রাহুল সাংকৃত্যায়নের ভোলগা টু গঙ্গা বইটা বহু আগে পড়েছিলাম। তার সব আজ আর মনে নাই। একটা অংশ মনে আছে,
ঘটনাটা এই রকম, বাদশা আকবর একদিন রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন, তিনি দেখেন তার উজির একটি গাধাকে গোসল করাচ্ছে, কারন জানতে চাইলে উজির জানালেন এই গাধাকে ঘোড়া বানানো হবে। আগেই বলেছি সব আর মনে নাই। সে যাই হোক মূল কথা একটাই গাধাকে কখনো ঘোড়া বানানো সম্ভব নয়, আবার গাধাকে দিয়ে ঘোড়ার কাজ করানো সম্ভব নয়, এটাই হইলো চির সত্য কখা। আমাদের দেশের আজ যা অবস্খা তার জন্য কি করা দরকার, কি হয় নাই বা কি হওয়ার দরকার ছিল, তা নিয়ে অনেক লেখা দেখেছি, অনেক পড়েছি। তাই নিজের ভাবনাটা বা মনের ভাব শেয়ার করলাম।
আমার দেশের আজ যা অবস্খা, সরকার ব্যথর্ কি সফল জানিনা। তবে এটা বুঝা যায় দেশ আজ কঠিন সময় পার করছে। জন উন্নয়ন , জনগনের কাজ বাদ দিয়ে মহাজোট সরকার চিন্তায় আছে, কিভাবে ইউনুসকে দমানো যায় , কিভাবে ঢাকাকে ভাগ করা যায়।
সবদিক থেকে আমার মনে হয় ব্যথর্তার পাল্লাই ভারি। দুননীতির দাফ এক কমলেই আমাদের আমলে দুনীতি কমেছে, সরকারের গলাবাজি। পদ্মাসেতুতে সারা বিশ্ব জানে দুনীতির খবর, অথচ সরকার বলছে দুনীতি হয়নি। আর কত মিথ্যাচার। মিথ্যাচার না করে সরকারের অনেক আগেই উচিত ছিল, কারন অনুসন্ধান করা।
কারন একটাই আকবরের উজিরের গল্পের মতই।
সরকারের মন্ত্রীরা কি করছে। সবই ধান্তা্
ব্লগার স্বাধিকারের লেখায়
বউয়ের অন্তবাস দিয়ে টুপি বানানোর মতই সরকারের মন্ত্রীসভা।
আরেকটা গল্প বলি,
চীনের এক রাজা ঘোষনা দিলেন , যে তারে বুদ্ধি দিবে,
সে পাবে প্রথম পুরস্কার।
যে তার ভুল শুধরাবে সে পাবে ২য় পুরস্কার।
যে তাকে উপদেশ দিবে, সে পাবে ৩য় পুরস্কার।
দেখা গেল রাজ দরবারে তার লোকের অভাব নাই।
বুঝা গেল , দেশে বুদ্ধি, ভুল শুধরানো আর উপদেশ দেয়ার লোকের অবাব নাই।
সরকারে আজ উপদেষ্টার অভাব নাই।
আমি মহাজোট সরকার বলেছি। মহাজোটের অনেকেই বলছেন তারা এর দায় নিবেন না। দায় অবশ্যই তাদেরও নিতে হবে। তারা এ সরকারের অংশ।
ঢাকাকে ভাগ করা বা টিপাইমুখী বাদ অনেক ঘটনাই দেখলাম এবং অনেক আন্দোণলও দেখলাম। বিএনপি আসলে কতটুকু সফল। সেটাই আজ চিন্তার বিষয়। শুধু সংবাদ সম্মেলন করে হরতাল সফল হয়েছে, বলেই যেন দায় শেষ। হরতাল সফল হল , আর জনগন আসলে কি পেল তা দেখার কেউ নেই। আমি যখন আমার ভাই হরাবো , ঠিক তখনই আমি বুঝবো ভাই হারানোর বেদনা। মা যখন সন্তান হারায় মায়ের ব্যথা মা ছাড়া কারো বুঝা সম্ভব কিনা জানি না। আমাদের রাজনীতিবিদদের বলবো তারা পেশাদার খুনীর মতই, কারো খুন মৃত্যু তাদের কিছু যায আসে না।
বিএনপি আজ জাতীয় ইস্যু বাদ দিয়ে, কারো বাড়ি রক্ষা, ছেলে রক্ষা, যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার আন্দোলন করছে। দেখা যাক জামাত তাদের রক্ষা করতে বা ক্ষমতায় আনতে পারে কি না।
বিএনপিও সেই আকবরের উজিরের গল্পের গাধার মতই । গাদাকে দিয়ে কখনো ঘোড়ার কাজ সম্ভব সয়।
এক সময় শুনতাম, বাম রাজনীতিবিদরা দেশের জন্য ভাবে, তারা নাকি দলের জন্য , রাষ্টের জন্য ঘরের জমিন বিক্রি করতে চিন্তা কের না। ৯০ দশকের মামুনুর রশীদরা এখন আর নাই। এরা এখন নিজ স্বাথ নিয়াই আছে।
আরেকটা গল্প দিয়ে শেষ করি,
ডাক্তার , ইন্জিনিয়ার, আর রাজনীতিবিদদের মধ্যে তক হচ্ছে পৃথিবীতে কার পেশা আগে।
ডাক্তার: যেহেতু আদমের পাজর থেকে হাওয়ার উ্যপত্তি, তাই সেখানে একটা সাজারী হয়েছে, তাই ডাক্তারের পেশা আগে।
ইন্জেনিয়ার: তারোও আগে পৃথিবি ছিল বিশ্রীঙ্খল, সেখানে পরিবেশ ঠিক করারা জন্য দরকার ছিল ইন্জেনিয়ার। তাই আমাদের পেশাই আগে।
রাজনীতিবিদ মুচকি মুচকি হেসে বলতেছেন পৃথিবিকে বিশ্রীঙ্খল করল কে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

