আমার প্রিয় পোস্ট
- বিখ্যাত হাদীস গ্রন্থগুলোর ডাউনলোড লিংক কালেকশন - চুম্বক
- সাইমুম সিরিজের ১৬ টি বই ডাউনলোড লিঙ্ক - চুম্বক
- প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য নির্বাচন এবং আন্তর্জাতিক প্রতারনা - আব্দুন নূর তুষার
- গ্রিক পুরাণ: আটালান্টা - ইমন জুবায়ের
- বৃহত্তর রাজশাহীর ব্লগারদের লিস্টঃ রাজশাহীয়ানরা আওয়াজ দেন - ধ্রুবমেঘ
- বাংলা ব্লগের ইমোটিকন এবং তাদের স্রষ্টা
- নোটিশবোর্ড
- পাসপোর্ট - মুহিব
- রুবিকস কিউব (শেষ পর্ব ) : রুবিকস সমাধানের আরও কিছু কৌশল... - গণিত পাগল
- কনসার্ট ফর বাংলাদেশ (ডাউনলোড লিংক সহ) - ...অসমাপ্ত
- টুকিটাকি টিপস - ভেংচুক
- লিনাক্স :: একটি বিশ্বস্ত, শক্তিশালী এবং স্বপ্নের অপারেটিং সিস্টেম (ইতিহাস, ইন্সটল, ব্যবহার) - পাপী
- অনলাইন ব্যাংকিং - নিরাপত্তার কিছু দিক - আফরোজ_জাহান
- কিভাবে উইন্ডো রেজিস্ট্রি ক্লিন করবেন - আফরোজ_জাহান
- ভ্লগীয় প্যারোডীর শেষ কিস্তি-
- চোরকাঁটা
- কারা ভাইকিং? - ইমন জুবায়ের
- 'রাত্রী' আজ আপনার জন্মদিন - মিলটন
- আমার মেয়ে আমার পৃথিবী - রাত্রী
আমার মমতাময়ী মা, যাকে আজীবন মিস করব।
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৪৯
আজ (২২.১০.২০০৮, একটু দেরী হল পোষ্ট দিতে) স্তন ক্যানসার এর জন্য উৎসর্গ জানা ছিলনা। ব্লগে না বসলে হয়ত জানতামওনা। সা ইন ব্লগকে অনেক ধন্যবাদ।
আমার মা, ডাক নাম রেনু । অগ্রনী ব্যাংকে প্রিন্সিপ্যাল অফিসার ছিলেন। পেশাগত ব্যস্ততায় তাঁকে কখনও মলিন মুখে দেখিনি। সব সময় হাসি মাখা এক মা আমার। মায়ের তিন সন্তানের মাঝে আমি ছিলাম একমাত্র ও কনিষ্ঠ পুত্র। মা বোনের আদরের ভাগটাও তাই সবসময় একটু বেশীই ছিল।
সংসারে সুখের কমতি ছিলনা। সবসময় আনন্দের মাঝে দিন যাপন।
১৯৯৫ সাল। ১৯৯৪ এর ব্যাচে জশাহী কলেজ থেকে এইচ,এস,সি পাশ করে তখন ভর্তির প্রস্তুতি। চোখে অনেক স্বপ্ন। মায়ের ইচ্ছা ছেলে ডাক্তার হবে, বাবার ইচ্ছা আমি ইংরেজী সাহিত্যে পড়ি। শেষে বাবার ইচ্ছা পূরণ হল। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজী বিভাগে ভর্তি হই (বাবার এক ছেলে হবার কারনে, রাজশাহীর বাইরে কোথাও এ্যাডমিশান টেষ্ট দিতে পারিনি)
ভীষন খুশির খবরটা মা'ফোন করে জানাই। বিকেলে মা অফিস থেকে বাসায় এসে বলেন, শরীরটা জ্বর জ্বর লাগছে। আমার মা ১৯৬৮ সাল থেকে কখনও রোগে ভুগে শয্যাশায়ী হননি। এমনিতে ভীষন ডিসিপ্লিন্ড মানুষ ছিলেন। আর আমরা মা কে খুব মিস করতাম। কারন সারাদিন অফিস করে এসেও তাঁর শান্তি নেই। এমন একদিন যায়না যেদিন বাসায় মেহমান থাকেনা আর মা তাঁদের সময় দেননা। সপ্তাহে ঐ এক ছুটির দিন বাদে মা'কে কখনও পাইনা আমরা; তাও যদি দয়া করে কোন মেহমান না আসেন, বা মা এর কোথাও এ্যাপয়েন্টমেন্ট না থাকে তো। তাই বললে বিশ্বাস করবেন কি না জানিনা, আম্মার কখনও হালকা রোগে শোকে ছুটি নিলে আমাদের আনন্দ দেখে কে! এবারও তাই হল। আমরা তিন ভাইবোন খুশি কারন মা ছুটি নিয়েছেন।
কিন্তু মায়ের জ্বর আর সারেনা। আল্ট্রাসনো করা হল। রিপোর্ট এল গলব্লাডারে পাথর। ছোট্ট একটা অপারেশন, ব্যস্।বাসার সবার সিদ্ধান্তে রাজশাহীর বিখ্যাত ডাঃ গোলাম মওলার কাছে অপারেশান করা হল। ডাক্তার ওপেন করেই সাথে সাথে বন্ধ করে দেন, গলব্লাডার আর ফেলেন না। আম্মার লিভার সিরোসিস। অনেক আগেই ছড়িয়ে গেছে পুরো লিভারে, আমার মা আর কয়েক মাসের মেহমান।!!
সময়টা ছিল ১৯৯৫ এর অক্টোবর মাস। আমরা তিন ভাই বোন কিছু জানলামনা। আমরা জানলাম, মাএর অপারেশন হয়ে গেছে। রিলিজ পেলেই বাড়ী আসবে। কিন্তু বাসায় আসার পর জানলাম আর একটু ভাল চিকিৎসার জন্য ঢাকা যেতে হবে। আমার বাবা ভীষন দূর্বল চিত্তের মানুষ। তিনি সাথে ঢাকা অব্দি গিয়ে ফিরে আসেন। বাবার সাথে আমি আর আমার পিঠাপিঠি বড় বোন লাকী, বাসায় থাকি। বড় আপু, লুনা, যায় আম্মার সাথে।
চিকিৎসা চলতে থাকে। সবচেয়ে অবাক করা ঘটনা হল আমার মা তাঁর ক্যানসারের কথা জানতেন! প্রেসক্রিপশান ও রিপোর্ট তিনি দেখেছিলেন। কিন্তু কখনও ভেঙ্গে না পড়া মা আমার এবারও ভেঙ্গে পড়লেন না। তিনি নিশ্চিত ছিলেন তিনি সুস্থ্য হবেন। বাসায় ফিরবেন। এমনকি বড় আপুকে দিয়ে অফিসের জন্য ব্যাগও কেনালেন ঢাকায়।
১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারী মাস। মা কে ছেড়ে রাজশাহীতে রোজার ঈদ করলাম। কে জানতো, তার আগের বছরের কোরবানী ঈদ ছিল আমাদের সাথে তাঁর শেষ ঈদ! এর মধ্যে আমিও জেনেছি মা এর ক্যানসারের কথা। ঢাকায় একদিন বড় আপু আমাকে বললেন, "তুই কি জানিস, আম্মার কি হয়েছে?" খুব স্বাভাবিক গলায় বলেছিলাম, "হ্যা জানি, কিন্তু এও জানি তিনি ভাল হয়ে যাবেন।" আল্লাহর ওপর এত অগাধ বিশ্বাস ছিল যে তিনি কিছুতেই আমার মা কে নিয়ে যাবেন না এত দ্রুত। তাঁকে ঘিরে যে আমাদের অনেক স্বপ্ন!
মার্চের শেষের দিকে মা ফেরত আসলেন। ঢাকায় যে আমার মায়ের কত শুভাকাঙ্খি ছিল, বিদায়ের দিন তিনি জেনেছেন। পরে আমরা শুনি। রাজশাহী এয়ারপোর্টে মা কে যখন নামানো হল তখন হাঁটার শক্তিটাও তাঁর নেই। কেমো দিতে দিতে শেষ।
জলে ডোবা মানুষ যা পায় আঁকড়ে ধরে বাঁচার চেষ্টা করে। এরপর শুরু হল কবিরাজী চিকিৎসা। নওগাঁর এক আধ্যাত্বিক কবিরাজের নাম শুনে সেখানে গেলাম। আশা , এবার মা ভাল হবেনই। তিনিও তাঁর সাধ্যমত চেষ্টা করলেন। কিন্তু কিছুই হলনা।
২রা এপ্রিল, ১৯৯৬, আর মাত্র ৬ দিন পরে আমার ২০ তম জন্মদিন। আমার মা মাত্র ৪৫ বৎসর তখন। সকালে বড় আপু বললেন, এখনই কবিরাজের কাছে যেতে। নওগাঁ, সে অনেক দুর। মোটর সাইকেল যোগে গেলাম সেখানে। কবিরাজ আর আশার কতা বললেন না। বাসায় ফিরে এলাম। সন্ধ্যার আগে নাগাদ তিনি বললেন তিনি চোখে কিছু দেখছেন না। সবাই কালেমা পড়তে লাগল। আমার মা আল্লাহ্ আল্লাহ্ করছিলেন তখন। মা আমার কোলে মাথা দেয়া। মাগরিব হয় হয়। সবাই মাকে পানি খাওয়াবার চেষ্টা করল। আমি পানি দেবার সাথে সাথে মা আমার নাই...
ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজীউন পড়লাম। মায়ের মাথাটা বালিশে শুইয়ে বাইরে এসে খুব শান্ত গলায় বললাম, 'আব্বা, কোন চিন্তার কারন নাই, আল্লাহর জিনিস আল্লাহ নিয়ে গেছেন।""
কি ভাবে অমন অদ্ভুত সহ্য ক্ষমতা পেয়েছিলাম জানিনা কিন্তু অনেক্সন চোখে জল আসেনি সেদিন। পরে যকন সম্বিত ফিরে পেলাম, বুঝলাম, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সম্পদটা আজ হারিয়ে গেছে আমার। এমন এক সম্পদ, সারা দুনিয়া খুঁজে যা আর পাওয়া যাবেনা। আমার সমস্ত কিছুর বিনিময়েও ঐ মুখ আর দু'চোখ ভরে একবারের জন্যএ দেখতে পাবনা। সারা দুনিয়াতে কোটি কোটি মানুষের ভীড়ে তাকে একবারের জন্যেও দেখতে পাবনা। এ এক এমন অনুভুতি যা ভাষায় বলে বোঝান সম্ভব না।
শুনেছি রমজান মাসে আত্মারা ছাড়া পায়, প্রিয় জনের আশেপাশে থাকে। তাই এই মাসটা আমার ভাল লাগে। আর যখন সবাই ঈদ মুবারক বলে শুভেচ্ছা দেয়, আমার চোখ অশ্রু সজল হয়ে ওঠে।
দোই করি, তিনি যেন জান্নাতবাসি হন। পৃথিবীতে আমাদের জানামতে কাউকে কখনও কোন কটু কথা পর্যন্ত তিনি বলেন নি।
আজ ১২ বছর পেরিয়ে গেছে। আরেক টা মা (আমার মেয়ে পূণ্য) আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন। তবু মাঝে মাঝেই ঘুম ভেঙ্গে আমার মায়ের জন্য হাউমাউ করে কেঁদে উঠি।
দোআ করি, এই মরণ ব্যাধী যেন কোন সন্তানকে মা হারা না করে। আমীন।
(একটানা লিখেছি, বানান ভুল হলে ক্ষমাপ্রার্থী)
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৫১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
নিবিড় বলেছেন:
আপনার মা যেখানে আছেন ভালো আছেন এই কামনা করি...
লেখক বলেছেন: দোআ করবেন তিনি যেন ভাল থাকেন।
রাগিব বলেছেন:
আপনার মায়ের জন্য দোয়া করছি। উনার আত্মা শান্তিতে থাকুক।
লেখক বলেছেন: আমিন।
তিতা করোলা বলেছেন:
দোয়া করি আপনার মা এর জন্য।
লেখক বলেছেন: আমিন।
পারভেজ বলেছেন:
উনি যেন ভালো থাকেন আই দোয়া করি আল্লাহর কাছে। রোগ শোক কে অবহেলা করলে তার পরিনতি খুব কঠোর হয় লেখক বলেছেন: তাঁকে কখনও ডাক্তারের তাছে যেতে দেখিনি। একটু জ্বর হলেই প্যারাসিট্যামল। আর গ্যাসের ঔষধ এ্যান্টাসিড (পরে জেনেছি এ দু'টোই লিভারের মহা শত্রু)
নিহন বলেছেন:
যদি জানতাম সেদিন মাগো
আমাদের সেই তুমি ,
আমাদের ছায়ামনি ,
চলে যাবে আমাদের ছেড়ে চিরতরে।
হারিয়ে যাবে অনেক দূরে ।
যদিও জানতাম পারতাম না কিছু করতে
পারতাম শুধু শেষ সময়টকু মাগো
তোমায় জড়িয়ে ধরে থাকতে ।
তুমি যখন শুয়ে ছিলে হাসপাতালের
সাদা এক বিছানায় ।
কতোজন দেখতে আসে নিয়ে আসে ,
কতো খাবার খেতে দেবে তোমায় ।
সে খাবার তুমি না খেয়ে মা
সবার অজান্তে তুলে দিতে
তোমার খোকাদের মুখে।
যদি জানতাম সে দিন মাগো
আমাদের সেই তুমি ,
আমাদের ছায়ামনি,
তোমায় চিরতরে হারাতাম
নিতাম না তোমার দেয়া সে খাবার মুখে তুলে।
থাকতাম সুধু শেষ সময়টুকু
মাগো তোমায় জড়িয়ে ধরে ।
..............
আর কিছু বলতে পারবোনা ভাইয়া ।
লেখক বলেছেন: কাঁদিয়ে দিলেন রে ভাই। পুরা লেখাটা লিখতে গিয়ে যে কত বার চোখের জল মুছেছি। এখন আবার।
শফিকুল বলেছেন:
মা মানেই ভালবাসা,
মা মানেই মমতা,
মা মানেই জীবনের একটা অংশ।
সত্যি ই মা একটা অসাধারন ডাক ।
আপনি সুখি হোন।
লেখক বলেছেন: দোআ করেন ভাই।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই।
বিলাল বলেছেন:
ভাই, আপনার কষ্ট অনুভব করছি, আল্লাহর দরবার প্রার্থণা করি,উনি যেন জান্নাতবাসী হন।আপনাকে জীবনে চলার পথে শক্তি আর সাহস দেন।
লেখক বলেছেন: আমিন। তিনি যেন জান্নাত বাসী হন।
লেখক বলেছেন: আমিন।
নুশেরা বলেছেন:
চোখ ভেজানো, হৃদয় ছোঁয়া একটা লেখা...মা ভাল থাকুন, তাঁর সন্তান মানুষের মতো মানুষ হোক, তিনি যেরকম চেয়েছিলেন...
লেখক বলেছেন: আমিন। মা এর সন্তান সবসময় মায়ের অনুসারী ছিল। এখনও আছে। দোআ করুন যেন থাকতেও পারে। সন্তানের পেশাও মা কে ভালবেসে, স্মরণ করে। সে একজন ব্যাঙ্কার।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
মানবী বলেছেন:
মনছুঁয়ে যাওয়া লেখা।আপনার মা'র আত্মা শান্তি পাক এই দোয়া করি।
"রমজান মাসে আত্মারা ছাড়া পায়"
-এমন কিছু শুনিনি বা জানা নেই। তবে এটা শুনেছি, মৃত্যুর পর বাবা মা সন্তানের দিকে তাকিয়ে থাকেন, সন্তানরা কখন তাঁদের জন্য দোয়া করবেন..... আপনার মা'র জন্য আপনার দোয়া এখনো তাঁকে পরম প্রশান্তি লাভে সাহায্য করবে।
আপনি ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: আমিন।
এটা আমার শোনা। এই মাসে নাকি আত্মা নিকটাত্বীয়দের কাছে এসে দেখে কে কে তার জন্য দোয়া করছে।
আপনার কথাটাতো অবশ্যই ঠিক।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
মিলটন বলেছেন:
প্রচন্ড কষ্ট পেলাম লেখাটা থেকে। কোন কিছু লিখতে ইচ্ছা করছে না। সৃষ্টিকর্তা অবশ্যই উনাকে বেহস্তবাসী করবেন। উনি সারাজীবন অনেক কষ্ট করে গেছেন। সেটার প্রতিদান উনি অবশ্য্ই পাবেন।[আপনার মেয়ে আর ভাবী কি ফিরেছে?]
লেখক বলেছেন: আমিন।
ধন্যবাদ মিলটন।
আজ যাচ্ছি আনতে।
লেখক বলেছেন: আমিন। মনটা হু হু করে উঠে মায়ের কথা ভাবলে।
আতিকুল হক বলেছেন:
মায়ের জন্য দোয়া রইলো আর সব সন্তানের জন্য শুভকামনা।আমার নানার মৃত্যুটাও এমনি ছিল। খুব পরিশ্রমি, সুস্হ সবল একজন মানুষ। গলব্লাডার স্টোন অপারেশন করতে গিয়ে ধরা পড়ল লিভার সিরোসিস।উনি নেই সে প্রায় ১২ বছর আগের কথা। কিন্তু মনে হয় এই সেদিন।
লেখক বলেছেন: সময় কি ভাবে যে যায়!
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
খুব মন ছোঁয়া লেখা...........সন্তান যখন মাকে এভাবে ভাবে........মা সামনে থাক বা না থাক নিশ্চয়ই অনুভব গুলো ছুঁয়ে যায় তাকে.......।আপনার মায়ের জন্য অনেক দোয়া।
ভালো থাকবেন।
শুভকামনা।
লেখক বলেছেন: এখনও মনে হয় মা আমার মাথায় হাত বুলাচ্ছে।
মায়ের ছোট ছেলে, ভীষণ আদরের। মা মারা যাবার কিছুদিন আগে পর্যন্তও, যখন সুস্থ ছিলেন, প্রতিদিন অফিস থেকে দুপুরে আসতেন দেখতে ভাত খেয়েছি কি না। আমাকে নিয়ে তাঁর ভাবনার অন্ত ছিলনা। কোন সমস্যাকেই কখনও সমস্যা মনে হয়নি। মা তো আছেই..
আজ সবসময় তাঁকেই মনে পড়ে আর খুন অসহায় মনে হয় নিজেকে।
আপনাকে ধন্যবাদ।
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন:
আপনার মায়ের শান্তির জন্য দোয়া। আপনাদের জন্য শুভকামনা।প্রিয়জন হারানোর কষ্ট এখনো বুঝিনি ভাই তারপরও মনটা হু হু করে উঠলো।
লেখক বলেছেন: ভাইরে..
মায়ের মত আপন কেহ নাই রে..
আমরা দাঁত থাকতে দাঁতের দাম বুঝিনা।
আল্লাহর কাছে আকূল আবেদন, কোন সন্তানকে আমার মত কষ্ট বুকে নিয়ে যেন না থাকতে হয়।
তবু শান্তি, স্থির বিশ্বাস, মা আমার ভাল আছেন।
প্রতিবেশী অনেকে বলেন, "আজ তোমার মা কে স্বপ্নে দেখেছি একটা ফুলের বাগানে ছোট ছোট বাচ্চাদের সাথে বেড়াতে। তোমার কথা জিজ্ঞেস করছিল।" সবার স্বপ্ন মোটামুটি একই রকম।
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন:
খুব কষ্ট পেলাম সকল মা'কে যেন আল্লাহ বেহেস্ত দান করেন
লেখক বলেছেন: দোআ করি। আপনার মা যেন সুদীর্ঘকাল আপনার মাথার ছায়া হয়ে থাকেন। আমিন।
লেখক বলেছেন: আমিন।
অক্ষর বলেছেন:
আপনার মায়ের জন্য দোয়া করছি, ওনাকে আল্লাহ বেহেস্ত দান করুক
লেখক বলেছেন: আমিন।
জেরী বলেছেন:
আপনার মায়ের জন্য দোয়া রইল।আরেক টা মা (আপনার মেয়ে পূণ্য) যেন সব সময় ভালোবাসায় ভালো থাকে।
লেখক বলেছেন: আমিন
এম্নিতেই বলেছেন:
আমার ভয় লাগতেসে... আমার মাও কি মরে যাবে??
লেখক বলেছেন: বালাই ষাট
মাহবুবুল আলম লীংকন বলেছেন:
আমরা দোয়া করি আপনার আম্মার আত্মা শান্তিতে থাকুক। আপনারাও শোক কাটিয়ে উঠুন। আল্লাহ আপনাদের সেই শক্তি দিন।
ভাল থাকুন ডালটন।
লেখক বলেছেন: আপনার কলিগকে নিয়ে লেখাটা মন ছুঁয়ে দিয়েছে।
আপনিও ভাল থাকুন।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
আপনার লেখা পড়ে আমার মায়ের জন্য আবার কাঁদলাম। মাকে না হারালে মায়ের মর্যাদা কেউ বোঝে না।
লেখক বলেছেন: আপনাকে কাঁদালাম বলে খারাপ লাগছে। আপনি ভাল থাকুন। অন্ততঃ চেষ্টা করুন ভাল থাকতে।
ভোরের তারা বলেছেন:
আপনার মা জান্নাতবাসী হবেন এই দোয়া করি। আমার আব্বাও একই রোগে চলে গেছেন দেড় বছর আগে। চোখে পানি চলে এল লেখা পড়ে। ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: আমিন
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
মা যেখানে থাকুক অনেক ভালো থাকুক। মায়ের জন্য অনেক দোয়া।মায়ের আত্মা শান্তিতে থাকুক।
লেখক বলেছেন: আমিন
আল্লাহ আপনার মাকে জান্নাত দান করুন.
পুন্যর প্রতি অনেক অনেক ভালোবাসা
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার কষে মাইনাসের অর্থ আমি ঠিকই বুঝেছিলাম। তাই লিঙ্কটা দিয়েছিলাম।
আমিন।
রেজওয়ান শুভ বলেছেন:
কিছু বলার নাই রে ভাই
লেখক বলেছেন: আমার মা'র জন্য দোআ করবেন।
মাহবুবুল ইসলাম (সুমন) বলেছেন:
আমারা মাকে নিয়ে লেখা গুলোদিয়ে একটা ই-বুক বের করছি। আপনি রাজি থাকলে আপনার এই লেখাটা ওখানে দিতে চাই।
লেখক বলেছেন: কত যুগ পরে যে লিখছি। অবশ্যই।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















