অতি সম্প্রতি দেশে যে হারে ইভটিজিং বেড়ে চলেছে তা যেনো অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে।
* আমরা আর কোনো মিজানুর এর মৃত্যুর খবর শুনতে চাই না। শুনতে চাই, ঐ সমস্ত কুলাঙ্গারদের বিরুদ্ধে কি ব্যাবস্থা নেয়া হয়েছে-কি শাস্তি দেয়া হয়েছে ইভটিজার,ধর্ষক আর বখাটেদের। ইভটিজিং এর শিকার মেয়েদের,তাদের পরিবারের সদস্যদের বিড়ম্বনার কাহিনী শুনতে চাই না কোনো নেতার মুখে মঞ্চের ভাষনে-উপযুক্ত বিচারের প্রমান চাই। পত্রিকার পাতায় দেখতে চায় না- ইভটিজিং সইতে না পেরে কোনো মেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে,মামলা করার অপরাধে তার পরিবার গ্রাম ছাড়া কিম্বা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আমরা পত্রিকার পাতা খুলে দেখতে চাই-ইভটিজিং করার অপরাধে অপরাধীর কি সাজা হয়েছে,তাকে গ্রাম ছাড়া করা হয়েছে কিম্বা কুকুরের মত মেরে ফেলা হয়েছে এমন খবর।পত্রিকার পাতায় দেখছতে চাই- বখাটে,মাস্তান-ইভটিজারদের ছবি-অপরাধী হিসাবে সমাজে তাদেরকে পরিচিত করতে হবে,যেনো সবাই ঐ সমস্ত কুৎসিত মিখগুলো চিনে রাখতে পারে।-ঐ সমস্ত ঘটনার শিকার নিরিহ মেয়ে বা সাধারন মানুষ এর ছবি ছাপানো বন্ধ করতে হবে।
যে সমস্ত নেতারা এ জাতীয় অপরাধীদের আশ্রয় প্রশ্রয় দেয় বা দেবে--দল মত নির্বিশেষে তাদের বিরুদ্ধে গনপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে এবং সেই সমস্ত নেতাদের চ্যালা সহ গনধোলায় দিয়ে এলাকা ছাড়া করতে হবে। আর এ ক্ষেত্রে যদি মানবাধীকার কর্মিরা কথার খৈ ফোটাতে আসে-তবে ঐ কটাকে আগে ধোলায় করতে হবে! আর তখনি ওরা বুঝবে,এ দেশে ক্রস ফায়ার কতটা প্রয়োজনীয়!!!শেরাটন সোনারগাঁয়ে বসে মানবাধীকার ফলায়, জানেনা সন্ত্রাস কি রকম হয়-সন্ত্রাসীরা আসলে মানুষ বলে বিবেচিত হতে পারে কি না! যারা পুরো সমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে,তাদের পক্ষালম্বন করে মানবাধীকার কর্মিরাও এক শ্রেনীর সন্ত্রাসীতে পরিনত হচ্ছে।
পশু প্রেমিরা পোষা কিম্বা বন্য প্রানী মারতে বিরোধীতা করতে পারে, কিন্তু--পাগলা কুকুর নিধন করতে যেমন মানা করতে পারে না--তেমনি--সমাজের দুষ্টু ক্ষত-ঐ সমস্ত বখাটে,মাস্তান,খুণী-সন্ত্রাসী আর ইভটিজিং এর মত বয়াবহ ক্যান্সারে যারা আক্রান্ত তাদের ক্রস ফায়ার দিতেও মানবতার মুখোশ পরা মানবতাবাদিরা নিষেধ করতে পারে না।সে অধীকার তাদের দেওয়া উচিৎ না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


