আমার প্রিয় পোস্ট

কত অজানারে!

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:২৮

শেয়ারঃ
0 0 0

ন্যাট জিওতে একটা অনুষ্ঠান দেখছিলাম, আমাদের প্রতিদিনকার খুঁটিনাটি দেখার মাঝেই যে কত কিছু জানার আছে সেটা নিয়ে। লেখার বিষয়বস্তুর আকালে মিলাদের জিলাপি দেখার মত লাফিয়ে পড়লাম। দেখা যাক হাবিজাবি কিছু লেখা যায় কিনা।

চাকা

গাড়ির চাকা আসলে কেন খাঁজকাটা হয়? অর্থাৎ চাকাতে কেন থ্রেড দেয়া হয়? অনেকগুলো কারণের মাঝে একটা দেখা যাক বাস্তব পরীক্ষা দিয়ে। একটা ট্র্যাক বানানো হলো, রেসিং ট্র্যাকের মত। চারপাশ থেকে ফোয়ারার পানি দিয়ে বৃষ্টির আবহ সৃষ্টি করা হলো। প্রথমে খাঁজকাটা চাকা দিয়ে শুরু হলো, ৪০ কিমি গতি তুলে হার্ডব্রেক করা হলো। দেখা গেল গাড়িটা থামার আগে যাচ্ছে প্রায় ৫৩ মিটার। এবার খাঁজছাড়া চাকা। ব্রেক করার পর গাড়িটা থামার আগে কতদূর গিয়েছে আন্দাজ করুন তো! ১২৫ মিটার।

পেপার ক্লিপ

প্রতিদিন যে এলিপ্টিক্যাল শেপে ৩ বার বাঁকানো পেপার ক্লিপগুলো আমরা ব্যবহার করি, সেটা ঠিক এই আকারে আসতে বেশ সময় লেগেছে। সেফটিপিনের মত, তিনকোণা, তারার মত, এমন নানা আকার পার হয়ে এখনকার জেমস ক্লিপের আকার পেয়েছে এটা। এই আকারটা সাধারণ ইস্পাত হলে ধরে রাখতে পারতো না, যতবারই বাঁকানো হতো তার আগের আকারে অর্থাৎ কিনা সোজা হয়ে যেতে চাইতো। যেভাবে ইচ্ছা বাঁকানোর জন্য সাধারণ ইস্পাতের সাথে মেশানো হয় সামান্য ম্যাঙ্গানিজ আর সিলিকন, যার জন্য এই ইস্পাতকে ইচ্ছামত বাঁকিয়ে আকার দেয়া এবং সেই আকারেই রেখে দেয়া যায়। অবিশ্বাস্য হলো, প্রতি বছর সারা বিশ্বে এই পেপার ক্লিপ তৈরি হয় ২০ বিলিয়ন অর্থাৎ ২ হাজার কোটি, যার জন্য খরচ হয় প্রায় ১০ হাজার টন ইস্পাত। :|

এয়ারক্রাফট টায়ার

আবারো ফেরত আসি চাকায়, তবে সাধারণ চাকা নয়, উড়োজাহাজের চাকায়। এ চাকার সাথে সাধারণ চাকার পার্থক্য থাকতেই হবে, এয়ারক্রাফট টায়ারকে একই সাথে যেকোন ট্রাকের চেয়েও কয়েকগুণ বেশি ওজন আর ধাক্কা এবং সেই সাথে ফর্মূলা ওয়ানের রেসিং কারের চেয়েও বেশি গতি হজম করার ক্ষমতা থাকতে হবে। বিশেষভাবে বানানো এই চাকাগুলোকে তাই চরমতম পরীক্ষানিরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। সেরকম একটা পরীক্ষা দেখতেই ন্যাটজিও টিম গিয়েছিল বিশ্বখ্যাত টায়ার নির্মাতা ডানলপের কারখানায়, যারা কিনা ছোট গাড়ি থেকে শুরু করে বোয়িং জাম্বোজেটেরও চাকা বানিয়ে থাকে। ১৯১০ সাল থেকে বিমানের চাকা বানানো শুরু করে এই প্রতিষ্ঠানটি, এখনো টিকে আছে সুনামের সাথে। দেখা গেল তাদের কারখানায় কিছু পরীক্ষানিরীক্ষা। প্রতিটা চাকাকে পরীক্ষা করা হয় ডায়নামোমিটার নামের একটা বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে, যেটা একই সাথে ইমপ্যাক্ট (আকস্মিক ধাক্কা), ওজন আর অ্যাব্রেশান (গতি আর আঘাতজনিত ক্ষয়) টেস্ট করতে পারে। অবশ্যই সাধারণভাবে যা আসার কথা তারচেয়ে বেশ কিছুটা বেশি ধরেই পরীক্ষাগুলো করা হয়। প্রশ্ন আসতে পারে, এই বেশিটা কি? জবাব হলো, ইমার্জেন্সি ল্যান্ডিং, বা এয়ার পারাবতের মত খালেবিলে মাঠেঘাটে নেমে পড়া, অথবা আরো খারাপ হলে, দুর্ঘটনা। সাধারণ একটা এয়ারক্রাফট টায়ারের জন্য চাপ ধরা হয় ২২০ পিএসআই, অর্থাৎ প্রতি বর্গইন্ঞ্চিতে ২২০ পাউন্ড, তবে সবার শেষে যে "ইনফ্লেটেবল টেস্ট" করা হয়, সেখানে ধরা হয় এক্সট্রিম কন্ডিশান, যাতে টায়ার ফেটে যাবে। এজন্য ডিজাইন প্রেশারের অন্তত ৪ গুণ প্রেশার দিয়ে পরীক্ষা করা হয়। একটা বায়ুশূন্য কক্ষে টায়ারটা রাখা হয়, আর ভিতরে ভরা হয়, না, বাতাস না, পানি। পানি কেন? কারণ বাতাস দিয়ে ঐ চাপ সৃষ্টি করতে চাইলে এটা এত বেশি আয়তনে বাড়বে যে যখন ফাটবে তখন ফ্যাক্টরি বিল্ডিংয়ের অর্ধেকটা উড়িয়ে নিয়ে যাবে। শেষ এই বোকামিটা ডানলপ করেছিল ১৯৩৯ সালে, সেবার পুরো প্রেশার চেম্বারটা উড়ে গেলে পর এই পানি দিয়ে পরীক্ষার ব্যবস্থা। যাই হোক, পানি দেয়া হচ্ছে, চাপ বাড়ছে, ৩০০, ৪০০, ৬০০, ৮০০, ৯০০, ১০০০, এবং বুম! টায়ারটা ছিটকে গেল এদিক ওদিক, তবে এত চরম কন্ডিশনেও কিন্তু একটা দিক ফাটলো চাকাটার, ছিন্নবিচ্ছিন্ন হলো না। বোঝাই যায়, ডানলপ এমনি এমনি এত নামডাক করেনি।

গ্লু বা আঠা

খুবই পরিচিত জিনিস। গৃহস্থালী ব্যবহারের যে গ্লু, তার ক্যাটাগরি ৩টা। প্রথমটা, অ্যাডহেসিভ টেপে যেমন থাকে, বা স্টিকিং প্লাস্টারে। এমনিতে শুকনো থাকে, হাতে লাগলেও আটকে যায় না, কিন্তু চামড়ায় বা অন্য কোথাও লাগিয়ে সামান্য চাপ দিলেই এই চাপের কারণে আটকে যায়। পরেরটা হলো "থার্মোপ্লাস্টিক গ্লু"। তরল অবস্থায় যেকোন কিছুর উপর দিয়ে যেতে পারে, কিন্তু যেই শুকিয়ে যায়, প্রচণ্ড শক্তভাবে ঐ বস্তুর সাথেই লেগে যায়। হাতের উপর লাগিয়ে দেখা গেছে, তোলার সময় হাতের লোমসহ ছিঁড়ে আনে। আর শেষটা, ইভাপোরেটিং ডিপেন্ডেন্ট গ্লু, সবচেয়ে শক্তিশালী, দেয়ালে পোস্টার লাগানোর জন্য যে তরল আঠা ব্যবহার করি সেগুলো। এর কণাগুলো যে বস্তুর সাথে লাগানো হয় তার অণুর সাথে বাতাসের উপস্থিতিতে বিক্রিয়া করে লেগে যায়। কেমন শক্তিশালী এটা? একটা কাঠের পাটাতনে একটা ইউনিফর্ম লাগিয়ে দেয়া হলো এই গ্লু দিয়ে, এরপর ৪ দিন শুকানো হলো। একজন লোককে বুকখোলা এই ইউনিফর্মে ঢুকিয়ে আটকে দেয়া হলো, এরপর ক্রেন দিয়ে তোলা হলো উপরে। ৯৫ কেজি ওজনের লোকটাকে তুলে নিলো, আর পুরো ওজনটাকে সাপোর্ট দিলো সাধারণ আঠা, দেখেও বিশ্বাস হয় না।:|

ব্রিটিশ পাউন্ড

টাকা জাল করা ঠেকাতে কত পদ্ধতিই তো নেয়া হয়, আমাদের টাকার মতই ব্রিটিশ পাউন্ডেও মেটাল থ্রেড থেকে শুরু করে আল্ট্রাভায়োলেট রে দিয়ে দেখা যায় এমন গোপন নম্বরও আছে। তবে জাল টাকা নিখুঁত করে ধরা খেয়ে গিয়েছিল জার্মানরা, ২য় বিশ্বযুদ্ধের সময়। ঐসময়ে জার্মানরা এতই নিখুঁত পাউন্ড বানাতো যে ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞরাও সেটা ধরতে পারতো না। শেষ পর্যন্ট সেটা ধরা পড়লো কিভাবে? না, জার্মানদের অতি খুঁতখুঁতে কাজের কারণে। ব্রিটিশ পাউন্ডে কোণার দিকে যে "N" থাকে, সেই "N" এর বাম দিকের কোণাটা, ব্রিটিশ ছাপাকারকদের খানিক অবহেলার কারণেই, বেশ ছড়ানো থাকতো, অনেকটা কালি ছড়িয়ে গেলে যা হয়। সবকিছুতেই খুঁতখুঁতে জার্মানদের সেটা হজম হয়নি, তারা পুরো নিখুঁত "N"-ই দিয়ে রাখতো, আর ঐ দেখেই ব্রিটিশরা ধরে ফেলতো, এই কাজ তাদের না। মাঝে মাঝে কাজে অবহেলাও সুফল আনে দেখা যায়! :)

সুপার গ্লু

আবার ফিরে আসি আঠাতে, তবে সাধারণ আঠা নয়, সুপার গ্লু। এটার আবিষ্কার একদম আকস্মিক। ১৯৪২ এর কথা, কোডাক (ফিল্ম কোম্পানি) এর ডঃ হ্যারি কুভার চেষ্টা করছিলেন স্নাইপারদের রাইফেলের গান-সাইটে ব্যবহারের জন্য স্বচ্ছ প্লাস্টিক বানাতে, মাঝ দিয়ে যেটা হলো, এমন এক যৌগ আবিষ্কার করে ফেললেন, যেটা ১০ সেকেন্ডের মাঝে চরমভাবে আটকে যায় যেকোন কিছুর সাথে, এমনকি মানুষের চামড়ার সাথেও। রাসায়নিক নাম "সায়ানোঅ্যাক্রাইলেট", পেটেন্ট করে এর নাম দেয়া হলো "সুপার গ্লু", বাজারজাতকরণ শুরু হয় ১৯৫৮ থেকে।
অবশ্য, এর থেকেও শক্তিশালী দামী গ্লু আবিষ্কৃত হয়েছে এর পরে, যেগুলোকে বলা হয় "ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্লু", শিল্পকারখানা বা বিশেষ ধরণের যন্ত্রপাতিতেই সেগুলো ব্যবহৃত হয়। ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্টিকিং প্লাস্টার এতই শক্তিশালী যে ৫ বর্গসেন্টিমিটারের একটা টেপ একটা ৯৫ কেজি মানুষকে শূন্যে ধরে রাখতে পারে ৫৮ সেকেন্ড, আর ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্লু? মাত্র কয়েক ফোঁটা গ্লু দিয়ে ছোট, কয়েক ইন্ঞ্চির দু'টো অ্যালুমিনিয়ামের পাত জোড়া লাগানো হলো। এরপর ২ দিক থেকে শুরু হলো টানাটানি, একদিকে ৭০০ কেজি ওজন, অন্যদিকে টাগ-অভ-ওয়্যার দল, এরাও যে টান দিলো সেটার মান ওরকমই। হলো না কিছু। এরপরে টানা হলো গাড়ি দিয়ে, ছুটলো না। শেষমেশ ল্যাবরেটরিতে নিয়ে ইস্পাতের রডের শক্তি পরীক্ষার যন্ত্র দিয়ে টান দেয়া হলো। অবশেষে ছিঁড়লো, তবে কত শক্তি লেগেছিলো জানলে চোখ কপালে উঠে যাবে। মাত্র কয়েক ফোঁটা গ্লুকে ছাড়াতে লেগেছিলো পুরো ১৭০০ কেজি বল।:|

টাকা দিয়েই শেষ করি। মাঝেমাঝেই আমাদের বলা হয় হাত দিয়ে টাকা ধরলে হাত ধুয়ে ফেলতে, জীবাণু আছে। কথাটা পরীক্ষা করে দেখা হলো ঐ ব্রিটিশ পাউন্ডের উপরই। ইলেক্ট্রন মাইক্রোস্কোপের নিচে রেখে দেখা গেল, এর আঁশগুলোর ফাঁকে ফাঁকে অসংখ্য ব্যাকটেরিয়া, অনেকগুলোই কঠিন রোগ সৃষ্টিকারী। সবচেয়ে ভয়ংকর হলো নিষ্ক্রিয় ব্যাকটেরিয়াগুলো। আপাতত এরা ক্ষতি করছে না, তবে উপযুক্ত পরিবেশ পেলেই এরা সক্রিয় হয়ে উঠে কুরুক্ষেত্র বাঁধিয়ে দিতে পারে।

আসলেই, অর্থই অনর্থের মূল।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ডকুমেন্টারি ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরিডকুমেন্টারি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩২
বিবর্তনবাদী বলেছেন: ন্যাটজিওর প্রোগ্রামগুলো অসাধারণ। ঘন্টার পর ঘন্টা কাটিয়ে দেওয়া যায়।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: পুরাই, আমি আজকে দুপুরের ঘুম নষ্ট করে ২ ঘণ্টা দেখলাম, বসলেই আটকায়া যাই।

২. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৪
অপ্‌সরা বলেছেন: বাব্বাহ!! এত কিছু !!
আমরা শুধু ব্যাবহারই করি। এত কিছু কখনও জানতেও যাইনা।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: না জানলেও চলে, বেশি জানলে আবার ব্যবহারও করা যায়না।:)

৩. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪০
সৌম্য বলেছেন: প্রোগ্রামটার নাম আই ডোন্ট নো দ্যাট বা এরকম তাই না? একটা রুপালী চুলের হেভী জোস একটা মেয়ে উপস্থাপক আর দুই বলদ টাইপ পোলা থাকে। সবাই কড়া ব্রিটিশ টোনে উচ্চারন করে।

বাংলাদেশে রাত ৪টা থেকে সকাল ৮ পর্যন্ত অধিকাংশ এলাকাতে হিস্টোরি চ্যানেল বন করে দিয়া ন্যাট জিও এডভেঞ্চার নামের একটা চ্যানেল দেয়। ডাইনে যাও, বায়ে যাও, সাগরে ডুব দাও, তুষার ঝরে পড়, উপরে উঠ, নিচে নাম, আর ইউ লস্ট? ইউ হ্যাভন্ট সিন এনি থিংক ইয়েট, লেট গেট লস্ট।

ন্যাট জিওতে দুর্দান্ত একটা প্রোগ্রাম হয়, ডোন্ট টেল মাই মাদার। ডিয়েগো নামের এক তার ছিড়া পোলা খালি ঘুরে। কিন্তু কোন দেশে যাইতেছে সেইটা ভুলেও মায়েরে কয় না। সে তার মারে হেভী ডরায়। কারন সে বেছে বেছে একটু আলাদা দেশ গুলোতে যায়, পাকিস্তানের তালেবান স্টেটস, ভারতের কাশ্মীর, গাজা, জেরুজালেম, উত্তর কোরিয়া, ব্রাজিলের ড্রাগ লর্ডদের প্রদেশ। কঠিন অনুষ্ঠান। এই ব্যাটা সৈয়দ মুজতবা আলীর মতো, খালি ঘুরে কিন্তু ভ্রমন কাহিনী না, ঐ সব অঞ্চলের সাধারন মানুষের কাহিনী।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: প্রোগ্রামটার নাম আই ডিড'ন্ট নো দ্যাট। মেয়েটা আজকে ছিল না, বলদ ২টা ছিল।:)
আমার অবশ্য পছন্দ অ্যানসিয়েন্ট মেগাস্ট্রাকচারস, আর আরেকটা প্রোগ্রাম হয় বিশাল সব স্ট্রাকচারের উপর, আরেকটা আছে মোস্ট ডেন্ঞ্জারাস অ্যানিমেলস। আর ছাড়া ছাড়া যা দেখি সবই ভাল লাগে, এদের মেকিং দুর্দান্ত। জেইলড অ্যাব্রডটা দেখসিলাম ২-১ পর্ব, চরম বায়াসড লাগসে, আর দেখিনা।

৪. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪০
সাইফুর বলেছেন: জানার আছে অনেক কিছু
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: আবার বলে!

৫. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৩
রাতের বৃষ্টির শব্দ বলেছেন: আগে আপনার লেখা আরো বেশি ভাল লাগতো :(
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: হাহাহাহা,অনেকেই এইটা বলে। কি আর করা , লেখকদেরই অবনতি হয়, আমি তো সাধারণ ছোটখাটো ব্লগার। তারপরেও যে কষ্ট করে পড়সো এইজন্যই ধন্যবাদ, কথাটা মাথায় থাকবে।:)

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫০

লেখক বলেছেন: সেইটাই!

৭. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৪৯
কায়েস_ বলেছেন:


বিবর্তনবাদী বলেছেন: ন্যাটজিওর প্রোগ্রামগুলো অসাধারণ। ঘন্টার পর ঘন্টা কাটিয়ে দেওয়া যায়।


এটা কি টিভি চ্যানেল নাকি?
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫২

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক।

৮. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৪
মনজুরুল হক বলেছেন:

যেখানে দেখিবে ছাই.........
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: হুম, মাঝে মাঝেই উড়াই।:)

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৮

লেখক বলেছেন: নেটের যা স্পিড, আস্তে ধীরে নামানি লাগবো।:| কিন্তু লিংকগুলা ব্যাপক কাজে লাগবে, ধন্যবাদ।:)

১০. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৫
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: চমক খাইলাম , টাশকিত হলাম

১. লেখার উপাত্তে , অজানা ছিল সবই , দারুন!!
২. তোমার ব্রেনে , আল্লাহ জানে কত ফসফরাস আছে তোমার ব্রেনে , এত্ত কিছু মনে রাখো কেমনে ?
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১০

লেখক বলেছেন: প্রোগ্রামে আর কয়েকটা টপিক ছিল, ঐগুলি লিখলে বেশি সুবিধার লাগবে না, দেখলে ভাল।
ফসফরাস বেশি থাকলে কি মনে রাখা যায় বেশি? সেইক্ষেত্রে, তোমার ব্রেইনে ঐটার পরিমাণ ইনফিনিটি।:)

১১. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৭
অপরিচিত_আবির বলেছেন: আমি গতপরশু ন্যাশনাল জিওগ্রাফিতে আমাদের ইউনিভার্সেল ওপর একটা চরম প্রতিবেদন দেখলাম। পুরো এক ঘন্টা আমি নড়তেও পারি নি। শুরুটা এভাবে হয়েছে যে পৃথিবী থেকে আকাশের তারা দেখা যাচ্ছে, দূরতম তারা ... আর নেপথ্য কন্ঠ্য বলছে কে জানে ইউনিভার্সের শেষ প্রান্তে না জানি কি আছে, তখন আরেকটা কন্ঠ্য বলছে চলো দেখে আসা যাক। এরপর শুরু হল ভ্রমণ, হাজার হাজার লাইটইয়ার আর হাজার হাজার বছর, অর্থাৎ টাইম এবং স্পেস একইসাথে ট্রাভেল শুরু হল, পথে ইন্টারেস্টিং কোন জিনিস যেমন রেড জায়ান্ট, হোয়াইট ডোয়ার্ফ, পালসার, কোয়াসার, সুপারনোভা, হাইপার নোভা বা ব্ল্যাক হোল দেখলে ভ্রমণ বিরতি দেওয়া হচ্ছে - ভালমতন দেখে নিয়ে আবার সামনে এগাচ্ছে। সবমিলিয়ে দারুণ অভিজ্ঞতা। ফিনিশিংটা সবচেয়ে দারুণ লেগেছে - স্পেস-টাইম ট্রাভেল করতে করতে পর্যটক যখন শেষ পর্যন্ত ইউনিভার্সের কিনারায় পৌছাল তখন সে দেখতে পেল যে সে বিগ ব্যাংয়ের মুহূর্তে পৌছে গেছে ... কাজেই ইউনিভার্সের কিনারা দেখা আর হল না তার।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৩

লেখক বলেছেন: প্রোগ্রামগুলি চরম করে, একদমই উঠা যায় না। অ্যানসিয়েন্ট স্ট্রাকচারগুলোর উপর প্রোগ্রামগুলি আমি একটানা দেখি, তবে বেশি বড় বলে পুরোটা খুঁটিনাটি মনে রাখা যায় না। পারলে তোমার প্রোগ্রামটার লিংক দিও।

১২. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১২
জনৈক আরাফাত বলেছেন: ট্রিভিয়া ট্রিভিয়া ট্রিভিয়া!

জীবনের অন্তত এক দশমাংশ সময় নষ্ট করছি এই সব জিনিষ জেনে, যেগুলো পেটের ভাত যোগায়না! :(

(আরও নষ্ট করার আশা রাখি! )
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৪

লেখক বলেছেন: সেইটা যোগায় না, বড় প্রমাণ তো আমি নিজেই।:)

১৩. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৩
পল্লী বাউল বলেছেন: ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।ধন্যবাদ।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৫৯

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।:)

১৪. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৭
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক/ডিসকভারী/বিবিসি আর মাঝে মাঝে সিএনএন। আমার টিভি দেখার দৌড় সাধারনত এর মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকে। হার্ডটক দেখেন নাকি বিবিসির?


এই অনুষ্ঠান টা দেখছি, ডোন্ট টেল মাই মাদার ও দেখছি। মাইয়াটা শুধু সুন্দর না সেই সাথে সুইট। মিডিয়ার মাইয়াগুলার মত ছ্যাবলা না, আবার ক্রীশ্চিনা আমানপুর বা হাআলা গোরানীর মত পাথরও না।

প্লাস।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০১

লেখক বলেছেন: সিএনএনটা দেখি না, বিবিসিতে খালি খবর, বরং বাচ্চাদের চ্যানেল যেমন জেটিক্স নাইলে কার্টুন নেটওয়ার্ক নাইলে ডিজনী দেখি, হেহে।
মাঝে মাঝেই মনে হয়, বই দেখায়া সায়েন্সের খটোমটো জিনিসগুলি পড়ানোর বদলে এই ন্যাট জিও নাইলে ডিসকভারির ডকুমেন্টারিগুলি চালায়া দিলেই পোলাপান অনেক সহজে আর আনন্দে সায়েন্স পড়তে পারতো।

১৫. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৫
অ্যামাটার বলেছেন: আপনে তো দেখি ফাটাফাটি মনযোগী টেলিভিশন দর্শক!:)

এয়ার বাসের চাকার প্রেশারেরই মতন মনেহয় দেখছিলাম, মটরকারের গ্যাস সিলিন্ডারের পরীক্ষাটা, (অনুষ্ঠানের নাম আমি ঠিক বলতে পারছি না, আসলে গত কয়েকবছর নিউজ আর খেলা ছাড়া বোকাবাক্সের সামনে সময় বেশি পার করা হয় না:()

তবে গ্যাস সিলিন্ডার এখনও পুরোপুরি নিরাপদ না, এই কারণে কোনও কোনও দেশে অনুমোদন পাইনি, এই সিলিন্ডার বিষ্ফোরিত হবে একটা নির্দিষ্ট একক পরিমাণ চাপ প্রয়োগ করলে, দূর্ঘটনাতে পড়লে যদি একটা মটর ভেইকেলের সেই পরিমান চাপে(পরিমানটা মনে নাই, কত পিএসআই) আঘাত করে/ধাক্কা মারে, তখন ব্লাষ্ট হবে। {বাংলাদেশে মনেহয় এই দূর্ঘটনাটা একাধিকবার ঘটেছে}

একটা জিনিস আমার মাথায় ঢুকে না, টাকা জাল করার ব্যাপারে। এত্ত লাভজনক একটা কাম, তো জালিয়াতেরা খামাখা সাধারণ প্রিন্টার দিয়া কাম সারে ক্যান? আসল যে' মেশিনে টাকা ছাপায়, সেইটা নিয়া আসলেই তো ল্যাটা চুকে যায়!
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৫

লেখক বলেছেন: খুব মনোযোগ দিয়ে দেখার মট অনুষ্ঠান হইলেই খালি দেখি, নাইলে এমনিতে টেলিভিশন জিনিসটার দিকে আমার বিতৃষ্ণা আছে। :|
হেহে, বাংলাদেশে একেবারে প্র্যাকটিক্যালি ফেটে গিয়ে দেখায়া দিসে। ঘটনাটা মর্মান্তিক, মনে হয় হরতালের সময় আগুন লাগানোর পরে ফাটসিলো।
আসল মেশিনের প্রপার্টিজ সিক্রেট থাকে মনে হয়, এমনকি ক্রাইটেরিয়াগুলিও, আমি ঠিক জানি না। নাইলে তো এতদিনে নকল করেই ফেলতো।

১৬. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৫
আট আনা বলেছেন: টায়ার নিয়ে একটু কথা বলি, এটা কমন পড়েছে :) । টায়ারের ট্রেড নিয়ে গবেষণার শেষ নাই। ট্রেডের বৈচিত্রতার উপর নির্ভর করে গাড়ির নিয়ন্ত্রন, গতির মসৃনতা, এমনকি গ্যাস মাইলেজ।

আপনি যে অবস্থার কথা বলেছেন, সেটাকে বলে হাইড্রো প্লেন (Hydro Plane) । মোটামুটি বৃষ্টির মধ্যে ৩৫ মাইল এর বেশী স্পিডে গাড়ি চালালে এটা ঘটতে পারে। ব্রেক, হুইল কন্ট্রোল ইত্যাদির উপর থেকে নিয়ন্ত্রন চলে যেতে শুরু করে। বলা হয়ে থাকে ৫৫ মাইলের বেশী চালালে পুরাপুরি নিয়ন্ত্রন চলে যেতে পারে। এটা ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ টপিক। অবশ্য এমনিতেও বৃষ্টিতে ড্রাইভিংয়ের সময় এটা মাথায় রাখতে হয়। আমার এক রুমমেট মাসখানেক আগে এভাবে বৃষ্টির মধ্যে সামনের গাড়ির পেছনে হিট করেছিল, ব্রেক করেছিলো সময়মতই কিন্তু স্কিড করেছিল গাড়ি।

যেসব এলাকায় শীতের দিনে প্রচুর স্নো পড়ে সেখানে লোকজন শীতের আগে উইন্টার টায়ার লাগিয়ে নেয়। খুব বেশী স্নো পড়লে বড় বড় ট্রাকের পেছনের চাকাগুলাতে ইস্পাতের চেইন পেচিয়েও চালাতে দেখছি।
রেগুলার টায়ার আর উইন্টার টায়ারের ২টা ছবি দিলাম। প্রথমটা রেগুলার, পরেরটা উইন্টার টায়ার। ট্রেডের স্টাইলটা দেখেন--




২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১৩

লেখক বলেছেন: হুম, ব্যাপক জিনিস জানাইলেন। ফর্মূলা ওয়ানে দেখসি এমনিতে, ড্রাই ট্র্যাকে একরকম টায়ার, হালকা বৃষ্টিতে আরেকরকম, আর ভারি বৃষ্টিতে আরেকরকম। তবে উইন্টার টায়ার এই প্রথম দেখলাম। বাড়তি সিম লাগানো দেখতে পাচ্ছি, ফ্রিকশান বাড়ানোর জন্য মনে হয়, ট্রেডগুলোর প্যাটার্নও আলাদা।

১৭. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫৮
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: নানা বিষয়ে চমৎকার লেখেন আপনি। এই বিষয়-বৈচিত্র্য আর প্রাঞ্জল বর্ণনা দারুণ চিত্ত-আকর্ষক।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১৫

লেখক বলেছেন: যারা পড়েন তাদের বদান্যতা।:) অনেকদিন পরে এলেন, ভাল আছেন তো?

১৮. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১৯
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: আপনারা দুই বন্ধু- আপনি আর মেহরাব- বিনয় মজুমদার পড়া বন্ধ করেন তো! X( X( X(
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৩৮

লেখক বলেছেন: হেহে, ঐ লাইনে মেহরাব আমার চেয়ে এক্সপার্ট, ভাল কিছু কম করি কাজেই করলে নিজেই ঢোল পিটাই। কিন্তু আপনি না লিখে যে আমাদের ফাঁকি দিচ্ছেন সেইটার কি হবে? :|

১৯. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:২০
জানজাবিদ বলেছেন: ধুর ভাইজান, পুতু পুতু মার্কা লেখা হইছে। আমি লেখলে মানায় কিন্তু আপনে নিজেরে এখন একটা স্ট্যান্ডার্ডে নিয়া গেছেন............ (ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায়)
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৪৫

লেখক বলেছেন: খেপতে খেপতে টেম্পারেচার এক্সট্রিম পয়েন্টে গেসিলোগা, মাথা ফাটার আগেই ভাবলাম একটু প্যানপ্যান কইরা ঠাণ্ডা করি। :(

২০. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:২৭
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: !!!!!! ভাইয়া আপনি তো দারুন সব ব্যাপার খুজে বের করেছেন। অনেক অদ্ভুত সব কথা জানা গেল! গ্লু এর কথা পড়েতো ভয় পাইছি!!
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৫৩

লেখক বলেছেন: সুপার গ্লু নিয়ে সাবধান করতো যে আঙ্গুলে লাগিয়ে জোড়া দিলে নাকি চামড়া না কেটে খোলা যায় না। তখন পাত্তা দেই নাই, টেস্ট করার ইচ্ছা ছিল, আজকে উৎসাহ চলে গেছে।:|

২১. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৩০
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: অনেক সময় নিয়ে পড়েছি তাই মন্তব্য করতে দেরি হল।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৫৩

লেখক বলেছেন: কোন ব্যাপার না, পড়াটাই অনেক বড় ব্যাপার, তাই না? :)

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:২৯

লেখক বলেছেন: :)

২৩. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৫৪
নুশেরা বলেছেন: আমার ছোটবেলায় বাসায় বিজ্ঞান সাময়িকী বলে একটা ছোটকাগজ আসতো। মুহম্মদ ইব্রাহিমের সম্পাদনায় বেরুতো। ওখানে খুব ইন্টারেস্টিং কিছু আইটেম থাকতো, "কেমন করে এলো" আর "কী কেন"। কেমন করে এলো-তো দৈনন্দিন ছোটখাটো জিনিসপত্র যেমন চশমা, সেফটিপিন এইসবের আইডিয়া মানুষ কীভাবে পেলো, এগুলোর ডিজাইন কীভাবে যুগে যুগে বিবর্তিত হয়ে আজকের চেহারায় এসেছে এসবের ইলাস্ট্রেশনসহ বর্ণনা থাকতো। আর "কী কেন"তে বিভিন্ন ঘটনার পেছনের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা। লিখতেন আবদুল্লাহ আল মুতী শরফুদ্দিন, শাজাহান তপন, মুহম্মদ ইবরাহীমসহ মোটামুটি পরিচিত লেখকরাই। অদ্ভুত সুন্দর ভাষা।

বহু বছর পরে বিজ্ঞান সাময়িকীর সেই প্রথমদিককার লেখাগুলোর কথা মনে করিয়ে দিলেন। ভাষা-বর্ণনার সাবলীলতা এমন লেখাকে অনেক বেশী গভীরতা ও উচ্চতা দেয়। চলুক।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৭

লেখক বলেছেন: বাবা বিজ্ঞাম জাদুঘরে চাকরি করতেন বলে এইসব সাময়িকী, ছোটদের বিজ্ঞান পত্রিকাগুলো পড়া হতো। নবীন বিজ্ঞানী নামে একটা ত্রৈমাসিক বের হতো, এখন আর বের হয় না। আবদুল্লাহ আল-মুতীর লেখা খুব পছন্দ করতাম, তাঁর আবিষ্কারের নেশায়, মেঘ-বৃষ্টির দেশে এমন ২-১টা বই এখনো আছে। কেন কে জানে, তাঁদের পরে এই বিজ্ঞান লেখক শব্দটাই হারিয়ে যাচ্ছে, অথচ বিজ্ঞান ভীতি কাটাতে এমন আরো অনেক অনেক লেখক দরকার ছিল। আগেও যেমন বলেছি, খটমটে টেক্সট বইয়ের বদলে ন্যাট জিও বা ডিসকভারির ডকুমেন্টারিগুলো ভালো বাংলা ডাবিংয়ে স্কুল-কলেজে নিয়মিত দেখালে এমনিতেই অনেক জটিল বিষয় সহজ হয়ে যাবার কথা।

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৮

লেখক বলেছেন: না জানলেও ক্ষতি নাই, জানলে পয়সা আসে না। :)

২৫. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:০৩
জুল ভার্ন বলেছেন: আমি টিভি যতটুকু সময় দেখি-ন্যাটজিও/ জিওগ্রাফী চ্যানেল, ডিসকভারী/ এনিমেল প্লানেট ইত্যাদি নিয়ে থাকি! আমার ছেলেরা বলে-"তুমি বুড়ো হয়ে যাচ্ছো-তাই তোমার ঐসব চ্যাণেল ভালো লাগে-কিন্তু আমাদের ওসব ভালো লাগেনা"!

ন্যাটজিও/ হিস্টোরিক্যাল'র প্রোগ্রামগুলো অসাধারণ। ঘন্টার পর ঘন্টা কাটিয়ে দেওয়া যায়। আমিও ঐসব প্রগ্রাম দেখি-কিন্তু তোমার মত এত্ত সুন্দর করে তা নিয়ে লেখা সম্ভব বুঝতেই পারতামনা তোমার সুন্দর লেখা নাপড়লে!
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫১

লেখক বলেছেন: ইনডিয়ান চ্যানেল আগেই দেখতাম না (কোন বিদ্বেষ থেকে না, ব্যাটাদের প্রোগ্রাম আসলেই চরম নিম্নরুচির এবং মানের), বাংলাদেশী চ্যানেল দেখাও বাদ দিয়েছি অনেকদিন, সবই তো কপি-পেস্ট অনুষ্ঠান। যদি দেখি তো এই কয়টাই দেখি আজকাল, তবে এখনো বাচ্চা স্বভাব রয়ে গেছে বলে কার্টুনের চ্যানেলগুলো দেখা হয়, ম্যুভির চ্যানেলগুলো মাঝে মাঝে দেখি তবে বিজ্ঞাপনের যন্ত্রণায় দেখা মুশকিল, এমনিতেও টিভির দিকে আমার আগ্রহই কম।

২৬. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:১৮
আশাবাদী মানুষ বলেছেন: চমৎকার সব তথ্য ।

ধন্যবাদ আপনাকে।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫২

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ।:)

২৭. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৪
ইন্ঞ্জিনিয়ার বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম। অনেক ধন্যবাদ।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৫

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ কষ্ট করে পড়ার জন্য।:)

২৮. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০৬
পুরাতন বলেছেন: জানার আছে অনেক কিছু......ধন্যবাদ আপনাকে .....শুভেচ্ছা রইল .....:)
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৮

লেখক বলেছেন: আপনাকেও শুভেচ্ছা।:)

২৯. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২৯
ম্যাক্স পেইন বলেছেন: জনৈক আরাফাত বলেছেন: ট্রিভিয়া ট্রিভিয়া ট্রিভিয়া!

জীবনের অন্তত এক দশমাংশ সময় নষ্ট করছি এই সব জিনিষ জেনে, যেগুলো পেটের ভাত যোগায়না! :(

(আরও নষ্ট করার আশা রাখি! )


জটিল হইসে মিয়া
সিরিজ করতারো :)
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৯

লেখক বলেছেন: আইডিয়া ভালো দিলেন, প্রোগ্রাম দেখলে এরপরে কপি কইরা লোকজনরে জ্বালানো যাইতে পারে।:) এইরকম আরো ২-১টা লেখসিলাম ডকুমেন্টারির উপর, পিছন দিকে আছে, ক্যাটাগরি করে রাখলে ভাল হইতো।

৩০. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৫
রাহামনি বৃষ্টি বলেছেন:
ম্যালা কিছু জানতে পারলাম
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৮

লেখক বলেছেন: শেয়ার করতে পেরে আমিও খুশি হলাম।:)

৩১. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৮
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: আপনারা দুই বন্ধু- আপনি আর মেহরাব- বিনয় মজুমদার পড়া বন্ধ করেন তো!
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৩৮

লেখক বলেছেন: হেহে,ঐ লাইনে মেহরাব আমার চেয়ে এক্সপার্ট, ভাল কিছু কম করি কাজেই করলে নিজেই ঢোল পিটাই। কিন্তু আপনি না লিখে যে আমাদের ফাঁকি দিচ্ছেন সেইটার কি হবে?


এইবার বিনয় মজুমদারও ভূপাতিত!!!!

আমার পোস্ট কেউ ভাল বললে , আমি অন্তত সেটা মেনে নিই । খারাপ বললে নিজে খারাপ বলি । কিন্তু কেউ ভাল বললে , সেটাকে সম্মান করি :)

এবার ভাবো , কে বিনয়ের অবতার (এইবারও আমাকেই বলবা , তখন তুমি বিনয়-কিউব মজুমদার হতে পারবা)
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৮

লেখক বলেছেন: হ, শেষ লাইনেই বলে দিসো, হেহেহে।:)

৩২. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩৮
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: জ্ঞানী পোস্ট। ন্যাটজিওর একটা সিরিজ ডিভিডি আছে ইন্টারেস্টিং স্থাপনা গুলার উপর। বুর্জ আল আরব বাদে একটাও দেখা হয়ে উঠে নাই:(
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৫

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, আমিও খালি ঐটাই দেখসিলাম, চরম ইন্টারেস্টিং ছিল। যেভাবে আইল্যান্ড বানায়া সেখানে ওয়েভ অ্যাকশন ডিসিপেট করে, আইডিয়াটা চরম লাগসে।

৩৩. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩৪
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন:
''বিনয়-কিউব মজুমদার!!! ''

:D :D

B-) B-)

;) ;)

:P :P

!:#P !:#P

=p~ =p~

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:০৭

লেখক বলেছেন: আপনি দেখি ম্যালা ইমোটিকন দেয়া শিখে গেছেন। আমি এখনো :) আর :( আর :| পারি।

৩৪. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৫৪
মুনশিয়ানা বলেছেন: টেলিভিশন প্রোগ্রাম...? ডরাইছি। এইটার মত টাইম কিলিং মেশিন মনে লয় দুনিয়ায় আর দুইটা পয়দা হয় নাই। কি ভাবে যে ঘন্টাগুলারে খাইয়া ফালায়। এই ডরে আমি টিভিই দেখি না... :(

তবে ফারহানের লেখাটা পড়ে মজা পাইছি। ভাল লাগছে...
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:০১

লেখক বলেছেন: ন্যাট জিও আসলেই টাইম কিলিং। সেদিক থেকে বই আর ব্লগও তাই, কি আর করা!:|

৩৫. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:১৪
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: কয়েকটা জানতাম (টায়ার বিষয়ক)। ন্যাট জিও কি ন্যাশনাল জিওগ্রাফিককে বুঝাচ্ছেন?
ফারহান ভাই, এই পোস্টের জন্য কইস্যা প্লাস। ;)
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০৪

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক। :)

৩৬. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৩২
ইচ্ছে বলেছেন: অনেকদিন আগে এই পর্বটা দেখছিলাম। ওদের প্রায় সব প্রোগ্রামই দেখা পরে, জীবনে একবারও বাংলাদেশের বাহিরে না যেয়েও ওদের কল্যানে সমগ্র পৃথিবীর অনেক কিছু দেখা হয়ে গেছে....

টিভি তে মিস করলে ওয়েবে দেখা যেত আগে, লিন্কটা মনে হয়

http://www.ngcasia.com/programmes/a-z/i



এইটা মেইন সাইট
http://www.ngcasia.com/

++++++++
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:০৬

লেখক বলেছেন: কথা ঠিক, জীবন্ত বর্ণনা আর মেকিং। লিংকটা কাজে লাগবে, আস্তেধীরে দেখতে হবে, ধন্যবাদ।:)

৩৭. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:২৮
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম। তবে না জানলেও যে খুব বড় কোনো ক্ষতি হত, এমন নয়! ধন্যবাদ অনেক।
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৯

লেখক বলেছেন: হাহাহাহা, কোন কিছু না জেনেও তো ১টা জীবন কাটিয়ে দেয়া যায়, কোন সমস্যা হয় না, তাও তো আমরা জানি। পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।:)

৩৮. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৭
ফ্রুলিংক্স বলেছেন: অনেক আগে বিটিভি'তে শুক্রবারে believe it or not নামে একটি অনুষ্টান হতো। দেশে বেশ মজা পেতাম। তবে বুঝতাম খুবই অল্প।

জার্মান বিভিন্ন চ্যানেলে বাচ্চাদের জন্য সপ্তাহান্তে বেশ কিছু সাধারন বিজ্ঞান চর্চার অনুষ্টান হয়। ইংল্যান্ডেও দেখেছি এরকম কিছু অনুষ্টান। কিছু চ্যানেল তো সারাক্ষনই বিভিন্ন ট্যাকনোলজি দেখাতেই ব্যস্ত। দেখি আর ভাবি ওরা কতো দূরে চলে গেছে। আমরা কতোদূরে অবস্হান করছি।

অনুষ্টানগুলো দেখি আর চিন্তা করি আমাদের দেশে কিসব আউল-ফাউল অনুষ্টান ডাবিং করে চালানো হয়। অথচ এরকম কিছু অনুষ্টান ডাবিং করে উপস্হাপন করা হলে নতুন প্রজন্মগুলো অনেক বেশী উপকৃত হতো।

প্লেনের চাকার ভেতরে কিন্তু সাধারন বাতাস (যেগুলো গাড়ি অথবা সাইকেলের ব্যবহার করা হয়) ব্যবহার করা হয় না।
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৫৪

লেখক বলেছেন: একটা জাতিকে ধ্বংস করার সেরা উপায় হলো তার জ্ঞানকে ধ্বংস করে দেয়া। এই দেশে আলিফ লায়লা ডাবিং করে প্রচার করবে, ক্যামনে সাজগোজ করা যায় তার উপর চ্যানেলগুলা শত শত অনুষ্ঠান বানাবে, হালফ্যাশানের তারকার স্টাইল নিয়ে অনুষ্ঠান হবে কিন্তু একটা "ডিড ইউ নো দ্যাট" করবে না।
হ্যাঁ, কমপ্রেসড নাইট্রোজেন ব্যবহার করা হয়। একটা কারণ, নাইট্রোজেন নিষ্ক্রিয় পরিবেশ সৃষ্টি করে ফলে চাকার রাবার ক্ষয় হয় না, এছাড়া উচ্চতার সাথে চাপের তারতম্য কম হয়। অনেক বেশি উচ্চতায়, যেখানে তাপমাত্রা কম, সেখানে সাধারণ বাতাসের ফ্রিজিংয়ের সম্ভাবনা আছে যেটা নাইট্রোজেনের নেই। আর ব্রেকিং হুইলগুলোকে এমনিতেই ড্রাই নাইট্রোজেন দিয়ে সার্ভিস করানোর কথা যাতে ব্রেক করার সময় আগুন না ধরে যায়, সেজন্য একবারে নাইট্রোজেনই ব্যবহৃত হয়।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৫৫

লেখক বলেছেন: সেইটাই।:)

৪০. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১৪
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: জানলাম :) পাশের পোলাপানগুলারে কইয়া পাটও নিলাম ;)
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৫৫

লেখক বলেছেন: পাট নিয়া লাভ নাই, আমিও ন্যাট জিও থাইকা কপি মারসি।:)

৪১. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:২০
ভাইটামিন বদি বলেছেন: জানার কোন শেষ নাই...জানার চেষ্টা বৃথা তাই....

তবুও জানতে চাই.....সো আরো জানাবেন ভাই...

এই দাবীই জানিয়ে যাই.....(কাব্য চেষ্টা!!!)
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১১

লেখক বলেছেন: আহা, হীরক রাজার দেশে!:) তবুও জানতে চাই।

৪২. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৩২
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: দারুন লাগলো বর্ননা ।

আসলেই অজানা --

এই টাইপের আরো পোষ্ট আশা করছি ।

অভাগা জাতি যদি আপনার কারনে কিছু জ্ঞান সন্চয় (বানান ভুল ; ঠিকটা জানি কিন্তু এইখানে লেখতে পারছি না) করতে পারে ।

সাবু রে ও ++


২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৪

লেখক বলেছেন: এই অভাগা অকাজের জ্ঞান কুড়ানোর চেষ্টা করে মাঝে মাঝে, মাঝ দিয়া আপনাদেরও সময় নষ্ট।:)

৪৩. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৪
আবু সালেহ বলেছেন:
অনেক কিছু জানতে পারলাম ফারহান ভাই....

আছেন কেমন??

ঈদে কি করলেন??
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩২

লেখক বলেছেন: আছি একরকম, ঈদে ঝিমাইসি, বড় হয়ে গেছি, বুঝা যায়।:|

৪৪. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৪
আকাশনীল বলেছেন: জ্ঞানী পুস্ট। জানার আছে অনেক কিছু :)
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৩

লেখক বলেছেন: হ, জানার শেষ নাই।

৪৫. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৭
নাজনীন খলিল বলেছেন:
ধন্যবাদ ফারহান।কত অজানারে জানাইলে তুমি.......................:)
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৮

লেখক বলেছেন: অনেকদিন পর, কেমন আছেন?:)

৪৬. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫৩
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: ডিটেইল পড়তে পারলাম না, তবুও ভালো লাগলো। :)
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১৩

লেখক বলেছেন: যতটুকু পড়েছেন তাতেই হবে।:)

৪৭. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৩২
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: জানিনা কিছুই !!! সব ই অজানা ,প্রায়ই এটা টের পাই ...... হতাশ লাগে আবার স্বাভাবিক হয়ে যাই যখন ভাবি,
"জানার কোন শেষ নাই, জানার চেষ্টা বৃথা তাই! "
কিন্তু আবার সেই স্রষ্টার সরাসরি কথাঃ
"যারা জানে আর যারা জানেনা, তারা কি কখনো সমান হতে পারে? " এই জানা অবশ্য ভিন্ন কিছু .........আরো মহান কিছু......

অফটপিক টাইপ কমেন্টের জন্য ক্ষমাপ্রার্থী! আমার টিভি দেখা হয়না , এটলিস্ট পোস্ট পড়ে বুঝলাম , ভালো জিনিশপত্র ই দেখায় টিভিতে !





৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:০৩

লেখক বলেছেন: আমারো টিভি দেখা কম, ন্যাট জিও, ডিজনী, নইলে খেলা, এর বেশিদূর না, বাকিগুলো ঠিক হজম হয় না।
সবকিছু মনে হয় না জানলেও চলে, তবে কৌতুহল জিনিসটা বেশ তীব্র, না জানলে কেমন কেমন যেন লাগে সবসময়ই।:)

০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।:)

৪৯. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৬
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: খাইছে!!!!
টাকা পয়সা তো বালু না!!!
খুতখুতে হওয়া যাইব না!!!
০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৩

লেখক বলেছেন: আসলেই টাকা-পয়সা বেশি ভালু না।

০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।:)

৫১. ২৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৭
কাব্য বলেছেন: জানার আছে অনেক কিছু !
২৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৭

লেখক বলেছেন: আবার কয়!

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। :)

৫৩. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৯
আহাসান বলেছেন: মাঝে মাঝে কাজে অবহেলাও সুফল আনে দেখা যায়! :)
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৫৬

লেখক বলেছেন: তা আনে। :)

 

মোট সময় লেগেছে ০.৫০৬৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
খুব সাধারণ মানুষ ..এখনো বেকার,পড়ছি পুরকৌশল এ। মাথা একটু গরম,একটু বোকাও,তবে মানুষটা মনে হয় আমি খারাপ না।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ