স্বাধীনতার চল্লিশ বছর পর দেশের সার্বিক অবস্থা নিয়ে অনেক লেখা লেখি দেখছি, অনেকে সফলতা ব্যথংতার হিসাব কষসে । আমি এসব হিসাব নিয়ে বলছি না, জানতে ইচ্ছে করছে জাতি হিসাবে আমরা কারা।
অনেক দিন হল বিদেশে আছি। মনে পড়ে গেল আমার বিদেশের প্রথম দিকে এক লোক আমাকে বলেছিল , তোমরাতো আগে পাকিস্খানি ছিলে, জবাবে বলেছিলাম, আমরা শুধু পাকিস্খানি ছিলাম না, তার আগে আমরা ছিলাম ইন্ডিয়ান, তার আগে আমরা ছিলাম ইন্দাজ, ইতিহাসে অন্যতম ৪ সভ্যতার একটি। এখানেই প্রথম ড্রেনেজ সিষ্টেম সহ সভ্যতার অনেক উন্নয়ন ঘটে। তার সাথে আমার অনেক আলোচনা হয়। সে যাই হোক ভদ্র লোক জানতে পারল আমাদের বাংলার ঐতিহ্য, আমাদের জাতীয়তা। এখনো মাঝে মাঝে কথা হয়।
আরেক ঘটনা বলি,
একদিন ম্যাকডোনাল্ডসে এক ইন্ডিয়ান আমার সাখে হিন্দি বলা শুরু করল, আমি শুধু বললাম বাংলা মালুম।
এদের এবাবেই জবাব দিতে চাই। কারণ ইন্ডিয়ানরা এখন মনে করে হিন্দি যেন এশিয়ান ভাষা। হয়তো আমরা বলাতেই তারা এই রকম মনেকরে।
আমাদের জন্য হিন্দি ভাষায় কখা বলা অনেক সহজ। কিংবা ইন্ডিয়ানদের সাখে হিন্দি বলতে অনেক বাংলাদেশীকে দেখা যায়। আমি হিন্দি বলি না তা নয়। প্রয়োজনে আমিও বলতাম। এখন আর বলি না। যখন জানলাম এক ইন্ডিয়ান আমার এক বন্ধুকে বলল আমরা তো বলিনি তোদের হিন্দি বলতে।
অনেক বিদেশিকে আমি বাংলা শিখিয়েছি। আমাদের সাথে কাজ করত ইস্পানীজ আমাদের জাতীয় সংগীত খুব সুন্দর করে বলতে পারে।
স্লোভাকিয়ানকে দেখেছি আব্দুল করিমের গান গায়
চলিতে চরণ চলে না
দিনে দিনে অবস হই
আগের বাহাদুরী এখন গেল কই।
সবই খুবই ভালো লাগা।
অনেক বলে ফেললাম, মূল কথায় আসি, সেদিন এক ফ্রেন্ডের দোকানে গেলাম। এক কাষ্টমার তাকে জিজ্ঞাস করছে, কোন দেশ থেকে এসেছে?
উত্তর দিল : ইন্ডিয়ান
তার উত্তরে আমি অবাক। হায়রে বাংলাদেশী। নিজের দেশ বলতে এত ভয় বা লজ্জা কেন?
আমরাতো অনেক বলি নিজের দেশের সম্পকে। লাল সবুজের দেশ। সোনার বাংলা, সোনা ফলে আমার দেশ। বাংলা আমার অহংকার । বাংলা আমার প্রান।
সবই কি ভুয়া।
যদি ভুয়া না হয় তবে আমরা যেন নিজের দেশকে বলতে দ্বিধা না করি, অন্তত নিজের দেশের নামটা মানুষ জানুক।
এটাই আমার প্রত্যাশা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

