somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটি কৃষকের গল্প

০১ লা নভেম্বর, ২০১১ রাত ৩:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এক ছিল কৃষক, তার অনেক গুলো গরু ছিল, গরু গুলো নিজেরাই চরে খেত, সেখানেই থাকত আর এক লোক, সে এমনি এমনি কৃষকের গরু গুলোর দেখাশোনা করত, কৃষক এটা দেখে তাকে রাখাল হিসাবে রেখে দিলো, রাখাল বিয়ে করে বসবাস করতে লাগলো। তার দুটো ছেলে হল, একজনের নাম সমীর আর একজনের নাম রাজিব। রাখালের কাজে কৃষক খুব তুষ্ট ছিল যে কারনে রাখাল মারা গেলে পরে ছেলে দুজনকে রাখালের দায়িত্ব দিলো কৃষক, আর বলল তোর বাবার অমর্যাদা করিসনে। তারা বলল কখনই না। কিছুদিন তারা ঠিকভাবেই কাজ করল তারপর দুই ভাইয়ের মধ্যে ঝগড়া হতে লাগলো, একদিন কৃষক দেখল তার একটা গরুর গায়ে কে যেন কালো কালো ছোপ দিয়েছে, কৃষক দুই ভাইকে ডেকে পাঠালেন কি ব্যাপার জানার জন্য, তখন সমীর এসে বলল বাবা মনে করে ছিলেন এই গরুটা সাদা কালো ছোপ ওয়ালা গরু হবে কিন্তু ও তো সুধু সাদা গরু তাই আমি কালো ছোপ দিয়ে দিয়েছি। আর একদিন রাতে চোর এলো, রাজিব চোরটিকে তারা করে ভাগিয়ে দিলো, কৃষক রাজিবকে পুরুস্কার দিলেন, তাই নিয়ে দুই ভাইয়ের ঝগড়া, জানতে চাইলে রাজিব কৃষককে বলল সমীর বলছে পুরুস্কার টা নাকি তার প্রাপ্য। কৃষক জানতে চাইল কেন? সমীর বলল বারে, আমিইত ওকে ডেকে দিলাম চোর এসেছে বলে!!!!!!!!!!!! কিছুদিন পর কৃষক দেখল তার গরু গুলো শুকিয়ে যাচ্ছে, কারন জিজ্ঞাসা করতে সমীর বলল আমিতো ভালো জায়গায় নিয়ে ঘাস খাওয়াই, রাজিব তখন বলল মালিক ওখানেতো ঘাস নেই, কৃষক তখন নিজে দেখতে গেলে সমীর বলল বাবা আমাকে এখান থেকেই ঘাস খাওয়াতে বলে গেছেন তাই আমি এখান থেকেই ঘাস খাওয়াই। কৃষক তখন বলল আরে বোকা এখানকার ঘাস তো শেষ এখন অন্য জায়গা থেকে ঘাস খাওয়া। সমীর বলল কখনই না, কৃষক বলল গরুগুলো তো মারা যাবে, সমীর বলল মারা গেলে যাবে আমার বাবা ভুল বলেনা। কৃষক তখন বলল কি এতো বর স্পর্ধা আমার গরু তুই এগুলোকে না খাইয়ে মারবি? সমীর তখন বলল আমার বাবা না থাকলে এতো গরু আপনার কখনই হতোনা, সুতরাং এই গরু গুলো আমার বাবার মানে আমার, আর আমি এগুলোকে যেভাবে খুশি বর করতে পারি।
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×