সেদিন বসে বসে কিছু গবেষনাপত্র পড়ছিলাম, একটা জিনিস পড়ে চমকে উঠলাম, যদিও এটা হয়তো আগেই অবধারিত ছিল
কমোডিটিস মার্কেটের ফিউচারগুলোর ওঠানামা আগে হতো মানুষের মতামত অনুযায়ী। বর্তমানে বেশ কিছু পরিবর্তনের মাধ্যমে এগুলোর পুরোটুকুই এখন আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স দিয়ে চালানো হয়। সোজা কথায় কিছু কিছু কম্পিউটার প্রোগ্রাম বর্তমান পরিবেশের আর্থসামাজিকতার উপর ভিত্তি করে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিষপত্রের দাম নির্ধারন করছে। যদিও এটা হয়তো কিছুটা হিউম্যান ইন্টরএকশান থাকে, তবে বেশিরভাগ হাই প্রাইসড কমোডিটিস এখন তেল, সোনা, যুদ্ধের বা পঙ্গপালের খবরের উপর ভিত্তি করে অটোমেটিকালি হোলসেল কমোডিটি ফিউচারগুলোর দাম বাড়াবে বা কমাবে।
আগের যুগে এসব দাম বাড়া কমার একটা রিজিওনাল বেসিস ছিল, এটলিস্ট ইনফরমেশনাল গ্যাপের জন্য অনেকসময় সরবরাহের ঘাটতি আসার আগে খারাপ কোন খবর আসত না। এখন পাকিস্তানে গীর্জা পুড়লে তুলার দাম বাড়ে, ইরানের খোমেনী গরম ভাষন দিলে তেলের দাম বাড়ে, এসবই আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স দিয়ে বাড়ানো কমানো হচ্ছে
আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স দিয়ে প্লেন চালানো হচ্ছে, আমাদের চলাফেরা, বিদেশ যাত্রা, টিকা বা অন্যান্য ওষুধের ডিস্ট্রিবিউশন এসবের ট্রাকিং করা হচ্ছে। এখন খাবারদাবারের মূল্যও বাড়াচ্ছে কমাচ্ছে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স
আমরা কি যন্ত্রের দাস? না কি যন্ত্র আমাদের দাস?
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই মার্চ, ২০১৫ সকাল ৯:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


