[আপডেট: ৭২ মিনিটে লুই ফ্যাবিয়ানোর গোলে সমতা আনার পর ৮৩ মিনিটে লুসিওর হেডে গোল, খেলার ফলাফল ব্রাজিল ৩- ইউএসএ ২, ২য় অর্ধে ব্রাজিল গুছিয়ে উঠে খেলার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিল। এলানো আর দানি আলভেজকে নামানোর পরই ব্রাজিলের খেলা বদলে যায়, এবং ৩-২ গোলে জিতে ৩য় বারের মত কনফেডারেশনস কাপের শিরোপা জিতলো ব্রাজিল]
শিরোনামেই সব বলে দিচ্ছে, বেশি কথা বলা নিষ্প্রয়োজন। এটুকু বলতে পারি, ব্রাজিল সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে যা খেলেছে আজকেও প্রথমার্ধে তেমনই খেলেছে, আর ইউএসএ তার সেমিফাইনালের কাউন্টার অ্যাটাক স্ট্র্যাটেজিতে আজকেও সে পর্যন্ত পুরোপুরি সফল ছিল। ১০ মিনিটে কিছুটা গোলরক্ষক হুলিও সিজারের টাইমিংয়ের দোষে ডেম্পসি প্রথম গোল করে এগিয়ে নেন ইউএসএ কে, আর এরপর ব্রাজিল যখন পুরোপুরি আক্রমণে তখন ডেম্পসি আর ডনোভানের দেখার মত একটা কাউন্টার অ্যাটাকে ২৭ মিনিটে ডনোভান ব্যবধানটা করে দেন ২-০। ব্রাজিলের খেলা, বিশেষ করে গোলের কাছে তাদের শট আর মিস দেখে মনে হচ্ছে, উদ্দেশ্যহীন। এমন চালিয়ে গেলে, কনফেডারেশনস কাপ নিশ্চিতভাবেই এক নতুন চ্যাম্পিয়ন দেখতে যাচ্ছে, এবং মেক্সিকোর পর যুক্তরাষ্ট্র ২য় উত্তর আমেরিকান দেশ হিসেবে এই টুর্নামেন্ট জিততে যাচ্ছে। তবে, ফুটবলে শেষ বলে কিছু নেই, যেখানে দলটা ব্রাজিল সেখানে অনেক কিছুই হতে পারে, দেখা যাক।
[পুনশ্চ: আমি আর্জেন্টিনার সমর্থক, কিন্তু ইউএসএ'র মত দলগুলো যে স্ট্র্যাটেজিতে ফুটবল খেলে সেটা পছন্দ করার কোন কারণ নেই, এরা জিতে গেলে, সত্যি বলতে কি খুশি হবো না]
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


