আমার প্রিয় পোস্ট

কাঁদো, যখনি কাঁদতে ইচ্ছে করবে। কান্না শুদ্ধতম আবেগ প্রকাশের একমাত্র উতকৃষ্ট মাধ্যম। অতি সুখের সংবাদ এ মানুষ শুদ্ধতা খুজে পায়, অতি দু:খের সংবাদ এ মানুষ শুদ্ধতা খুজে পায়। কাজেই কাঁদো, কেঁদেই তোমার জীবনকে তুমি শুদ্ধতা দান করো। - তুর্কী মরমী কবি দাদায়েম ঈমাস

আমার নিরন্তর মুসলমান হয়ে ওঠা

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১১:৫৬

শেয়ারঃ
0 0 0

আমি একজন খাঁটি মুসলমান। আমি খুব ধীরে ধীরে একজন খাঁটি মুসলিমে পরিনত হয়েছি। জন্মের সময় আমি কি মুসলমান ছিলাম? সেই স্মৃতি আমার মনে নেই। কিন্তু আমি জানি জন্মের পরপরই আমাকে মুসলমান হয়ে উঠতে হয়েছিলো আমার বাবার কন্ঠে আজানের ধ্বনি শুনে। চোখ বুজলেই আমি কল্পনায় ভাসতে থাকি, দেখতে পাই একরাশ হাসিমুখ। শুনতে পাই চাচা-মামা-খালা-ফুপ্পিদের উল্লোসিত কন্ঠধ্বনি। বাবার কন্ঠে আজানও শুনতে পাই।

"আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার আশহাদুআল্লাহ ইলাহা ইল্লাল্লাহ........."

সাথে সাথে আমি মুসলমান হয়ে উঠি। জন্মেই আমার কোন ধর্ম ছিলোনা। আমি অপবিত্র ছিলাম, অচ্ছুত ছিলাম, আমি নষ্ট ছিলাম, ভ্রষ্ট ছিলাম, আমি একজন মানুষ ছিলাম। তাই আজানের ধ্বনি আমাকে পবিত্রতা দিলো, স্নিগ্ধতা দিলো, মুগ্ধতা দিলো। আমাকে মুসলমান করে তুললো।

এটা ভেবে আমি ঈষত ভীত হই যে, আমার জন্মের সময় কোন শাখ বা উলুধ্বনি বেজে উঠেনি। তবে হয়তো আমি হয়ে উঠতাম একজন কট্টর হিন্দু। ভাগ্যিস!!! ধন্য পিতার কন্ঠের পবিত্র ধ্বনিমালা। আমি তোমাদের কাছে অশেষ কৃতজ্ঞ। তোমরা আমাকে মুসলমান করে তুলেছো বলে।

ক্রমে ক্রমে আমি মুসলমান হয়ে উঠতে থাকি। আমাকে মুসলমান করে গড়ে তুলতে সাহায্য করা হয়। আমার কানে কানে ফিসফিস করে বলা হয় আমি মুসলমান, মস্তিষ্কের আনাচে কানাচে, দেহের রন্ধ্রে রন্ধ্রে জোরপূর্বক ঢুকিয়ে দেয়া হয় মুসলমানিত্ব। মুসলমান পরিবার, মুসলমান সমাজ, মুসলমান আত্মীয়, মুসলমান বন্ধু, মুসলমান টমি, মুসলমান খরগোশ, মুসলমান থালাবাটি, মুসলমান ভাত-রুটী-সবজী-মাংস সবই আমাকে মুসলমান করে তুলে। আমার কাছে মুসলমানিত্ব হয়ে উঠে এক ও অনন্য।

জীবনের প্রথম মুসলমানিত্ব আমার ভেতর অনুভূত হয়, যখন দাড়ীওয়ালা এক লোকের কাছে আমাকে নিয়ে গিয়ে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয় আমার হুজুর বলে। আমার শিশুমনে সেই দাড়ীটুপি অনেকদিন ভর করে ছিলো। অনেককাল আমি কোন দাড়ীটুপি দেখলেই হুজুর বলে ভুল করতাম। আমাকের আরবী শিক্ষা দেবেন। অনেককাল রাস্তাঘাটট্রামবাসরিকসাফুটপাতনগরবন্দরগ্রামমাঠঘাটপ্রান্তরে কোন দাড়ীটুপি দেখলেই আমার তাদের সবাইকেই হুজুর বলে ভ্রম হতো। আমি তাদের হুজুর বলেই ডাকি। তাদের দেখলেই আমার নিজেকে চরম ভাবে মুসলমান ভাবতে ইচ্ছে হয়। তাদের চালচলন, কথাবার্তা, জ্ঞানগরিমা, প্রাজ্ঞতা-বিজ্ঞত দেখতে দেখতে আমার নিজেকে বারবার মুসলমান ভাবতে ইচ্ছে হয়। আমি মুসলমান হয়ে উঠি।

আমাকে উতকৃষ্ট মুসলমান করার লক্ষে হুজুরের কাছে আমাকে আরবী পড়তে পাঠানো হলো। আমি একটি ভাষার কোন কিছু না জেনেই কিছু ছড়ার মতো পংক্তি ভুতের ন্যায় মুখস্ত করতে লাগলাম। এ কাজে আমি কখনোই কোন আগ্রহ পাইনি আমার মনের ভেতর থেকে। আমার অন্তর বিদ্রোহ করতো, সমগ্র অস্তিত্ব প্রতিবাদী হয়ে উঠতে চাইতো। কিন্তু মুসলমানিত্ব হারানোর ভয়ে আমি কিছু্ই বলতাম না। আমাকে খাটি মুসলমান হয়ে উঠতে হবে। না হলে সমাজরাষ্ট্রসংসারধর্ম সব অবলীলায় ধ্বসে পড়তে পারে। আমি সূরা নামক কবিতার পংক্তিমালা অন্ধের মতো আরবীতে মুখস্ত করে যেতাম মাতৃভাষায় তার অর্থ-ব্যাখ্যা কিছু না জেনেই।
"আলিফ যবর আ, বে যবর বা, তে যবর তা, আলিফ পেশ উ, বে পেশ বু, তে পেশ তু" এই সকলে আমি কখনোই আগ্রহ পাইনি। এসব থেকে নজরুলের "আমি হবো সকাল বেলার পাখি" অথবা "ভোর হলো দোর খোল খুকুমনি ওঠোরে" অথবা রবিঠাকুরের "তালগাছ একপায়ে দাড়িয়ে, সবগাছ ছাড়িয়ে, উকি মারে আকাশে" অথবা "বীরপুরুষ" কবিতার পংক্তিমালা আমাকে বেশী কাছে টানতো। আমার কাছে আলিফ-বা-তা-সা কেন জানি অর্থহীন লাগতো। আরবীতে আমি কখনোই স্বাচ্ছন্দ বোধ করিনি। কিন্তু মুসলমান হবার লোভে আমি ভুতের মতো তা আউড়ে যেতাম নিরলস।

কিছুদিন পরই কায়দা, সিফারা, আমপারা নামক পুলসিরাত পেরিয়ে আমি উপস্হিত হলাম কোরআন নামক এক মহা পুলসিরাতের মুখোমুখি। আমার বেশ উত্তেজনা ছিলো। বাবার সাথে গিয়ে নতুন কোরআন শরীফ কিনে আনলাম। কিন্তু কিছুদিন পর আমার আগ্রহ উবে গেলো। আমার মনে হতে লাগলো, কি লাভ এইসব পড়ে? শুধুই বেহেস্তে যাবার জন্য? কোরআনের ঐসব বানী থেকে ঠাকুরমার ঝুলি, পন্চতন্ত্রের গল্প, ঈশপের গল্প অথবা চাচা চৌধুরী, টিনটিনের কমিকসই আমাকে বেশী কাছে টানতো। ওগুলো আমার রোমকূপ দিয়ে হাড়ের মজ্জায় গিয়ে পৌছতো। কোরআনের মহান বানী আমি এককান দিয়ে ঢুকিয়ে অন্য কান দিয়ে বের করে দিতাম। আমি আরবীতে কোরআন পড়ার কোন অর্থ খুজে পেতাম না। আজও পাইনা। "ফাবিয়্যাইয়ে আলা ওয়া রাব্বিকুমা তু কায্যিবান" থেকে "অত:পর তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কোন অনুগ্রহকে অশ্বীকার করবে?" আমার কাছে বেশী আপন মনে হয়। তাই অনেকদিন যাবত আমি আরবীতে কোরআন পড়িনা। আমি আমার মাতৃভাষায় কোরআন পাঠ করি। মাতৃভাষাতেই আমি মুসলমান হয়ে উঠতে থাকি।

বেশ কিছুদিন আগে বাংলা কোরআন পাঠকালে বাবা এসে বললেন, বাংলায় কোরআন পাঠে কোন ফজীলত নেই। আরবীতে কোরআন পাঠে যে সওয়াব মেলে তা অন্য কোন ভাষাতে মেলেনা। আমি কোন তর্কে যাইনি, শুধু বলেছি, “আরবী আমি বুঝিনা, তাই বাংলাতে পড়ি। আমি যা বুঝিনা তা পড়িনা।“ বাবা কোন কিছু বলেননি অত:পর। নিশ্চুপ চলে গিয়েছিলেন। বেশ আগে মনে পড়ে নানাবাড়ীতে কোরআন পাঠ নিয়ে খুব উত্তেজনা বিরাজিত হচ্ছিলো। আমার এক কাজিন তিনবার না চারবার কোরআন খতম দিয়েছে। তাকে নিয়ে বেশ হুলুস্তুল। তার মুখ দেখলেই যেন সবাই জান্নাতবাসী হবে এমন অবস্হা। আমি দিয়েছি সর্বসাকুল্যে একবার। তাও মহা ঝুটঝামেলা করে। কোরআন খতম দিতে গিয়ে আমি বিদ্রোহ করেছিলাম। পরে পরিবারের সবাই মিলে জোর করে আমাকে রাজি করিয়েছিলো। আমার মুখ তাই খুব একটা পবিত্র নয়। কোরআন মাত্র একবার খতম দিয়েছি, এ লজ্জায় আমার মায়ের পায়ের নীচে কোন মাটি নেই। শুধুই থৈ থৈ জল। তিনি লজ্জায় ডুবে যান। আমার কাজিনের বেশ গর্ব। তার বুকের ছাতি ৬ ইন্চি চওড়া। খালার মুখেও অন্যরকম জান্নাতী আভা। আমি কাচুমাচু অবস্হায় ঘুরে বেড়াই। তখন আমি একবার কোরআন খতম দিয়ে চর্চার অভাবে তা আবার মোটামোটি ভুলতে বসেছি। মামী তা শুনে চমকে উঠলেন। আমার মাকে রীতিমতো উপদেশ দিলেন এই বলে যে, আরবী শিখে কেউ যদি ভুলে যায় সে সরাসরি দোজখ বাসী হয়। শুনে আমার চমকে উঠার পালা। আমার বালক মন দোজখের ভয়ে কুকড়ে গিয়েছিলো। আমি প্রকটভাবে মুসলমান হয়ে উঠেছিলাম। কিন্তু তারপরও কেন জানি আরবীতে কোরআন পড়ার কোন আগ্রহ আমি বোধ করিনি। আরবী থেকে মাতৃভাষা বাংলাই আমার প্রানের ভাষা।

মসজিদ আমাকে মুসলমান করে তুলে নিদারুন ভাবে। আমাদের বাসার উল্টো দিকেই ছিলো পাড়ার মসজিদ। রাতদিনসকালবিকালদুপুর সন্ধ্যা আমি মুসলমান হয়ে উঠছিলাম এই মসজিদের কারনে। আমার এক দাদা, তাবলীগের মহান আমীর, আমাকে বলেন, “যে ব্যাক্তি সবার আগে জামাতে নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদে যায়, তার সওয়াব সবচেয়ে বেশী।“ আমি বেশী সওয়াবের আশায় সবার আগে মসজিদে যাতায়াত শুরু করলাম। আর বারবার মুসলমান হয়ে উঠতে লাগলাম।

মসজিদের ছিলেন দুইজন মাওলানা, আমার ভাষ্যে হুজুর। একজন ইমাম, অন্যজন মুয়াজ্জিন। আমরা ইমামকে ডাকতাম বড়ো হুজুর, মুয়াজ্জিনকে ডাকতাম ছোটহুজুর বলে। সেই ছোটহুজুর মসজিদ কম্পাউন্ডের ভেতরেই একটি রুমে থাকতেন। আমার তার সাথে বেশ ভাব হয়ে গেলো। নামাজের বেশ আগে মসজিদে গেলে তার সাথে বেশ আড্ডা জমে উঠতো। তিনি বেশ মজার মজার গল্প করতেন। এভাবে বেশ কিছুদিন চললো। মাঝে মাঝেই তার রুমে গেলে পাড়ার আরেকটি ছেলেকে পাওয়া যেত। তাদের সাথে আড্ডা দিতে বেশ ভালই লাগতো। একদিন মুয়াজ্জিন সাহেব আমাকে জোহরের পরে তার রুমে আসতে বললেন। নামাজ পড়ে আমি তার জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম। মুসল্লিরা চলে যাবার পর তিনি আসলেন। আমাকে নিয়ে তার রুমে বসালেন। তাকে বেশ অস্হির অস্হির লাগছিলো। আমি তার বিছানায় বসা ছিলাম। দরজা লাগানো। জানালায় পর্দা। তিনি আমার পাশে এসে বসলেন। টুকটাক কথার ফাকে ফাকে তিনি তার বা হাতখানা আমার উরুতে ঘসতে লাগলেন। প্রথমে আমি পাত্তা দিলাম না। আসলে কিছুই বুঝতে পারিনি আমি তার হাত ঘষাঘষির তাৎপর্য। তিনি এই-সেই নানা কথা বলতে বলতে আমার পেন্টের বেল্ট নিয়ে টানাটানি শুরু করে দিলেন। আমি বুঝতে পারলাম তিনি কি চাচ্ছেন। আমি লাফ দিয়ে উঠে, কিছু না বলেই, দরজা খুলে দৌড়ে বাসায় চলে এলাম। আমার মন ঘিনঘিন করে উঠলো। এরপর আমি আর কখনো ঐ মসজিদে নামাজে যাইনি। আমার পাড়াতো বন্ধুবান্ধবেরা জিজ্ঞেস করতো আমার কি হয়েছে? আমি নিরুত্তর থাকতাম। আমি ঐ মসজিদে নামাজে যেতাম না। প্রতিওয়াক্ত জামাতের সময় আমি বারবার মুসলমান হয়ে উঠতাম।

মসজিদের ইমামের সাথেও আমার বেশ ভাব ছিলো। তার সাথে বেশী কথা হতো নামাজের পর। তিনি মসজিদের বাইরে দাড়িয়ে আমাদের মতো ছেলেপেলেদের নিয়ে ইসলামের নানা দিক নিয়ে কিছু বলার অপচেষ্টা করতেন। নামেই তিনি ইসলাম ইসলাম করতেন। আসলে ইসলামের নামে জিহাদকে কেন্দ্র করেই তার আলোচনা চলতো। অবোধ আমরা মুগ্ধ হয়ে তার কথা শুনতাম। বুকে জিহাদী জোশ পয়দা হতো আমাদের। কথায় কথায় তিনি মেয়েদের গোষ্ঠী উদ্ধার করতেন। যেন মেয়েরাই সকল নষ্টের গোড়া। জুমআর খোতবার বেশীর ভাগ অংশ জুড়েই থাকতো দেশের নারীদের দুর্দশার কথা। পর্দা না করতে করতে আমাদের দেশের নারীদের গন্তব্য কোথায় এ নিয়ে বড়ো হুজুরের চিন্তার অবদি ছিলোনা। "নারীর জন্য ঘর, পুরুষের জন্য বাহির"; "স্বামীর পদতলে স্ত্রীর জান্নাত"; এইসব কথায় তার বক্তৃতা শুধু নারীদের প্রতি বিদ্ধেষই ছড়াতো। একবার খোতবায় আওয়ামী বিরোধী প্রপাগান্ডা চালানোয় বড়োহুজুরকে বেশ বিতর্কের মুখে পড়তে হয়েছিলো। প্রতিবার জুমআর খোতবার সময় আমার নিজেকে প্রচন্ডরকম মুলমান ভাবতে ইচ্ছে করতো। আমি মুসলমান হয়ে উঠতাম।

বড়ো হুজুরের সাথে আড্ডা দিতে দাড়ালেই আমি বেশ মনোযোগ দিয়ে তাকে লক্ষ্য করতাম। রাস্তা দিয়ে রিকসাতে কোন মেয়ে গেলেই তিনি আমাদের সাথে কথা বলতে বলতেই আড়চোখে তাদের দিকে তাকাতেন। তখন তার চোখে আমি কোন ঘৃনা বা ক্ষোভ দেখতে পাইনি। বরং তার চোখে খেলা করতো এক অদ্ভুত লালসা। এসব দেখতে দেখতে আমি বারবার মুসলমান হয়ে উঠতাম, আমি মসজিদে যেতাম না। আজও যাইনা।

মসজিদে পাড়ার প্রভাবশালীরা বেশ হম্বিতম্বি করতেন। মসজিদকে আমি আল্লাহর ঘর হিসেবেই জানি। কিন্তু তাদের প্রতিপত্তিতে মসজিদকে আমার আল্লাহর ঘর বলে কখনোই মনে হয়নি। ঐ সকল পার্থিব ক্ষমতাধরদের অশ্লীল গালিগালাজের আখড়া বলে মনে হয়েছে সবসময়। প্রায় প্রতিদিন কেউ না মসজিদে এসে গন্ডগোল করতো। বেশী বিতন্ডা হতো জুমআ’র দিনে। কমিটির মধ্যে বেশ গন্ডগোল ছিলো। নানা মুনীর নানা মত। এক প্রভাবশালীতো প্রায় শুক্রবারেই গালির বন্যা ছোটাতেন। তিনি রাতেই মাতাল হয়ে যেতেন, তার মতো আরও অনেকেই রাতেই মাতাল হয়ে যেতেন। দিনে মসজিদে এসে সুফী সাজার অপচেষ্টা করতেন। মসজিদের ভেতর মাতালদের গালিগালাজ আমাকে মুসলমান করে তুলতো। গালিগুলো শ্রুতিকটু হলেও তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। তারা আমাকে মুসলমান করে তুলেছিলো।

আমাকে সবচেয়ে বেশী মুসলমান হতে যিনি সাহায্য করেছেন তিনি আমার এক দাদা, আমার মেঝ ফুপির শ্বশুর। তিনি তাবলীগের আমীর। নানা জনের তিনি শ্রদ্ধার পাত্র। কিন্তু আমার কাছে তিনি ভন্ড ব্যতীত কিছুই নন। কোন এক সন্ধ্যায় আমার বোনের (ভন্ডের নাতনী) সাথে আমি বসে টিভি দেখছিলাম তাদের বাসায়। ফুপি বাসায় নেই। ফুপাতো ভাইটি পাশের ঘরে পড়ছে। হঠাত দাদা (মহান ভন্ড) এসে হাজির হলেন। খুব ভদ্র ভাবে এসে হাদিসের নামে কি এক অশ্লীল ইন্গিত তিনি দিয়ে গেলেন। হাদিসের পুরো বক্তব্য আমার মাথায় ঢুকেনি। আমি আপ্রান চেষ্টা করছিলাম যেন তা আমার ভেতরে না ঢুকে। কিন্তু আমার কান আমার সাথে বিদ্রোহ করলো। তার ভাষ্য যতটুকু আমার ভেতরে ঢুকলো তাই যথেষ্ট। নিজেকে ধর্ষিত মনে হলো। ঐ সন্ধ্যায় আমি একটি হাদিস দ্বারা ধর্ষিত হয়েছিলাম। তার হাদিসের মূল বক্তব্য ছিলো এই, "কোন নারী-পুরুষ একসাথে কোন ঘরে থাকলে সেখানে এসে শয়তান হানা দেয়। নারী-পুরুষের সম্পর্ক যদি মা-ছেলেরও হয় তাতেও নাকি রেহাই নেই।" শয়তান এসে কি করে তা আর বলতে চাইনা। রুচীতে বাধছে। যাই হোক, হাদিস সম্পর্কে তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দিয়েই আমাকে হতভম্ব করে তিনি চলে গেলেন। হতভম্ব আমি ফেলফেল করে আমার বোনের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে নিষ্ঠুরভাবে নিজেকে মুসলমান হিসেবে গন্য করলাম। আমি আবারো মুসলমান হয়ে উঠলাম। আমার মনে আছে, সেই রাতে মুসলমান হয়ে উঠতে উঠতে নিজের কান্নাটুকুকে আমি সামলাতে পারিনি। কোন আল্লাহ, খোদা, ঈশ্বর, ভগবান, গড, যীশু, মুহম্মদ আমার কান্না থামাতে পারেনি।

আমার এক দাদীও আমাকে মুসলমান করে তুলেন প্রতিনিয়ত। তিনি বেশ পহরেজগার, পর্দানশীন। আমার সামনেও তিনি বের হন না। পর্দার আড়াল থেকে কথা বলেন। তাকে আমি দেখতে পারিনা, শুধু কন্ঠ শুনি। কিন্তু তিনি প্রতি বছরই আমেরিকা-কানাডায় তার ছেলেদের কাছে বেড়াতে যান। ইমিগ্রেশনের যন্ত্রনা পুড়িয়ে তিনি দেশান্তরে বেড়াতে যান, কিন্তু পর্দার আড়ালে আমাকে মুখ দেখালেই তার ধর্ম লুটিয়ে পড়ে। তিনি আগপাশতলা কালো কাপড়ে নিজেকে ঢেকে চলাফেরা করেন। তাকে আমি দাদী ডাকিনা, ডাকি মহিলা ভন্ড। তিনিও আমাকে মুসলমান করতে বেশ সাহায্য করছেন। তিনি আলবত জান্নাতবাসিনী হবেন। তার মতো সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ যে তারা আমাকে মুসলমান হতে সাহায্য করছেন।

আমি জীবনে এমন অনেকবার মুসলমান হয়ে উঠেছি। আগামীতেও আমি লক্ষ-কোটি-শতবার এমন মুসলমান হয়ে উঠবো। আমাকে মুসলমান করে তোলা হবে। দেশকালরাজনীতিসমাজসংসারব্যক্তিবুদ্ধিজীবি সবাই আমাকে মুসলমান করে তুলতে সাহায্য করেছে, আগমীতেও করবে। ঘুম থেকে উঠে রাতে ঘুমানোর পুর্ব পর্যন্ত আমি প্রতিনিয়ত মুসলমান হচ্ছি। একজন মানুষকে জীবনের প্রতিমূহুর্তে মুসলমান হতে হয়। মুসলমানিত্ব আমার ভেতরে গলগল করে অবারিত ধারায় ঢুকতে থাকে। আমি বারবার মুসলমান হয়ে উঠতে থাকি। প্রতিনিয়ত-নিরন্তর-ক্লান্তিহীন.........



ছবির কৃতজ্ঞতা: দুরন্তের একটি ব্লগ (ভুলে গিয়েছি কোনটা)

 

সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৪২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:০১
দূরন্ত বলেছেন: দূর ছবি কৃতজ্ঞতার কিছু নাই :) :)
ধন্যবাদ।
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:১১

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে....আপনাকেও ধন্যবাদ

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইজান

ব্লগও আমাকে মুসলমান করে তুলছে প্রতিনিয়ত। ওটা নিয়ে একটা দেবো দেখি

৩. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:১২
দূরন্ত বলেছেন: লেখাটা পড়লাম......খুব ভাল লাগলো........ বুঝাই যায়, অনেক সময় নিয়ে চিন্তাভাবনা করে লিখেছেন।
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৪. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:১৭
কালপুরুষ বলেছেন: অনবদ্য লেখনী। বরাবরের মতোই সুন্দর, সাবলীল, হৃদয়গ্রাহী।
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:১৯

লেখক বলেছেন: বরাবরের মতোই হৃদয়গ্রাহী মন্তব্য

ধন্যবাদ কালপুরুষদা

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবা যীশূদা

৬. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:২০
বহুরূপী মহাজন বলেছেন: আমার কখনো আরবি শেখার ঝামেলায় পড়তে হয় নাই, এখন মাঝে মাঝে বাংলা কোরআন পড়ি। কোন তাবলীগ - টাবলীগের সান্নিধ্যে পড়ি নাই, আরবিতে কোরআন খতম দেই নাই একবারও।

আমি তো তাইলে মুসলমান হইতো পারলাম না।

+
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:২৪

লেখক বলেছেন: আপনার তো দুনিয়া আখেরাত সব বর্বাদ হইয়া গেলো??? বর্বাদ লাইফ নিয়া বাইচা থাইকা আর কি হইবো?

আপনার জন্য বিলাইয়ের জীবন

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:২৫

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে, ধন্যবাদ আপনাকে

৮. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:২৫
নতুন বলেছেন: you speak your mind...

its great..
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:৩১

লেখক বলেছেন: হুমমম....ধন্যবাদ

৯. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:২৯
চিকনমিয়া বলেছেন: সাইম্যা ভালা লেকচস
তয় কিচু ব্যাপারে দ্বিমত আচে
তয় ভালা লেকা

পেলাচ
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: দ্বিমত গুলা জানাইয়া দেও না? দ্বিমত জানাটা প্রয়োজন

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১২. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:৪১
রাজামশাই বলেছেন: ওহে সামী মিয়াদাদ লেখার সময় তোর উপর শয়তান ভর করছিল এবং সে তোকে দিয়া এই সব লেখাইছে। তার সাথে যোগ হইছে তোর অনবদ্য লেখনশৈলী।

কিন্তু সবটাই যে ইসলামের বিরুদ্ধে গেল। আমি অস্বীকার করতেছি না মুসলমানদের মধ্যে এই ধরনের লোক নাই। আত্মীয়স্বজন, পাড়া প্রতিবেশী সবার মধ্যেই কি এই ধরনের লোকই খুজিয়া পাইলা।

ভাললোকের সন্ধান কর হে বৎস

আশা করি ভবিষ্যতে ইসলামের পক্ষেও কিছু লিখবা।

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: কি কইলা মহারাজ? আমি ইসলামের বিরুদ্ধে কই কইলাম?

বুঝলাম না? খোলাসা করেন তো?

পড়ে মন্তব্য করার জন্য ইউর এক্সেলেন্সিকে ধন্যবাদ

১৩. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৪
পুষ্প বলেছেন: লেখাটা ভাল হয়েছে।
তবে আপনার মুসলমান হয়ে উঠার ঘটনাগুলোতে শুধু নেতিবাচক ব্যাপারগুলো লক্ষ্য করলাম এর মাঝে ইতিবাচক ব্যাপারগুলো কী আপনার দৃষ্টিতে আসেনি,যদি আসে তবে তা দিয়ে আশা করছি ভবিষ্যতে একটি পোস্ট করবেন।
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: লেখাটা বুঝেন নাই মনে হয়। আবার পড়েন ভালো মতো

১৪. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৬
মুহিব বলেছেন: প্রথমে আমি একজন বাংলাদেশী তারপর মুসলিম।
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৭

লেখক বলেছেন: হুমমম...ঠিক আছে

১৫. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৮
রাজামশাই বলেছেন: ইসলাম = মুসলমান
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: এখন আর এমন বলা যায়না মহারাজ

গভীরভাবে একটু চিন্তা করে বলুন তো?

১৬. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৫
বুমবুম বলেছেন: আমি অহনো একবারো কোরান খতম দিতে পারি নাই।আমার যে কি হইব?
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:০০

লেখক বলেছেন: ধিক, আপনাকে...আপনাকে তো মিসাইলের আগায় লটকাইয়া মারা উচিত। গতকাল পিস টিভিতে দেখলাম পিস মিসাইল নামক একটা অনুষ্ঠান শুরু হতে যাচ্ছে

১৭. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:০০
রাজামশাই বলেছেন: আমি কি ঠিক বুঝিয়াছি কিনা তা আমি কিঞ্চিত সন্দিহান।

আবার পড়লাম - যা বুঝলাম তা হইল এই যে এই লেখার মাধ্যমে মুসলমানদের মধ্যে কঞ্চিত লোক সকলের পাপ কার্যের নমুনা প্রকাশ করা হইয়াছে। যা কিনা তাহাদের বাহ্যিক চরিত্র হইতে বিপরীত ধর্মী।

ইহা প্রকাশ করার উদ্দেশ্য এই লেখা লিখিত হইয়াছে।

যদি সত্য হইয়া থাকে আওয়াজ দেওয়া হোক

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:০২

লেখক বলেছেন: কিন্চিত ধরিতে পারিয়াছেন মহারাজ.....ওটুকু ধরতে পারলেই হবে

আপনাকে ধন্যবাদ

১৮. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:১৬
মাহবুব সুমন বলেছেন: যত্ন করে, মমতা দিয়ে , সময় নিয়ে লেখা। ভালোতো লাগতেই হবে।
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:২১

লেখক বলেছেন: আরো অনেক কিছু বলার ছিলো। কিন্তু পোষ্ট বেশী বড়ো হয়ে যাবে ভেবে বেশী এগুইনি

আবারো ধন্যবাদ

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

২০. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৩৬
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
হুম হুমম

ঠিক আছে.....

এইরকম তো আমরা সবাই প্রতিনিয়ত মুসলমান হচ্ছি।
সাচ্চা মুসলমান....
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৩৮

লেখক বলেছেন: ঐটাই...সাচ্চা মুসলমান

২১. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৩৭
নিয়ান্দার্থাল বলেছেন: "" একদিন মুয়াজ্জিন সাহেব আমাকে জোহরের পরে তার রুমে আসতে বললেন। নামাজ পড়ে আমি তার জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম। মুসল্লিরা চলে যাবার পর তিনি আসলেন। আমাকে নিয়ে তার রুমে বসালেন। তাকে বেশ অস্হির অস্হির লাগছিলো। আমি তার বিছানায় বসা ছিলাম। দরজা লাগানো। জানালায় পর্দা। তিনি আমার পাশে এসে বসলেন। টুকটাক কথার ফাকে ফাকে তিনি তার বা হাতখানা আমার উরুতে ঘসতে লাগলেন। প্রথমে আমি পাত্তা দিলাম না। আসলে কিছুই বুঝতে পারিনি আমি তার হাত ঘষাঘষির তাৎপর্য। তিনি এই-সেই নানা কথা বলতে বলতে আমার পেন্টের বেল্ট নিয়ে টানাটানি শুরু করে দিলেন। ""

কাঠমুল্লাদের ভন্ডামির প্রমান ....................... Mental, a psycho.

শালা হারামির দল।
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৪২

লেখক বলেছেন:

এতো খেপলে হবে? মাথা ঠান্ডা রাখেন

মেন্টালগুলারে পথে আনার উপায় কি?

২২. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৩৮
বুমবুম বলেছেন: কন কি?শেষ পর্যন্ত মিসাইলে লটকামু?অহন উপায় কি?
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৪৪

লেখক বলেছেন: পিস মিসাইলে লটকানো হইবো আপনেরে.....জাষ্ট ওয়েট

আমি নায়েক সাহেবরে খবর দিতাছি

২৩. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৪৩
নিয়ান্দার্থাল বলেছেন: সামী

+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++

দিলাম।
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৫৭

লেখক বলেছেন: দিসিতো

২৫. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৫২
বুমবুম বলেছেন: নায়েক ভাইজান আপনে আমার গরু থুক্কু গুরু আমারে মাফ কইরা দ্যান।
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৫৯

লেখক বলেছেন: আমি নায়েক হমু কোন দু:খে....আমার নায়েক হইবার খায়েস নাই....আপনেরে আমি নায়েকের হাতে ছাইড়া দিতাছি...খাড়ান

২৬. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:২৮
একরামুল হক শামীম বলেছেন: অনেক ভেবে লিখেছেন বোঝা গেল। একটা বিষয় বলে ফেলি- চিন্তাভাবনা এবং ব্যক্তিগত ভাবধারার জন্য কিছু বিষয়ে দ্বিমত থাকেই। সেটার উল্লেখ সব প্রেক্ষাপটে কিংবা সব সময়ে প্রয়োজনীয় নয়। তবে গ্রোসলি চিন্তা করলে আমি বলবো অনেক ভালো হয়েছে লেখাটা।
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:২৮

লেখক বলেছেন: ভেবেই লিখেছি। তবে লেখাগুলো এতোদিন আমার ডায়রির পাতায় ছিলো। এই লেখাটা আমার ডায়রির বিভিন্ন সময়ের লেখার যোগফল বলা যেতে পারে।

ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকেই তো একজন মানুষ বেড়ে ওঠে। আমি নিশ্চই অন্যের অভিজ্ঞতা থেকে নিজের জীবন সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করবোনা? আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা অনেক ক্ষেত্রেই সুখকর নয় ভাইয়া সেগুলরই প্রতিফলন বলতে পারো লেখাটাকে। আরো অনেক কিছু লিখতে চেয়েছিলাম, কিন্তু এতে এই ব্লগ সহ সমাজরাষ্ট্র ভেঙে পড়তে পারে।

ভালো থেকো

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:২৮

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে

২৮. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৬
সৈয়দা আরুফা ইয়াসমিন নিপা বলেছেন: চমৎকর+
আমি মুসলমান আরও মুসলমান হতে ইচ্ছা হচ্ছে...
লিখতে থাকুন নিরন্তর।
৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:২৫

লেখক বলেছেন: আপনিও মুসলমান হতে থাকুন নিরন্তর

ধন্যবাদ

২৯. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৪
কানা বাবা বলেছেন:
আজাদীয় ঘরানার লেখা... তবুও ভাল্লাগলো...

... আসল কতাডা কৈতেই তো ভুইল্ল্যা গ্যাছেন মুনে লয় (মুসলমানী'র কতা)... আশা করি নেক্সট কিস্তিতে কৈবেন এইনশাল্লাহ...
হাহ হাহ হাহ...
৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:২৭

লেখক বলেছেন: এইটাও আজাদীয় হইলো নাকি? তাইলে আমার লাইফটাই মনে হয় আজাদীয় ঘরানার

অনেক কথাই কইনাই ইচ্ছা কইরা.....এইডার আর কোন কিস্তি আইবোনা.....মুসলমান হইয়া গেছি এক কিস্তিতেই

ধন্যবাদ

৩০. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪২
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: এই কাহিনীটা ঠাকুরমার ঝুলিতে দিলে পুরুষ্কার হাইতেন।


রম্য রচনার জন্য পেলাচ।

অনেক মজা পাইলাম।

খুব ভালা অইছে।


কিপ অন।
৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:২৯

লেখক বলেছেন: ঠাকুরমার ঝুলিতে রম্য ছাপায় নাকি? ঐ বইতে কোন রম্যতো দেখলাম না?

লেখাটাতে রম্য পাইলেন? বাহ!!!!

ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য

৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:২৯

লেখক বলেছেন: নীরব + কেন?

৩২. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১১:০৯
নেমেসিস বলেছেন: মুসলমান হৈতে হৈলে আরবী ভাষা শিখতে হবে কেন? ধর্ম বিশ্বাস কি ভাষার উপর ভর করে গড়ে উঠে ??
৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:৩১

লেখক বলেছেন: আমারোতো সেই একই কথা? ধর্ম বিশ্বাস কখনোই ভাষার মাঝে সীমাবদ্ধ নয়। কিন্তু আমাদের সমাজে এটা প্রচলিত যে সকল মুসলমানের জন্য আরবী শেখা জরুরী।

আমি এসব বেকুবী কখনো মানিনি, মানতে রাজিও না

৩৩. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:৪২
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
কবে যে এমন গুছিয়ে লিখতে পারব! ভালো লেগেছে।
৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:৩১

লেখক বলেছেন: গুছিয়ে লিখলেন তো দেখলাম

ধন্যবাদ

৩৪. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:৫০
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
আমারো মনে হয় যার যার ভাষাতেই কোরআনকে জানা উচিত..না হলে আমরা ধর্মপ্রাণ মুসলমান না হয়ে ধর্মভীরু মুসলমান হবো.....আর কিছু কোরআনের হাফেজ গরগর করে আরবী বলতে পারার সুবিধাটুকু নিয়ে আমাদের উপর যা ইচ্ছে তাই হাদিস, ফতোয়া চাপিয়ে দেবে...আমরা তার প্রতিবাদ করবোনা...কারন কি ? আমরা মুসলমান বলে ? নাহ ! আমার মনে হয়, আমরা দূর্বল বলে, আর আমাদের দূর্বলতা আমরা না বুঝেই মুসলমান বলে ...না বুঝেই কোরআন খতম দেই বলে....
৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:০৪

লেখক বলেছেন: সুন্দর বলেছেন। আমি একবারই দিয়েছি। তারপর আর আরবীতে পড়িনি। বাংলায়ই পড়ি। যেটা বুঝিনা সেটা পড়ে কি লাভ বলুন? আমাদের সমাজে সবাই কিন্তু সওয়াব নামক এক বস্তুর আশায় গড়গড় করে কোরআন পড়ে যান, ওখানে কি লেখা আছে না জেনে শুনেই। অন্যদেরও তাই করতে বলেন। আমার জানাটা জরুরী, বোঝাটা জরুরী। যারা সওয়াবের কথা বলেন তাদের উদ্দেশ্য সমাজের মানুষের চোখে ঠুলি পরিয়ে একধরনের সুবিধা আদায় করা। আমি তাদের সেই সুযোগটা দিতে রাজি নই। কাররই তাদের সেই সুযোগটা দেয়া উচিত নয়।

ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য

৩৫. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:০৮
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: যথারীতি সুন্দর পোস্ট...

তবে বিবাহের সময় কি কবুল কৈবা? ;)

তখন তো তোমার সিদ্ধান্ত নেয়ার সক্ষমতা থাকবে... :)
৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:১৮

লেখক বলেছেন: ঐটা মনে হয় কইতেই হইবো যে ভাব দেখতাছি

তয় কেউ যদি রাজি থাকে যে কবুল না কইলেও তার চলবো, তাতে আমার কোন সমস্যা নাই

সমস্যা হইলো, এমন কেউ পাওয়াটাই দুষ্কর....আর আমাদের সমাজ এইসবের জন্য প্রস্তুত না

তাই...কি....আর....করা....

৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:৩৭

লেখক বলেছেন: নীরব প্লাসে নীরব ধন্যবাদ

৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মাহবুব ভাই

৩৮. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:২৮
স্বপ্নশিকারী বলেছেন: কঠিন বাস্তব।
এরাই ইসালম ধর্মকে নষ্ট করল।
৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:৫০

লেখক বলেছেন: কঠিন বাস্তব, ঠিকই বলেছেন.....এদের জন্যেই ইসলামের এই অবস্হা।

ধন্যবাদ

৩৯. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:২৪
নিবেদীতা বলেছেন: আরবী শিখে কেউ যদি ভুলে যায় সে সরাসরি দোজখ বাসী হয়। শুনে আমার চমকে উঠার পালা। আমার বালক মন দোজখের ভয়ে কুকড়ে গিয়েছিলো। আমি প্রকটভাবে মুসলমান হয়ে উঠেছিলাম। কিন্তু তারপরও কেন জানি আরবীতে কোরআন পড়ার কোন আগ্রহ আমি বোধ করিনি। আরবী থেকে মাতৃভাষা বাংলাই আমার প্রানের ভাষা।


আমারো তাই মনে হয়। ভাল লিখেছেন।
৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ....আমার সাথে মতের মিল হওয়া মানুষই তো দেখি এখানে বেশী

ভাল লাগছে

৪০. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:৩২
স্বপ্নশিকারী বলেছেন: অর্থ না বুঝে কুরআন শরীফ পড়া আর তোতা পাখির মতো কথা বলা একই।
০১ লা মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৫

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন। ছোটবেলা তো তোতা পাখির মতোই পড়ে গিয়েছি। আমাদের দেশে বেশীর ভাগ মানুষই তাই করে।

৪১. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:৫৭
হট্টগোল বলেছেন:

সবসময় লগড অফ হয়ে সামহোয়ার বিচরণ করি। কিন্তু এই লেখাটা পড়ে লগ ইন করলাম।

যা যা বলে একটি লেখার প্রশংসা করা সম্ভব তার সবটাই বললাম।

আরো লিখুন।
০১ লা মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, অবশ্যই লিখবো

৪২. ০১ লা মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৪
পুষ্প বলেছেন: ঠিকই ধরেছেন,আসলেই পুরাপুরি বুঝি নাই।
০১ লা মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৪

লেখক বলেছেন: আমার লেখায় কি নেগেটিভ সাইড বেশী ছিলো? মনে হয়না। যেমন আমি কোরআন পাঠের কথা বললাম। আরবী থেকে আমি বাংলাকেই প্রেফার করলাম। দাড়ীটুপি হুজুরদের আসল চেহারাটা ধরিয়ে দেবার চেষ্টা করলাম। অনেক মসজিদের ইমাম এবং মুয়াজ্জিনই এই চরিত্রের। আমি এখানে ইসলামের ব্যাপারে কি বলেছি? বললাম তো মুসলমানদের কান্ডকারখানা। এখনকার পরিস্হিতিতে আমি ইসলাম আর মুসলমানকে সমার্থক ভাবতে রাজি না। আর এখন ইসলামকে মুসলমানেরা যাচ্ছেতাই ভাবে ব্যাখ্যা করছে, ব্যবাহার করছে, শুধুই নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য।

আর আমার আশে পাশে যদি শুধু নেগেটিভ ঘটনা ঘটে তবে পজেটিভ কিভাবে লিখি বলুন তো? আমরা তো একটা নেগেটিভ সময়েই বাস করছি নাকি?

ধন্যবাদ আপনাকে

৪৩. ০১ লা মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২১
কেএসআমীন বলেছেন: জন্মেছ মুসলমান হয়ে
মানুষ হওনি...

আমার না, রবিগুরুর কথা...

অসাধারণ লেখা। ৫ না দিয়ে ৫০ দিতে পারলে সবচে খুশী হতাম...
০১ লা মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৬

লেখক বলেছেন: মানুষ হওয়াটাই বেশী প্রয়োজন

ধন্যবাদ আমীন ভাই

৪৪. ০১ লা মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩০
কেএসআমীন বলেছেন: একেবারে সত্যের খুবই কাছাকাছি বলেছেন মিয়াভাই...
০১ লা মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৫

লেখক বলেছেন: হাহাহাহাহাহাহাহাহা

আপনার এই ডায়লগটা যুগান্তকারী....একেবারে সত্যের কাছাকাছি

৪৫. ০১ লা মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৮
কেএসআমীন বলেছেন: ধন্যবাদ মিয়া ভাই...
এই ডায়ালগটাকে কিভাবে ব্র্যান্ডেড করা যায় সেই চিন্তা করতেছি।
ট্রেড মার্ক নেওয়া যায় কিনা?
০২ রা মে, ২০০৮ সকাল ১০:৫৫

লেখক বলেছেন: হেহেহহেহেহেহ(ক্লোজআপহাসি)....নিয়া নেন নিয়া নেন মিয়া ভাই

৪৬. ০২ রা মে, ২০০৮ সকাল ১১:০০
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: এই পোষ্টটাতো আগে খেয়াল করি নাই।দুর্দান্ত লিখছো।প্রিয়তে রাখলাম।
০২ রা মে, ২০০৮ সকাল ১১:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শান্ত

৪৭. ০২ রা মে, ২০০৮ সকাল ১১:৪৯
মুকুল বলেছেন: লেখাটা কিন্তু আগেই পড়েছি। ব্যস্ত ছিলাম বলে লগইন করে কমেন্ট করি নাই। পরে করবো করবো করেও ভুলে গেছি। ক্ল্যাসিক লেখা। আরেকটি সামী মিয়াদাদ উপস্থাপনা। দারুণ!!! :)


(কেন জানি মনে হয়, হুমায়ুন আজাদের প্রভাব আপনার উপর বেশ আছে! তার মানে এই নয় যে আপনার লেখার কৃতিত্ব দিচ্ছি না। আপনি দূর্দান্ত একজন লেখক! লিখে যান...)
০২ রা মে, ২০০৮ দুপুর ১২:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুকুল ভাই সুন্দর মন্তব্যের জন্য। ব্যাপার না। পড়েছেন তো। তাহলেই হবে

অনেকটাই ঠিক ধরেছেন। আমার কাছে তার লেখার স্টাইল আমাদের দেশের সব লেখকদের মাঝে সেরা মনে হয়। সেই কিশোর বেলা প্রথম একটি বই (সবকিছু ভেন্গে পড়ে) পড়ে আমি বেশ নাড়া খেয়েছিলাম। নাড়ার ঠেলায় আস্ত একটি কবিতা (জানিনা সেটা কবিতা কিনা) লিখে ফেলেছিলাম একই নামে।

আবারো ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন মুকুল ভাই

৪৮. ০২ রা মে, ২০০৮ দুপুর ১২:১২
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: সামী ভাইয়ের লেখায় হুমায়ুন আজাদের প্রভাব লক্ষ্যণীয়। যাহোক পোস্টটা দেরিতে চোখে পড়লো, এক নিশ্বাসে পড়ে ফেললাম, ভালো লাগলো, সবসময়ই ভালো লাগে এধরনের লেখা, যেহেতু এসব ঘটনা আমার জীবনেও দুয়েকটা ঘটেছে; এবং ঘটে চলেছে।

ধন্যবাদ সামী ভাই। ভালো থাকুন, যদিও খুব কষ্টকর সেটা।
০২ রা মে, ২০০৮ দুপুর ১২:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ.....এই প্রভাব বলয় থেকে বের হবার কোন ইচ্ছেই আমার নেই

পড়ে মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ

ভাল থাকাটা কষ্টকর হলেও আপনিও ভাল থাকবেন। কষ্ট করে হলেও

৪৯. ০২ রা মে, ২০০৮ দুপুর ২:০১
নাহরিন জফির বলেছেন: ভাল লাগল।বরাবরই আমাকে শুনতে হয় নানা কথা--ইসলাম মানলে পুরোপুরি মান,নইলে নয়।এই মেয়ে তো রসাতলে যাচ্ছে।কিন্তু আমি আমার অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছি,ধর্ম সম্পর্কিত পড়াশুনো নিতান্তই কম আমার।আল্লাহকে ডাকলে শান্তি পাই,মনে জোর পাই।নামাজ পড়লে পবিত্র অনুভূতি জাগে।

বাবা-মা বলেছেন মানুষ হও।চেষ্টা করছি।

লেখাটা সত্যি বেশ ভাল।ভাল থাকবেন।
০৩ রা মে, ২০০৮ সকাল ১১:২৭

লেখক বলেছেন: যে যেভাবে শান্তি পায়, মনে জোর পায় তার তাই করা উচিত

আমাদের সবারই সত্যিকার মানুষ হবার চেষ্টা করা উচিত। তবে কি, এই মানুষের সংজ্ঞাটাই একেকজনের কাছে একেকটা। আপনি আপনার মতো মানুষ হবেন এই কামনা করি

ভাল থাকবেন। ধন্যবাদ লেখাটি পড়ার জন্য

৫০. ০৩ রা মে, ২০০৮ সকাল ১১:৫৮
মাহমুদ রহমান বলেছেন: আপনি যে ইসলামের বর্ণনা দিলেন....... এ ইসলাম ইসলামই নয়।

নিঃসন্দেহে এসব বড় মাপের যুলম। আল্লাহ আপনাকে এরকমভাবে যেন আর মুসলমান না বানান। এরকম মুসলিম মানবতার জন্য হুমকিস্বরুপ।
০৩ রা মে, ২০০৮ দুপুর ১২:১০

লেখক বলেছেন: আপনি লেখাটা বুঝেন নাই। দয়াকরে কষ্ট করে আবার পড়েন। বুঝে তারপর আবার মন্তব্য করেন। আমার ব্লগে ভবিষ্যতে লেখা না বুঝে মন্তব্য করার আগে একটু চিন্তা করার অনুরোধ রইলো

ধন্যবাদ

৫১. ০৩ রা মে, ২০০৮ দুপুর ১২:১৯
মাহমুদ রহমান বলেছেন: পুরাটাই কষ্ট করে পড়েছি........ দাঁড়ি-কমা শুদ্ধ।

খুবই বাজে অবস্থা, ইসলামের নামে যা হচ্ছে তা পরিস্কারভাবেই ইসলামের উপর যুলম। আজব ব্যাপার হচ্ছে, আল্লাহ মানুষের মধ্যে থেকেই একজনকে বাছাই করে তাঁর মাধ্যমে মানবজাতিকে এমন কিছু জানালেন যাতে সমাজে জাস্টিস প্রতিষ্ঠিত হয়। আর অনেকের আচরণই পুরা উল্টা। এগুলা কোত্থেকে যে শিখেছে?
০৩ রা মে, ২০০৮ দুপুর ১২:২৭

লেখক বলেছেন: আমি জানিনা আপনি কি বুঝেছেন। কিন্তু আপনি বললেন...

"নিঃসন্দেহে এসব বড় মাপের যুলম। আল্লাহ আপনাকে এরকমভাবে যেন আর মুসলমান না বানান। এরকম মুসলিম মানবতার জন্য হুমকিস্বরুপ।"

আমি কি লেখার কোথাও বলেছি যে আমি ওরকম ভাবে মুসলমান হয়েছিলাম? বা হতে চেয়েছি? তাই বলেছিলাম আপনি বুঝেন নি।

ইসলামকে ব্যবহার করা হচ্ছে। আর কিছু না।

৫২. ০৩ রা মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৮
মৈথুনানন্দ বলেছেন: ঈর্ষান্বিত হলাম। আমি তৃতীয় শ্রেণীর ব্লগার। :( তোমার মতো প্রথম শ্রেণীর হতে চাই। ( পুনশ্চ : ব্লগারদের শ্রেণীবিভাজনের ব্যাখ্যাটা এক্ষুণি পিয়েম করে পাঠিয়ে দিচ্ছি! ) ;)
০৩ রা মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৫

লেখক বলেছেন: দাদা, আপনার খবর আছে। আমি প্রথম শ্রেনীর হলাম কবে থেকে??? আপনি এই মন্তব্য করে নিজেকে প্রথম শ্রেনীর ব্লগার হিসেবে প্রমান করলেন

ভাল থাকবেন

৫৩. ০৩ রা মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৪০
মাহমুদ রহমান বলেছেন: আপনার প্রতি একটা অনুরোধ রইল, আপনি যদি সত্যিই মনে করে থাকেন..... ইসলামকে ব্যবহার করা হচ্ছে তবে প্লিজ চুপ করে বসে থাকবেন না। ইসলামকে একদম নিজে থেকে জানুন। এইসব ব্যবহারকারীদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দিন। ইসলাম যে মানুষকে আশরাফুল মাখলুকাতের মর্যাদা দিয়েছে তাকে ফিরিয়ে আনতে সচেষ্ট হোন। কুরআনে বর্ণিত ইমোশোনাল উইজডোমকে তুলে ধরুন।
০৩ রা মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: চুপ করে বসে নাই তো? লেখতাছি তো নিরন্তর....আমার ব্লগ ঘুরে দেখেন

৫৪. ০৩ রা মে, ২০০৮ দুপুর ১:৫৫
`হাসান বলেছেন:
ক্লাসিক লেখা। এই এক লেখার জন্য সামীর আগামী সব লেখায় আমার +
০৩ রা মে, ২০০৮ দুপুর ১:৫৯

লেখক বলেছেন: এইডা কি আমাগো গন্ডু নাকি????

বুজতার্ছিনা

যেই হও, ধইন্যাপাতা

৫৫. ০৩ রা মে, ২০০৮ দুপুর ২:২৪
মানব মানিক বলেছেন: সামী
কি দেখালেন !
আমি ভাবতে পারছি না এমন লেখা কি করে মাথায় আসে !!

অদ্ভূত সুন্দর ।
খুব ভালো লাগলো । প্রিয় তে রাখলাম ( আপনার অনুমতি ছাড়াই) পরে আবার পড়ব বলে ।

ভালো থাকবেন
ভালোবাসা নিয়ে।
০৩ রা মে, ২০০৮ দুপুর ২:৪১

লেখক বলেছেন: আশপাশের পরিবেশ, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, রাগ, ক্ষোভ, দু:খবোধ, হতাশা থেকেই উঠে আসলো আর কি

প্রিয়তে রাখার জন্য অনুমতির প্রয়োজন আছে কি?

আপনিও ভাল থাকবেন। ধন্যবাদ

০৩ রা মে, ২০০৮ দুপুর ২:৪৩

লেখক বলেছেন: থ্যাংকু ভাইজান

৫৭. ০৩ রা মে, ২০০৮ দুপুর ২:৪৪
মৈথুনানন্দ বলেছেন: কাহিনী নয় - এরে কয় উপন্যাস! ওয়র্ডে সেইভ করে রেখে দাও - পরে ধীরেসুস্থে পড়ো!! ;)
০৩ রা মে, ২০০৮ বিকাল ৩:০২

লেখক বলেছেন: সেইভ করে রাখলাম...পরে পড়ে দেখবো

৫৮. ০৩ রা মে, ২০০৮ রাত ১০:১৪
েক আিম বলেছেন: আমাদের কাঠমোল্লা গুলা জীবনকেই বিষিয়ে দিচ্ছে। সামী কোরান যে কোন ভাষাতেই পড়া যায়। বাংলায় পড়লে ফজিলত নাই পুরা ভূয়া কথা।

আর ঐ তবলীগের কথা বলেন: আমাকে প্রথম দিন পাড়ার মুরুব্বী বল্লেন আসো কিছুক্ষন ধর্ম নিয়ে আলোচনা করি: অনেক ফজিলত হবে: তারপর শুরু হলো হূর পরীর কথা: তবে বাবার কারনে মুসলমান না হয়ে নিজে বুঝে মুসলমান হয়েছি বলে খুব ভালো ভাবে ঐসব ভন্ডদের যথাযথ উত্তর দিতে পেরেছিলাম।

আমি নিজেও এক ভন্ড হুজুর দ্বারা শিশুকালে যৌন নিগৃহিত, তেমনি যৌন নিগৃহিত আমার কনভেন্ট স্কুলের এক হিন্দু শিক্ষিকা দ্বারা। তার মানে এই নয় এই দুই চিরন্তন ধর্ম খারাপ বা এর সব ফলোয়ার তেমনি সেডিষ্ট।

আর সামী এখন এম.বি.এ শেষ করলা, টেলিকমে জব কর আর কয়দিন ভন্ডামি করবা: যা বিশ্বাস করনা তা কেন প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছ? এখন তো বিদ্রোহ কর: এটলিস্ট বিয়ের সময় আবার কলমা পইড়ো না: কবুল বইলো না! তোমার বিয়েতে আমি থাকব এতটুকু ১০০% শিওর: দেখব বন্ধু সেদিন কি একই হিপোক্রেসি করো কিনা।

আর বলছিলাম: মারা গেলে জানাযাটা নিও না: বইলা যাইও: যেন না দেয়: তুমি বিশ্বাস করনা।

আর পিস টিভির অনুষ্ঠান গুলো এটলিষ্ট একদিন নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে দেইখ।



++++++++++++++ সুন্দর লেখার জন্য। ভাল থাইকো বন্ধু।
০৪ ঠা মে, ২০০৮ সকাল ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার দীর্ঘ সুন্দর মন্তব্যের জন্য।

আপনার মন্তব্যের ধাচ দেখে এমন ধারনা হলো যে, আমি আপনি দু'জনেই খুব ঘনিষ্ট। অথবা আপনি আমার সম্পর্কে খুব ভালই ধারনা রাখেন। আমার বিয়েতে থাকবেন ১০০ ভাগ শিয়োর আপনি। বাহ!!!!! একজন বরযাত্রী পাওয়া গেল

তাবলীগেও আমি কখনো আগ্রহ পাইনি। মসজিদে রাতে ঘুমিয়ে থাকার মাঝে কি কোন ফজিলত থাকতে পারে। উল্টো মসজিদ নামক পবিত্র স্হানটিকে অপবিত্র করার একটা সুযোগ রয়ে যায় এতে।

আপনিও দেখি একই রকম ভুক্তভোগী। আপনি কিছু টা আমাকে ভুল বুঝছেন। আমি পুরো ধর্মকে কখনোই দায়ী করছিনা। আমি দায়ী করছি ধর্ম ব্যবহারকারীদের। এটা তাদের ব্যর্থতা।

আমি যা বিশ্বাস করিনা তাতো প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছিনা? আপনি আমার এতো ঘনিষ্ট আর এটা জানেন না? কাজেই ভন্ডামীর প্রশ্ন আসছেনা। যদিও বুঝতে পারছিনা আপনি কে। আপনিতো নিজেই জানেন না আপনি কে।

বিয়ের ব্যাপারে একটা গল্প বলি। আমার এক দূর সম্পর্কের বোন তার বিয়েতে কোন দেনমোহর এলাউ করেনি। তার যুক্তি ছিলো, দেনমোহর দিয়ে কি হবে, যখন স্বামীই আমার কাছে থাকবেনা? তিনি দেনমোহরে বিশ্বাসী না।

তো আমিও তেমনি কবুল কবুলে বিশ্বাসী না। মূল ব্যাপারটা হচ্ছে পারস্পরিক সম্পর্ক। সম্পর্ক যদি বিষিয়ে উঠে কবুল কবুল তা ধরে রাখতে পারেনা। কবুল কবুল তখন ধ্বসে পড়ে। যুগে যুগে তাই হয়ে আসছে।

আর বিশ্বাস অবিশ্বাসের প্রশ্নে বলছি, লেখার কোথাও কি বলা আছে যে আমি বিশ্বাস করিনা?

যাই হোক, বন্ধুই হবা তুমি। তুমিও ভাল থেকো লাষ্টে তুমিই মারলাম

৫৯. ০৪ ঠা মে, ২০০৮ সকাল ১০:৫৩
রাশেদ বলেছেন: পরে পড়ুম। আইজকাও পর্তে পারলাম না। :(
০৪ ঠা মে, ২০০৮ সকাল ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: ব্যাপার না, সময় করে যে কোন দিন পড়লেই হবে

৬০. ০৪ ঠা মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৩
েক আিম বলেছেন: বন্ধু হবার কিছু নেই, আমরা অনেক আগের বন্ধু। আমি ঘৃনা করি ধর্মব্যবহার কারী পতঙ্গদের (পতঙ্গদের অপমান করলাম মনে হয়)।
এইবার বন্ধু তোমার দূরসম্পর্কের বোনের দেনমোহর বিষয়ে একটা কথা বলি। দেনমোহর আর খোরপোষ এক বিষয় নয়। আমাদের ভন্ড হুজরিগুলা এই দেনমোহর এর বারোটা বাজাইছে নিজেদের স্বার্থে।
দেনমোহর বিয়ের পর প্রথম সঙ্গম করার আগে শোধ করে দেয়া বাধ্যতামূলক। এই ব্যাপারে মাফ চাওয়া বা পরে দিব এই রকম কিচ্ছু বলার কোন অবকাশ নেই। যতক্ষন পর্যন্ত দেনমোহর শোধ না করা হবে ততক্ষন পর্যন্ত স্ত্রী সান্নিদ্ধ্যে যাওয়া নিষিদ্ধ। আর যদি স্ত্রী পরবর্তীতে দেবার অনুমতি দেয়, তা হলে তা সেই সময় পর্যন্ত যত পরিমানে বৃদ্ধি পাবে তত পরিমানে দিতে হবে। আর আমাদের সমাজে পাত্রের সাধ্য না থাকলেও অসম্ভব রকমের দেনমোহর ধার্য করা হয়, যা ইসলামে নিষিদ্ধ। আবার অলংকার বা অন্যান্য উপহার এর মাধ্যমে উসূল হিসেবে দেন মোহর দেথানো হয়। এইটাও পুরাপুরি ইসলাম সমর্থন করে না। যদি উসূল দেখাতেই হয় তবে কনের অনুমতি সাপেক্ষ (কনের অবিভাবক নয়, কনে স্বয়ং হতে হবে) পাই পাই বাজার মূল্যে উসূল দেখাতে হবে। দেনমোহর ছাড়া আমাদের ধর্মে (ইসলাম) বিয়ে সঠিক হয় না। কনের অনুমতি নিয়ে সামান্য (অবশ্যই তা বরের সামর্থ্য থেকে কম নয়) হলেও দেনমোহর দিতে হবে।

আর খোরপোষ হচ্ছে তালাক বা কোন কারনে বিবাহ বিচ্ছেদ হলে স্ত্রীকে সময়ের সাথে সুন্দর ও সম্মান নিয়ে বেঁছে থাকার খরচ। এইটা ততোদিন চলবে যবদিন না স্ত্রী অন্য কাউকে বিয়ে না করে।

ভালো থেকো বন্ধু।

আর একটা অনুরোধ: কখনো রাজাকার শব্দটা আমাকে বলো না যতই দ্বীমত হইনা কেন। সহ্য হবে না। (তোমরা তো আবার ইনলামের কথা বল্লেই রাজাকার ডাক ত্ই আগেই বলে নিলাম): ক্ষমা করো অনুভূতিতে আঘাত করলে।
০৫ ই মে, ২০০৮ সকাল ১১:৫১

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস ফর ক্ল্যারিফিকেশান

উনি দেনমোহরটাই এলাউ করেন নি। তাই বললাম। সম্পর্ককে মনে হয় টাকা-পয়সার পাল্লাতে মাপতে উনি নারাজ

যাই হোক, তুমি খুব ভাল পজিশনে আছ যে আমি তোমাকে চিনতে পারছিনা। যারা আমার বিয়েতে ১০০ ভাগ যাবে শিউর তারা কেউই তো ব্লগিং টগিং করেনা। আমার ঘনিষ্ট কেউই তো এই লাইনে নেই। আমি একটু বই টই কবিতা টবিতা পড়ি বলে উল্টো আমাকে উপহাস করা হয়। তাই আমি নিদারুন বিশ্মিত

আমার অনেক আগের কোন বন্ধুকে ব্লগে দেখে সত্যিই ভাল লাগছে। যদিও চিনতে পারছিনা

আর রাজাকার নিয়ে যেটা বললে, সামীকে কখনো কি দেখেছো ইসলাম টিসলাম নিয়ে লিখলেই কাউকে রাজাকার ডেকে ফেলা? ব্লগে তো কোন রাজাকার নেই। রাজাকার মতাদর্শী থাকতে পারে। যারা ইসলাম নিয়ে রাজনৈতিক প্রপাগান্ডা চালায় তাদের ঐ দলে ফেলা যায়।

দ্বিমত??? ব্লগে তো দ্বিমত হবেই। দ্বিমত হলেই না ভাল? অনেক কিছু জানা যায়, আলোচনার মাধ্যমেই অনেক কিছু বের হয়ে আসে। এই যেমন, দেনমোহর আর খরপোষের পার্থক্যটা তুমি আমাকে বুঝিয়ে দিলে। এখান থেকে অনেকেই উপকৃত হতে পারেন। তাই দ্বিমত হলেই তার প্রতি বিদ্বেষ পোষন করা আমার কাছে নির্বুদ্ধিতা

তুমিও ভাল থেকো বন্ধু(জানিনা কোন বন্ধুটা)

৬১. ০৫ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৪১
হাবীব ইমন বলেছেন: লিখেছেন ভালো।
এরচেয়ে আমার বলার নেই। অনেকের মন্তব্যের সাথে সঙহতি জানাই . . .
০৫ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৭

লেখক বলেছেন: হুমমম....ধন্যবাদ...আমারো এর চেয়ে বলার কিছু নাই

৬২. ০৬ ই মে, ২০০৮ ভোর ৫:৪৬
রাশেদ বলেছেন: এখন পড়লাম। আফসোস হচ্ছে আরো আগে কেনো পড়লাম না। ভালো লাগছে খুব। তোমারে হিংসা হইতাছে। এতো ভালো লেখো আর এতো গুছিয়ে লেখো। একগাদা ধন্যবাদ তোমারে।
০৬ ই মে, ২০০৮ সকাল ১০:৪৮

লেখক বলেছেন: বেটার লেইট দ্যান নেভার

তোমারেও একগাদা ধন্যবাদ রাশুদা....তবে যে প্রশংসা করলা তাতে কিন্চিত লজ্জিত। খুব কি গুছিয়ে লিখতে পারি?

৬৩. ০৭ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১:০২
ফিউজিটিভ বলেছেন: হু, আপনার আসলে কপালই খারাপ, নইলে ভন্ডগুলো সব আপনার উপর ভর করলো কেন?

তবে একথা ঠিক, আমার মনের কথাগুলো বলে ফেলেছেন- কিছু কিছু ক্ষেত্রে।

ভাল লিখেছেন।
০৭ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১:০৪

লেখক বলেছেন: বুঝলাম না কোন কোন ভন্ডের কথা বললেন? একটু বুঝিয়ে খোলাসা করে বলুন তো?

এগুলো অনেকেরই মনের কথা

ধন্যবাদ আপনাকে

৬৪. ০৭ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৩:২৬
মাজুল হাসান বলেছেন: ভাল হয়েছে।
সাবলীল হয়েছে।
তারপরেও আরো ধাক্কা দেবার সুযোগ ছিলো।
+++++
০৭ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৩২

লেখক বলেছেন: ইচ্ছে করেই দিইনি.....ঐ যে বললাম তাতে ব্লগ সহ সমাজরাষ্ট্র সব ভেন্গে পড়ার সম্ভাবনা

ধন্যবাদ পড়ার জন্য

৬৫. ০৭ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:০৬
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: সমাজরাষ্ট্রকে ভেঙ্গে দেয়া দরকার যে ভাইটি।
উৎকৃষ্ট লেখা, রন্ধ্রে রন্ধ্রে আজাদ আর আধুনিকতা। অনেক প্রেরণা যোগায়, অনেক পাঠকও তৈরী করে; কিন্তু ভাইটি এখানে একজনও তোমাকে যা মনে করিয়ে দেয়নি তা মনে করিয়ে দেয়া দরকার। আর তা হল মুসলমানিত্বের বিনির্মাণের পর কিন্তু কাজ থাকে স্বয়ং আধুনিকতাকে ভাঙ্গনের। এর পরের গল্পে যাওয়ার। আজাদ থেকে যে শিক্ষাটা মনে রাখা দরকার, অবিশ্বাস করার সাহস নিয়ে কেবল একটি বিশ্বাসে বা চর্চায় আটকে থাকা বা একদা উজ্জ্বল বিশ্লষণের লোভে আটকা পড়াটা যে রাস্তা নয়। এর পরের গল্পটা কল্পনা করতে শেখা, লিখতে বুঝতে শেখা গুরুত্বপূর্ণ। এখনকার উজ্জ্বল আধুনিকেরা কিন্ত মতবাদগ্রস্ত হয়ে পরের গল্পে পিছু টেনে ধরতে পারে। যেমনটা উত্তরাধুনিকেরাও করতে পারে। তোমার বোধ সাফল্যে আমি উচ্ছসিত, কিন্তু চিন্তাশীল ক্রম সন্দেহবাতিকতায় মনে করিয়ে দিতে চাই যে সাফল্যে প্রশ্ন থামানো পরাজয়ের লক্ষণ।
পোষ্টের বক্তব্যের সাথে নানাভাবেই একমত, বিশেষ কৌশলগত অর্থে। কিন্তু চর্চার গভীরতায় আরো ভাঙ্গন এবং সৃষ্টিশীলতার প্রত্যাশা রইল।
একটু বড়গিরি করলাম; যদিও উদ্দেশ্য ও সম্ভাবনা তুমিই জাগিয়েছ।
প্রিয় পোষ্ট।
০৮ ই মে, ২০০৮ সকাল ১১:০৯

লেখক বলেছেন: বড়োগিরির জন্য প্রথমেই ধন্যবাদ।

আমিও এটা মানি যে সাফল্যে প্রশ্ন থামানো পরাজয়ের লক্ষন। আমি জাষ্ট মুসলমানদের কিছু কূপমন্ডুকতার সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে চেয়েছি। আরও অনেক কিছু বলার ছিলো। কিন্তু পোষ্টের আকার এবং আরো নানা কিছু চিন্তা করে আর বলিনি।

যাই হোক, পরে কোন একসময়।

আর আজাদের কথা যেটা বললে ভাইটি, সেটার সাথে আমি সম্পূর্ন একমত। বিশ্বাসে বা চর্চায় আটকে থাকাটা যে উপায় নয় তা আমিও মানি। সবকিছুকেই ভেন্গে ফেলতে হবে। ভান্গাটা জরুরী। কারন সবকিছু একদিন এমনিতেই ভেন্গে পড়বে।

তোমার ব্যতিক্রমী মন্তব্য আমাকে প্রেরনা জোগালো নানাভাবে

সে জন্য কৃতজ্ঞতা

৬৬. ০৮ ই মে, ২০০৮ সকাল ৮:০১
বাফড়া বলেছেন: মামু, তুমার লেখায় মন্তব্য করতে গেলেই লম্বা লাইনে পড়তে হয়...... মিস করছিলাম...... ভালই লিখছ..... দুয়েকটা পয়েন্টে দ্বিমত বললে ভুল হবে বরং বলতে হবে অন্য ইন্টারপ্রিটেশন/ভার্সন আছে..... পরে কমেন্টে বলব।
০৮ ই মে, ২০০৮ সকাল ১১:১০

লেখক বলেছেন: ভাইগ্না, কি কইতে চাইলা বুঝলাম না হে

৬৭. ১২ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:০৩
দি ওয়ান বলেছেন: You are brave enough to speak the truth. Good writing... :)
১২ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:২২

লেখক বলেছেন: Thanks a lot.

৬৮. ১২ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৫০
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: পৃথিবীর সকল সভ্যতাই সময়ের বিবর্তনে বিকৃত এবং সংস্কারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে- তা প্রাচীন গ্রীক সভ্যতাই হোক আর হাল আমলের পাশ্চাত্য সভ্যতাই হোক। আপনার দুর্ভাগ্য যে আপনি এমন সময়ে এমন সমাজে জন্ম নিয়েছেন যা সেই পচনশীলতারই চুড়ান্তে অবস্থান করছে। আর আপনি সেই সমাজকেই ইসলামী সমাজ মনে করেছেন।
আপনার লেখার হাত ভাল-এই হাত দিয়ে গঠনমুলক কিছু লিখুন। এ'সমাজ ভাংতে হবে এটা যেমন সত্যি তেমনি ভাঙার পরে নতুন করে গড়তেও তো হবে। সেই গড়ার কাজ শুরুকরুন আলাদা ভাবে ভাঙার প্রয়োজন হবে না-নতুনের জোয়ারে জরাজীর্ন সমাজ এমনিতেই ভেঙে পড়বে।
সুন্দর লেখনির জন্য ধন্যবাদ।+
১২ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে পড়ার জন্য।

তবে কি আপনি মনে হয় লেখার বক্তব্যটুকু ধরতে অপারগ হয়েছেন। পুনরায় পড়ার আহ্বান করছি। সময় করে আরেকবার

৬৯. ১২ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:১১
দুঃখবিলাস বলেছেন: ওই তোরা কই আছস, সামীরে ধর। ব্যাটারে ধইর‌্যা প্লাসাই।
১৩ ই মে, ২০০৮ সকাল ১০:৪৭

লেখক বলেছেন: আমি ভাগি.....সবাই ধরলেই পয়লা কইবো খাওনের কথা....তার পর বাকি আলাপ....আমি এইসবে নাই

৭০. ১৭ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:১৬
কাল্‌বেলা বলেছেন:
ক্লাসিক.........ক্লাসিক.........।। অসম্ভব ভালো লেগেছে।
১৮ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কালবেলা।

১৮ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৭

লেখক বলেছেন: দেখলাম

৭২. ১৭ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৪০
নাদান বলেছেন: সামী কি যে বলবো ভাই বুঝতে পারছিনা। ছেলেটা লেখে খুব কম কিন্তু যেটুকু লিখে পড়ে আমি বারবার চমকে যাই। এই কথা গুলো আমি কতদিন বলতে চেয়ছি তা আজ তুমি লিখে গেলে। এত সুন্দর করে লিখো কি করে? তোমাকে আমার হিংসা হয়।
১৮ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৪২

লেখক বলেছেন: নাদু ভাই, তোমার মন্তব্য পাইয়া ভাল লাগলো আসলে লিখে পোষ্টাইতে ইচ্ছে হয় ঘন ঘন। লিখিও, কিন্তু পোষ্ট দেইনা

তোমার আমার মনের মিল দেখে ভাল্লাগতেছে

৭৩. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২১
পাপী বলেছেন: ঠান্ডা মাথায় পড়তে হবে।প্রিয়তে গেল।
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩২

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে....ঠান্ডা মাথায়ই পড়বেন...ধন্যবাদ আপনাকে

৭৪. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০৩
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: ভাইজান ... খুব ভাল লিখছেন ... না বুইঝা কোরান পরার কোন মানেই নাই ..
আর এই বিষয়টাও খুব ভালো বলছেন ..ধর্ম ভাল জিনিষ কিন্তু কিছু মানুষ এইটারে একদম বিষায়া দেয় ...

আপনার যা ঘটনা ... তা আমদের মুসলমান পরিবারে ছেলেদের খুবই কমন ...

ণা বুইজা ভিণ্ন একটা ভাষায় মুখষ্হ করা ..অত্যাচারের মত ... সময় নষ্ট...

তবে যদিও আমি ধর্ম পালন করি না .. অনেকে ধর্ম পালন কইরা সুখে আছে .. আবার না কইরাও সুখে আছে অনেকে ...

খারাপ মানুষের সাথে ধর্মরে মিলাইয়া ফেলে অনেকে .. আপনার কমেন্টগুলিও ভাল লাগল ..

যে দেশ/সমাজের কথা চিন্তা করি সাবালক হওয়া ঘটনা টাই নির্মম ..
১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে

১০ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৭৬. ১০ ই এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৪:২২
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন: আপনার লেখার সাথে বিগত হুমায়ুন আজাদের অবিশ্বাস্য মিল আছে। একই ধরনের শ্লেষ, তীব্রতা - একই ধরনের ধ্বনিময়তা।

++++++
১০ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১১:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য। আমি উনার লেখার পরম ভক্ত।

৭৭. ২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ২:২০
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন: আপনার লেখা পড়ে হুমায়ুন আজাদ এর লেখার স্পর্শ পেলাম। +
২৬ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে

৭৮. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:০৮
জনৈক আরাফাত বলেছেন: কিছু দ্বিমত থাকলেও প্লাস।
অনেক বড় কমেন্ট করতে ইচ্ছা করছিলো। কিন্তু সময় নেই।
ভাল থাকুন।
১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। পুরোন লেখা কাউকে পড়তে দেখলে কেন জানি মন স্মৃতিকাতর হয়ে যায়।

৭৯. ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:২৬
ব্লগেশ্বর বলেছেন: এরকম মানের একটি লেখাই একজন লেখকের জীবন স্বার্থক করে দেয়। কিছুটা আচ্ছন্ন বোধ করছি লেখাটা পড়ে।

আপনাকে স্যালুট।
০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। এমন মন্তব্য দেখলে আবার লেখা শুরু করতে ইচ্ছে করে।

৮০. ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:০১
লড়াকু বলেছেন: অসাধারণ। এরকম একটা লেখা ব্লগে আবার প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৮

লেখক বলেছেন: ইহা একটি মুসলিম ব্লগ। খুব ধীরে ধীরে ব্লগও মুসলমান হয়ে উঠেছে আমার মতো।

৮১. ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৬
রিমি (স. ম.) বলেছেন: লেখনী চমৎকার।

কিন্তু মনে হল ঢালাওভাবে মুসলিমত্বকে আপনি ত্রুটির চোখে দেখছেন। হতে পারে আপনার বেলায় দুর্ভাগ্যক্রমে অনেক ভণ্ডামির সাথে পরিচয় ঘটে গেছে এবং ধর্ম অনেকক্ষেত্রেই কাঠমোল্লাদের হাতে বন্দী। তাই বলে ইসলাম মাত্রই কি এমন?

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩১

লেখক বলেছেন: মুসলিমত্ব শব্দটি এখানে ঠিক গেলনা। আমি মুসলমানদের ভন্ডামীর কথা বললাম। এখানে মুসলমানেরা মুসলিমত্ব তথা ইসলামকে ভুল ব্যাখ্যা করে কিভাবে ইসলাম থেকে সরে যায় এবং অন্যদের ভুল পথে চালিত করে সেটা বলার চেষ্টা করেছি।

ধন্যবাদ আপনাকে পড়ার জন্য।

৮২. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৮
স্বর্গ বলেছেন: খুবই সমসাময়িক লেখা। আপনাকে অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ।

ভাল থাকবেন।
৮৩. ০৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:০৫
কিংবদন্তী বলছি বলেছেন: আমি জানি মন্তব্য করা টা অনেক দেরী হয়ে গেছে কিন্তু আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি ইসলাম পালন করা র মুসলিম হওয়া দুটো ভিন্ন মেরুর হতে পারে এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তাই হ। আপনি মুঘল রাজা বাদশাহ থেকে শুরু করে বর্তমানে সৌদি আরবের দিকে তাকালেও এটা দেখতে পাবে।

 

মোট সময় লেগেছে ২.৮১০৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমাকে বলা হয়েছে, তুমি যা ইচ্ছা তাই করো কিন্তু লিখতে পারবেনা। কিছু লিখতে গেলেই তোমার টুটি চেপে ধরা হবে, কিছু...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই