আমার প্রিয় পোস্ট

ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেলের কাঠগড়ায় মার্শাল আর্ট: পর্ব ১-সত্যি সুপারম্যান

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:৫৪

শেয়ারঃ
0 0 0

প্রশ্ন ছিলো অনেকগুলোই,অনেকদিন ধরে,সবারই। মার্শাল আর্ট,বা আনআর্মড কমব্যাট সম্পর্কে যে কিংবদন্তীগুলো শোনা যায়,তার কতটা সত্যি আর কতটা অতিকথন? সত্যিই কি ব্রুস লী'র গতি এত বেশি ছিলো যে স্লো মোশানে দেখতে হতো? একজন কুংফু মাস্টার কি আসলেই মাত্র ১টা নকআউট পাণ্ঞ্চ বা ডেডলি কিক দিয়ে প্রতিপক্ষকে অকেজো, ক্ষেত্রবিশেষে একদম শেষই করে দিতে পারেন? অথবা একটাও পান্ঞ্চ বা কিক না মেরে,কোন যুযুৎসু মাস্টার কি শুধুমাত্র ডেডলি লক বা প্যাঁচে বিপক্ষকে আটকে দিতে পারেন? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর জানতেই ন্যাশনাল জিওগ্রাফি তাদের প্রযুক্তি,গবেষক আর সাংবাদিকদল নিয়ে মুখোমুখি হয়েছিল বর্তমানের সেরা কয়েকজন আনআর্মড কমব্যাট মাস্টার এর। দেখা যাক,তার ফলাফল কি দাঁড়ালো।

বক্সিং দিয়েই শুরু হোক। আসল মানুষের উপর তো আর পান্ঞ্চটা মারা যায়না,কেউ রাজিও হবেনা,সেন্সর এবং ওয়েট মেজারিং যন্ত্র লাগানো ডামিকেই মারা হলো। ১টা পান্ঞ্চের গড় ওজন দাঁড়ালো মোটামুটি ৭৫০ পাউন্ড,একবারেই নকআউট হবার মতই বটে,বিশেষ করে মুখে মারলে। কুংফুর ফ্লাইং কিক আরো ওজনদার,প্রায় ২৫% বেশি,৯৮০ পাউন্ডের মত,এই ওজনের ১টা লাথি খেলে যে কোন মানুষেরই দাঁড়িয়ে থাকতে পারার কথা না। মজা হলো,দেখতে ফ্লাইং কিক বেশি আকর্ষনীয় হলেও,এক পা মাটিতে ভর দিয়ে যে কিকটা করা হয়(যারা কোনকালে রেসলিং দেখতেন বা এখনো দেখেন,শন মাইকেলের কিকটা মনে করতে পারেন),সেটা কিন্তু আরো শক্তিশালী,১০২৩ পাউন্ড ওজন ১টা কিকের,যে কারো 'রিবকেজ' ভেঙে দেয়ার জন্য যথেষ্ট।

কুংফু যদি হয় গতিশীল শৈল্পিক,কোরিয়ায় উদ্ভাবিত তায়কোয়ান্দো অনেক বেশি কঠিন এবং ভয়ংকর,একি সাথে কম ব্লো দেয়াটাই উৎসাহিত করে। ন্যাশনাল জিওগ্রাফির ভাষায়,"শার্প এন্ড স্ট্রেইট"। ১টা তায়কোয়ান্দো কিক দেয়ার পর দেখা গেলো তার ওজন হয়েছে ১৫৫২ পাউন্ড,একি কথা,যে কারো 'রিবকেজ' এমনকি অন্য হাড় ভেঙে দেয়ার জন্য যথেষ্টরও বেশি।

কিন্তু সবচেয়ে শক্তিশালী এবং ভয়ংকর 'কিক' কিন্তু এগুলোর কোনটাই না,এ জায়গাটা দখল করেছে ৭০০ বছর আগে থাইল্যান্ডে উদ্ভাবিত "মুয়ে থাই",যেটা কিক বক্সিংয়ের মতই,বৈশিষ্ট্য হলো,যে কোন অংগই ব্যবহার করা যাবে,তবে মূলত পা এবং হাঁটু দিয়েই মারা হয়। ট্রেনিংয়ের প্রাথমিক পর্যায়ে কলাগাছে লাথি মেরে শুরু করানো হয় (একেই মনে হয় বলে কলাগাছ কাটতে কাটতে ডাকাত:)),আর শেষে গিয়ে? হুম,হাঁটু দিয়ে "মুয়ে থাই" চ্যাম্পিয়ন একটা গুঁতো দিয়েছিলেন ডামিটাকে,হিসাব করে দেখা গেলো,১টা প্রাইভেট কার ঘণ্টায় ৩৫ মাইল বেগে আপনাকে গুঁতো দিলে যা হবে,এই হাঁটুর গুঁতো তারই সমান শক্তি ধরে B-) তাও গাড়িটা আঘাত করবে বেশ খানিকটা জায়গা জুরে,আর হাঁটুটা আঘাত করবে মাত্র ২-৩ ইন্ঞ্চি জায়গায়।

এতো গেল শক্তির ব্যাপার,এবার আসা যাক গতির ব্যাপারে। ১টা কথা প্রচলিত আছে--"ইন দ্য ওয়ার্ল্ড অভ কুংফু,স্পিড ডিফাইনস দ্য উইনার"। সত্যিই কি ১৫০০ বছরের পুরানো বিদ্যার ধারক কুংফু মাস্টাররা সাপের চেয়েও দ্রুত ছোবল দিতে পারেন? ন্যাশনাল জিওগ্রাফি উত্তরটা জানার চেষ্টা করলো। ভিডিও করা হলো ১টা রাটলস্নেকের ছোবলের মুহূর্ত,স্লো মোশানে দেখা হলো,গতিও মাপা হলো,দেখা গেলো,সেটা ৮ ফিট পার সেকেন্ড। এবার কুংফু মাস্টারের পালা। হাতে লাগানো হলো স্পিডোমিটার। বিদ্যুৎগতিতে পান্ঞ্চব্যাগে কয়েকটা পান্ঞ্চ করা হলো। খালি চোখে বুঝাই মুশকিল,স্লো মোশানেও বেশ গতি। মেপে দেখা গেলো,গতি ৪০ ফিট পার সেকেন্ড,সাপটার ৫ গুণ। আগে তো বলতাম,সাপের মত ছোবল,এবার কি বলবো? ;)

সবাই তো যার যার কৃতিত্ব দেখিয়ে গেলো,যুযুৎসু,বা জুডোই বাদ থাকবে কেন? যুযুৎসুর বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন রিকসন গ্রেসি প্রমাণ করতে এগিয়ে এলেন,প্রতিপক্ষ যত শক্তিশালীই হোক,তাকে কাবু করতে তার একটা পান্ঞ্চ বা কিকও করতে হয়না। তাহলে? সহজ,জুডোর 'লক' বা প্যাঁচ। জুডোতে জোর দেয়া হয় মানুষের জটিল অ্যানাটমির দুর্বল জায়গাগুলোর উপর,কিভাবে আটকে ফেলে প্রতিপক্ষকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা যায়,একি সাথে নিজের পুরো শরীর থেকে শক্তিটাকে নেয়ার উপর। এটা অবশ্য সবার বেলায়ই সত্যি,দেখা গেছে যে বক্সিং পান্ঞ্চই বলুন আর কারাটে কিক,শক্তি সন্ঞ্চয়ের প্রক্রিয়া শুরু হয় পা থেকে,সেটা কোমড়ের জোড়া হয়ে কাঁধ বা পায়ে এসে শেষ হয় যখন মারটা বিপক্ষের উপর পড়ে। যাই হোক,গ্রেসির 'লক' এর পুরো শক্তি কখনোই মানুষের উপর খাটানো সম্ভব নয়,বিপক্ষের চিরতরে পঙ্গু বা ইহলোক ত্যাগ করার ভয়েই,কাজেই এবারো ধাক্কাটা যাবে বেচারা স্প্রিং লাগানো ডামির উপর দিয়েই। হাত-পা দিয়ে ডামিটাকে 'নেক লক' বা ঘাড়ের প্যাঁচে আটকানো হলো,এবার গ্রেসি সর্বশক্তি প্রয়োগ করাতে দেখা গেলো,খুলি এবং স্পাইনাল কর্ডের যে জোড়া,সেখানে ৬০০ পাউন্ডের বেশি বল পড়ছে,মানুষ হলে ছিঁড়ে চলে আসতো কবেই :-* এসবের সাথে আরো গুরুত্বপূর্ন হলো,নিজের রিফ্লেক্স,প্রতিপক্ষের মুভমেন্ট আঁচ করার ক্ষমতা,মনঃসংযোগ,বছরের পর বছর ধরে চর্চা করে যেটা কমব্যাট মাস্টাররা আয়ত্ব করেন। কারন,ফাস্ট হিট করার চেয়েও ফার্স্ট হিট করা অনেক সময় গুরুত্বপূর্ন হয়ে দাঁড়ায়।

তো,শেষমেষ কি বুঝলেন? কমব্যাট মাস্টারদের সম্পর্কে কিংবদন্তীগুলো মোটেই কিন্তু রূপকথা নয়,একদমই বিজ্ঞানসম্মত,প্রমাণিত,আধুনিক প্রযুক্তির সামনেই। এখন কোন কুংফু মাস্টার যদি তার বিদ্যুতের গতি নিয়ে আর ১০০০ পাউন্ডি কিক নিয়ে আপনাকে ঠেঙাতে আসে,মনে হয় তার মুখোমুখি হবার আগে কয়েকবার ভেবে নেয়াই ভালো B-)

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): হিজিবিজি ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ডকুমেন্টারি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:৫৮
নরাধম বলেছেন: ভিডিওটা দেখেছি।
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:১১

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ,দারুণ ১টা প্রোগ্রাম ছিলো,সেটা দেখেই লিখে ফেলেছিলাম,মজা পেয়েছি দেখে।

২. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:৫৯
রাগিব বলেছেন: আচ্ছা, দক্ষিণ ভারত, থাইল্যান্ড কোরিয়া জাপান চীন - এরা সবাই এরকম মারকুটে ও ভয়াবহ মার্শাল আর্ট বের করেছে, কিন্তু আমরা বাঙালিরা এই টাইপের কিছু ইতিহাসের কোনো সময়েই বের করিনি কেনো?
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:০৬

লেখক বলেছেন: রাগিব ভাই,বাংলার লাঠিয়ালদের ঐতিহ্যের ব্যাপারটা মাথায় রাখতে হবে। শোনা যায় লাঠিয়ালদের লাঠি এমনভাবেই ঘুরতো যে পর্তুগিজ হার্মাদদের গুলিও ঠেকিয়ে দিত(এটা হয়তো বাড়াবাড়ি কিন্তু যা রটে কিছুতো বটে)। চাইনিজ লাঠির চেয়ে বাঙ্গালি লাঠিয়ালের ঠেঙানো কমজোরি হবার কথা না,কপাল খারাপ ওদের নিয়ে তো কেউ এত গবেষণা করেনা।

৩. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:১৫
তানজিলা হক বলেছেন: আমি একটা মুভি দেখছি যেখানে গুরু এক ঘুষিতে একটা শক্ত কাঠ ফুটু করে দেন কিন্তু ওমন একটা ঘুষি তার শিষ্য দিলে সেই শিষ্যের হাত ফেটে যায়।
প্রতমে হাত মুঠো করে পরে যেখানে আঘাত করবে সে যায়গাটা স্থির করে অ:তপর ঐখানে আঘাত করলে কাঠটা ফুটু হয়ে যায়।
কিন্তু টিভিতে যে রেসলিং দেখায় তা আমি বিস্বাস করি না।
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:২৬

লেখক বলেছেন: রেসলিংয়ের স্টান্টগুলি বানানোই থাকে,তবে ঐ স্টান্ট করার জন্য যে শারীরিক ক্ষমতা আর দক্ষতা লাগে সেটা আসলেই অনেকদিনের সাধনার ফল,কাজেই এইটুকু ক্রেডিট তাদের দিতেই হবে।

৪. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:২০
ৃৃমম বলেছেন: ফাটাফাটি লেখা হই্ছে। তাহলে সাপের চেয়েও ভয়ংকর এবং গতিশীল কোন প্রজাতি তাহা পুণ:প্রমাণিত হইলো।

ইভ টিজিং-এর শিকার হয়ে অকালে শহীদ হওয়া মেয়েগুলোকে যদি শিশুকাল থেকেই খালি হাতে আত্নরক্ষার (খাহাআ) কৌশলগুলো শেখানো যেতো! কিম্বা ভবিষ্যতে শিকার হতে পারে এমনদেরকে!

আমার মনে পড়ছে, মফস্বলের কলেজে ফার্স্ট ই্য়ারে পড়ি।
ক্লাশের মেয়েদেরকে গায়ে পড়ে খাহাআ সিরিজের বইগুলো পড়তে দিতাম (সত্যি পড়তো কিনা কে জানে!)।
আসলে কলেজের মেয়েরা মোটামুটি শক্ত থাকে, ইভ টিজিং-এ সহজে কাবু হয় না। স্কুলের মেয়ে আর গরিব ঘরের মেয়েরাই মনে হয় বেশি অসহায় ইভটিজিং-এর সামনে।
ওদের জন্য ভর্তি কোচিং-এর মতো খাহাআ-কোচিং এর ব্যবস্থা থাকা উচিত। স্কুলে , সিলেবাসের মাধ্যমেই এটা শেখানো যেতে পারে।
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:৩০

লেখক বলেছেন: ৃৃমম ভাই,মানবজাতির চেয়ে ভয়ংকর কোন কিছু তো আসলে কখনো এই জগতে আসেনি।
ছোটবেলায় পোলাপানের কাছে মার খাবার সময় মাঝে মাঝে মনে হতো এইরকম পারলে মন্দ হতোনা,কিন্তু ঐ কল্পনা পর্যন্তই,বাস্তবে আর যাওয়া হয়নি।
বুয়েটে দেখেছিলাম কয়েকদিন মেয়েদের জন্য জুডো-কারাতে শেখানোর ব্যবস্থা করেছে,এরপরেই একেবারে বন্ধ হয়ে গেলো পুরাটা,এইখানে তো এমনই হয়। আজরা জেবিনের কথা মনে আছে? একাই পিটিয়ে কয়টা ছিনতাইকারি কাবু করে দিয়েছিলেন,ইভ টিজারদের ঐরকম ঠেঙানি যে কবে দিবে! (আমি নারীবাদী না,তবে মানবসমাজে বসবাসের অযোগ্য কীটদের শায়েস্তা করার জন্য জোরগলায় সমর্থন দিতে চাই)

৫. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:২৭
না বলা কথা বলেছেন: ধুন্ধুমার মার দাংগা চলতাছে,
যাইগা ভাইডি।
বেশি টাইম নিলে মাথা ফালা অইবা যাইবার পারে।
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:৩১

লেখক বলেছেন: আপনেও ২-৪ ঘা দিয়া যান এইদিক ঐদিক:)

৬. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:৩১
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: বিষয় বস্তু সম্পর্কে ধারনা বেশী নেই। তবে পোস্ট ভাল লেগেছে।
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:৩৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য উম্মু আবদুল্লাহ আপা।

৭. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:৪২
মিরাজ বলেছেন: বাবারে ডরাইছি..... জটিল মারপিট গবেষণা । :)
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:৫৫

লেখক বলেছেন: মারপিটগুলা দেখলে বেশ জোশ এসে যায়,আমরা বাঙ্গালিরা মনে হয় মাইরপিট বেশ পছন্দই করি:)

৮. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:০৮
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: বর্ণনা জোশ হইছে !

ছোটুকালে খুব খায়েশ ছিল, একটা কিছু শেখনের ! হালার ! এমন দৌড়ের উপর জীবন চলতেছে যে টাইমই পাইলাম না !-:)
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:১৩

লেখক বলেছেন: শিপন ভাই,পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
হ,কত খায়েশই যে মাঠে মারা গেল! ব্রুসলীরে দেইখা কত শখ জাগসিলো,কিন্তু বইয়ের সাথে মারামারি কইরাই সময় গেলো,তাই লেইখাই সাধ মিটাই:)

৯. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:৫৪
বিহংগ বলেছেন: চমতকার।
লাঠিয়াল, লাঠিয়াল, বাংলার লাঠিয়াল,বাংলার লাঠিয়াল।
অনেক কিছু জানলাম।
পড়ার মজাই আলাদা।
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:৫৯

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ। এ পর্বে মারপিট আছে,পরের পর্বে খুনোখুনি চলে আসবে। তবে কেউ বাংলার লাঠিয়ালদের নিয়ে ১টা লেখা দিলে ভালো হতো।

১০. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:০৬
রাগিব বলেছেন: লাঠিয়ালদের নিয়ে কিছু লেখা দেয়া হলে সেটা বাংলা উইকিপিডিয়াতে যোগ করতে হবে, এই আবদার আগেই জানিয়ে রাখলাম।
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:১৭

লেখক বলেছেন: রাগিব ভাই,আশা করছি কেউ না কেউ আপনার আহ্বানে সাড়া দেবেন।

১১. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:১৫
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: হুমমম....জটিল গবেষণা হয়ে গেলো...স্কুলে থাকতে অনেক মারামারি করতাম...হি হি হি...
ধন্যবাদ
ভালো থাকুন
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:২৬

লেখক বলেছেন: হুম,মারামারি করতাম না,কারণ তাহলে একতরফা মার খাবার সম্ভাবনা ছিল:(
আপনিও ভালো থাকুন।

১২. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৪৪
পুতুল বলেছেন: সাধে কী আর সাধু হতে চাই!
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৩

লেখক বলেছেন: হাহাহাহা,হয়ে যান,এমনিতেই দুনিয়ার হাজার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবেন।

১৩. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:২৫
জাতক বলেছেন: খুবই সুন্দর বর্ণনা।
১২-১৩ বছর বয়সে ট্রাই করেছিলাম। কিন্তু আমার কাছে দৈহিক ক্ষমতার চাইতে আত্মিক ক্ষমতা বেশী অবাক করে। যারা ধ্যান বা মেডিটেশন করেন তারা ব্যপারটা বেশী অনুধাবন করতে পারেন বলেই আমার কাছে মনে হয়।
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৫

লেখক বলেছেন: মাস্টাররা আত্মিক ক্ষমতাটার উপরই জোর দেন বেশি,নিজের উপর অসাধারণ নিয়ন্ত্রণ না থাকলে এই পর্যায়ে যাওয়া কোনভাবেই সম্ভব না।

১৪. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৪
রোদ্দূর মিছিল বলেছেন: এক নিশ্বাসে পড়ে গেলাম আদ্যোপান্ত। অনবদ্য একটি লেখা- তথ্যনির্ভর, ব্যতিক্রম। মন্তব্য গুলোও কম যায়না। ধন্যবাদ।
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৪

লেখক বলেছেন: আমার কাছে সবার মন্তব্যগুলি পড়তেই ভালো লাগে,কত কিছু যে যোগ হয়ে যায় লেখার সাথে! পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

১৫. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৩৮
প্রণব আচার্য্য বলেছেন: হুম! অনেকদিন পর আপনার লেখা পাইলাম

ভালো লাগলো
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৪৪

লেখক বলেছেন: আপনাদের ভালো লাগলেই তো সার্থক। অনেক কৃতজ্ঞতা।

১৬. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৫৩
সত্যদা বলেছেন: ইয়া..আই..হাক..ইয়য়ূয়ূ....

প্রিয় পোষ্টে + গদাম (হিট রেঞ্জ....মিটার ফেল...এভাব ১৫০০০)

সামালকে
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:১২

লেখক বলেছেন: আমি ডরাইসি ভাই,নিরীহ মানুষ,জুডোর ক্লাসে গিয়া ১টা ট্রাই দেন:)
অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

১৭. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪৫
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
প্রোগ্রামটা যখন দেখেছিলেন( একবারই দেখেছিলেন সম্ভবত) তখন মেসেঞ্জারে এই নিয়ে অনেক গল্প করেছিলেন

ভাইরে, আপনার মেমরীরে ডরাইছি ।:(

:).

+.


১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৫৭

লেখক বলেছেন: ঐসময়ই লেখসিলাম সিহাব,প্রোগ্রামটা দেখে,বেশ মজা লাগসিলো।:) দেখার পরে ২-৩ দিন বেশ খালি হাত-পা নিজের থেকেই নড়াচড়া করতো কেমন জানি:)

১৮. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫৬
জিহাদ বলেছেন: সামনেই মেকানিক্স ক্লাসটেস্ট আছে।আপনের ব্লগের কনটেন্ট সেই অর্থে আমার পড়ার সাথে সময়োপযোগী :)
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৫৯

লেখক বলেছেন: সেইক্ষেত্রে ব্রাদার,আমি বলি মেকানিক্সটাই আমি বেশি ডরাই,মনে হইলে এখনো মাথা চক্কর দেয়,এমন ভুগাইসে যে বলার না:( আর ডিনামিক্স তো ভয়াবহ,দাঁড়ায়া থাকা জিনিসই সলভ করতে পারিনা আর সেইটা যদি নড়াচড়া শুরু করে,মাফ চাই:(

১৯. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪৬
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: মার মার কাট কাট , এক কথায় "ভয়াবহ পোস্ট " ।

আবার পড়লাম ।

আর এত কিছু মনে রাখলা কিভাবে ? কুংফুরা শিওর হতভম্ব হইতো তোমার স্মৃতি দেখে
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:০১

লেখক বলেছেন: মেহরাব,কে কারে কি কয়? হলে খোঁজ নিলে এই ব্যাপারে তোমারেই সবাই গুরু মানবে,বাজি ধরতে পারি:)

২০. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:২৭
জিহাদ বলেছেন: কিছুতেই কিছু হইলোনা ভাই।মন মেজাজ খারাপ...
মেকানিক্স ল্যাব এ আজকে পুরা শুয়াইয়া ফেলছে...
চিন্তা করতেসি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া বাদ দিয়া আবার নার্সারী রাইমস শুরু করমু কিনা :(
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০৬

লেখক বলেছেন: মেকানিক্স ল্যাবে যে শুইয়া পড়েনা তারে ফ্রিকের দলে ফেলা যায়,তুমি অন্তত নরমাল মানুষ:) শুরুই যখন কইরা দিসো,এখন আর উপায় নাই,এই জিনিস দিল্লীকা লাড্ডু,হজম কইরা যাও,মাঝে মাঝে সস হিসাবে নার্সারি রাইমটা রেসিপিতে রাখতে পারো।

২১. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১০
মুকুল বলেছেন: লেখাটা দারুণ হয়েছে :)

*****
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১৪

লেখক বলেছেন: মুকুল ভাই অনেক অনেক ধন্যবাদ:)

২২. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৫২
ত্রিভুজ বলেছেন:


মচৎকার পোস্ট.. পরের পর্বের অপেক্ষায় আছি.....
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ত্রিভুজ,দৌড়টা শেষ হলেই পরের পর্ব আসবে।

২৩. ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৫৪
এম.এ.হামিদ বলেছেন: ত্রিভুজ বলেছেন:

তিনি যদি দেখে যেতেন এই ব্লগের চেতনাধারী(!) রা কি ভাষায় কথা বলেন, তাহলে নিশ্চয় মনে আঘাত পেতেন। বাংলা ভাষার এত অবমাননা আমি আর কোথাও দেখিনি।

ভাষাসৈনিক আবুল হাশেমের আত্মা শান্তিতে থাকুক। মহান আল্লাহ তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসীব করুন।
২৪. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:০২
রুকনুজ্জামান বলেছেন: are vai bangalir basher cheiye kora kisu ase naki?
ai basher bari r dola khaiyai to pakistanira polaise.
amra ekta art banate pari "bashuraii".
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:০৮

লেখক বলেছেন: আবার জিগায়! আমার দাদার বাবার লাঠিখেলার শখ ছিল,তাঁর ১খান লাঠি আছে শৌখিন,ঐটা নাকি উনি ২ আঙ্গুলে ঘুরাইতেন,আমি কুলাঙ্গার সেটা ২ হাতেও ঠিকমত ঘুরাইতে পারি নাই:(

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:৪৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

২৬. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:৫২
নরাধম বলেছেন: পরের পর্ব কই?
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:২২

লেখক বলেছেন: ২ দিন পরে পরীক্ষা,বইয়ের লগে কুংফু খেলতাসি,শেষ হইলে দেয়ার ইচ্ছা:(

২৭. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৬
মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন: ভালো লেগেছে,

পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম।
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:২৩

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ,আসবে কয়েকদিন পরেই।

২৮. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:৪৭
মিরাজ বলেছেন: মারপিট গবেষণা করে ক্লান্ত নাকি?

পরের পর্ব কই? বেশী দেরী হলে কিন্তু গবেষণার ফলাফল প্রয়োগের চেষ্টা চালানো হতে পারে । :)
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৪৭

লেখক বলেছেন: পরের পর্ব রেডি আছে,কিন্তু শেষে কয়েক লাইন লেখা বাকি,এদিকে শনিবার আর বুধবার পরীক্ষা,ঐজন্য আর কোথাও হাত দিতে পারছিনা:(

২৯. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:০৪
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: সাপের ফনার পাঁচগুন? খাইছে ...ফাইট শুরু হওয়ার আগেই তো চিৎপটাং ...ভাগ্যিস কুংফু কারাতে শিখতে যাই নাই ... একটা হাড়ও আস্ত থাকতনা ... :(

লেখা সুস্বাদু হয়েছে ... +++++
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:২৯

লেখক বলেছেন: কে জানে,কুংফু শিখলে হয়তো উল্টা কইতেন,৫ গুণ কোন ব্যাপার?:)

৩০. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:২৩
মে ঘ দূ ত বলেছেন: সিরিজটা দেখেছিলাম। নিজে তায়কোয়ান্দোর ছাত্র ছিলাম বলে এর কিকের রেজাল্টটা দেখে একটু বেশীই খুশি হয়েছিলাম। :) তায়কোয়ান্দোতে পায়ের শৈল্পিক কিকের জোড়ালো ব্যাবহার হলে কি হবে এর অনেক দুর্বলতাও আছে। প্রতিপক্ষ যদি পাটাকেই ব্যাবহার করার সুযোগ না দে তাইলেই হয়েছে। এর পাঞ্ছ এবং গ্র্যাবিং কুংফুর বা কারাটির মতো ওটোটা ভালো না।

তবে মার্শাল আর্টস ফর্মে আমি নিনজাদেরি সেরা মানি। সব কিছুরি কম্বিনেশন আছে ওতে।
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৩০

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, নিনজাদের উপরও একটা পর্ব ছিল। ওদের ব্যালেন্স দেখার মত, বিশেষ করে ট্রেনিংয়ে যেভাবে সারি সারি নানান উচ্চতার দণ্ডের উপর দিয়ে লাফিয়ে যায়, অবিশ্বাস্য।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৩৭৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
খুব সাধারণ মানুষ ..এখনো বেকার,পড়ছি পুরকৌশল এ। মাথা একটু গরম,একটু বোকাও,তবে মানুষটা মনে হয় আমি খারাপ না।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ