নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ীদের মধ্যে ১৮ জনের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রয়েছে। এছাড়া নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থীদের মধ্যে আরো ২৩ জনের বিরুদ্ধে পর্বে খুনের মামলা ছিলো। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) এর গবেষণাপত্র ও প্রার্থীদের হলফ নামা থেকে এ তথ্য জানা গেছে। বর্তমানে যে ১৮ জনের বিরুদ্ধে খুনের মামলা বিচারাধীন রয়েছে এদের মধ্যে ১৪ জন আওয়ামী লীগের, ১ জন জাতীয় পার্টির, ১ জন জাতীয় সমাজতাšিক দলের, ১ জন ওয়ার্কাস পার্টির ও ১ জন বিএনপির সদ্য নির্বাচিত সাংসদ।
সুশাসনের জন্য নাগরিক -সুজনের স¤ক্সাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, অভিযোগ থাকলেই অপরাধী বলা যায় না। অনেক সময় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে অভিযোগ উত্থাপন করা হয়। আবার রাজনৈতিক কারণে অনেক সময় দোষীদের বিরুদ্ধেও মামলা হয় না। আমাদের আশাবাদ স্বচ্ছ বিচারিক প্রক্রিয়ায় মামলাগুলো দ্রুত নি®ক্সত্তি হবে।
খুনের মামলা রয়েছে এমন নব নির্বাচিতরা হচ্ছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা, নওগাঁ -৫ আসনে আব্দুল জলিল, জামালপুর-২ মোঃ ফরিদুল হক খান, জামালপুর-৩ মির্জা আজম, নেত্রকোনা-১ মোশতাক আহমেদ রুহী, ঢাকা-১৩ জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা-১৮ সাহারা খাতুন, গাজীপুর-৪ তানজিম আহমেদ, নারায়নগঞ্জ-৩ আব্দুল্লাহ-আল-কায়সার, শরিয়তপুর-২ শওকত আলী, কুমিল্লা-১০ আ হ ম মু¯ফা কামাল, চট্টগ্রাম-৫ এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী ও কক্সবাজার-৪ আব্দুর রহমান বদি।
এছাড়া রংপুর-৩, কুড়িগ্রাম-২ ও ঢাকা -১৭ আসনে নির্বাচিত জাতীয় পার্টির হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, জাসদের কুষ্টিয়া ২ আসনে নির্বাচিত হাসানুল হক ইনু, ওয়ার্কাস পাটির ঢাকা ৮ আসনের রাশেদ খান মেনন ও বিএনপির বরিশাল -৫ আসনে নির্বাচিত মজিবুর রহমান সরওয়ারের বিরুদ্ধে খুনের মামলা বিচারাধীন।
হলফনামায় প্রাপ্ত তথ্যমতে, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে পল্টন থানায় হত্যা মামলা নং ৬১(১০)২০০৬। এজাহারে নাম নেই, চার্জশিটে নাম অšর্ভুক্ত করা হলে বর্তমানে আদালতের নির্দেশে মামলাটি পুনঃতদšাধীন রয়েছে। এইচ এম এরশাদের বিরুদ্ধে পাঁচলাইশ থানায় মামলা নং ২৩(২)৯৫। সূত্র: সাপ্তাহিক সচিত্র সময়

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


