আমার প্রিয় পোস্ট

আমি ভালবাসি আশ্চর্য মেঘদল, ঐ উচুতে...ঐ উচুতে...বিশ্ময়কর মেঘেরা...

যে রাতটি আমার নির্ঘুম কাটে

২৪ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৪২

                       

প্রতি রাতেই ঘুমোই। না ঘুমিয়ে থাকতে পারি না। প্রকৃতির নিয়ম ভাঙতে ইচ্ছে হয়না। একরাত না ঘুমোলে পরবর্তী দুই দিন মাটি হয়ে যায়। তাই মরার মতো ঘুমোই। অনেকের আবার ঘুমের গভীরতায় নাসিকা প্রবর তর্জন-গর্জন শুরু করেন প্রবল অভিমানে। আমার নাসিকার এতো অভিমান নেই। তিনি বেশ শান্ত-শিষ্ট, নম্র-ভদ্র।

তবে আমার হাত-পা বেশ অশান্ত। ঘুমের সময় উনারা বেশ অভদ্রের মতো আচরন করেন। পাশে কেউ থাকলে মাঝে মাঝে তাদের উপর চড়াও হতেও দ্বিধাবোধ করেন না। ছোটবেলা একবার এক কাজিনের সাথে ঘুমিয়েছিলাম। সকাল বেলা ঘুম ভাংতেই দেখি আমার পায়ের বুড়ো আন্গুলটি তার মুখের ভেতর। সে বেশ তৃপ্তিতে লজেন্সের মতো আমার আন্গুলটিকে ঘুমের মাঝেই চুষছে। ঘুমের ঘোরেই কখন আমার দেহের দিক পরিবর্তন হয়েছে বুঝতে পারিনি। এরকম দিক পরিবর্তন আগে অনেকবারই হতো। এখন আর হয়না।

স্কুলে পড়াকালীন, ক্লাশ ৭/৮ এর দিকে শখ করে লুন্গি পরতাম। এক রাতে হঠাত ঘুম ভাংলো। দেখি লুন্গি সাহেব লাই পেয়ে মাথায় উঠে গিয়েছেন। আমাকে অর্ধনগ্ন করে তিনি বেশ মাথায় উঠে নাচছেন। ভাগ্যিস কেউ দেখেনি। বেশ লজ্জার ব্যাপার হতো। সেদিন থেকে আর কোনদিন লুন্গি পরিনি। নিদ্রাকালীন সময়ের জন্য বেশ জন্ঝাবিক্ষুব্ধ পোষাক। নিম্নান্গ থেকে উর্দ্ধান্গের প্রতিই তার মমতার বহিপ্রকাশ বেশী দেখা যায়। যা বেশ বিব্রতকর। লুন্গি প্রবর মনে হয় কবির কথাটি জানেন না....

বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে.....

রাতজাগার অভ্যাস কখনোই হয়নি। তবু মাঝে মাঝে জাগি। জাগতে হয় নিতান্তই অনোন্যপায় হয়ে। হয়তো কোন ছবি দেখছি, কোন দুর্দান্ত বই পড়ছি, ক্লাশের এসাইনমেন্ট তৈরী করছি, অথবা কোন লেখা তৈরী করছি, সেই উদ্দেশ্যে মাঝে মাঝে একটু গভীর রাত পর্যন্ত জাগা হয়। গভীর রাত ছাড়া লিখতে পারিনা। লেখা আসেনা, চিন্তা আসেনা। সেজন্য কিছু লিখতে গেলেই গভীর রাত পর্যন্ত জাগতে হয়। তা না হলে মধ্যরাতের আগেই বিছানায় চলে যাই। ঘুম খুব জরুরী।

ঘুম খুব জরুরী। তবু ঘুমোতে পারিনা। বছরের বিশেষ একরাতে ঘুম আমাকে ফাঁকি দিয়ে পালায় সুদূরে। ঘুম ফাঁকি দেয়? না আমিই ঘুমকে কাছে ঘেষতে দিইনা? বুঝতে পারিনা। কোন এক বিশেষ রাতে আমি ঘুমোতে পারিনা। মনে আছে, বেশ ক’বছর আগে সেই রাতে ঘুমের ঘোরে প্রবল দু:স্বপ্নে ধড়মড়িয়ে জেগে উঠেছিলাম। তখন থেকেই সেই রাতে আর ঘুমোতে পারিনা। ঘুমোলেই দু:স্বপ্ন দেখি। স্বপ্ন দেখে ঘুম ভান্গেনা কখনোই, দু:সপ্নের হুন্কার শুনলে মূহুর্তেই ঘুম ভেন্গে যায়। এখন আর ঘুমই পায়না দু:স্বপ্নের ভয়ে।

সেই রাতে ঘুমোলেই ঘড়ঘড় ট্যাংকের আওয়াজ শুনতে পাই আমি। মনে হয় ট্যাংকগুলি হয়তো আমার বুকের জমিনকে লাল করে এগিয়ে যাবে সামনের দিকে। নিজের বুকটিকে আমার বাংলার পতাকা মনে হয়। বুকের রক্ত দিয়েই তো পতাকা এসেছে, এসেছে স্বাধীনতা? তাই ট্যাংকের ভয়াল চিতকারের ভয়ে আমি ঘুমোতে পারিনা। চোখ বুঝলেই চোখের সামনে ট্যাংক ভেসে উঠে, ভেসে উঠে রিকয়েলেস রাইফেল, মর্টার, শেল, গোলাবারুদের স্তুপ। ভেসে উঠে লাশের ছবি, ধ্বংসজজ্ঞের দৃশ্য। আমি ঘুমোতে পারি না। এইসব আমাকে ঘুমোতে দেয় না।

বিছানায় গা এলিয়ে দিলেই শুনি বাতাসের ইথারে কাপন তুলে দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়ছে খুনী শকুনদের অশ্লীল কন্ঠধ্বনি। শুনি ভুট্টো বলছেন, “খোদা মেহেরবান, পাকিস্তান রক্ষা পেয়েছে”। বিগবার্ডকে খাচায় পুরে মেজর জাফরের উল্লোসিত কন্ঠও আমি শুনতে পাই। আরও শুনি বেলুচিস্তানের কসাই টিক্কা খানের টেলিফোন ধ্বনি, “খাদিম আজ রাতেই”। ওটা এতো পরে শুনি কেন? কত সহজেই না উচ্চারিত হলো কথাটি!!! যেন আজ রাতে কোন ডিনারের দাওয়াত দেয়া হলো। এত সহজ-সরল কথায় আমার ঘুম আসেনা। আমি কবিতাপ্রেমী, আমার চাই কবিতার রহস্যময়তা, ছন্দের দন্ধ, চিত্রকল্পের মাধুর্যতা। এমন সরল, নির্দোষ বাক্য আমার জন্য নয়। তাই আমি ঘুমোতে পারিনা।

চোখ বুজলেই জলপাই রঙের অন্ধকার গ্রাস করে আমাকে। শুনি লেফটরাইট-লেফটরাইট পদধ্বনি। অশ্লীল মার্চপাষ্টের ভয়ন্কর শব্দ আমার কানকে পীড়া দেয়। শুনি হুডখোলা জীপের প্রলয়োল্লাস, ট্যাংকের আর্ত চিতকার। সবকিছুতে আমি অসুস্হ বোধ করি। মর্টারের আওয়াজ শুনতে পাই। ইকবাল, জগন্নাথ হল সহ অনেক জায়গায় শুনতে পাই বর্বরের মতো গুলির শব্দ। গুলির শব্দ বড়ো অশ্লীল মনে হয়। পিলখানা, রাজারবাগে রক্তের বন্যা দেখি। থকথকে রক্ত পড়ে থাকতে দেখি রাস্তায় রাস্তায়। ভাবি, বুড়ীগন্গা কি তবে ঢাকা শহর গ্রাস করেছে? জলের বদলে কি তবে বুড়ীগন্গা জুড়ে প্রবাহিত হচ্ছে বান্গালীর বুকের রক্ত? রক্তস্নানে ঘুম আসে কি করে, লাশের ভীড়ে ঘুম আসে কি করে?

ঘুমের চেষ্টায় গেলেই শুনতে পাই দু’টি শব্দ - অপারেশন সার্চলাইট। কেউ যেন আমার কানে কানে এসে কথা ক’টি বলে যায়। নামটি শুনলেই হাজার ওয়াটের সার্চলাইটের আলো আমার চোখের সামনে ভেসে ওঠে। ঘুম ছুটে পালায়। মন জুড়ে বসে অমোঘ ভাবনা। ঘুমোতে পারিনা। ভাবি নামটা যে কেন অপারেশন সার্চলাইট হলো? সার্চলাইট দিয়ে কাউকে কি খুজেছিল ওরা সে রাতে? কাকে খুজেছিল? নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞের নাম অপারেশন সার্চলাইট। “অপারেশন ম্যাস মার্ডার” হলেই যেন বেশী মানাতো। ওরা কি খুজে খুজে মানুষ হত্যা করেছে? ওরা কি নাম জিজ্ঞেস করেছিল? তুম ডক্টর জি. সি. দেব, তুম ডক্টর জ্যোতি গুহ, তুম প্রফেসর মনিরুজ্জামান, তুম ডক্টর সা’দত, তুম শরাফত আলী? ভাবনার সাথে ঘুমের ঝগড়া শুরু হয়। মাঝে আমি কাতরাতে থাকি অসহ্য যন্ত্রনায়।

পাশ ফিরে চোখ বুজতেই কর্নকুহরে আঘাত হানে জ্যোতিগুহর "পানি পানি" বলে কাতরানি। তাঁকে পানি দিতে ইচ্ছে করে আমার। না দিতে পারার অসহ্য যন্ত্রনায় আমি ঘুমোতে পারিনা। সমগ্র ঢাকা জুড়ে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যুর পদধ্বনি আমাকে সেই রাতে অনেক বছর থেকে ঘুমোতে দেয়না। ঢাকা শহরের যে অংশে বাস করছি, হয়তো সেখানেই পড়েছিলো অসংখ্য লাশ? আমার পায়ের নীচে হয়তো পড়েছিলো অযুত-নিযুত-লক্ষ মৃতদেহ। যে পথ দিয়ে আজ অফিসে যাই, বিশ্ববিদ্যালয়ে যাই, বন্ধুর সাথে দেখা করতে যাই, শত্রুর মুখে ছাই দিতে যাই, প্রেমিকার অধরে চুমু দিতে যাই, বেশ্যার সাথে প্রেমহীন সন্গম করতে যাই, পেটমোটা ঐ আমলাকে যে পথে ঘুষ দিতে যাই, যে দিকে রহিমা-ফাতেমা-হুসনাকে ধর্ষন করতে যাই, এসিড মারতে যাই যে পথে, ছিনতাই করে হিরোইন নিই যে পথে বসে, সে পথেই তো পড়ে রয়েছিলো ওদের লাশ? আমার মা-বোন-বাবা-ভাইয়ের লাশ? তাই আমার নিজেকে ঘিন ঘিন করে। অশুচি মনে হয় নিজেকে। চরম বমি পায় নিজের প্রতি। আমি নির্ঘুম রাত কাটাই একাকী, নিস্তব্ধ।

আমি ঘুমোতে পারিনা। তোমরা ঘুমোও। হে ঢাকাবাসী, হে দেশবাসী, হে পৃথিবীবাসী, তোমরা ঘুমোও। আমি নির্ঘুম রাত কাটিয়ে দেব এই রাতে। আমার পিতার মুখের স্মৃতি নিয়ে, মায়ের অমলিন হাসি মেখে, বোনের অভিমান মাখা খুনসুটীতে, ভাইয়ের রক্তাক্ত পান্জাবী গায়ে জড়িয়ে, স্ত্রূীর ধর্ষিত দেহখানাকে আলিন্গনে বেধে আমি নির্ঘুম রাত্রিতে একাকী পুন্জীভূত ঘৃনার সাথে সন্গমে লিপ্ত হবো। ঘৃনার দ্বারা আমি ধর্ষিত হবো। তোমরা চরম শান্তিতে ঘুমোবে, স্ত্রীর সাথে, কেউ কেউ চরম পুলকে বেশ্যার সাথে সন্গমে লিপ্ত হবে। ফুটপাতে পুলিশের চাদার আঘাতে শত শত গৃহহারা লান্চিত হবে, কতশত মদ্যপ মাতাল এই রাতে স্ত্রীকে একা ফেলে বাইরে রাত কাটাবে; কতশত চোর-ডাকাত এই রাতে সিদ কাটবে, পিস্তলের মুখে লুট করবে অন্যের ধন; এই রাতেই কতশতলক্ষকোটি শিশু গায়ে মাখবে পৃথিবীর করুন আলো; ঝরে পড়বে আরো লক্ষকোটি তাজা প্রান; বাসর হবে কতশত যুবক-যুবতীর, লান্গল আর জমির সন্ঘর্ষে লুটিয়ে পড়বে তারা; কতশত মা-বোন এই রাতেই পুনরায় ইজ্জত দেবে; কতশত ভন্ড ধার্মিক সেই রাতে মসজিদে রাত কাটিয়ে প্রর্থনার স্হানকে করবে অপবিত্র; আধুনিক প্রেমিক-প্রেমিকারা সেই রাতেই হয়তো ফোনালাপে তাদের প্রথম কন্যাসন্তানের জন্ম দেবে, অশ্লীল কথাবার্তায় তারা পুলকিত হবে, শিহরিত হবে; সেই রাতেও চাদ উঠবে এক ঝকঝকে মসৃন, অপার্থিব আলোয় ভেন্গে পড়বে আকাশবাতাসপাহাড়সমুদ্র, সবুজ বনানীঘেরা কোমল প্রান্তর; ছায়াঘেরা ঝাউবনে লুকোচুরী খেলবে উন্মাদ জোনাকী, এই রাতেই কতশত কবি জন্ম দেবে তাদের অমর কবিতার; সৃষ্টিশীলতার বেদনায় চিতকার করবে কতশত পংক্তি; স্তবকের পর স্তবক; লেখকের অবিনাশী লেখনী তরতর করে এগিয়ে চলবে এই রাতেও; তীব্র জীবনবোধে আকৃষ্ট হবে কতশতকোটি মানুষ।

আমি শুধু শুনতে পাই মৃত্যুর অমোঘ ঘন্টাধ্বনি, ভাইয়ের চিতকার শুনতে পাই, বোনের আর্তনাদ শুনতে পাই, পিতার নির্মোহ দৃষ্টির কাছে হার মেনে যন্ত্রনায় ছটফট করতে থাকি, শোকার্ত মায়ের আচলে দেখি সমগ্র বাংলাদেশের ধর্ষিত চিত্র। চোখ বুজলেই আমি বিশ্বাসঘাতকদের মুখ দেখতে পাই, দাড়ি-টুপিতে ঢাকা শয়তানের মুখচ্ছবি ভেসে উঠে আমার দৃশ্যপটে। শয়তান-ঘাতকের মুখের স্মৃতি নিয়ে আমি আমি ঘুমোতে পারিনা, এমন ঘাতক রাতে আমি ঘুমোতে পারিনা। আমি কোন রাতেই ঘুমোতে পারিনা। শুধু ঘুমের ভান করে পড়ে থাকি।

 

 

  • ৭২ টি মন্তব্য
  • ৫১৭বার পঠিত
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২৫ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৪৭
comment by: অচেনা বাঙালি বলেছেন: +++++
২৪ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:০৫

লেখক বলেছেন:

২. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৫৮
comment by: রাগ ইমন বলেছেন: ুঝতেছি না, মারবো নাকি শ্রদ্ধা জানাবো নাকি শোকে কাতর হবো । প্রথম কয়েকটা প্যারা পড়ে হাসতে হাসতে বলতে চেয়েছিলাম , রম্যে তুমি মনে হয় জেবতিক আরিফকেও ছাড়িয়ে যাবে ।


কিন্তু সেখান থেকে যেখানে এনে ফেললে , বুকের ভেতর আগুনটাকে উস্কে দিয়ে , সেখানে দাঁড়িয়ে কিছু বলা যায় না। স্রেফ জ্বলন্ত চোখে ঘুরে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার নিয়ে বলা যায়,

" বিচারপতি , তোমার বিচার করবে যারা আজ জেগেছে এই জনতা"
২৪ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:০৮

লেখক বলেছেন:

জীবনটাইতো এমন....এই ভাল....এই মন্দ....এই সুখ....এই দু:খ...এই হাসি...এই কান্না...এই ক্রোধ...এই ঘৃনা

জনতা জেগেই আছে....শুধু একটু যদি একত্রিত হতে পারতো?

৩. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:০৪
comment by: কৌশিক বলেছেন: হ্যাটস অফ।
২৪ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:০৯

লেখক বলেছেন:

৪. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:০৪
comment by: মেহদী বলেছেন: হয় কে গো তমি এমন লিখ
২৪ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:১১

লেখক বলেছেন:

তোমার একজন খাস খাদেম গুরু....তোমার দোআ....সবই তোমার দোআ

৫. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:০৯
comment by: সাইফুর বলেছেন: দি গ্রেট সামীয় পোষ্ট
মন্তব্য করার ভাষা নাই............
২৪ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:১২

লেখক বলেছেন:

আপনি এতো উদার কেন? আপনার উদারতায় নিজেকে লজ্জিত মনে হয় সাইফু ভাই

৬. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:১২
comment by: কালপুরুষ বলেছেন: নির্ঘুম মানুষের ঘুমের বর্ণনা কিছু মানুষকে নির্ঘুম হতে বাধ্য করে এটা এই লেখা পড়লেই জানা যাবে। নির্ঘুম চোখে এমন জীবন্ত স্বপ্নের বাস্তব আনাগোনা নির্ঘুম চেতনার সরব উপস্থিতি প্রমাণ করে।

এক কথায় অসাধারণ। সেলিব্রিটি লেখক না হয়েও যার লেখার মান সেলিব্রিটি লেখকদের অনেক নীচের সারিতে নামিয়ে আনতে পারে তার একটা উদাহরণ এই লেখাটা হতে পারে নিঃসন্দেহে।

আরও লিখতে থাকো। উজ্জ্বল এক সময়ের ইঙ্গিত বহন করে এই লেখা।
২৪ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:২২

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ কালপুরুষদা আপনার মন্তব্যের জন্য। আমি চাই সবাই আমার মতো নির্ঘুম রাত্রি যাপন করুক। এই রাতে কি ঘুমোন যায়? এই রাত ঘুমের জন্য নয়, এই রাত জাগা সকল গনহত্যাজজ্ঞের বিরুদ্ধে একটি প্রতীকি আন্দোলন।

৭. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:১৮
comment by: অচেনা বাঙালি বলেছেন:
কনগ্রাটস ছামি , গুরুজিও তোমার লেখারে ভাল বলছে। :)
২৪ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:২৩

লেখক বলেছেন:

আমার ব্লগিং লাইফ আজ ধন্য হলো....জয় গুরুর জয়

৮. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:২০
comment by: রাশেদ বলেছেন: ++++++++
২৪ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:২৩

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ

৯. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:৫৭
comment by: রাতমজুর বলেছেন: পিলাচ
২৪ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:০১

লেখক বলেছেন:

রাতমজুর, দিনে কি করো? যাও ঘুমাও? রাতে কামলা খাটতে হইবোনা?

ধন্যবাদ

১০. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:২৩
comment by: মনের কথা বলেছেন: *****
২৪ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:৫৩

লেখক বলেছেন:

১১. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:৪৪
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন:
শব্দের ব্যবহার আমাকে মুগ্ধ করলো। আর কিছুই বলবো না শুধু বিনীতভাবে জানাই প্রিয় পোস্টের তালিকায় যোগ করলাম।
২৪ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:৫৪

লেখক বলেছেন:

কৃতজ্ঞতা ভাইয়া জেগে আছি প্রতিনিয়ত

১২. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৬
comment by: নিবেদীতা বলেছেন: দূর্দান্ত..
খুব ভাল লাগলো।
প্রিয়তে....
২৪ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৪

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ আপনাকে......আমিও তবে অনেকের প্রিয়তে যাবার যোগ্য....ভাল লাগছে বেশ

১৩. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৮
comment by: মুজিব মেহদী বলেছেন: ২৫ মার্চের রাত তো?
খুবই স্পর্শকাতর হয়েছে লেখাটি। আবেগ দিয়ে মুড়ানো। ভালো লাগল।


একটা হালকামো করি--
আপনার ভবিষ্যৎ স্ত্রীর জন্য চিন্তায় আছি। শিগগির অভ্যাস বদলান, নইলে তো আপনার পায়ের বুড়ো আঙুল তার মুখেও ঢুকে যেতে পারে।
২৪ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৬

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ ভাইয়া, অভ্যাসটি বদলে গিয়েছে...উনার কোন সমস্য হবেনা....নো চিন্তা...ডু ফুর্তি

১৪. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৩
comment by: আকাশচুরি বলেছেন: ++++
২৫ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:৪৮

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ

১৫. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:৪৪
comment by: মুকুল বলেছেন: *****
২৫ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:৪৯

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ মুকুল ভাই

১৬. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:০৯
comment by: কেএসআমীন বলেছেন: সামী ভাই প্রমাণ করলেন তিনিও কম না। রাগ ইমনেরও সার্টিফিকেট পাওয়া গেছে।
২৫ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:১৭

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ আমীন ভাই....আপনারা সকলে যেভাবে সার্টিফিকেট দিচ্ছেন, কিছুদিন পর দেখা যাবে সার্টিফিকেটের ভারে আমি সহ আমার লেখা চাপা পড়েছে

১৭. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:০৯
comment by: অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: চমৎকার!!! অনবদ্য।
২৫ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:২১

লেখক বলেছেন:

ধন্যবাদ....আপনাকে কি দিয়ে আপ‌্যায়ন করবো হে.....প্রথম আগমন.....পড়ে মন্তব্য করলেন দেখে বেশ ভাল লাগলো

১৮. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:১৬
comment by: কৌশিক বলেছেন: এই লেখাটা একটা পত্রিকায় পাঠায়া দেন। ছাব্বিশে মার্চ এমন একটা লেখা পড়া জরুরী এদেশের মানুষের।
২৫ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:২২

লেখক বলেছেন:

কেউ কি ছাপবো নাকি?....অলরেডি দেখেন লেখা সিলেক্টেড

১৯. ২৫ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:২৪
comment by: সাখাওয়াৎ বলেছেন: অপেক্ষায় আছি
একটা নির্ঘুম রাত্রি
অপেক্ষায় আছি।
কখন সহস্র গেরিলারা
গ্রেনেডের তীব্রতা নিয়ে
ফেটে পড়বে....

অপেক্ষায় আছি
কখন ঠা ঠা রাইফেল
এফোঁড় ওফোঁড় করে দেবে
ওই নরপশুদের
যারা আমার স্বজনকে
মেরেছিলো নগ্ন উল্লাসে।

অপেক্ষায় আছি
একটা জ্বলন্ত রাত্রি
অপেক্সায় আছি....
২৫ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৩০

লেখক বলেছেন:

বাহ!!!! আপনার কাব্যিক মন্তব্যটিতো বেশ সুন্দর....আমাদের অপেক্ষা কবে ফুরোবে?

২০. ২৭ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:৪৯