আমার প্রিয় পোস্ট
- বিবিসির অসাধারণ একটি ডকুমেন্টারিঃ সেরা সাই-ফাইও হার মানবে - বিডি আইডল
- উইকিপিডিয়াতে লেখা সাজাবার সহজ উপায়-(পর্ব-১) - সাদাচোখ
- প্রিয় খাবারের তালিকা, উগ্র রসনা বিলাস - সাঈফ শেরিফ
- ব্যক্তিগত কথা: শুদ্ধতা - জ্বিনের বাদশা
- প্রমিত বাংলা বানান রীতিঃ সচরাচর সমস্যা করে এমন শব্দের একটি সম্ভার! - ম্যাভেরিক
- আন্তর্জাতিক শেয়ার বাজারের পতন ও ফাইনান্সিয়ালাইজেশানের সংকট - দিনমজুর
- ০: একটি স্বর্গীয় পরিভ্রমণের গল্প (সম্পূর্ণ) - ম্যাভেরিক
- ইজরায়েলের জবানবন্দী:: তেলআবিবে বিপন্ন মানবতা আর আত্মরক্ষার অধিকার !! - মেহরাব শাহরিয়ার
- অগুনিত মেহেরের গল্প। - সৌম্য
- ট্রেকিং, ব্যাগ পেকিং আর হাইকিং, এডভেঞ্চারের সাথে মিশে যান প্রকৃতির সাথে - সৌম্য
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা-৫০ (যা চেয়েছি, যা পাবো না --সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- ব্লগারস ব্লাড ব্যাংকঃ ১২৯ ব্লগারের তথ্য (আপডেট পোস্ট) - ফিউজিটিভ
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -২ (GRE)। - কুম্ভকর্ণ
- হার-জিত - আশরাফ মাহমুদ
- একদিন এক বাদলা দিনে। - কোলাহল
- বৃষ্টিমুখর দিনরাত্রি - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- টানেলের শেষেও শুধু অন্ধকারের গান - সন্ধ্যাবাতি
- কখনও স্মৃতি পাহারা দেবার সময় আসে - মাহবুব মোর্শেদ
- সন্ধ্যা ৪ - মাহবুব মোর্শেদ
- সাংবাদিকতার গায়ে 'হলুদ' - ফয়সল
- আজ শ্রাবনের আমন্ত্রনে... - আস্তমেয়ে
- গুগল কথন - ৪ : ব্রিন আর পেইজের কথা - রাগিব
- হারিকেন - দ্য ডিভাইন উইন্ড (৩) - তানভীর
- ঢাকা, মৃতের শহর । । ঢাকা, সিটি অব দ্যা ডেড । । টাইম ম্যাগাজিন। সোমবার, মে ৩, ১৯৭১ - এহহামিদা
- ৭১ এর সকল বীর সেনানীর পক্ষ থেকে: ২০০৭ এর প্রজন্মের Xদফা দাবী - জ্বিনের বাদশা
- : আমাদের ক, খ, গ, ঘ, এবং ঙ : - নজমুল আলবাব
- জরুরি অবস্থার অগল্প - হিমু
অ্যাপোক্যালিপস ফিলিস্তিন
২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৩
আমার বড় বোনের একটা ফুটফুটে বাচ্চা আছে। পরিবারের নতুন প্রজন্মের প্রথম সন্তান,সবার বড় আদরের। কোল থেকে হামাগুড়ি দিয়ে কুটকুট করে হাঁটতে হাঁটতে ৫ বছরে পড়ে গেছে। কলকল করে হাসে,বাড়িময় ঘুরে বেড়ায়,বড় ভাল লাগে দেখতে। একটা নতুন ক্যামেরা কিনেছি, সাথে সাথে রাখি,দুরন্ত বাচ্চাটা একমুহূর্তের জন্যও স্থির হয়না,এরমাঝেই তক্কে তক্কে থাকি,একটু সুযোগ পেলেই ছবি তুলে ফেলি।কান্না কাকে বলে জানে না সে,সময় পেলেই তাই বসে বসে বাচ্চাটার হাসিমুখের ছবিগুলো দেখি,মাটির পৃথিবীটাকে স্বর্গের কাছাকাছি বলে ভ্রম হয়,নইলে দেবশিশু কিভাবে আসে আমাদের ঘরে?
স্বার্থপর হলেও মাঝে মাঝে নিজের এই শান্তি ছেড়ে দুনিয়াদারির খবর নিতে পত্রিকার পাতায় চোখ বুলাই,ভুল করে টিভির খবরও দেখি কখনো কখনো। যদিও তারা আমার পেটের ভাত জোগাবে না তারপরেও চোখ মাঝে মাঝে পড়ে যায়। কিছুদিন হলো পত্রিকার পাতাগুলোতে বড় বড় ছবি দেখি। ধোঁয়ার ছবি,আগুনের
ছবি,সাইন্স ফিকশন মুভিকে হার মানানো চেহারার অস্ত্র হাতে দাঁড়িয়ে থাকা সুদর্শন সৈনিকদের ছবি,যারা নিজেদের ইসরায়েলি বলে পরিচয় দেয়। আর দেখি বড় বড় চোখের, কোঁকড়া কোঁকড়া চুলের শিশুদের ছবি। দেখলে মনে হয় গালটা টিপে দেই, কোলে নিয়ে ঘুরে বেড়াই,ঘাড়ে চড়িয়ে আকাশটাকে দেখাই,
আর তার বদলে ওরা কলকল করে হাসুক, আমি শুনে প্বথিবীটাকে আরেকবার স্বর্গ বলে ভুল করি,নিজের জন্মের জন্য বিধাতাকে ধন্যবাদ জানাই।
কিন্তু এই শিশুগুলো হাসে না। ওদের ছবিতে হাসিমুখ থাকে না। ওদের চোখে জল থাকে,ওদের গালে কান্নার দাগ থাকে,ওদের গায়ে বারুদের কালি থাকে,ওদের চুলে ধুলোর জটা থাকে। ওদের ছবিগুলো প্রতিদিন বদলে যায় খবরের পাতায়,কারণ আরো একবার ছবি তোলার জন্য ওরা বেঁচে থাকে না। ওরা ফিলিস্তিনের শিশু,ঘৃণার আগুনে পুড়ে ওরা জন্মানোর আগেই মরে যায়। ওরা বাতাসে ফুলের গন্ধ চেনে না,ওরা নীল আকাশ চেনে না,ওরা পাখি চেনেনা,ওরা গান বোঝেনা।
বারুদের ঝাঁঝ ওদের সুগন্ধি,কালো ধোঁয়া ঢাকা আকাশের নিচে ওরা বন্দী, ইসরায়েলের কুৎসিত ফাইটার জেটই ওদের পাখি,কামানের গোলা আর রকেটের শব্দ ওদের সংগীত,ওরা ফিলিস্তিনের নিষ্পাপ শিশু,যারা নিজের মৃত্যু পরোয়ানা হাতে নিয়ে জন্ম নেয়।
আমার ঘরে দু'জন মানুষ আছে। আমার মা, আমার বাবা। সবাই বলে, সেই ছোটবেলা থেকে মা'কে দেখেছে আঙ্গুল ধরে স্কুলে নিয়ে যেতে, আর দেখতে দেখতে আজ আমি মায়ের মাথা ছাড়িয়ে গেছি। লাঠি নিয়ে যে বাবা তাড়া করতো এককালে,এখন মাঝে মাঝে আমিই তার অভিভাবক। তার পরেও এখনো মা মুখে তুলে খাওয়ায়,বাসায় ফিরতে একটু দেরি হলেই বাবার ফোন পেয়ে অস্থির হয়ে উঠি, বাসে করে বাড়ি ফিরতে পারবো কিনা সেই চিন্তায় গুরুজনরা চিন্তিত।
বাসায় ফিরে মায়ের দেয়া চায়ের কাপটা হাতে নিয়ে সকালের বাসি পত্রিকাটা নিয়ে বসি। আবারো ভেতরের পাতায় চোখ আটকায়, আমাদের কিছু যায়-আসে না তারপরেও আটকায়। আমার বয়সী কোন ফর্সা তরুণের লাশের সামনে মাথা ঢেকে বসে এক ফিলিস্তিনি বাবা,পাশের ছবিতে কিশোর ছেলের গুলিবিদ্ধ মৃতদেহের সামনে আহাজারি করা কোন এক মা। আমার মা নয়,কোন এক অজানা কিশোরের মা,কিন্তু মা,যে মায়ের পরিচয় মুসলিম মা নয়,ইহুদী মা নয়,শুধুই মা,যার সন্তানকে একটু পরে কবরে নামিয়ে দেয়া হবে।সন্তানের লাশটা কাঁধে নিয়ে যিনি হেঁটে যাবেন,তিনি ফিলিস্তিনের কোন এক বাবা। সন্তানের জন্মের পরই যিনি ধরে নেন এই সন্তানের জন্য দুশ্চিন্তা করার ভাগ্যও তার হবে না,জন্মানোর সাথে সাথেই কোন একটা ঘাতক বুলেটের গায়ে তার সন্তানের ঠিকানা লেখা হয়ে গেছে।
আমার বয়স ২৫ বছর,আমি বাংলাদেশের এক তরুণ। আমার এক দঙ্গল বন্ধুবান্ধব আছে,আমার একটা স্বপ্ন আছে,আমার একগাদা হতাশা আছে। কিন্তু আমার চারপাশে সবুজ আছে,আমার দেশের মুক্ত ভূমি আছে,নিজের মাটিতে হেঁটে বেড়াবার স্পর্ধা আছে। আমার সাথে স্বপ্ন দেখার মানুষ আছে,আমার স্বপ্ন ভেঙে দেবার মানুষ আছে,সেই স্বপ্ন আবারো দেখার সাহস আছে।আমি হাসতে পারি আমি গাইতে পারি আমি গলা ছেড়ে গলাবাজি করতে
পারি। আমি আমেরিকার মুভি দেখে ইসরাইলের সুন্দরীর ব্লন্ড চুলের মুগ্ধতায় ভেসে যেতে পারি,আমি বারাক ওবামার দিনবদলের বাগাড়ম্বরে নিজেকেও শামিল ভেবে বিশ্বের সব মুক্তিকামীর চামড়া তুলে নিতে পারি,আমি কোকাকোলা খেয়ে নাইকির টিশার্ট পরে স্ট্যাচু অভ লিবার্টির মশালের আলোয় নিজেকে আলোকিত মানুষ
করতে পারি,আমি আইনস্টাইনের মেধাকে পূজা করে স্পিলবার্গের ম্যূভি টেকনিকের সাথে নিজেকে ট্রান্সফর্ম করতে পারি,আমি ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার সংগ্রামকে পিপীলিকার পাখা গজানো বলে বিদ্রুপ করে ইসরাইলের সাথে শান্তি চুক্তি চাইতে পারি, আমি আরবের মেরুদণ্ডহীন নেতাদের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে নিজেকে দুর্বল ভেবে
হাত গুটিয়ে বসে থাকতে পারি,দুনিয়ার এত অত্যাচারিত থাকতে ফিলিস্তিনিদের জন্যই এত কথা বলাকে বানরের নাচ বলে নিজেকে বেকুবের কাতারে শামিল না করে ঘরে বসে মুসলিম ব্রাদারহুডের গুষ্ঠি মেরে নিজেকে মহাজ্ঞানী প্রমাণ করতে পারি।
আমি অনেক কিছুই করতে পারি।কিন্তু ফিলিস্তিনের কোন সদ্য তরুণ,জন্ম যার মৃত্যুশিবিরে, কামানের গোলা আর জেটবিমানের শব্দে যার শৈশব কাটে,কৈশোরে যার পা দিতে হয় ইসরাইলি ট্যাঙ্কের গায়ে ঢিল মেরে,সেই তরুণের হাতে প্রেমিকার হাতের চেয়ে একে-৪৭ ই ভাল মানায়। তাদের আমরা সন্ত্রাসী বলতে পারি,তাদের জন্য সামান্য সহানুভূতিও না দেখিয়ে তাদের বোকা ফিলিস্তিনি বলে বিদ্রুপ ছুঁড়ে দিতে পারি,কিন্তু তাতে পুরুষান্তরে স্বপ্ন দেখা কোন ফিলিস্তিনি তরুণের স্বাধীনভূমির স্বপ্ন মরে যায় না,লায়লা খালেদের মত কোন তরুণীর জন্ম তাতে ঠেকানো যায় না। জায়োনিস্ট নিয়ন্ত্রিত পশ্চিমা মিডিয়া আমাদের চোখে যে রঙিন চশমা এঁটে দিয়েছে,নিয়ত মৃত্যুর সাথে হেঁটে চলা তরুণের চোখ সেই চশমা ছেড়ে সাদাকালো পৃথিবীকে অনেক আগেই দেখতে শিখেছে, আমরা কি ভাবলাম কি বললাম তাতে মুক্ত বাতাসে শ্বাস নেয়ার জন্য ছটফট করা ফিলিস্তিনের মানুষের কিছু যায়-আসে না।
ফিলিস্তিনের মত আমাদেরো কিছু যায়-আসে না,যায়-আসে না মৌলবাদের বিষ রক্তে নিয়ে বেড়ে ওঠা ইসরাইলের সৈনিকদেরও,যায়-আসে না সারা বিশ্বকে কাচকলা দেখানো বিশ্বমোড়লেরও। তারপরেও আমাদের বোকা মানুষেরা রাস্তায় নামে,গলা ফাটায়,স্লোগানে মুখরিত করে পথ,পোস্টার হয়, কুশপুত্তলিকা পোড়ে বুশের, পতাকা পোড়ে ইসরাইলের। পৃথিবীতে বোকা মানুষের অভাব নেই,তাই কিছুই হবে না জেনেও আমেরিকার পথে পথেও মিছিল হয়,মিছিল হয় পৃথিবীর সব কোণে। মুক্তিকামী মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা এড়াতে না পেরে কিছু হবে না জেনেও ভেনেজুয়েলা আর বলিভিয়া ঘাড় ধরে বের করে দেয় ইসরাইলের রাষ্ট্রদূতকে,কিছু হবে না জেনেও বাংলাদেশের সরকারী চুক্তিপত্রে লেখা থাকে--"অল কান্ট্রিস এক্সেপ্ট ইসরায়েল"। কিছু হবে না জেনেও আঁদ্রে মালরো ঘোষণা
দেন বাংলাদেশের পক্ষে অস্ত্র ধরার,কিছু হবে না জেনেও জর্জ হ্যারিসন গেয়ে ওঠেন বাংলাদেশের গান,কিছু হবে না জেনেও একজন মার্ক ওডারল্যান্ড অস্ত্র ধরেন বোকা তরুণ মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য,কিছু হবে না জেনেও চে গুয়েভারা ছুটে যান কঙ্গো আর বলিভিয়ার অরণ্যে। অসম্ভবের স্বপ্ন নিয়ে তাই ঘর ছাড়ে মাথায় গামছা বাঁধা বাংলার তরুণ,বাঘের ছাপ দেয়া ইউনিফর্মের জাফনার তামিল যোদ্ধা গুঁড়িয়ে গিয়েও স্বাধীন ভূমির স্বপ্ন দেখে,ইন্তিফাদার পতাকা গায়ে জড়িয়ে ফিলিস্তিনের তরুণও মুক্ত হাওয়ার গান শোনে।
তাই আমাদের মত যারা আরব বাদশাহর পশ্চিমপ্রীতির দোহাই দিয়ে ফিলিস্তিনিদের যুদ্ধে আমাদের সমর্থনকে হেয় করে,তাদের কথায় কোন উদ্ধত তরুণের স্বাধীন আবাসভূমির স্বপ্ন মরে যাবে না। মুসলিম ব্রাদারহুড নিয়ে যারা গলা ফাটায় আর প্রথম সুযোগেই আমেরিকান ড্রিমার হতে চায়,তাদের নাকিকান্নাতেও ঐ মৃত শিশু প্রাণ ফিরে পাবে না। আমাদের প্রতিবাদ বুলেটবিদ্ধ কিশোরের জীবন ফিরিয়ে দেবে না,কিন্তু আমাদের আক্রোশের চিৎকার মানুষ হিসেবে আমাদের পৃথিবীর বুকে দাঁড়াবার অধিকার দেবে। পাথর হাতে দাঁড়ানো নিষ্পাপ মুখের কিশোরটিও জানে তার পাথরে দানবের ট্যাঙ্কে ফাটল ধরবে না,পরাধীন বাংলাদেশের যে কিশোরটি বুকে মাইন বেঁধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল ট্যাংকের নিচে সেও জানতো স্বাধীন দেশ দেখার জন্য সে বেঁচে থাকবে না। তারপরও মানুষ লড়াই করে যায়,তারপরেও মানুষ মাথা উঁচু করে মানুষ পরিচয়ে পরিচিত হতে চায়।
আমি জানতে চাই না ফিলিস্তিনিরা মুসলিম কিনা,আমি এও জানতে চাই না ফিলিস্তিনের কেউ আমার দেশের নাম জানে কিনা,কিন্তু আমি মানুষ হতে চাই। ঘাতকের ট্যাঙ্কের সামনে দাঁড়ানো পৃথিবীর প্রতিটি সাহসী মানুষের কাছে আমি মানুষ হিসেবে নিজেকে দাবী করতে চাই,হয়তো ভীতু মানুষ যার গোলার সামনে বুক পেতে দেয়ার সাহস নেই,কিন্তু একজন মানুষ যার মানুষ হয়ে ওঠার ইচ্ছা মরে যায়নি,দূর থেকে হলেও মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়ানো সাহসী মানুষগুলোর জন্য যার গর্বে মাথা উঁচু হয়ে ওঠে।আমার চিৎকার দানবের গায়ে কুটোটিও ঝরাবে না জেনেও শুধুমাত্র মানুষ হবার জন্য আমি চিৎকার করে বলে যেতে চাই--- "ফিলিস্তিন মুক্ত
হোক,পৃথিবীর রং দেখার আগেই যে শিশুটি খুন হয়ে গেছে তার ঘাতকের বিচার হোক, সত্য প্রকাশিত হোক,পৃথিবীর সব প্রান্তের মুক্তিপাগল মানুষের জয় হোক।"
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ফিলিস্তিন ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। সব কিছু দেখলে কেমন যেন অস্থির লাগে,আমাদের কিছুই করার নেই।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
সত্য প্রকাশিত হোক,পৃথিবীর সব প্রান্তের মুক্তিপাগল মানুষের জয় হোক।
লেখক বলেছেন: জয় হোক।
সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
মানব মনের পশুত্ব মরেনা, শুধু স্থান কাল পাত্র বদলায় । যে পশু ছিল হিটলারের ভেতর তা এখন আছে বুশ বা এহুদ ওলমার্টের ভেতর । দেশ কাল সীমানার গন্ডি পেরিয়েও মানুষ একই ভাবে বিপন্ন ।
ফিলিস্তিনের মৃতরা, আমাকে ক্ষমা করো, আমি তোমাদের যুগের একজন অক্ষম তুচ্ছ মানুষ ছিলাম । কিছু করতে পারিনি আমি ! আমাকে ক্ষমা করো !!
লেখাটিতে অসহাত্ব প্রকাশের মাধ্যমে, "কিছু হবেনা জেনেও" ক্রোধের প্রকাশের মাধ্যমে দায়মুক্তির প্রচেষ্টা আছে ।
++ ।
লেখক বলেছেন: আজকাল আর রেগে যেতেও পারিনা,সবকিছু গায়ে সয়ে গেছে।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
"ফিলিস্তিন মুক্ত হোক,পৃথিবীর রং দেখার আগেই যে শিশুটি খুন হয়ে গেছে তার ঘাতকের বিচার হোক, সত্য প্রকাশিত হোক,পৃথিবীর সব প্রান্তের মুক্তিপাগল মানুষের জয় হোক।"
লেখক বলেছেন: মানুষের জয় হোক।
কণা বলেছেন:
এই লেখাটি পড়তে পড়তেই হয়তো আরো কয়েকটি প্রাণ ঝরে পড়েছে... তারপরেও এই অক্ষম আমি চিৎকার করে বলতে চাই, ফিলিস্তিন মুক্ত হোক! +
লেখক বলেছেন: ফিলিস্তিন মুক্ত হোক!
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
যদি আমাদের ধর্ম বাণী বা নবীর দেয়া ভবিষ্যতবানী শোনাও, পড়ো, এ ফিলিস্তিন মুক্ত হবার নয় পৃথিবীর ধ্বংসের আগ পর্যন্ত। (দজ্জাল, ইমাম মাহদী, ঈসার যুদ্ধ দ্রষ্টব্য)। আমি ভাবি অন্য কথা।পুরো ইজরায়েল-ফিলিস্তিন প্রসঙ্গটা প্রচ্ছন্ন বা প্রকট ভাবে মুসলিম-ইহুদী যুদ্ধ বা ধর্ম ভিত্তিক আকার পাচ্ছে, মানবতার প্রশ্নকে এড়িয়ে। আমাদের দেশেই বহু ছেলেকে দেখলাম অর্ন্তজালে আবেগ তাড়িত হয়ে অনেক কিছু করছে। লঙ্কান সেনাবাহিনীর হাতে তামিল শিশু-নারী হত্যা হলে আমি নিশ্চিত ঘরের কাছের গণ হত্যার বিষয়টি আমাদের তেমন নাড়া দিত না।
যদি বিশ্ব জনমতের কথা বলো, কিছু সমাজতান্ত্রিক দেশের মানুষ, পশ্চিমের বিচ্ছিন্ন কিছু জাতি গোষ্ঠী গাজা গণহত্যা নিয়ে সরব। চায়নিজদের নীরব সমর্থন দেখলাম ইজরায়েলের পক্ষে, ভারতের সাথে ইজরায়েলের বহু পুরনো সখ্যতা হেতু সংখ্যা গুরু হিন্দুদের দেখলামনা গণহত্যার বিষয়ে সরব হতে।
কারণ পুরো বিশ্ব বিভক্ত আদর্শ নিয়ে, মানবতার প্রশ্ন অনেকের কাছেই অবান্তর। স্বদেশী বন্ধুদের দেখলাম আবেগ তাড়িত হয়ে হিটলারের বন্দনা করছে, সেটা যতটা মানবতার স্বার্থে তার চেয়ে বহুগুণ ধর্ম ভিত্তিক বিদ্বেষ থেকেই।
মানবতার প্রশ্নে সাধারণ মানুষই যখন বিভক্ত, এত বৈপরিত্য, এত আদর্শ ভেদ সেখানে গনহত্যার বিরুদ্ধাচারণ বিশেষ মহলের কাছে আমাদের সন্ত্রাসী হামাস সমর্থক বানিয়ে দিবে কিনা সে আশংকাও প্রবল। প্রবাসে আমার তেমনি অভিজ্ঞতা হয়েছে।
লেখক বলেছেন: এই ধর্মযুদ্ধের রূপ নেয়ার পুরো সুবিধাটা পাচ্ছে ইসরায়েল। যে কোন স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠীর সাথে কোনভাবে "মুসলিম" শব্দটা জুড়ে দিতে পারলেই তাদের "সন্ত্রাসী" বানানোর কাজটা সেরে ফেলে পশ্চিমের মিডিয়া। এজন্যই চেচনিয়ার স্বাধীনতাকামীদের কথা আসে না মিডিয়াতে যেখানে রাশিয়ানরা একই রকম হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে,আসে না চীনের উইঘুর মুসলিমদের কথাও। ওদিকে,যারা নিজেদের প্রগতিশীল বলে পরিচিত করতে চায় তাদের জন্য ফিলিস্তিন বা মুসলিম দেশগুলো স্বাধীনতা অ্যালার্জিক বস্তু,উল্টোদিকে মুসলিম ভাইয়ের শোকে কাতর কাঠমোল্লারা আবার ফিলিস্তিন বাদে আর কারো দিকেই তাকায় না। কিন্তু কাকে বলি,কিভাবে বলি,মরছে আসলে মানুষ,মরছে শিশু-বৃদ্ধ-কিশোর,গণহত্যা যার উপরই চলুক সেটার কোন জাস্টিফিকেশন নেই। সবাই শুধু ভাগ হয়ে নিজেরাই নিজেদের বিভ্রান্ত করে যাচ্ছে,মাঝ দিয়ে দানব সাম্রাজ্যবাদীরা শত বছরের পুরানো ডিভাইড এন্ড রুলস পলিসি চালিয়ে বগল বাজাচ্ছে।
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
মন্তব্য করার জন্য যথাযথ শব্দের নাগাল পাচ্ছিনা। আপনার প্রতি শ্রদ্ধায় নুয়ে এলো মাথা। অপেক্ষায় ছিলাম আর একটা রম্য দিনলিপির..প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: টিভিতে খবর দেখলে রম্য জানালা দরজা সব দিক পালায় ভাই,একদিকে নিজের দেশে চোরডাকাতের তামাশা আরেকদিকে বিশ্বমোড়লদের নির্মম রসিকতা। মানুষ হয়ে জন্মানোই একটা কঠিন কাজ।
রিসাত বলেছেন:
আর বইলেন্না ভাই,,, বুশ যাইবার কালে,,, ওবামার আমলে আর তো চান্স পাইবো না!! তাই সুযোগটা কাজে লাগাইলো!!!সবই পলিটিক্স
লেখক বলেছেন: ওবামার বক্তব্যেও এখন পর্যন্ত বুশের মূলনীতির বেশি একটা ব্যতিক্রম দেখি নাই,দেখা যাক।
লেখক বলেছেন: লাভ নাই,জুতা খায়াও যার শিক্ষা হয় নাই গালি দিয়া তার কিসু হইবো না।
রিসাত বলেছেন:
তাও গালি দিতে চাইলাদেনের ঘটনা থেকে শুরু করে ১১সেপ্টেম্বরের হামলাসহ অনেক কিছুই সাজানো মনে হয় আমার কাছে,,, মনে হয় এইসব আগ্রাসনের অযুহাত সৃষ্টি
এই সবের বিচার হওয়া উচিৎ
লেখক বলেছেন: সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলিকে চালায় তাদের সিস্টেম,ব্যক্তির ভূমিকা গৌণ। বিচার হওয়া উচিত,হয়তো কোনদিন হবে,তবে আপাতত রোমান সাম্রাজ্যের পতনের মত মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের পতনের পথ চেয়ে থাকা ছাড়া তেমন কিছু করার নেই,অক্ষম প্রতিবাদ করে গলা ফাটানো ছাড়া।
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
কী বলব! মনটা খারাপ হলো।
লেখক বলেছেন: সেটাই,শুধু মনই খারাপ হয়,বাকিটা অসহায়ত্ব।
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
হুমম। আমাদের মতো চুনোপুটিরা দুইপয়াসার বেগুণ দরে লিখে যাওয়া ছাড়া আর কিইবা করতে পারি। পৃথিবীর মুক্তিকামী সকল মানুষ মুক্ত হোক। যুদ্ধ নয় শান্তি চাই।
লেখক বলেছেন: যুদ্ধ নয় শান্তি চাই।
আকাশচুরি বলেছেন:
যুদ্ধ নয় শান্তি চাই।
লেখক বলেছেন: যুদ্ধ নয় শান্তি চাই।
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
কিছু বলতে পারছি না।
লেখক বলেছেন: কিছু বলারও নেই,হাত-পা এত বেশি বাঁধা,নিজের উপরই বিরক্তি এসে যায়।
সাইফুর বলেছেন:
প্রিয়তে
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ,সবাই একটু বাচ্চাগুলোর কথা মনে রাখলেও হবে।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
ফারহান,কিছু কিছু লেখা আছে সেগুলো পড়ে মন্তব্যের জন্য চারিদিকে হাতড়াতে হয়।এইটাই ঠিক তাই।সোজা প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: আপনি-আমি কথা না পেলেও ওভারস্মার্ট মহাজ্ঞানীরা ঠিকই কথা খুঁজে পায়। কারো অভিযোগ,আরবরা কথা বলে না,আমরা কেন বলবো? কারো কথা হলো,আমরা বললে কিছু হয়না,কেন বলবো? কেউ আবার বলে,আফ্রিকার কথা না বলে ফিলিস্তিন নিয়ে লাফাই কেন? আমি বলি,ভাইজানরা,আমাদের জ্ঞান এত গভীর না,আমরা আফ্রিকা পর্যন্ত যাই না,আমাদের সামনে যে ১ বছরের বুলেটবিদ্ধ মৃত শিশু আছে আমরা তাকেই দেখি। আমাকে আমার কথা বলতে দিন,আপনি দূরে গিয়া জ্ঞান ফলান,আমার ভাল লাগে না আমাকে বিরক্ত করবেন না।
পারভেজ বলেছেন:
ইতিহাসের পাতায় এ ধরণের সময়গুলি বার বার ফিরে ফিরে আসে।সম্ভবত এ থেকে মুক্তি নেই। এভাবেই হয়, হয়ে আসছে, হতে থাকবে।
ভাবনার গাঁথাটা সুন্দর
লেখক বলেছেন: এভাবেই হয়ে আসছে,তারপরেও আমাদের বলতে হবে,আমাদের দায় আমরা এড়াতে পারি না। এি ইন্টারনেটের যুগে কোন কণ্ঠই একদম বাতাসে মিলিয়ে যায় না।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ,আপনার জন্যও শুভেচ্ছা।
উত্তরাধিকার বলেছেন:
প্রিয় ফারহান,
আপনার লেখা নিয়ে টু শব্দ করার জো আমার নেই।
শুধু এটুকু বলি যে - শেষ অনুচ্ছেদে এসে মুঠি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল - হার্ট বীট বেড়ে গিয়েছিল।
হঠাৎ হঠাৎ সবকিছু তছমছ করে ফেলতে ইচ্ছে হয়।
"ফিলিস্তিন মুক্ত
হোক,পৃথিবীর রং দেখার আগেই যে শিশুটি খুন হয়ে গেছে তার ঘাতকের বিচার হোক, সত্য প্রকাশিত হোক,পৃথিবীর সব প্রান্তের মুক্তিপাগল মানুষের জয় হোক।"
লেখক বলেছেন: "হঠাৎ হঠাৎ সবকিছু তছনছ করে ফেলতে ইচ্ছে হয়।" নিজের অক্ষমতা মাঝে মাঝে খুব গায়ে লাগে।
লেখক বলেছেন: দেখছি।
লেখক বলেছেন: নিজেকে খুব দুর্বল লাগে,আসলেও আমরা তাই,এইসব হইচই করে আসলে কি হয়??
রাগ ইমন বলেছেন:
অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখা । চোখে পানি চলে এসেছিলো পড়তে পড়তে । ফিলিস্তিন মানবিকতার বাগাড়ম্বরের গালে একটা বিশাল চপেটাঘাত । একই সাথে কঙ্গো , বসনিয়া , কসভো , আফঘানিস্তান , ইরাক --- চলছেই মানব হত্যা ।
কখনো ধর্মের নামে , কখনো টেররিজম । অথচ ঘুরে ফিরে তলের কাহিনী হলো তেল -গ্যাস কিংবা হীরা ।
কিভাবে আমাদের ব্রেইন ওয়াশড হয়ে যায় -- এইটা আমেরিকানদের নিজেদের রিপোর্ট আর তারপরের সমীকরন -
রিপোর্ট ঃ ২০০১ সালে টুইন টাওয়ার ধ্বংসে অংশ নেয় সৌদি কিছু নাগরিক যারা অপারেশন পরিচালনা করে পাকিস্তান, আফঘানিস্তান এবং সৌদি আরব থেকে ।
ফলাফলঃ ইরাক দখল করে নাও !!!!!
লেখক বলেছেন: "তলের কাহিনী হলো তেল -গ্যাস কিংবা হীরা ।"
সেটা কিন্তু আমরা বুঝি,কিন্তু মিডিয়া আগ্রাসনে ডুবে থাকা তাদের লোকেরা বুঝে না। তাদের বোঝানো হয় মুসলিম মাত্রেই সন্ত্রাসী,৩য় বিশ্ব মানেই না খেতে পাওয়া তাদের দয়ার উপর নির্ভরশীল পোকামাকড়,বোমা খেয়ে যাদের ২-১ লাখ মরে গেলেও সমস্যা নেই,দুনিয়া চালাবে উন্নত বিশ্ব। আফ্রিকার হীরার খনি থেকে এখনো পশ্চিমা দেশগুলোর জাতীয় বাজেটের বড় অংশ আসে,আর কালো আফ্রিকানদের ভাগ্যে জোটে নিজেদের মাঝে মারামারি করার জন্য একে-৪৭। ফিলিস্তিনিরা আর ব্যতিক্রম কোথায়, এই হচ্ছে,এভাবেই হচ্ছে।
লেখক বলেছেন: লিখে কি আসলেই কি হয়? আমরা কি করতে পারি?
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: নিজেদের অক্ষমতায় মাঝে মাঝেই কেমন যেন লাগে,তারপরেও বলতে ইচ্ছা করে।
তিতিয়ানাতান্তা বলেছেন:
বিশাল কিন্তু ভাল লেখা। আমার ভাল লেগেছে
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা।
রাতের বৃষ্টির শব্দ বলেছেন:
ওওও
লেখক বলেছেন: হুমমম।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। খবর কি? দিনকাল কেমন চলে?
আবু সালেহ বলেছেন:
আমিও বলি...
হোক,পৃথিবীর রং দেখার আগেই যে শিশুটি খুন হয়ে গেছে তার ঘাতকের বিচার হোক, সত্য প্রকাশিত হোক,পৃথিবীর সব প্রান্তের মুক্তিপাগল মানুষের জয় হোক।"
লেখক বলেছেন: পৃথিবীর সব প্রান্তের মুক্তিপাগল মানুষের জয় হোক।
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
ফারহান,আমি চারবার লিখেছি এই পোস্টে কমেন্ট, কিন্তু কোনোবারই 'মন্তব্য প্রকাশ করুন' চাপতে পারিনি।
এই পোস্টের জন্য কোনো কমেন্টই যথেষ্ট নয়।
প্লাস ও যথেষ্ট নয়।
আপাতত অসম্ভবের স্বপ্ন দেখা মানুষদের দলে নিজেকে শামিল করে তত্ত্ব উপাত্ত ধমকে ন্যায় অন্যায় এর পার্থক্য না ভুলে যাই।
লেখক বলেছেন: কি আর বলবো? সমস্ত রীতিনীতিকে যেভাবে কাচকলা দেখিয়ে মানুষ নিধন চলছে,এরপরেও নিজেদের আর ৩য় বিশ্ব ভাবতে পারি না,তথাকথিত সভ্যতা শেখানোর প্রথম বিশ্বের মানবতার নমুনা দেখে সভ্যতার হাত থেকেই পালাতে ইচ্ছা করে।
মোসতাকিম রাহী বলেছেন:
যেদিন পোস্ট করেছো সেদিনই বাদশা আমাকে বললো, " তোমার কাজ সেরে শোয়ার আগে হলেও ফারহান ভাইয়ের লেখাটি পড়বে।"সেরাতেই পড়েছি। কিন্তু মন্তব্য করতে পারি নি। আজ আবার আরেকবার পড়ে জীবনানন্দ দাশের "অদ্ভুত আঁধার এক" কবিতাটি মনে পড়লো:
অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ-পৃথিবীতে আজ,
যারা অন্ধ সবচেয়ে বেশি আজ চোখে দ্যাখে তারা;
যাদের হৃদয়ে কোনো প্রেম নেই - প্রীতি নেই - করুণার আলোড়ন নেই
পৃথিবী অচল আজ তাদের সুপরামর্শ ছাড়া।
লেখক বলেছেন: খুব প্রাসঙ্গিক কবিতা এভাবে তুলে আনা আপনার পক্ষেই সম্ভব। এইটুকু যারা অনুভব করতে পারে তাদের জন্যই কথা বলার সাহস পায় অন্যরা,এইটুকু অনুভব বেঁচে থাকবে যতদিন,ততদিন আমরা আশাবাদী হবো,ততদিন আমরা মানুষের কথা বলবো। কৃতজ্ঞতা আপনাদের সবাইকে।
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
নতুন লেখা... নতুন লেখা...............চাই।
লেখক বলেছেন: একই দাবী তো আমারো![]()
জ্যাক দ্য রিপার বলেছেন:
আসলে বিষয়টা ধর্ম-অধর্মের উর্ধ্বে...মানবতা সম্পর্কিত
লেখক বলেছেন: ঠিক আছে,সেইটাই বলছি।
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন:
পছন্দের তালিকায় নিয়ে গেলাম। ............ পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিলো লেখাটা আপনি লিখেননি, যেনো আমিই এই কথাগুলো ভাবছি, লিখছি......
লেখক বলেছেন: সবাই ভাবি,শুধু কিছু করতে পারি না,এটাই দুঃখ।
বিডি আইডল বলেছেন:
প্রিয়তে নিয়ে গেলাম...অসাধারণ লেখা
লেখক বলেছেন: অনেক কৃতজ্ঞতা।
নিবেদীতা বলেছেন:
"হঠাৎ হঠাৎ সবকিছু তছনছ করে ফেলতে ইচ্ছে হয়।" নিজের অক্ষমতা মাঝে মাঝে খুব গায়ে লাগে।কষ্ট হয় খুব..
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ,তারপরেও নিরুপায়।
নম্রতা বলেছেন:
সত্যের জয় হোক ! ++
লেখক বলেছেন: সত্যের জয় হোক।
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
এত দিনের চাপা কষ্ট যেন আপনার লেখার মাধ্যমে প্রকাশ করলাম। মনে হচ্ছে আমার কথাগুলো পড়ছি। যা লিখতে পারিনা। ওরা বাতাসে ফুলের গন্ধ চেনে না,ওরা নীল আকাশ চেনে না,ওরা পাখি চেনেনা,ওরা গান বোঝেনা।
বারুদের ঝাঁঝ ওদের সুগন্ধি,কালো ধোঁয়া ঢাকা আকাশের নিচে ওরা বন্দী, ইসরায়েলের কুৎসিত ফাইটার জেটই ওদের পাখি,কামানের গোলা আর রকেটের শব্দ ওদের সংগীত,ওরা ফিলিস্তিনের নিষ্পাপ শিশু,যারা নিজের মৃত্যু পরোয়ানা হাতে নিয়ে জন্ম নেয়।
........ এখানে চোখ ঝাপসা হয়ে এলো।
আশাকরি ভালো আছেন?
শুভেচ্ছা থাকলো।
লেখক বলেছেন: সবকিছু মিলে খুব একটা ভাল নেই। অনেকদিন পরে আপনাকে দেখলাম ,কেমন আছেন?
মাইনাস বলেছেন:
আমি তুই রাজাকার। বুজলাম নাআমার পুস্টটা মুইছা দিল। পুরা ব্যান করল।আর এই মাইনাস নিকে একটা পোস্ট দিসিলাম নিকটাই ডিলিট কইরা দিল। মডুগ যে কি হইসে আল্লাই জানে। লগ আউট হইলে আমার কমেন্ট দিতে পারুম না। আমিত বুইঝা পাইলাম না আমি কি দোষ করছি।
আপনেরে পোস্টটা দিয়া গেলাম। শেষেরটা।
..........................
হঠাৎ থমকে গেলাম, নেই, যেখানে থাকার কথা ছিল সেখানে এখন শূন্য। শূন্যতার তীব্র আহাকার কামরে ধরে বুকের পাজর, চোখে অন্ধকার লাগে, আবারও দেখি, নাহ পোস্টটি নেই। পোস্টটি ডিলিট হয়েছে। অবাক হয়ে খুজি কি কারন থাকতে এর পেছনে। নাস্তিক, আস্তিক, প্রলয়, কোন জায়গা থেকে ডিলিট হল পোস্টটি ? আমি নাস্তিকতা ও আস্তিকতার মৌলবাদিদের সাপোর্টার নই, আমি প্রলয়েরও সাপোর্টার নই। আমি আমার দেশের সাপোর্টার। আমার দেশের জন্য যেটা ভাল হবে আমি তাই করব। সেটাকে কেও জাতীয় করন বলুক আর সব দোষ নিজের ঘাড়ে নেয়ায় বলুক আমি থোড়াই কেয়ার করি! একজন বাঙালী হিসেবে যদি আমার লজ্জা হয় প্রলয়ের অপকর্মে, তাহলে সেটা কি আমার দোষ, নাকি, সময়ের অযাচিত হস্তক্ষেপ ? আমি যদি আমার ছোট মেয়েটার জন্য ভয়ে কুকড়ে উঠি, ওর ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হই, সেটাও কি আমার দোষ ? আমার বুকে আচড়ে পড়া মেয়ে যখন বিষের যন্ত্রনায় নীল হয়ে যায়, মুখ দিয়ে অনবরত ফেনা পড়তে থাকে, সেটাতে কষ্ট পাওয়াও কি আমার দোষ ? হ্যা, সেটা আমার দোষই হবে, নইলে আমার মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুঃশ্চিন্তাগ্রস্থ পিতার মেয়ের কাছে ক্ষমার চাওয়ার পোস্টটি কেন ডিলিট করবে মহাশয় দেবরা ? দেবরা ভাই নাকি এই ব্লগের মডারেটর। উনার মানুষের ফিলিংস নিয়ে কিছু যায় আসে না। চোখে ঠুলি পড়ে সামনে যা আসে সব কিছু ডিলিট করে দিয়ে তার কর্মের দক্ষতা প্রমান করে থাকেন। কোন মেয়ের নিরব আকুতি লেখার অক্ষর ভেদ করে তার কাছে পৌছায় না। কে মরল, কে বাচল, কিসে যায় আসে!
মহাশয় দেবরা, হাত জোর করে বলি, আমার লেখার প্রলয় একটা চিহ্ন ছিল মাত্র। ওখানে কোনভাবেই প্রলয়কে নিয়ে কিছু বলা হয় নি যেটা নিয়মের লংঘন হয়। লংঘন যদি খুজতে চান তবে চোখ খুলে দেখুন সারাদিন আস্তিক আর নাস্তিক দিয়ে দুই মৌলবাদি গ্রুপের মারামারি। তাদের শব্দচয়ন হয়ত আপনার কাছে অতিশয় মধুর লাগে বিধায় তাদেরকে অনায়াশে দেখা যায় ব্লগের ময়দানে। আপনি কি তাদের পোস্টগুলো পড়ে দেখেন, নাকি চোখ বুলান ? কোন অসামঞ্জস্য কি আপনার চোখে পড়ে না?
মহাশয় দেবরা , আমি অতিশয় দুঃখিত এইভাবে কথা বলার জন্য। আমার গোস্তাকি মাফ করবেন। আমি মিনতি করি, আপনার যেন কোন মেয়ে না হয়, সেই এলোচুলে যেন আপনার বুকে কোনদিন আছড়ে না পড়ে। কোনদিন যেন না বলে, "বাবা, আমাকে পুতুল কিনে দিবে, ঐ যে লাল রংএর পুতুলটা?" আপনিও মায়াময় চোখে যেন ওর দিকে তাকিয়ে না বলেন," মা। চল বাইরে যাই, তোমার জন্য পুতুলের রাজ্য কিনে দেব।"আমি মিনতি করি, স্বপ্নভংগের ব্যথায় যেন আপনাকে নীল না হয়ে উঠতে হয়!" দুলছে হাওয়ায়, না না কোন ফুল নয়......নীলাঞ্জনা গানটার কথা খুব মনে পড়ছে। জানি না এই সময় মনে পড়ে ভুল করলাম কিনা! তাও মনে পড়ছে। এ যে বাবার মন! বাবাতো কখনো পারে না তার সন্তানের ক্ষতি চাইতে? সেতো চাইতে পারে না, তার সোনামনি মেয়ে লম্পট কাপুরুষের হাতে পড়ে নিঃশ্বেষ হোক! আমি আবারও মিনতি করি, আপনার যেন এই অবস্থা দেখতে না হয়।
মহাশয় দেবরা, আমাকে যদি চিনতে না পারেন তবে আমি বলি আমি কে? আমি অন্য আরেক নিকের অধিকারী এক মানুষ , যে ছদ্মবেশে সবসময় আপনাদের পাশে পাশে ঠাকে কিন্তু মুখ দেখানোর সাহস হয় না। লজ্জায়, ঘৃনায়, পুরুষ হবার যাতনায়। হ্যা, আমি তুই রাজাকার নিক। যেই নিকের পোস্ট আপনি আজকে ডিলিট করেছেন। কি ছিল তাতে, ছিল এক পিতার ঐ স্বপ্নগুলোর কথা ও স্বপ্নভংগের হতাশায় মেয়ের কাছে অক্ষম পিতার ক্ষমা চাওয়ার কথা। হয়ত সেই অক্ষম পিতার ক্ষমা আপনের ভাল লাগে নি। হয়ত সেই মেয়ের বিবর্ণ ছবিও আপনার মনকে নাড়া দিতে পারে নি। কিন্তু কি বলব মহাশয়, ওটাই যে আমার নিয়তি। ওর থেকে ভালভাবে যে আমি মনের কষ্ট প্রকাশ করতে পারি না। আমি তো সিনেমার ডায়লগের চিৎকার করে বলতে পারি না, হে পৃথিবী আমার বুকটা চিড়ে দেখ এই কষ্ট সত্য কিনা, মৃত মেয়ে কান্নায় এই বুকটা ভারাক্রান্ত কিনা। মহাশয় মাফ করবেন, আমি সিনেমা ও ভান্ডামী শিখিনি, আজও শিখতে পারলাম না।
দোয়া করি আপনার মেয়ে হলেও যেন সে সুখি হোক!
লেখক বলেছেন: দেবরা ভাই না,বোন,মহাশয়া। তবে কিনা,ব্যবসা বইলা কথা, এইখানে হিটের দাম দেখে,কাজেই কিছু পারভার্ট তাহারা নিজ উদ্যোগে পুষে থাকেন। আপনি চালিয়ে যান,অহেতুক ব্যান খাওয়া এখানে নতুন কিছু না,এ নিয়ে মন খারাপ করার কিছু নেই।
ভালো থাইকেন।
লেখক বলেছেন: এইখানে একটা ব্যাখ্যার দাবী রাখে। এককালে তিন গোয়েন্দা খুব পড়তাম,সেইখানে একটা কাহিনী ছিল,এক লোক ভাল ছবি আঁকতো,কিন্তু তার নাম কেউ জানতো না,কারণ সে খালি নকল ছবি আঁকতো,নিজের মন থেকে আইডিয়া নিয়ে ছবি আঁকার ক্ষমতা তার ছিল না। গল্প লিখতে প্লট লাগে,কল্পনাশক্তি লাগে,সৃষ্টিশীলতা লাগে,আমার মাঝে সেইগুলির কোনটা আছে এমন মনে হয় নাই কখনো,যা চোখের সামনে ঘটেনা সেরকম কিছু নিয়ে লিখতে আসলে পারিনা। ![]()
নুশেরা বলেছেন:
একটা গ্যাপ গেল; তাই অনেকদিন পর পড়লাম। কিছু বলার নেই; সোজা প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: অনেকদিন পরেই দেখলাম,একদম হাওয়া হয়ে গেছেন দেখি। কেমন আছেন আপু?
লেখক বলেছেন: এটা গেল এক ফিলিস্তিনের কাহিনী,পৃথিবীর কোণে কোণে এটাই হয়ে আসছে।
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
আমারে ফাঁকিবাজের অপবাদ দ্যান; নিজের ব্লগের দিকে তাকায়া দেখেন। এই পোস্টের পর কতোদিন গেলো, খেয়াল আছে??
লেখক বলেছেন: ১১ তলার ছাদে বইসা টাইমপাস করার লাইগা একটা লেখসিলাম,কিন্তু এইখানে টাইপ করার সময় পাইতাসি না।![]()
লেখক বলেছেন: দিচ্ছি রাহী ভাই।
আরিয়ানা বলেছেন:
ভাল লাগল লেখাটা।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
কোলাহল বলেছেন:
হাহ... এসবই দেখে যেতে হচ্ছে...
লেখক বলেছেন: সবাই-ই দেখে যায়।
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
মানে এহনো পান্ডুলিপি লেখেন?? গ্রেট। শেষ কবে হাতে লিখেছি মনে নেই।অধম পিরিতি দিবস লইয়া একখান পোস্ট মারছে। টাইম পাইলে ঘুইরা আহেন।
লেখক বলেছেন: কালকে রাত ১১টায় বাসার ফিরসি,এমন দৌড়ানিতে আছি। দাঁড়ান দেখতাসি।
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
লেখাটা অনেক আগে পড়া উচিৎ ছিল, আর আমি বরাবরই ঔচিত্যবোধটা বুঝতে ভুল করি।।। অনেক কিছু যে বলার আছে এমনটি বরবোনা, তবুও মনে হচ্ছে কিছু একটা যেন বলা উচিৎ।। স্বভাবগতভাবেই আমি একজন ভীরু-অন্তর্মূখী-এসকেপিস্ট ধরনের মানুষ, তবুও এইধরনের ইস্যুতে স্থির থাকতে পারিনা। আমাদের মত অতি সাধারণ মানুষের লেখায় একটি মৃত্যুও রোধ হবেনা, তবে অন্তত এটুকু সান্ত্বনানিতে পারি যে 'নৃশংসতার বিপক্ষে আমার বিবেক তার অবস্থান নিতে পেরেছে।"..............এই পোস্টে আসলে দীর্ঘ মন্তব্য লেখা অর্থহীন।।।
লেখক বলেছেন: নিজের বিবেকের কাছে একটা অক্ষম জবাব বলা যায়,এর বেশি কিছু করার ক্ষমতা নেই।
নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী বলেছেন:
আসাধারন লেগেছে লেখাটা। এক কথায় অপূর্ব। মাঝের কিছু অংশ কবিতার মত শোনায়:ফিলিস্তিনের শিশু
- ফারহান দাউদ
এই শিশুগুলো হাসে না।
ওদের ছবিতে হাসিমুখ থাকে না।
ওদের চোখে জল থাকে,
ওদের গালে কান্নার দাগ থাকে,
ওদের গায়ে বারুদের কালি থাকে,
ওদের চুলে ধুলোর জটা থাকে।
ওদের ছবিগুলো প্রতিদিন বদলে যায়
খবরের পাতায়, কারণ আরো একবার
ছবি তোলার জন্য ওরা বেঁচে থাকে না।
ওরা ফিলিস্তিনের শিশু, ঘৃণার আগুনে পুড়ে
ওরা জন্মানোর আগেই মরে যায়।
ওরা বাতাসে ফুলের গন্ধ চেনে না,
ওরা নীল আকাশ চেনে না,
ওরা পাখি চেনেনা, ওরা গান বোঝেনা।
বারুদের ঝাঁঝ ওদের সুগন্ধি,
কালো ধোঁয়া ঢাকা আকাশের নিচে ওরা বন্দী,
ইসরায়েলের কুৎসিত ফাইটার জেটই ওদের পাখি,
কামানের গোলা আর রকেটের শব্দ ওদের সংগীত,
ওরা ফিলিস্তিনের নিষ্পাপ শিশু,
যারা নিজের মৃত্যু পরোয়ানা হাতে নিয়ে জন্ম নেয়।
লেখক বলেছেন: দেখার চোখ লাগে,আপনার আছে,ছাই থেকেও বের করে আনতে জানেন।
হরিসূধন বলেছেন:
ফারহান ভাই সব সময়ই খুব ভালো লিখে...
ফারহান ভাইয়ের লেখা এবং আমার পড়া শ্রেষ্ট ।
এ যেন কবিতা...
লেখক বলেছেন: লিখে কি আসলে মৃত্যুর মিছিল থামানো যায়? সবকিছুই অর্থহীন লাগে।
ভুডুল বলেছেন:
অসাধারণ!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
রমিজ মৃধা বলেছেন:
পুরুষ মানুষ হইয়া জন্মানোর অনেক অসুবিধা.........চিৎকার কইরা কানতে ইচ্ছা করলেও পারিনা!+
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ।
অলস ছেলে বলেছেন:
অদ্ভুত ভালো লেখা। অসাধারণ মানবীয় অনুভূতি।
লেখক বলেছেন: অনুভূতিটা ছোঁয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
কি অসাধারন একটা লেখা..............
ফারহান মন থেকে তোমার জন্য দোয়া করছি।
এমন অনূভূতিশীল লেখা ।এমন করে লিখতে পারা।
আল্লাহ তোমার মঙ্গল করুক।
দু'চোখ ভেসে গেলো।
এমন করে ভাবতে কেনোসবাই পারি না,পারে না?
তাহলে তো এমন ছবি দেখতে হতো না ,যা দেখতে চাইনা........
পরশু বসে প্রিয় এক বন্ধুর সংগে এইসব নিয়েই কথা হচ্ছিল.......
মানুষ তো তার জন্মের জন্য দোষী নয়......যে যেই পরিবারে জন্মাবে।যেই পরিবেশে বড় হবে।সেই পরিবারের থেকে সব কিছু শিখবে........।
আমাদের ছেলেরা অন্য দেশ অন্য পরিবেশে বড় হয়েও তো
আমাদের মত করে ভাবছে।
পৃথিবীর সব মানুষের ধর্ম যদি একটাই হতো তাহলে কি যুদ্ধ বলে কিছু থাকতো না?.........
আসলে মানুষ আমরা যতদিন না সত্যিকারের মানুষ হবো ততদিন এইসব দেখে যেতে হবে.......
আমাদের দেশের একটার পর একটা ঘটে যাওয়া ঘটনা কি তার প্রমান না?
ভালো থেকো......।
তোমাদের দেবশিশুটাকে অনেক আদর.............
অনেক শুভকামনা তোমার জন্য/
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, একসময় তো পড়েছেন, তাতেই হবে।![]()
লেখক বলেছেন: আমাদের মানুষ হতে দেরি আছে।
আমি সাইরাজ বলেছেন:
ভাই এতো সুন্দর করে কেমনে লিখলেন পোলা মানুষ বইলা স্বীকার করলাম না চোখে পানি আইসা পরসে
+
লেখক বলেছেন: বাচ্চাগুলিরে দেখে চোখে পানি আসলে সেইটাই স্বাভাবিক।
অনেক ধন্যবাদ, একটা দারুন লেখার জন্য।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ। দুর্বল মানুষের এইটুকুই করার আছে।
লেখক বলেছেন: পড়েছেন যে সেটাই অনেক, অসংখ্য ধন্যবাদ। ![]()
শওকত বলেছেন:
"ফিলিস্তিন মুক্ত হোক,পৃথিবীর রং দেখার আগেই যে শিশুটি খুন হয়ে গেছে তার ঘাতকের বিচার হোক, সত্য প্রকাশিত হোক,পৃথিবীর সব প্রান্তের মুক্তিপাগল মানুষের জয় হোক।"
লেখক বলেছেন: এই ছবিগুলি বছরের পর বছর বদলায় না, একই থাকে, আমরা এদের বাদ দিয়েই মানবতার বগল বাজাই।
আশরাফুল করিম খান বলেছেন:
মনের কথা +++
লেখক বলেছেন: আমাদের কথা ওরা কেউ শোনে না।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...























আপনার হাবিজাবি লেখা কে +