somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বন্দর সুবিধা চায়নি নেপাল

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমারদেশ থেকে কপি পেষ্ট

নেপাল বাংলাদেশের কাছে বন্দর সুবিধা চায়নি। ভারতকে চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহারের সুবিধা দেয়ার বিষয়টির যৌক্তিকতা প্রমাণ ও সমালোচনা এড়ানোর জন্যই মূলত বাংলাদেশ নিজ থেকে নেপাল এবং একই সঙ্গে ভুটানকে বন্দর সুবিধা দেয়ার কথা ঘোষণা করেছে। নেপাল ও বাংলাদেশের নীতিনির্ধারক পর্যায়ে ব্যাপক অনুসন্ধান চালিয়ে এ তথ্য জানা গেছে। তবে বাংলাদেশের এ ঘোষণায় নেপাল খুশি। চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহারের জন্য নেপালকে ভারত ট্রানজিট সুবিধা দেয় কিনা সেটাই এখন দেখার বিষয়। ভারতের অতীত আচরণের কথা ভেবে এ ব্যাপারে রীতিমত সন্দিহান নেপাল।
চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহারের জন্য নেপাল বাংলাদেশের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে কিনা জানার জন্য আমার দেশ-এর পক্ষ থেকে নেপাল সফরে গিয়ে বিষয়টি সম্পর্কে ব্যাপক অনুসন্ধান চালানো হয়। সেখানে এক সপ্তাহ অবস্থানকালে নেপাল সরকারের নীতিনির্ধারক, রাজনীতিক, পদস্থ আমলা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ সাধারণ মানুষের সঙ্গে আলোচনা হয়। আলোচনায় উঠে এসেছে নানা সংশয় এবং প্রতিবন্ধকতার কথা। নেপালের উপ-প্রধানমন্ত্রী সুজাতা কৈরালা এ ব্যাপারে তার প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছেন, নিজ থেকে দেয়া বাংলাদেশের এই ঘোষণাকে আমরা স্বাগত জানাই। এবার ঢাকাকে সঙ্গে নিয়েই আলোচনায় বসব দিল্লির সঙ্গে। ভারত অতীতে নিরাপত্তার বিষয়ে তাদের উদ্বেগের কথা বলেছে। এবার দেখা যাক কী হয়। উল্লেখ্য, গত ১১ জানুয়ারি দিল্লিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিংয়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠক সম্পর্কে প্রকাশিত যৌথ ইশতেহারে ভারতকে চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহার সুবিধা দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। ইশতেহারের ২৩নং অনুচ্ছেদে বলা হয়, সড়ক ও রেলপথে পণ্য আনা-নেয়ার জন্য ভারতকে চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহার করতে দিতে রাজি হয়েছে বাংলাদেশ। তবে ওই অনুচ্ছেদে ‘নেপাল ও ভুটানকে বন্দর সুবিধা দিতে বাংলাদেশ আগ্রহী’ বলে একটি বাক্য জুড়ে দেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে ভারতের মনোভাবের কথা কিছুই বলা হয়নি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নেপাল ও ভুটানকে বন্দর সুবিধা দিতে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা বলা হলেও ভারত রাজি হয়নি। তাই বড় ধরনের সংশয় থেকেই যাচ্ছে। ভারত রাজি না হলে ওই দুই দেশ কখনও বাংলাদেশের বন্দর ব্যবহার করতে পারবে না। গত ৭ ফেব্রুয়ারি রোববার নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে আমার দেশ-এর সঙ্গে একান্তে আলোচনাকালে নেপালের উপ-প্রধানমন্ত্রী সুজাতা কৈরালা, যিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েরও দায়িত্বে, তিনি বাংলাদেশের বন্দর ব্যবহার প্রসঙ্গে বলেন, আমি বিষয়টি জানতে পেরেছি। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তার দিল্লি সফরের সময় নেপালকে বন্দর সুবিধা দেয়ার কথা বলেছেন। নেপালকে আপন মনে করে তিনি নিজ থেকে এটা করেছেন। তাই তার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। আমরা এখন বিষয়টি নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনার কথা ভাবছি। তিনি বলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে যেহেতু এই প্রস্তাব দেয়া হয়েছে, তাই এবার বাংলাদেশকে সঙ্গে নিয়েই ভারতের সঙ্গে আলোচনায় বসব। দেখা যাক কী হয়। তিনি আরও বলেন, ভারতের কাছ থেকে ট্রানজিট সুবিধা পেয়ে আমরা যদি চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারের সুযোগ পাই তাহলে তা সত্যিই স্বাগত জানানোর মতো বিষয় হবে।
তবে এ ব্যাপারে কিছুটা ভিন্ন ধরনের কথা বলেন নেপালের ক্ষমতাসীন জোটের প্রধান শরিক নেপাল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক বিমলেন্দ্র নিধি। তিনি আমার দেশকে বলেন, বর্তমান ভারত ও বাংলাদেশ সরকার পরস্পর বেশ ঘনিষ্ঠ। বাংলাদেশ নেপালকে বন্দর সুবিধা দিতে চায়, এটা আমাদের জন্য খুশির খবর। তবে সত্যি কথা বলতে কী, বাংলাদেশের বন্দর ব্যবহার করে আন্তর্জাতিকভাবে আমাদের বাণিজ্য বাড়ানোর বিষয় নিয়ে এ মুহূর্তে নেপালের ভাবার কোনো সুযোগ আছে বলে আমি মনে করি না। কারণ, আমরা একটি কঠিন সময় পার করছি। নেপালে এখন রাজনৈতিক সঙ্কট চলছে। সব দল এই সঙ্কট উত্তরণের কাজে এখন ব্যস্ত। আমরা আশাবাদী, একটি রাজনৈতিক সমাধানের পথে আমরা আমাদের দেশকে নিয়ে যেতে পারব। তিনি বলেন, এর পরই কেবল আমরা অর্থনৈতিক অগ্রগতির কথা ভাবতে পারব। আর তখনই বন্দর ব্যবহারের প্রশ্ন আসবে। তবে বাংলাদেশের বন্দর ব্যবহারের সুযোগের আগে ভারতের কাছ থেকে ট্রানজিট সুবিধা পাওয়াটা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের বন্দর ব্যবহারের ব্যাপারে ভারতের সম্মতির বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করে নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক শীর্ষ কর্মকর্তা আমার দেশকে বলেন, আসলে ভারত ঠিক কী করবে তা আমরা জানি না। বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করতে খুবই আগ্রহী। কিন্তু ভারত যে ধরনের ভোগান্তি তৈরি করে তাতে আমাদের ব্যবসায়ীরা আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। তিনি বলেন, আমাদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডসহ সব কিছুর ওপর ভারত তার নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে চায়। নানা ধরনের চাপের মধ্যে থাকতে হয়। ভারত দীর্ঘদিন ধরে বন্দিবিনিময় চুক্তির জন্য চাপ দিয়ে আসছে। তবে আমরা রাজি হইনি।
বাংলাদেশের বন্দর ব্যবহারে নেপালের সুযোগ পাওয়ার ব্যাপারে কথা হয় নেপালের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তার সঙ্গে। তার কণ্ঠে রীতিমত হতাশার সুর। তিনি বলেন, আমাদের করার কিছুই নেই। বাংলাদেশের কাছে বন্দর সুবিধা চাওয়ার অধিকার কি আমাদের আছে? বাংলাদেশ আমাদের সুযোগ দিতে চাচ্ছে, আমরা খুশি হয়েছি। কিন্তু বাস্তবতা হলো, ১৯৫০ সালের নেপাল-ভারত চুক্তি অনুযায়ী ভারতের সঙ্গে আলোচনা না করে বা তাদের অনুমতি না নিয়ে আমাদের কোনো কিছুই করার অধিকার নেই। তাই ভারত চাইলে আমরা বন্দর ব্যবহার করতে পারব, না চাইলে পারব না।
নেপালের সুশীল সমাজের সদস্য বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী নবীন চিত্রকর এ প্রসঙ্গে আমার দেশকে বলেন, আমি খুব বেশি আশাবাদী নই। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, ভারতের অনুমতি পাওয়া কঠিন হবে। তবে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের মনোভাব সম্পর্কে ভারত অবগত। তাই এবার ভারত তার মনোভাব বদলাবে কিনা তা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
নেপালিদের এসব সংশয় এবং সন্দেহ যে সত্য, তা স্পষ্ট বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্যে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট একজন পদস্থ কর্মকর্তা আমার দেশকে বলেন, নেপাল ও ভুটানকে চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহার করতে দিতে ভারত রাজি হয়নি। ভারত যদি রাজি হতো তাহলে যৌথ ইশতেহারে বলা হতো, বাংলাদেশ ও ভারত নেপাল-ভুটানকে চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহার করতে দিতে সম্মত হয়েছে। কিন্তু যৌথ ইশতেহারে শুধু বাংলাদেশের আগ্রহের কথাটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ভারত কোনো আপত্তি করেনি।
বাংলাদেশ ঠিক কী কারণে নেপাল ও ভুটানের ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা বলেন, কারণ দুটি। প্রথমত, একটি সুযোগ রাখা। যাতে ভবিষ্যতে এটা নিয়ে কথা বলা যায়। হয়তো কোনো এক সময় যাতে নেপাল ও ভুটানকে এই সুবিধা দেয়া যায়। দ্বিতীয়ত সবচেয়ে বড় কারণ হলো, শুধু ভারতকে বন্দর সুবিধা দেয়া খুবই কঠিন। এটা করতে গেলে বড় ধরনের রাজনৈতিক ইস্যু হবে। এই ইস্যু যাতে না হয় এবং ভারতবিরোধী সমালোচনা ঠেকাতে নেপাল ও ভুটানের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রকৃতপক্ষে ভারতই একতরফা চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহারের সুযোগ পাবে বলে মনে করছেন বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞরা। এতে অর্থনৈতিকভাবেও তেমন কোনো লাভ হবে না বাংলাদেশের। সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিষয়টি ব্যাখ্যা করে আমার দেশকে বলেন, মূলত ভারতকে বন্দর সুবিধা দিতেই যতসব আয়োজন। নেপাল ও ভুটানের ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করে ভারত। ভারত নিজের স্বার্থ বাদ দিয়ে কখনও নেপাল ভুটানের স্বার্থ দেখবে না। ’৯০-এর শেষদিকে ভারত নেপাল ও বাংলাদেশের জন্য ট্রানজিট সুবিধা দিয়েছিল। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তা আবার বন্ধ করে দেয়। তৃতীয় কোনো দেশের সঙ্গে নেপালের ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ুক তা কোনোভাবেই মেনে নেবে না ভারত। তিনি বলেন, নেপাল কোনোভাবে ভারতের কাছ থেকে ট্রানজিট সুবিধা পেলেও বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ার সম্ভাবনা খুবই কম। কারণ, নেপালের ব্যবসা-বাণিজ্য পুরোপুরি ভারতনির্ভর। সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ভারত পণ্য আনা-নেয়ার জন্য যখন চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারের সুযোগ পাবে তখন ভারতের সেভেন সিস্টারে বাংলাদেশী পণ্য রফতানির সুযোগ শেষ হয়ে যাবে। এর ফলে আমাদের লাভের চেয়ে ক্ষতির পরিমাণই বেশি হবে।
বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. মাহবুবউল্লাহ ভারতের অতীত ভূমিকার কথা তুলে ধরে আমার দেশকে বলেন, আমার মনে হয় না ভারত নেপাল ও ভুটানকে বাংলাদেশের বন্দর ব্যবহারের জন্য ট্রানজিট সুবিধা দেবে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শিলিগুড়ি পয়েন্টে করিডোর সুবিধা দিয়েছিল তারা। তত্কালীন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এর উদ্বোধন করেন। তবে মাত্র ২ ঘণ্টার মাথায় নিরাপত্তার অজুহাত তুলে ভারত তা বন্ধ করে দেয়। ভারত ছাড়া অন্য কোনো দেশের সঙ্গে নেপাল ও ভুটানের বাণিজ্য বৃদ্ধি পাক তা কোনোভাবেই মেনে নেবে না দিল্লি। ১৯৮৮ সালে নেপাল চীন থেকে কিছু সামরিক সরঞ্জাম আমদানি করেছিল। সঙ্গে সঙ্গে ভারত নেপালের ওপর বাণিজ্যিক অবরোধ আরোপ করে। এই হচ্ছে ভারতের নীতি। তিনি বাংলাদেশের নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, ভারতকে বন্দর সুবিধা দেয়ার ফলে বাংলাদেশ নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়বে। ভারত চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে তার পণ্য সড়কপথে পার্বত্য চট্টগ্রামের মধ্য দিয়ে ত্রিপুরা ও মিজোরামে পাঠাবে। পার্বত্য চট্টগ্রামে এখনও অনেক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী সক্রিয়। তাই আমাদের নিরাপত্তা ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে।
বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. আনু মুহাম্মদ এ প্রসঙ্গে বলেন, ভারতকে যেভাবে আমাদের বন্দর ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হয়েছে সেখানে ট্রানজিটের বিষয়টি জড়িত। ভারত এখানে চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহার করে তার নিজস্ব পণ্য এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে পাঠাবে। যৌথ ইশতেহারে আসলে যা বলা হয়েছে তাতে ভারতই কেবল বন্দর ব্যবহার করতে পারবে। নেপাল ও ভুটানের আমাদের বন্দর ব্যবহারের অর্থ হলো তারা তাদের পণ্য চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দরের মাধ্যমে তৃতীয় কোনো দেশে রফতানি করবে। ভারত সেই সুযোগ অতীতে দেয়নি এবং এখনও দিচ্ছে না। ভারতের অনুমতি ছাড়া নেপাল ও ভুটান আমাদের বন্দর ব্যবহার করতে পারবে না।
ভূ-রাজনীতি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভূগোল বিভাগের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক ড. আবদুর রব বলেন, বাংলাদেশ যদি সত্যিকার অর্থে লাভবান হয় তাহলে আমরা অন্যদের বন্দর ব্যবহার করার সুযোগ দিতে পারি। ভারতকে তো বন্দর সুবিধা দেয়ার কথা স্পষ্ট বলা হয়েছে। সরকার নেপাল ও ভুটানের কথা বলছে। নেপাল ও ভুটান যদি বন্দর ব্যবহার করে তাহলে তাদের পাশাপাশি আমরাও লাভবান হতে পারি। এখন সরকারকে নেপাল ও ভুটান সরকারের অভিমত কি তা প্রমাণসহ জানাতে হবে। নেপাল বা ভুটান যদি বন্দর ব্যবহার করতে চায় তাহলে ভারতের অনুমতি অপরিহার্য। ’৯০-এর দশকে ভারত ট্রানজিট সুবিধা দিয়েছিল। কিন্তু নিরাপত্তার কথা বলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তা বন্ধ করে দেয়া হয়। ভারতের সেই নিরাপত্তা সমস্যা তো ঠিক আগের মতোই আছে। উলফা এবং মাওবাদীরা সক্রিয়। ভারত এখানে কি করবে সেটা বড় প্রশ্ন। আমাদেরও নিরাপত্তার কথা ভাবতে হবে। বন্দর দুটি আমাদের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড হতে পারে। আমাদের বন্দর কাজে লাগাতে হবে সার্কের আওতায় আঞ্চলিক ভিত্তিতে, দ্বিপাক্ষিক ভিত্তিতে নয়।

View this link
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলা সাহিত্যে জায়গা পাচ্ছেন ওসমান হাদী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:১৭


সংবাদপত্র যা বলছে
জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ জুন ২০২৬ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই পরিমার্জন-সংক্রান্ত কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুকুলে নয় শেখ হাসিনা (আপা) প্রতিকুল পরিস্থিতিতেই বেশি অকুতোভয়।

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৪




একদিকে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন তিনি দেশে ফিরছেন, আরেকদিকে তিনি প্রায় নিশ্চিন্ন করে দেয়া আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠন করে ফেলেছেন! এবং সেই সঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের অগণতান্ত্রিক, ভয়ঙ্কর এবং অবৈধ রাজনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপির আবালীপনা।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮

বিএনপি ৫০ হাজার নাচের শিক্ষক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। যার পেছনে ১০ বছরে ব্যায় হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা। যা দিয়ে ফুল প্যাকেজ ৩০ টি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×