আমার প্রিয় পোস্ট
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -২ (GRE)। - কুম্ভকর্ণ
- হার-জিত - আশরাফ মাহমুদ
- একদিন এক বাদলা দিনে। - কোলাহল
- বৃষ্টিমুখর দিনরাত্রি - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- নির্বাসিতের আপনজন। পর্ব-১৮(খ)। - নির্বাসিত
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- কবিতা ।। বড়লোকদের সঙ্গে আমি মিশতে চাই (2002) - ব্রাত্য রাইসু
- টানেলের শেষেও শুধু অন্ধকারের গান - সন্ধ্যাবাতি
- কখনও স্মৃতি পাহারা দেবার সময় আসে - মাহবুব মোর্শেদ
- রাত্রির আঁধার ভেঙ্গে - রোদ্দূর মিছিল
- সন্ধ্যা ৪ - মাহবুব মোর্শেদ
- সাংবাদিকতার গায়ে 'হলুদ' - ফয়সল
- আজ শ্রাবনের আমন্ত্রনে... - আস্তমেয়ে
- গুগল কথন - ৪ : ব্রিন আর পেইজের কথা - রাগিব
- হারিকেন - দ্য ডিভাইন উইন্ড (৩) - তানভীর
- ঢাকা, মৃতের শহর । । ঢাকা, সিটি অব দ্যা ডেড । । টাইম ম্যাগাজিন। সোমবার, মে ৩, ১৯৭১ - এহহামিদা
- ৭১ এর সকল বীর সেনানীর পক্ষ থেকে: ২০০৭ এর প্রজন্মের Xদফা দাবী - জ্বিনের বাদশা
- : আমাদের ক, খ, গ, ঘ, এবং ঙ : - নজমুল আলবাব
- জরুরি অবস্থার অগল্প - হিমু
'৭১ এর বুড়ি : সাধারণ কিছু মানুষের গল্প
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৩৭
একটা গল্প শোনাই। সাধারণ গল্প। ছোট্ট গল্প। বর্ণনার রংচংয়ে হয়তো অসাধারণ হয়ে উঠতে পারত,কিন্তু সাদাকালো সত্যি ঘটনার ছেঁড়া অংশে রংয়ের প্রলেপ দিয়ে সেটাকে আর
কিম্ভুতকিমাকার করে তুলতে চাইনা। গল্প যুদ্ধের,তবে বীরত্ব,নাটকীয়তা,নায়ক-নায়িকা,ক্লাইম্যাক্স আছে কিনা বিচার করতে পারিনি। সময়টা খুব পরিচিত ১৯৭১। মাস,মনে নেই,কারণ কথক দেবাশিষ দা'রও মনে ছিলনা,যিনি আবার শুনেছিলেন কোন এক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের কাছে,যে যোদ্ধা এই গল্পের আপাত নায়ক।
স্থানটা ভালুকার কাছাকাছি কোথাও। মুক্তিযোদ্ধাদের ছোট্ট একটা দলের দায়িত্ব সেখানকার একটা ব্রিজ উড়িয়ে দেয়া। কারণ? কারণ পাকবাহিনী বেশ বড়সড় একটা দল আর সাঁজোয়া বহর নিয়ে এগোচ্ছে ব্রিজের ওপারে ক্যাম্প ফেলবে বলে,ওদিকের মুক্তিবাহিনীকে নির্মূল করাই যার উদ্দেশ্য। কাজেই ঠেকাতে হবেই,যেভাবেই হোক।
সবকিছু দেখেশুনে রেকি করে ব্রিজ উড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়ে গেল.যে রাতে পাকবাহিনী আসবে,তার বেশ খানিক আগে এসে ব্রিজে ডিনামাইট পাতার কাজ শেষ,ইচ্ছা,পাকবাহিনীর মোটামুটি বেশিরভাগ অংশটা ব্রিজে উঠলে সেটা উড়িয়ে দেয়া হবে,ক্ষয়ক্ষতি যতটা বেশি হয় আরকি। রাত গভীর হচ্ছে,ছেলেরা ওঁতপেতে বসে থেকে মশার কামড়ে বিরক্ত হয়ে যাচ্ছে,মাথামোটাগুলোর দেখা নেই। মোটামুটি অধৈর্য্য হয়ে গেছে যখন সবাই,ভারি গাড়ির শব্দ শোনা গেল,বোঝা গেল,মহাজনরা আসছে। সবাই যার যার জায়গা নিয়ে তৈরি।আস্তে আস্তে পুরো বহরটা দেখা গেল,বেশ বড়,দ্রুত ঠিক করা হয়ে গেল,প্রথম সাঁজোয়া গাড়িটা ব্রিজের মাঝখানটা পার হলেই ব্রিজটা উড়িয়ে দেয়া হবে। কিন্তু প্রথম গাড়িটা যখন ব্রিজের কাছে চলে এসেছে,তখনি লাগলো গোলমাল। হঠাত করেই ক্ষেতের মাঝখান থেকে এক বুড়ি উদয় হল,আর হলো তো হলো,রাস্তা পার হয়ে অন্যদিকে যাবার বদলে সোজা ব্রিজের উপর উঠলো। এইবারে সবার মাথায় হাত। গাড়িগুলিও ব্রিজের খুব কাছে চলে এসেছে,এদিকে,থুড়থুড়ে বুড়ি দেখেই কিনা,পাকবাহিনীও বুড়িকে না থামিয়ে যেতে দিচ্ছে। এদিকে ঐপারে চাপা গলায় তর্ক শুরু হয়ে গেছে,কি করা যায় তা নিয়ে,কারণ বুড়ির যে হাঁটার গতি আর ভাব,তাতে বোঝাই যাচ্ছে বুড়ি ব্রিজ পার হতে হতে পাকবাহিনীও পগাড় পার হয়ে যাবে। কমবয়সী একজন পরামর্শ দিলো যেহেতু এই বহরটাকে থামাতে না পারলে মুক্তিযোদ্ধাদের বড় রকম ঝামেলায় পড়তে হবে,কাজেই বুড়ি থাকলেও কিছু করার নেই,উড়িয়ে দেয়া হোক ব্রিজ। কিন্তু বেঁকে বসলেন কমান্ডার স্বয়ং। না,কিছুতেই না। পাকবাহিনীকে থামানো কর্তব্য,তাই বলে নিরপরাধ এক বুড়ো মানুষকে মেরে ফেলবো? সেটা হবে না। তর্ক আরো ঘোরালো
হয়ে উঠলে কমান্ডার শেষমেষ হুমকি দিলেন,কেউ একাজ করার চেষ্টা করলে তিনি সোজা গুলি করবেন,এরপর যা হয় হোক। বাধ্য হয়ে অন্যরা মেনে নিলো। যাই হোক,দেখা গেল অনুমান ঠিক,বুড়ি ব্রিজ পার হয়েছে,পাকবাহিনীও প্রায় পার হয়ে এসেছে,এখন আর খামোকা ডিনামাইট ফাটিয়ে লাভ নেই। মাথায় হাত দিয়ে বসে ভাবছেন ব্যাপারটা কি হলো,এমন সময় সবাই আবার একটু সজাগ হয়ে উঠলেন,কারণ সেই বুড়ি ব্রিজ পার হয়ে তাদের খুব খুব কাছে চলে এসেছে। হাতে কিছু
একটা আছে,পুঁটলির মত। দেখে মনে হলো কাউকে খুঁজছে। এবার যোদ্ধাদের পালা,ঝটপট বুড়িকে ঘিরে ফেলা হলো। বুড়িকে দেখে অবশ্য মনে হলোনা ভয় পেয়েছে। সোজা জিজ্ঞেস করলো-- "বাবারা তোমরা মুক্তিবাহিনীর পোলা?" কমান্ডারের উত্তর--"ক্যান আপনের কি দরকার?" এবার বুড়ির উত্তর--" কালকে শুনসি এইপারে মুক্তির পোলারা আসে,অনেক কষ্ট কইরা পোলাগুলি যুদ্ধ করে,খাইতে পায়না ঠিকমত। মনে করসি ঘরে যা আসে নিয়া যাই,দিনে তো পারিনা বাবারা,রাইতে কেউ দেখে না,এইজন্য বাইর হইসি খাওয়া নিয়া,এইদিকে কোন জায়গায় কাউরে পাইলে খাওয়াগুলি দিতাম।" কমান্ডার আর যোদ্ধারা এবার নীরব,মুখে ভাষা আসবার কথাও না। একটু আগেই কিনা এই বুড়িকেই তারা ব্রিজসহ উড়িয়ে দিতে চেয়েছিল। বুড়ির ঐ পুঁটলিতে বেশ কিছু খাবারদাবার,না-দেখা না-চেনা কোন মায়ের সন্তানের জন্য,যারা যুদ্ধ করছে তাদের মায়ের জন্য,দেশের জন্য। কোথা থেকে এল এই মমতা? কিসের জন্য পরের সন্তানের জন্য নিজের সন্তানের খাবার নিয়ে অন্ধকার পথে কোন মা ছুটে আসে? কমান্ডার,প্রায় ২০ বছর পরেও,এই প্রশ্নের জবাব দিতে পারেননি। শুধু চোখ মুছে বলেছিলেন,আমরা সবাই,ঐদিন থেকেই জানতাম,যে দেশে এমন মা আছে,ঐ দেশের মানুষকে দুনিয়ার কেউ আটকাতে পারবে না,আজ হোক কাল হোক স্বাধীন আমরা হবই। যুদ্ধে আমরা জিতবই,জিতবই।
[এই সত্যি ঘটনাটা,দেবাশিষ দা'র মুখে শোনা,ময়মনসিংহের এক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের কাছে।জানিনা কারো স্মৃতি হিসাবে কোথাও লেখা হয়েছে কিনা। খুব দাগ কেটেছিলো,চোখ মুছেছিলাম সবাই,শ্রোতারা। মনে হলো,সবাইকে একবার শোনাই,নাই বা থাকলো অসাধারণ কোন বীরত্বগাথা,শোনাতে তো সমস্যা নেই।]
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): মুক্তিযুদ্ধ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি বিভাগে ।
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
৫, ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। কিন্তু আমরা এখন কতটা অকৃতজ্ঞ!!!
ফারহান দাউদ বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ@ সৈয়দ দেলগীর এবং মোসতফা মনির সৌরভ। আমরা অকৃতজ্ঞ,সন্দেহ নেই,এইসব মা আর ভাইদের রক্তঋণ শোধ করার জন্য কিছুই কখনো করতে পারিনি। হয়তো আমাদের পরে কেউ করবে,তাদের জন্য---
ফারহান দাউদ বলেছেন:
ধন্যবাদ মেহরাব।
বিহংগ বলেছেন:
ধন্যবাদ, ফারহান দাউদ।
ফারহান দাউদ বলেছেন:
বিহংগ,টপরেটেড দিয়ে কি করবো ভাই? আপনার চোখ যদি ঝাপসা হয়,লেখার সময় আমার চোখ ঝাপসা হয়,এর বেশি আর কি লাগে? এখনো এগুলি পড়ার মানুষ আছে ভাবতেই ভালো লাগে। অনেক কৃতজ্ঞতা।
এস্কিমো বলেছেন:
সালাম সেই বুড়ি মাকে...স্বাধীনতার পিছনে যে বীর জাতি এভাবেই কাজ করেছে।
ধন্যবাদ ফারহান দাউদ।
ফারহান দাউদ বলেছেন:
এস্কিমো ভাই ধন্যবাদ। হ্যাঁ,প্রত্যেকবার,বারবার।
রোদ্দূর মিছিল বলেছেন:
ফারহান দাউদ, আমার শরীরের প্রতিটি রোম দাঁড়িয়ে গেছে। আমার চোখের কোনে কি যেন একটা চিকচিক করছে। যে দেশে এমন মা আছে, সে দেশের এক নগণ্য সন্তান হয়ে নিজেকে গর্বিত বোধ করছি। বাংলার মা চিরজীবি হোন! এ রকম একটা লেখা টপরেটেড হবার জন্য নয়। স্রেফ দেশপ্রেমী সকল মানুষের হৃদয়ে ঠাঁই নেবার জন্য। প্রিয়পোষ্টে যোগ করে নিলাম।
অনিশ্চিত বলেছেন:
এই কাহিনীগুলো সংগ্রহ করে প্রকাশ করা উচিত। তাতে যদি আমাদের পাকিস্তানপ্রীতি কিছুটা হলেও কমে!
ফারহান দাউদ বলেছেন:
চেষ্টা করছি,অনিশ্চিত।
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
এই ব্লগে আমার মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আমার পড়া সেরা লেখা । সম অনুভূতি , রোদ্দূর মিছিল । কত কোটি ৫ চান ? হৃদয় থেকে দিব । সত্যিই অনবদ্য ।
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
এই ব্লগে আমার মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আমার পড়া সেরা লেখা । সম অনুভূতি , রোদ্দূর মিছিল । কত কোটি ৫ চান ? হৃদয় থেকে দিব । সত্যিই অনবদ্য ।
ফারহান দাউদ বলেছেন:
সিহাব,৫ লাগবে না,মনে রাখবেন এইসব মা আর যোদ্ধাদের,তাতেই হবে।
তানজিলা হক বলেছেন:
দেখলেনতো এ দেশের মা অর্থাত মেয়েদের মানুষের প্রতি মায়ার অন্ত নাই ।অথচ ছেলেরা সুযোগ পেলেই তাদের আঘাত করে।সরি,
কিসের মধ্যে কি
পান্তা ভাতে ঘি।
ভালো লিখেছেন................৫
ফারহান দাউদ বলেছেন:
তানজিলা হক,লেখা পড়ে যার মাথায় যা আসবে সেটা বলার জন্যই তো কমেন্ট সেকশন,কাজেই সরি হবার কি আছে? পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
গড় জর কধৎ উউড় ঐৎড়ংযড় ট কধৎ খড় বলেছেন:
ফারহান অসাধারন। এমন ঘটনা যে যেভাবে সংগ্রহ করতে পারেন পোষ্ট দেন। রাজাকাররা এতো যে বাড় বেড়েছে. এম্নি এম্নি বাড়ে নাই। ওরা আট ঘাট বেঁধেই নেমেছে। আমাদের এই সব সত্য মানুষের.. সব ধরনের মানুষের কাছে নিয়ে যেতে হবে। সময় কছেই ৩৬ বছর আগে বাঁচিয়ে রাখা পাপ আমাদের এখন নির্মূল করতে হবে।
ফারহান দাউদ বলেছেন:
@গড় জর কধৎ উউড় ঐৎড়ংযড় ট কধৎ খড়,এমন কত ঘটনা আমাদের কত কাছের মানুষের মনে লুকিয়ে আছে,মানুষগুলো হারিয়ে যাবার আগেই তাদের স্মৃতি যদি এভাবে সাজিয়ে রাখা যেত,হয়তো পরের প্রজন্ম বুঝতে পারতো কেন '৭১ নিয়ে আমাদের এত আবেগ। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
ফারহান দাউদ বলেছেন:
দ্বিধা,আমরাই জিতব।
ফারহান দাউদ বলেছেন:
নাদান,রেটিং দিয়ে কি করবো? পড়ে কারো অন্তরে গেলেই আমি সার্থক। ধন্যবাদ।
মিরাজ বলেছেন:
@ ফারহানআপনি "রোকন" নামধারী নর্দমার ময়লার সাথে কেন কথা বাড়াচ্ছেন (অন্য একটি পোষ্টে) ? নর্দমার ময়লা আপনার গায়ে লাগা ছাড়া আর কোন লাভ হবেনা।
নিজের অবস্থানটা বুঝুন শুধুশুধু গায়ে নোংরা ময়লা মাখাবেন না।
আপনাকে জানানোর উদ্দেশ্যে এখানে অ-প্রাসঙ্গিকভাবে লিখলাম । পড়ার পর মুছে দিয়েন।
ফারহান দাউদ বলেছেন:
মিরাজ ভাই আর নাদান,অনেক অনেক ধন্যবাদ। কি করবো বলেন,কিছু লোক এত অসহ্য রকমের খারাপ যে মাঝে মাঝে মাথা ঠাণ্ডা রাখা কষ্ট হয়ে যায়। আমি নিশ্চিত,'৭১ এ বয়স থাকলে এরা রাজাকারই হতো,মুক্তিযোদ্ধা না,অন্তত,যারা যোদ্ধা ছিল,আড়ালে বসে দাঁত দেখাতো না,ঐ কাজটা রাজাকারগুলিই করতো। তবে আপনার কথায় কালকে সরে গেছি,এদের সাথে তর্ক করা আসলে অর্থহীন,সাথে থাকার জন্য কৃতজ্ঞতা।
দেবদারু বলেছেন:
আপনার পোস্টটি টপরেটেড হলে সবচেয়ে বেশি খুশি হতাম আমি.............. কিন্তু যে মানুষগুলো সেদিন তাদের উত্তর-প্রজন্মের জন্য এত আত্মাহুতি দিয়েছিলো, আমরা- সেই প্রজন্মের ধারকরা দেখিয়েছি চরম অবমাননা! আমি খুবই লজ্জিত আজ...... ফারহান ভাই, ৫ দিয়েছি..... তবে জানি সবার সম্মুখে তুলে ধরে চেতনা সঞ্চারিত করতে ব্যর্থ হবো প্রতিবার............
ফারহান দাউদ বলেছেন:
দেবদারু ভাই,চেষ্টা করতে তো দোষ নেই,পারিনা বলে লজ্জা পাই এই বোধ যতদিন থাকবে,আমাদের পূর্বপুরুষদের আশীর্বাদও আমাদের সাথে থাকবে। অনেক কৃতজ্ঞতা।
জুবুথুবু বলেছেন:
ভাল লাগল ফারহান দাউদ। ৫
ফারহান দাউদ বলেছেন:
জুবুথুবু অসংখ্য ধন্যবাদ।
নির্বাসিত বলেছেন:
দৃশ্যটি কল্পনা করছি। একটি ব্রীজ, তার উপর দিয়ে নিজের প্রাণের মায়াকে তুচ্ছ করে এগিয়ে আসছেন একজন মা। কেননা তার নাম না জানা মুক্তিপাগল ছেলেরা হয়তো না খেয়ে আছে। আহারে- মা আমার! চোখ যখন পানিতে ভরে আসে, তখোন শুধু তোমার মুখখানি দেখি। তোমার করস্পর্শে এতো মায়া, এতো স্নেহ। আহা-আমরা সবাই যদি তোমার ঐ মুখে একটু হাসি ফোটাতে পারতাম। আমরা যদি আর একবার জ্বলে উঠতে পারতাম।ফারহান-চোখে পানি এলো আপনার লেখা পড়ে। এরকম লেখা আরো পড়তে থাকলে হয়তো একদিন চোখে আগুন আসবে। অনেক ধন্যবাদ।
ফারহান দাউদ বলেছেন:
নির্বাসিত,আপনার মত একজন লেখাটা পড়ে খুশি হয়েছেন,এটাই আমার অনেক পাওয়া,আপনাকে কি বলে আর কৃতজ্ঞতা জানাবো?
বিহংগ বলেছেন:
মহান ডিসেম্বরে,আপনার আরেকটি গল্পের অপেক্ষায় রইলাম। ভালো থাকুন।
ফারহান দাউদ বলেছেন:
বিহংগ,আমার মত অলেখকের জন্য লেখা যে কত কঠিন
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
এই লেখাটি আগে পড়িনি এখন পড়লাম। অনেক ভালো লাগল...জলে চোখ ভিজে গেলো....অসাধারন মা...সে মায়ের দেশ আমার দেশ বাংলাদেশ ভাবতেই বারবার গর্বিত হয়....প্রিয়'তে থাকলো।
ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: এমন মা ছিল বলেই আমরা এখন স্বাধীন দেশে বুক ফুলিয়ে চলি। অনেক কৃতজ্ঞতা পড়ার জন্য।
সোনার বাংলা বলেছেন:
কি কারনে জানি না এই পোষ্টটি আমার চোক্ষের মইধ্যে পড়ে নাই!
কি বলবো ভাষা হারাইয়া পালাইছি.......
সালাম মা ......
লেখক বলেছেন: বাংলার সব মায়ের জন্য।



















অমানুষগুলোর কথা শুনতে শুনতে আর তাদের কীর্তিকলাপ দেখতে দেখতে পঁচে যাওয়া চোখ কানটা একটু প্রাণ পেলো।
৫