আমার প্রিয় পোস্ট

কাঁদো, যখনি কাঁদতে ইচ্ছে করবে। কান্না শুদ্ধতম আবেগ প্রকাশের একমাত্র উতকৃষ্ট মাধ্যম। অতি সুখের সংবাদ এ মানুষ শুদ্ধতা খুজে পায়, অতি দু:খের সংবাদ এ মানুষ শুদ্ধতা খুজে পায়। কাজেই কাঁদো, কেঁদেই তোমার জীবনকে তুমি শুদ্ধতা দান করো। - তুর্কী মরমী কবি দাদায়েম ঈমাস

স্বার্থান্বেষী ধার্মিক

৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২৩

শেয়ারঃ
0 0 0

এভাবেই আমি হয়তো একদিন প্রকৃত ধার্মিক হয়ে উঠবো। বিগত অনেক অনেকটা বছর ধরেই হয়তো চলছিলো যে অনুভূতির নির্মান-পুনঃনির্মান, তাকে কিভাবে আমি উপেক্ষা করি, চরম অবহেলায় ছুড়ে ফেলে দেই নর্দমায়? তাই এভাবেই আমাকে ভাবতে হয়।

গতকাল অনেকদিন পর জুমআ'র নামাজে গেলাম। তাও আবার ইজতেমার ময়দানে। গিয়ে এমনি অনুভূতি হলো যে আমি হয়তো স্বার্থান্বেষী ধার্মিকে পরিনত হচ্ছি। জীবনটা হয়তো কেটে যাবে পার্থিব-অপার্থিব সব স্বার্থকে সফল করার প্রচেষ্টায়। তাই হয়তো ধর্মকেও নিজ স্বার্থ চরিতার্থ করার অবলম্বন হিসেবে আমি বেছে নিই। ধর্ম হয়ে উঠে রাজনীতির হাতিয়ার।

এমনিতে ধর্মের প্রতি আমার প্রবল বিরাগ। অনেক অনেক অনুভূতির মতো এই ধর্মানুভূতিটুকুও আমার প্রায় মরতে বসেছে। একদিন হয়তো দেখা যাবে আমি শোকরানা নামাজ পড়ে এই অনুভূতিকে আজিমপুর গোরস্তানে গিয়ে সমাহিত করে আসবো বিপুল বেদনায়। এই অনুভূতিটুকু অনেক চেষ্টায়ও আমি তাড়িয়ে দিতে পারিনা শুধু স্বার্থান্বেষী মনোবৃত্তির কারনে।

নামাজ পড়িনা অনেকদিন। রোজাও রাখিনা। রোজাকে বলি উপোষ করা। সংযম বলতে যা বোঝায় তা হয়তো করা হয়ে উঠবেনা আজীবন। সর্বদা মনে এক অজানা লোভ নিয়ে ঘুরে বেড়াই। গাড়ীর লোভ, বাড়ির লোভ, নারীর লোভ...কতশত এমন হরেক রকম লোভ। আমি সংযমী হতে পারিনা। এই সমাজ-সংসার আমাকে সংযমী হতে শেখায় না।

হয়তো মুসলমানের তালিকা থেকে নামটি কাটাই গিয়েছে। দিনের পর দিন আমি ধর্মবিরাগী হয়ে দিন কাটাই নিদারুন আনন্দে, দুশ্চিন্তাহীন। শুধু নিজের কোন স্বার্থ দেখা দিলেই আমার মনে খোদাভক্তি জেগে ওঠে, স্বর্গের লোভ জেগে ওঠে, নরকের ভয় জেগে ওঠে, চোখের সামনে আমি স্বর্গীয় হুর-পরীর উন্মত্ত কাম-লীলা দেখতে পাই।

পরীক্ষার আগে আমি খোদা ভক্ত হয়ে উঠি, বিপদ-আপদ-জরা-জীর্নতা আসলেই আমি ধর্মকে অবলম্বন করার প্রয়াস পাই। চাকুরীর ইন্টারভিউর আগে আমাকে প্রায়ই জায়নামাজে দেখা যায়। চোখ থেকে হয়তো ফোটা ফোটা অশ্রুও পড়ে। বরাতের রাত, কদরের রাতে আমি নির্ঘুম রাত কাটাই। সবই স্বার্থ চরিতার্থের জন্যেই হয়তো। ধর্ম প্রেম আমার মনে খুব একটা বাসা বাধতে পারেনা। এমনিতে মুহম্মদ কে আমি আমার প্রিয় মানুষ হিসেবে ভাবতে পারিনা। আমার মনে কখনোই মুহম্মদ প্রেম জেগে ওঠেনা।

মুহম্মদকে কেউ আঘাত করলেও আমি প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে উঠিনা। তার প্রতি কোন পার্থিব-অপার্থিব-মায়াময় কোন টান অনুভূত হয়না আমার মনের অন্দরে। ভাবি এটিতো পুরনো অতীতের পুনরাবৃত্তি। আমার ধর্মানুভূতি আহত হয়না, তাকে নিয়ে আমার পিজি, ডিএমসি, ল্যাবএইডে দৌড়াতে হয়না, ক্ষত থেকে বের হয়না অবারিত শোনিতধারা। যদিও সময়-অসময়ে মুহম্মদকে অবলম্বন করেই আমাকে বেঁচে থাকতে হয়। তাঁর মাঝে আমি আমার স্বার্থকে খুজে পাই।

তেমনি আমি অনেকের প্রতিই কোন টান অনুভব করিনা। জগতটাই হয়তো এমন বস্তুতান্ত্রিকতায় ভরপুর। মনে পড়ে, আমার এক দাদা'র মৃত্যুর পর আমি খুব কাঁদছিলাম। বাবা এসে সান্তনা দিলে তাঁকে আমি জিজ্ঞেস করি, "আমার নিজের দাদার প্রতিও তো আমার এতো টান নেই, তবে এই দাদা'র প্রতি এত টান কেন?" বাবা কোন উত্তর দেইনি। আমি এখন হয়তো তার উত্তর জানি। আমি আমার নিজের দাদা'র সান্নিধ্য পাইনি। জগতটা এভাবেই হয়তো আমার ছোট হয়ে আসে।

মানুষ হিসেবে নিজের সীমাবদ্ধতাকে কখনোই ছোট করে দেখতে ইচ্ছে হয়না। এইসব সীমাবদ্ধতাই হয়তো আমাকে স্বার্থপর করতে সাহায্য করে। কানে কানে দিয়ে যায় আমূল শয়তানী স্তবক বানী। শয়তানী স্তবকে আমিও পরিনত হই এক আমূল শয়তানে। আমি আমার সীমাবদ্ধতাকে, নিজের অজ্ঞানতাকে আকড়ে ধরেই বেড়ে উঠি। পরিনত হই শয়তানে। হয়ে উঠি স্বার্থপর। এক স্বার্থান্বেষী ধার্মিক।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২৮
সুদীপ্ত বলেছেন: অধিকাংশ ধার্মিকই স্বার্থান্বেষী। এ যুগ হল ভণ্ডামির যুগ। কেউ আস্তিকতার বেশে, আর কেউ নাস্তিকতার বেশে নিজের স্বার্থ হাসিল করতে চায়। অনুভূতিকে খুন করার প্রয়াসই প্রাধান্য পায় তথাকথিত আধুনিকমনাদের কাছে।
৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: ধার্মিকদের স্বার্থই বেশী....পার্থিব অপার্থিব সব রকম স্বার্থ চরিতার্থ হয় ধার্মিক হতে পারলে...বেচে থাকাটা অনেক সহজ হয়ে যায়....লাইফটা কবে যে সহজ হইবো?

২. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৩২
অচেনা বাঙালি বলেছেন: আমিও মনে হয় হু ব হু তোমার মতই।
৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: বেশীর ভাগই আপনার আমার মতোই....অচুদারে দেইখা ভাল্লাগলো

৩. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৪
সাইফুর বলেছেন: তোমার লেখার স্টাইলটা ভালো লাগে
৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:১৮

লেখক বলেছেন: তার মানে এই লেখাটা ভাল্লাগেনাই.....কুটনৈতিকগো মতো মন্তব্য দিলা মিয়া

৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:১৮

লেখক বলেছেন: খালি হুমান ক্যান?

৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:১৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাল লাগার জন্য

৬. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:০৬
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
সবই শয়তানের কাজ রে ভাই-
আপনার কোন দোষ নাই......

আসেন সবাই শয়তানরে মাইনাস দাগাই.......
৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:২০

লেখক বলেছেন: শয়তানরে মাইনাস....আমি আরজ আলী পড়তেছি অনেকদিন পর....শেষ পড়ছিলাম প্রায় ২০০১/০২ এর দিকে। অদ্ভুত এক প্রতিভা

৭. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:০৭
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:

(সরি- আগের কমেন্টরে জাস্টিফাই করতে গিয়া মাইনাস দিয়া দিছি, এমনিতে আপনার পোস্ট পড়তে খারাপ লাগে নাই....)
৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:২১

লেখক বলেছেন: মাইনাস দেন যতখুশী, সামী'র তাতে সমস্য নাই.....লেখার "আমি" টা হয়তো সামী না

৮. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৫২
জেমসবন্ড বলেছেন:
আপনার লেখা পড়ে দুঃখ পেলাম , এ হল বর্তমান সমাজ , পরিবেশ আর পাশ্চাত্য সভ্যতার নাস্তিকতার প্রভাব ।

আরজ আলীর বই পড়েন কিন্তু কোন ইসলামী চিন্তাবিদ আর দার্শনিকের বই পড়েন না, সুতরাং পরিণতি এ হইবে না তো কি হইবে ?

আর এ সাইট টাও খালি নাস্তিকতা কো উস্কে দিচ্ছে....এখানে ভালো লেখা লিখলে গালি খেতে হয় না হয় ব্যান , যেমন আমি.....

একটা কাহিনী বলি..ছোট্ট ..গতরাতে পড়েছি....

বণী ইসরাঈলের আমলে এক খারাপ পন্ডিত আছিলো...সে মানুষকে উল্টা-সিধা বুঝাইত...সরল মানুষ যারা এত মারপেচ বুঝেনা..তারা তার ফাঁদে পড়ে অনেকে বিভ্রান্ত হয়ে যেত....তো...এরকম করতে করতে ...অনেক বছর পরে যা হোক কোন কারণে তার হুশ হয় এবং সে তার ভূল বুঝতে পারে..তারপর সে আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করে তওবা করে...আল্লাহ গাফুরুর রাহিম...তার তওবা কবূল করেন...কিন্তু তখনকার যে নবী ছিলো তার কাছে জানিয়ে দেন...অমুক ব্যাক্তি তওবা করেছে আমি তার তওবা কবূল করেছি সত্য কিন্তু সে যেসব লোকগুলিকে আগে বিভ্রান্ত করেছে তাদের কি হবে এবং এর ফলে তার যে গুনাহ হচ্ছে এ থেকে তার ক্ষমা হবে না...সুতরা তার এ পাপের দরুন তাকে জাহান্নামের আগুনে জ্বলতে হবে......

....তো আমার মনে হচ্ছিলো যারা নিজেরা বিভ্রান্ত হয় কিন্তু অন্যকে বিভ্রান্ত করেনা...তারা একসময় ফিরে আসলে মামলা সহজ আর যারা নিজেরা প্লাস অন্যদেরকেও বিভ্রান্ত করে তাদের ক্ষতি ভয়ানক...যেমন আরজ আলী...আর যত নাস্তিক গণ আছে...যারা এ সাইটে নাস্তিকতা ছড়িয়ে দিচ্ছে....এবং তা ছড়াতে সাহায্য করছে.....

আমার পোষ্টগুলো পড়লে খূশী হতাম । ধন্যবাদ ।
৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:০১

লেখক বলেছেন: ভাই আপনার এতো বড়ো কমেন্টের উত্তর হইলো.....


আমি একজন আরজ আলী ভক্ত। আর আমি কি কোথাও কইছি যে আমি ইসলামী চিন্তাবিদ বা দার্শনিকের বই পড়িনা?

৯. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫০
ত্রিশোনকু বলেছেন: প্রিয় সামী,

আপনার অবস্থা সবচেয়ে করুন।

আপনি আস্তিকতাও ত্যাগ করতে পারছেন না আবার নাস্তিকতাকেও আলিংগন করতে পারছেননা।

দীর্ঘদিন নিরবিচ্ছিন্নভাবে কুরআনের অনুবাদ পড়ে দেখুন। পরে না হয় আবার আরজ আলীতে ফিরে আসা যাবে।

ইংরেজীটা সড়গড় থাকলে Abdullah Yousuf Aliর অনুবাদটা পড়ে দেখতে পারেন। ইনটারনেটেও পাবেন আবার আজিজ সুপার মার্কেটের উল্টাদিকের (কাঁটাবনের কোনায়) মসজিদের লাগোয়া বইয়ের দোকানে পাবেন।

দোহাই তফসির পড়বেননা।

এসময়ে হাদিস না পড়াটাই ভাল।

অযাচিত পরামর্শের জন্য ক্ষমা চাচ্ছি।
৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে আপনার পরামর্শের জন্য। ক্ষমা চাইবার কোন প্রয়োজনই নেই।

তবে নাস্তিকের ধর্মকথাকে দেয়া উত্তরের একটি কথা আপনি হয়তো স্কিপ করেছেন।

"লেখার "আমি" টা হয়তো সামী না"

১০. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০১
ফাতাহ্‌ বলেছেন: প্রিয় @ সামী মিয়াদাদ ,

আমার মনে হয় আপনি ইসলামকে খুবই ভালবাসেন।

১. এখানে আপনি ইসলামকে নাকি ব্যক্তিকে দোষারপ করেছেন ??

২. এখন কথা হচ্ছে ইসলামের নাম ভাংগিয়ে কেউ কিছু করলে তার দোষ কি ইসলামের, না কি তার নিজের ??.......


ইসলাম সম্বন্ধে আমাদের আরও বিস্তারিত জানা উচিত নয় কি ??
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৮

লেখক বলেছেন: এই লেখাটি পড়ে কেন আপনার মনে হলো আমি ইসলামকে দোষারোপ করছি সেটাই বুঝলাম না। যেখানে সম্পূর্ন লেখটি আমি লিখেছি উত্তম পুরুষে?

১১. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৩
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: সামীর বিবাহের কি অবস্থা?
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪২

লেখক বলেছেন: অবস্হা নাই বস

অনেক অনেক দেরী আছে। সময়ে আওয়াজ দিমুনে

১২. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৫৬
ফাতাহ্‌ বলেছেন: ( বিঃ দ্রঃ আগের লেখাটি ও এই লেখাটি আপনার পোষ্ট সম্পকে নয় । এই মন্তব্যটি শামীম সাহেবের পোষ্ট সম্পকে আপনার সাথে আলোচনার জন্য শুধু )

প্রিয় @ সামী মিয়াদাদ ,

আমি আপনার সাথে একমত।

আপনার ইসলাম জানাকে আমি কখনো দোষের বলেছি কিনা বুঝতে পারছি না ?? যদি না বুঝে বলি থাকি তার জন্য দুঃখিত।

বরং স্বাগত জানায়, আপনার ইসলাম জানাকে ।

আর হা প্রিয় @ লেখক, আপনি আমার লেখার উওরে কেন "হুমমম......" বললেন বুঝতে পারছি না ???
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪২

লেখক বলেছেন: বুঝলাম....কিন্তু আমার লেখা নিয়াতো কিছু কইলেন না?

১৩. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪৯
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: +
শয়তানে আমার লাহান দেখি তোমারেও আটকাইছে!
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১৪

লেখক বলেছেন: কি কইলা এইটা? শয়তান আটকাইলে তো বিরাট বিপদ....আমি শয়তান ডরাই....আমিই আমারে আটাকাইছি....আমিই তাইলে শয়তান...প্লাসের লাইগা ধইন্যবাদ।

১৪. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৯
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: বাবা মাওলানা সামী,

পোস্ট পাঠে চিন্তামুক্ত হইলাম। পর সমাচার এই যে, এই মানব জনমে যাহারা অন্ধ হইয়া পরিয়া থাকিবার ভান করিয়া থাকে তাহারাই ধর্ম নামক আফিম খাইয়া থাকে। তাহারা সত্যের সন্ধান করে না, বরঞ্চ প্রাচীন বুজুর্গানের মিথ্যাচারের ওছিলায় অন্যদিগকেও তাহা হইতে বিরত রাখিবার প্রয়াস পায়। তোমার সুমতি ও সাহস দেখিয়া আশান্বিত হইলাম, দুনিয়া হইতে আফিমসেবীর সংখ্যা একজন কমিতে চলিতেছে তাহার সহিত চাষীর সংখ্যাও কমিবার সাম্ভাব্যতা দেখা দিতেছে।

আশা করি কমেন্ট পাঠমাত্র ঘাড়ের কাছে টাঙ্গানো 'মাওলানা সামী' হইতে মাউলানা কথাখানি কাটিয়া দিবা।

ইতি
তোমার পরম হিতাকাঙ্খী
প্রশ্নোত্তর
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২৫

লেখক বলেছেন: প্রিয় প্রশ্নোত্তর

অনেকদিন পর আপনার পদচারনায় বিলকুল আনন্দিত হইলাম। নিজেরে হঠাত কেন জানি মাওলানা মাওলানা মনে হইতেছে। তাই এই শব্দের ব্যবহার। আপনার মনে কষ্ট দিয়া থাকিলে অধম লজ্জিত এবং ক্ষমাপ্রার্থী।

আপনি জেনে আশু সুখীবোধ করিবেন যে অধম খাদেমের অন্ধ হইয়া পড়িয়া থাকিবার কোন চিন্তা-পরিকল্পনাই নাই। আমি আমার চর্ম চক্ষু তথা মনের চক্ষু দুইই প্রতিনিয়ত খোলা রাখিতে সচেষ্ট হইতেছি। কতদূর কি করিতে পারিতেছি তাহা হয়তো বলিবার সময় এখনই নয়। সত্যের সন্ধানেই নিজেকে মনোনিবেশ করিতে চাই আজীবন। সে চেষ্টাতেই আছি।

আপনাকে শুকরিয়া আমার রচনাখানি পাঠের জন্য।

ভাল থাকবেন সবসময়।

ইতি
আপনার পরম হিতাকন্খী
অধম সামী

১৫. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৩
ফাতাহ্‌ বলেছেন:
প্রিয় @ সামী ,

যদিও এটা অনেক বড় আলেচনার বিষয় , সরাসরি কিংবা ইয়াহুতে হলে ভাল হত। তবুও...................


আমার যেটা মনে হয় ,(ভূল ও হতে পারে ) মানুষ প্রতিটি কাজই করে কোননা কোন মূল্যবোধ (ভ্যালু) কারণে ।

তার মধ্যে
০১. বস্তুগত মূল্যবোধের বা লাভের কারণে
০২. সামাজিক মূল্যবোধের বা লাভের কারণে
০৩. বেচে থাকার তাগিদে
০৪. আদ্ধাতিক চিন্তাচেতনা ইত্যাদি ।

এই ধরণের আরও কোটিখানেক সমস্যা রয়েছে ।

এখন কথা হচ্ছে

০১. সমাধানটা কি হতে পারে ?
০২. সমাধানটা কে দেবে বা দিতে পারে ?
০৩. সমাধানটা প্রকৃত এবং স্থায়ী হতে হবে
০৪. সমাধানটা সকলের (মানবজাতির) জন্য হতে হবে

এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে .............
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৮

লেখক বলেছেন: হ...তা করা যাইতে পারে।

১৬. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৩৫
সাইফুর বলেছেন: সামীই...খবর কিহে?
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২১

লেখক বলেছেন: খবর ভাল...খুব ভাল...বই মেলা চলতেছে...এইটা থাইকা ভাল খবর আমার জন্য আর কিছু হইতে পারেনা।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬২২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমাকে বলা হয়েছে, তুমি যা ইচ্ছা তাই করো কিন্তু লিখতে পারবেনা। কিছু লিখতে গেলেই তোমার টুটি চেপে ধরা হবে, কিছু...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই