আমার প্রিয় পোস্ট
- বিবিসির অসাধারণ একটি ডকুমেন্টারিঃ সেরা সাই-ফাইও হার মানবে - বিডি আইডল
- উইকিপিডিয়াতে লেখা সাজাবার সহজ উপায়-(পর্ব-১) - সাদাচোখ
- প্রিয় খাবারের তালিকা, উগ্র রসনা বিলাস - সাঈফ শেরিফ
- ব্যক্তিগত কথা: শুদ্ধতা - জ্বিনের বাদশা
- প্রমিত বাংলা বানান রীতিঃ সচরাচর সমস্যা করে এমন শব্দের একটি সম্ভার! - ম্যাভেরিক
- আন্তর্জাতিক শেয়ার বাজারের পতন ও ফাইনান্সিয়ালাইজেশানের সংকট - দিনমজুর
- ০: একটি স্বর্গীয় পরিভ্রমণের গল্প (সম্পূর্ণ) - ম্যাভেরিক
- ইজরায়েলের জবানবন্দী:: তেলআবিবে বিপন্ন মানবতা আর আত্মরক্ষার অধিকার !! - মেহরাব শাহরিয়ার
- অগুনিত মেহেরের গল্প। - সৌম্য
- ট্রেকিং, ব্যাগ পেকিং আর হাইকিং, এডভেঞ্চারের সাথে মিশে যান প্রকৃতির সাথে - সৌম্য
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা-৫০ (যা চেয়েছি, যা পাবো না --সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- ব্লগারস ব্লাড ব্যাংকঃ ১২৯ ব্লগারের তথ্য (আপডেট পোস্ট) - ফিউজিটিভ
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -২ (GRE)। - কুম্ভকর্ণ
- হার-জিত - আশরাফ মাহমুদ
- একদিন এক বাদলা দিনে। - কোলাহল
- বৃষ্টিমুখর দিনরাত্রি - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- টানেলের শেষেও শুধু অন্ধকারের গান - সন্ধ্যাবাতি
- কখনও স্মৃতি পাহারা দেবার সময় আসে - মাহবুব মোর্শেদ
- সন্ধ্যা ৪ - মাহবুব মোর্শেদ
- সাংবাদিকতার গায়ে 'হলুদ' - ফয়সল
- আজ শ্রাবনের আমন্ত্রনে... - আস্তমেয়ে
- গুগল কথন - ৪ : ব্রিন আর পেইজের কথা - রাগিব
- হারিকেন - দ্য ডিভাইন উইন্ড (৩) - তানভীর
- ঢাকা, মৃতের শহর । । ঢাকা, সিটি অব দ্যা ডেড । । টাইম ম্যাগাজিন। সোমবার, মে ৩, ১৯৭১ - এহহামিদা
- ৭১ এর সকল বীর সেনানীর পক্ষ থেকে: ২০০৭ এর প্রজন্মের Xদফা দাবী - জ্বিনের বাদশা
- : আমাদের ক, খ, গ, ঘ, এবং ঙ : - নজমুল আলবাব
- জরুরি অবস্থার অগল্প - হিমু
সেলিব্রিটি সিনড্রোম
২৫ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১:২৮
কেউ হয়তো মাথা ন্যাড়া করে ফেললেন, যেমন ব্রিটনি স্পিয়ার্স। কেউবা ড্যানিয়েল রেডক্লিফের মত ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে গেলেন প্লেবয় মডেলের সাথে, প্লেবয় হিসেবেই। কেউ হয়তো নিজের একান্ত ভিডিও ছেড়ে দিলেন ইন্টারনেটে। স্টেফানি রাইসের মত কেউ নাইটক্লাবে নেচে অথবা ফেসবুকে ছবি দিয়ে খবরে, পল গ্যাসকোয়েনের মত কেউ আবার গার্লফ্রেন্ডকে পিটিয়ে প্রথম পাতায়। মাইকেল জ্যাকসন আবার নিজের চেহারাটাই বারবার প্লাস্টিক সার্জারি করে খবর হয়েছেন, আবার জিম মরিসনের মত কেউ কেউ মাদকের ঘোরে হারিয়ে গিয়েছেন অকালে। এমনকি হালের ক্রেজ মাইলি সাইরাসও নিজের এমন ছবি তুলে নেটে ছেড়ে দিয়েছেন, অন্য যে কেউ হলে এফবিআই নিশ্চিতভাবেই চাইল্ড পর্নোগ্রাফির জন্য গ্রেফ্তার আর মামলা করে দিত। না, পাপারাজ্জিদের কথা হচ্ছে না, হচ্ছে সেলিব্রিটিদের কথাই। যেখানে পাপারাজ্জিরা জড়িত নয়, সেখানে নিজেরাই বিচিত্র উদ্ভট সব কাজকর্ম করে খবরে চলে আসেন তারা। ভালভাবে হোক, খারাপভাবে হোক, নিজেকে স্পটলাইটের নিচে রাখা চাই-ই, চাই নিজেকে আলাদা করে রাখা।
ঠিক কি কারণে এ ধরণের আচরণ? শুধু হলিউডের সেলিব্রিটিরাই নয়, এমন উদ্ভট কাজকারবার সব দেশের সেলিব্রিটির জন্যই সাধারণ ব্যাপার। যে লোকটা ক'দিন আগেও ছিল খুব সাধারণ, সেলিব্রিটি হয়েই হঠাৎ করে বদলাতে থাকে তার আচরণ। মনে আছে হয়তো সবার, প্রথম ক্লোজআপ ওয়ানে যারা টপ টেনে ছিল, তাদের অনেকেই যতটা না গানের জন্য খবর হয়েছেন, দুর্ব্যবহার, অনিয়ম, সময়মত কাজ না করা, রাস্তায় লোকজনকে পেটানো, এমনকি একজন গাঁজা খাওয়ার জন্যও খবর হয়েছিলেন। এককালের অতি বিনয়ী আশরাফুল এক সমর্থককে চড় দিয়ে
খবর হলেন, এদিকে মাশরাফি আরেক সমর্থককে বলে বসলেন যে তাদের খেলা দেখতে আসতে তো কেউ জোর করেনি, আসে কেন?
বললে আসলে শেষ হবে না, কারণ স্ক্যান্ডাল নেই এমন সেলিব্রিটি খুঁজে পাওয়া মোটামুটি অসম্ভব, আর নোংরা নিয়ে ঘাঁটাঘাটি করাও এই লেখার উদ্দেশ্য নয়, সেটার জন্য "সান" বা "ডেইলি মিরর" অথবা এই দেশের পত্রিকাগুলোর সিনেমা পাতার সাংবাদিকরা সদা তৎপর। মাঝে মাঝে ভাবতে অবাক লাগে অবশ্য, শুধুমাত্র নোংরা ঘাঁটাঘাটি করাই কিভাবে কিছু লোকের পেশা হতে পারে,
পরে মনে হয়, দুনিয়াতে শকুনের অভাব নেই, ক'টা বাড়লে আর এমন কি?
আসলে যেটা নিয়ে বলতে চাইছিলাম, কেন এমন করে সবাই? এটা কি রোগ? নাকি সৃষ্টির আদিকাল থেকে আমাদের জিনের মাঝে আমরা এটা বহন করি? ঠিক যেমন অন্ধকারের ভয়, তেমনই কি এই "সেলিব্রিটি সিন্ড্রোম"? হতে পারে, যদিও সেটা নিয়ে আমার কাছে কোন তথ্যপ্রমাণ নেই। তবে এটা বেশ জানি, নিজেকে অন্যের চেয়ে আলাদা প্রমাণ করতে, বিশেষ কিছু একটা হয়ে উঠতে আমাদের চেষ্টার শেষ নেই। কাউকে বলে দেখুন, আরে তোমাকে একদম অন্যরকম মনে হয় আমার, খুশি না হয়েই যাবে না। ভেবেও দেখবে না, আসলেই সে কতটা অন্যরকম। আর এই অন্যরকম হতে কতরকম প্রয়াস। কেউ চুল স্ট্রেইট করে ফেললো, কেউ কোঁকড়া করে ফেললো। কেউ পিন হাই হিল পরলো তো কেউ ঢাউস সাইজের বুট। ও যদি লম্বা জামা দিয়ে ফ্যাশান করে তো আমাকে শরীর না দেখালেই চলছে না। অমুকের কানে ২টা ফুটো, আমাকে তো ৫টা করতেই হবে, পরে ফুটো বন্ধ করার দরকার হলে কি হবে সেটা নিয়ে পরে ভাবা যাবে।
শুধু যে সাজপোশাক দিয়েই নিজেকে আলাদা প্রমাণ করার চেষ্টা সেটা না, আছে নিত্যব্যবহার্য বস্তুতেও। সেলফোন জিনিসটা কথা বলার জন্যই, কাজেই শব্দ আসবে-যাবে ওটুকুই যথেষ্ট হবার কথা, কিন্তু আলাদা দেখাতে হবে না? কাজেই ঢালো টাকা, ধার করে হলেও কেনো লেটেস্ট মডেল। এন-৯৫ থাকলে কিনে দাও পোলাপানকে এন-৯৭, পাশের বাসার সাহেবের কন্যার এন-৯৫ আছে, আমারটা তাহলে আলাদা হবে কিভাবে? আবার সেই জিনিস দেখানোও চাই, কাজেই পকেটে জায়গা থাকলেও সেলফোন খানা ধরে রাখো হাতে আর রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময়েও কানে গুঁজে
রাখো হেডফোন, তাতে গাড়িচাপা পড়লাম নাকি আমাকে রামছাগলের ছোট পোনার মত দেখালো পরোয়া নেই। যার গাড়ি আছে তার আবার অন্য সমস্যা, ১০ জনের টয়োটা করোলা থাকলে আমার লাগবে বিএমডব্লিউ, ওর ড্যাডি মার্সিডিজ কিনলে আমার ফেরারি লাগবেই। কাজের মাঝে কাজ হলো, আরো কিছু কালো টাকার এদিক ওদিক, সেই ধাক্কাটা অবশ্যই সামলানো হবে কারখানার শ্রমিকদের বেতন আটকে দিয়ে।
লেখালেখির জগতের দিকে একটু দৃষ্টি ফেরাই বরং। এ বাবদে আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় সেলিব্রিটি হুমায়ুন আহমেদ, যিনি কিনা তালে ঠিক হলেও নিজেকে জাতে মাতাল হিসেবে প্রমাণ করতে উৎসুক। নিভৃতচারী হিসেবে নিজেকে দাবী করেও বুড়ো বয়সে বিয়ে করে সর্বদাই আছেন প্রচারের আলোতে, আর তাতেও বুড়ো ভামের মন ভরেনি, গত বছর দুয়েক হলো বইমেলাতে একদল পাঁঠাকে হলুদ পাণ্ঞ্জাবী পরিয়ে তাদের সাথে মিছিল করে মেলায় হাজির হয়ে নিজেকে আস্ত ভাঁড় প্রমাণ করে হলেও খবরের শীর্ষে থেকে যাচ্ছেন। আধুনিক লিটল ম্যাগ পার্টির প্রায় সবাই নিজেকে ভাবেন অনন্য,
সেরকম উত্তরাধুনিক সব লেখা আর তার দক্ষিণাধুনিক সব বিশ্লেষণ যেগুলো তারা ছাড়া আর কেউ বোঝেন না এবং একে অপরের পিঠ চুলকে এই না বোঝার দলে তারাই যে বাংলা সাহিত্যে পরবর্তী
নোবেলটা নিয়ে আসতে যাচ্ছেন সে বিষয়ে নিঃসন্দেহ হয়ে নেন। শুধু লেখা দিয়ে অনন্য হতে চাইলে সমস্যা ছিল না, কিন্তু আজিজ মার্কেটে গেলে জটাচুলধারী গামছা-তসর-খাদি-ঝোলা-ফ্যাশানের
ভবিষ্যৎ বুদ্ধিজীবি এবং বুদ্ধিজীবিনীদের দেখলে মাঝে মাঝেই নিজের মানবজন্মের প্রতি উদাসই হয়ে যাই, কিছুই হলোনা এ জীবনে, খানিক ভাব ধরলেও তো গতি হতো।
মোটকথা, সেলিব্রিটিদের দোষ দিয়ে বিশেষ লাভ নেই, কে না চায় সেলিব্রিটি হতে? এই ব্লগেই দেখুন না, আমাদের পোস্ট যাতে লোকে পড়ে তার জন্য চেষ্টার কোন কমতি নেই। নাফে এনাম তার
হরর পত্রিকার বিজ্ঞাপন দিয়ে, কবিকূল একের পর এক কাব্য প্রসব করে, নূরে আলম তার ভাঁড়ামি দিয়ে, আবার ফিউশন ফাইভ তার চামচামি দিয়ে হলেও নজরে থাকতে চান। যখন সামহোয়্যারে সর্বোচ্চ ব্লগার বলে একটা তালিকা ছিল, আলী নামের এক ব্লগার একের পর এক কপি-পেস্ট করে যেতেন শুধু সেখানে নিজের নামটা দেখানোর জন্য, অন্যের বিরক্তি এলো কিনা সেদিকে খেয়াল না করেই। রাস্তায় টিভি ক্যামেরাটার সামনে একবার মুখ দেখানোর জন্য আমাদের কি প্রাণপণ প্রচেষ্টা, এমনকি স্টেডিয়ামে গিয়ে আফ্রিদি ম্যারি মি বলে লোকের সামনে আলাদা হতেও এই বঙ্গললনাদেরও আপত্তি নেই। লাল ঝাণ্ডার লোকে আলাদা হতে চায় নিজেকে গরীবের বন্ধু বলে, যদিও সুযোগ পেলে তাদের অনেকেই যে নীল ঝাণ্ডার তলে চলে যাবেন, প্রথম আলোর মতিউর রহমান আর বুয়েটের এককালের বামনেতা আনিসুল হকের চেয়ে জ্বলজ্যান্ত প্রমাণ আর কোথায় পাবেন? "যা কিছু ভালো তার সাথেই প্রথম আলো" স্লোগানধারীরা দেশ বদলের শপথের ভণ্ডামি দিয়ে নিজেকে
আলাদা প্রমাণ করেছে সন্দেহ নেই, আর সেই শপথে নিজেকে বদলে নিতে এই ব্লগেই স্বচ্ছতার স্লোগান তোলা সালাউদ্দিন শুভ্রর মত ব্যক্তিও আলু ব্লগের মডারেটর হয়ে অস্বচ্ছ কায়দায় পোস্টও মুছে যাচ্ছেন। আসলেই সেলিব্রিটি সিন্ড্রোম, ভণ্ডামি করে হলেও জাতে উঠে যদি আলাদা হওয়া যায় একটুখানি!
হাজার হাজার বছরের এই অভ্যাস নিয়ে তাহলে আজই এত কথা কেন? কোন কারণ নেই, নাই কাজ তো খই ভাজও হতে পারে, হঠাৎ করেই আসলে মনে হলো। কেন মনে হলো সেটাও বিচিত্র, রোনালদো মাথা ন্যাড়া করলেন, মনিকা ক্লিনটনের সাথে কেলেংকারির খবর ফাঁস করে দু'পয়সা কামিয়ে নিলেন, এলিজাবেথ টেলর আটখানা বিয়ে করলেন, আর এতদিন পরে কেন এই হতভাগা
আমজনতার পিছনে পড়লো তবে? আসলে হঠাৎই ভাবনা এলো যে আমরা হয়তো জাতিগতভাবে বাড়াবাড়ি সেলিব্রিটি
সিন্ড্রোমে ভুগছি। আমরা খেতে পাই না পাই দামী একটা মোবাইল কিনবো, সরকারি চাকরি করে জনতার সেবার শপথ নিয়ে গুলশানে বাড়ি তুলবো, পাশের বাসার ভাবির থেকে নিজের বৌকে
আলাদা করার জন্য তাকে হীরার সেট কিনে দেব। ছোটলোকের বাচ্চার সাথে বাংলা মিডিয়ামে পড়াবো? অসম্ভব, আমার একটা ইজ্জত আছে না? মাসিক ৩০ হাজার টাকা বেতনের ইংলিশ মিডিয়ামে না পড়লে মান-সম্মান কোথায় থাকে? দামী গাড়ি একটা থাকলে ৩টা কিনতে হবে, পুরনোটা পাল্টে নতুন নিতে হবে, সেলফোনের নবতম মডেলটা ছেলেকে দিতেই হবে, গার্লফ্রেন্ডও পুরনো মডেলের হয়ে গেলে নতুন মডেল বেছে নিতে হবে। ঝকঝকে গাড়ির পাশে চকচকে বান্ধবী না থাকলে ডিজুস জেনারেশনের ভাব কোথায়, লোকের মনে রাখতে হবে না আমার কথা? বাংলা ভাষাটা পুরনো হয়ে গেছে, এভাবে বললে কেউ আজকাল পাত্তা দেয় নাকি? র কে ড়, শ কে স, মূর্খ কিছু ডিজে আরজে'র সাথে তাল মিলিয়ে জগাখিচুড়ি বাংলিশ আর হাঁটুকাটা পেটকাটা রঙচঙে জিন্সের সাথে সেটওয়েট চুল, বগলে ক্যাপ্রি আর গ্লোসি লিপের হাইহিল গার্ল, ক্লাউন লাগুক আর যাই লাগুক, আমি কিন্তু আলাদা, বন্ধুমহলের সেলিব্রিটি। সেলিব্রিটি হবার নেশাতে ছাড় দিচ্ছি না আমাদের সন্তানদেরও, ভাবী জানেন বাচ্চাটাকে গানের স্কুলে ভর্তি করে দিলাম, এত পড়ার চাপ, বিকেলের আগে সময়ই পায় না, তাই সন্ধ্যার পরে গান শিখবে, আসছে বার ক্ষুদে গানরাজে কম্পিট করবে। দেখলেন না, ঐ যে, পাশের বাসার বাচ্চা, ওতো গতবার সেমিফাইনালে গেছিলো, আমার মেয়ে দেখবেন ফাইনালে যাবেই। ওহ, আমার ছেলেকে তো ক্রিকেট
কোচিংয়ে দিলাম, একটু বড় হোক, সাকিব আর মাশরাফির চেয়েও বড় অলরাউন্ডার হবে।
তা হচ্ছে বটে, স্কুল-টিচার-গান-নাচ-অভিনয়-আবৃত্তি, সবকিছুতেই সেলিব্রিটি হতে হবে, কাজেই দরকারে বলি দাও শিশুর শৈশব কৈশোর, সেলিব্রিটি নিজে হতে না পারি, সেলিব্রিটির বাপ-মাও ছোটখাটো স্টার বটে। নতুন জেনারেশান ছুটছে, রাম্পে নয়তো বিলবোর্ডে মুখখানা তুলতে হবে, মুখ না তুলে শরীর তুললেও সমস্যা নেই, টিভি ক্যামেরা পেয়ে গেলে তো আরো ভাল। বুদ্ধিজীবিরা ছুটছেন টক শো'তে সেলিব্রিটি হতে, নেতারা ছুটছেন সংসদে সেলিব্রিটি হতে, আর নিদেন কিছু না পারি, অন্তত নিজের সানগ্লাস পরা টাইট টিশার্টে অথবা হট ছবিতে বুক দেখিয়ে ফেসবুক সেলিব্রিটি হতেই বা দোষ কি?
নাহ, মানুষের ব্যক্তি অহমের বিরুদ্ধে এই লেখা নয়, কিন্তু গোটা জাতিটাই যখন সমষ্টির অহম ভুলে জাতিগত গর্ব ভুলে একে অন্যের পশ্চাতে, এমনকি কখনো নিজের পশ্চাতেই বাঁশ ঢুকিয়ে সেলিব্রিটি হবার নেশায় দৌড় শুরু করে, তখন কি একটুও ভাবার নেই? নাকি এটাও কোন অলস মনের সেলিব্রিটি হবার দুঃখ ভোলার আক্রোশের প্যাচাল?
জবাবটা মনে হয়, এই অর্বাচীনের কীবোর্ডে দেয়ার চেয়ে সময়ের হাতে ছেড়ে দেয়াই ভাল।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): সেলিব্রিটি ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: হেহে, উনারাও তো মানুষ। তবে উনাদের হাত থেকে যা বের হয়েছে তাতে সবই জায়েজ।![]()
লেখক বলেছেন: অনেকদিন পরে এলেন কিন্তু, কেমন আছেন? ![]()
_তানজীর_ বলেছেন:
সুন্দর বলেছেন! ভালো লাগলো অনেক। এটা আমাদের সহজাত প্রবৃত্তি। ট্যাকনোলজির কল্যাণে যে কেউ যে কোনো সময় বিখ্যাত হতে পারছে। একারণে দেখা যাচ্ছে সাধারণ ছেলেমেয়েরাও নিজেদের আপত্তিকর ছবি দিয়ে রাখছে ওয়েব সাইট গুলোতে। আবার যখন পাটকেল হয়ে ফিরে আসছে তখন প্রাইভেসী প্রাইভেসী বলে চিক্কুর দিচ্ছে। খুব কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি আমরা।
লেখক বলেছেন: এটা এক ধরণের রিভার্স গেম বলে মনে হয়। নিজেই আজব কাণ্ড করে কুখ্যাত হয়ে আবার সেটা নিয়ে হইচই করে বিখ্যাত হয়ে যাওয়া, সেলিব্রিটিদের পুরানো খেলা। দুঃখের বিষয়, আজকাল মনে হয় সবাই সেটা রপ্ত করে ফেলছে।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।![]()
লেখক বলেছেন: হেহে, কয়দিন আগে উটুদা হুমকি দিসিলেন তার আন্ডু নিয়া টান দিসি, আপনে আবার লুঙ্গি নিয়া আসলেন, মানহানির মামলা হয়া যাবে রে ভাই।![]()
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন:
সেলিব্রিটি ব্লগার হয়ে এটা কি লিখলেন !!!!সেলিব্রিটি হতে ইচ্ছে করে ......... !!! :-(
লেখক বলেছেন: ভাইরে, এতবড় অপবাদ দিলেন?
সেলিব্রিটি ব্লগার কইলে সামুতে যা বুঝায় তাদের মাঝে যাওয়াটা খুব স্বস্তিকর না, মাফ দেন আমারে।![]()
শয়তান বলেছেন:
ভাগ্য ভালো । আম্রা আম আছি ।
লেখক বলেছেন: আবার কন! আম জাম কাঁঠাল হইলে সমস্যা নাই, আপেলের মত সেলিব্রিটি হইতে চাই না।![]()
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
তবে এটা বেশ জানি, নিজেকে অন্যের চেয়ে আলাদা প্রমাণ করতে, বিশেষ কিছু একটা হয়ে উঠতে আমাদের চেষ্টার শেষ নেই। -- ফারহান ভাই, জবাবটা এই লাইনেই দিয়ে দিয়েছেন। এর পর কেউ যদি বিশেষ কিছু বা গুরুত্বপূর্ণ কিছু একটা হিসেবে রিকগনিশান পেয়ে যায় , তাহলে সেটা ধরে রাখা তার জন্য একটা মানসিক চাপ হয়ে যায়। এটাও আপনার ও হবে ,
মানসিক জোর না থাকলে এটাকে সহজে আপনি আমি কেউউ দূরে রাখতে পারবো না।
সেলিব্রেটি বলতে আমরা যাদের জানি তাদের মাঝে ৮০ ভাগই স্পোর্টস বা শো-বিয এর। এনাদের পেছনের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে বলেন এই খ্যাতিকে সহজভাবে নেয়ার মানসিক জোর কয়জনের থাকতে পারে?
ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি (
লেখক বলেছেন: জায়গামত ধরসেন, সাইকোলজিটা নিয়ে আলোচনা করতে চাইছিলাম, ত্যানা পেঁচাতে গিয়ে দূরে সরে গেছি। আমাদের ভেতরেই আছে যে কাউকে দেবতার আসনে বসানো এবং নিজেও সেরকম একজন হয়ে ওঠার চেষ্টা, তবে হয়ে ওঠার পরে নিজেকে ঠিক রাখার মত লোক আসলেই কম, আদৌ আছে কিনা তাও জানি না। মাইকেলকে নাকি লোকজন এমনভাবে ঘিরে ধরতো যে মনে হতো টুকরো টুকরো করে ফেলবে, এ থেকে বেরিয়ে আসতে চেয়েও কিন্তু শেষমেশ নিভৃতে গিয়ে সেই খ্যাতিটাকেও তারা মিস করেন। একজন ব্যতিক্রম মনে এলো, সুচিত্রা সেন, বারবারই ভাবি কিভাবে পারলেন, কতখানি জোর থাকতে হয়, নাকি মনের জোর না, কোন হতাশা? অথবা এটা করেই কি তিনি আরো বেশি লাইমলাইটে থেকে গেলেন বাকি জীবন? কে জানে!
"ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি"-- মানে কিনা, আপনেও সেলিব্রিটি ছিলেন? ![]()
লেখাটা মনোযোগ দিয়ে পড়ার চেষ্টা করলাম । দুর্দান্ত লাগলোরে ভাই।
এই তো চলছে এখন...............
অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: সময়ের দাবী, যাবেন কই? তালে তালে দৌড়ান, নাইলে ধপাস।
না বলা কথা বলেছেন:
সাবাশ বেটা!! সাবাশ!!!!
লেখক বলেছেন: মাথা পেতে নিলাম আশীর্বাদ, সবকিছু ফেরাতে হয় না।
একজন সুখীমানুষ বলেছেন:
দারুন। ইনিডয়ায় ট্রিটমেন্ট করতে যায় হেইডা নিয়াও গল্প। "ঢাকার ডাক্তার পারলো না। মাদ্রাজ নিয়ে যাচ্ছি"
লেখক বলেছেন: খিক খিক, হ। ঈদের শপিং করতে সিঙ্গাপুর গেলাম, এইটাও যোগ কইরা নিতে পারেন।![]()
সৌম্য বলেছেন:
গুরু। আমারে একটা অটোগ্রাফ দেন।
লেখক বলেছেন: বস, আর বাম্বু দিয়েন না
মাফ চাই।![]()
লেখক বলেছেন: ইমোগুলার লাইগা একটা ঢুঁ দিয়া আসতে হবে, আরো যোগ করতে পারো, সামুতে সব ইমো নাই, মাঝে মাঝেই কিছু দরকার হয়, এই বাবদে ব্লগারদের চাহিদা অনুযায়ী একটা জরিপ করে ফেলা যায়।
সোনালীডানা বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।![]()
নির্ভয় নির্ঝর বলেছেন:
পড়ে অসম্ভব ভালো লাগল। কথায় প্রকাশ করতে পারব না।আমার পক্ষ থেকে প্লাস এবং প্রিয়তে রাখলাম। ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা।![]()
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
খাইছে ! মনিকা, মাইকেল থেকে শুরু করে শুভ্র কাউকেই তো ছাড়েন নাই ! সাব্বাস ......একেবারে ফাটাইয়া ফালাইছেন ......
লেখক বলেছেন: আমরা শুভ্রদের নিয়া কথা না বলি, তেনারা আন্ডু নিয়া বিব্রত আছেন, সেলিব্রিটিদের আন্ডু ভয়ানক জিনিস, মানহানির মামলা হইতে পারে।![]()
লেখক বলেছেন: ইমোগুলা দেখি সেলিব্রিটি হয়া গেছে।![]()
লেখক বলেছেন: এ ভাই, আর বাঁশ দিয়েন না। ব্লগে আসল সেলিব্রিটি হইলো পাঠক, যারা পাঠকের দৌড়ানি খাইসে তারা টের পাইসে। বিশ্বাস না হইলে আবদুন নূর তুষাররে জিগেস কইরেন।![]()
লেখক বলেছেন: আপনের প্লাস পায়া আনন্দিত হইলাম।![]()
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
-- কুয়ার মইধ্যে, একটা অংশে , কিছু মাত্রায়, ছিলাম। সইরা আসছি, কইবার মত একেবারেই কিছু না, কিন্তু ওই কুয়ায় ওইটার প্রতিধবনি ব্যাপক ছিলো।
লেখক বলেছেন: ভাইজান, সেলিব্রিটি মাত্রেই কিন্তু স্ক্যান্ডাল থাকে, আপনের স্ক্যান্ডাল কি আপনি নিজেই বয়ান করবেন নাকি আমরা পাপারাজ্জি লাগাবো? ![]()
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন:
এসব না করলে ধাক্কা লাগে না কারো মনে, আর যখন কারো মনে যে কোনভাবেই হোক ধাক্কা না লাগে সে সেলিব্রেটি সংবাদের শিরোনাম হইতে পারে না ... ভাল কাজ কইরা আলোচনার শিরোনামে আসা যতটা কঠিন একটু উল্টা সিধা কাজ করলে তার থেকে অনেক সহযে আসা সম্ভব বলেই বুঝি মানুষ আজকাল এমন করছে ....
লেখক বলেছেন: এইটাই ব্যাপার, ধাক্কা দে, যেমনে পারস, আর সোজা রাস্তায় সেইটা করা কঠিন। তবে, ঠিক কতটা নিচে নামতে হয় সেইটাই ভাবি, আসলে হয়তো আমাদের মানসিকতা বদলে যাচ্ছে।
এম নাঈম খুশবু বলেছেন:
ফারহান ভাই আপনার লাস্ট দশটি পোস্টে ২৩৩টি (এখন পর্যন্ত) প্লাস আর ৬টি মাইনাস। তাইলে বলেনতো আপনি কি? লেখক বলেছেন: এইটা দিয়া এই প্রমাণিত হয় যে আমি অন্তত ৬ জনের পশ্চাদ্দেশে জ্বালা ধরাইতে পারসি, কাজেই আমজনতার একজন হিসাবে আমারে সফল বলা যায়।![]()
হোরাস্ বলেছেন:
সৌরভ১৩ বলেছেন: সেলিব্রেটি হতে কে না চায়? আপনি নিজেও তো সেলিব্রেটি ব্লগার... হা হা...... এই পোস্ট কি সেই সিন্ড্রোমেরই ফসল?
পোস্টে +
লেখক বলেছেন: উঁহু, এইটা হইলো প্রথম আলুর আনন্দ পাতাটা পড়ার ফসল। ![]()
সৌরভ১৩ বলেছেন:
আগের বার প্লাস দিতে ভুলে গেছিলাম, তাই আবার আসলাম... আব্দুর নূর তুষার রে ভাই চিনি না...
লেখক বলেছেন: খাইসে, শুভেচ্ছার উপস্থাপক বিশিষ্ট জ্ঞানী তুষার ভাইরে চিনেন না শুনলে কিন্তু মামলা খাইবেন।![]()
টোনা বলেছেন:
ফারহান ভাই .... হুলুস্থুল লিখসেন .. তয় সেলিব্রেটি পচাইতে গেলে আপনিও তো আইসা পড়বেন ... ++++
লেখক বলেছেন: কাভি নেহি, উটুদা'র মত না হইলে কেউ সেলিব্রিটি না।
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:
এত গুছায়া কেমনে লিকছেন ? ভাইরে সিন্ড্রোমের কথা কৈলে আরো আছে , ঐটা সেলিব্রেটির ক্যাটাগরীর মধ্যেই পড়ে ।
যেমন, কবি সিন্ড্রোম,গল্প উপন্যাস লেখক সিন্ড্রোম।
পরে ঐ বাল চাল মার্কা কোবিতা আর গল্প নিয়া বাংলাবাজারের কোন প্রকাশনী হতে নিজের খরচায় বই ছাপাও আর ছেলিব্রেটি হও।
বাংলা সাহিত্যে একুশের বই মেলায় বহু লেখক আর প্রকাশকের ঠেলার ভিতর আক্কাছ আলী।
তাছাড়া আরও কিছু সিন্ড্রোম আছে যেমন, রাগ ইমন সিন্ড্রোম, মামো সিন্ড্রোম, আকন্দ সিন্ড্রোম, আস্তবাতি সিন্ড্রোম।
লেখক বলেছেন: প্রতিষ্ঠিত লেখকরাই যেমনে স্টান্টবাজি করে, লেখকেচ্ছুদের আর কি কইবেন? নাইলে হুমায়ুনের ঐ হিমুর বিয়া দেয়ার ভাঁড়ামির দরকার পড়ে? সম্ভবত সেলিব্রিটি হয়ে গেলে এদের জগৎ এখটা চাদরে ঢাকা পড়ে, নিজের জগৎটাকেই সব ভাবা শুরু করে, বাইরে আর দেখে না, ফলাফল এই রোগ।
অদ্রোহ বলেছেন:
স্কুলে থাকতে পড়েছিলাম,"কুকুর কাউকে কামড়ালে সেটা কোন খবর নয়,বরং কুকুরকে কেউ কামড়ালে তবেই সেটাকে খবর বলা যেতে পারে।"মোদ্দা কথা,সেলেব্রিটিরা আসলে বেখবরেরি শিকার হন বেশি।তবে সাধারণভাবে দেখলে তাদের ঘিরে সাধারণ মানুষদের তৈরি হওয়া হাইপ এবং আকাশচুম্বী প্রত্যাশার কারণেই তাদের ত্রুটিগুলো লাইমলাইটে আসে বেশি।আজকের মেকি দুনিয়ায় এই সেলিব্রিটি সিনড্রোম দিন দিন ক্রনিক আকারই ধারণ করছে।তাই তাদের ঘীরে কৌতুহলের মাত্রাও ক্রমেই পারদ ছাড়াচ্ছে।তবে আপ্নে স্বীকার করেন আর নাই করেন ,আপ্নের গায়েও কিন্তু এই তকমাটা সহজে এটে যাবে।দ্যাখেন,চেষ্টা করে,খসাতে পারেন কিনা
লেখক বলেছেন: সিনড্রোমটা যতদিন সেলিব্রিটিদের ছিল ততদিন জিনিসটা সমস্যা না, মাইকেল জ্যাকসন যদি নিজের চামড়া ছাড়িয়ে নতুন করে গজায় তারপরেও তার গান আমরা শুনবো, ম্যারাডোনা গান্ঞ্জা কোকেন যাই টানুক তার বিশ্বকাপ কোথাও যাবে না। কিন্তু নিজেকে আলাদা করার এই প্রবণতা যখন মহামারীর মত ছড়ায় তখন সেটা বিপদ, দুনিয়াকে কিছু দিয়ে পাগলামি করলে দুনিয়া মাফ করতে পারে, কিছুই না করে নিজের উপর স্পটলাইট ফেলতে চাইলে সেইটা সার্কাসের ক্লাউনের চেয়ে বেশি কিছু লাগে না। সহজ খ্যাতি ভয়ংকর জিনিস, চাইল্ড সেলিব্রিটিরা খুব দ্রুত হারিয়ে যায় সম্ভবত এই জন্যই।
মানবী বলেছেন:
সম্প্রতি কি কেউ মোবাইল নিয়ে আপনার সামনে শো-অফ করেছে ভাইয়া? হঠাৎ এমন রেগে গেলেন যে "আজিজ মার্কেটে গেলে জটাচুলধারী গামছা-তসর-খাদি-ঝোলা-ফ্যাশানের ভবিষ্যৎ বুদ্ধিজীবি এবং বুদ্ধিজীবিনীদের দেখলে মাঝে মাঝেই নিজের মানবজন্মের প্রতি উদাসই হয়ে যাই, কিছুই হলোনা এ জীবনে, খানিক ভাব ধরলেও তো গতি হতো।"
- এটা সবচেয়ে ভালো লেগেছে
দীর্ঘ অথচ সুন্দর(ক্ষোভে ভরা) পোস্টটি পড়ে ভালো লেগেছে, ধন্যবাদ ফারহান।
লেখক বলেছেন: মোবাইল নিয়ে শোঅফ তো সবাই করে, সেটা নিয়ে মোবাইল সিন্ড্রোম বলে আরেকটা লেখাই হতে পারে, কয়দিন আগেও দেখলাম এক ভদ্রলোক তার এইচএসসি পড়ুয়া মেয়েকে এন-৯৫ কিনে দিয়েছেন। কলেজের পোলাপান এন-৯৫ দিয়ে কি করবে জিনিসটা আমার মাথায় ঢোকেনি, সেটা অন্য বিষয়। কয়েকটা এলোমেলো চিন্তাভাবনা, হাবিজাবি এলেই ব্লগে ছেড়ে দিই, কতজনের সাথে শেয়ার করা যায়।![]()
ভাল থাকবেন, আপনাকে অনেকদিন পরে দেখে ভাল লাগলো।
লেখক বলেছেন: উচিত কথায় বন্ধু বেজার, আমার মায়ে কয়। বুইঝা।
রাগ ইমন বলেছেন:
সেলিব্রিটি ব্লগার ফারহানের আগুন লেখা , আজই পড়ুন বাঁধ ভাঙাভাঙির ব্লগে ।
লেখা ভালো হয়েছে , বড় হলেও টান টান উত্তেজনা!
লেখক বলেছেন: এতদিন পরে আইসা বাম্বুটা না দিলে হইতো না? ![]()
ম্যালাদিন পরে দেখলাম, রিটায়ার কইরা গেলেন নাকি?
লেখক বলেছেন: যতদূর মনে পড়ে, উটুদা'র আন্ডু নিয়া হালকা টানাটানি (তাও সেইটা আমি করসি না ব্লগাররা সম্মিলিতভাবে করসে তা নিয়া মতভেদ আছে) করা ছাড়া জীবনে তেমন কারো ক্ষতি করি নাই, আমার পিছে বাঁশ নিয়া লাগলেন ক্যান? ![]()
এখন ও বৃষ্টি ভালবাসি বলেছেন:
সবার মাঝে আমিত্ব বলতে একটা ব্যাপার আছে ,আমরা খুব কম মানুষ ই এই আমিত্ব থেকে বের হতে পারি না ।এই আমিত্ব আমাদেরকে অন্যজন থেকে আলাদা করার জন্য সারাক্ষন খোচায় ।
লেখক বলেছেন: আমিত্বটা যতক্ষণ গঠনমূলক ততক্ষণই বেশ, অতি আমিত্ব যখন ধ্বংসাত্মক হয়ে যায় সেটা বড় রকমের সমস্যা। আজকাল আমরা সবাই যেন বেশি বেশি আমি হয়ে যাচ্ছি, আমরা আর হতে পারছি না কোনভাবেই।
মরণজয়ী বলেছেন:
অস্বাধারন লিখেছেন মানুষ বা ভক্তদের কাছ থেকে তারা যে রকম গ্রহণযোগ্যতা পায় বা তাদের নিয়ে যে বাড়াবাড়িগুলো করা হয় তাতে করে তাদের মধ্যে একটি নতুন স্বপ্নীল জগতের জন্ম হয়। কিন্তু যদি কখনও সেই জগতে কোনো আঘাত আসে তা তারা মেনে নিতে পারে না ... মাছকে যদি ডাঙ্গায় নিয়ে আসা হয় তখন তার যে অবস্থা হয় আরকি... ফলে তাদের স্বাভাবিক বিচার-বুদ্ধি লোপ পায়, কি করছে না করছে কোন বাছবিচার থাকেনা। তবে তারা যদি সত্যিকারের শিক্ষিত হয়ে থাকে তাহলে এরকম হবার কথা নয়, কারন তারা জীবনের সত্যিকার মানেটা জানে... এসব 'খ্যাতি'র ধার ধারে না। আর আমাদেরও দোষ কম কি, তাদের নিয়ে মাত্রাতিরিক্ত মাতামাতি করে তাদের মাথাটা নষ্ট কর দেই
ভালো থাকবেন...
লেখক বলেছেন: লেখাটায় যা লিখতে চেয়েছিলাম তার অনেক কিছুই লিখতে পারিনি, আপনাদের মন্তব্যে সবগুলোই চলে আসছে একে একে, দেখে ভাল লাগছে আপনারা ফাঁকগুলো পূরণ করে দিচ্ছেন। আরেকটু যোগ করি, সম্ভবত তাদের এই জগত নিয়ে একধরণের অবসেশনের (এটার বাংলা কি? মোহ?) জন্ম হয়, পুরো জগৎটাকেই এমনই ভাবতে থাকে,ফলে ভাবে যা করবে তাই গ্রহণযোগ্য হবে, প্রচারটাই আসল। অতি ক্ষমতাবানদেরও এমন হয়, আমাদের নেতা-নেত্রীদের দেখলেও কিন্তু বোঝা যায়, অথবা হিটলারদেরও ধরতে পারেন।
ভালো থাকবেন আপনিও।
সুমন অহেমদ বলেছেন:
সেলিব্রেটি........... অনেক বলে ফেলেছেন. . .প্রতিটা মানুষই একএকটা আদর্শের প্রতিচ্ছবি গড়ে তুলতে পারে, কিন্তু তা না করে মানুষ আজকাল সেলিব্রেটি হতে চায়! আদর্শকে পুঁজি করেতো আর খবরের শিরোনাম হওয়া যায় না!
আর শপথের ধাক্কাটাকে সামলাতে সামলাতেইতো মাসখানেক পার করে দিলাম! মাদকের ধাক্কাটা সামলাতে পারলাম না!! ভাবলাম বসে থেকে কি লাভ. . . কাল কথা হবে.......
লেখাটা ভালো লাগলো...
লেখক বলেছেন: ভাল মানুষ হবার ইচ্ছাটা কমে আসছে, বিখ্যাত হবার ইচ্ছা বেড়ে যাচ্ছে, কঠিন পৃথিবী দিন দিন আরো কঠিন হয়ে যাচ্ছে। টিকে থাকার দৌড়টাও দায়ী হতে পারে, কে জানে।
লেখক বলেছেন: স্বাগতম।
লেখক বলেছেন: কয় নম্বর পাতায় আছে? সকালে খুঁজে দেখতে হবে। ![]()
লেখক বলেছেন: অন্যের দৃষ্টি আকর্ষণ, ঐটাই সম্ভবত মূল কারণ, মিডিয়া হলো ক্যাটালিস্ট, বিক্রিয়াটা ত্বরান্বিত করে। আর চূড়ায় উঠে মানুষ সবাইকেই নিচু দেখে। ওদিকে থেকে, আমাদের নেতারাও সেলিব্রিটি বটে।
অপরিচিত_আবির বলেছেন:
সেলিব্রেটিদের বোঝা উচিত যে তাঁদের ওপর সবসময়ই একটা স্পটলাইট থাকে, তাই তাদের কাজকর্ম একুট ভেবে চিন্তে করা উচিত। কে জানে হয়তো স্পটলাইট থাকে বলেই তারা এ ধরনের উল্টোপাল্টা কাজ আরো বেশি করে করেন। সেদিন দেখলাম ম্যারিলিন ম্যানশন নাকি অপারেশন করে নিজের মেরুদন্ড মোডিফাই করেছেন নিজেকে নিজে যাতে ব্লো জব দিতে পারেন এই জন্য! আমিতো পুরাই টাশকি! মানুষ এমনও করে তাহলে! এটাকেই হয়তো সেলিব্রেটি সিনড্রোম বলে।
লেখক বলেছেন: সম্ভবত মানুষকে নাচানোর ক্ষমতা হাতে পেলে মানুষের মাথা আউলা হয়ে যায়, বানরের হাতে তরবারি কথাটার মাজেজা তখন দেখা যায়, মানুষ কি আর বানর থেকে খুব বেশি এগিয়ে আছে নাকি স্বভাবে? কি সেলিব্রিটি, কি শাসক, নিজেকে আবিষ্কার করে এভারেস্টের চূড়ায়, কখন যে পড়ে যায়, আছাড় খাওয়ার আগে টেরও পায় না।
এসব কি হচ্ছে ! বলেছেন:
ভাই আপনে এককেরে মনের কথাটা ব্যাপকভাবে বইলা ফালাইছেন। এই সিন্ড্রোমটা না থাকলে আমাগো ব্যাপক সমস্যা এমনিতেই সমাধান হইয়া যাইত যাই হোক আপনে যে ব্যাপক সময় ও পরিশ্রম সহকারে এ পোস্ট খানা তৈরি করছেন, তাতে আপনাকে ধইন্যবাদ দিয়া বেকুব অইতাম চাই না। এইরহম আরও পোস্টের জন্য অপেক্ষায় রইলাম।
সবার উদ্দেশ্যে (যারা এখনও পড়েন নাই)
টিপাইমুখঃ ভারতের হাইড্রোপলিটিক্সের রেসের ঘোড়া.... নিজের ল্যাজে পা পড়ার পর ভারতও এখন প্রতিবাদী!!!
লেখক বলেছেন: আপনে যে লেখাটার লিংক দিসেন, সেই লেখাটা এবং সেইখানে জনৈক সেলিব্রিটি বুদ্ধিজীবির আস্ফালন সকলের অবশ্য পাঠ্য। নানান ত্যানা প্যাঁচায়া শেষে তিনি ঘোষণা দিসেন যে আমজনতার সাথে মিল্যা বিপ্লব খেলনের টাইম 'আমার' নাই, 'আমি' এখন ঘুমাইতে গেলাম, অবসর সময়ে 'আমি' এইসব খেলা খেইলা থাকি। এই যে তার "আমিত্ব" সমষ্টিরে ছাড়ায়া ডালপালা গজায়া ফালাইসে তার ভিতরে, সম্ভবত সেইটারেই কয় সেলিব্রিটি সিনড্রোম।
আপনারে অসংখ্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: উটুদা নাইলে আশরাফুল রে জিগান, নাইলে কতিপয় বুদ্ধিজীবিরেও জিগাইতে পারেন, এইখানে সব আমজনতার কারবার। ![]()
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
খ্যাতির মোহ আসলেই বিচিত্র জিনিস। স্টারস্ট্রাক হওয়াটা আসলে রোগ না ঠিক, একধরণের মোহগ্রস্থতার মতো ব্যাপার আর কি! আমারও বিখ্যাত হইতে মঞ্চায় লেখক বলেছেন: একদম আদিম অনুভূতি, সম্ভবত। সবাই বিখ্যাত হইতে চায়,আমরাও চাই। এইদিকে হয়ে গেলে আর নামতে ইচ্ছা করেনা, চারপাশে আরো কেউ আছে সেইটাও মনে পড়েনা।
মনজুরুল হক বলেছেন:
নিজের পোস্ট নিয়ে ব্যস্ত থাকায় খেয়ালই করিনি এমন একটা মাষ্টারপিস পোস্ট হয়েছে!
এখন আর কথা নয়, নিয়ে গেলাম........
লেখক বলেছেন: ঐটা ব্যস্ত থাকার মত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার, আমাদের চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে, খোলা মাঠে, সবখানে। আপনারা যারা কষ্ট করছেন তাদের কাছে কৃতজ্ঞ।
অফ-টপিক : রাইট অ্যাট দিস মোমেন্ট তুমি সামু ব্লগের টপ ২/৩ সেলিব্রেটির একজন , ভক্তদের কথা বাদ দিলাম , তোমার ভেতরকার অনুভূতিটা কি ?
লেখক বলেছেন: যতদূর জানি, আমি তোমারে কখনো বাঁশ নিয়া তাড়া করি নাই, আমার পিছে লাগলা ক্যান?
জনসমক্ষে আমিও যথেষ্টই অস্বস্তি বোধ করি, কাজেই সেলিব্রিটি হবার বাসনা যদিও থাকে, কোনদিন সেইটারে কার্যে পরিণত করার চিন্তা মাথায় আসে নাই।
লেখক বলেছেন: কোন মাইনাস নাই?
মজাই লাগছিলো পড়তে । আপনের সব লেখার মতো গুছাইয়া লেখসেন ।
ভালো লেখা ।
তবে কথা দুইখান আছে -- যেমন আমার মনে হয় সেলিব্রটিরা নিজেরা আলাদা হওয়ার চে আমরা তাদের আলাদা করি ।
কার একটা লেখা পড়ছিলাম জানি -- বিখ্যাত হওয়ার আগে কেউ তারে সুন্দর বলে নাই ।
আমাদের পুজা করার একটা মজ্জাগত অভ্যাস আছে ~~~ না না খালি বাংগালিদের দোষ দিলে ঠিক হবে না।
সবখানেই এমনটা আছে ।
ধরন প্রতিটা মানুষের কিছু আজীব অভ্যাস থাকে । বিখ্যাত হইলে সেটা হাই-লাইট বেশী হয় ।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
সাইকোলজিটা অন্য ভাবেও দেখতে পারেন -- যেমন ধরন বুশ (ওরে যদি সেলিব্রেটি ধরি -- কমেডিয়ান হিসাবে ধরি নাহয়) আমরা তারেই সিলেক্ট করি -- শয়তানিটা যেটা আমরা করতে পারবো না -- ঐ ব্যাটা যেনো সেটা করে ।
এমন কইরা আমরা নিজেরা যেটা হৈতে চাই বা করতে চাই বা দেখতে চাই -- তেমন কারো মধ্যে মিল্লেই সেলিব্রটি বানায় ফেলি ।
মাস সাইকোলজী বলতে পারেন ।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আরেকটা ব্যাপার কইতে পারি -- এটা আপনার পোষ্টে বিপক্ষে যাইতে পারে ।
সেলিব্রেটি সিন্ড্রোম ছাড়া সেলিব্রেটি হওয়া যায় না ।
লেখক বলেছেন: মাস সাইকোলজি তো আছেই, আমরা চাই আইকন হিসাবে কাউরে দাঁড়া করাইতে, এইভাবেও বলতে পারেন যে কাউরে শিখণ্ডি হিসাবে সামনে দিয়া তার উপর দিয়া নিজে ক্রেডিট নিতে। এখটা উদাহরণ দেই, আশরাফুলরে গালি দেই ঠিকই, কিন্তু আবার সেন্ঞ্চুরি করলে (রেয়ার কেস) আবার কই দেখসোস আমাগো পোলা! মানুষের অদ্ভুত একটা স্বভাব আছে, যেকোন ভাবেই হোক সবকিছু হাসিল করার চেষ্টা, নিজে না পারলে ছেলেমেয়ে দিয়া, তাও না পারলে সেলিব্রিটিদের দিয়া। এই যে সেলিব্রিটিরা এইসব কাণ্ড করে, মানুষ কিন্তু সেইগুলা দেখেও বিকৃত আনন্দ পায়, কারণ যেকোন কিছু হাসিল করার চেষ্টার উল্টা হিসাবে যে এইগুলি হাসিল করে ফেলছে তারে বাম্বু দেয়ার মাঝেও আনন্দ পায়। আপনার শেষ কথাটা বিপক্ষে যায় না, যে আসলে যেটা হতে চায় সে সেটাই পায়, যার মাঝে ছলে-বলে-কৌশলে উপরে উঠার আকাঙ্ক্ষা নেই সে কিন্তু উপরে উঠতে পারে না। এখানে একটা উদাহরণে কেউ জেন্ডার ডিস্ক্রিমিনশান খুঁইজেন না, সুন্দরী মাত্রেই কিন্তু জানে একটু দুঃসাহসী হইলে অনেকদূর যাওয়া সম্ভব, কিন্তু ঐটুক কিন্তু অনেকেই হয় না, খ্যাতির মোহ যার আছে, সেই ঐটুকু বিসর্জন দিতে পারে।
লেখক বলেছেন: সবাই ফাঁকগুলি পূরণ করে দিচ্ছে, এইটাই ব্লগের সুবিধা।![]()
লেখক বলেছেন: এইখানে কিন্তু এখটা কথা থাকে, যত বড় পদ তত বড় দায়িত্ব। সাধারণ একটা মানুষ যে কথাটা বলতে পারে, আমরা ব্লগে যে কথাগুলি বলতে পারি, চাইলেই দেশের প্রধানমন্ত্রী সেটা বলতে পারেন না। যখন উপরে উঠতে হয়, এটা মেনে নিয়েই উঠতে হয় যে তাকে লাখ লাখ মানুষ অনুসরণ করবে, কাজেই একান্ত নিজস্ব কিছু তাকে বিসর্জন দিতেই হেব, বিনিময় না দিলে দুনিয়াতে কি কিছু পাওয়া যায়? সেলিব্রিটি হবার কারণে আমজনতার চেয়ে অনেকগুণ বাড়তি সুবিধাও কিন্তু মেলে, বিমানবন্দর দিয়ে আশরাফুল কিভাবে পার হয় আর আমজনতা কিরকম হ্যাপা করে পার হয় ঐটা দেখলেই বুঝা যাবে। তারপরে কারো মাথা খারাপ হয়ে গেলে আমজনতা সেটার জন্য দায়ী না।
ধীবর বলেছেন:
সেলেব্রিটিদের জীবন নিয়ে উৎসাহ এক জিনিস আর তাদের অন্ধ অনুকরণ করা অন্য জিনিষ। আমাদের সাথে অন্যদের ফারাকটি স্পস্টই বলেই তো আমরা অনন্য পরিচয়ের একটি স্বাধীন জাতি। যে সিন্ড্রমের কথা বললেন, তার কুফল লাগতে পারে, জীবনের অনেক ক্ষেত্রেই। যেমন পাশের দেশের নায়িকা বা নায়ক কোন ফ্যাশনটা করলেন, তার অনুকরন করতে গিয়ে আমরা ধীরে ধীরে নিজের স্বকীয়তাই হারিয়ে ফেলছি। এমনকি ভাষাটিও হয়ে যাচ্ছে অন্যরকম। বাংলার সাথে ইংরেজি/এবোনিক্স ( আমেরিকার কৃষাঙ্গদের অন্য রকম উচ্চারণের ইংরেজি), কিংবা হিন্দি মিশেল ঘটে যাওয়াতে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম নিয়ে ইতিবাচক কিছু ভাবতে পারছি না। কাকের ময়ুরপুচ্ছ ধারণের মত সাজ সজ্জ্বা, চলন বলন, মানসিকতা ইত্যাদির কারণে আমাদের সমাজ ব্যাবস্থাটাও ধীরে ধীরে ভঙ্গুর হয়ে চলেছে। এই ব্লগেই দেখেছিলাম সমকামিতার পক্ষ নিয়ে নির্লজ্জ আদিম উল্লাস। অর্থাৎ বিদেশি সেলেব্রেটিরা যাই করেন বা করবেন, তাই সভ্য এবং ফ্যাশন এধরণের ফালতু আর সস্তা অজুহাত তোলার প্রবনতা রয়েছে।বব মার্লির মানবাধিকার নিয়ে গানের মুগ্ধতায় অনেকেই তার মাদকাসক্তিকে আপন করে নিয়েছিলেন। আযম খানের পানাসক্তির কারণে শুধু তার অনুকরনের জন্য পানাসক্ত হয়েছিল অনেক তরুণ। আব্দুর রহমান বয়াতির গান শুনে চিরন্তন গ্রাম বাংলার প্রতি ভালবাসা নয়, গঞ্জিকা সেবনের অজুহাত তৈরি হয়েছিল।
লেখাটি চমৎকার। ধন্যবাদ আর শুভেচ্ছা ফারহান ভাইকে।
লেখক বলেছেন: সমস্যাটা এইখানেই, ব্যাধিই সংক্রামক স্বাস্থ্য নয়। সেলিব্রিটি আর সেলিব্রিটি সিনড্রোম কিন্তু এক নয়, কেউ যোগ্যতা দিয়ে আলাদা জায়গায় উঠে গেলে সমস্যা নেই, কিন্তু সেটা যখন তার জন্য অবসেশান হয়ে যায় তখন বিপদ, আরো বেশি বিপদ মানুষ সেই অবসেশানটাকেই সত্যি বলে ধরে নিতে থাকলে। আমরা মনে হয় সেরকম একটা মোহে ভুগছি, যেনতেনভাবে নামটা দেখানোর জন্য আমাদের কাঙালপনা কবে শেষ হবে সেটা মাঝে মাঝে ভাবতে বাধ্য হই।
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন:
আপনিও কিন্তু একজন সেটিব্রেটি ব্লগার। তাই "সেলিব্রিটি সিনড্রোম" লেখাটি লেখে নিজের সেই সেটিব্রেটি ইমেইজটাকে আরো পক্ত করলেন। লেখাটা এককথায় অসাধারণ হয়েছে। কিন্তু তারপরও সেটিব্রেটিরাই কিন্তু আমাদের নতুন কিছুর পথ দেখায়।
একবার একটু ভাবুনতো সেটিব্রেটিহীন সমাজ। দেখবেন অন্ধকার দেখতে পাবেন। আমাদের বিনোদনের জায়গাটা যদি শূণ্য হয়ে যায় তবে কিন্তু আমরাও শূণ্য হয়ে যাবো।
দামি মোবাইল সেট কিংবা দামি গাড়ীর বিষয়টা সেলিব্রেটি স্টাইল থেকে আসলেও কিন্তু এটা আমাদেরই অতি বিলাসীতা। অন্যর চেয়ে নিজেকে আলাদা করার কথা আপনি বলেছেন। কথাটা সত্যিই অনেক ভালো লাগলো।
সবাই সেলিব্রেটি হতে চায় না বলে ব্যপারটা একটু পজিটিভ দিকে নিলে কেমন হয়
এটা হওয়াতে আর ভালো হয়েছে, প্রতিযোগিতা বেড়ে যাচ্ছে। সলিমুদ্দিন কলিমুদ্দিন টাইপ মানুষ ওসব জায়গায় যাওয়ার সুযোগ পাবে না। যার যোগ্যতা আছে। সেই যাবে সঠিক যায়গায়।
তাই বলতে চাই, প্রতিযোগিতামূলক সমাজ তৈরীর জন্য সেলিব্রেটি হওয়ার চেষ্টাটা খুব একটা খারাপ না। অন্তত উন্নয়নশীল সমাজের জন্য। । তবে সেলিব্রেটি হয়ে বিলাসিতা!!!!! একদম ধিক্কার দেয়ার যোগ্য।
তবে আপনার এই খোঁচামূলক লেখা মানুষকে ভাবাবে। এটা বলে দেয়া যায় নিসন্দেহে।
[অনেক পটর পটর করলাম। হয়তো আপনার লেখার মূল বক্তব্য থেকে ছিটকেও গেলাম। ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। ]
লেখক বলেছেন: এইবারে মনে হয় একটু ব্যাখ্যা দেয়ার দরকার। "সেলিব্রিটি ব্লগার" কনসেপ্ট টায় আমার তীব্র আপত্তি আছে, কারণ ব্লগে আলাদা বলতে কিছু নাই। এখানে ৫০ বছরের ব্লগার যেমন আছেন তেমনি ১০ বছরের ব্লগারও আছে, কাউকেই আলাদা হিসেবে দেখা হয় না। আমার চেয়ে হাজারগুণ ভাল লেখেন এমন অনেক ব্লগার আছেন যাদের লেখায় মন্তব্য অনেক কম, একটা কারণ তাঁরা হয়তো এতটা ইন্টারঅ্যাকশানে যান না। বড়জোর আমাকে আড্ডাবাজ ব্লগার বলতে পারেন, বাঙালির জন্য অত্যন্ত গর্বের এই উপাধি মেনে নিতে আমার আপত্তি নেই।![]()
এবারে আসি আমার কনসেপ্ট নিয়ে। ঠিক সাম্যবাদী না হলেও ইকোসিস্টেমের ভারসাম্য ব্যাপারটায় আমি বিশ্বাসী, তিমি মাছ বা হাতী বা মানুষের যেমন দরকার আছে, ইকোসিস্টেমের জন্য ব্যাকটেরিয়ারও দরকার আছে। একটা বিলুপ্ত হয়ে গেলে তার সাথে বিলুপ্ত হয়ে যায় আরো অনেক অনেক প্রজাতি। একইভাবে মানবসমাজে কাউকেই আলাদা করে গুরুত্বপূর্ণ ভাবি না, একজন যদি আমাদের পথ দেখাতে না পারে, অবশ্যই তার জায়গায় আরেকজন চলে আসবে, আসবেই, এটাই হয়ে এসেছে, এটাই প্রকৃতির নিয়ম, কারো জন্যই কোন কিছু থেমে থাকে না। সময়ের প্রয়োজনে জিনিয়াসরা আসে, অথবা তাদের তৈরি করা হয়, তাদের কতটা গুরুত্ব হবে সেটা মানবসমাজই ঠিক করে দেয়, প্রয়োজন শেষে তাদের অন্তরালে ঠেলেও দেয়, সেলিব্রিটিদের অনেকেরই শেষ জীবনের করুণ অবস্থা মনে হয় এই থিওরীটা খানিক ব্যাখ্যা করে। যেখানে আমি শুধুই মানবসমাজের চলমান সিস্টেমের একটা হাতিয়ার, সেখানে নিজেকে আলাদা ভাবার খুব বেশি সুযোগ কি আছে? থিওরীটা কিন্তু পুরানো, শেক্সপিয়ারের কথামত, আমরা শুধুই পৃথিবীর মন্ঞ্চে অভিনেতা, রোলপ্লে শেষ হলে চলে যাবো, আর কেউ সেই জায়গাটা নিয়ে নেবে।
জুল ভার্ন বলেছেন:
ফারহান, কি সুন্দর লিখ তুমি!!! এমন সুন্দর আর স্যতের বিশ্লেষন তোমার দ্বারাই দেয়া সম্ভব। তাই বিনা বাক্য ব্যয়ে বলছি-সুন্দর!
সুন্দর!!
অপুরব সুন্দর!!!
লেখক বলেছেন: যিনি পড়েন তিনি কিভাবে দেখেন সেটাই কিন্তু বড় কথা। অনেক ধন্যবাদ।![]()
সুবিদ্ বলেছেন:
তুমি তো বেশ ভালো লেখ.......সমস্যাসংকুল দুনিয়াতে বোধ হয় সাধারণ মানুষ একটু আহা-উহু টাইপের জিনিস দেখলে খুশীই হয়......আর এইটাকেই হঠাৎ খ্যাতি পেয়ে যাওয়া অনেক অর্বাচীন abuse করে......
লেখক বলেছেন: মোটামুটি। খ্যাতি পেয়ে মাথা ঠিক রাখতে পারে এমন মানুষ বেশি নেই।
লেখক বলেছেন: আমার চায় না, ঈমানে কই। উনারা দৌড়ের উপর থাকেন।
তবে আমার মনে হয়, আম পাবলিকের সেলিব্রিটি হওনের আকাঙ্খাজনিত ছ্যাবলামি, আর সেলিব্রিটিদের নিজেকে লাইমলাইটে রাখার জন্য ছ্যাবলামী -- দুইটা একটু ডিফারেন্ট ... প্রথমটার ঠিক কোন ভিত্তি নাই, অনেকটা শূণ্যে ঘুষি মারার মতো ব্যাপার
, "গাঁয়ে তো দূরের কথা ঘরেও মানেনা আপনি মোড়ল" যেইটারে কওয়া যায় ... ব্লগ, ফেইসবুকে যেইসব দেখা যায় আর দ্বিতীয়টা হইলো বালির বস্তায় ঘুষি মারা, কিন্তু মাঝে মাঝে সেইটা যে সুড়কির বস্তা তা টের না পাওয়া ... ব্রিটনী, মাইকেলরা যেইসব করে ...
লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যের শেষটা পড়ার পরে আমি ১০ মিনিট ধরে হাসতেই আছি আর হাসতেই আছি। তারমানে কিন্তু দাঁড়ায়, আমরা সবাই ঘুষি বাগায়া তৈরি থাকি, পারলে বালির বস্তায়, না পারলে শূন্যে, মারতেই হইবো, জানইতেই হইবো যে আমারে দ্যাখ। ভেতরের আকাঙ্ক্ষাটা যখন সাধারণের মাত্রা ছাড়ায় তখন সেইটা রোগ হয়া যায়, দেখসেন না টিভিতে ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান গুলাতে বা স্ট্রিট শো গুলাতে মানুষ একটু চেহারা দেখানোর জন্য কি ভয়ানক অপমানজনক সব খেলাগুলিতে অংশ নেয়? ইদানিংকার রিয়েলিটি শোগুলি তো আরো আতংকজনক। একটু নাম কামানোর জন্য নিজের সমস্ত সম্মানের ঝুঁকি নেয়ার প্রবণতা কি দিন দিন বাড়তেসে? এইটা কি মহামারী হয়ে যাচ্ছে?
লেখক বলেছেন: কাগু, ঐ লেখা মিস করি নাকি?
সেলিব্রিটিরা ক্যান এমন করে, তার সবচেয়ে ভাল ব্যাখ্যা রাগিব ভাইয়ের লেখাটাতেই পাওয়া যায়।![]()
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
অ সা ধা র ণ !
ঠিক পরিমাণমতো সবখানেই হাত পড়ছে..থুক্কু..টান পড়ছে !
আপনার এই ধারালো লেখাকে শ্রদ্ধা জানাই ।
লেখক বলেছেন: টানাটানিতে কিন্তু অনেকেই অসন্তুষ্ট হয়, সম্প্রতি আপনার পোস্ট গুলায় দেখলে বুঝা যায়, অনেকেরই জায়গামত টান দিসেন।![]()
সাইলেন্সার বলেছেন:
''সেরকম উত্তরাধুনিক সব লেখা আর তার দক্ষিণাধুনিক সব বিশ্লেষণ যেগুলো তারা ছাড়া আর কেউ বোঝেন না এবং একে অপরের পিঠ চুলকে এই না বোঝার দলে তারাই যে বাংলা সাহিত্যে পরবর্তী
নোবেলটা নিয়ে আসতে যাচ্ছেন সে বিষয়ে নিঃসন্দেহ হয়ে নেন। শুধু লেখা দিয়ে অনন্য হতে চাইলে সমস্যা ছিল না, কিন্তু আজিজ মার্কেটে গেলে জটাচুলধারী গামছা-তসর-খাদি-ঝোলা-ফ্যাশানের
ভবিষ্যৎ বুদ্ধিজীবি এবং বুদ্ধিজীবিনীদের দেখলে মাঝে মাঝেই নিজের মানবজন্মের প্রতি উদাসই হয়ে যাই, কিছুই হলোনা এ জীবনে, খানিক ভাব ধরলেও তো গতি হতো।''
..................... লা জওয়াব।
আপনার মতিগতি বিপদজনক.............
অট: কোন কোন ব্লগার আপনাকে দু'হাতে আয়ের পদ্ধতি বলে দিচ্ছে আর আপনি কিনা উল্টোপথে হাঁটা শুরু করছেন.........
লেখক বলেছেন: অন্যের ঘাড়ে বাড়ি মারার প্রবণতা আমার পুরানো, তবে আজিজি হবার কোন আশংকা আমার নাই, ঐদিকে এক দোস্তর বাসা তাই মাঝে মাঝে বাসে উঠতে ঐ জায়গার সামনে দিয়া আসা লাগে, এইটুকুই দৌড়।![]()
আয়-রোজগার উপরওয়ালার হাতে, তিনি চাইলে হবে, বিপজ্জনক পথে হাঁটতে আমি আবার ভয় পাই।![]()
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
সেলেব্রেটি শব্দটির আক্ষরিক মানে কী? কোনো এক অভিধান জানাচ্ছে-শব্দটির মানে a widely known person. (the state or quality of being widely honored and acclaimed). তো, সেলেব্রেটি কথাটির সংজ্ঞা থেকে মনে হচ্ছে- ব্যাপকভাবে পরিচিত হয়ে ওঠার একটা বিষয় জড়িত আছে। 'পরিচিত হয়ে ওঠা'র নেশা মানুষের প্রকৃতিগত গুণ। আমরা নিজেকে প্রকাশ করতে চাই; জানাতে চাই এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে দৃষ্টান্ত হতে চাই।এই কথিত সেলেব্রেটিদের অনুকরণ করা বা অনুসরণ করার প্রবণতা সাধারন মানুষের মাঝে সব সময়ই ছিল। এটা ঠিক অন্যদের থেকে আলাদা হয়ে ওঠার জন্য নয়, প্রিয় তারকার একটা সিম্বল, বা তার মতো (দেখতে) হয়ে ওঠার জন্য করি আমরা অনেক চেষ্টা চালাই। (সুচিত্রা সেনের মতো চুলের স্টাইল, পোষাক, হাসি- সত্তুরের কোন মধ্যবিত্ত নারী অনুসরণ করেনি?) মানুষের এই মৌলিক প্রবণতাকে পুঁজি করেই পণ্য তৈরী হচ্ছে, সেগুলোর বিজ্ঞাপন হচ্ছে।
এবার কথা হলো- আধুনিক গ্যাজেট ব্যবহার সেলেব্রেটি আচরণকে নির্দেশ করে কিনা? হালের গ্যাজেটগুলোর মধ্যে 'লেটেস্ট' মোবাইল ফোন সেট ব্যবহারের প্রতি এক ধরনের আসক্তি সব দেশেই আছে। বাংলাদেশে তরুনদের মাঝে নানা কারনেই মোবাইল এক্সেসরিজ নিয়ে প্রায় দৃষ্টিকটূ পর্যায়ের আসক্তি আছে। এটি সেলেব্রেটি হতে চাওয়া থেকে তৈরী হয়েছে কিনা- তা নিয়ে বিস্তর তর্ক হতে পারে। একটি মোবাইল সেট আমাকে কতটুকু প্রচার দিতে পারে? এটা দিয়ে আমি বন্ধুদের তাক লাগাতে পারি, ঈর্ষার কারন হতে পারি- কিন্তু তারকা হয়ে উঠতে পারিনা।
লিটল ম্যাগের লেখকদের নিয়েও একথা বলা যায়। তসর-খাদি-গ্রামীণ চেক একটি বিশেষ ঘরানাকে নির্দেশ করে বৈকি! কিন্তু এই প্রবণতা প্রাচীনকাল থেকেই ছিল। সব দেশেই ছিল। বাংলাদেশের বাউলদের পোষাক মাঠের কৃষকদের থেকে আলাদা ছিল কেন? সোজা উত্তর- ঘরানা। সিম্বল। প্রবণতা।
আপনার লেখাটি অনেক ভাবনার খোরাক দিলো। বরাবরের মতোই মুগ্ধ হয়েছি।
লেখক বলেছেন: তারকা হয়ে ওঠা, আর তারকা হয়ে উঠতে চাওয়া, দু'টোর মাঝে হালকা পার্থক্য আছে। আমরা কিন্তু ফুটবল তারকাদের অনুসরণ করতে দল বেঁধে মাথা ন্যাড়া করি, জার্সি পরি, সেখানে সমষ্টিগত ভালবাসা প্রকাশ পায়। কিন্তু যখন নিজেই সেটা হয়ে ওঠার চেষ্টা করি, জিনিসটা বেশ ভাঁড়ামির পর্যায়ে চলে যায়। মোবাইল নিয়ে বলি, এটাও কিন্তু সেই "যেনতেনভাবে-কিছু-একটা-হয়ে-ওঠার" আকাঙ্ক্ষা থেকেই হচ্ছে। হতে যে পারবে না সেটা হয়তো নিজেও জানে, কিন্তু নিজের বৃত্তেই নিজেকে 'কিছু একটা' ভেবে তৃপ্তি পেতে সমস্যা কি? সিনড্রোম বলতে এই "হতে চাওয়ার" লাগমছাড়া ইচ্ছাটাকেই ধরতে চাইছি। দায়ী কিন্তু কেউ একা না, আগে হয়তো মানুষের এই জন্মগত স্বভাবের অ্যাবিউজটা কম হতো, কর্পোরেট কালচার এসে এটাকে মিসইউজ করে আমাদের সবাইকে সেলিব্রিটি হবার লোভ দেখাচ্ছে, আর লাগামহীন এক লোভ আর মোহের চক্রে পড়ে আমরা সবাই ঘুরপাক খাচ্ছি।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। ![]()
অপরিচিত_আবির বলেছেন:
ফারহান ভাইরা কি গতকাল বুয়েটে আসছিলেন নাকি?
লেখক বলেছেন: মেহরাব গেসিলো, আমি যাই নাই, যাইতে পারি নাই বলা যায়, মেজাজটা খারাপ এইজন্য।
অলস ছেলে বলেছেন:
সুন্দর লেখা। অতীব সুন্দর।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
আপনাদের ভাল লাগলেই খুশি।![]()
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
পুরো লেখাটি ভালো লাগলো।
কিন্তু .....[আলাদা প্রমাণ করেছে সন্দেহ নেই, আর সেই শপথে নিজেকে বদলে নিতে এই ব্লগেই স্বচ্ছতার স্লোগান তোলা সালাউদ্দিন শুভ্রর মত ব্যক্তিও আলু ব্লগের মডারেটর হয়ে অস্বচ্ছ কায়দায় পোস্টও মুছে যাচ্ছেন। আসলেই সেলিব্রিটি সিন্ড্রোম, ভণ্ডামি করে হলেও জাতে উঠে যদি আলাদা হওয়া যায় একটুখানি]
বুঝলাম না। সালাউদ্দিন শুভ্র কি আলু ব্লগের মপারেটর হইছেন? জানতামনাতো।।।
(...কবিকূল একের পর এক কাব্য প্রসব করে- খুক্ খু্ক, কাশির ইমো,)
লেখক বলেছেন: দাদা, উনি চিফ মডু, লগে এইখানে স্বচ্ছতার স্লোগান তোলা আরেকজনও আছেন, মানুষের অনেক রঙ, যতই দেখবেন অবাক হইবেন।
এইবারে আপনের খুক খুকের বিষয়ে আসি। কথা হইলো, যাদের লেখার কথা তারা লেখে না (যেমন আপনি), যাদের লেখার কথাই না তারা লিখে পাতা ভরায়, তারাই সেলিব্রিটি হয়, মাঝ দিয়া পাঠক বন্ঞ্চিত হয়। আপনি আমাদের দাবী মিটায়া যদি ২-১ টা লেখা দেন তো কাশু দিতে হয় না।![]()
লেখক বলেছেন: হেহেহে, অনেক ধন্যবাদ ঢুঁ দেয়ার লাইগা।![]()
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন:
ভালো হইছে।কিন্তু আমি সেলিব্রেটি হইতে চাই না। কিন্তযু ালুর রস আলোতে রস রচনায় (ব্যাপারটা খুব সম্মানের না) আসলে নিজেরে কেমন ভাঁড় ভাঁড় লাগে।
লেখক বলেছেন: তুমি তো মিয়া সেলিব্রিটিই, হলে গেলেই তোমার নাম জানা যায়।![]()
পোস্টের মূল ফোকাস এখানে না
লেখক বলেছেন: জনতারে বেকসুর খালাস দেয়া যায় না, ঐটা বাংলাদেশের ক্রিকেট দেখলেই তো বুঝা যায়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৩ নম্বর (নাকি ৫ নম্বর) টিমরে হারানোর পরে লোকজন যেমনে লাফালাফি শুরু করসে তাতে ওরা ভাবতেই পারে তারা অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বজয়ী টিমরে হারাইসে, এরপরে মাথা খানিক বিগড়াইতেই পারে। বাকিটা বিগড়ানোর জন্য উটু'র মত সাংবাদিকরা তো আছেই, এর মাঝেই সাকিবের পিছনে লাগসে গাধাটা। মাস সাইকোলজি, শূন্য আরণ্যক বলে দিসেন।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
খুব ভালো লিখছো..........
অনেকই ভাবে এভাবে লিখতে পারে ........ফারহানই।
অনেক শুভকামনা থাকলো।
লেখক বলেছেন: আপনি কেমন আছেন? ভালো থাকবেন অনেক।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
ম্যালাদিন পর আইসা এক মাষ্টারপিস পইড়্যা গেলাম।অনেক চিন্তিত মন্তব্য পোষ্টের সাথে বোনাস।
লেখক বলেছেন: আমার তো ব্লগে পোস্টের চেয়ে মন্তব্যটাই বড় পাওনা মনে হয়। অনেকদিন দেখিনা ভাইয়া, কেমন আছেন?
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন:
আমার সেলিব্রেটি দর্শন খুব ভয়াবহ। টিভির তুমুল জোকার সালেহ চাচা আমার সালাম দেয়া দেইখ্যা যেমনে তাকাইলেন তার পর তার জোকস শুনলেও আমার ভয় লাগে। আর বুয়েট মাঠে ফুটবল খেলার ফাঁকে বাচ্চা সেলিব্রেটি আমাগো ফুটবলারদের আচরণও সেই রকম। বুয়েট মাঠে প্রাকটিস করা জাভেদ ওমর তো রীতিমতো রক্তচক্ষুই দেখালেন আমাদের।তবে তারপরেও আমার কিছু কথা বলি। মানুষের জিনের প্রভাবেই মনে হয় সে নিজেকে বাকিদের চেয়ে উঁচু ভাবতে পছন্দ করে। নিজেকে সবার চেয়ে ভালো প্রমাণের তাগিদটা থাকেই। সেটা সমস্যা দেখি না। সমস্যা আমজনতার মাঝেই। তারাই মানুষকে সেলিব্রটি বানায়। এর ফল হয় মানুষ গুলো একরোখা উদ্ধত হয়ে উঠেন। তার নিজের চিন্তা ভাবনা গুলোকে তিনি সবসময় ঠিক মনে করতে শুরু করেন। এর উদাহরণ বহু মিলে। অনেক কিছুই বলার আছে। আপাতত বলি সেলিব্রেটিদের চেয়ে আবাল জনতার দোষটাই বেশি।
লেখক বলেছেন: হ, তুমরা জাভেদ ওমরের মত মহান "ক্যারিইং দ্য ব্যাট থ্রু দ্য ইনিংস" ব্যাটসম্যানরে লয়া মশকরা করবা আর সে তুমাদের খাতির কইরা চা-নাস্তা খাওয়াইবো? ![]()
সেলিব্রিটি কিন্তু জনতার মাঝখান থেকেই বের হয়, আর জনতার রায়ে বের হয়েই আমাদের নেতারা কেমন সেলিব্রিটি হয়া যান তোমার তো দেখাই আছে। কিন্তু জিনিসটা রোগ হয়া গেলে মুশকিল, আজকাল আমরা সবাই নিজেদের বিশেষ কিছু দেখানির জন্য যা-খুশি-তাই করি এইটা নিয়া মনে হয় একটু বলতে পারো। মূল ফোকাসটা ঐখানেই ছিল, সেলিব্রিটিরা পাগলামি করুক, কিন্তু সেলিব্রিটি হবার জন্য আমজনতার পাগলামিটা কেমন হইতাসে?
অভী চৌধুরী বলেছেন:
ফারহান, আপনার লেখা পড়তে পড়তে এক ধরণের বিমোক্ষণ ঘটছিলো। খুব ভালো লেগেছে আপনার লেখা।
লেখক বলেছেন: নিজেদের চিন্তাভাবনাটা অন্যের মতামতে ঝালাই করে নেয়ার সুযোগ দেয়াটাই ব্লগের কৃতিত্ব, আপনাদের সাথে সেটা করতে পেরে খুবি ভাল লাগে। কষ্ট করে পড়লেন বলে অনেক ধন্যবাদ।
ব্যতিক্রমী বলেছেন:
আপনার লেখাটা অত্যন্ত ভালো লেগেছে।আসলে আমরা নিজেদের উপস্থাপন করতে যেভাবে মরিয়া হয়ে উঠেছি, তা যদি আমরা দেশের মানুষের কল্যাণ করে যদি চাইতাম তবে কি মন্দ হতো?
নেলসন ম্যান্ডেলা, মাও সেতুঙ-- আরও এরকম মানুষদের মতো কাজ করে যদি সবাই নিজেদের সেলিব্রেটি করার চেষ্টা করতা তবে কি তাদের খুব বেশী ক্ষতি হতো, নাকি প্রকৃত সুখ ভোগ থেকে বঞ্চিত হতো?
আর আপনি এখানে বলেছেন, কিছু ব্লগারদের নিয়ে। কথাগুলো ৯০% ঠিক। এই ব্লগে একটা চামচা গ্রুপ আছে। তাদের কাজই হলো চামচামি করা। তাদের মধ্যে থেকে কেউ একজন অন্যায় করলেও অন্য চাকর সহযোগীরা অন্যায়কারীর পক্ষে সাফাই গাইতে আসে। যুক্তিসঙ্গত লেখাতেও মাইনাসের হিড়িক পরে। তবে চামচার দলটা এই ব্লগে খুবই বড়। আর বড়ই নির্লজ্জ।
আর এক শ্রেণীর ভণ্ড একটি গ্রুপ আছে, তারা মুক্তিযুদ্ধ কথা বলে নিজেদেরকে সাধু প্রমাণ করে। তবে তারা নিজেরা মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণা নিয়ে কতটুকু ভালো কাজ দেশের জন্য করছে তা তারা একবারও বিবেচনা করে কি না সে সন্দহটুকু রয়েই যায়।
তারা কিছু যুক্তি নির্ভর কিছু পোস্টে মাইনাস দিয়ে, ছাগু বলে গালাগালি করে। কিন্তু আয়নায় নিজের মুখটা দেখেনা। দেখেনা তাদের মুখটা যে ভীভৎস বিকৃত। তারা ব্লগে হেসে খেলেই দেশপ্রেমের বুলি আওরায়। কিন্তু কাজ করে প্রমাণ করতে চায় কি না তা তারা এবং আপনারাই ভালো বুঝবেন।
হ্যাঁ, এখানে একশ্রেণীর ব্লগার আছে, তাদের পোস্ট দিতেই হবে। তা গুণগত দিক থেকে কতটুকু ভালো সে বিষয়ে তাদের একটুও লক্ষ্য নেই। তারা চায় হিট বাড়াতে, পরিচিতি লাভ করতে। যে কথাগুলো আপনি নিজেই বলেছেন।
আমার কথা হলো ভালো কাজ করতে না পারলে খারাপটা থাকেও বিরত থাকব। ভালো লিখা না দিতে পারলে খারাপ লেখাটাও দেব না। (এটা একান্তই আমার কথা, শুধু নিজেকেই এভাবে বিচার করি বা করতে চেষ্টা করি)।
এই ব্লগে লিখার প্রসঙ্গঃ- এ পর্যন্ত যেগুলো দেখেছি তা হলো-
*ছাগু
*আস্তিক- নাস্তিক
*কৌতুক ১৮+
(উল্লেখযোগ্য)
এবং আরো কতো কি..............
সময়ের স্রোতে আমাদের নগ্ন যাত্রা
যদি সময় পান তবে মতামত জানাবেন।
মন্তব্যটা অনিচ্ছাকৃতভাবেই দীর্ঘ হয়ে গেলো।তার জন্যে দুঃখ প্রকাশ করছি। সেইসাথে আরও ভালো ভালো লেখা আশা করছি।
অনেক অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: যে সময়টা নিজের বাইরের চেহারা ঘষামাজা করে নষ্ট করি ঐটুকু দিয়ে মানুষের জন্য কিছু করলে মনে হয় সবাই মনে রাখতো। নিজের যোগ্যতায় কেউ পরিচিতি পেলে সেটাতে দোষের কিছু তো দেখি না, কিন্তু অহেতুক সঙ হয়ে লোক হাসানোটা কতটুকু দরকারী? ধন্যবাদ আপনাকেও দীর্ঘ মতামতের জন্য।
নুশেরা বলেছেন:
১. কেঁদে নজর না কাড়লে বাচ্চাকেও মা দুধ দেয়না। মনোযোগ আকর্ষণের ব্যাপারটা মনে হয় জন্মগতই। আর ডেমনস্ট্রেশন তো মানুষের সহজাত প্রবণতা। হোক অন্যের কাছে বা নিজের কাছেই। সে অর্থে আত্মমগ্ন আর ক'জন! আর বীরপূজা তো মাস সেন্টিমেন্টেরই অঙ্গ।
২. একবার এক সেলেব্রেটি গায়িকার সঙ্গ দেয়ার দুর্ভাগ্য হয়েছিল (উনার ছোটভাই ছিলেন এসিআরদাতা বস)। উনি তাঁতীপাড়ায় ঢুঁ দেবেন। ভাবলাম এমন আর কী, কিছু শাড়ীচাদর কিনবেন। কিন্তু সেলেব্রেটি বলে কথা। ছোটছোট দোকান, উনি একেকটা দোকানে ঢুকেই আদেশ করেন, অন্য কাস্টোমার সরাও। চিমটি দিয়ে দিয়ে টেনে টেনে শখানেক কাপড় নামিয়ে আউলাঝাউলা করে যেন এতক্ষণ আবর্জনা ঘেঁটেছেন এমন উন্নাসিক একটা মুখভঙ্গি করে ঐ দোকান ত্যাগ করেন। এইভাবে কয়েক দোকান পার হওয়ার পর একটা শোরুম টাইপ দোকান পড়ল। মালিক সাথে সাথে ফালতু লোকজন হঠিয়ে নিজের রিভলভিং চেয়ার এগিয়ে দিলেন ম্যাডামকে বসতে। পাশের স্টুডিও থেকে ফটোগ্রাফার ডাকিয়ে ম্যাডামের ফটো তোলালেন। গিফট তো করলেনই। এইবার ম্যাডাম মহাখুশি।
৩. আপনাকে কেউ কেউ দেখি সেলেব্রিটি বলে গালিগালাজ করছে
৪. লেখা কেমন হয়েছে সেটা নতুন করে বলার দরকার দেখিনা।
লেখক বলেছেন: প্রথমেই অভিযোগ জানাই, এই যে আপনে সেলিব্রিটিদের চেনেন জানেন,অথচ আমাদের লগে তাদের একটা যোগাযোগ করায়া দেন না, সেইটা নিয়া মনে বড় দুঃখ পাইলাম। আমার ম্যালদিনের শখ একজন সেলিব্রিটির লগে সারাদিন থাইকা তার কাজকর্ম দেখমু, তার লগে একটা লান্ঞ্চ আর ডিনার দিমু।![]()
এইবারে আসি ডেমন্স্ট্রেশানের কথায়। আগেই বলছি, পোস্টের মূল টার্গেট কেন সেলিব্রিটিরা এমনটা করে, যেটার জবাবে মোটামুটি সবাই আপনার কথাটাই বলছে, দেখানোর প্রবণতা, আর আজকালকার যুগে তো নিজেকে শোঅফ করতে না পারলে এমনকি চাকরিবাকরিও হয় না। কেউ নিজের যোগ্যতায় উপরে উঠে খানিক হাঁকডাক করলে সেইটা নিয়া বেশি ক্ষতি দেখি না, সেলিব্রিটিরাও এমনকি বাড়াবাড়ি করলেও সেখানে জনতার ছ্যাবলামিরও কিছু দায় থাকে। কিন্তু আমার প্রশ্নটা হইলো, কেন এখন সবাই সেলিব্রিটি হইতে চায়? কেন নির্লজ্জ ডেমনস্ট্রেশানের মাধ্যমে হইলেও নিজেকে আলাদা করতে চায়? রিয়েলিটি শো গুলি বা স্ট্রিট শো গুলিতে বা তারকা খোঁজা নায়িকা খোঁজা গায়ক খোঁজা অনুষ্ঠান গুলোতে এমনকি আমাদের দেশের লোকজনও এমন সব কাজকারবার করে যে দেখলে মাঝে মাঝে চিমটি কাটা লাগে যে আমরা কি এখনো
অনুভূতিশীল আছি কিনা বুঝতে। আলাদা করা এতই দরকার হয়ে পড়েছে যে নিজের শিশুগুলোকে সঙ সাজিয়ে প্রচণ্ড চাপের মাঝে ফেলে তাদের ভবিষ্যতের জন্য মানসিকভাবে একমুখী বিকল করে দিয়ে হলেও আমরা তাদের সেলিব্রিটি বানাতে চাইছি। আসলে কারণটা কি?
কালপুরুষ বলেছেন:
চমৎকার লেখনী! চমৎকার ভাবনা! সাবলীল উপস্থাপনা। প্রশংসা করার মতোই। খুব ভাল লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কালপুরুষদা। আপনার মতামতটা শেয়ার করলে ভাল হতো, একটা সময়ের মানুষ হিসেবে এ সময়টা নিয়ে আপনি কি ভাবছেন জানা হতো।
========================
চমৎকার লেখা।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য।![]()
লেখক বলেছেন: জটিল বিষয়টাতে কিছু আলোকপাত করলে একটু সহজ হইতো, আপনার ভাবনাটা জানতে আগ্রহী।![]()
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন:
সেলিব্রেটি হইতে জনতার চেষ্ট দেখে আমি অবাক হই না। কারণ ছোটবেলায় পাঠ্য বইয়ে পড়া অনেক জিনিস গুলোই বর্তমানে অকেজো। আপনাকে বর বলে বড় সেই নয়। লোকে যারে বড় বলে বড় সেই হয়। কে বলছে? এখন তো যে নিজেরে যট বেশি শো অফ করতে পারে সেই তত বড়। সো দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা তো থাকবেই। আর শেখ সাদী র গল্প!!! হা হা হা। কর্পোরেট যুগে অচল। অফিসে ড্রেস কোড না মানলে যতই শেখ সাদীর গল্প শোনাও লাভ নাই। শো এই তথাকথিত মূল্যবোধ আমার মত বোকারাই আঁকড়ে ধরে থাকে। মানুষ নিজেকে শো অফ করবে নিজেকে মেলে ধরবে এইসব শিখানোর জন্য বিবিএ এমবিএ খোলা হইছে আর সেগুলাতে এত এত লোক ভর্তি হইতাসে সেইখানে বছরের পর বছর তো এইটাই শিখতেসে কিভাবে মানুষরে কথায় ঠকানো যায় কিভাবে চাপাবাজি কইরা নিজেরে উঠানো যায়। কী লাভ আর এইটা নিয়া হা হুতাশজ কইরা।( তোমার হা হুতাশের কারণ আমি বুঝি। আমিও এই বিষয় নিয়ে তিতিবিরক্ত। ক্ষোভ থেকেই কমেন্ট টা করলাম।)
লেখক বলেছেন: আমার জায়গায় আসলে আরো বেশি বুঝবা। কি জানো সেইটা বড় কথা না এইখানে, কি দেখাইতে পারো সেইটাই বড় কথা। তবে আতঙ্কের ব্যাপার হইলো, আমরাও এইটাতে অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছি, কেউ না দেখাইলে আমরাও ধরে নেই টার গুরুত্ব নাই, কাজেই সবার মাঝেই একটা "দেখায়া দেয়ার" প্রবণতা চলে আসছে, আমরা একে অপরকে কাঁচকলা দেখায়া নিজেরে আসমানে তুলে যাচ্ছি, এইভাবেই চক্রে বাঁধা পড়ছি।
লেখক বলেছেন: ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়, প্যাশন থাকলে সেলিব্রিটি হয়।![]()
ফেরারী পাখি বলেছেন:
সোজা প্রিয়তে। সেলিব্রিটি সিনড্রোম তো আছেই এটার বাড়াবাড়ি হলেই হয় মেগালোম্যানিয়াযেটাকে আমরা বলি মেগাস্টার হওয়ার স্বপ্ন।
কিছু নাই একটা ভ্যানিটি ব্যাগ পাইলটের পিঠে ঠেকাইয়া চলন্ত উড়োজাহাজ নির্দিষ্ট গন্তব্যের বাইরে অন্যখানে ল্যান্ড করাইলাম। তারপর প্লেন হাইজ্যাক করছি বলে মিডিয়া কাভারেজ নিলাম।
এইটাই মেগালোম্যনিয়া
লেখক বলেছেন: খাচ্ছিলাম, আপনার মন্তব্য দেখে গলায় আটকে গেল হঠাৎ। মানে যেমনে বলছিলেন, মনে হইলো প্ল্যান আছে।
কিন্তু টিভিতে বাচ্চাকাচ্চাদের দিয়া যেভাবে সঙ সাজানো হচ্ছে,
আমরা কি একেবারে দল ধরে মেগালোম্যানিয়াক হয়ে যাচ্ছি?
অ্যামাটার বলেছেন:
কথা ঠিক,তয় আমার মনে হয় কী, এ'পর্যন্ত ১৫২ জন(১৫২টা মন্তব্য) আমরা যারা সেলিরেটিদের গোষ্ঠি উদ্ধার করলাম, সেলিব্রেটি হইলে আমরাও একই সিনড্রোমে আক্রান্ত হইতাম হয়ত।
লেখক বলেছেন: সিনড্রোমটা সবার মাঝেই অল্পস্বল্প আছে, তবে যতটা থাকলে সেলিব্রিটি হওয়া যাইতো ততটা আছে কিনা কে
জানে।![]()
লেখক বলেছেন: টকশো'র টকার মানে আলুচক কে হইবেন? কবি মাইকেল মেহেদী নাকি ফিউশন ফাইভ?![]()
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
দাদা, উনি চিফ মডু, লগে এইখানে স্বচ্ছতার স্লোগান তোলা আরেকজনও আছেন, মানুষের অনেক রঙ, যতই দেখবেন অবাক হইবেন।.....ফারহান, আরো একজনটা কে? চেনা দরকার। ঐদিকে আমার তেমন একটা যাওয়া আসা নেই।
লেখক বলেছেন: ঐটা যেহেতু প্রমাণ নাই, সাক্ষাতে কখনো বলাই ভাল। শুভ্রদা'র কথা আলাদা, উনার কলিজা বড়, ঘোষণা দিয়া উনারে চিফ করা হইসে, উনি আবার আলুতে তরবারি দিয়া মাথা কাটার দায়িত্ব পালন কইরা সামুতে সেই তরবারির বিরুদ্ধে সংগ্রামে বিজি আছেন।![]()
নুশেরা বলেছেন:
আরে ভাই শুনেন, সেলিব্রিটি দুইচারজনের সাথে মোলাকাত হইছে, হেগো কাছে আমার স্ট্যাটাস কাজের বেটি রহিমার থিকা ভিন্ন কিছু না। আপ্নে যায়া আমার রেফারেন্স দিলে কইবো, ও তুমি রহিমার ভাই আবদুল!============================================
একখান কথা। আপনে না আলুব্লগের কী জানি একটা আছিলেন বইলা হাল্কায় ঝাপসায় শুনছিলাম। এখন নাই? ঐখানে মড কারা? (যাওয়া হয়না)
লেখক বলেছেন: তাতে কি? রহিমারে চিনলে আবদুলরে অটোগ্রাফ দিবে না? ![]()
আলু ব্লগ চালু হবার আগে আমি একদিন সবার লগে চা-নাস্তা খাইতে গেসিলাম, কনফারেন্স রুমে সবার লগে আমার শার্টের হাতাও দেখা গেসিলো আলুর পাতায়, সেই ছবি দেখায়া আমি ম্যালা ভাবও নিসিলাম।
মাহবুব ভাইয়ের লগে আমার আলাপসালাপ আছে, ঐ সূত্রে যাওয়া, এমনিতে আলু ব্লগে আমি ১ বার ব্যান খাইসি, এক জামাতিরে লাথি দিমু কইসিলাম, আর এইবার উটুদা'রে নিয়া রসিকতা করায় পোস্ট ডিলিট মারসে, আর তেমন কোন রিলেশান উনাগো লগে আমার নাই।
মডুদের পরিচয় যাদেরটা নানাজনের সাথে খাতিরে জানসি, প্রমাণ নাই বইলা সেইটা বলা ঠিক হবে না, তবে সালাউদ্দিন শুভ্র রে মাহবুব ভাই যাওয়ার আগে আলু ব্লগে পয়লা পাতায় ইন্ট্রোডিউস (এইটার বাংলা কি?) কইরা গেসেন, এবং উনি ৩ দিনের মাঝে বিনা ব্যাখ্যায় উটুদা বিষয়ক পোস্ট মুইছা নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করসেন, এবং এইদিকে আবার সামুতে বিশাল ৪ খানা পোস্ট দিয়া মডারেশনের স্বচ্ছতা দাবী করসেন আর নিজের প্রোফাইলে এই বিষয়ক একখানা স্লোগান লটকায়া রাখসেন। উনিও সেলিব্রিটি বটে।![]()
এত প্যাঁচে কাজ নাই, আপনে আমারে ২-১ জন সেলিব্রিটির অটোগ্রাফ দেন আর তাগো লগে খাড়ায়া ফটো তুলার একটা চান্স কইরা দেন, পিসি'র সামনে বান্ধায়া রাখমু।![]()
লেখক বলেছেন: আসি দাঁড়াও।
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
মনের কথা তুলে ধরেছেন। বিশেষ করে বাচ্চাদের বিষয়টা যখন মা-বাবাদের বলি, তখন বলে কিনা আমি সেকেলে। তখন আর কিছু বলার মুখ থাকে না; চুপসে যায়। কি হয় টিভি তে একটু মুখ দেখিয়ে। জীবনের খাতায় শূণ্য থেকে। পুরা লেখাটা দারুন
লেখক বলেছেন: শৈশবে যখন তাদের আনন্দ করে শেখার কথা, তখনই তাদের মাথায় ঢুকিয়ে দেয়া হয় যেনতেনভাবে হলেও জেতাটাই বড়, নাহলে জীবনটাই বৃথা। মানসিকভাবে পঙ্গু করে দেয়া হচ্ছে তো এখনই।
জুল ভার্ন বলেছেন:
প্রিয় ফারহান, তোমার লেখার পাঠক কাটতি দেখে অবাক হই! তোমার লেখা মানেই শুধু প্লাসের বন্যা!!!অনেক স্টীকি পোস্টেও এমন প্লাস পরেনা।
একটা কাজ কর-তুমি ইলেকশান কর-এম্পি হতে পারবে!(এখানে কান্নার ইমো হবে)
লেখক বলেছেন: এইটা তো অভিশাপ দিয়া দিলেন। ![]()
লেখক বলেছেন: রাজামশাইয়ের আশীর্বাদ শিরোধার্য।
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
দারুন লিখছো তো!কমেন্ট সব পড়লাম না
তুমি কিন্তু ব্লগ সেলিব্রিটি, জানো নিশ্চয়?
সেলিব্রিটি সিন্ড্রোমের চেয়েও খারাপ বোধহয় বাংলাদেশি সিন্ড্রোম!
এটাই রাগিব ভাইয়ের আকীহরে সিন্ড্রোম। তাইনা?
কেমন আছো?
আমি ম্যাংগো পাবলিক ই থাকতে চাই!
লেখক বলেছেন: ব্লগে সেলিব্রিটি বলতে কিছু নাই আসলে, সবার সাথে চিন্তাভাবনা শেয়ার করতে আসি, এইটাই বড় পাওনা।তবে আড্ডাবাজ যদি বলেন, আপত্তি নাই, এই ব্যাপারে আমার দুর্নাম আছে।![]()
কিরণময়ী বলেছেন:
ভয়াবহতা !! প্লাস এ ভেসে যাচ্ছে পোস্ট!এর মানে ক্লিয়ার যে , সেলিব্রিটি , এই ব্যাপারটায় সবার হিডেন দুর্বলতা আসে। খারাপ্না। ফারহান , সেলিব্রিটি হইতে গিয়ে কতজন কত কিছু করসে জীবনে, আর আপ্নে ফিল্ডে না গিয়া সেলিব্রিটি হইসেন! ইহা কম কি ? টিপস দিয়েন...... পোস্ট ভাল্লাগসে কিন্তু ! আমার ইচ্ছা হচ্ছে সেলিব্রিটি কত প্রকার ও কি কি, এইরকম পোস্ট দিতে। সময় পাইলে লিখবোনে কিন্তু ভালো হইবেনা আর কি।
লেখক বলেছেন: সত্যিকারের সেলিব্রিটি হইতেও কিন্তু যোগ্যতা লাগে, সেইটা যখন নাই, ঐটা হবার মাঝে মাঝে খায়েশ হইলেও সাবধানে চিন্তাটা সরায়া দিসি। জোকার হবার চাইতে কিছু না হওয়া ভাল মনে হইসে। সেলিব্রিটির প্রকারভেদ নিয়া লেখার অপেক্ষায় থাকলাম।
এসব কি হচ্ছে ! বলেছেন:
আশরাফুলের সেলিব্রেটি স্বভাব কেমনে কমান যায় হেইডাও কইয়েন
লেখক বলেছেন: কিছুদিন বলবয়ের কাজ করাইলে ফল দিতে পারে।
মগ্নতা বলেছেন:
মজা পাইলাম।
লেখক বলেছেন: মজা দিতে পাইরা আমিও আনন্দ পাইলাম।![]()
লেখক বলেছেন: হেহে, ধন্যবাদ।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
একজন সেলিব্রেটি মনে হয় আপনারে মাইনাস দিয়া গেছে। এই মাইনাসটাও নিশ্চয়ই "সেলিব্রেটি মাইনাস''
লেখক বলেছেন: জ্বি, যিনি দিসেন তিনি সেলিব্রিটিদের নিয়া কারবার করেন। তার একটা পোস্টে কইসিলাম তাগো প্রোডাকশন হাউস ভাঙ্গালিংকের যে বিজ্ঞাপন বানাইসে ঐটা রামছাগলের মত হইসে।![]()
লেখক বলেছেন: তওবা, এই অভিশাপটা দিয়েন না।
আমজনতা থাকার অনেক সুবিধা, যখন-তখন উটুদা, আশুভাইয়ের মত সেলিব্রিটিদের বাঁশ নিয়া তাড়া করতে পারি।![]()
হাল্ক বলেছেন:
every human is unique . when everybody is unique ...no one is.
লেখক বলেছেন: কেমন জানি প্যারাডক্স হয়া গেল না রে?
ঈশান৭২৮৫ বলেছেন:
ভাই, আপনে দেখি ফর্মে আছেন। একটার পর একটা ভালো লেখা দিয়াই যাইতেছেন। আপনার সাথে একমত।
লেখক বলেছেন: খবর কি?
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
উটু দা আইজকা আমজনতারে ক্যারিবিয়ান দ্বীপে দাওয়াত দিছে আম খাওয়ার জন্য!সেতো মহা খুশি তার আব্বা আশরাফুল রান পাইছে!
আজকে জমাইতে পারে নাই সময়ের অভাবে
কালকে দেখবা কইছে আশরাফুলের ব্যাটে রান আর বাংলাদেশ হারবে কেনো?
লেখক বলেছেন: হ, কবিতাও তুইলা দিসে আম নিয়া। আর সাকিবের ইনিংস নিয়া এক লাইনও নাই কিন্তু আশুর ঝিমা ইনিংস নিয়া পুরা এক কলাম। জানি না আইপিএলের টাকার ভাগ পাইসে নাকি সেলিব্রিটিদের পা চাটা ওর জন্মগত স্বভাব। এরে নিয়া আর টাইম নষ্ট করতে ইচ্ছাও করে না।
লেখক বলেছেন: চাইর-পাঁচ দিয়া আর কি করুম, এখনই বইলা ফালান।![]()
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
সেইরকম একটা পোস্ট ভাইয়া.. জোশিলা.. জোশিলা... সোজা প্রিয়তে।
তয়, একটা কথা, ক্যাপ্রি মনে হয়, হাফ-প্যান্ট জিন্সের পোষাকি নাম!!
লেখক বলেছেন: জানি মিয়া, জিনিসটা দেখতে সিম্পলি জঘন্য লাগে।![]()
লেখক বলেছেন: হুম, শুইনা মনে পড়লো, আজকা উটুদা কি বিনোদন সাপ্লাই করসেন দেখা হয় নাই, দেইখা আসি। ভাগ্যিস শালা দেশে নাই, তাইলে আজকার বৃষ্টি নিয়া রবিঠাকুররে ফেইল করানি একটা কাব্যিক রিপোর্ট দেখা যাইতো।![]()
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক শুভেচ্ছা।
হাল্ক বলেছেন:
প্রতিটা মানুষই আলাদা বলে আমরা যে কথা বলি - সেইটা আসলে ভুল। আমরা সবাই এক রকম। সবাই এক রকম বইলাও এত ভড়ং ধরতে হয়। এরচে সত্য কথাটা মাইনা নিলেই হয়।
লেখক বলেছেন: সত্য কথা তিতা হয়, চিরতার রস উপকারী সবাই জানি কিন্তু কয়জনে শখ কইরা খায়? ![]()
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ(এইটা তোর লগে ফর্মালিটিজ হয়া গেল, আরেকটা ভড়ং
)
ঈশান৭২৮৫ বলেছেন:
ভালো নারে ভাই, সামনে পরীক্ষা। পাস ফেল নিয়া টানাটানি। ব্লগে আসার সময় পাইতেছি না। তাই আপনার লেখাটাও পড়ছিলাম দেরীতে। পরের মন্তব্যও দিলাম দেরিতে ।
লেখক বলেছেন: এইটা তো পুরান কথা। আজকা হলের বিছানাপত্তর পানিতে ভাসে নাই?
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
ভাগ্যিস আমি তোমার মতো সেলিব্রিটি হয় নাই।এমন দুর্দান্ত লেখা কেমনে লিখেন স্যার? ইয়ে মানে একটা অটোগ্রাফ দিবেন?
লেখক বলেছেন: সেলিব্রিটিরা বেকার থাকে না, আমি বেকার। চাকরি না পাইলে কোন অটোগ্রাফ নাই। ![]()
ঈশান৭২৮৫ বলেছেন:
শুনলাম নজরুল নাকি বানের জলে ভাইসা গেছে। একতলা পর্যন্ত পানি
লেখক বলেছেন: ঐটাই হওয়ার কথা, আজকা পলাশীর মোড়েও তো ব্যাপক পানি।
লেখক বলেছেন: তার আগে কাউরে স্ট্যান্ডার্ড সেট করতে হবে, স্ট্যান্ডার্ড টা কারে ধরা যায়?![]()
অদ্ভুতুড়ে বলেছেন:
ভাল লেখা
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
সবাক বলেছেন:
রাসেল (..........)
লেখক বলেছেন: উনি বুদ্ধিজীবিদের স্ট্যান্ডার্ড হইতে পারেন বটে।
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
জটিল একটা পোস্ট। আমার রেটিং কে যেন দিয়ে দিছে।
পোস্টে সংক্রান্ত একটা উদাহরণ -
উটু নিজেকে একাধারে কবি, সাহিত্যিক মনে করে - ক্যারিবিয় কড়চা দ্রষ্টব্য।
লেখক বলেছেন: হুম, রবিঠাকুরের কাছাকাছি কিছু, মাঝে মাঝেই ভাবের আলফা লেভেলে উঠে যায়, তারপরেই বলে, কবিগুরু হলে বলতেন-- ব্লা ব্লা ব্লা। এইটা একটা চিড়িয়া, সেলিব্রিটির চেয়েও এই রোগধারী লোকজন বিপজ্জনক।
লেখক বলেছেন: সেইটাই!
পেন্সিল বলেছেন:
সুন্দর হইছে...
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
সবুজ বলেছেন:
বাপরে বাপ, ভয়ানক পুষ্টাইছেন।
মানব জাতির গুষ্টি উদ্ধার কইরা ছাইরা দিছেন!
কথাটা হুনতে নিজেরও গায়ে লাগে মাগার হাছাকথায় দোষের কিছু নাই।
লেখক বলেছেন: সবার গায়েই তো লাগে, আমারো। ![]()
লেখক বলেছেন: একটু বেশি হয়ে গেল।
পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।![]()
লেখক বলেছেন: বেঁচে আছি। আপনি ভাল?? অনেকদিন পরে পরে হঠাৎ উদয় হন।
নিশাচর বলেছেন:
জটিল পোস্টে ++++
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।![]()
লেখক বলেছেন: আমাদের চারপাশের মানুষদের নিয়েই লেখা, খুঁজে দেখুন, পেয়ে যাবেন।![]()
লেখক বলেছেন: আছি আরকি, বেঁচে আছি।
সোহানা মাহবুব বলেছেন:
মুগ্ধ হয়ে লেখাটা পড়লাম।+++
মনের যে কথাগুলো দলা পাকিয়ে গলার কাছে এসে আটকে যায়, সেই কথাগুলো আপনি যে কি চমৎকার ভাষায় লিখেছেন!
মুগ্ধতা জানবেন।
জানবেন শুভকামনা।
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ পড়ার জন্য। ![]()
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
ফারহান ভাই;
এবার পড়লাম কমেন্টগুলো। এইজন্যই ব্লগকে আসলেই উপভোগ্য মনে হয়। দারুণ সব টপিক, লেখা আর মিথস্ক্রিয়া।
খুব ডিস্টার্বড আছি, তাই পুরনো পুরনো কিছু লেখা আবার পড়ছি।
চাকরিটা আমি ছেড়ে দেব... ধরণের।
লেখক বলেছেন: লেখার চেয়ে কিন্তু লেখার ফিডব্যাকই অনেক আকর্ষণীয় হয়, মন্তব্য পড়তে গিয়ে মাঝে মাঝে ভুলেই যাই নিজে কি লিখেছিলাম। এইজন্যই ব্লগ ছাড়তে পারিনা, এটা পণ্ডিতদের না, ছাত্রদের জায়গা, সবাই শেখে, সবাই শেখায়।
আপনার ঝামেলা কাটুক তাড়াতাড়ি।
কার্ল মার্কস বলেছেন:
অক্করে হান্দায়া দিচেন। নাইচ। পিলাচ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।![]()
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন:
দুনিয়াতে শকুনের অভাব নেইসামু তে এক্টিভ হবার আগে এই লেখাটা পইড়া মুগ্ধ হইছিলাম
"দুনিয়াতে শকুনের অভাব নেই"
আর লিটল ম্যাগ ওয়ালাদের অংশটুকু বেশি জটিল লাগছে
লেখক বলেছেন: ভাবের উপর দুনিয়া, বুঝলা ব্রাদার? ভাব ছাড়া গতি নাই।
কৌশিক বলেছেন:
জটিল
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।![]()
নীরজন বলেছেন:
দেরিতে পড়লাম.....................এবং সোজা প্রিয়তে..........সেইসঙ্গে ফ্রি ++++++++++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য, এবং কৃতজ্ঞতা।![]()
রোডায়া বলেছেন:
সাংঘাতিক৷
লেখক বলেছেন: সেলিব্রিটি না হলে কোন সমস্যা নেই। ![]()
লেখক বলেছেন: তা একটু পেসিমিস্টিক বটে! ![]()
সাইফ সামির বলেছেন:
কথিত সেলিব্রিটি ব্লগারদের কীর্তি-কান্ডে বিরক্ত হয়ে ব্লগে আসছিলাম না আগের মতো। পোস্ট যেমন করা হয়নি পড়াও হয়নি অনেক। এখন পুরনো পোস্টগুলো খুঁজে খুঁজে পড়ছি। তাই দেরিতে মন্তব্য।
উচিত কথাগুলো এভাবেই বলতে হয় ফারহান, তাই আপনাকে ধন্যবাদ! আর যারা মন্তব্য করেছেন তারাও কম বলেননি, তাদেরকেও ধন্যবাদ!
সেলিব্রিটি হওয়া খারাপ না। কিন্তু সেলিব্রিটি হওয়ার পর যাবতীয় ন্যাকামি-ছ্যাবলামি-নষ্টামি, অহমিকা-উন্নাসিকতা-দাদাগিরি এসবই জঘণ্য রকমের খারাপ! তারচেয়েও খারাপ বিচ্ছিরি রকমের সেলিব্রিটি পূজা ও সেলিব্রিটি হওয়ার বাসানায় মূল্যবোধের নগ্ন বিসর্জন! আমার কথা হলো যোগ্যতা থাকলে আপনিও সেলিব্রিটি হতে পারেন তাতে কোন সমস্যা নেই, কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না আপনিও বা সেলিব্রিটিরাও মাটির মানুষ, তারা দেবতা নয় বা আম-জনতার বাইরে নন। এটাই মূল কথা।
লেখক বলেছেন: মূল কথাটা এটাই, কিন্তু আকাশে উড়তে পারলেই আমরা ভুলে যাই যে একসময় আমরা মাটিতে ছিলাম, আবারো মাটিতে ফিরতেই হবে। আকাশে থেকে যাওয়ার জন্য তাই কতরকম হাস্যকর প্রচেষ্টা। কিন্তু শেষপর্যন্ত ফিরতেই হয়, ফিরতেই হবে।
লাল নীল দীপাবলী বলেছেন:
দারূণ লিখেছেন......+++++
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। ![]()
সামিউর বলেছেন:
অসাধারণ ++++++
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।![]()
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
ইন্টারেস্টিং !আবার সেলিব্রিটিদের নিয়ে লেখালেখি করলেও কিন্তু নজরে আসা যায়...এটা একটা সেলিব্রিটি সিনড্রোম কি বলেন !
লেখক বলেছেন: মনে হয় না, আমি এখনো কোন সিনেমা পাতার সাংবাদিকের নাম জানি না।
রোবোট বলেছেন:
সবাই সব বলে দিয়েছে। আমি নীরবে পিলাচ দিয়ে চলে গেলাম।
লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞচিত্তে গৃহীত হইলো। ![]()
রাফাত সাদাত বলেছেন:
বিয়াফক! ++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ![]()
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
ফারহান , আপনার এ লেখাটি আমি মনোনয়ন দিচ্ছি ।
নির্বাচিত হলে, দু'একটা শব্দের পরিমার্জন করা লাগতে পারে, বই এর স্বার্থে ।
আপত্তি থাকলে জানাবেন দয়াকরে । ই-মেইলেও জানাতে পারেন ।
আমার লাস্ট পোস্টে ই-মেইল ঠিকানা আছে ।
লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা।
ডঃ জেকিল বলেছেন:
চমৎকার।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। ![]()
মাসুদুল হক বলেছেন:
জটিল লেখা...প্রিয়তে রাখছি
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।
লেখক বলেছেন: বেশি উপদেশমূলক হয়ে গেল নাকি? ![]()
লেখক বলেছেন: হেহেহে, অনেক ধন্যবাদ।![]()
মাহমুদ ফয়সাল বলেছেন:
ভাইয়া আমি বরাবর আপনার লেখার ফ্যান।
আজকে এই লেখাটা আমার বাড়াবাড়ি ভালোলাগা কে আরও বাড়িয়ে দিলো।
সিনড্রোম টা সত্যিই কী সুন্দর করে তুলে ধরেছেন আপনি!!
প্রিয়তে। আর প্লাস। এছাড়া ভালোলাগা প্রকাশের আর কিছু জানিনা এখানে! :-(
লেখক বলেছেন: প্রশংসা করা ঠিক না, ভাব বেড়ে যায়। ![]()
রোবোট বলেছেন:
দৌড় কমসে?
লেখক বলেছেন: নাহ, বাড়সে। আগে দৌড়ের উপর থাকতাম এখন উড়ার উপর আছি। ![]()
ছন্দ্বহীন বলেছেন:
খুব সাধারণ মানুষ ..এখনো বেকার,পড়ছি পুরকৌশল এ। মাথা একটু গরম,একটু বোকাও,তবে মানুষটা মনে হয় আমি খারাপ না।হা হা হা....পুড়া পোষ্ট মনোযোগ দিয়া আর সময় নিয়া পড়লাম।
ভাল লিখেছেন ভাইয়া,খুবই ভাল।
আর তাই আপনার মত করেই বলতে হয়, কতকিছুই না করি.."আপনার নিজের সম্পর্কে দু'লাইন আর এ পোষ্টটিও তারই প্রমাণ দিল কিন্তু!!!"
লেখক বলেছেন: নিজের ঢোল তো ভাই সবাই পেটায়, এই অধম তো আর ফেরেশতা না, মাত্রাটা ঠিক রাখার চেষ্টা করি আরকি।
লেখক বলেছেন: বেঁচে আছি। ![]()
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। ![]()
সৈয়দা আমিনা ফারহিন বলেছেন:
সাধারণ মানুষ হয়ে থাকা অনেক মজার রে ভাই...!!!
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, স্পটলাইটের আলো ভয়াবহ ব্যাপার।
সুহান বলেছেন:
লেখাটা দুর্দান্ত লেগেছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।
লেখক বলেছেন: সেলিব্রিটি না, চাকরি সিনড্রোমে পাইসে রে ভাই, ঢাকা আর ঢাকার বাইরে দৌড় আর দৌড়। ![]()
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


































1.jpg)









রবীন্দ্রনাথের দাড়ি আর নজরুলের বাবরি চুলের পিছনেও নাকি ওই দৃষ্টি আকর্ষণের ব্যাপার ছিল!