধ্বংস, যে কোন সৃষ্টি, যে কোন রুগ্নতা, যে কোন বিনষ্ঠী, যে কোন ক্লেদ, যে কোন ক্লান্তি, যে কোন রোমান্চ, যে কোন উন্মাদনা সবই প্রথম অনুধাবিত হয় সাহিত্য জগতের কুশীলবদের হৃদয়ের চোরাবালিতে। ওলট-পালট ঘটায় তাদের মনীষাতে। তিনিও আমাকে যেন তার লেখার তরবারি দিয়ে শতছিন্ন করলেন। এজন্যেই হয়তো বলা হয়, একটি ধারালো তরবারি থেকে একটি কলম অনেক বেশী শক্তিশালী। আমিও সেই শক্তির নিকট মুখবুজে পরাজয় বরন করলাম।

একটা কথা প্রায়ই শোনা যায়। কবিতা লেখার আগে অন্তত ১০০০ হাজার কবিতা পড়ে শেষ করতে হবে। অন্তর দিয়ে অনুধাবন করতে হবে কবিতার রূপ-রস-ভাব-গাম্ভীর্য-চিন্তা-চেতনা। গনিতের মতোই বুঝতে হবে কবিতার আত্মিক এবং শারীরিক পার্থক্য। যে কোন লেখাই কবিতা নয়। কোন লেখাকে কবিতা হয়ে ওঠার জন্য তার দৈহিক এবং অন্তরের কাঠামোর মাঝে একটি সামন্জস্যতা থাকা জরুরী। কবিতাকে কবিতা হয়ে উঠতে হয়। এবং হঠাত করেই তা সম্ভব নয়। এর জন্য যেমন জ্ঞানের প্রয়োজন, প্রয়োজন সৃজনশীলতার, মননশীলতার। কবিতার রচয়িতাকে জানতে হয় কবিতার কলা-প্রকৌশল। আর সব মিলিয়েই কবিতা হয়ে ওঠে আশ্চর্য এক অন্তর্জালিক সৃষ্টি।

কবিতার জন্য প্রয়োজন ছন্দজ্ঞান। কবিতা মাত্রই ছন্দের ঝংকার, ছন্দের কারিগরী, মৃদুমন্দ স্পন্দন, স্বপ্নলোকে অনুরনন। গদ্য থেকে কবিতাকে পৃথক করার একমাত্র অবলম্বনই হচ্ছে ছন্দ। বাংলা কবিতার হাজার বছরের ইতিহাসে ছন্দ ফিরে এসেছে বারেবার। ছন্দহীন লেখা কবিতার প্রাথমিক ধাপই পাড়ি দিতে পারেনা। তাই কবিতাকে হয়ে উঠতে হয় ছন্দবোদ্ধ। ছন্দ - তা সে হোক স্বরবৃত্ত, অক্ষরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত, গদ্যছন্দ অথবা মিশ্রছন্দ। ছন্দকে কবিতার অপরিহার্য শারীরিক অংশ হিসেবে ধরা হয়। তাইতো অনেকে বলে থাকেন কবিতা হচ্ছে ছন্দবোদ্ধ গদ্য। ছন্দহীন কবিতা পড়তে গিয়ে বার বার শব্দের মাঝে হোচট খেতে হয়। পাঠককে পতিত হতে হয় অকবিতার জন্জালে। পাঠক পতিত হন জন্জালে আর আমি নিজেকে হতাশার ইঁদারায় ডুবে যেতে দেখি।

কবিকে হতে হয় শব্দের কারিগর। তাইতো ডাইল্যান টমাস নিজেকে শব্দ প্রেমিক বলে আখ্যায়িত করেছেন। শব্দ নিয়ে খেলা করার প্রাথমিক ইচ্ছাশক্তি থেকেই কবি হওয়ার বীজ রোপিত হয়। সেই বীজ থেকেই ধীরে ধীরে জেগে উঠে মহীরূহের মতো কাব্যসম্ভার। যার জন্য একজন কবির প্রয়োজন উতকৃষ্ট শব্দজ্ঞান। শব্দের পিঠে শব্দ বসিয়ে নিরন্তর গবেষনাই কবিকে এনে দিতে পারে একটি উতকৃষ্ট মহত কবিতা। শুধু ভাবগাম্ভীর্য থাকলেই চলবেনা। তা প্রকাশের জন্য চাই উতকৃষ্ট শব্দমালা। চিত্রকরদের মনে ভাবগাম্ভীর্যের কোন কমতি নেই। তারা তুলি দিয়ে একের পর এক ছবি একে যেতে পারেন। কিন্তু শব্দ দিয়ে ছবি আকতে গেলেই সৃজনশীলতার সাথে ভাষা বা শব্দজ্ঞানের প্রয়োজন হয়ে পড়ে। মালার্মে হয়তো তাই বলেছিলেন,

“One does not write a poem with ideas, one writes it with words”

বিশিষ্ট কবি এলিয়ট তার Collected Essays গ্রন্থে বলেছিলেন, -

“Genuine poetry can communicate, before it is understood”

অর্থ বোধগম্য হওয়ার আগেই যে কোন মহত কবিতা শুধু মাত্র শোনামাত্রই শ্রোতার কাছে অনুধাবনযোগ্য। উতকৃষ্ট কবিতা না বুঝেও শুধু কানে শুনেই নির্মল আনন্দ পাওয়া যায়। সব দেখে-শুনে-বোঝে আবার নিজেকে দেখতে পাই সেই হতাশার ইঁদারায়, বেদনার প্রকোষ্টে, বিভ্রান্তির চোরাবালিতে।

রবিঠাকুর জীবনবাবুকে বলে গিয়েছিলেন ‘চিত্ররূপময় কবি’। জীবনবাবুর প্রতিটি শব্দই যেন এক একটি চিত্রকল্প/রূপকল্প পাঠকের স্বপ্নদৃষ্টিতে ফুটিয়ে তোলে। শব্দে শব্দে, পংক্তিতে পংক্তিতে, গুচ্ছে গুচ্ছে তিনি এঁকে গিয়েছেন একের পর এক চিত্ররূপময় ছন্দ, উপমা, রূপক। ইম্প্রেশনিষ্টদের চিত্রকলা যেমন খুব কাছ থেকে দেখলে সামগ্রিক আবেদনটি ঠিক মানব মনে ফুটে ওঠেনা, ঠিক তেমনি জীবনবাবুর কবিতাও খুব সহজে অনুধাবন যোগ্য নয়। নিসর্গ যেন তার কবিতায় অদ্ভুত, সৃষ্টিশীল রূপময়তার আধার হয়ে প্রস্ফুটিত হয়েছে। ফুল-গাছ-ফল-লতা-পাতা-ঘাষ-বন-ঘাট-মাঠ-প্রান্তর-আকাশ-বাতাস-সমুদ্র-পাহাড়-টিলা-মরু-রোদ-ঝড়-নদী-নালা-ঝরনা-প্রপাত-পুকুর-ডোবা-বৃষ্টি-পশু-পাখি-সরিসৃপ সবকিছুতেই তিনি চিত্রকল্পের সন্ধান করতেন। চিত্রকল্প যে কোন মহত-উতকৃষ্ট কবিতার একটি অপরিহার্য অংশ। কোন কোন কবি হয়তো কবি জীবনে পাঠককে একটিমাত্র চিত্রকল্পও তার কোন কবিতায় উপহার দিয়ে যেতে পারেন না।

যে কোন কবির জন্যেই তাই শব্দ দিয়ে চিত্রকলা সৃষ্টি করা বেশ আয়াস সাধ্য ব্যাপার। প্রতিটি কবিই চিত্রকল্প রচনা করে হয়তো একটি অমানুষিক তৃপ্তি লাভ করেন। কিন্তু আমি আমার জীবনে কোন চিত্রকল্পের প্রকাশ খুজে পাইনা। শব্দের অলিতে গলিতে দিনরাত মাথা খুটে মরেও আমি সৃষ্টি করতে পারিনা একটি মাত্র চিত্রকল্প। আমার কাছে ভোরের আলোকে কচি লেবুপাতার নরোম মনে হয়না, আকাশের রঙকেও মনে হয়না ঘাস ফড়িঙের মতো কোমল নীল, টুকটুকে চাদকেও মনে হয়না লালমুখো চাষীর মতো, চিতাবাঘের মতো সূর্যমুখী ফুলে মুখ রেখে বাঘিনীর স্মৃতিকাতরতায়ও আমি ডুবে যাইনা, কারও নগ্ন উরু বেয়ে ফলের রস গড়িয়ে পড়তে দেখেও আমি পুলকিত হইনা, আমার হৃদয়ও কখনো মসজিদের মিনারের সুউচ্চে অতিকায় আতাফলের মতো কেপে ওঠেনা, নারীকেও মনে হয়না দুধের মতো সাদা, হায়েনার উত্থিত লিঙে আমি দেখিনা নারীর সম্ভ্রমের ব্যর্থ ক্রন্দন, শত্রুর বায়োনেট শীর্ষে দেখিনা রক্তনদী, অন্ধ চোখ তুলে নির্বোধ পশুর মতো চেয়ে থাকতেও আমার মন চায়না, সূর্যকে গিলে খেতে দেখিনা আমি ঐ অশ্লীল সেতুটিকে, তোমার ঠোটেও দেখিনা লম্পট চাদের একে যাওয়া সেই অশ্লীল স্মৃতিচিহ্ন, নারীত্বের মহার্ঘ্য মসজিদ লুট হতে দেখিনা সেই দানবের দ্বারা, যার থুতুতে ক্লীষ্ট হয়েছে তোমার অধর, স্তন চুর্নবিচূর্ন হয়েছে যার নখরের আঘাতে।

আমি কিছুই খুজে পাইনা, দেখতে পাইনা, কল্পনায় ভাসিনা, স্মৃতিতে চমকিত হইনা। শিশুর মুখ আমাকে কোন উপমা দেয়না, নারীর অজানুলম্বিত কেশ থেকে শুরু করে মসৃন কামনাতপ্ত অধর - কিছুই আমাকে উপমা দেয়না, রূপক-প্রতীক-চিত্রকল্প দেয়না। প্রকৃতি-নিসর্গও আমাকে সৃষ্টিশীল করে তোলেনা। পুকুর-নদী-ডোবা-নালা-আবর্জনা-ডাস্টবিন-পাহাড়-সমুদ্র, থলথলে পেটমোটা ঘুসখোর, সরকারী আমলা, বেশ্যার দালাল, মসজিদের ইমাম, নারীর চুম্বন, প্রেমিকার স্বার্থপর ভালবাসা, কামনাতপ্ত দু:সহবাস, নির্লজ্জ অত্যাচার, কপোট ছলনা কিছুতেই আমি কবিতা খুজে পাইনা। মায়ের শাসন, বোনের স্নেহ, বাবার প্রশ্রয়, ভাইয়ের উদারতা, বন্ধুর রসিকতা, শত্রুর প্রশংসা কিছুই আমাকে একটি কবিতা উপহার দেয়না। ভোরে ঘুম ভাঙার পর থেকে মধ্যরাত্রিতে ঘুমোনর আগ পর্যন্ত কাব্যহীন এক নির্জনতায়-নি:সন্গতায় দিনানিপাত করি আমি। অদ্ভুত এক ছন্দ-মাত্রা-রূপক-উপমা-প্রতীক-চিত্রকল্প বিহীন সত্তা নিয়ে আমাকে হয়তো জীবন পথে পাড়ি দিতে হবে বহুদূর।


(সন্গমের তীব্র আকান্খা নিয়ে কামতপ্ত শরীরে উপগত হতেই তিনি শয্যা ত্যাগ করলেন। অতঃপর জোরপূর্বক ধর্ষন করতে গেলে তিনি আমাকে লম্পট বলে গালি দিয়ে উঠলেন। আমিই বা কম যাই কিসে!!! রাগতপ্ত হয়ে শেষে আমি এক বেশ্যার সাথে দুঃসহবাসে রাত্রি যাপন করলাম। তোমাকে আমার প্রয়োজন নেই, আমার প্রয়োজন বাদামতলীর বেশ্যা। তোমার ছলনা থেকে বেশ্যার স্বত:স্ফুর্ততা অনেক বেশী গ্রহনযোগ্য)


ছবির জন্য কৃতজ্ঞতা:

Click This Link

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:০৯
কৌশিক বলেছেন: ওহ মাই গড, ব্রিলিয়ান্ট ওয়ার্ক।
১১ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:২৬

লেখক বলেছেন:


ধন্যবাদ....আপনার ব্রিলিয়ান্সির কাছে কচুপাতা

২. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:১৪
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:

সকলেই কবি নয়, কেউ কেউ কবি।
১১ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:২৮

লেখক বলেছেন:

হুমমমম.....সকলেই উন্মাদ নয়, কেউ কেউ উন্মাদ....সব ভালো তো?

পড়ার জন্য ধন্যবাদ

৩. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:১৯
মুকুল বলেছেন: অফিসে আছি। মেইল চেক করতে এসে একবার প্রথম পাতায় ঢুঁ মেরে লেখাটা দেখলাম। কি আর বলবো, দূর্দান্ত!!! :) *****


তবে ফটুকখানার দিকে বার বার চোখ চইলা যাইতেছে। কি আর করা, বয়সের দোষ!!!B-)

ফটুকখানা না থাকিলেও আপনার এই অসাধারণ লেখার মাহাত্ম্য একটুকুও কমবে না বলে আমার বিশ্বাস। ;)
১১ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:২৯

লেখক বলেছেন:

বয়সের দোষ...সবারই বয়সের দোষ!!!!

ধন্যবাদ মুকুল ভাই....ফটুক খান কিন্তু জটিল কইলাম(ক্লোজআপহাসি)

৪. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:২৫
আউটসাইডার বলেছেন: অসাধারণ লেখা সামী। সত্যিই অদ্ভুত হয়েছে লেখাটা। কবিতার খোঁজে এক কবির প্রানান্তকর সন্ধানের দেখা পেলাম আপনার লেখায়। আপনার তীব্র বেদনার প্রকাশ পেলাম যেন এই লেখায়। কবিতা তো সন্তানের ই মত। মা যেমন সন্তানকে জন্ম দেন তীব্র বেদনার পর, আর সন্তানকে জন্ম দেবার পর পান যে স্বগী'য় সুখ, একজন কবিও তো তেমনি তার সন্তানতুল্য কবিতাকে জন্ম দেন তীব্র বেদনার মধ্যে থেকে, আর লেখা সম্পন্ন হলে খুঁজে পান সুতীব্র সুখ।
আপনাকে আমি কবিই ভাবি। আশা করি আপনি কাব্যদেবীর আশীবা'দে সৃষ্টি করবেন অদ্ভূত সব কবিতা।
মন্তব্যটা নিতান্তই নিজের মনের ভাব থেকে করলাম। ভাল নাও লাগতে পারে আপনার। তবে আশীবা'দ করি আপনি খুঁজে পান আপনার গন্তবয়।আপনার কবিতা।
১১ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৩২

লেখক বলেছেন:

আপনার অসাধারণ মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ। আপনার আশির্বাদকে হৃদয়ে স্হান দিলাম ভাইয়া। আর মন্তব্যে কিছু মনে করার কোন প্রশ্নই উঠেনা। আপনার ভাবনা অনেকাংশে সত্যি। প্রত্যেক লেখাই আমার কাছে একেকটা সন্তানের মতো।

৫. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৩১
মুকুল বলেছেন: ফটুক থেইকা চোখ ফিরাইতে চুখে নুঢ়ে য়্যালার্ম ভাইয়ের চুশমা লাগাইলাম!
B-)
১১ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৩৪

লেখক বলেছেন:


হাহাহাহাহাহাহাহাহা.....দেখেন কাম হয় নাকি....ভাইজান যদি আবার তার চশমার অবমাননায় কিছু মনে করে, তাইলে কিন্তুক খবর আছে

সবাই কি খালি ফটুক দেখে নাকি? হায়!!! হায়!!! আমার লে...খা...!!!!

১১ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৩৬

লেখক বলেছেন:

মাঠশালা ভাই গম্ভীর ভাবে হুমমমম..... কইয়া কি বুঝাইলেন? ভাই আমি ভুখা-নাঙা-সর্বহারা...এতো গম্ভীর ভাবে না কইয়া একটু সহজ করে বলেন তো?

তারপরও আপনাকে ধন্যবাদ

৭. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৩৭
আউটসাইডার বলেছেন: @ মুকুল:
হায় হায় করছেন কি ভাইজান। নুরে আলম ভাই এর চশমা পইড়া এই ছবির দিকে চোখ আরো বেশী যাইবো আর তখন এই ছবিতে দেখবেন কংকাল। জানেন না ভাইয়ের চশমা পেনেট্রেট করে সব।
১১ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৪২

লেখক বলেছেন:

হাহাহাহাহাহাহাহাহা....মন্তব্যে +

৮. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৩৮
নবজন্ম বলেছেন: লেখাটার সাথে ছবিটার সম্পৃক্তা বোধহয় খুব একটা না।
তবে এটা নিচের অংশের সাথে খুবই প‌্রয়োজন। সুতরাং নিচের অংশটা আর ছবিটা দিয়ে আর একটা পোষ্ট দিলে ভাল হত। এ ছাড়া ও----++
১১ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৪৩

লেখক বলেছেন:

হুমমমম....নীচের প‌্যারাটা হইলো লেখাটার শানে নজুল

ধন্যবাদ পড়ে মন্তব্য করার জন্য

৯. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৩৮
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: সামী আজকে থেকে আমি তোমার ফ্যান হলাম ।
লেখা মারাত্মক হইসে ! মারাত্মক !!
............... সারমর্ম হইলো সব বন্ধ কইরা আমার শুধু লিরিক পোস্টনো ছাড়া আর কোন গতি নাই ।
১১ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৪৬

লেখক বলেছেন:

আমি অনেক আগে থেকেই তোমার ফ্যান। খালি ঘুরতেছি আর ঘুরতেছি

ধন্যবাদ

১০. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৪১
অচেনা বাঙালি বলেছেন:
তোমার লেখার মর্ম পারিনি করিতে উদ্ধার
কারণ, ফটুক দিয়েছ চমৎকার
ফটুকখানা আমায় পড়তে দেয়না লেখা তোমার
চলে যায় মম নজড় ঐদিকে বারবার।
১১ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৪৮

লেখক বলেছেন:

কি কয় এইগুলা?....নাহ!!!! আগে বুঝিনাই, নাইলে এই ফটুক কোনদিনই দিতাম না....এখন পাল্টাইতেও খারাপ লাগতেছে

অচুদা আবার পড়েন, আবার....আইজ বুঝতেই হইবো এইডা...নাইলে ছাড়াছাড়ি নাই

১২. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৪৫
মুহিব বলেছেন: লেখা মারাত্মক হইসে ! মারাত্মক
১১ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৪৮

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ মুহিব

১৩. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৪৫
মুকুল বলেছেন: আমি আগেই কইছিলাম যে ফটুকখান সরান। নইলে আপনার অসাধারণ লেখাটার দিকে সবার চোখ কম যাইবো। লেখা নিয়া আলোচনা কম হৈবো। ;)
১১ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৫১

লেখক বলেছেন:

আগে বুঝিনাইরে ভাই...নাইলে কি আর এমন ভুল করি!!!....লেখার শানে নজুলের লগে ছবির অদ্ভুত মিল পাইয়া পোষ্টাইছিলাম....কিন্তু....ধুরু...

১৪. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৪৭
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: অচু দা রে একটা ণূড়াণী চশমা পড়ায় দেয়া হোক । :P
তয় ফটুকখান বড়ই সৌন্দর্য :D:D:D:D
১১ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৫২

লেখক বলেছেন:


সবাই যেন নুড়ানী চশমা পইরাই এই লেখাটা পড়েন.....আউটসাইডার ভাইয়ার কথা অনুযায়ী কন্কালই দেখুক সবাই

নাহ!!!!

১৫. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৫৯
সাধারন বলেছেন: এই ফটুর শিল্পী কে?আর সব ই অসাধারন।
১১ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:০৯

লেখক বলেছেন:
নেট সার্চ করতে গিয়ে পেলাম....শিল্পী কে জানিনা তো? ইমপ্রেশনিস্ট কেউ হবেন হয়তো....

ধন্যবাদ আপনাকে

১৬. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:০৬
এলোমেলো বলেছেন: দারুন সামী ভাই । আপনাকে এরকম লেথার জন্য ধন্যবাদ
১১ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:১০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ এলোমেলো

১৭. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:২০
মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন: ভালো লিখেছেন।

তবে জীবনবাবুর,
সকলেই কবি নয়, কেউ কেউ কবি-এ বাক্যর বিরোধিতা করে নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী তার "কবিতার ক্লাশ" বইতে বলেছিলেন "কেউ কেউ কবি নয়,সকলেই কবি"।আমার কাছে এ দুটো উক্তির কোনোটাই ভুল মনে হয়না।কেননা প্রত্যোক মানুষের জীবনেই কোনো না কোনো মুহুর্তেই কবিতাক্সণ আসেই,অন্তত একবার হলেও।জীবনানন্দ সম্ভবত স্বভাব কবি সম্বন্ধে এমন কথা বলেছিলেন।তবে কবির ক্যাটাগরিও আমার কাছে ভালো লাগে না।যেকোনো মানুষ যেকোনো সময় কবি হয়ে যেতে পারে যেকোনোসময়,এজন্য কোনো শর্ত থাকার কথা নেই,থাকলে ামি মানিনা।

কবিতার জন্য প্রয়োজন ছন্দজ্ঞান-
আমার মনে হয় এটিও অপরিহার্য কিছু নয়।তবে প্রাচীন ভারতীয় নন্দনতত্বে শব্দালংকারের একটি উপাদান হিসেবে ছন্দের কথা পাওয়া যায়।অর্থালংকারে আবার ছন্দ অপরিহার্য নয়।
আমাদের কবিতার এসময়টাতে কবিরা মুলত অর্থের ডাইমেনশন নিয়ে আসতে চায়,এক্ষেত্রে তারা অর্থহীনতাকেও প্রমোট করে।তারা বোধ নিয়ে খেলতে চায়।তাই ক্লাসিক ছন্দ এখানে গৌন বিষয়।তবে তা জানলে অবশ্যই ভালো।

"সন্গমের তীব্র আকান্খা নিয়ে কামতপ্ত শরীরে উপগত হতেই তিনি শয্যা ত্যাগ করলেন। অতঃপর জোরপূর্বক ধর্ষন করতে গেলে তিনি আমাকে লম্পট বলে গালি দিয়ে উঠলেন। আমিই বা কম যাই কিসে!!! রাগতপ্ত হয়ে শেষে আমি এক বেশ্যার সাথে দুঃসহবাসে রাত্রি যাপন করলাম। তোমাকে আমার প্রয়োজন নেই, আমার প্রয়োজন বাদামতলীর বেশ্যা। তোমার ছলনা থেকে বেশ্যার স্বত:স্ফুর্ততা অনেক বেশী গ্রহনযোগ্য"

খুবই ভালো লাগলো এ জায়গাটি।চমৎকার!





১১ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: আপনার সুচিন্তিত মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ মুয়ীজ।

কারও লেখক বা কবি হয়ে ওঠাটা আগে থেকে কখনোই বলা যায়না। হঠাতই হয়তো কেউ কেউ কবি/লেখক হয়ে উঠেন। কোন এক ক্ষনে হয়তো তার ভেতর থেকে উতসারিত হয় পঙক্তির পর পঙক্তি। তাই হয়তো সৈয়দ হক বলেছেন লেখাজোখা অনেকটা খুন করে ফেলার মতো।

তবে কোন কিছু লেখার আগে চিন্তা-ভাবনা করাটা খুব জরুরী মনে হয় আমার কাছে। একজন কবির অন্তর্জগত, বহির্জগত সব কিছুই কিন্তু তার কবিতায় ছাপ ফেলে।

আর ছন্দজ্ঞান থাকলে একজন কবি কবিতার যে কোন আন্গিক নিয়েই এক্সপেরিমেন্ট করতে পারেন। যার জন্য একথা বলেছি। তবে যুগে যুগে সবই তো পরিবর্তনশীল।

আপনার ভাল লেগেছে জেনে আনন্দিত হলাম...আবারো ধন্যবাদ আপনাকে

১১ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৮

লেখক বলেছেন: @মুয়ীজ....নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর রেফারেন্স দেয়ার জন্য আরেকবার ধন্যবাদ ভাইয়া....আমি বইটির কথা জানতাম না....পড়ে দেখবো আশা করি...ভাল থাকবেন

১৮. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:২৯
মামু বলেছেন: ফুটুটা সুন্দর হইচে,,.... একন তো আমার কাম ্উইটা গেচে....
১১ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৬

লেখক বলেছেন:

মামীরে খবর দেন

১৯. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৮
অচেনা বাঙালি বলেছেন: ছামি,
এইটা দেখো

তারপর তোমাকে কিন্তু মমামোমে মানে মহাকবি মাইকেল মোহাম্মদ মেহদীর কম্পক্ষে একটা কবিতার সমালচনা করে পোস্ট দিতে হবে।
১১ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:৫১

লেখক বলেছেন:
দেখছি অলরেডি....হাসতে হাসতে চোখে পানি আইসা যাওনের অবস্হা...হাহাহাহাহাহাহাহাহাহা

সমালোচনার লাগি কৌশিকদা আছে....তার সমালোচনা জট্টিল

২০. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:৫০
একরামুল হক শামীম বলেছেন: অদ্ভুত রকমের মিশেল; ভাবনা আর তথ্যের।

সঙ্গে একটা অপ্রয়োজনীয় তথ্য যোগ করে দিচ্ছি-

কবিতার কথা প্রবন্ধটি ছাপা হয়েছিল কবিতা সাময়িকপত্রে বৈশাখ ১৩৪৫ বঙ্গাব্দে।
১১ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৪

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ তথ্যটি জানানোর জন্যে...অপ্রয়োজনীয় নয় কিন্তু...খুবই প্রাসন্গিক তথ্য এটি

পড়ার জন্য ধন্যবাদ শামীম

২১. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:০০
একরামুল হক শামীম বলেছেন: ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে লেসলি স্টেফেন বক্তৃতা দিয়েছিলেন ইংরেজ কবি হাউসম্যান। সেই বক্তৃতার শিরোনাম ছিল দি নেম অ্যান্ড নেচার অব পয়েট্রি।
সেইখানে হাউজম্যান বলেছিলেন- কবিতা যতটা না বুদ্ধির ব্যাপার তারচেয়ে বেশি শরীরের।
এক রকমের শারীরিক নিঃসরণ হিসাবেই কবিতা আসে স্বেচ্ছায়, স্বভাবের দুর্দমনীয় তাড়নায়।
১১ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:১১

লেখক বলেছেন:
শরীরের সাথে কবিতার একটা সম্পর্ক তো অবশ্যই রয়েছে, কিন্তু্ আবেগটা কিন্তু একটা মুখ্য বিষয়। সেদিকে কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে। হৃদয়ের সংবেদনশীলতা, প্রজ্ঞা, প্রেরনা, তীব্র আবেগ, জীবনের অভিজ্ঞতা সব মিলিয়েই কিন্তু কবিতার উতসারন ঘটে। একটি কবিতার জন্য তাই আমার মনে হয় কবির অন্তর্জগত, বহির্জগত সবই প্রয়োজনীয়। শরীর, মন সব নিয়েই তো একজন কবি।

আর যে কোন সৃষ্টিই আসলে হঠাত ঘটে যায়। শুরুটাই হলো আসল। যে কোন ক্ষণ থেকেই কিন্তু শুরুটা হতে পারে। কবির জীবনের যে কোন দু:খবোধ থেকে, নি:সন্গতা থেকে, আনন্দ থেকে, পীড়া থেকে, আশেপাশের সামাজিক কার্যকলাপ থেকে নিসৃত হতে পারে তার অমোঘ কবিতা।

২২. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:২২
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: ভালো লেখা+++++
তবে, একমাত্রিক ভাবনা ... আপনার একঅক্ষে ব্যক্তিকে রাখলে অপর অক্ষে অমোঘ সময়কেও রাখতে হবে

কেউ কেউ সবসময়েই কবি, আবার সবাইই কোন না কোন সময়েই কবি ... তবে সবাই সবসময়েই কবি নয় ... (লিংকনরে কপি মারলাম :)) ... কাজেই একটু সময় যেতে দিন, কবিতা খুঁজতে হবেনা, কবিতাদেবীই আপনাকে খুঁজে নেবে

১১ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:২৮

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য। হুমমমম....তাই করতে হবে মনে হয়....

তবে প্রকৃত কবি সবসময়ের জন্যই কবি.....সবকিছুই ধরা পড়ে তার সংবেদনশীলতায়

২৩. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:২৯
সাইফুর বলেছেন: হায় হায়রে....কিছুই বুঝবার পারলাম না:(
তাও +
১১ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:৩৬

লেখক বলেছেন:
হুমমমম.......সামী'র ব্যর্থতা

২৪. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:৪১
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: হুমমম, কবিরাও তাহলে শ্রেনীবিভেদ পছন্দ করেন ... ;)

কবি বলতে আমি শুধু কোন মানবকে বুঝিনা ... একজন মানব এবং একটি মুহূর্তের যোগফল একজন কবি ... যেজন্য কবির অপরাধ কবিতাকে কলঙ্কিত করেনা ... কারণ মুহূর্তের অনুপস্থিতি থাকে সেখানে
১১ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:৪৮

লেখক বলেছেন:

একজন মানব এবং একটি মুহূর্তের যোগফল একজন কবি

কথাটি ভাল লাগলো....যে মুহুর্তে কারও ভেতর থেকে উতসারিত ভাব শব্দে প্রকাশিত হয় যথাযথ পুন্খানুরূপে, সেই মুহুর্তেই তিনি কবি

আমি এজন্যেই নিজেকে কবি বলছিনা, কারন আমি সময়ের মাঝে সীমাবদ্ধ। আমি হয়তো মুহুর্তের কবি

২৫. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:৪৫
একরামুল হক শামীম বলেছেন: মালার্মের কথাটা বাংলায় বললে দাড়ায়- কবিতা শব্দ দিয়ে লেখা হয় ভাব দিয়ে নয়।

অন্যদিকে প্লেটোর ধারণা সব শিল্পই অভিলাষ রাখে সঙ্গীতধর্মী হবার।

আমার কেন জানি মনে হয় সঙ্গীতের সাথে ভাবের একটা সম্পর্ক রয়েছে। সুতরাং কবিতা লিখতে হলে ভাবেরও কিছুটা প্রয়োজন। শুধু শব্দ থাকলেই হয় না।

তবে কবিতার ক্ষেত্রে কোলরিজে পর্যবেক্ষণটা আমার কাছে বেশ ইন্টারেস্টিং মনে হয়-
কবিতা সাধারণভাবে বুঝতে হয়, তার সবটা বোঝা যায় না, বোঝা উচিতও নয়। কবিতার খানিকটা রহ্স্যময়, অনেকটা অনির্বচনীয়।
১১ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:০২

লেখক বলেছেন:

কবিতার জন্য আসলে দু'টোর মিলন প্রয়োজন। যেমন চিত্রকরদের ভাব আছে কিন্তু কলম ব্যবহারে তারা অনেকটা অপারগ। কলম থেকে তুলির আচড়ে নিজেদের প্রকাশ করাতেই তাদের আনন্দ। আবার কবির অবলম্বন হচ্ছে শব্দ।

ধরো আমার কাছে শব্দের কোন অভাব নেই। আমি বাংলা ভাষার বিশাল পন্ডিত। কিন্তু আমি জানিনা কোন বিষয় বস্তুতে, কোন আন্গিকে, কোন ভাব-গাম্ভীর্যে আমি শব্দগুলো প্রয়োগ করবো। সৃজনশীলতা, কল্পনাশক্তি, বিষয় বস্তুতে সাবলীল, সংবেদনশীল না হলে কিন্তু কারো দ্বারা শুধু শব্দ ভান্ডার নিয়ে কবিতা লেখা অসম্ভব। আমার কাছে তাই মনে হয়।

এরিষ্টেটল, প্লেটো যা বলেছেন তা কালে কালে গ্রহনযোগ্যতা হারিয়েছে। আসলেই কি কবিতার জন্য সন্গীতধর্মী হওয়া জরুরী? বা শিল্পকলার অন্য যে কোন ক্ষেত্রের জন্য?

কবিতা বোঝার ব্যাপারটা কিন্তু সম্পূর্ন আপেক্ষিক। পাঠক থেকে পাঠকে তা অবশ্যই পরিবর্তিত হবে। একটি কবিতা আমার কাছে ধরা দেবে একভাবে, আবার অন্য আরেকজনের কাছে ধরা দেবে আরেকভাবে। পাঠকের মননের উপর এটি নির্ভরশীল।

আর কবিতার সাথে রহস্যময়তাকে জড়িয়ে ফেলাটা কবিতায় আধুনিকতার ফসল....যা যত বেশী রহস্যময়, তাই ততো বেশী কবিতা। তবে আমার কাছে তা মনে হয়না।

২৬. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:৫১
প্রীটি সোনিয়া বলেছেন: খুব ভাল ভাবে বুঝাতে পেরেছেন....অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর পোষ্টের জন্য। শানে নযুলটা আসলেই খুবই খুবই ভাল লাগলো।

প্রিয়তে রাখলাম।
১১ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:০৩

লেখক বলেছেন:

কৃতজ্ঞতার সাথে ধন্যবাদ জ্ঞাপিত হলো

২৭. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:৫৪
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: আপনার কাব্যিক মুহূর্তগুলো আসুক ঘনঘন ... আমরা কিছু শিল্পের স্বাদ নিই :)
১১ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:০৪

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ আপনাকে আশীর্বাদের জন্য

২৮. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৩২
মৃদুল মাহবুব বলেছেন: বেশ লাগলো পড়তে। ভালো।
১১ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৬

লেখক বলেছেন:

আপনাকে ধন্যবাদ মৃদুল

২৯. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৭
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: চমত্কার :) (কমেন্সটস গুলো ও)





ফটুক সৌন্দর্য্য :">
১১ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:০৭

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ প্রত্যুদা

হ্যা, ছবিটা সত্যিই সুন্দর

৩০. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:১৭
বিহংগ বলেছেন: একটা অসাধারন লিখা।
বাংলা ব্লগ গৌরবান্বিত হলো।
১২ ই মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৫

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ বিহংগ

৩১. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:৫২
রাকিব বলেছেন: চাদের হাসি বাধ ভেঙেছে, উছলে পড়ে আলো,
সেই আলোয় তোমায় দেখি আমার লাগে ভাল
১২ ই মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৭

লেখক বলেছেন:

ডরাইছি....

৩২. ১২ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:২৫
মানব মানিক বলেছেন: তসলিমা নাসরনিরে "লজ্জা" লেখাটার কথা মনে পড়ে গেল। নিজেকে এখন সেখানে দেখছি। উপ!!!ফ!!!!------
১২ ই মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫০

লেখক বলেছেন:

লজ্জার নায়ক!!!! তাহলে হবে কিভাবে?

ধন্যবাদ....আমিও কিন্চিত লজ্জান্বিত হলাম

৩৩. ১৩ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:০০
জয়িতা বলেছেন: ওফফফফফ!!!!!!!!!!কি দুর্দান্ত লেখা!!! পড়তে পড়তে মুগ্ধতায় ডুবে গেলাম।

গ্রেট সামী।
১৩ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:০৬

লেখক বলেছেন:

তোমারে তো মিস করতেছি....দেখে ভাল লাগলো

ধন্যবাদ

৩৪. ১৫ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:৫২
পথিক!!!!!!! বলেছেন: অর্ধেক পড়লাম....সুন্দর কবি রোচন....

কিন্তু একটা কথা....কবি কে , কবিতা কি, কবিতা লেখার রীতি নীতি....অর্থাৎ কবিতা বিষয়ক এইসব আলোচানর কোনটাই আমার কাছে স্বতসিদ্ধ নয় ..আসলে কবি এবং কবিতা সকল সমালোচনার বাইরও নিজস্বতায় মুক্ত ..তাকে বাধা যায়না কোন আলোচনার অক্ষরে....


সামী তোমার টাঙানো ছবি টা অশ্লীল কিনা জানিনা ..তবে আমর দৃষ্টি যে অশ্লীল সেটা তো বুঝলাম।
১৫ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:২৭

লেখক বলেছেন:


পথিক ভাই....ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য

আসলে প্রত্যেক কবিই আলাদা আলাদ একেকটা জগত....এখন কবি নিজের জগতটাকে কেমন করে সাজান সেটাই হলো মূল বিষয়।

ছবি নিয়া মন্তব্যে + দেয়া ছাড়া গতি নেই.....দৃষ্টিই তো আসল....সবই কি আপেক্ষিক নয় এই পৃথিবীতে

৩৫. ১৫ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৪
পথিক!!!!!!! বলেছেন: তোমার লেখার ভব বলে দেয় মন তোমর কতটা জীবন বোধ এ সজীব..
কবিতার মুখ্য ব্যাপার এই জীবন বোধ....

তোমার গদ্যই ব্যাপক অর্থে স্বার্থক কবিতা।
১৫ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:৩০

লেখক বলেছেন:


আবারো ধন্যবাদ
আপনার মন্তব্য আমাকে লিখতে অনুপ্রেরনা জাগাবে

৩৬. ১৫ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:৩১
পথিক!!!!!!! বলেছেন: আমি ভীষন ভাবে আপেক্ষিক থিউরীর ভক্ত...
সবই আমার কাছে আপেক্ষিক।

কবিতা অবশ্য আপেক্ষিক নয়, তবে কবিতার বিষয়বস্তু আপেক্ষিক ....
১৫ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:৫২

লেখক বলেছেন:

হুমমমম.....কবিতার বিষয় বস্তু, একটি কবিতার ব্যাখ্যা সবই আপেক্ষিক.....একটি কবিতা একেকজনের কাছে একেকভাবে উপস্হাপিত হয়। এটা আমার কাছে বেশ মজা লাগে

৩৭. ১৬ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:২৫
মাছরাঙ্গা বলেছেন: অস্বাভাবিক ভাল, ভয়ংকর সুন্দর, ভাংচুরের তীব্রতা............................
১৬ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:৫০

লেখক বলেছেন:

আমিও তো লজ্জায় ভেন্গেচুরে যাচ্ছি আমার প্রিয় কবির কাছ থেকে এহেন মন্তব্যে।

ধন্যবাদ কবি।

আপনার কবিতাগুলোও ভয়ংকর সুন্দর

৩৮. ১৬ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৯
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: চমৎকার লেখা ভালো লাগলো
ভালো থাকুন
১৬ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:৫১

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ আপনাকে পড়ে মন্তব্য করার জন্য

৩৯. ১৬ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৬
শেখ জলিল বলেছেন: বেশ বিশ্লেষণী লেখা । ভাল্লাগলো।
১৬ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:১৪

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ

৪০. ১৬ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:০৬
রাশেদ বলেছেন: সামীরে, জটিল কইলেও কম কওয়া হয়। বেশ ভালো লিখছো। :)
১৭ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:০২

লেখক বলেছেন:

রাশুরে, ধন্যবাদ দিলেও কম হইয়া যায়। বেশ ভালই কইছো।

৪১. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:০৯
বাফড়া বলেছেন: মামু তুমিতো জটিল চর্চা শুরু করছ
১৮ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:১৪

লেখক বলেছেন:

হ ভাইগ্না, তোমাদের দোআ

৪২. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:১৮
রাগ ইমন বলেছেন: আমার মন্তব্য মুছলা কেন ?

তোমারে মাইনাস ।
১৮ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:২২

লেখক বলেছেন:


কই? আমিতো তোমার মন্তব্য পাই নাই?

মাঝে মাঝে এইরকম হয়, যেমন আরো একজন আমারে মন্তব্য করছিলো, সাম্প্রতিক মন্তব্যেও তা দেখাইছিলো, কিন্তু আমি পাইনাই

আবার কইরা দেও

৪৩. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:২৭
মিরাজ বলেছেন: খুব ভাল একটি লেখা ।

আপনার বিশ্লেষণের আঙ্গিকটা পছন্দ হলো । আমি অকবি, তবে কবিতার একনিষ্ঠ পাঠক ।

পাঠকের দৃষ্টিতে আমার পড়া কবিতা বিষয়ক ভালো আলোচনার মধ্যে এটি একটি ।
১৮ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৩৫

লেখক বলেছেন:


ধন্যবাদ মিরাজ ভাই, পড়ে আপনার মূল্যবান মন্তব্যের জন্য। ভবিষ্যতেও যেন আপনার ভাল লাগাটির রেশ ধরে রাখতে পারি সেদিকে সচেষ্ট থাকবো ভাইয়া....ভাল থাকবেন

৪৪. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৫৯
রাগ ইমন বলেছেন: এত্তো বড় বিশ্লেষন আবার লিখবো কেমনে?

লেখা ভালো হয়েছে , এইটুকু বলে ছেড়ে দিলাম। ভালো থাকো ।

আর মন্তব্য দিব না । মাইন্ড খাইলাম।
১৮ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:১১

লেখক বলেছেন:

কাহিনী কি? মাইন্ড খাইলা কেন? সকালে নাস্তা করোনাই? খিদার চোটে তাই মাইন্ডই খাইলা?

লেখা ভাল হয়েছে জেনে প্রীত হলাম.....তোমার লেখার কাছে অবশ্য এইগুলা কিছুই না....লিখতে থাকো নিরন্তর....কবিতা

৪৫. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:০১
মুজিব মেহদী বলেছেন: চমৎকার বিশ্লেষণী গদ্য। নেপথ্যে অনেক শ্রমের বিনিয়োগ আছে বোঝা যায়।

সামীর দৃষ্টিভঙ্গিটা সহনীয়।
১৮ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:৩০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ মুজিব ভাই। আপনি ঠিকই ধরেছেন

৪৬. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:২৯
সুমনকুমার দাশ বলেছেন: বহুদিন পর একটা লেখার মত লেখা পড়লাম। চমৎকার। এ নিয়ে আর বেশি পামপট্টি দিতে চাই না। এ ধরনের আরও লেখা চাই।
২০ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:৫৮

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ সুমনকুমার।.......আশা করছি পাবেন। তবে এধরনের লেখার আগের প্রস্তুতিপর্বে বেশ পড়াশুনা করতে হয়। প্রস্তুতি শেষ হলেই আপনার মনোবাসনা পূর্ন হবে আশা করি

৪৭. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:৫৫
কাল্‌বেলা বলেছেন:
বেশ আলোচনা ধর্মী, গোছানো এবং শ্রমসাধ্য লেখাটি। খুব ভালো লেগেছে পড়ে। শিখছি অনেক কিছু। জানছি অনেক কিছু। 'কেন লিখিনা না' লিখেই ক্ষান্ত দিয়ে বসে আছেন যে? আরো নতুন কিছু কই?

[জ্বিনের বাদশার এই কথা টা আমার খুব ভালো লেগেছেঃ
কবি বলতে আমি শুধু কোন মানবকে বুঝিনা ... একজন মানব এবং একটি মুহূর্তের যোগফল একজন কবি ... যেজন্য কবির অপরাধ কবিতাকে কলঙ্কিত করেনা ... কারণ মুহূর্তের অনুপস্থিতি থাকে সেখানে ]----- কথাটা আমার ক্ষেত্রে খুব বেশি মাত্রায় প্রযোজ্য বলে মনে হয়।

আপনার আরো লেখার অপেক্ষায়......
২০ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:০০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ কালবেলা। "কেন লিখিনা" এর আরও অনেক কারন আছে হয়তো। জ্বিনের বাদশার কথাটি আমার জন্যও প্রযোজ্য অনেক ক্ষেত্রে।

৪৮. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:৫৬
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: "কবিতা বোঝার ব্যাপারটা কিন্তু সম্পূর্ন আপেক্ষিক। পাঠক থেকে পাঠকে তা অবশ্যই পরিবর্তিত হবে। একটি কবিতা আমার কাছে ধরা দেবে একভাবে, আবার অন্য আরেকজনের কাছে ধরা দেবে আরেকভাবে। পাঠকের মননের উপর এটি নির্ভরশীল।"....................
এত ভালো বলেছেন কথাটা।

আপনার অনেক সময় নিয়ে লেখা দারুন লেখাটা পড়লাম।প্রিয়তে থাকলো।ইংরেজী সাহিত্যে পড়বার কারনে একসময় কবি,কবিতা,কবিতা ভাবনাকে ভেঙে চুরে ভাবতে হতো।

Colridge,Keats,Shelley,Frost,Browning,Tenneyson ,Eliot,Wordsworth ,Whitman সহ আরো কবিদের কবিতার ভিতর ও বাহির ঘুরে দেখা।Frost এর The Road Not Taken নিয়ে ভাবতেই দেখা গেলো কত দিন চলে যেতো।সৈয়দ মন্জুরুল ইসলাম স্যার এত অসাধারন পড়াতেন........এখনো যেনো শুনতে পাই।

কবি আর কবিতা এত সুন্দর বোধে জড়িয়ে থাকে শব্দের খেলায়.....আমরা যারা কবিতা ভালোবাসি,মনে হয় কবিতাকে নিজের ভিতরে গেঁথে নেই।

আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ.....এবং অনেকই তাদের মন্তব্যে এত সুন্দর লিখেছেন..।নিজের কাছেই ভালোলাগছে।ভালো কিছু পড়তে পারার আনন্দে।
শুভেচ্ছা নিন।
ভালো থাকবেন।

২০ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:১৭

লেখক বলেছেন:

সাজিপু, আপনার অসাধারন মন্তব্যের জন্য আমিও আপনার কাছে কৃতজ্ঞ।

ফ্রস্টের Stopping by woods on a snowy evening, Telephone, Death of a hired man এই কবিতাগুলোও খুব ভাল লাগে। বিশেষ করে প্রথমোক্তটি।

বিদেশী সাহিত্যের বেশীর ভাগ সৃষ্টিই আমি অনুবাদে পড়েছি। যার কারনে ওগুলোর মূল রস-ভাব বোধহয় ঠিকমতো গ্রহন করতে পারিনি। যাই হোক ফরাসী-স্প‌্যানিশ অনেক কবির কবিতাও আমার অনেক ভাল লাগে।

কোন কোন কবিতা খুব সহজেই অনুমেয়। আবার কোন কোনটা খুব জ্বালায়। হয়তো খুব সহজ করেই কঠিন একটি কথা লেখা হয়েছে, যা আমার কাছে ধরা পড়ছেনা। তখন খুব অস্হির লাগে কেন জানি। যদিও একটি কবিতার সম্পূর্নটি সবসময়ই ব্যাখ্যার অতীত।

কবিতা পড়ার সময় নিজেকে কেমন অচেনা ঠেকে আমার কাছে। দারুন এক উত্তেজনা কাজ করে নিজের ভেতরে। হয়তো কোন সৃষ্টিকে সম্পূর্ন বোঝার আকুতি থেকে এমন হয়।

আপনাকেও শুভেচ্ছা। আপনিও ভাল থাকবেন...লিখতে থাকুন...পড়তে থাকুন...নিরন্তর

৪৯. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:২২
স্বাপ্নিক বলেছেন: সুন্দর। এরচেয়ে বেশি কিছু বলতে যাওয়ার যোগ্যতা আমার নেই।
২০ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:১৮

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ স্বাপ্নিক...সুন্দর লেগেছে জেনে প্রীত হলাম

৫০. ২০ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৪৫
জেন সাধু বলেছেন: The strong man is not the good wrestler; the strong man is only the one who controls himself when he is angry.
২০ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৫২

লেখক বলেছেন:



কি হলো ঠিক বুঝলাম না

আপনি কি আমার লেখাটি পড়ে নিজেকে শক্তিশালী প্রমান করলেন?

৫১. ২০ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:১৫
কালপুরুষ বলেছেন: অসম্ভব রকমের ভাল একটা লেখা পড়লাম। বলাই বাহুল্য এক দমে পড়লাম। লেখায় যথেষ্ট মুন্সীয়ানা আছে। বর্ণনা ও উপমা উপস্থাপনায় আছে গভীর দৃষ্টিভঙ্গি। সেই সাথে আছে যথেষ্ট আবেগ আর যুক্তির সহজ সাবলীল প্রকাশ। খুব ভাল লাগলো। লেখকের উদ্ধৃতি দিয়েই শেষ করি- "সব ব্লগার লিখতে পারলেও সবাই সামী নয়- সামী যা লেখে তা অনেক ব্লগার লিখতে পারেনা। কিছু কিছু লেখা স্বমহিমায় সামীত্ব বরণ করে"।
২০ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:২৩

লেখক বলেছেন:

কালপুরুষদাকে ধন্যবাদ তার সুন্দর মন্তব্যের জন্য। আপনার শেষের কথাগুলোতো আমাকে লজ্জায় ফেলে দিলো...কি করি এখন?

ভাল থাকবেন

৫২. ২০ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৪
খারাপ লোক মাগার হাচা কতা কই বলেছেন: ধুর মিয়া আপনেরে কি সমালোচনা করমু????
আপনে ত নিজের কাম নিজেই কোরতাছেন।
জাউগ্গা লেখা থিক আছে মাগার লেখার লগে এইডা কি ফটুক দিলেন?
২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:৩০

লেখক বলেছেন:

নিজের কাম নিজে করাই ভালা...জাউগ্গা...ফটুকটা হইলো পাঠক টানোনের লাইগ্গা...খটমট টাইপের লেখাটা সবাই যাতে একটু নরম দিলে পড়তে পারে, তার লাইগ্গা এই ব্যবস্হা আর কি..খিক..খিক..খিক

৫৩. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:০৯
সুনীল সমুদ্র বলেছেন:

চমৎকার লেখা।
তীব্র বিশ্লেষণ, অনবদ্য গদ্য।

এমন একটা ব্যতিক্রমধর্মী লেখার জন্য সামীকে ধন্যবাদ।

অবশ্য ব্রাকেটে আবদ্ধ শেষ প‌্যাসেজের সঙ্গে মূল লেখাটির কি সম্পর্ক তা ঠিক ধরতে পারিনি।...হয়তো এ বিষয়ে মেধা কম বলেই।

২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:২০

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ সুনীলদা। আপানার মতো একজন কবির কাছ থেকে প্রশংসার তীব্র বানী পাওয়া আমার মতো অধমের জন্য বেশ গর্বের। আপনার মেধার বিষয়ে কোন প্রশ্ন থাকতে পারেনা....আসলে শেষ প‌্যারাটিই আমাকে এই লেখাটির অনুপ্রেরনা দিয়েছে। কিভাবে দিয়েছে তা না হয় উত্য থাকুক এখানটায়। ওটাকে তাই শানেনজুল বলা যায়

৫৪. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:২৭
আবু সালেহ বলেছেন: লেখায় ঠাঁট আছে ...
একদমে পড়ে ফেললাম...

২২ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৮

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ সালেহ ভাই

৫৫. ২৯ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:৫৭
কেএসআমীন বলেছেন: জটিলস হয়েছে। ধন্যবাদ।
২৯ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:২১

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ আমীন ভাই, পড়ে মন্তব্যের জন্য

৫৬. ২৯ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৩৭
নাঈম বলেছেন: এত উচ্চ মার্গের লেখা, আমার মত নাদানের পক্ষে বুঝা সম্ভব না
২৯ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:০১

লেখক বলেছেন:

কি কয় এইগুলা?.....এই লেখাটা লেখার সময় আমি মর্গে আছিলাম....মর্গটা আছিলো পাহাড়ের উপর....উচ্চ মর্গের লেখা হইছে তাই..হিহিহিহিহিহি

২৯ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৪

লেখক বলেছেন:

খেক...খেক...খেক(ক্লোজআপহাসি)

৫৮. ১২ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:০২
রণদীপম বসু বলেছেন: লেখতে পারেন না কইয়া যা দেহাইলেন, আমাগোর কাপড় খুইল্লা দিলেন আর কী! আমগোরে সিদাসাদা পাইয়া মস্করা করলেন!
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১১:১০

লেখক বলেছেন:
লিখতে পারিনারে ভাই!!!....এইখানে যারা লেখেন তারা অনেক ভালা লেখেন....তাই কম কম লিখি...লজ্জায়..শন্কায়...আবার লিখিনা

১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:২৪

লেখক বলেছেন: প্রীত হলাম

৬০. ১৭ ই মে, ২০০৮ রাত ২:১৯
উত্তরাধিকার বলেছেন: সামী ভাই সাহেব,

স্ক্রল করে নামতে নামতে এক সময় চিন্তায় পড়ে গেসিলাম যে -
কি শেষ হইবো তো... ?

আপনার লেখাটা না পড়লে এই ব্লগে আসাটাই ভেস্তে যেতো বস্‌।
একদম ঝাকা নাকা।

তয় এর পর থিহা কোবতে পুস্টানোর সময় দশ বার চিন্তা করন লাগবো...!
:)
১৭ ই মে, ২০০৮ সকাল ১১:১০

লেখক বলেছেন: যাক শেষ পর্যন্ত শেষ হলো তবে

আমাকে এতো সম্মানিত করার জন্য আপনাকে কৃতজ্ঞতা

আর কবিতা লিখুন নিজের মতো করে। এতো এতো আপেক্ষিকতার মাঝে ১০ বার চিন্তার প্রয়োজন কি?

সো....গো এ্যাডেড.....

৬১. ১৭ ই মে, ২০০৮ দুপুর ২:৩৯
উত্তরাধিকার বলেছেন: সামী,


সবুজ বাতি দেখানোর জন্য আপনাকে আরেকবার ধন্যবাদ জানালাম।

ভাল থাকুন।
:)
১৭ ই মে, ২০০৮ দুপুর ২:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আপনিও ভাল থাকুন

৬২. ১৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ১০:৩৭
মৈথুনানন্দ বলেছেন: প্রত্যহ বদের হাড্ডি ছুপা রুস্তম ব-ফলাহীন সোয়ামী একটি করে কবিতা প্রসব করিবে - যেদিন করিবে না সেদিন লোন লইয়া উহাকে গণ-দোররা মারা হইবেক! ;)
০৫ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৫

লেখক বলেছেন: গণ-দোররা খাইয়া বেচার ব-ফলা বিহীন সোয়ামীর অবস্হা বেগতিক.....তাই সে কবিতাকে ছুটি দিয়া ঝলসানো রুটির মতো পূর্নিমার চাঁদ নিয়া ব্যস্ত আছে

৬৩. ২৫ শে জুন, ২০০৮ সকাল ১১:৫০
যীশূ বলেছেন: কবিতা আগে নাকি কবিতার ব্যকরণ আগে। কবিতার ব্যকরণ আগে না কি মনে র অনুভুতি আগে। জানি না, আসলে হিসেবটা করতেও চাই না। আমি অতটা হিসেবি না। :)

(সন্গমের তীব্র আকান্খা নিয়ে কামতপ্ত শরীরে উপগত হতেই তিনি শয্যা ত্যাগ করলেন। অতঃপর জোরপূর্বক ধর্ষন করতে গেলে তিনি আমাকে লম্পট বলে গালি দিয়ে উঠলেন। আমিই বা কম যাই কিসে!!! রাগতপ্ত হয়ে শেষে আমি এক বেশ্যার সাথে দুঃসহবাসে রাত্রি যাপন করলাম। তোমাকে আমার প্রয়োজন নেই, আমার প্রয়োজন বাদামতলীর বেশ্যা। তোমার ছলনা থেকে বেশ্যার স্বত:স্ফুর্ততা অনেক বেশী গ্রহনযোগ্য )------- দারুন পছন্দ হইছে। ধন্যবাদ।
০৫ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৬

লেখক বলেছেন: বেহিসেবী থাকাই ভাল..লেখালেখিতে এত হিসেব নিকেশ ভাল্লাগেনা

৬৪. ০৫ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:০২
নাঈম বলেছেন: হই মিয়া, নতুন পুষ্ট কোই(খাইয়ালামু) ? পিডাইয়া সুজা কইরা দিমু(খাইয়ালামু), জলদি নতুন পুষ্ট দেন...নাইলে কইলাম নিউজ আছে....
০৫ ই জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৪:১৮

লেখক বলেছেন: ডরাইছি বতস্য....শিগগিরি আসবে আশা করি....আমার খাইলে কিন্তু আপনার হজমে গন্ডগোল হইবো কইলাম

৬৫. ১৪ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৪৬
জইন বলেছেন: নমোস্থে নমোস্থে নমনম নম
৬৬. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৭
সুবিদ্ বলেছেন: এতদিন পরে চোখে পড়লো.....

দারুণ.....প্রিয়তে নিলাম.....
১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

 

মোট সময় লেগেছে ১.১২৭৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমাকে বলা হয়েছে, তুমি যা ইচ্ছা তাই করো কিন্তু লিখতে পারবেনা। কিছু লিখতে গেলেই তোমার টুটি চেপে ধরা হবে, কিছু...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই